Sujaykrishna Bhadra: চার মাসেও ‘কাকু’র কণ্ঠস্বর পরীক্ষা হল না! এসএসকেএমের কাছে রিপোর্ট চাইল আদালত

kalighater_kaku

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও চার মাস হয়ে গেল সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’র কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করা গেল না। এ প্রসঙ্গে রীতিমতো বিস্ময় প্রকাশ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। এদিন মামলার সওয়াল জবাবে ইডির আইনজীবীর কাছে বিচারপতি জানতে চান, “গত চার মাসে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট করা সম্ভব হয়নি?” এসএসকেএমের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনে ইডির আইনজীবী জানান, “তাঁরা নানাভাবে চেষ্টা করেও পারেননি। প্রতিবারই সুজয়কৃষ্ণের নানা ধরনের অসুস্থতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেছে এসএসকেএম হাসপাতাল।”

এসএসকেএম-এর রিপোর্ট মানতে নারাজ ইডি

ইডির কথা শুনেই বিস্ময় প্রকাশ করে আদালত। এরপরই সুজয়কৃষ্ণের সমস্ত মেডিকেল রিপোর্ট এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে চেয়ে পাঠান বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।  তাঁর নির্দেশ, আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে ‘কাকু’র রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে। রিপোর্ট দিতে হবে এসএসকেএম হাসপাতালের সুপারকে। যদিও ইডি জানিয়েছে, ওই রিপোর্টে তাদের ভরসা নেই। হাইকোর্ট জানায়, আগে রিপোর্ট পেয়ে তার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আদালতে ইডি মঙ্গলবার জানিয়েছে, ওই হাসপাতালের উপর কোনও বিশ্বাস নেই। এসএসকেএম হাসপাতালের সুপার তথা চিকিৎসক পীযূষকুমার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে অভিযোগও তুলেছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী ফিরোজ এডুলজির দাবি, পীযূষকুমার মেডিক্যাল রিপোর্টে কারচুপি করছেন।

আরও পড়ুন: ষাটোর্ধ্বদের মাস্ক বাধ্যতামূলক! দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘পিরোলা’, সতর্ক স্বাস্থ্য মন্ত্রক

রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেবে হাইকোর্ট

এদিন আদালতে ইডির আইনজীবী এসএসকেএমে সুজয়কৃষ্ণের চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি এদিন আদালতে দাবি করেন, “এসএসকেএমের তরফে কাকুর অসুস্থতা নিয়ে যা বলা হচ্ছে তা ঠিক নয়। আমাদের কাছে বেশ কিছু ফুটেজ রয়েছে, যাতে দেখা যাচ্ছে হাসপাতালের কেবিনে বেশ আরামেই রয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ।” ইডি জানায়, এসএসকেএমের রিপোর্টকে তারা বিশ্বাস করে না। ইএসআই হাসপাতালে তারা পাল্টা পরীক্ষা করাতে চায়। হাই কোর্ট বলে, ‘‘আগে এসএসকেএমের রিপোর্ট পাই। কী বলে দেখি। তার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাব।’’ এদিকে মানসিক চাপ থেকেই হৃদযন্ত্রে প্রভাব পড়ছে কিনা জানার জন্য সুজয়কৃষ্ণর ‘স্ট্রেস এমপিআই টেস্ট’ করাতে চাইছে এসএসকেএম। এ ব্যাপারে এসএসকেএম হাসপাতালের পাঠানো  চিঠির ভিত্তিতে তাঁদের কী করণীয় তা জানতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানায় প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ। এসএসকেএমের রিপোর্ট পাওয়ার পরই এ ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আদালত সূত্রের খবর।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share