Arjun Singh: নাম না করে অর্জুনকে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন তৃণমূলেরই বিধায়ক!

Untitled_design_(50)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম না করে অর্জুন সিংকে (Arjun Singh) গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। শুধু তাই নয়, নোয়াপাড়া শহর তৃণমূলের সভাপতি গোপাল মজুমদার খুনের ঘটনায় নতুন করে মামলাটির তদন্ত করারও তিনি দাবি জানিয়েছেন। এই খুনের ঘটনার মূলচক্রীকে গ্রেফতার করা হয়নি। আমার কাছে সমস্ত তথ্য রয়েছে। সবকিছু হলুদ ফাইলে জমা রয়েছে। পুলিশ কমিশনারকে এ বিষয়ে আবেদন জানাব। মূলত তার বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে এই খুনের পিছনে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের দাপুটে নেতা রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত করেন। অর্জুন সিং ইস্যুকে সোমনাথ শ্যাম ফের মুখ খোলায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

বারাকপুরে জিইয়ে রইল তৃণমূলের দ্বন্দ্ব (Arjun Singh)

বেশ কিছুদিন ধরে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) সঙ্গে সোমনাথের দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কোন্দল ঠেকাতে রাজ্য নেতৃত্ব সরাসরি হস্তক্ষেপ করে। রাজ্য নেতা সুব্রত বক্সির নির্দেশ মেনে সোমনাথ ইস্যুতে অর্জুন মুখে কুলুপ এঁটেছেন। শনিবার সুব্রত বক্সি নিজে উদ্যোগী হয়ে নৈহাটি উৎসবে এসে অর্জুন-সোমনাথ দ্বন্দ্বে ইতি টানতে চেয়েছিলেন। দুপক্ষকে একসঙ্গে বসিয়ে সমঝোতা করার চেষ্টা করেছিলেন এই রাজ্য নেতা। সমঝোতা বৈঠকে হাজির হয়ছিলেন অর্জুন। তবে, গড়হাজির ছিলেন সোমনাথ। ফলে, বৈঠক ভেস্তে যায়। ফলে, বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের দ্বন্দ্ব জিইয়ে রইল তা বলাবাহুল্য।  এই ঘটনার মধ্যেই সোমনাথ সিং এর অর্জুনের নাম না করে এই বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

 ফের বিস্ফোরক সোমনাথ, ঠিক কী বললেন?

সোমনাথ শ্যাম বলেন, ২০১৯ সালের পর থেকে বহু কর্মী আমাদের দলে খুন হয়েছেন। এমনকী বিকাশ বসু খুনের ঘটনার পিছনে কারা রয়েছেন তা খুঁজে বের করা দরকার। কারণ, আমাদের দলের মধ্যে থেকেই কেউ কেউ কর্মীদেরকে খুন করে আমাদের দলকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। আমরা তা হতে দেবো না। আমার কাছে যে হলুদ ফাইল রয়েছে, তাতে এই ধরনের তথ্যই রয়েছে। সেইসব তথ্যই এবার সামনে আনব। নোয়াপাড়া তৃণমূল নেতা গোপাল মজুমদারকে যারা খুন করেছিল তাদের কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শুধু ভাড়াটে খুনিরাই ধরা পড়েছিল। কিন্তু, এই খুনের পিছনে যারা রয়েছে, তাদের এখনও ধরা হয়নি। আমরা এই খুনের মামলাটির পুনরায় তদন্ত করার জন্য পুলিশকে বলবো। তবে, তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত অর্জুনের (Arjun Singh) দিকে।

অর্জুনকে তোপ দাগলেন বীজপুরের বিধায়ক

সোমনাথ শ্যামের মতোই অর্জুন সিংয়ের নাম না করে তোপ দাগলেন বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী। তিনি বলেন, ২০১৯ সালের পর আমাদের একাধিক কর্মী খুন হয়েছেন, দেড় হাজার কর্মী ঘর ছাড়া ছিলেন। বহু বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। ৭০ থেকে ৮০টি পার্টি অফিস দখল করে নিয়েছিল বিজেপি। এখন বিজেপি থেকে আমাদের দলে আসা হনু কোন ডালে বসে সেটার দিকে আমাদের নজর রাখতে হবে।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share