Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sri Sri Ravi Shankar: বার্লিনে হাড়হিম করা ঠান্ডায় বিদ্যুৎহীন মানুষের পাশে রবিশঙ্কর

    Sri Sri Ravi Shankar: বার্লিনে হাড়হিম করা ঠান্ডায় বিদ্যুৎহীন মানুষের পাশে রবিশঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপজুড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেই মানবিকতার অনন্য নজির গড়লেন ভারতের প্রখ্যাত আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar)। জার্মানির রাজধানী বার্লিনে (Berlin) সন্দেহভাজন চরম বামপন্থী নাশকতার জেরে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার মানুষের পাশে দাঁড়ালেন তিনি। গত ৩ জানুয়ারি থেকে বার্লিনের একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার ফলে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার চার দিন ধরে বিদ্যুৎ ও গরমের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে রয়েছে। উল্লেখ্য যে, বার্লিন শহরে বিদ্যুৎই মূলত ঘর গরম রাখার প্রধান মাধ্যম। এই পরিস্থিতিতে তাপমাত্রা নেমে যায় মাইনাস ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাপনকে কার্যত দুর্বিষহ করে তোলে।

    বার্লিনবাসীর পাশে রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar)

    এই চরম পরিস্থিতিতে বার্লিনের আঞ্চলিক মেয়র ও জার্মান সংসদের এক সদস্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর বিদ্যুৎহীন বাসিন্দাদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ান। এক্স হ্যান্ডলে রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar) লেখেন, “বার্লিনে তীব্র শীতে চার দিন ধরে ৫০ হাজার পরিবার বিদ্যুৎ ও গরমের সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। এই পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক মেয়র ও জার্মান সংসদের সদস্যের সঙ্গে একযোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য খাবার বিতরণ করেছি এবং তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছি।” স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পেছনে চরম বামপন্থী গোষ্ঠীর নাশকতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলাকালীনই জরুরি পরিষেবা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে নিয়ে (Berlin) ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় নামানো হয়েছে বিশেষ দল (Sri Sri Ravi Shankar)।

    রবিশঙ্করের এই উদ্যোগ

    বিশ্বজুড়ে মানবিক কার্যক্রমের জন্য পরিচিত শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। তীব্র শীত ও অন্ধকারের মধ্যেও তাঁর উপস্থিতি এবং সহমর্মিতা বার্লিনের বহু বাসিন্দার কাছে আশার আলো হয়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনায় চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। বামপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীর নাশকতামূলক হামলায় প্রায় ৫০ হাজার পরিবার ও ২,২০০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে (Sri Sri Ravi Shankar)। প্রচণ্ড শীতের মধ্যে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাপ, আলো, মোবাইল যোগাযোগ এবং জরুরি পরিষেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় (Berlin)। শনিবার ভোরে দক্ষিণ-পশ্চিম বার্লিনের লিখটারফেল্ড বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে টেলটো ক্যানালের ওপর থাকা একটি কেবল ব্রিজে অগ্নিসংযোগ করা হয়। হামলাকারীরা উচ্চ ও মধ্য ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের নীচে দাহ্য বস্তু রেখে আগুন ধরিয়ে দেয়। পাশাপাশি ধাতব রড ব্যবহার করে তারে শর্ট সার্কিট ঘটানো হয়, যাতে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়ে এবং মেরামতের কাজ জটিল হয়ে ওঠে (Sri Sri Ravi Shankar)।

    হিটিং সিস্টেম সম্পূর্ণ অচল

    এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে স্থানীয় জেলা-ভিত্তিক হিটিং সিস্টেম সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে। যদিও গ্যাস বা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য তাপ থেকে উত্তাপ তৈরি করা হয়, কিন্তু সেই উত্তাপ ঘরে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত পাম্প ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় গোটা ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে। গ্রিড অপারেটর স্ট্রমনেট্‌জ বার্লিন জানিয়েছে, রবিবারের মধ্যে বিদ্যুৎহীন বাড়ির সংখ্যা কমে প্রায় ২০ হাজারে নেমেছে। তবে পুরোপুরি বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হতে ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে বামপন্থী চরমপন্থী সংগঠন ভুলকানগ্রুপ (Vulkangruppe)। অনলাইনে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা (Berlin) দাবি করেছে, তারা ফসিল ফুয়েল অর্থনীতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) বিস্তারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে, যা নাকি জলবায়ু সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে (Sri Sri Ravi Shankar)।

    বিবৃতির বক্তব্য

    বিবৃতিতে তারা লিখেছে, “শক্তির লোভে পৃথিবীকে নিঃশেষ করা হচ্ছে, শোষণ, দহন, ধ্বংস ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছে প্রকৃতি।” ওই গোষ্ঠীর দাবি, ওয়ানসি, জেহলেনডর্ফ ও নিকোলাসি এলাকার উন্নত অঞ্চলগুলিকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল। তবে সাধারণ ও কম আয়ের মানুষের ভোগান্তির জন্য তারা দুঃখপ্রকাশও করেছে। উল্লেখ্য যে, এই গোষ্ঠী এর আগেও শক্তি, রেল ও তথ্য পরিকাঠামোয় হামলার জন্য পরিচিত। ২০২৪ সালে তারা বার্লিনের বাইরে একটি টেসলা কারখানায় হামলা চালিয়েছিল, যদিও টেসলা শুধুমাত্র বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরি করে (Berlin)। জার্মান কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে “বামপন্থী সন্ত্রাসবাদী হামলা” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ফেডারেল প্রসিকিউটর দফতর বুন্ডেসআনভাল্টশাফট সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের আওতায় রয়েছে, জঙ্গি সংগঠনের সদস্যপদ, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ এবং জনপরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ (Sri Sri Ravi Shankar)।

    বার্লিনের মেয়রের বক্তব্য

    বার্লিনের মেয়র কাই ভেগনার বলেন, “সন্দেহভাজন বামপন্থী চরমপন্থীরা জেনে-বুঝেই মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে, বিশেষ করে হাসপাতালের রোগী, প্রবীণ, শিশু ও পরিবারগুলির।” প্রচণ্ড ঠান্ডায় উত্তাপহীন অবস্থায় সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন প্রবীণ ও দুর্বল মানুষেরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা তাঁর ঠান্ডা, বিদ্যুৎহীন বাড়িতে অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছেন। কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় পয়ঃনিষ্কাশন পাম্প বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বেসমেন্টে প্রায় ১৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কাঁচা নর্দমার জল জমে যায়। বহু মানুষের ঘরের আসবাব ও ব্যক্তিগত সামগ্রী নষ্ট হয়েছে (Sri Sri Ravi Shankar)। পুলিশ ও জরুরি পরিষেবা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ জীবন-যাপন করছেন, তাঁদের খোঁজ নিচ্ছেন। অস্থায়ী উষ্ণ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জার্মান সেনাবাহিনীও জরুরি জেনারেটর ও লজিস্টিক সহায়তা দিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রায় ২০টি স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে (Berlin)।

  • Assam: বাংলাদেশের জেহাদি মডিউলের পর্দাফাঁস অসম পুলিশের

    Assam: বাংলাদেশের জেহাদি মডিউলের পর্দাফাঁস অসম পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের জেহাদি মডিউলের (Jihadi Module) পর্দাফাঁস করল অসম পুলিশ। মঙ্গলবার অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ কথা জানান। এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে আত্মগোপন করে থাকা জেহাদিদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। তিনি লিখেছেন, “কয়েকদিন আগেই অসম পুলিশ একটি জেহাদি মডিউলের পর্দা ফাঁস করেছে। রাজ্যে অনেক জেহাদি লুকিয়ে রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।”

    ভিডিও বার্তা (Assam)

    ওই পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিও বার্তাও দিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। সেই বার্তায় তিনি জানান, জেহাদিদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অসমে জেহাদিরা আছে, এবং আমরা গত ১০ বছর ধরে নিয়মিত এর প্রমাণ পাচ্ছি। রাজ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই ধরনের অভিযান চালিয়ে যাব। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর এই পোস্ট থেকেই জানা গিয়েছে, নিষিদ্ধ জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। এই বাংলাদেশভিত্তিক জেহাদি মডিউলটি অসমের যুবকদের মৌলবাদী মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ করছিল। তারা পুবা-আকাশের মতো এনক্রিপ্টেড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিয়োগ, মতাদর্শ প্রচার এবং জঙ্গি কার্যকলাপে অর্থায়ন করত।

    মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট

    মুখ্যমন্ত্রীর করা পোস্টে এও জানানো হয়েছে, অসম পুলিশ বাংলাদেশ থেকে হ্যান্ডলার এবং স্থানীয় অপারেটিভদের নিয়ে আন্তঃসীমান্ত জঙ্গি সংযোগ উন্মোচন করেছে (Assam)। এসটিএফ এবং অসম পুলিশের দ্রুত অভিযানে অসম ও ত্রিপুরাজুড়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এটি একটি বড় নিরাপত্তা হুমকি এড়াতে সাহায্য করেছে (Jihadi Module)।

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে অসম সরকার রাজ্যে উগ্রপন্থার প্রচার বন্ধ করতে জেএমবি, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, আনসার আল ইসলাম / প্রো-একিউআইএস এবং অন্য সহযোগী গোষ্ঠীর মতো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত যে কোনও মৌলবাদী বা জেহাদি উপাদানের প্রকাশ, প্রচার এবং দখল নিষিদ্ধ করেছিল। এতে আরও বলা হয়েছে, অসম পুলিশ স্পেশাল ব্রাঞ্চ, ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট, জেলা সিনিয়র পুলিশ সুপার, সাইবার ক্রাইম ইউনিট এবং সমস্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এই বিজ্ঞপ্তির কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করবে (Assam)। এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইনের অধীনে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবে। এর মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা তথ্য, সাইবার প্যাট্রোলিং রিপোর্ট এবং অসম পুলিশ ও স্পেশাল টাস্কফোর্স, অসমের সাম্প্রতিক তদন্তে ওই নিষিদ্ধ সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত মৌলবাদী কিংবা জেহাদি সাহিত্য প্রকাশনা, নথি এবং ডিজিটাল প্রচার সামগ্রীর (Jihadi Module) ক্রমাগত প্রচার, দখল, বিতরণ এবং ডিজিটাল ট্রান্সমিশনও (Assam)।

  • Stealth Underwater Drones: সমুদ্রতলে নীরব বিপ্লব! অক্টোপাসের আদলে ভবিষ্যতের আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতের

    Stealth Underwater Drones: সমুদ্রতলে নীরব বিপ্লব! অক্টোপাসের আদলে ভবিষ্যতের আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধ (Future Undersea Warfare) ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার পথে হাঁটছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্যকে (Octopus-Inspired Technology) আদর্শ হিসেবে ধরে উন্নত স্টেলথ আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন ডিফেন্স স্টার্টআপ (Defence Startups) ও প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের জন্য নতুন গবেষণার উদ্যোগ নিচ্ছে নৌবাহিনী।

    ভারতীয় নৌবাহিনীর নতুন উদ্যোগ

    🔹 কী হচ্ছে?
    অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আন্ডারওয়াটার ড্রোন তৈরির উদ্যোগ।

    🔹 কেন অক্টোপাস?
    স্টেলথ চলাচল • দ্রুত অভিযোজন • আত্মগোপন ক্ষমতা

    🔹 লক্ষ্য কী?
    আরও গোপন, দ্রুত ও কার্যকর আন্ডারওয়াটার ড্রোন

    🔹 ব্যবহার কোথায়?
    নজরদারি • রিকনেসান্স • আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার

    🔹 কারা যুক্ত?
    ডিফেন্স স্টার্টআপ • গবেষণা প্রতিষ্ঠান • প্রযুক্তি উদ্ভাবকরা

    🔹 বড় উদ্দেশ্য
    ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধে ভারতের সামুদ্রিক শক্তি বৃদ্ধি

    অক্টোপাসের রণনীতিতে ভরসা

    বাহিনী জানিয়েছে, অক্টোপাসের স্টেলথ চলাচল, দ্রুত অভিযোজন ক্ষমতা এবং অসাধারণ ফুর্তি ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Autonomous Underwater Vehicle) ও রোবোটিক সিস্টেম নকশায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যগুলিকে কাজে লাগিয়ে আরও কার্যকর ও স্টেলথ আন্ডারওয়াটার প্ল্যাটফর্ম (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    এই উদ্যোগের আওতায় নজরদারি, রিকোনেস্যান্স (রেকি) এবং অন্যান্য নৌ-অভিযানের জন্য ব্যবহৃত আন্ডারওয়াটার ড্রোনগুলির কার্যক্ষমতা, গোপনীয়তা এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্যতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রের জটিল পরিবেশে অক্টোপাস যেভাবে নিজের রূপ বদলে আত্মগোপন করে এবং দক্ষতার সঙ্গে চলাচল করে, সেই নীতিগুলিই প্রযুক্তিগত নকশায় প্রয়োগ করার কথা ভাবছে নৌবাহিনী।

    অক্টোপাস-অনুপ্রাণিত নকশা

    ভারতীয় নৌবাহিনীর মতে, এই জীববিজ্ঞান-অনুপ্রাণিত পদ্ধতির ফলে বর্তমানে ব্যবহৃত ব্যবস্থার তুলনায় আরও উন্নত এবং প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরি করা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতের আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার (Future Undersea Warfare) এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা (Maritime Security) সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এই প্রকল্পে অংশ নিতে প্রতিরক্ষা শিল্পের সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্টার্টআপগুলিকে তাদের প্রযুক্তিগত ধারণা ও প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। নৌবাহিনীর লক্ষ্য, জৈবিক অনুপ্রেরণাকে বাস্তব প্রকৌশল ও রোবোটিক সমাধানে রূপান্তর করে ভারতের সামুদ্রিক শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করা।

  • World Largest Shivling: বিহারে নির্মীয়মাণ বিশ্বের বৃহত্তম ‘বিরাট রামায়ণ মন্দির’-এ স্থাপিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ

    World Largest Shivling: বিহারে নির্মীয়মাণ বিশ্বের বৃহত্তম ‘বিরাট রামায়ণ মন্দির’-এ স্থাপিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর মহাবলীপুরমের পট্টিবাডু গ্রামে নির্মিত বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গটি শীঘ্রই বিহারের (Bihar) কৈথওয়ালিয়াতে নির্মীয়মাণ বৃহত্তম হিন্দু মন্দিরে (World Largest Shivling) স্থাপিত করার জন্য সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই শিবলিঙ্গটি গ্রানাইট পাথরে নির্মিত। যার ২১০ টন ওজন এবং ৩৩ ফুট উচ্চতা। এই শিবলিঙ্গটি একটিমাত্র বৃহৎ গ্রানাইট পাথরকে খোদাই করেই নির্মাণ করা হয়েছে। শৈব ভক্তদের মধ্যে তাকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    শীঘ্রই কৈথওয়ালিয়াতে পৌঁছে যাবে (World Largest Shivling)

    দক্ষ কারিগরদের দ্বারা কালো গ্রানাইট পাথরকে খোদাই করে এই শিবলিঙ্গটি এক মাস, পনেরো দিনেরও বেশি সময় ধরে অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশ অতিক্রম করে গত ৫ জানুয়ারি বিহারের গোপালগঞ্জ (Bihar) জেলায় এসে পৌঁছেছে। যাত্রাপথে ভক্তরা এটিকে বিপুল আনন্দ ও ভক্তি সহকারে স্বাগত জানান। শিবলিঙ্গটি (World Largest Shivling) গত ২১ নভেম্বর যাত্রা শুরু করেছিল এবং ২৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করে খুব শীঘ্রই কৈথওয়ালিয়াতে পৌঁছে যাবে।

    ১০৮টি শিবলিঙ্গ খোদাই করা হয়েছে

    এই শিবলিঙ্গে ১০৮টি লিঙ্গ খোদাই করা রয়েছে। এটি বিরাট রামায়ণ মন্দিরে নির্মীয়মাণ ২২টি মন্দিরের মধ্যে একটি শিব মন্দিরে (World Largest Shivling) স্থাপন করা হবে। কৈলাস মানসরোবর, প্রয়াগরাজ, হরিদ্বার, গঙ্গোত্রী এবং সোনপুর সহ পাঁচটি পবিত্রস্থান থেকে আনা জল দিয়ে এবং বৈদিকমন্ত্র পাঠের মাধ্যমে আগামী ১৭ জানুয়ারি এই লিঙ্গের প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিহারের (Bihar) পূর্ব চম্পারণ জেলায় ১২০ একরেরও বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত করা হয়েছে রামায়ণ মন্দিরকে। মন্দির সম্পন্ন হলে বিশ্বের বৃহত্তম হিন্দু মন্দির হবে বলে দাবি এলাকাবাসীর। মহাবীর মন্দির ট্রাস্টের তৎকালীন সম্পাদক, প্রয়াত আচার্য কিশোর কুনাল মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন।

    মূল মন্দির ১০৮০ ফুট লম্বা এবং ৫৪০ ফুট চওড়া

    সম্পূর্ণ ভাবে মন্দিরটি (World Largest Shivling) নির্মিত হওয়ার পর মন্দির চত্বরে ১৮টি চূড়া এবং ২২টি আলাদা আলাদা মন্দির (Bihar) থাকবে। প্রত্যেক মন্দিরে পৃথক পৃথক দেবতাদের জন্য উৎসর্গীকৃত করা থাকবে। প্রধান মন্দিরটির উচ্চতা হবে ২৭০ ফুট। মূল মন্দির ১০৮০ ফুট লম্বা এবং প্রায় ৫৪০ ফুট চওড়া হবে, যার বাইরের দেওয়ালে রামায়ণের দৃশ্য চিত্রিত থাকবে। মন্দিরে ১৮০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট মোট চারটি চূড়া থাকবে। সেই সঙ্গে আরও আটটি চূড়ার উচ্চতা হবে ১০৮ ফুট করে। তবে বিরাট শিবলিঙ্গটি মন্দির পরিদর্শনে আসা ভক্তদের জন্য প্রধান আকর্ষণীয় কেন্দ্র হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভক্তরা।

  • JNU: জেএনইউ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর স্লোগান, অভিযোগ দায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের

    JNU: জেএনইউ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর স্লোগান, অভিযোগ দায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে আপত্তিকর স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেএনইউয়ের চিফ সিকিউরিটি অফিসার বসন্ত কুঞ্জ (নর্থ) থানার স্টেশন হাউস অফিসারকে একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১০টা নাগাদ, জেএনইউ ক্যাম্পাসের সবরমতী হস্টেলের বাইরে একটি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিটি সংগঠিত করে জেএনইউ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (JNUSU) সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন পড়ুয়া।

    আইনানুগ ব্যবস্থা (JNU)

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি জেএনইউ ক্যাম্পাসে সংঘটিত হিংসার ষষ্ঠ বার্ষিকী পালন করার উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছিল “এ নাইট অফ রেজিস্ট্যান্স উইথ গেরিলা ধাবা”। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই কর্মসূচির আড়ালে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর এবং উসকানিমূলক কিছু স্লোগানও দেওয়া হয়, যা ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে। এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ (JNU)।

    উসকানিমূলক স্লোগান

    ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু হতে পারে বলে সূত্রের খবর (PM Modi)। চিঠিতে এও বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ওই অনুষ্ঠানটি একটি নির্দিষ্ট বার্ষিকী পালনের উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়েছিল। এতে ৩০ থেকে ৩৫ জন ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। যাঁদের নাম চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, অদিতি মিশ্র, গোপিকা বাবু, সুনীল যাদব, দানিশ আলি, সাদ আজমি, মেহবুব ইলাহি, কনিষ্ক, পাকিজা খান, শুভম-সহ আরও কয়েকজন। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিন সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার পরেই অনুষ্ঠানের প্রকৃতি ও সুর বদলে যায়। সেই সময় কিছু ছাত্রছাত্রী অত্যন্ত আপত্তিকর, উসকানিমূলক এবং জ্বালা ধরানো ধরনের স্লোগান দিতে শুরু করেন (JNU)।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মত

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, এই ঘটনা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সরাসরি অবমাননা। চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই (PM Modi) ধরনের স্লোগান, গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, জেএনইউয়ের কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘন করে এবং ক্যাম্পাসের শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। ওই চিঠিতেই দাবি করা হয়েছে, স্লোগানগুলি ছিল শুনতে পাওয়া যায় এমন, ইচ্ছাকৃত এবং বারবার উচ্চারিত। অর্থাৎ, এটি কোনও তাৎক্ষণিক বা আবেগতাড়িত প্রতিক্রিয়া নয়, বরং সচেতন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণ। এই ধরনের ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌহার্দ্যপূর্ণ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা। চিঠিতে জানানো হয়েছে, ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিভাগের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন এবং পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছিলেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রাসঙ্গিক ধারায় এই ঘটনার বিষয়ে এফআইআর দায়ের করার অনুরোধ জানানো হয়েছে (JNU)।

    উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ

    চিঠি থেকেই জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ করার পর, ক্যাম্পাসে বামপন্থী ছাত্রদের একাংশের তরফে একাধিক উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হয়। স্লোগানগুলি দিল্লির হিন্দু-বিরোধী দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্র মামলার প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে, জেএনইউয়ে এই স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ঘটনা গণতান্ত্রিক ভিন্নমতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি জেএনইউয়ের (PM Modi) আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন। প্রশাসনের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার ওপর কড়া নজর রেখেছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে (JNU)।

    জেএনইউ প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি ব্রাঞ্চ পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তদন্তে সহযোগিতা করবে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, জেএনইউ সবসময় গণতান্ত্রিক আলোচনার পক্ষে থাকলেও, শৃঙ্খলাভঙ্গ বা আচরণবিধি লঙ্ঘন (PM Modi) কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না (JNU)।

  • Chenab Hydropower: চেনাব নদীতে একের পর এক বাঁধ, প্রমাদ গুণছে পাকিস্তান

    Chenab Hydropower: চেনাব নদীতে একের পর এক বাঁধ, প্রমাদ গুণছে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) জলজীবনরেখায় ভারতের চাপ আর কেবল কৌশলগত ধারণায় সীমাবদ্ধ নেই। জম্মু ও কাশ্মীরের (Chenab Hydropower) পাহাড়ি অঞ্চলে সেই পরিকল্পনা এখন বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে।

    চারটি গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প (Chenab Hydropower)

    স্পষ্ট রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তা দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার চেনাব নদীর অববাহিকায় চারটি গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করার কড়া নির্দেশ জারি করেছে। সরকারি সূত্রে খবর, পাকাল দুল (Pakal Dul) এবং কিরু (Kiru) জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দু’টি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই চালু করতে বলা হয়েছে। ক্বার (Kwar) প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মার্চের মধ্যে সম্পূর্ণ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ র‍্যাটলে (Ratle) বাঁধের নির্মাণ কাজও দ্রুত গতিতে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরের সাম্প্রতিক জম্মু ও কাশ্মীর সফর। টানা দু’দিন ধরে তিনি চেনাব নদী সংলগ্ন একাধিক বাঁধ প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং প্রকল্পের কাজ কতদূর এগিয়েছে, তা খতিয়ে দেখেন। সূত্রের খবর, ওই পরিদর্শনের সময়ই তিনি স্পষ্ট করে দেন, এবার আর সময়সীমা নিয়ে কোনও শিথিলতা বরদাস্ত করা হবে না।

    পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলসম্পদ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, চেনাব (Chenab Hydropower) নদী পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলসম্পদ। ভারতের এই দ্রুত বাঁধ নির্মাণ এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন ইসলামাবাদের ওপর ভবিষ্যতে বড় কৌশলগত চাপ তৈরি করতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে জল এখন যে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠছে, ভারতের এই পদক্ষেপ তারই ইঙ্গিত (Pakistan)। চেনাব নদী সিন্ধু অববাহিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা পাকিস্তানের জলনির্ভর অর্থনীতির মূল ভিত্তি। পাকিস্তানের মোট জলসম্পদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ আসে সেই নদীগুলি থেকে, যেগুলি ভারতের ওপর দিয়ে গিয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করেছে। এই সিন্ধু অববাহিকার ওপর নির্ভর করেই পাকিস্তানের কৃষি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। দেশটির মোট কৃষিকাজের ৯০ শতাংশেরও বেশি এই অববাহিকার জলের ওপর নির্ভরশীল। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের প্রায় সব সম্পূর্ণ বাঁধ ও খাল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে এই অববাহিকাকে কেন্দ্র করেই (Chenab Hydropower)।

    ৯ জনই এমন জল ব্যবহার করেন

    বলতে গেলে, পাকিস্তানের প্রতি ১০ জন নাগরিকের মধ্যে ৯ জনই এমন জল ব্যবহার করেন, যা ভারতের ওপর দিয়ে বয়ে যায়। এ থেকেই স্পষ্ট হয়, কেন চেনাব নদী সংক্রান্ত ভারতের প্রতিটি পদক্ষেপ পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, চেনাব বা সিন্ধু অববাহিকা নিয়ে যে কোনও সিদ্ধান্ত দক্ষিণ এশিয়ার জল নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিষয়টি কেবল (Pakistan) শক্তি উৎপাদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে কৌশলগত ও কূটনৈতিক গুরুত্বও বহন করছে (Chenab Hydropower)। চেনাব নদী অববাহিকায় ভারতের জলবিদ্যুৎ কৌশলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। জম্মু ও কাশ্মীরের কিস্তওয়ার জেলায় অবস্থিত পাকাল দুল জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। এই প্রকল্পটিই চেনাব নদীর অববাহিকায় ভারতের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প।

    কৌশলগত গুরুত্ব

    ১,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পাকাল দুল প্রকল্পটি শুধু উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকেই নয়, কৌশলগত গুরুত্বেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৬৭ মিটার উচ্চতার এই বাঁধটি বর্তমানে ভারতের সর্বোচ্চ বাঁধ, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এটি ভারতের প্রথম জলাধারভিত্তিক (storage) প্রকল্প, যা এমন একটি নদীর ওপর তৈরি হয়েছে, যার জল গড়ায় পাকিস্তানেও (Chenab Hydropower)। চেনাব নদীর একটি উপনদীর ওপর নির্মিত এই প্রকল্পটির উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ২০১৮ সালের মে মাসে। বর্তমানে সিন্ধু জলচুক্তি (Indus Waters Treaty) কার্যত স্থগিত অবস্থায় থাকায়, পাকাল দুল প্রকল্প দ্রুত চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র (Pakistan)। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি চালু হলে ভারত শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, জলপ্রবাহের সময় ও নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা অর্জন করবে, যা দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের উদ্বেগের কারণ (Chenab Hydropower)। পাকাল দুলের পাশাপাশি একই জেলার আর এক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কিরু জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকেও একই সময়ের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রের সাফ কথা

    চেনাব নদীর ওপর নির্মিত ১৩৫ মিটার উঁচু কিরু বাঁধটি একটি রান-অফ-দ্য-রিভার প্রকল্প হলেও, এর কৌশলগত গুরুত্ব কম নয়। কারণ এটি চেনাব নদীর ওপর অবস্থিত একাধিক ঊর্ধ্ব ও নিম্নপ্রবাহের প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি ধারাবাহিক জলবিদ্যুৎ কাঠামোর অংশ (Pakistan)। কেন্দ্র সাফ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই পাকাল দুল ও কিরু—দু’টি প্রকল্পই একসঙ্গে চালু করার লক্ষ্য। চেনাব নদীতে ভারতের জলবিদ্যুৎ উদ্যোগের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে ক্বার প্রকল্পটি। এটি একটি রান-অফ-দ্য-রিভার (Run-of-the-River) ধরনের বাঁধ, যার উচ্চতা ১০৯ মিটার (Chenab Hydropower)। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এই প্রকল্পে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত সাফল্য অর্জিত হয়, যখন নির্মাণকাজের সুবিধার্থে সফলভাবে চেনাব নদীর প্রবাহ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এই নদী-প্রবাহ ঘোরানোর ঘটনার ওপর শুধু ভারতই নয়, পড়শি পাকিস্তানও শ্যেন দৃষ্টিতে তাকিয়েছিল।

    সময়সীমা

    এখন কেন্দ্রীয় সরকার ক্বার প্রকল্পের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই প্রকল্পটির কাজ শেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করতে হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে চেনাব নদীর অববাহিকায় ভারতের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে (Chenab Hydropower)। চেনাব নদীর ওপর নির্মীয়মাণ রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ঘিরে ভারত–পাকিস্তান উত্তেজনা আরও একবার সামনে এসেছে। ৮৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই প্রকল্পটি ভারত-পাকিস্তান জলবিরোধের অন্যতম বিতর্কিত প্রকল্প হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি ভারতের বিদ্যুৎমন্ত্রী এই প্রকল্পের বাঁধের কংক্রিট ঢালাইয়ের কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন, যা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে, রাটলে প্রকল্পকে এখন ফাস্ট-ট্র্যাক করা হচ্ছে (Pakistan)।

    ১৩৩ মিটার উঁচু বাঁধ

    চেনাব নদীর ওপর নির্মীয়মাণ এই প্রকল্পে ১৩৩ মিটার উঁচু বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তান এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছে, বিশেষ করে বাঁধের স্পিলওয়ে নকশা নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে। পাকিস্তানের দাবি, এই নকশা ইন্দাস জলচুক্তির পরিপন্থী। যদিও ভারত বারবার জানিয়েছে, প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক বিধি মেনেই তৈরি হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালেই চেনাব নদীর জল টানেলের মাধ্যমে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে এই প্রকল্পের জন্য। সরকারি সূত্রের খবর, ২০২৮ সালের মধ্যেই রাটলে বাঁধ সম্পূর্ণ হওয়ার কথা (Chenab Hydropower)।

    দুলহস্তি-১ প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ

    রাটলে প্রকল্পের পাশাপাশি চেনাব নদীর ওপরই আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, দুলহস্তি স্টেজ-২ নিয়েও এগোচ্ছে ভারত। গত বছরের ডিসেম্বরে এই প্রকল্পটি পরিবেশমন্ত্রকের বিশেষজ্ঞ কমিটির অনুমোদন পেয়েছে। এটি দুলহস্তি-১ প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ, যা ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গিয়েছে। তবে এখানেও আপত্তি তুলেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের দাবি, দুলহস্তি স্টেজ-২ প্রকল্পের অনুমোদনের বিষয়ে তাদের আগাম জানানো হয়নি। ভারত এই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, সমস্ত প্রক্রিয়া নিয়ম মেনেই সম্পন্ন করা হয়েছে এবং পাকিস্তানকে আলাদা করে জানানো বাধ্যতামূলক নয় (Pakistan)।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, চেনাব নদীর অববাহিকায় একের পর এক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভারত কেবল শক্তি উৎপাদনই নয়, কৌশলগতভাবেও নিজের অবস্থান মজবুত করছে। আক্ষরিক অর্থেই পাকিস্তানকে ভাতে মারতে চাইছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Chenab Hydropower) ভারত।

  • JNU: জেএনইউ-তে মোদি বিরোধী স্লোগান! ‘এটা মোদির ভারত, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নয়’, পালটা হুঁশিয়ারি গিরিরাজের

    JNU: জেএনইউ-তে মোদি বিরোধী স্লোগান! ‘এটা মোদির ভারত, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নয়’, পালটা হুঁশিয়ারি গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে সোমবার রাতে হওয়া বিক্ষোভের ঘটনায় জেএনইউ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (JNUSU) কয়েকজন নেতাকে নোটিস পাঠিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সুপ্রিম কোর্ট উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিন আবেদন খারিজ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই বিক্ষোভ হয়। এরপরই মঙ্গলবার বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানায় বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে “দেশবিরোধী” মতাদর্শ প্রচার করা হচ্ছে। সবরমতী হোস্টেলের বাইরে ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করেই এই রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত।

    সবরমতী হোস্টেলের সামনে বিক্ষোভ

    বিজেপি নেতা প্রদীপ ভাণ্ডারি দাবি করেন, সবরমতী হোস্টেলের কাছে হওয়া বিক্ষোভ কোনও স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন নয়, বরং চরমপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। তাঁর অভিযোগ, জেএনইউ-এর মতো বৌদ্ধিক পরিসরকে “দেশবিরোধী চিন্তাধারা” জোরদার করতে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা জাতীয় ঐক্যের জন্য ভয়ঙ্কর। বিক্ষোভ চলাকালীন কেন্দ্রীয় সরকার ও দেশের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে স্লোগান তোলা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। যার জেরে ক্যাম্পাস রাজনীতি নিয়ে নজরদারি আরও বেড়েছে। দিল্লির মন্ত্রী আশিস সুদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে ওঠা স্লোগানের নিন্দা করেন। তিনি বলেন, “এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। শরজিল ইমাম উত্তর-পূর্ব ভারতকে বিচ্ছিন্ন করার কথা বলেছিলেন। উমর খালিদ ‘ভারত টুকরো টুকরো হবে’—এই ধরনের স্লোগান তুলেছিলেন এবং ২০২০ সালের দাঙ্গায় তাঁর জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর ফলেই জেএনইউ-তে দায়িত্বজ্ঞানহীন উপাদান মাথাচাড়া দিচ্ছে।”

    মোদি-শাহ বিরোধী স্লোগান

    ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গায় অভিযুক্ত উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিনের আবেদন সোমবার খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ওই দাঙ্গার ঘটনায় ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা ও দাঙ্গা সংগঠিত করার ক্ষেত্রে খালিদ এবং ইমামের কেন্দ্রীয় ভূমিকা ছিল। যদিও তাঁদের সঙ্গে জেলবন্দি বাকি ৫ জনকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। খালিদের জামিন খারিজ হওয়ার পর, সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে জেএনইউ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে সেখানকার পড়ুয়ারা। স্লোগান তোলা হয়, ‘জেএনইউ কী ধরতী পর মোদি-শাহ কী কবর খুদেগী।’ অর্থাৎ ‘জেএনইউ-এর মাটিতেই মোদি শাহের কবর খোঁড়া হবে।’ মুহূর্তের মধ্যে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় এই স্লোগান।

    দেশবিরোধী মানসিকতা

    মোদি বিরোধী এই স্লোগানে যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিজেপি। মঙ্গলবার সকালে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, “জেএনইউ টুকরে টুকরে গ্যাং, আরজেডি, তৃণমূল, বাম দল ও রাহুল গান্ধীর মতো দেশবিরোধী মানসিকতার লোকের কার্যালয় হয়ে উঠেছে। ওদের মনে রাখা উচিত এটা ভারত এবং একবিংশ শতাব্দীর নরেন্দ্র মোদির ভারত। বিবেকানন্দ বলেছিলেন গেরুয়া রং-ই থাকবে। আমি এইসব টুকরে টুকরে গ্যাংকে বলতে চাই, যারা উমর খালিদ ও শরজিল ইমামকে সমর্থন করে, যারা পাকিস্তানের মানসিকতায় বিশ্বাস করে যারা চিকেন নেক আলাদা করার কথা বলে, তাঁরা দেশদ্রোহী।”

  • Shivraj Singh Chouhan: চিনকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম চাল উৎপাদক দেশ ভারত

    Shivraj Singh Chouhan: চিনকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম চাল উৎপাদক দেশ ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনকে পেছনে ফেলে বিশ্বের বৃহত্তম চাল উৎপাদক দেশে পরিণত হল ভারত (India)। বুধবার কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj Singh Chouhan) এ কথা জানান। তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারতে চাল উৎপাদন হয়েছে ১৫০.১৮ মিলিয়ন টন, যেখানে চিনের উৎপাদন ১৪৫.২৮ মিলিয়ন টন।”

    ভারতের অগ্রগতি (Shivraj Singh Chouhan)

    কৃষিমন্ত্রী জানান, শুধু অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণই নয়, ভারত এখন বিদেশেও রফতানি বাজারেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে চাল রফতানি করছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক কৃষি বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। এদিকে, নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ (ICAR) উদ্ভাবিত ২৫টি মাঠফসলের ১৮৪টি উন্নত জাতের আনুষ্ঠানিক আবরণ উন্মোচন করেন শিবরাজ সিং চৌহান। এই ১৮৪টি জাতের মধ্যে রয়েছে, ১২২টি শস্যজাত ফসল, ৬টি ডাল, ১৩টি তেলবীজ, ১১টি পশুখাদ্য ফসল, ৬টি আখ, ২৪টি তুলো এবং ১টি করে পাট ও তামাক (Shivraj Singh Chouhan)।

    উচ্চ ফলনশীল বীজ

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, উচ্চ ফলনশীল বীজ উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে দেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দেন, যাতে এই নতুন জাতের বীজ দ্রুত কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। মন্ত্রী জানান, এই উন্নত জাতগুলি কৃষকদের অধিক ফলন এবং উন্নত মানের ফসল উৎপাদনে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের প্রতিটি কৃষকের জমিতে যেন উন্নতমানের বীজ পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করতে হবে (Shivraj Singh Chouhan)।” শিবরাজ সিং চৌহান কৃষি বিজ্ঞানীদের ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন। তাঁর মতে, এই দু’টি ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা অর্জন করাই এখন দেশের প্রধান লক্ষ্য।

    তিনি বলেন, “উচ্চ ফলনশীল ও জলবায়ু সহনশীল বীজের উন্নয়নের মাধ্যমে ভারত এক নতুন কৃষি বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে। এই সাফল্য সম্ভব (India) হয়েছে আইসিএআরের সর্বভারতীয় সমন্বিত প্রকল্প, কেন্দ্র ও রাজ্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি বীজ সংস্থাগুলির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় (Shivraj Singh Chouhan)।”

  • ISI Target Children: আইএসআই-এর টার্গেটে শিশুরা! ভারতের নাবালকদের ফাঁদে ফেলে গুপ্তচরবৃত্তি করাচ্ছে পাকিস্তান?

    ISI Target Children: আইএসআই-এর টার্গেটে শিশুরা! ভারতের নাবালকদের ফাঁদে ফেলে গুপ্তচরবৃত্তি করাচ্ছে পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর (ISI) নয়া কৌশল। এবার নাবালকদের ব্যবহার করে ভারতে গুপ্তচরবৃত্তি। পঞ্জাবের পাঠানকোট পুলিশ সম্প্রতি এক ১৫ বছরের কিশোরকে গ্রেফতার করেছে, যে গত এক বছর ধরে পাকিস্তানে অবস্থিত আইএসআই হ্যান্ডলারদের কাছে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল তথ্য পাঠাচ্ছিল। এই ঘটনা দেশের নিরাপত্তা মহলে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, কারণ তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে যে এটি একটি বৃহত্তর নেটওয়ার্কের অংশ এবং পঞ্জাবের বিভিন্ন জেলায় আরও কয়েকজন নাবালক আইএসআই-এর সংস্পর্শে রয়েছে।

    শিশুদের গুপ্তচর হিসেবে নিয়োগের আশঙ্কা

    পাঠানকোট পুলিশের দাবি, কিশোরটি যে যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় শিশুদের গুপ্তচর হিসেবে নিয়োগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা, যা রাজ্যের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাঞ্জাবের আরও কিছু নাবালকের আইএসআই অপারেটিভদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাজ্যজুড়ে সব থানাকে সতর্ক থাকতে এবং এ ধরনের কার্যকলাপের উপর কড়া নজর রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাঠানকোটের এসএসপি দলজিন্দর সিং ধিলোঁ বলেন, “আমরা ১৫ বছর বয়সি সঞ্জীব কুমারকে গ্রেফতার করেছি। সে আমাদের দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য আইএসআই-এর ফ্রন্টাল সংগঠন ও পাকিস্তানের সামরিক কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাচ্ছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে।” তিনি আরও জানান, “সামাজিক মাধ্যমে পাকিস্তানি সংস্থাগুলির ফাঁদে পড়েছিল সে। বাবার খুন হওয়ার সন্দেহে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। তবে তদন্তে এমন কোনও ঘটনার প্রমাণ মেলেনি।”

    কে এই ১৫ বছরের কিশোর?

    পুলিশ জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা সঞ্জীবকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে। তারা তাকে বিশ্বাস করায় যে তার বাবাকে খুন করা হয়েছে—এই মানসিক ধাক্কায় সে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সেই সুযোগই নেয় হ্যান্ডলাররা। পুলিশের দাবি, কিশোরটি একাধিক সংবেদনশীল স্থানের ভিডিও পাকিস্তানে থাকা হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠিয়েছিল, যারা সন্ত্রাসী মডিউল পরিচালনা করে। ঠিক কতটা তথ্য পাচার হয়েছে এবং কারা এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপাতত নাবালকটি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির উপর ভিত্তি করে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    মানসিকভাবে দুর্বল করে ফাঁদ পাতে আইএসআই

    পাঠানকোটের সিনিয়র সুপারিনটেন্ডেন্ট অফ পুলিশ (SSP) দলজিন্দর সিং ধিলোঁ সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, ধৃত সঞ্জীব কুমার জম্মুর সাম্বা জেলার বাসিন্দা। তদন্তে দেখা গেছে, সে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের ফাঁদে পড়ে। কিশোরটি বিশ্বাস করত যে তার বাবাকে খুন করা হয়েছে, যা তাকে মানসিকভাবে দুর্বল করে তুলেছিল। পাকিস্তানি এজেন্টরা এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাকে প্রলোভিত করে এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের কাজে লাগায়। যদিও তদন্তে বাবার খুনের কোনও প্রমাণ মেলেনি, কিন্তু এই মিথ্যা বিশ্বাসের জন্যই সে আইএসআই-এর জালে জড়িয়ে পড়ে। গত এক বছর ধরে সে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সামরিক ঘাঁটি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানের ভিডিও ও ছবি পাঠিয়েছে পাকিস্তানি টেরর মডিউলের সঙ্গে যুক্ত গ্যাংস্টারদের কাছে। এই গ্রেফতারি পাঠানকোটের কৌশলগত গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। পাঠানকোট বিমানঘাঁটি ২০১৬ সালে জঙ্গি হামলার শিকার হয়েছিল, যার পিছনে আইএসআই-এর হাত ছিল বলে অভিযোগ।

    দেশের নিরাপত্তাকে চ্যালেঞ্জ

    নাবালকদের ব্যবহার করে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের এই নতুন কৌশল দেশের নিরাপত্তাকে চ্যালেঞ্জ করছে। পুলিশ সূত্রে খবর, কিশোরটির ফোন ক্লোন করা হয়েছিল এবং হ্যান্ডলাররা তার উপর নজর রাখছিল। তদন্তে আরও জানা গেছে যে সে একা নয় পাঞ্জাবের অন্যান্য জেলায়ও কয়েকজন নাবালক আইএসআই-এর সংস্পর্শে রয়েছে। এর ফলে রাজ্যজুড়ে পুলিশ স্টেশনগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে এবং নাবালকদের অনলাইন অ্যাকটিভিটি নজরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কেন নাবালকদের ব্যববহার

    এই ঘটনা ডিজিটাল যুগের নতুন হুমকিকে তুলে ধরছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা (ISI Target Children) ফেক অ্যাকাউন্ট খুলে ভারতীয় যুবক-যুবতীদের টার্গেট করছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী নাবালকরা সহজ শিকার হচ্ছে, কারণ তাদের মানসিক পরিপক্কতা কম এবং অনলাইনে প্রলোভনের ফাঁদে সহজে পড়ে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইএসআই-এর এই নতুন কৌশল অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ নাবালকদের গ্রেফতার করলে আইনি জটিলতা বেশি এবং তাদের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা সহজ। গত কয়েক মাসে পঞ্জাব এবং হরিয়ানায় একাধিক গুপ্তচরবৃত্তির ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, যার মধ্যে এই নাবালকের কেস সবচেয়ে উদ্বেগজনক।

    আইএসআই-এর নয়া অস্ত্র

    উপমহাদেশের সবচেয়ে পুরনো গুপ্তচর সংস্থা হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের আইএসআই তথা ইন্টার সার্ভিস ইন্টিলিজেন্স (ISI Target Children)। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ধরনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দেশের অভ্যন্তরে তাদের কার্যক্রম না চালালেও এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আইএসআই। শুধু তাই নয় রাজনৈতিক নজরদারির অভিযোগও রয়েছে সামরিক এ গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে। এর আগে দেখা গিয়েছে ভারতের যুব সম্প্রদায়কে নিশানা করেছে আইএসআই। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতজুড়ে অপরাধ এবং সামাজিক অশান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে মাদককে প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। তাদের লক্ষ্য দুই দিকেই প্রথমত, ভারতীয় যুবকদের মাদকাসক্ত করে তছনছ করা, দ্বিতীয়ত, সেই মাদক ব্যবসার টাকা দিয়ে জঙ্গি পরিকাঠামো গড়ে তোলা। তথ্য বলছে, আইএসআই এখন ডি কোম্পানিকে পুরোপুরি সামনে রেখে নেশার বাজারে আগ্রাসী ঢেউ তুলতে চাইছে। দাউদ ইব্রাহিমের এই সিন্ডিকেট বাংলাদেশে একাধিক মাদক উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিয়েছে। সেখান থেকেই ভারতমুখী বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরির পরিকল্পনা চলছে। এবার যুব সম্প্রদায়কে ছেড়ে নাবালকদের নিশানা করল আইএসআই।

  • BJP: কার্তিগাই দীপম জ্বালানোর অনুমতি বহাল মাদ্রাজ হাইকোর্টের, “সত্যমেব জয়তে” বলল বিজেপি

    BJP: কার্তিগাই দীপম জ্বালানোর অনুমতি বহাল মাদ্রাজ হাইকোর্টের, “সত্যমেব জয়তে” বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরুপ্পরঙ্কুন্দ্রম পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত পাথরের স্তম্ভে ঐতিহ্যবাহী কার্তিগাই দীপম প্রজ্বলনের নির্দেশ বহাল রাখল মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ (Madras HC)। আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই ধর্মীয় আচার পালনের ফলে শান্তি বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হবে, রাজ্য সরকারের এমন আশঙ্কার কোনও ভিত্তিই নেই। বিচারপতিরা বলেন, বহু (BJP) বছরের ঐতিহ্যবাহী এই আচার শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হয়ে এসেছে।

    বিজেপির নিশানায় কংগ্রেস-ডিএমকে (BJP)

    আদালতের রায় বের হওয়ার পরেই ডিএমকে এবং কংগ্রেসকে নিশানা করেছে বিজেপি। আদালতের এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি নেতা সিআর কেশবন ডিএমকে এবং কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “এই রায়ের মাধ্যমে ডিএমকে এবং কংগ্রেসের তোষণমূলক রাজনীতি আজ তামিলনাড়ুর মানুষের সামনে প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে।” কেশবনের দাবি, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অবস্থান নেওয়ার ফলেই এই দলগুলি জনসমর্থন হারাচ্ছে। কার্তিগাই দীপম তামিল সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব, যা বিশেষ করে তিরুপ্পরঙ্কুন্দ্রম পাহাড় ও তিরুভান্নামালাইয়ে মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়। আদালতের এই রায়কে ঐতিহ্য রক্ষার বড় জয় হিসেবেই দেখছেন ভক্তরা।

    সত্যমেব জয়তে!

    কার্তিগাই দীপম ইস্যুতে তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকারের বিরুদ্ধে (Madras HC) তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির এই শীর্ষ নেতা। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি এই ঘটনাকে ডিএমকে সরকারের তোষণমূলক ও বিভাজনমূলক রাজনীতির বড় পরাজয় বলে দাবি করেন (BJP)। বিজেপি নেতা লেখেন, সত্যমেব জয়তে! তামিল জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে বারবার আঘাত হানছে এমন ডিএমকে সরকারের সাম্প্রদায়িক তোষণনীতির বিরুদ্ধে এটি এক বিশাল পরাজয়।” তিনি আরও বলেন, “ডিএমকে সরকারকে অবিলম্বে কোটি কোটি হিন্দু ভক্তের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। কারণ বারবার তাঁদের বিশ্বাস ও ধর্মীয় অনুভূতিকে অপমান করা হয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়, থিরুপারানকুন্দ্রম পাহাড়ের দীপথূন (Deepathoon)-এ পবিত্র কার্তিগাই দীপম প্রজ্বলিত হবে এবং তা আবারও গৌরবের সঙ্গে পাহাড়চূড়ায় আলোকিত হয়ে উঠবে। বিজেপির ওই নেতার আরও অভিযোগ, “ডিএমকে এবং কংগ্রেসের দ্বিচারী, বিপজ্জনক এবং বিভাজনমূলক রাজনীতি আজ সাধারণ মানুষের কাছে পুরোপুরি উন্মোচিত হয়ে গিয়েছে (Madras HC)।” এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এদিকে, মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চের রায়ের প্রশংসা করলেন তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে অন্নামালাই-ও। তিনি বলেন, “থিরুপারানকুন্ড্রাম পাহাড়ের ওপরে অবস্থিত ‘দীপাথুন’ যে মন্দিরেরই সম্পত্তি, এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে (BJP) দিয়েছে আদালত।

    অন্নামালাইয়ের বক্তব্য

    ডিএমকে সরকারের দাখিল করা আপিল এবং বিচারপতি জিআর স্বামীনাথনের আগের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া একাধিক আবেদন খারিজ করে দেয় মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ। এই রায়ের পর এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে অন্নামালাই বলেন, “সম্মানীয় বিচারপতিরা তাঁদের রায়ে প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে একটি শক্তিশালী রাজ্য সরকার এই আশঙ্কা পোষণ করতে পারে যে বছরে মাত্র একদিন মন্দিরের প্রতিনিধি ও ভক্তদের একটি পাথরের স্তম্ভে প্রদীপ জ্বালানোর অনুমতি দিলে শান্তি বিঘ্নিত হবে (Madras HC)?” আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই ধরনের অশান্তি কেবল তখনই ঘটতে পারে, যদি রাজ্য সরকার নিজেই তাতে ইন্ধন জোগায় (BJP)।” অন্নামালাই জানান, আদালত আরও পরিষ্কার করে দিয়েছে যে থিরুপারানকুন্ড্রাম পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত দীপাথুন সম্পূর্ণভাবে মন্দিরের সম্পত্তি। ডিএমকে সরকারকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে আদালত বলেছে, রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে সরকার যেন এমন নিচু স্তরে না নামে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে যে আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছিল, তা আদতে “একটি কল্পিত ভূত”, যা প্রশাসন নিজের সুবিধার জন্য তৈরি করেছে এবং যার মাধ্যমে এক সম্প্রদায়কে অন্য সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর আশঙ্কা রয়েছে (Madras HC)।

    দীপাথুনে দীপ জ্বালানোর অধিকার

    অন্নামালাই বলেন, “এই রায় রাজ্যের সাংবিধানিক নীতির জয় এবং ধর্মীয় অধিকারের সুরক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ নজির।” তাঁর আশা, তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার অবিলম্বে তাদের প্রকাশ্য ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ করবে এবং আইনের শাসনের প্রতি সম্মান জানাবে। তিনি বলেন, “আদালত যেহেতু যথাযথভাবে রায় দিয়ে ভগবান মুরুগার ভক্তদের দীপাথুনে (Deepa Thoon) দীপ জ্বালানোর অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে, তাই সরকারকে এখন ভক্তদের সেই ধর্মীয় আচরণে বাধা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে (BJP)। আন্নামালাইয়ের মতে, দীপাথুনে দীপ জ্বালানো শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় প্রথা নয়, বরং এটি ভক্তদের বিশ্বাস ও আস্থার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। আদালতের রায়ের পরেও যদি রাজ্য সরকার এতে হস্তক্ষেপ করে, তবে তা হবে আইনের শাসনের সরাসরি লঙ্ঘন।

    ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ!

    তিনি বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার কোনওভাবেই ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না এবং আদালতের নির্দেশ মেনে চলাই সংবিধানসম্মত পথ।” তামিল অভিনেতা বিজয়ের পার্টি তামিলগা ভেট্ট্রি কাজগম (TVK) বিজেপি এবং ডিএমকে – উভয় দলকেই কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে। দলের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ইস্যুটিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইছে দুই প্রধান দলই (Madras HC)। টিভিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “এই ইস্যুকে সামনে রেখে আসন্ন নির্বাচনের জন্য একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু বাস্তবে এই বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের কোনও আগ্রহই নেই (BJP)।”

    দলটির আরও অভিযোগ, ডিএমকে ইচ্ছাকৃতভাবেই এই ইস্যুটিকে নির্বাচনের সময় পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে চাইছে। টিভিকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ডিএমকে এই বিষয়টিকে দীর্ঘায়িত করবে- এটাই তাদের রাজনৈতিক কৌশল।” টিভিকের মতে, সাধারণ মানুষের প্রকৃত সমস্যা ও স্বার্থের বদলে রাজনৈতিক লাভের জন্য ইস্যুকে ঘনীভূত করা হচ্ছে, যা আদতে গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর (Madras HC)।

LinkedIn
Share