Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: “ভারতে ১০টি নয়া সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প উৎপাদনে এসেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতে ১০টি নয়া সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প উৎপাদনে এসেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতে ১০টি নতুন সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প উৎপাদনে আসার ফলে এর বহুগুণ প্রভাব ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প, স্টার্টআপ এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের পুরো ভ্যালু চেইনে পৌঁছে যাবে (Micron Plant Inauguration)।” মাইক্রনের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিশ্বের কাছে বার্তা পৌঁছে গিয়েছে—ভারত সক্ষম, প্রতিযোগিতামূলক এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারী ও ভারতের অংশীদারদের আশ্বস্ত করছি যে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার—উভয়ই আপনাদের পাশে রয়েছে।”

    দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব (PM Modi)

    বর্তমান প্রযুক্তিগত দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে তিনি বলেন, “এই দশক ভারতের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের জন্য এক মোড় পরিবর্তনের সময় হিসেবে প্রমাণিত হবে।” বিশ্ব প্রযুক্তি শক্তির পরিবর্তন প্রসঙ্গে মোদি বলেন, “এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিপ্লবের শতাব্দী। সেমিকন্ডাক্টর এই বিপ্লবের একটি প্রধান সেতুবন্ধন। গত শতাব্দীতে যেমন তেল ছিল নিয়ন্ত্রক শক্তি, এই শতাব্দীতে মাইক্রোচিপ হবে নিয়ন্ত্রক।” তিনি আরও বলেন, “যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির সঙ্গে লড়াই করছিল, তখনই ভারত সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প ঘোষণা করেছিল। মহামারির সময় সবকিছু ভেঙে পড়ছে বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু আমরা যে দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে বীজ বপন করেছিলাম, তা এখন অঙ্কুরিত হয়ে ফল দিচ্ছে (PM Modi)।” দেশে ইলেকট্রনিক পণ্যের চাহিদা ও উৎপাদন বৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারতের বিশাল জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এখন (Micron Plant Inauguration) গ্যাজেটের বড় ভোক্তা হয়ে উঠছে এবং দেশে চাহিদা বাড়ছে। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ পূর্ণ গতিতে এগিয়ে চলছে। গত ১১ বছরে ইলেকট্রনিক উৎপাদন ও রফতানি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।”

    বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের সেবা

    সানন্দে নির্মিত এই উৎপাদন কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে প্রায় ৫ লাখ বর্গফুট ক্লিনরুম স্পেস থাকবে, যা বিশ্বের বৃহত্তম রেইজড-ফ্লোর ক্লিনরুমগুলোর একটি হবে। এই কেন্দ্রটি বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের সেবা দেবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিংয়ের দ্রুত অগ্রগতির ফলে মেমোরি ও স্টোরেজ সমাধানের যে বাড়তি বৈশ্বিক চাহিদা তৈরি হয়েছে, তা পূরণে সহায়তা করবে (PM Modi)। মোট ২২,৫০০ কোটিরও বেশি রুপি বিনিয়োগে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ অনুমোদনের পরপরই শুরু হয়, যা দেশে কৌশলগত সেমিকন্ডাক্টর বিনিয়োগ দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এই উৎপাদন কেন্দ্রের স্থাপন ও কার্যক্রম শুরু হওয়া প্রমাণ করে যে ভারত এখন সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের ক্ষেত্রে একটি বিশ্বস্ত ও প্রতিযোগিতামূলক গন্তব্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি (Micron Plant Inauguration) দেশে একটি স্থিতিশীল ও আত্মনির্ভর প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রধানমন্ত্রীর ভিশনের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ (PM Modi)।

     

  • Canada: ‘কানাডা-ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’র সূচনা, কী বললেন কানাডার প্রতিনিধি?

    Canada: ‘কানাডা-ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’র সূচনা, কী বললেন কানাডার প্রতিনিধি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই উন্নত হচ্ছে ভারত-কানাডা (Canada) সম্পর্ক। শনিবার সূচনা হয় ‘কানাডা-ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’র। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজেস অ্যান্ড ইনস্টিটিউটস কানাডার (Canada India Talent) প্রেসিডেন্ট তথা সিইও প্যারি জনস্টন। তিনি একে ভারতের দক্ষতা ও উদ্যোগ মন্ত্রকের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক প্রথম পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন।

    জাতীয় স্কিল সেন্টার (Canada)

    জনস্টন জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় স্কিল সেন্টারগুলির উন্নয়নে সহায়তা করা হবে। প্রয়োগমুখী শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষানবিশ বিষয়ে কানাডার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া হবে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কৃষি-খাদ্য খাত-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা উন্নয়ন পরিকল্পনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগ আমাদের ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা ও উদ্যোগ মন্ত্রকের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় প্রথম পদক্ষেপ। আমরা জাতীয় স্কিল সেন্টারগুলির উন্নয়নে সহায়তা করব এবং প্রয়োগমুখী শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষানবিশ কর্মসূচির ক্ষেত্রে কানাডার দক্ষতা ভাগ করে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, এআই এবং কৃষি-খাদ্য ক্ষেত্রের ভারতীয় দক্ষতা পরিকল্পনাকে সমর্থন করব।” জনস্টন বলেন, “দু’সপ্তাহের মধ্যে আমরা ভারতে আসছি। কলেজ ও পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানের কর্তারা আইটিআই, বেসরকারি খাত ও সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যাতে যৌথভাবে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা যায় (Canada)।”

    ইন্দো-কানাডিয়ান বিজনেস চেম্বার

    এদিকে, ইন্দো-কানাডিয়ান বিজনেস চেম্বারের সিইও নাদিরা হামিদ দুই দেশের সম্পর্কের বৃহত্তর প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “এখানে এসে এই সুন্দর সম্পর্ককে বিকশিত হতে দেখা সত্যিই আনন্দের। কিছু বছর চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে গিয়েছে, কিন্তু এখন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীই সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী। আমরা অত্যন্ত অনুপ্রাণিত এবং আরও কাজ করতে চাই (Canada India Talent)।” বাণিজ্য সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ভারত ও কানাডার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। হামিদ বলেন, “সিইপিএ পুনরায় আলোচনায় আনা হয়েছে এবং আমরা আশাবাদী যে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে সমাধান হবে। দুই দেশের হাইকমিশনার ও কূটনীতিকরা পুনর্বহাল হয়েছেন, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজ করবে। নীতিগুলি পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে এবং বিনিয়োগ, সম্প্রসারণ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে সংস্থাগুলির মধ্যে আস্থা বেড়েছে। এই আস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বার্তা স্পষ্ট—কানাডা এখানে দীর্ঘমেয়াদে থাকতে আগ্রহী এবং প্রধানমন্ত্রী সম্পর্ক পুনর্গঠনে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন।”

    প্রযুক্তিগত সহযোগিতা

    অন্যদিকে, রেসপিরার লিভিং সায়েন্সেসের প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও রোনাক সুতারিয়া প্রযুক্তিগত সহযোগিতার প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা মূলত বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও প্রশমন নিয়ে কাজ করি। টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমরা মডেলিং টুল তৈরি করছি। আইআইটি বম্বে এবং টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবেও কাজ করেছি। একটি (Canada) দিক হল দূষণ ও নির্গমন পর্যবেক্ষণ—এই প্রযুক্তি কানাডার জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আমরা কানাডায় বায়ুগুণমান, দূষণ ও নির্গমন পর্যবেক্ষণে এই প্রযুক্তি প্রয়োগে সহায়তা করতে পারি। পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে যৌথভাবে সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজও চলছে (Canada India Talent)।” শনিবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মুম্বইয়ে একটি উদ্ভাবনী প্রদর্শনীতে অংশ নেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    ভারত সফরে কার্নি

    চার দিনের ভারত সফরে আসা কার্নি ২ মার্চ নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন। তাঁর সফরের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভারত ও কানাডা ‘ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’ চালু করেছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (রাষ্ট্রমন্ত্রী) জয়ন্ত চৌধুরী বলেন, “ভারত বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা সহযোগিতা গভীর করা এবং দক্ষতার চলাচল শক্তিশালী করতে কানাডার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত (Canada)।” তিনি বলেন, “ইন্ডিয়া-কানাডা ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি সময়োপযোগী এবং তা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। এর চারটি স্তম্ভ—ভারতের অগ্রাধিকার খাতে কানাডীয় সক্ষমতা সংযোজন, জ্ঞান ও দক্ষতাকে অর্থনৈতিক ফলাফলে রূপান্তর, দুইমুখী চলাচল গভীর ও ভারসাম্যপূর্ণ করা, এবং দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্বাসযোগ্যতা প্রদর্শন—আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ (Canada India Talent)।” তিনি আরও বলেন, “আমরা এই অংশীদারিত্বকে শুধু শিক্ষা উদ্যোগ হিসেবে নয়, আমাদের যৌথ ভবিষ্যতে একটি যৌথ বিনিয়োগ হিসেবে দেখি।”

    কার্নির প্রথম সরকারি সফর

    ২৭ ফেব্রুয়ারি কার্নি তাঁর প্রথম সরকারি সফরে মুম্বই পৌঁছান। ১ মার্চ তিনি নয়াদিল্লি পৌঁছাবেন এবং ২ মার্চ হায়দরাবাদ হাউসে প্রতিনিধি-স্তরের বৈঠকে অংশ নেবেন। দুই নেতা কানানাস্কিস ও জোহানেসবার্গে তাঁদের আগের বৈঠকের ভিত্তিতে ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন (Canada)। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে পর্যালোচনা চলছে, তা নিয়েও আলোচনা হবে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হবে। দুই প্রধানমন্ত্রী ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরামেও যোগ দেবেন। এই সফর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে (Canada India Talent)।

    এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক সম্মান, সংবেদনশীলতা, জনগণের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে গঠনমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে একমত হয়েছেন (Canada)। বিদেশমন্ত্রকের এক বিবৃতিতে বলা হয়, আসন্ন বৈঠক দুই দেশের ইতিবাচক গতি ও ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্বের যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিকে পুনরায় নিশ্চিত করার সুযোগ দেবে।

     

  • কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) ভোট চুরির অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুক্রবার তিনি বলেন, “গত কয়েক দশক ধরে দলটি মানুষের সমর্থন হারাচ্ছে এবং মিলেনিয়ালরা বিরোধী দলকে শিক্ষা দিয়েছে, এবার জেন জেডও প্রস্তুত”। ‘রাইজিং ভারত সামিটে’ বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতৃত্বাধীন সরকারকেও নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, এই রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্রের কিছু কল্যাণমূলক প্রকল্প আটকে দিয়েছে।

    “শার্টলেস প্রতিবাদ” নিয়ে তোপ (PM Modi)

    এআই সামিট চলাকালীন ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের ‘শার্টলেস’ প্রতিবাদ নিয়ে তিনি কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “বিরোধী দল বিদেশি অতিথিদের সামনে শুধু পোশাকই খোলেনি, নিজেদের মতাদর্শগত দেউলিয়াপনাও প্রকাশ করেছে।” তাঁর অভিযোগ, আদর্শের নামে কংগ্রেস এখন শুধু বিরোধিতার টুলকিটে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, কংগ্রেস ও তার মিত্ররা কখনও সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেনি। গরিব মানুষের কষ্ট নিয়ে তাদের কোনও উদ্বেগ নেই (PM Modi)। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আজ পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কার্যকর হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় সারা দেশে দরিদ্রদের জন্য পাকা বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে। তামিলনাড়ুতে প্রায় ৯.৫ লক্ষ বাড়ি বরাদ্দ হয়েছে, কিন্তু তার মধ্যে ৩ লক্ষ বাড়ির নির্মাণ আটকে রয়েছে। “কেন? ডিএমকে সরকার আগ্রহ দেখাচ্ছে না কেন?”

    ইন্ডি জোট

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে নির্বাচন হবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং ডিএমকে কংগ্রেসের সঙ্গে ইন্ডি জোটের অংশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের প্রতিবাদে মানুষের ক্ষোভ বাড়ায় কংগ্রেস মহাত্মা গান্ধীকে সামনে আনার চেষ্টা করেছে। এআই সামিট ছিল দেশের গর্বের মুহূর্ত। কিন্তু দেশের প্রাচীনতম দল সেই অনুষ্ঠান কলঙ্কিত করতে চেয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, “পাপ ঢাকতে হলে কংগ্রেস (Congress) বাপুকে সামনে আনে, আর কৃতিত্ব নিতে হলে একটি পরিবারের নাম করে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেসের ভোট কেউ চুরি করছে না, বরং মানুষ আর তাদের যোগ্য মনে করছে না। ১৯৮৪-র পর থেকেই কংগ্রেসের ভোট কমতে শুরু করেছে। এখন মাত্র চারটি রাজ্যে তাদের ৫০-এর বেশি বিধায়ক রয়েছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “প্রথমে মিলেনিয়ালরা শিক্ষা দিয়েছে, এখন জেন জেডও প্রস্তুত।” ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জাতি গঠন স্বল্পমেয়াদি চিন্তায় হয় না, এর জন্য প্রয়োজন বড় দৃষ্টি, ধৈর্য ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

    কংগ্রেসকে তোপ

    গণতন্ত্রে বিরোধিতা মানে অন্ধ বিরোধিতা নয়, বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস সব ভালো কাজেরই বিরোধিতা করে, যেমন নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ বা অশোক স্তম্ভের সিংহ প্রতীক (PM Modi)।” তিনি জানান, বিদেশি জাহাজে পণ্য পরিবহণে বছরে ৬ লাখ কোটি টাকা, সার আমদানিতে ২.২৫ লাখ কোটি টাকা এবং পেট্রোলিয়াম আমদানিতে ১১ লাখ কোটি টাকা ব্যয় হয়। এই অর্থ আত্মনির্ভরতার পথে আগে বিনিয়োগ করা হলে দেশ আরও শক্তিশালী হত। তিনি বলেন, “দেশীয় জাহাজ ও বন্দর পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে, সারের উৎপাদন বাড়াতে নয়া কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে, ন্যানো ইউরিয়া, ইথানল মিশ্রণ, গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন, সৌর শক্তি ও ইলেকট্রিক মোবিলিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে (Congress)।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতে উৎপাদন বাড়ালে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমদানি নয়, রফতানির কথা বলবে। দূরদর্শিতার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রমই ২০৪৭ সালের আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ ভারতের ভিত্তি।”

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক

    তিনি জানান, তাঁর সরকার ভারতকে বিশ্বের প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিনে পরিণত করছে এবং উন্নত দেশগুলি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী।ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে জনধন-আধার-মোবাইল ‘ত্রয়ী’ এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে ২৪ লাখ কোটি টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত এখন সৌর শক্তিতে অগ্রণী, রেলব্যবস্থা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ভারত শুধু অনুসারী নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণেও অংশীদার। দেশের নিজস্ব এআই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে।” তিনি জানান, কৃষিখাতে ২৮ লাখ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং পিএম-কিষান প্রকল্পে ৪ লাখ কোটিরও বেশি টাকা সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটাই সঠিক সময়। আমাদের রুটিন কাজ নয়, বিশ্বমানের কাজ করতে হবে (Congress)।”

     

  • India US Trade Deal: সময়ের ফের! ভারতকে কটাক্ষ করা ট্রাম্প সহযোগী লুটনিক ‘লুকিয়ে’ এলেন নয়াদিল্লিতে, কেন জানেন?

    India US Trade Deal: সময়ের ফের! ভারতকে কটাক্ষ করা ট্রাম্প সহযোগী লুটনিক ‘লুকিয়ে’ এলেন নয়াদিল্লিতে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে সময়ের ফের! শুল্ক-যুদ্ধের সময় ভারতকে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই সহযোগী হাওয়ার্ড লুটনিক চুপিসারে এসেছেন ভারত সফরে। অথচ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অচলাবস্থার মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য সচিব বড় মুখে দাবি করেছিলেন— “শেষ পর্যন্ত ভারত শুল্কের চাপে নতি স্বীকার করবে, দুঃখপ্রকাশ করবে এবং একটি চুক্তি করার চেষ্টা করবে।” সেই ছবিটাই বদলে গেল ২৬ ফেব্রুয়ারি। বৃহস্পতিবার লুটনিকই দিল্লিতে এসে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠক করেন, ঠিক সেই সময় যখন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আরোপিত ব্যাপক বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করে দেয় (India US Trade Deal)।

    লুটনিকের সফর (India US Trade Deal)

    এই গোপন বৈঠকটি যুক্তরাষ্ট্র বা ভারত—কোনও পক্ষই প্রকাশ্যে ঘোষণা করেনি। আদালতের রায়ের পর প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি, যা আগামী মাসে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল, তা নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে গোয়েল টুইট না করা পর্যন্ত ভারতে লুটনিকের সফরের খবর জানা যায়নি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মার্কিন দূত সার্জিও গোর। গোয়েল টুইট করেন, “মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক ও সার্জিও গোরকে আতিথ্য জানালাম। আমাদের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।” তবে বৈঠকের বিস্তারিত তিনি জানাননি। কিন্তু “বাণিজ্য” ও “অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব” শব্দের উল্লেখ থেকেই স্পষ্ট যে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি। তিন নেতাই ছবির জন্য পোজ দেওয়ার সময় হাসিমুখে ছিলেন। গয়ালের হাসি যেন একটু বেশিই চওড়া ছিল। সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে আলোচনা শান্ত পরিবেশেই হয়েছে। গোরও বেশি কিছু জানাননি। তিনি টুইট করেন, “আমাদের দুই দেশের জন্য বহু সহযোগিতার ক্ষেত্র রয়েছে। হাওয়ার্ড লুটনিক ও পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ মধ্যাহ্নভোজ।”

    পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলেছে

    লুটনিকের সফরের সময়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। খুব বেশিদিন আগে নয়, এক পডকাস্টে তিনি দাবি করেছিলেন যে— ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি গত বছর বাস্তবায়িত হয়নি, কারণ প্রধানমন্ত্রী মোদি সরাসরি ট্রাম্পকে ফোন করতে অস্বীকার করেছিলেন। এখন পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলেছে, কারণ ট্রাম্পের প্রভাব কমেছে। শুল্ক সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করা বেশ কয়েকটি দেশ নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করছে। কারণ ট্রাম্প এই পারস্পরিক শুল্ককে চুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। এই অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারতও ওয়াশিংটনে নির্ধারিত তার বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর স্থগিত করেছে, যা চুক্তির শর্ত চূড়ান্ত করার উদ্দেশ্যে নির্ধারিত ছিল। ভারতের জন্য আদালতের এই আদেশ কার্যত নতুন করে দর-কষাকষির সুযোগ তৈরি করেছে এবং সম্ভবত আরও অনুকূল শর্ত আদায়ের পথ খুলে দিয়েছে (India US Trade Deal)।

    ট্রাম্পের বক্তব্য

    এই দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি নিঃসন্দেহে ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করেছে। বুধবার তিনি ভারত-সহ অন্যান্য দেশকে “খেলা” না করার এবং বাণিজ্য প্রতিশ্রুতি থেকে পিছিয়ে না আসার সতর্কবার্তা দেন। ট্রাম্প তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ট্রুথ সোশালে লিখেছেন, “যে কোনও দেশ যদি এই সুপ্রিম কোর্টের হাস্যকর সিদ্ধান্ত নিয়ে খেলা করতে চায়—বিশেষ করে যারা বছরের পর বছর, এমনকি দশকের পর দশক ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ঠকিয়েছে—তাহলে তারা সম্প্রতি যে শুল্কে সম্মত হয়েছে তার চেয়েও অনেক বেশি শুল্ক এবং তার চেয়েও খারাপ পরিণতির সম্মুখীন হবে।” বর্তমানে ভারতীয় রফতানি পণ্যের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৩ শতাংশ শুল্ক আরোপিত রয়েছে। প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির অধীনে ট্রাম্প ভারতের ওপর আরোপিত শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ  করেছিলেন। গুরুত্বপূর্ণভাবে, রাশিয়ার তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও তিনি তুলে নিয়েছিলেন (India US Trade Deal)। তবে ভারত ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তারা প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে আসবে না, বরং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে। এই প্রেক্ষাপটেই লুটনিকের নীরব সফর। চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের আগে কি ফের আলোচনা হবে? উত্তর দেবে সময়ই।

     

  • India Canada Relation: “নতুন সুযোগের দরজা খুলবে” মুম্বইয়ে পৌঁছে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রশংসা কার্নির

    India Canada Relation: “নতুন সুযোগের দরজা খুলবে” মুম্বইয়ে পৌঁছে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রশংসা কার্নির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি শুক্রবার সন্ধ্যায় মুম্বই বিমানবন্দরে নেমেছেন। কানাডার (India Canada Relation) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তাঁর প্রথম ভারত সফর। ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের তিক্ততা মিটিয়ে নতুন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ার লক্ষ্যে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই সফরে বাণিজ্য, জ্বালানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে উচ্চাভিলাষী দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলাই প্রধান লক্ষ্য। উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে তিনি মুম্বইয়ে পৌঁছন। এখানে তিনি ভারত ও কানাডার শীর্ষ শিল্পপতি, আর্থিক বিশেষজ্ঞ ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    কখন কোথায় যাবেন কার্নি

    মুম্বইয়ে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে কার্নি (Carney visit India) একটি বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শুরু করবেন, যা আগামী নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় কার্নি বলেন, “ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি। আমরা মুম্বইয়ে পৌঁছেছি ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এবং এমন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে, যা কানাডার শ্রমিক ও ব্যবসার জন্য নতুন দরজা খুলে দেবে।” ১ মার্চ কার্নির নয়াদিল্লিতে যাওয়ার কথা। ২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। ওই বৈঠকে জ্বালানি, শিক্ষা, খনিজ নিরাপত্তা, বাণিজ্যিক সহযোগিতা এবং দু’দেশের জনগণের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সফর কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। এই সফরে শক্তি, খনিজ, পরমাণু সহযোগিতা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    সম্পর্কের নতুন সমীকরণ

    মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে টানাপোড়েনপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে কানাডা আরও শক্তিশালী, স্বনির্ভর ও স্থিতিশীল অর্থনীতি গড়ার দিকে জোর দিচ্ছে। কার্নি বলেন, “এক অনিশ্চিত বিশ্বে কানাডা এমন বিষয়গুলিতে মনোনিবেশ করছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণে। আমরা বাণিজ্য বৈচিত্র্য আনছি এবং ব্যাপক নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করছি, যাতে আমাদের শ্রমিক ও ব্যবসার জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়।” তিনি আরও বলেন, “দেশে স্থিতি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা বিদেশে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি।” কার্নির এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন সূচনার প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। কার্নির এই সফরকে ভারত-কানাডা সম্পর্কের (India Canada Relations) ‘রিসেট’ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তাঁর পূর্বসূরি জাস্টিন ট্রুডোর আমলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে, বিশেষ করে ২০২৩ সালে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের ভূমিকা নিয়ে কানাডার অভিযোগ ঘিরে। ভারত সেই অভিযোগ শুরু থেকেই জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে।

  • S-400 Sudarshan: “শত্রু নজরের বাইরে হতে পারে, কিন্তু নাগালের বাইরে নয়”, বায়ুসেনার ভিডিওতে পাকিস্তানকে বার্তা?

    S-400 Sudarshan: “শত্রু নজরের বাইরে হতে পারে, কিন্তু নাগালের বাইরে নয়”, বায়ুসেনার ভিডিওতে পাকিস্তানকে বার্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force) সম্প্রতি দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা (Air Defence) ব্যবস্থার এস-৪০০ সুদর্শন (S-400 Sudarshan) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে একটি লক্ষ্যবস্তুকে অত্যন্ত দীর্ঘ দূরত্বে ধ্বংস করতে দেখা গিয়েছে। বায়ুসেনা এই ইন্টারসেপ্টকে “সামরিক ইতিহাসে সর্বাধিক দূরত্বের সফল ইন্টারসেপ্ট” হিসেবে উল্লেখ করেছে। এই ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে রাজস্থানের পোখরানে অনুষ্ঠিত হতে চলা বায়ুশক্তি-২০২৬ (Vayu Shakti-2026) মহড়ার ঠিক আগে, যা এর কৌশলগত তাৎপর্য আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

    কৌশলগত বার্তা ও সময় নির্বাচন

    বিশ্লেষকদের মতে, মহড়ার আগে এই ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে ভারত তার আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে একটি স্পষ্ট কৌশলগত বার্তা দিতে চেয়েছে। ভিডিওতে ব্যবহৃত বাক্য—“Enemy may be out of sight but never out of reach”, যার অর্থ— “শত্রু নজরের বাইরে হতে পারে, কিন্তু নাগালের বাইরে নয়”— শুধু প্রযুক্তিগত সক্ষমতার প্রদর্শন নয়, বরং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষের উদ্দেশে একটি মনস্তাত্ত্বিক সতর্কবার্তাও।

    অপারেশন সিঁদুর–এর প্রসঙ্গ

    ভিডিওতে ২০২৫ সালের মে মাসে পরিচালিত অপারেশন সিঁদুর–এর (Operation Sindoor) উল্লেখ রয়েছে। আইএএফ সূত্র জানিয়েছে, ওই অভিযানে এস-৪০০ ব্যবস্থা (S-400) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে, পাকিস্তানের ভূখণ্ডের ভেতরে একটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়। এই দাবি ভারতের স্ট্যান্ড-অফ স্ট্রাইক সক্ষমতার একটি বড় দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    প্রযুক্তিগত সক্ষমতা

    এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ (S-400 Triumf) ব্যবস্থা তৈরি করেছে রাশিয়ার আলমাজ-আন্তেই। ভারতীয় পরিষেবায় এটি “সুদর্শন চক্র” (Sudarshan Chakra) নামে পরিচিত এবং পরিচালনা করে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এস-৪০০ (S-400) এই ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য দিকগুলি হল—

    • ● ৪০এন৬ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
    • ● নজরদারি রেডার অনুকূল পরিস্থিতিতে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দূরত্বে লক্ষ্য শনাক্ত করতে পারে।
    • ● একযোগে একাধিক লক্ষ্যবস্তু ট্র্যাক ও আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে।
    • ● এতে যুদ্ধবিমান, নজরদারি বিমান, ড্রোন, ক্রুজ মিসাইল এবং নির্দিষ্ট ব্যালিস্টিক মিসাইল মোকাবিলার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে।
    • ● স্তরভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষা কাঠামো

    ভূরাজনৈতিক প্রভাব

    এখন ভারতের স্তরভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (Layered Air Defence) কেন্দ্রীয় স্তম্ভ। আকাশ (Akash) ও মধ্যম পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে এটি একটি সমন্বিত প্রতিরক্ষা গ্রিড তৈরি করেছে। এর ফলে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আকাশসীমার নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৮ সালে প্রায় ৫.৪ বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে পাঁচটি এস-৪০০ (S-400 Sudarshan) রেজিমেন্ট কেনার সিদ্ধান্ত ভারতের কৌশলগত অবস্থানকে নতুন মাত্রা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ঝুঁকি সত্ত্বেও এই চুক্তি কার্যকর করা হয়, যা ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত।

    ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

    এস-৪০০–এর (S-400 Sudarshan) দূরপাল্লার ইন্টারসেপ্ট ভিডিও শুধু একটি প্রযুক্তিগত সাফল্যের দলিল নয়, বরং ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা নীতির দৃঢ়তার প্রতীক। ‘বায়ুশক্তি-২০২৬’ (Vayu Shakti-2026) মহড়ার প্রাক্কালে এই ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে ভারত স্পষ্ট করেছে যে, তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন বহুস্তরীয়, আধুনিক এবং দূরপাল্লার হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত। বিশ্লেষকদের মতে, এটি দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা ভারসাম্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

  • Amit Shah : “অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে দেশছাড়া করা হবে”, মমতার সরকারকে কড়া বার্তা অমিত শাহের

    Amit Shah : “অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে দেশছাড়া করা হবে”, মমতার সরকারকে কড়া বার্তা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ নিয়ে আরও একবার রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। পড়শি রাজ্য বিহারে এসে তিনি দাবি করলেন, অনুপ্রবেশের জন্য বাংলার জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। এর জন্য একমাত্র দায়ী রাজ্যে তৃণমূল সরকারের তোষণ নীতি। আসন্ন বিধানসভা (West Bengal Assembly Election 2026) ভোটে বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করেই সব অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো হবে, বলে দাবি করেন শাহ।

    জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক

    বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাহিনী ‘সশস্ত্র সীমা বল’ (এসএসবি)-র নতুন পরিকাঠামো উদ্বোধন করতে গিয়ে শাহ (Amit Shah)বলেন, ‘‘বিজেপি সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হল দেশ থেকে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে বার করে দেওয়া। তাঁরা শুধু জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনকই নয়, ভারতীয় জনগণের জন্য কল্যাণমূলক সুবিধাগুলিরও অবৈধ গ্রাহক। এর ফলে সরকার পরিচালিত প্রকল্পগুলির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ কঠিন হয়ে পড়ে।’’ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে বড় আকারে অনুপ্রবেশের ফলেও দখলদারির ঘটনা বাড়ে বলেও অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেন, “বিহারের জনতাকে কথা দিয়েছিলাম যে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে ভারত থেকে বের করব। ভারতীয় জনতা পার্টির এটাই সঙ্কল্প। দেশের সুরক্ষার জন্য এই অনুপ্রবেশ বড় চ্যালেঞ্জ। এবার সময় এসেছে ভারতকে অনুপ্রবেশ মুক্ত করতে হবে। গোটা সীমান্ত অঞ্চলে খুব তাড়াতাড়িই তা শুরু হবে।”

    জনবিন্যাস পরিবর্তনের আশঙ্কা

    অনুপ্রবেশকারীদের ডেরাগুলি চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি দিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘‘এগুলি ধ্বংস করতে আমরা বদ্ধপরিকর। অনুপ্রবেশ জনবিন্যাস পরিবর্তনের আশঙ্কা তৈরি করে, যা একটি অঞ্চলের সংস্কৃতি এবং এমনকি ভূগোলকেও ধ্বংস করে দিতে পারে। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার ‘সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ’ অঞ্চলগুলি চিহ্নিত করে জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে তা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘জনবিন্যাস বদলের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য থেকে আমরা প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে তাড়াব।’’ অনুপ্রবেশকারী বিতাড়নের উদ্যোগ নীতীশ কুমারের রাজ্য থেকে শুরু হবে বলেও বৃহস্পতিবার সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন শাহ। তিনি বলেন, ‘‘অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানের সূচনা হবে বিহারের এই সীমাঞ্চল অঞ্চল থেকে।

    অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ

    হাতে বড়জোড় আর একমাস। তারপরেই বঙ্গে ভোট। সূত্রের খবর, মার্চের তৃতীয় সপ্তাহেই ভোট ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। এদিকে, ভোট আবহে ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বারবার অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সুড় চড়িয়েছে বিজেপি। এর আগেও বাংলায় অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভোটব্যাঙ্কের জন্য অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিয়েছে। সেকারণেই বারবার এসআইআর করতে বাধা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গ লাগোয়া বিহারের সীমাঞ্চল এলাকার কাটিহার, পূর্ণিয়া, কিসনগঞ্জ, অরারিয়ার মতো জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের জন্য জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে বলে গত কয়েক বছর ধরেই অভিযোগ তুলছে বিজেপি। এদিন শাহ বলেন, ‘‘শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, নির্বাচনে বিজেপি জিতবে। আর অনুপ্রবেশকারীদের বার করে দেওয়া বিজেপি সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’’ সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে প্রবেশ করা বাংলাদেশিরা কী ভাবে জনবিন্যাস বদলে দিচ্ছে, নানা ‘তথ্যপ্রমাণ’ দিয়ে সেই কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    বাংলায় জিতবে বিজেপি

    বৃহস্পতিবার বিহারের আরারিয়া জেলার সীমাঞ্চল এলাকায় এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। আমি নিশ্চিত বিজেপি সরকার গড়বে। নতুন সরকার গঠনের পর প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে দেশছাড়া করা হবে।” বিধানসভা ভোট ঘোষণার ঠিক আগে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া বিহারের সীমাঞ্চল এলাকায় অনুপ্রবেশ, তার কারণে জনবিন্যাসের পরিবর্তন ও অবৈধ ধর্মস্থানের কাঠামো নির্মাণের মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনাসভার আয়োজন করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই উদ্দেশ্যেই বৃহস্পতিবার তিন দিনের জন্য বিহারে পৌঁছেছেন শাহ। তিনি ওই বৈঠকে উপস্থিতি থাকায় ওই সম্মেলনটি আলাদা মাত্রা পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে এ বার বিজেপির প্রচারের অন্যতম হাতিয়ার হতে চলেছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ, তা ফের একবার বুঝিয়ে দিলেন শাহ।

  • INS Anjadip: ভারতীয় নৌসেনায় যোগ দিল নতুন সদস্য, উপকূল রক্ষায় নামল ‘ডলফিন হান্টার’, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    INS Anjadip: ভারতীয় নৌসেনায় যোগ দিল নতুন সদস্য, উপকূল রক্ষায় নামল ‘ডলফিন হান্টার’, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ভারতীয় নৌসেনায় যোগ দিল নতুন প্রজন্মের সাবমেরিন-বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ আইএনএস অঞ্জদীপ (INS Anjadip)। এটি উপকূলবর্তী এলাকায় অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধক্ষমতা জোরদার করতে নেওয়া ১৬টি দেশীয় জাহাজ নির্মাণ কর্মসূচির অংশ। জাহাজটি ভারতের পূর্ব নৌ-কমান্ডের অধীনে চেন্নাইয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এদিন কমিশনিং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী। এই অন্তর্ভুক্তি শুধু একটি নতুন যুদ্ধজাহাজ সংযোজন নয়, বরং উপকূলীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট

    নৌবাহিনীর সূত্র অনুযায়ী, আইএনএস অঞ্জদীপ-এর (INS Anjadip) গুরুত্ব বেড়েছে বিশেষ করে পাকিস্তানকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক পরিস্থিতির নিরিখে। পাকিস্তানের নৌবহরে সারফেস যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা সীমিত এবং তাদের নিজস্ব পূর্ণাঙ্গ অ্যান্টি-সাবমেরিন প্ল্যাটফর্মের অভাব রয়েছে। ফলে, ভবিষ্যৎ সংঘাতে তারা সাবমেরিনের উপর বেশি নির্ভর করতে পারে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা। এই বাস্তবতায় ভারতের উপকূলবর্তী জলসীমা নিরাপদ রাখতে আইএনএস আর্নালা (INS Arnala)-শ্রেণির জাহাজগুলো একটি প্রতিরক্ষামূলক বলয় তৈরি করবে, যাতে বড় ফ্রিগেট ও ডেস্ট্রয়ারগুলো গভীর সমুদ্রে কৌশলগত অভিযানে বেশি মনোযোগ দিতে পারে। উপকূলীয় অ্যান্টি-সাবমেরিন অভিযানে এই জাহাজের বিশেষ ভূমিকাকে মাথায় রেখে করে ভারতীয় নৌবাহিনী একে “ডলফিন হান্টার” বলে আখ্যা দিয়েছে।

    উপকূলজুড়ে অ্যান্টি-সাবমেরিন প্রতিরক্ষা বলয়

    আইএনএস অঞ্জদীপকে (INS Anjadip) এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে অগভীর উপকূলীয় এলাকায় (৫০–৬০ মিটার গভীরতা) শত্রুপক্ষের সাবমেরিন শনাক্ত ও ধ্বংস করা যায়। এটি অ্যান্টি সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার শ্যালো ওয়াটারক্রাফট প্রকল্পের অধীনে নির্মিত আটটি জাহাজের মধ্যে তৃতীয়। ‘লিটোরাল ওয়াটার্স’ বা উপকূলীয় ও অগভীর জলে যুদ্ধপরিবেশে কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য এই জাহাজের নকশা করা হয়েছে। আইএনএস অঞ্জদীপ-এর (INS Anjadip) আগে গত বছরের জুনে আইএনএস আর্নালা (INS Arnala) এবং অক্টোবরে আইএনএস আনদ্রোথ (INS Androth) কমিশন করা হয়েছিল। নৌবাহিনী পরিকল্পনা করেছে, উপকূলজুড়ে একটি স্তরভিত্তিক অ্যান্টি-সাবমেরিন প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তুলতে এই ১৬টি জাহাজকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে মোতায়েন করা হবে।

    আইএনএস অঞ্জদীপের মূল বৈশিষ্ট্য

    সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলগুলি ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৭৭ মিটার দীর্ঘ এই যুদ্ধজাহাজটিতে উচ্চগতির ওয়াটার-জেট প্রোপালশন ব্যবস্থা রয়েছে, যার ফলে এটি সর্বোচ্চ ২৫ নট গতিতে চলতে সক্ষম। এর ফলে উপকূলের কাছাকাছি দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চালানো সম্ভব হবে। জাহাজটির মূল কাজ উপকূলীয় এলাকায় শত্রু সাবমেরিন শনাক্ত করা, ট্র্যাক করা ও ধ্বংস করা।

    এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে—

    • ● দেশীয় হাল-মাউন্টেড সোনার ‘অভয়’
    • ● হালকা টর্পেডো ও সাবমেরিন-বিধ্বংসী রকেট
    • ● সর্বোচ্চ ২৫ নট গতিসম্পন্ন ওয়াটার-জেট প্রপালশন ব্যবস্থা
    • ● উচ্চ ম্যানুভারেবিলিটি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা

    পূর্ণসময়ের জন্য নিবেদিত সাবমেরিন-শিকারি

    এতদিন পর্যন্ত ফ্রিগেট ও ডেস্ট্রয়ার শ্রেণির যুদ্ধজাহাজগুলো অ্যান্টি-সাবমেরিন ভূমিকা পালন করলেও তাদের মূল কাজ ছিল আক্রমণাত্মক। অর্থাৎ, বিমান ও সারফেস লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ। আইএনএস অঞ্জদ্বীপ-এর (INS Anjadip) মতো পূর্ণসময়ের জন্য নিবেদিত প্ল্যাটফর্ম যুক্ত হওয়ায় নৌবাহিনী এখন দায়িত্ব বণ্টনে আরও স্পষ্টতা আনতে পারছে। এর ফলে—

    • ● বড় যুদ্ধজাহাজগুলো কৌশলগত অভিযানে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে।
    • ● উপকূলীয় এলাকায় সাবমেরিন হুমকি আলাদাভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
    • ● স্তরভিত্তিক প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে উঠবে।
    • ● দেশীয় নির্মাণ ও শিল্প সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

    লার্সেন অ্যান্ড টুব্রোর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ আইএনএস অঞ্জদীপ (INS Anjadip) এবং আর্নালা-শ্রেণির অন্যান্য জাহাজ তৈরি করেছে কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (GRSE)। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন, কারণ এর আগে নৌবাহিনী নিজেই যুদ্ধজাহাজের নকশা দিত। এই প্রকল্প ভারত সরকারের ‘আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা’ নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ভবিষ্যতে রপ্তানিযোগ্য যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পথ খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    পুরনো প্ল্যাটফর্মের পরিবর্তে নতুন যুগ

    এই যুদ্ধজাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে অঞ্জদীপ দ্বীপের নামে, যা উত্তর কর্নাটকের কারওয়ার উপকূলের কাছে আরবসাগরে অবস্থিত। এর অন্তর্ভুক্তি বিশেষ করে তামিলনাড়ু ও পুদুচেরি উপকূল বরাবর ভারতের বিস্তৃত সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষায় নৌবাহিনীর সক্ষমতা আরও জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন আর্নালা-শ্রেণির জাহাজগুলো ধীরে ধীরে অবসরপ্রাপ্ত অভয় (Abhay)-শ্রেণির করভেটগুলোর জায়গা নেবে, যেগুলি সোভিয়েত-ঘরানার ওপর নির্মিত পেটয়া (Petya)-শ্রেণির প্ল্যাটফর্ম ছিল। নতুন জাহাজগুলো আকার, টিকে থাকার ক্ষমতা এবং আধুনিক সেন্সর ও অস্ত্রব্যবস্থার দিক থেকে অনেক বেশি উন্নত। আইএনএস অঞ্জদ্বীপ-এর (INS Anjadip) কমিশনিং ভারতের উপকূলীয় সামুদ্রিক নিরাপত্তাকে একটি নতুন স্তরে নিয়ে গেল। এটি শুধু একটি যুদ্ধজাহাজ নয়, বরং ভারতের নৌকৌশলে বিশেষায়িত প্রতিরক্ষার সূচনার প্রতীক। পাকিস্তানসহ আঞ্চলিক নৌশক্তির পরিবর্তিত কৌশলের প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ ভারতের সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

  • NCERT: বিচার বিভাগে দুর্নীতি অধ্যায়ে চরম আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের, চাপে পড়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ বন্ধ করল এনসিইআরটি

    NCERT: বিচার বিভাগে দুর্নীতি অধ্যায়ে চরম আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের, চাপে পড়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ বন্ধ করল এনসিইআরটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টম শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞানের পাঠ্যপুস্তকে (Social Science Text Book) বিচার বিভাগীয় দুর্নীতির উপর একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট তীব্র আপত্তি করেছিল। এবার সুপ্রিম কোর্টের অসন্তোষ প্রকাশের পর জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ অর্থাৎ এনসিইআরটি বইটির বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, এনসিইআরটি (NCERT) স্বীকার করেছে যে বইটিতে “আমাদের সমাজে বিচার বিভাগের ভূমিকা” শীর্ষক অধ্যায়টি অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়কে অনুমোদন করা সম্ভবপর নয়।

    ত্রুটিটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ভাবে করা হয়েছে (NCERT)

    এনসিআরটির পাঠ্যপুস্তকের (NCERT) বিষয় হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে “আমাদের সমাজে বিচার বিভাগের ভূমিকা” অধ্যায়। যার পৃষ্ঠা সংখ্যা ১২৫-১৪২। শিরোনামের ৪ নম্বর অধ্যায়ে কিছু অনুপযুক্ত পাঠ্য উপাদান এবং রায়ের ত্রুটি অসাবধানতাবশত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই এনসিইআরটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বইটির (Social Science Text Book) বিতরণ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। এনসিইআরটি জানিয়েছে, “স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগ অর্থাৎ শিক্ষা মন্ত্রণালয় একই রকম পর্যবেক্ষণ করেছে এবং নির্দেশ দিয়েছে যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই বইয়ের বিতরণ কঠোরভাবে স্থগিত রাখা হবে।” এই শিক্ষা সংস্থা স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে তারা বিচার বিভাগকে সর্বোচ্চ সম্মান করে এবং এই ভুলটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। উক্ত অধ্যায়ে অনুপযুক্ত উপাদান অন্তর্ভুক্ত করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

    বিচার বিভাগের অপমান করতে দেওয়া যাবে না

    বুধবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি বিবেচনা করে বিচার বিভাগের উপর দুর্নীতি সম্পর্কিত অধ্যায়টি চালু করার প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এটিকে বিচার বিভাগের উপর আক্রমণ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করে বলেন, “পৃথিবীতে কাউকে বিচার বিভাগকে অপমান করতে দেওয়া যাবে না।” প্রধান বিচারপতি এই অধ্যায়টিকে (NCERT) বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য গভীরভাবে প্রোথিত এবং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলে অভিহিত করেছেন। যে প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ স্তরের জনসাধারণের আস্থার কেন্দ্র, তাকে কোনও ভাবেই সন্দেহের মধ্যে ফেলা যায় না।

    ৪.৭০ কোটি মামলা বিচারাধীন

    উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অধ্যায়ে আদালতের কাঠামো এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার পদ্ধতির পাশাপাশি বিচার ব্যবস্থার নিজেস্ব পদ্ধতিগত চ্যালেঞ্জগুলি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি, মামলার বিশাল জট এবং বিচারকের ঘাটতি। পাঠ্যপুস্তকটিতে ভারতীয় আদালতগুলিতে বিচারাধীন মামলার পরিমাণ তুলে ধরে তথ্যও উপস্থাপন করা হয়েছে। অনুমান করা হয়েছে যে সুপ্রিম কোর্টে প্রায় ৮১,০০০ মামলা, উচ্চ আদালতে প্রায় ৬২.৪০ লক্ষ এবং জেলা ও অধস্তন আদালতে প্রায় ৪.৭০ কোটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই অধ্যায়ের (NCERT) লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের (Social Science Text Book) বিচার ব্যবস্থার বাস্তব এবং চ্যালেঞ্জগুলির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। আর এটাতেই সুপ্রিম কোর্টের আপত্তি।

  • PM Narendra Modi: ইনস্টাগ্রামে ১০ কোটি ফলোয়ার অর্জনকারী প্রথম বিশ্বনেতা হলেন নরেন্দ্র মোদি, ৪.৩ কোটিতে দ্বিতীয় ট্রাম্প

    PM Narendra Modi: ইনস্টাগ্রামে ১০ কোটি ফলোয়ার অর্জনকারী প্রথম বিশ্বনেতা হলেন নরেন্দ্র মোদি, ৪.৩ কোটিতে দ্বিতীয় ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) সামাজিক মাধ্যমে একটি বড় ডিজিটাল মাইলফলক অতিক্রম করেছেন। তিনি ইনস্টাগ্রামে ১০ কোটি ফলোয়ার অর্জনকারী প্রথম বিশ্বনেতা এবং রাজনীতিবিদ হয়েছেন। বিশ্বব্যাপী সামাজিক মাধ্যমের প্ল্যাটফর্মে তাঁর অতুলনীয় উপস্থিতির প্রমাণ। মোদি ভক্তদের মধ্যে বিরাট উন্মাদনা।

    এক দশক ধরে তাঁর অ্যাকাউন্টটি ক্রমশ বৃদ্ধি (PM Narendra Modi)

    নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) ২০১৪ সালে ইনস্টাগ্রামে যোগদান করেন এবং গত এক দশক ধরে তাঁর অ্যাকাউন্টটি ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অনুসরণ করা এবং জড়িত রাজনৈতিক প্রোফাইলগুলির মধ্যে তিনি এখন অনন্য। তবে এই প্ল্যাটফর্মটি সরকারি কর্মকাণ্ড, আন্তর্জাতিক সফর, জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ, সাংস্কৃতিক মুহূর্ত এবং ব্যক্তিগত প্রতিফলনের ঝলক ভাগ করে নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। দেশবিদেশের বিস্তৃত এবং বৈচিত্র্যময় দর্শকদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করেছে এই প্রফাইল।

    কোন বিশ্বনেতার ফলোয়ার কত?

    প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) এখন ইনস্টাগ্রামে বিশ্বনেতাদের মধ্যে এক নম্বরে পৌঁছে গিয়েছেন। আন্তর্জাতিক নেতাদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ফলোয়ার সংখ্যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিগুণেরও বেশি। ট্রাম্প ৪.৩২ কোটি সংখ্যার ফলোয়ার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। অন্যান্য বিশ্বনেতাদের মধ্যে রয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো, তাঁর ফলোয়ার ১.৫ কোটি, ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা, তাঁর ফলোইয়ার ১.৪৪ কোটি, তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান, তাঁর ফলোয়ার ১ কোটি ১৬ লক্ষ এবং আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতি জাভিয়ের মাইলি, তাঁর ৬৪ লক্ষ।

    ডিজিটাল যুগে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রভাব যথেষ্ট

    ডিজিটাল মাধ্যমে মোদির (PM Narendra Modi) প্রভাব যথেষ্ট বেশি। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ইনস্টাগ্রাম ভারত এবং বিদেশে তরুণ দর্শকদের মধ্যে জোরালোভাবে কম্পনের সৃষ্টি করে। ডিজিটাল যুগে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রভাব যথেষ্ট পদ্ধতির প্রতিফলন ঘটায়। ভারতের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলেও এই ব্যবধান সমানভাবে লক্ষণীয়। ইনস্টাগ্রামে প্রধানমন্ত্রী মোদির অন্যান্য সকল ভারতীয় রাজনৈতিক নেতার চেয়ে অনেক এগিয়ে। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রায় ১.৬১ কোটি ফলোয়ার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন, যেখানে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী প্রায় ১.২৬ কোটি ফলোয়ারে রয়েছেন। এই পার্থক্য দেশীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রধানমন্ত্রীর প্রভাবশালী অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

LinkedIn
Share