Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Vande Bharat: বন্দে ভারত স্লিপার থেকে অমৃত ভারত, নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার মোদি সরকারের

    Vande Bharat: বন্দে ভারত স্লিপার থেকে অমৃত ভারত, নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। উপহার দেওয়া হয়েছে অসমকেও (Vande Bharat)। জানা গিয়েছে, একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসম থেকে ১১টি ট্রেন চালু করতে চলেছে ভারতীয় রেল (Amrit Bharat Express)। সূত্রের খবর, এই ১১টি ট্রেনের মধ্যে রয়েছে আটটি অমৃত ভারত এবং একটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনও। দেশে এই প্রথমবার আটটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হচ্ছে। আর রাজ্যভিত্তিক বণ্টনের নিরিখে ১১টি ট্রেনের মধ্যে ন’টিই পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। বাকি দুটি ট্রেনও অসম ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গ ছুঁয়ে যাবে গন্তব্যে। একটি মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনের যাত্রাপথও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বাঁকুড়া-ময়নাপুর মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে জয়রামবাটি পর্যন্ত।

    নয়া ট্রেন (Vande Bharat)

    রেল সূত্রে খবর, নয়া যে ট্রেনগুলি চালু হবে, সেগুলি হল, নিউ জলপাইগুড়ি-তিরুচিলাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রস, এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-পানভেল অমৃত এক্সপ্রেস, ডিব্রুগড়-গোমতী নগর অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, কামাখ্যা-রোহতক অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, হাওড়া-আনন্দ বিহার টার্মিনাল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, শিয়ালদা-বেনারস অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, নিউ জলপাইগুড়ি-নাগেরকোল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-বালুরঘাট এক্সপ্রেস এবং এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-রাধিকাপুর এক্সপ্রেস (Vande Bharat)।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী

    ২০২৬ সালের প্রথম দিনই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছিলেন, দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হবে হাওড়া থেকে (Amrit Bharat Express) কামাখ্যার মধ্যে। সম্প্রতি তিনি বলেন, “আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই পরিষেবা চালু হয়ে যাবে, পরিষেবা শুরু হবে সম্ভবত ১৮ বা ১৯ তারিখ। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি। তিনি রাজিও হয়েছেন। আর সব কিছু ঠিকঠাক হয়ে গিয়েছে। দু’-তিনদিনের মধ্যেই নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেব।”

    ভাড়া কত

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা থেকে গুয়াহাটিতে বিমানে যেতে খরচ পড়ে ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা। সেখানে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে থার্ড এসিতে যেতে খরচ হবে খাবার-সহ ২,৩০০ টাকার মধ্যে। সেকেন্ড এসিতে সফর করতে হলে দিতে হবে আরও ৭০০ টাকা বেশি (Vande Bharat)। আর ফার্স্ট এসিতে ভাড়া পড়বে মোটামুটি ৩,৬০০ টাকা। তিনি জানান, মধ্যবিত্তের কথা মাথায় রেখেই ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, গুয়াহাটি থেকে যে ট্রেন হাওড়া আসবে, তাতে মিলবে অসমের খাবার। আর কলকাতা থেকে যে ট্রেন কামাখ্যা যাবে, তাতে পাওয়া যাবে বাঙালি খাবার (Amrit Bharat Express)।

    রেল সূত্রে খবর, সাঁতরাগাছি থেকে চেন্নাই পেরিয়ে তাম্বারাম পর্যন্ত চালু হচ্ছে অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। বালুরঘাট-হিলির মধ্যে নয়া রেলপথে শিলান্যাসের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ১৮১ কোটি টাকা। নিউ কোচবিহার থেকে বামনহাট ও বক্সিরহাটের মধ্যে ৯৫ কিলোমিটার লাইনের বৈদ্যুতিকীকরণ করা হবে। এজন্য বরাদ্দ হচ্ছে ১১৮ কোটি টাকা (Vande Bharat)। ফালাকাটা থেকে ধূপগুড়ি পর্যন্ত চার লেনের জাতীয় সড়ক তৈরি প্রকল্পের শিলান্যাসও হবে একই দিনে। এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা (Amrit Bharat Express)।

  • Pakistan Drone: সাম্বা-রাজৌরি ও পুঞ্চের আকাশে পাঁচটি পাক ড্রোন! দেখামাত্রই পাল্টা দাওয়াই সেনার, কেন ভারতের সীমায় পাকিস্তানের গতিবিধি?

    Pakistan Drone: সাম্বা-রাজৌরি ও পুঞ্চের আকাশে পাঁচটি পাক ড্রোন! দেখামাত্রই পাল্টা দাওয়াই সেনার, কেন ভারতের সীমায় পাকিস্তানের গতিবিধি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলাবে না পাকিস্তান (Pakistan Drone)। জম্মু কাশ্মীরে পাক সীমান্তে ফের সন্দেহজনক ড্রোন পাঠাল পাকিস্তান। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই গুলি চলল ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তে। অপারেশন সিঁদুরের পর বারবার অস্ত্রবাহী ড্রোন ঢুকিয়ে ভারতের ক্ষতি করতে চেয়েছে পাকিস্তান। রবিবার সন্ধ্যায় আবারও জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বা, রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলায় সীমান্ত বরাবর আকাশে দেখা গেল আলোর ঝলকানি। এমনকী ভারতের আকাশসীমাতেও ড্রোনগুলি ঢুকে পড়েছে বলে খবর। গোটা ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

    কোথায় কোথায় দেখা গিয়েছে পাক ড্রোন

    নিরাপত্তাবাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রবিবার বিকেল ৬টা থেকে সোয়া ৭টা পর্যন্ত অন্তত পাঁচটি পাক ড্রোন দেখা গিয়েছে কাশ্মীরে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন সাম্বা, রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলায় পাক ড্রোন দেখা গিয়েছে। সীমান্ত পেরিয়ে ড্রোনগুলি ভারতের আকাশসীমায় ঢুকেছিল। বেশ কিছু অঞ্চলে খানিকক্ষণ চক্কর কেটেছে। তারপর আবারও পাকিস্তানে ফিরে গিয়েছে ড্রোনগুলি। জানা গিয়েছে, রাজৌরিতে নওশেরা সেক্টরের গানিয়া-কালসিয়ান গ্রামে বিকেল ৬টা ৩৫ নাগাদ পাক ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ভারতীয় সেনা ড্রোন লক্ষ্য করে গুলি চালায়। অন্যদিকে, সাম্বা জেলার চক বাবরাল গ্রামে সন্ধে সোয়া সাতটা নাগাদ চক্কর কাটে পাক ড্রোন। পুঞ্চ জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখা লাগোয়া এলাকাগুলিতে সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ একটি পাক ড্রোন উড়তে দেখা যায়। তবে ভারতের উপর কোনও হামলা চালায়নি এই পাক ড্রোনগুলি। ভারতের প্রত্যাঘাতে কোনও পাক ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা সেটাও জানা যায়নি।

    কী উদ্দেশে ড্রোনের আনাগোনা

    বেশ কয়েক মিনিট ভারতের আকাশ সীমায় ঢুকেছিল ড্রোনগুলি। তারপর তারা ফিরেও যায়। তাহলে আবার কি কোনও নাশকতার ছক করছে প্রতিবেশী দেশ? নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, ভারতে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের অস্ত্র এবং অন্যান্য রসদ দিতেই সম্ভবত এসেছিল পাক ড্রোনগুলি। ইতিমধ্যেই ওই তিন জেলায় শুরু হয়েছে চিরুনি তল্লাশি। যে এলাকাগুলিতে পাক ড্রোন চক্কর কাটতে দেখা গিয়েছে, সেখানে তল্লাশি শুরু করেছে সেনা, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থাগুলি। সন্দেহজনক জিনিসপত্র বা অস্ত্র উদ্ধারের জন্য সন্দেহজনক ড্রপ জোনে গভীর রাত পর্যন্ত তল্লাশি অব্যাহত ছিল। এর আগে শুক্রবার রাতে সাম্বা জেলার ঘাগওয়াল এলাকার পলৌরা গ্রামে নিরাপত্তা বাহিনী একটি ড্রোন-এর মাধ্যমে বহু অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করে। কর্মকর্তাদের মতে, এই ড্রোনটিও পাকিস্তান থেকে এসেছিল। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে ছিল দুটি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন, ১৬টি কার্তুজ এবং একটি গ্রেনেড। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সতর্ক অবস্থায় ড্রোনগুলির লাগাতার কার্যকলাপের কারণে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি হাই অ্যালার্টে রয়েছে।

  • Vehicle to Vehicle: গাড়িতেও বসতে চলেছে ‘কবচ’! দুর্ঘটনা ঠেকাতে অভিনব প্রযুক্তি আনছে মোদি সরকার

    Vehicle to Vehicle: গাড়িতেও বসতে চলেছে ‘কবচ’! দুর্ঘটনা ঠেকাতে অভিনব প্রযুক্তি আনছে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ভারতীয় সড়ক পরিবহণ দফতর ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল (Vehicle to Vehicle) যোগাযোগ প্রযুক্তি চালু করার পরিকল্পনা করেছে। এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য হল দেশজুড়ে সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা এবং দুর্ঘটনার হার কমানো। এই প্রযুক্তির বিশেষত্ব হল, বাহ্যিক নেটওয়ার্কের যেমন মোবাইল নেটওয়ার্ক ওপর নির্ভর না করেই একেবারে সরাসরি এক যানবাহন থেকে অন্য যানবাহনে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারবে। কীভাবে এই প্রযুক্তি (New Safety Plan) পরিষেবা দেবে আসুন জেনে নিই।

    দুর্ঘটনা হ্রাস

    কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি এই প্রস্তাবের বিষয়টি সম্পর্কে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন। এই ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল প্রযুক্তি (New Safety Plan) একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে চিহ্নিতও করেছেন। এই ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল (Vehicle to Vehicle) সিস্টেমটি চলমান গতিশীল যানবাহনের দ্বারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বা পার্ক করা যানবাহনকে ধাক্কা দেওয়ার মতো সংঘর্ষগুলি কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করবে। এক কথায় এটাকে গাড়ির নিজস্ব কবচ সিস্টেম বলা যেতে পারে। যার মূল উদ্দেশ্য হল, দুর্ঘটনা রোধ করা।

    কুয়াশার সময়ে সতর্কতা

    শীতকালে যখন দৃশ্যমানতা অত্যন্ত কম থাকে, তখন বড় ধরনের বহু-যানবাহন সংঘর্ষ (pile-up) এড়াতে সহায়তা করবে এই ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল (Vehicle to Vehicle)। কাছাকাছি কোনো যানবাহন বিপজ্জনকভাবে চলে এলে চালকের কাছে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা পাঠানো হবে। ফলে তাতে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাবে।

    কার্যপ্রণালী এমন হবে এই প্রযুক্তির যে যানবাহনের (New Safety Plan) ভেতরে ইনস্টল করা সিম কার্ডের মতো একটি ডিভাইসের মাধ্যমে কাজ করবে। এই প্রযুক্তি গাড়ির চারপাশ থেকে সংকেত প্রেরণ করে সম্পূর্ণ ৩৬০-ডিগ্রি যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

    রিয়েল-টাইম সতর্কতা

    অন্য কোনও যানবাহন খুব কাছাকাছি চলে এলে চালকরা তাৎক্ষণিক (Real-Time) সতর্কতা পাবেন। এটি চালকদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার সীমা সম্পর্কে সতর্ক করবে এবং রাস্তার পাশে থাকা স্থির বা ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সম্পর্কেও আগাম সতর্কবার্তা দেবে এই প্রযুক্তি (Vehicle to Vehicle)।

    পর্যায়ক্রমিক প্রবর্তন

    পরিবহণ মন্ত্রক ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এই প্রযুক্তিটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রবর্তন করবে। এটি পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে, যেখানে প্রথমে নতুন যানবাহনগুলিতে এটি ইনস্টল করা হবে। এই ভিটুভি সিস্টেমটি বিদ্যমান উন্নত ড্রাইভার সহায়তা সিস্টেম (ADAS)-এর পাশাপাশি কাজ করবে। প্রকল্পের ব্যয় হিসেবে সামগ্রিক প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ৫,০০০ কোটি টাকা খরচ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও গ্রাহকদের এই সিস্টেমের জন্য মূল্য দিতে হবে, তবে সেই মূল্য তালিকা এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

  • Kerala: বহিষ্কৃত কংগ্রেস বিধায়ক রাহুল মামকুটাথিলিকে তৃতীয় ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার

    Kerala: বহিষ্কৃত কংগ্রেস বিধায়ক রাহুল মামকুটাথিলিকে তৃতীয় ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহিষ্কৃত কংগ্রেস বিধায়ক রাহুল মামকুটাথিলের (Rahul Mamkootathil) বিরুদ্ধে তৃতীয় ধর্ষণের মামলা দায়েরের পর রবিবার ভোরে পালাক্কাদে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। মামকুটাথিলকে পালাক্কাদের (Kerala) কেপিএম রিজেন্সি হোটেল থেকে রাত ১২.৩০ থেকে ১টার মধ্যে হেফাজতে নেওয়া হয়। এরপর তাঁকে কেরালার পাঠানামথিট্টার একটি পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। যেখানে একজন ডেপুটি পুলিশ সুপারিনটেনডেন্টের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি দল তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

    হোটেলে দেখা করার নামে যৌন নির্যাতন (Kerala)

    কানাডায় কর্মরত পাথানামথিট্টার (Rahul Mamkootathil) বিরুদ্ধে এক মহিলা ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ, মহিলাদের নৃশংস যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক গর্ভপাত এবং আর্থিক শোষণ সহ গুরুতর অপকর্ম করে বেড়াতেন তিনি। নির্যাতিতা মহিলা জানিয়েছেন গর্ভবতী হওয়ার পর তিনি ভ্রূণের ডিএনএ পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন। যে পরীক্ষাগারে পরীক্ষার জন্য গিয়েছিলেন, সেখানে মামকুটাথিলকে (Kerala) একটি নমুনা সরবরাহ করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু সহযোগিতা করেননি। তিনি তদন্তকারীদের বলেছেন অভিযোগের সমর্থনে আরও প্রমাণ রয়েছে। মামকুটাথিল বারবার নির্যাতিতাকে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার জন্য অনুরোধ করেন। যখন তিনি একটি রেস্তোরাঁয় দেখা করার প্রস্তাব দেন, তখন তিনি এই বলে অস্বীকৃতি জানান যে, একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি জনসমক্ষে দেখা করতে পারবেন না। এরপর তিনি তাঁকে পালাক্কাদের একটি হোটেলে দেখা করতে বলেন। হোটেলে পৌঁছানোর পর, তিনি তাঁকে একটি ঘরে নিয়ে যান। শুরু হয় নৃশংস যৌন নির্যাতন চালান।

    আগেও দুটি ধর্ষণের মামলা

    গত বছর মামকুটাথিলের (Rahul Mamkootathil) বিরুদ্ধে পুলিশ দুটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছিল। একটি মামলায়, একজন মহিলা অভিযোগ করেন যে বিধায়ক তাঁকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করেছিলেন। এ সংক্রান্ত একটি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে মামকুটাথিলের (Kerala) মহিলাকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছিল। ক্লিপে বলতে শোনা গিয়েছিল যে গর্ভাবস্থা তাঁর জীবন ধ্বংস করে দেবে এবং গর্ভপাত করতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে হত্যা করা হবে।

    মহিলাটি জবাব দিয়েছিলেন যে তিনি একাই শিশুটিকে লালন-পালন করতে পারবেন, কিন্তু মামকুটাথিল তাঁর কথায় খুব রেগে গিয়েছিলেন। অভিযোগ প্রকাশের পর থেকে মামকুটাথিল কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। দ্বিতীয় মামলায়, ২৩ বছর বয়সী এক মহিলা মামকুটাথিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে তিনি তাঁকে একটি ব্যক্তিগত আবাসনে বারবার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। এর আগে, ২০২৫ সালের অগাস্টে, লেখক হানি ভাস্করণ এবং মডেল রিনি অ্যান জর্জের বিরুদ্ধে অশ্লীল আচরণের অভিযোগ আনার পর, বিধায়ককে বরখাস্ত করেছিল কংগ্রেস।

  • PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত (India) দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে।” ভাইব্র্যান্ট গুজরাট আঞ্চলিক সম্মেলনের মঞ্চ থেকে রবিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশংসাও করলেন তিনি। রাজকোটে আয়োজিত এই সম্মেলনকে তিনি ২১ শতকে ভারতের আত্মবিশ্বাসী অগ্রযাত্রার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে ভারত (PM Modi)

    সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কৃষি উৎপাদন নতুন রেকর্ড গড়ছে। দুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে।” ২০২৬ সালে গুজরাটে এটি তাঁর প্রথম সফর বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বছরের শুরুতেই তিনি সোমনাথ মন্দিরে প্রার্থনার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক অনুভূতি নিয়ে নতুন বছরের যাত্রা শুরু করেছেন। এরপর সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সম্মেলনে অংশ নেন তিনি (PM Modi)।

    ভাইব্র্যান্ট গুজরাট

    গুজরাটের ঐতিহ্য ও উন্নয়নের সুষম সমন্বয়ের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই রাজ্য ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নের একটি আদর্শ মডেল। যখনই ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সম্মেলনের আয়োজন দেখি, আমি শুধু একটি সম্মেলন দেখি না, আমি দেখি আধুনিক ভারতের ২১ শতকের যাত্রা। এই যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি স্বপ্ন দিয়ে, আর আজ তা অটল আত্মবিশ্বাসে পৌঁছেছে। গত দুদশকে ভাইব্র্যান্ট গুজরাট একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১০টি সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং প্রতিটি সংস্করণের সঙ্গে এই সম্মেলনের গুরুত্ব ও পরিচিতি আরও শক্তিশালী হয়েছে (India)।” প্রধানমন্ত্রী ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের প্রশংসাও করেন। বলেন, “রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাই অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখতে এবং বিশ্বজুড়ে ভারতের প্রতি আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভাইব্র্যান্ট গুজরাটের মতো মঞ্চ ভারতের বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের জন্য নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে সাহায্য করেছে (PM Modi)।”

    ভারত বিশ্বে এক নম্বরে

    ভারতের অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে। বিশ্বের সর্বাধিক ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী দেশও ভারত। গত ১১ বছরে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোবাইল ডেটা ব্যবহারকারী দেশে পরিণত হয়েছে। আমাদের ইউপিআই আজ বিশ্বের এক নম্বর রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ (India)। স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে আমরা বিশ্বে তৃতীয় স্থানে। বেসামরিক বিমান পরিবহণের ক্ষেত্রেও ভারত তৃতীয় বৃহত্তম বাজার। মেট্রো নেটওয়ার্কের দিক থেকে আমরা বিশ্বের শীর্ষ তিন দেশের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছি (PM Modi)।”

  • Ram mandir: রামমন্দিরে ইসলামিক স্লোগান দিয়ে নমাজ পড়ে গ্রেফতার তিন কাশ্মীরি মুসলমান

    Ram mandir: রামমন্দিরে ইসলামিক স্লোগান দিয়ে নমাজ পড়ে গ্রেফতার তিন কাশ্মীরি মুসলমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকালে অযোধ্যার শ্রী রাম জন্মভূমি (Ram mandir) কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা কর্মীরা তিন কাশ্মীরি মুসলিমকে গ্রেফতার করেছে। কঠোর নিরাপত্তার বলয় ভেদ করে ঢুকে মন্দির প্রাঙ্গণের ভিতরে ওই মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের (Kashmiri Muslims) নামাজ পড়তে দেখা গিয়েছে। নিরাপত্তা কর্মীরা জানিয়েছেন, তাঁদের হিন্দু মন্দির প্রাঙ্গণের ভেতরে ইসলাম ধর্মের বিশেষ নামাজ পড়ার প্রস্তুতি নিতে দেখেই বেশ সন্দেহ হয়। সঙ্গে সঙ্গে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    সীতা রসোই এলাকায় আটক (Ram mandir)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে ২ জন পুরুষ (Kashmiri Muslims) এবং একজন মহিলা। প্রত্যেকেই কাশ্মীরি পোশাক পরে ডি ১ গেট দিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে (Ram mandir)  প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে একজন মূল মন্দির থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে সীতা রসোই এলাকার কাছে বসে নমাজ পড়তে শুরু করে। তবে, নিরাপত্তা কর্মীরা ঘটনাটি দেখতে পেয়েই তাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

    ইসলাম ধর্মীয় স্লোগান দেন

    নমাজ পড়া প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে একজন হল বছর পঞ্চান্নর আবু আহমেদ শেখ। তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের শোপিয়ান জেলার বাসিন্দা। মহিলার নাম সোফিয়া, যদিও তৃতীয় যুবকের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করে জানা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানিয়েছেন যে নিরাপত্তা কর্মীরা যখন তাদের থামায় তখন তিনজন ইসলাম ধর্মীয় স্লোগান দেন। তাঁদের এই কর্মকাণ্ডের পিছনে কোন বড় ধরনের নাশকতা মূলক কাজের ইঙ্গিত রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বৃহত্তর উদ্দেশ্য বা নেটওয়ার্ক জড়িত

    অভিযুক্তদের কাছে কাজু এবং কিশমিশের মতো জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে, যা সন্দেহ বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ জঙ্গিরা প্রায়ই সন্ত্রাসী হামলা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের সময় বেঁচে থাকার জন্য এই জাতীয় শুকনো ফল সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। ঘটনার পরপরই গোয়েন্দা সংস্থা, স্থানীয় (Ram mandir) পুলিশ এবং ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। আটক ব্যক্তিদের বর্তমানে তাদের উদ্দেশ্য, ভ্রমণের বিবরণ এবং এর সঙ্গে কোনও বৃহত্তর উদ্দেশ্য বা নেটওয়ার্ক জড়িত কিনা তা নির্ধারণের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    জেলা প্রশাসন বা শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট (Ram mandir) এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি (Kashmiri Muslims) করেনি। এই ঘটনা আবারও রাম মন্দিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে ধরেছে, যেখানে ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রাম লালার অভিষেকের পর থেকে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১.৫ লক্ষ ভক্তের সমাগম ঘটে। মন্দিরটি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী দ্বারা চব্বিশ ঘন্টা পাহারা দেওয়া হয়। পুলিশ ইউনিট থেকে প্রায় ২০০ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

    অস্ত্র এবং ড্রোন-বিরোধী কেন্দ্র গড়া হবে

    বিগত মাসগুলিতে, রামমন্দিরকে (Ram mandir) ঘিরে একাধিক নিরাপত্তা হুমকি এসেছে নানা মহল থেকে।, যার মধ্যে রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া, ফোন কল এবং হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে বোমা মারার হুমকি। অযোধ্যায় এখন একটি জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষীদের (এনএসজি) হাব প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া চলছে। অস্ত্র এবং ড্রোন-বিরোধী ব্যবস্থায় সজ্জিত পুলিশ, সিআরপিএফ, এসএসএফ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের জন্য ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সহায়তা কেন্দ্রও গড়া হবে। আসন্ন মকর সংক্রান্তি উদযাপনের মাত্র কয়েকদিন আগে এই ঘটনাটি ঘটেছে, যেখানে মন্দির নগরীতে প্রচুর জনসমাগম হবে বলে আশা কর্তৃপক্ষের। আর তাই সংবেদনশীল ধর্মীয় স্থানে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তা কঠোর করা হয়েছে।

    কতটা কঠিন ছিল রামমন্দির?

    উল্লেখ্য, রাম মন্দির ভারতের অন্যতম ধর্মীয় আস্থার কেন্দ্র। ৫০০ বছরের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় আন্দোলনের পর এই মন্দির ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে নির্মিত হয়েছে। কিন্তু মন্দির নির্মাণ হলেও বাবরের উত্তরসূরীদের মনে শান্তি নেই। সব সময় হিন্দু আস্থার কেন্দ্রে ক্ষতি করার চেষ্টা করা হয়। সম্প্রতি পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি সংগঠন রাম মন্দির নিয়ে উস্কানি এবং বোমা মারার হুমকি দিয়েছে। বাবর যে শ্রী রামের মন্দির ভেঙে মসজিদ বানিয়েছিলেন, এ কথা এখন সত্য। তাই ইতিহাসের কালো অধ্যায়ে নয়, এখন সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ারই সময় আমাদের।

  • Uttar Pradesh: বাংলাদেশের পরিস্থিতি থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান যোগীর, জাত–ধর্মভিত্তিক বিভাজনের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা

    Uttar Pradesh: বাংলাদেশের পরিস্থিতি থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান যোগীর, জাত–ধর্মভিত্তিক বিভাজনের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জাত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের ধ্বংস করে দেবে, যেমনটা আজ বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে।” প্রয়াগরাজে (Uttar Pradesh) জগতগুরু রামানন্দাচার্যের ৭২৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (CM Yogi)। জাত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ভিত্তিক বিভাজনের বিরুদ্ধে কড়া সতর্কবার্তাও দেন তিনি। বলেন, “এ ধরনের বিভাজন সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়, বাংলাদেশ তার জ্বলন্ত উদাহরণ।”

    ধ্বংস করে দেবে (Uttar Pradesh)

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জাত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের ধ্বংস করে দেবে, যেমনটা আজ বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হিংসার শিকার হচ্ছেন। পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।” বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে যোগী আদিত্যনাথ তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষদেরও কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যা ঘটছে, তা নিয়ে কেউ কথা বলছে না। যারা নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে দাবি করে এবং হিন্দু সমাজকে বিভক্ত করার চেষ্টা করে, তারা বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হওয়া নির্যাতনের বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব (Uttar Pradesh)।”

    বিরোধীদের কটাক্ষ

    মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে (CM Yogi)। বিরোধীদের কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওঁদের মুখে যেন ফেভিকল লাগানো রয়েছে,  অথবা কেউ সেলোটেপ এঁটে দিয়েছে। কারও মুখ থেকে একটি কথাও বেরোচ্ছে না” (Uttar Pradesh)।এদিন ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন জগদগুরু রামানন্দাচার্যকে। তিনি বলেন, “প্রায় ৭০০ বছর আগে জগদগুরু রামানন্দাচার্য ভগবান সব সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ঈশ্বরের শরণ নেওয়ার অধিকার প্রত্যেক মানুষের রয়েছে। সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি বিভিন্ন জাতের শিষ্যও গ্রহণ করেছিলেন।”

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    এদিকে, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান- ঐক্য পরিষদের এক বিবৃতি অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসেই বাংলাদেশে অন্তত ৫১টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে, ১০টি খুন, ১০টি চুরি ও ডাকাতির ঘটনা, ২৩টি বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মন্দির ও জমি দখল, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা, ৪টি ক্ষেত্রে ধর্ম অবমাননা ও ‘র’-এর এজেন্ট তকমা দিয়ে মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার এবং নির্যাতন,  ১টি ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা এবং ৩টি শারীরিক হামলার ঘটনা। হিংসার এই প্রবণতা নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহেও অব্যাহত রয়েছে বলে খবর। ৩ জানুয়ারি, শরীয়তপুরে ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে হত্যা করার পর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় (Uttar Pradesh)।

    এদিনই ভোরবেলায় চট্টগ্রামের বোয়ালখালি উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মিলন দাসের পরিবারকে ডাকাতির সময় বন্দি করে রাখা হয়। ওই দিনই কুমিল্লার হোমনা এলাকায় সোনু দাসের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ১০ ভরি সোনার গয়না, ১২ ভরি রুপো এবং নগদ ২০ হাজার টাকা লুট করা হয় বলে অভিযোগ (CM Yogi)।

  • Hindus Under Attack: বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের ওপর হামলা ও নিপীড়ন, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের ওপর হামলা ও নিপীড়ন, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু ও হিন্দুধর্মের ওপর হামলা ও নিপীড়নের ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে (Hindus Under Attack)। বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন এক রূপ নিয়েছে, যা ধীরে ধীরে গণহত্যার চেহারা নিচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন মানবাধিকার কর্মীরা (Roundup Week)। দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব এই হামলাগুলির প্রকৃত ব্যাপ্তি ও গভীরতাকে উপেক্ষা করে এসেছে, যার নেপথ্যে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিদ্বেষ। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুর, ঘৃণামূলক ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে মুখোমুখি এক অভূতপূর্ব সংকটের। ৪ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি ২০২৬ এই সময়কালের সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে এমনই কয়েকটি ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হল, যাতে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি এই মানবাধিকার সঙ্কটের দিকে ফেরানো যায়। প্রথমেই দেখে নেওয়া ভারতের ছবিটা।

    কর্নাটক (Hindus Under Attack)

    উত্তর কানাড়া জেলার ইয়েল্লাপুর শহরে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কালাম্মা নগরের বাসিন্দা রঞ্জিতা নামের এক তরুণী ধারালো অস্ত্রের হামলায় গুরুতর জখম হয়ে মারা যায়। অভিযোগ, ইসলামপন্থী যুবক রফিক তার ওপর এই হামলা চালিয়েছে। ঘটনার পর জেলাজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন হত্যার প্রতিবাদে এবং দ্রুত বিচার চেয়ে ইয়েল্লাপুর বন্‌ধের ডাক দেয়। ঘটনায় লাভ জেহাদের সন্দেহ আরও উদ্বেগ বাড়িয়েছে (Hindus Under Attack)।

    পূর্ব মেদিনীপুর

    পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। গড়কমলপুর পঞ্চায়েতের কাঁঠালপট্টি এলাকায় নির্মীয়মাণ মা বসন্তী দুর্গা এবং দেবী সরস্বতীর একাধিক প্রতিমা অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ (Roundup Week)।

    হিন্দুদের মিছিলে পাথর

    জগজীবনরাম নগর এলাকায় ওম শক্তি ও আয়্যাপ্পা স্বামী ভক্তদের একটি ধর্মীয় শোভাযাত্রায় পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় দুই মহিলা আহত হন, তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    ধর্মান্তরণের অভিযোগ

    মধ্যপ্রদেশের শিওপুর জেলায় একটি খ্রিস্টান প্রার্থনা সভায় বজরং দলের হস্তক্ষেপ নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। সংগঠনটির দাবি, ‘প্রার্থনা সভা’ ও ‘হিলিং সেশনে’র আড়ালে সমাজের দুর্বল অংশকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে হিন্দু সমাজকে ভাঙার চেষ্টা চলছে (Hindus Under Attack)।

    বৃন্দাবনে নাবালিকা উদ্ধার

    উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলার বৃন্দাবনে হোটেলের একটি ঘর থেকে দিল্লির এক নাবালিকা হিন্দু কিশোরী ও এক মুসলিম যুবককে উদ্ধার করে পুলিশ। সূত্র মারফত খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায় ওই হোটেলে। ঘটনাটি হিন্দু মেয়েদের যৌন ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরণের ধারাবাহিক চেষ্টার আরও একটি উদাহরণ বলে দাবি স্থানীয়দের।

    নাবালিকা ধর্ষণ

    উত্তরপ্রদেশের বেরিলিতে ২২ বছরের রেহানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, প্রেমের সম্পর্কের ছলে সে ১৭ বছরের এক হিন্দু নাবালিকাকে দুবছর ধরে ধর্ষণ করে এবং জোরপূর্বক ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা চালায়।
    মেয়েটিকে আজমীর দরগায় নিয়ে গিয়ে ধর্মান্তরের পরিকল্পনা ছিল অভিযুক্তের। মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে মথুরা থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে পুলিশ (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অব্যাহত রয়েছে দুষ্কৃতীদের হামলা। পরিকল্পিত ও ধারাবাহিকভাবে এই নির্যাতন এমনভাবে চালানো হচ্ছে, যার লক্ষ্য ধীরে ধীরে দেশ থেকে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দুই অবশিষ্ট থাকবে না (Roundup Week)। এই নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, পাশাপাশি লাগাতার ঘৃণামূলক বক্তব্য। উদ্দেশ্য একটাই, ভয় দেখিয়ে হিন্দুদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করা (Hindus Under Attack)।

    সাংবিধানিক আধিকারিককে ভয় দেখানোর চেষ্টা

    সাম্প্রতিক এক ঘটনায় জামায়াতে ইসলামির ক্যাডাররা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার অন্নপূর্ণা দেবনাথের দফতর ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল একজন সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষকে ভয় দেখিয়ে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা।

    এই বিক্ষোভে আইন বা প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়ে কোনও স্লোগান ছিল না। তোলা হয় সম্পূর্ণ সাম্প্রদায়িক ও আদর্শগত স্লোগান। অন্নপূর্ণা দেবনাথকে প্রকাশ্যে ‘ইসকন ভক্ত’ এবং ‘ভারতীয় এজেন্ট’ বলেও আখ্যা দেওয়া হয়। তাঁকে এই হুমকিও দেওয়া হয় যে, বাংলাদেশে তাঁকে তাঁর দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হবে না।

    হিন্দু ব্যবসায়ী খুন

    ঢাকার উপকণ্ঠে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার চারসিন্দুর বাজারে ভয়াবহ হামলার শিকার হন বছর চল্লিশের হিন্দু দোকানদার শরৎ চক্রবর্তী মানি। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে আক্রমণ করা হয় (Hindus Under Attack)। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তাঁর।

    জানা গিয়েছে, ইসলামি কর ‘জিজিয়া’ দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে খুন করা হয়।

    ধর্ষণ

    আরও একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনায় কালীগঞ্জ উপজেলার খেদা পাড়া গ্রামের এক সংখ্যালঘু মহিলা নদীপাড় সংলগ্ন ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দোতলা একটি বাড়ি ও তিন শতক জমি বৈধভাবে ২০ লক্ষ টাকায় কিনেছিলেন। ওই জমি তিনি স্থানীয় বাসিন্দা শাহীন ও তাঁর ভাইয়ের কাছ থেকে কেনেন। জমি কেনার পর থেকেই ওই মহিলাকে হেনস্থা করতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ, শাহীন ও তার সহযোগী হাসান জোর করে বাড়িতে ঢুকে ওই মহিলাকে (Roundup Week) ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর তারা তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবিও করে (Hindus Under Attack)।

    বিশ্বসংবাদ

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির লরেন্সভিল শহরের একটি কস্টকো ওয়্যারহাউসে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা সংস্থাটির খাদ্য নমুনা বিতরণ ব্যবস্থার গুরুতর ত্রুটি সামনে এনেছে। অভিযোগ, এই ত্রুটির ফলে বহু সদস্যের ধর্মীয় ও নৈতিক খাদ্যাভ্যাস লঙ্ঘিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। একটি নিয়মিত কেনাকাটার সময় কস্টকোর তৃতীয় পক্ষের স্যাম্পলিং পার্টনার সিডিএস সেখানে জিনিয়াস গার্মেটের স্পার্কলিং ক্লিয়ার প্রোটিন ওয়াটারের নমুনা বিলি করছিল। অভিযোগ, স্যাম্পলিং স্টলে পণ্যের অন্যতম উপাদান বোভাইন কোলাজেন (গরু থেকে প্রাপ্ত কোলাজেন) ব্যবহারের বিষয়টি সদস্যদের জানানো হয়নি।

    হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিষয়টি অবহেলার নয়। বহু হিন্দু কেবল নিরামিষভোজী নন, তাঁরা বিশেষভাবে গরু থেকে প্রাপ্ত যে কোনও উপাদান গ্রহণ থেকেও বিরত থাকেন। ফলে এই ধরনের তথ্য গোপন করা তাঁদের গভীর ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ সৃষ্টি করে।

    বৈষম্যের অভিযোগ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ হিন্দু-বিরোধী ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে রয়েছে কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত হিন্দু-বিরোধী মনোভাব। যদিও ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ্য, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির  প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরে আরও এক ধরনের সূক্ষ্ম ও নীরব হিন্দু-বিরোধী মানসিকতা কাজ করে (Roundup Week)। এই ধরনের বৈষম্য অনেক সময় চোখে পড়ে না, যতক্ষণ না বিদ্যমান আইন, নীতি ও ঘটনার ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা দীপাবলিতে আতশবাজি ব্যবহারের ওপর ধীরে ধীরে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করছেন। আপাতদৃষ্টিতে বিষয়টি পরিবেশ দূষণের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে হলেও, অন্যান্য ধর্মীয় উৎসবে একই ধরনের বিধিনিষেধ না থাকা এবং যুক্তির অভাব দ্বিচারিতার ইঙ্গিত দেয় বলেই মত পর্যবেক্ষকদের (Hindus Under Attack)।

    এই প্রেক্ষাপটে কস্টকোর ঘটনায় ওঠা প্রশ্ন শুধু একটি পণ্যের উপাদান গোপন রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি বৃহত্তর এক সমস্যার প্রতিফলন, যেখানে ধর্মীয় সংবেদনশীলতা উপেক্ষিত হচ্ছে এবং নীরব বৈষম্যের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। কস্টকো কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ নেয় এবং ভবিষ্যতে সদস্যদের ধর্মীয় ও নৈতিক অধিকার রক্ষায় কী ধরনের স্বচ্ছতা ও সংবেদনশীলতা দেখায়, এখন সেটাই দেখার।

  • Somnath Swabhiman Parv: “ঐতিহাসিক ধর্মস্থলে আসতে পেরে আমি ধন্য”, সোমনাথ স্বাভিমানযাত্রায় অংশ নিয়ে জানালেন মোদি

    Somnath Swabhiman Parv: “ঐতিহাসিক ধর্মস্থলে আসতে পেরে আমি ধন্য”, সোমনাথ স্বাভিমানযাত্রায় অংশ নিয়ে জানালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমনাথ স্বাভিমান পর্বে (Somnath Swabhiman Parv) যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমনাথ মন্দিরের ইতিহাসের সঙ্গে ১ হাজার বছরের পুরাতন ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং ধর্মের আধ্যাত্মিকা জড়িয়ে রয়েছে। শনিবার গুজরাটের এই দ্বাদশলিঙ্গের এই মন্দিরে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। তাঁকে বিশেষভাবে স্বাগত জানান গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ঐতিহাসিক ধর্মস্থলে আসতে পেরে আমি ধন্য।”

    ঐতিহাসিক মুহূর্ত (Somnath Swabhiman Parv)

    সোমনাথ মন্দিরে এই স্বাভিমান যাত্রায় (Somnath Swabhiman Parv) যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সোমনাথ মন্দির আমাদের সাহস এবং গর্বের প্রতীক। আজ এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ১০২৬ সালে প্রথমবার বিদেশি আক্রমণকারীরা প্রথম আক্রমণ করেছিল। আজ এই যাত্রার ১ হাজার বছর পূর্ণ হয়েছে। জয় সোমনাথ আজকের এই আগমন অত্যন্ত আনন্দদায়ক।”

    ৭২ ঘণ্টা ব্যাপি ওঁ মন্ত্র জপ

    প্রধানমন্ত্রী মোদি এই মন্দিরের ৭২ ঘণ্টা ব্যাপি ওঁ মন্ত্র ধ্যানেও যোগ দেন। গত ৮ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই ১০০০ বছরের ইতিহাসকে স্মরণ করা হবে। তবে আজকের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানিয়েছেন,  ১১ জানুয়ারি সকাল ৯ টা ৪৫ থেকে প্রধানমন্ত্রী এক শৌর্য যাত্রায় (Somnath Swabhiman Parv) যোগদান করেছেন। সোমনাথ মন্দিরের জন্য এখনও পর্যন্ত অগণিত ভক্ত নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের সকলের প্রতি যথার্থ সম্মান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই যাত্রায় ১০৮টি ঘোড়ার প্রতীক রূপে বিশেষ পদযাত্রা করবেন। এই যাত্রা বীরত্ব এবং আত্মত্যাগের প্রতীক। এরপর সকাল ১০টায় পুজো করেছেন। এরপর সকাল ১১টায় একটি জনসভায় ভাষণও দেন।

    অস্তিত্বকে মুছে যেতে দেওয়া হয়নি

    ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি ১০০০ বছর পূর্ণ হয়েছে। এই দিনে ১০২৬ সালে গজনির সম্রাট সুলতান মামুদ আক্রমণ করেছিলেন। তাই এই দিন এক আক্রমণের ১০০০ বছর। তবে কালের প্রবাহে মুসলমান শাসক বার বার দেশের হিন্দু মন্দির বা ধর্মীয়স্থলগুলিকে টার্গেট করেছে। বারবার ভাঙা হয়েছে মন্দির। এমন কি কিছু কিছু জায়গায় মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরিও করা হয়েছে। এতবার আক্রমণ হলেও সোমনাথ কখনও মানুষের সম্মিলিত অস্তিত্বকে মুছে যেতে দেওয়া হয়নি। সোমনাথ কেবল মাত্র একটি পাথরের টুকরো নয়, বিশ্বাস আস্থা এবং গর্বের প্রতীক।

    আধুনিকীকরণের ৫০ বছর পূর্তি

    ১৯৫১ সালে সর্দার প্যাটেল এবং কেএম মুন্সীর উদ্যোগে মন্দিরটি পুনর্নির্মিত হয়, এটাই ছিল আধুনিক ভারতের সাংস্কৃতিক বিজয়ের শুরু। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ। ১৯৫১ সালে সোমনাথ মন্দিরের আধুনিকীকরণ করা হয়। ২০০১ সালে সেই আধুনিকীকরণের ৫০ বছর পূর্তি হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং লালকৃষ্ণ আদবানি। আর ২০২৬ সালে ১৯৫১ সালের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের (Somnath Swabhiman Parv) ৭৫ বছর পূর্ণ হবে।

  • RBI: মার্কিন ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ কমাল আরবিআই, বাড়ছে দেশের সোনার ভান্ডার

    RBI: মার্কিন ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ কমাল আরবিআই, বাড়ছে দেশের সোনার ভান্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: সাম্প্রতিক মাসগুলিতে মার্কিন ট্রেজারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI)। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো (US Treasury Bonds) হয়েছে, মার্কিন ট্রেজারি দফতরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষে আরবিআইয়ের কাছে থাকা মার্কিন বন্ডের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৯০ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৪১.৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, এক বছরে প্রায় ৫০.৭ বিলিয়ন ডলার কমেছে বিনিয়োগ। সার্বিকভাবে ২০২৫ সালে ভারত প্রায় ২১ শতাংশ মার্কিন ট্রেজারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ কমিয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই সময়ের মধ্যেই ১০ বছরের মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪.৮ শতাংশে পৌঁছেছে (US Treasury Bonds)।

    মার্কিন বন্ডে বিনিয়োগ কমাল ভারত (RBI)

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন বন্ডে বিনিয়োগ কমানোর পাশাপাশি সাম্প্রতিক মাসগুলিতে সোনার ভান্ডার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক (RBI)। বর্তমানে আরবিআইয়ের কাছে থাকা সোনার পরিমাণ প্রায় ৮৮০.১৮ মেট্রিক টন। ধারাবাহিকভাবে সোনা কিনে চলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। বর্তমানে ভারতের মোট বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার প্রায় ৬৮৭ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে ১৩.৬ শতাংশই সোনা। গত বছর এই হার ছিল মাত্র ৯.৩ শতাংশ (US Treasury Bonds)। বিশেষজ্ঞদের মতে, আরবিআইয়ের এই সোনা কেনার প্রবণতা বৈশ্বিক প্রবণতার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিকগুলিতে চিন, ব্রাজিল ও সৌদি আরব-সহ একাধিক দেশ সোনায় বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। এর পেছনে সম্ভাব্য মার্কিন ডলারের অস্থিরতা এবং দ্রুত বাড়তে থাকা মার্কিন ঋণ পরিষেবা খরচ নিয়ে উদ্বেগ কাজ করছে। অনুমান করা হচ্ছে, শীঘ্রই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট সুদ পরিশোধের অঙ্ক ১০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    লক্ষ্য ডলার-নির্ভরতা কমানো

    অন্যদিকে, একই (RBI) সময়ে ব্রিটেন, বেলজিয়াম, জাপান, কানাডা এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) তাদের মার্কিন ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়িয়েছে (US Treasury Bonds)। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের এই পদক্ষেপকে ডলারনির্ভরতা কমানো হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। বরং এটি মূলত পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যকরণ ও পুনর্গঠনের কৌশল, যার মাধ্যমে ঝুঁকি কমিয়ে (RBI) দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে আরবিআই (US Treasury Bonds)।

LinkedIn
Share