Asansol Protest Rally: ওপার বাংলায় হিন্দুদের ওপর নৃশংসতা, প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন এপারের হিন্দুরা

Asansol_Protest_Rally

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ। দেশজুড়ে হিন্দু নিধন ষজ্ঞ চলছে। বুধবার কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল বেরিয়েছিল। আর শুক্রবার আসানসোলের (Asansol Protest Rally) রাজপথ জুড়়ে প্রতিবাদে ফেটে পড়লেন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের (Hindu jagran Manch) কর্মী-সমর্থকরা। তবে, শুধু সংগঠনের সদস্যরা নয়, তার বাইরে সাধারণ মানুষও প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হয়েছিলেন। ওপার বাংলার হিন্দুদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন এপারের হিন্দুরা।

কী বললেন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের নেতা? (Asansol Protest Rally)

এদিন আসানসোল (Asansol Protest Rally) গির্জা মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়। পরে, হটন রোড হয়ে আশ্রমমোড় শনিমন্দিরে গিয়ে মিছিল শেষ হয়। এদিন মিছিলের শুরুতে কয়েকশো কর্মী-সমর্থকের ভিড় ছিল। মিছিল কয়েক পা এগোতেই কাতারে কাতারে মানুষ মিছিলে যোগ দেন। মিছিলে হাঁটা কর্মী-সমর্থকদের হাতে একাধিক পোস্টার ছিল। পোস্টারে লেখা, ‘বিশ্বের হিন্দু এক হও’, ‘বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচার মানছি না, মানব না’, ‘দিন বদলের সময় হয়েছে’, ‘ঘুম থেকে ওঠো বন্ধু’। এরকম একের পর এক প্রতিবাদী পোস্টার নিয়ে মিছিল শিল্পাঞ্চল দাপিয়ে বেড়ায়। মিছিল দেখতেও রাস্তার দুধারে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেন। তাঁরা মিছিলে সামিল না হলেও এই প্রতিবাদ আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন। হিন্দু জাগরণ মঞ্চের (Hindu jagran Manch) নেতা অমিত সরকার বলেন, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যে অত্যাচার চলছে তা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা তার প্রতিবাদেই সামিল হয়েছি। বাংলাদেশে থাকা হিন্দুদের সুরক্ষার দাবি জানাচ্ছি সেই দেশের সরকারের কাছে। একইসঙ্গে আমাদের দেশের সরকারের কাছে একই আর্জি রাখছি। এই আন্দোলন আগামী দিনে গোটা রাজ্যজুড়ে হবে।

আরও পড়ুন: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নাগ পঞ্চমী, জানুন পৌরাণিক কাহিনী

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা

প্রসঙ্গত, ১০ জুলাই নারায়ণগঞ্জে ইসলামিক মৌলবাদীরা হিন্দুদের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর পাশাপাশি, হিন্দুদের বাড়িগুলিতেও হামলা চালানো হয়। ১৪ জুলাই ঢাকাতে একই ধরনের ঘটনা ঘটে। ২০ জুলাই বরিশালে হিন্দুদের ব্যবসার প্রতিষ্ঠান এবং বাড়িতে হামলা চালানো হয়। চলতি অগাস্ট মাসের ৪ তারিখ হিন্দু কাউন্সিলর নেতা কাজল রায়কে হত্যা করা হয়। ইস্কন ও কালী মন্দির ভাঙচুর করা হয় নোয়াখালিতে। একই দিনে উগ্র মৌলবাদীরা তাণ্ডব চালাতে থাকে এবং সেখানকার রায়গঞ্জের হিন্দু সাংবাদিক প্রদীপ কুমার ভৌমিককে হত্যা করা হয়। চট্টগ্রামে হিন্দু দোকানগুলিকে লুট করা হয়, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ও সংগঠনগুলি অভিযোগ, ২৯টি জেলাতেই হিন্দুদের উপরে আক্রমণ চলে। হিন্দু সঙ্গীতশিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। নষ্ট করা হয় প্রায় ৩ হাজার বাদ্যযন্ত্র। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভয়াবহ অত্যাচার, নির্যাতনের কথা তুলে ধরছেন সেদেশের হিন্দু মহিলারা। 

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share