Arambagh: ছাত্রকে মেরে শাসন করেছিলেন শিক্ষক, পাল্টা অভিভাবকও দিলেন ‘শিক্ষা’!

Arambagh_(3)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচিং সেন্টারে টিউশন পড়তে গিয়ে পড়া না পারায় শিক্ষকের মার জুটেছিল ছাত্রের কপালে। বাড়িতে ফিরে বাবাকে সে কথা জানায় আক্রান্ত ছাত্র। এরপর কোচিংয়ের ওই শিক্ষককে পাল্টা পেটানোর অভিযোগ উঠল অভিভাবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে আরামবাগে। মার-পাল্টা মারে জখম হয়েছেন অভিভাবক-শিক্ষক দু’জনেই। বুধবার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগ (Arambagh) পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদুর এলাকায়। জখম শিক্ষকের নাম সামিম চৌধুরী।

ঠিক কী ঘটেছে?

জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো ২৩ মে আরামবাগের (Arambagh) চাঁদুর এলাকায় কোচিং সেন্টারে পড়াতে গিয়েছিলেন সামিম সাহেব। সেই সময় শেখ নাসিম নামে এক ছাত্রকে পড়া ধরেন তিনি। ওই ছাত্র পড়া বলতে পারেনি। উল্টে কোচিং ক্লাসে দুষ্টুমি করছিল বলে অভিযোগ। অনেকবার বারণ করা সত্ত্বেও না শোনায় রেগে গিয়ে ছাত্রকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান সামিম, এমনটাই অভিযোগ। শিক্ষকের মারে ছাত্রটি মারাত্মকভাবে জখম হয় বলে দাবি পরিবারের। ছাত্রটি বাড়ি ফিরে গোটা বিষয়টি পরিবারকে জানায়। অভিযোগ, এরপরই জখম ওই ছাত্রের পরিবারের লোকজন কোচিং সেন্টারে রে রে করে ছুটে যান। কেন ছাত্রকে মারধর করা হয়েছে, তা  ওই শিক্ষকের কাছে জানতে চান তাঁরা। তা নিয়ে শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে তুমুল কথা কাটাকাটি। এরপরই শিক্ষককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। শিক্ষকও পাল্টা চড়াও হন অভিভাবকের উপর। ঘটনার জেরে উভয়কেই চিকিৎসা করাতে হয়েছে।

কী বললেন অভিভাবক?

ছাত্রের বাবার অভিযোগ, “আমার ছেলের শরীর এমনিতেই খারাপ ছিল। কিছুদিন আগেই নার্সিংহোম থেকে বাড়ি নিয়ে এসেছি। ওই  শিক্ষক আমার ছেলেকে এমন মেরেছে যে তার নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বেরিয়ে গিয়েছে। এই কোচিং সেন্টার যেন এখন বন্ধ থাকে।”

কী বললেন আক্রান্ত শিক্ষকের পরিবারের লোকজন?

শিক্ষকের পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, “ছাত্র দুষ্টুমি করলে শিক্ষকরা মারে। শিক্ষকদের তো শাসন করার অধিকার রয়েছে। তা বলে বাড়ির লোক এনে শিক্ষক পেটাবে, এ কোথায় হয়”?

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share