Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Electoral Report Card: বিদায় ২০২৫, কারা হাসল, মুখ থুবড়েই বা পড়ল কারা?

    Electoral Report Card: বিদায় ২০২৫, কারা হাসল, মুখ থুবড়েই বা পড়ল কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালে তুলনামূলকভাবে কম নির্বাচন হলেও ভারতের নির্বাচনী রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পুনর্বিন্যাস দেখা (Electoral Report Card) গিয়েছে। এ বছর মাত্র দুটি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে-দিল্লি এবং বিহার। এছাড়াও কয়েকটি স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও, বছরটি দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তিকেন্দ্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রমাণিত হয়েছে – বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’। ২০২৬ সালে নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী লড়াইয়ের আগে, ২০২৫ সালের রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতির একটি দ্রুত পর্যালোচনা তুলে ধরছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের এই রিপোর্ট কার্ড (Winners Losers)।

    এনডিএ কার্যত একক আধিপত্য (Electoral Report Card)

    ২০২৫ সালে বিজেপি এবং তাদের বৃহত্তর জোট এনডিএ কার্যত একক আধিপত্য বজায় রেখে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। বছরের শুরুতেই বিজেপি বড় সাফল্য পেয়েছে। ২৭ বছর পরে দিল্লিতে ফের ক্ষমতায় ফিরেছে দলটি। আম আদমি পার্টিকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়ে বিজেপি অবসান ঘটায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালের এক দশকের জমানার। ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধে বিহারে বিজেপি এবং তাদের শরিক জনতা দল (ইউনাইটেড) অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। ২৪৩ আসনের বিধানসভায় এনডিএ ২০০-র বেশি আসন জিতে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা করেছে। এই নির্বাচনে বিজেপি একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তারা জয়ী হয় ৮৯টি আসনে। শতাংশের বিচারে এর পরিমাণ ৯০ এর কাছাকাছি। বিহারে কোনও শক্তিশালী আঞ্চলিক মুখ না থাকায় বিজেপি মূলত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জাতীয় জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর করে প্রচার চালায়। সেই কৌশলেই হয় বাজিমাত। প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সফল হয় বিজেপি।

    সুদূরপ্রসারী প্রভাব

    ২০২৫ সালে শান্তিতে নির্বাচনী পর্ব মিটলেও, এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। বিজেপি এবং এনডিএ এ বছর নিজেদের রাজনৈতিক আধিপত্য আরও দৃঢ় করেছে। অন্যদিকে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হয়েছে। ২০২৬ সালের আগে এই নির্বাচনী ফল ভারতের রাজনীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ (Electoral Report Card) স্পষ্ট করে দিয়েছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। দলটি চলতি বছরে একাধিক উপনির্বাচন ও স্থানীয় নির্বাচনেও ভালো ফল করেছে। ফেব্রুয়ারিতে বিজেপি গুরুত্বপূর্ণ মিলকিপুর উপনির্বাচনে জয়লাভ করে। এটি মর্যাদাপূর্ণ অযোধ্যা এলাকা হিসেবে পরিচিত। এই জয়ের মাধ্যমে লোকসভা নির্বাচনে ওই অঞ্চলে যে ধাক্কা খেয়েছিল দলটি, তার কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। নভেম্বরের উপনির্বাচনে ওডিশার নুয়াপাড়া আসনটি বিজেডির হাত থেকে ছিনিয়ে নেয় বিজেপি (Winners Losers)।

    স্থানীয় স্বশাসন সংস্থার নির্বাচনে বিজেপি

    ডিসেম্বরে মহারাষ্ট্রের স্থানীয় স্বশাসন সংস্থার নির্বাচনে বিজেপি একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে—যেখানে তাদের প্রাপ্ত সভাপতি পদ ছিল ১১৭ থেকে ১২৯টি। এর পরেই ছিল একনাথ শিন্ডের শিবসেনা। তারা পেয়েছিল ৫৩–৫৪টি আসন। অজিত পাওয়ারের এনসিপি পেয়েছিল ৩৭টি। কেরালার তিরুবনন্তপুরমে ইতিহাস সৃষ্টি করে বিজেপি। নাগরিক সংস্থার নির্বাচনে রেকর্ড জয়ের পর ভিভি রাজেশ বিজেপির প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব (Electoral Report Card) গ্রহণ করেন। এবার দেখা যাক, জয়ের হাসি হাসলেন কারা, মুখ থুবড়েই বা পড়লেন কে কে?

    নিতীশ কুমার

    বন্ধু ও শত্রু দুপক্ষের কাছেই বারবার রাজনৈতিকভাবে শেষ হয়ে গিয়েছেন বলে বিবেচিত হলেও, নিতীশ কুমার আবারও প্রমাণ করলেন যে তিনি ভারতীয় রাজনীতির অন্যতম বড় ‘সারভাইভার’। ২০২৫ সালে রেকর্ড দশমবারের মতো বিহারের ক্ষমতা ধরে রেখে তিনি সেই নজির গড়েন। জেডি(ইউ) প্রধান হিসেবে তিনি এনডিএকে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জোরালো জয় এনে দেন এবং নেতৃত্বে পরিবর্তনের দাবির অন্তর্নিহিত চাপ ও তরুণ তেজস্বী যাদবের কঠিন চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও রাজ্যে জনপ্রিয় মুখ হিসেবে উঠে আসেন। ২০২৫ সালে জেডি(ইউ)-র আসনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৮৫-তে পৌঁছয়, যা নিতীশকে অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত জল্পনা এবং ভোটার ক্লান্তি নিয়ে সব প্রশ্ন উড়িয়ে দেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ করে দেয়।

    দেবেন্দ্র ফড়নবিশ

    বিজেপির প্রভাবশালী ব্যাকরুম স্ট্র্যাটেজিস্ট দেবেন্দ্র ফডনবিশ ২০২৫ সালে নীরবে মহারাষ্ট্রে দলের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেন, যদিও উপমুখ্যমন্ত্রী শিন্ডের অসন্তোষ প্রকাশের মধ্যে দলের ভেতরে টানাপোড়েন চলছিল। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি ডিসেম্বরের পুরসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের রূপরেখা তৈরি করেন। এতে বিজেপি ৬,৯৫২টি কাউন্সিলর পদের মধ্যে ৩,৩২৫টি আসন জিতে নেয় এবং ২৮৮টি সংস্থার মধ্যে ১২৯টি সভাপতি পদ দখল করে। সব মিলিয়ে মহাজোট ২০৭টি আসনে জয়ী হয়। শিন্ডে শিবির (Winners Losers) থেকে ভাঙনের আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও ফডনবিশ নাগরিক নির্বাচনের আগে মহাজোটকে ঐক্যবদ্ধ (Electoral Report Card) ও শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখতে সক্ষম হন।

    চিরাগ পাসওয়ান

    এলজেপি (আরভি)-র নেতা চিরাগ পাসওয়ান আবারও বিহারে এনডিএর অন্যতম সবচেয়ে ভরসাযোগ্য মুখ হিসেবে উঠে আসেন এবং জোটের ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেন। কেন্দ্রীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পমন্ত্রী পাসওয়ানের দল ২৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১৯টিতে জয়ী হয়।

    কেরালায় ইউডিএফ

    কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ কেরালার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চমকপ্রদ প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েছে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে। ইউডিএফ মোট ভোটের ৩৮.৮ শতাংশ পেয়ে শীর্ষে রয়েছে। এই ঐতিহাসিক সাফল্য ক্ষমতার বাইরে থাকা ইউডিএফের জন্য বড়সড় প্রেরণা এবং ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পিনরাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন এলডিএফের বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সির ইঙ্গিত দেয় (Winners Losers)।

    ইন্ডি জোট

    ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি বিরোধী শক্তি হিসেবে গড়ে ওঠা বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ ২০২৫ সালে কার্যত ভেঙে যায়। জাতীয় রাজনীতির বদলে রাজ্যভিত্তিক অগ্রাধিকার সামনে আসতেই জোটের ভিত নড়বড়ে হয়ে যায়। জোট হিসেবে এবং পৃথকভাবেও বিরোধী দলগুলির জন্য ২০২৫ সালটি ছিল হতাশাজনক, কেরল ছাড়া কোথাও উল্লেখযোগ্য সাফল্য আসেনি।
    চলতি বছরের শুরুতেই আম আদমি পার্টি জানিয়ে দেয়, ইন্ডি জোট শুধুমাত্র লোকসভা নির্বাচনের জন্যই ছিল এবং তারা জোট ছেড়ে বেরিয়ে যায়। পরে বিহার নির্বাচনের আগেই ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা জোট থেকে সরে দাঁড়ায়। জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা সম্প্রতি বিরোধীদের অবস্থান সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করে বলেন, ইন্ডি জোট এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’। বিহারে ভরাডুবির পর আবারও কংগ্রেসের নেতৃত্বদানের ক্ষমতা (Electoral Report Card) নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, যা ২০২৬ সালের দিকে কঠিন রাজনৈতিক পথের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    অরবিন্দ কেজরিওয়াল

    আম আদমি পার্টির আহ্বায়কের জন্য ২০২৫ সাল একাধিক দুর্বলতা উন্মোচন করেছে। দীর্ঘ সময় জেলে থাকা, দুর্নীতির অভিযোগ এবং দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের সঙ্গে ঘনঘন সংঘাতের জেরে প্রশাসনিক অচলাবস্থা। এর ফলে রাজধানীতে অস্থিরতার একটি ধারণা তৈরি হয়, যা শেষ পর্যন্ত ভোটারদের ‘রিসেট বাটন’ চাপতে প্ররোচিত করে।
    দিল্লিতে টানা দু’টি ভোটে বিপুল জয়ের পর ২০২৫ সালে বিজেপির কাছে ক্ষমতা হারায় আপ। ২০২০ সালের তুলনায় দলটি প্রায় ৪০টি আসন হারিয়ে ব্যাপক ধাক্কা খায়। রাজধানী হাতছাড়া হওয়ার পর, বছর শেষে পাঞ্জাবই আপের একমাত্র রাজ্য যেখানে তারা ক্ষমতায় রয়েছে। ফলে দলের জাতীয় প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে সঙ্কুচিত হয়েছে (Winners Losers)।

    তেজস্বী যাদব

    ২০২০ সালের বিহার নির্বাচনে শক্তিশালী পারফরম্যান্সের পর আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব নিজের ‘বড় মুহূর্তে’র অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু অক্টোবরের নির্বাচনে এনডিএর জোরালো জয়ে তেজস্বী ও তাঁর দল কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়ে। টানা দু’টি নির্বাচনী পরাজয় এখন তাঁর ঝুলিতে, যার ফলে আরজেডির ভিতরে বড় ধরনের পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। কারণ এই দলটি এখনও লালু-রাবড়ি যুগের অন্ধকার অতীতের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছে (Electoral Report Card)।

    রাহুল গান্ধী

    যদিও চলতি বছরে কংগ্রেস কোনও বড় নির্বাচনে হারেনি, তবুও এককভাবে বা জোটে রাজ্য নির্বাচন জিততে দলের ধারাবাহিক ব্যর্থতাই রাহুল গান্ধীর অধীনে কংগ্রেসের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণ করে চলেছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে আসনসংখ্যা বাড়িয়ে ৯৯-এ পৌঁছে বিরোধী শিবিরে কংগ্রেস একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এটি দলের জন্য ছিল এক সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় কংগ্রেস। ইন্ডি জোট ভেঙে পড়ে, আর বিজেপির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারেননি রাহুল।
    রাহুলের ‘ভোট চুরি’ তত্ত্বও জনমানসে বিশেষ সাড়া ফেলতে পারেনি। সেই কারণেই বিহারের ভোটাররা রাজ্য নির্বাচনে কংগ্রেসকে কার্যত প্রত্যাখ্যান করেছে।

    প্রভাবশালী রাজনৈতিক শক্তি

    বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২০২৫ সালে স্পষ্টভাবেই প্রভাবশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। বছরটির শুরু ও শেষ- উভয় ক্ষেত্রেই তারা ছিল সাফল্যের শীর্ষে। দিল্লিতে ফের ক্ষমতায় ফেরা থেকে শুরু করে বিহারে নিরঙ্কুশ জয় এবং মহারাষ্ট্রের স্থানীয় স্বশাসন নির্বাচনে শক্তিশালী ফল, সব মিলিয়ে এনডিএর দাপট স্পষ্ট। এর উল্টো দিকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডি’ জোট রাজনৈতিক পুঁজি ও জোটগত সমীকরণ—দুই ক্ষেত্রেই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য প্রত্যাবর্তনের পরেও সেই গতি ধরে রাখতে তারা ব্যর্থ হয়েছে (Winners Losers)। ২০২৬ সালে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে স্পষ্টতই রাজনৈতিক গতি এনডিএর দিকেই রয়েছে (Electoral Report Card)।

  • Kerala: বাম দুর্গে বিজেপির রাজ, তিরুঅনন্তপুরমে মেয়র পদে শপথ নিলেন ভি ভি রাজেশ

    Kerala: বাম দুর্গে বিজেপির রাজ, তিরুঅনন্তপুরমে মেয়র পদে শপথ নিলেন ভি ভি রাজেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের (Kerala) রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় রচনা করল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। তিরুবনন্তপুরম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে নিজেদের প্রথম মেয়র পেল গেরুয়া শিবির। এই গুরুত্বপূর্ণ পদে শপথ গ্রহণ করেছেন বিজেপি নেতা ভি ভি রাজেশ। বিধানসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে রাজ্যের রাজধানী শহরে এই জয় বিজেপির জন্য এক বিশাল রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    কেরলে দীর্ঘদিন ধরে সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (LDF) এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ)-এর মধ্যে ক্ষমতার পালাবদল দেখে আসছে। সেখানে বিজেপির এই উত্থান রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তিরুবনন্তপুরম কর্পোরেশনে বিজেপির এই সাফল্য আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলের কর্মী-সমর্থকদের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব। দলের সাধারণ সম্পাদক এবং কেরলের ভারপ্রাপ্ত নেতা শিবরাজ সিং চৌহান সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ লিখেছেন, “কেরল বিজেপির জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। তিরুবনন্তপুরম কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় শ্রী ভি ভি রাজেশকে আন্তরিক অভিনন্দন।”

    বিকল্প খুঁজছে মানুষ

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডাও এই জয়কে দলের প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই জয় প্রমাণ করে যে কেরলের মানুষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিশ্বাস রাখছেন এবং রাজ্যের উন্নয়নের জন্য বিজেপির বিকল্প খুঁজছেন। এই জয় কেবল একটি কর্পোরেশনের ক্ষমতা দখল নয়, এটি কেরলের রাজনীতিতে বিজেপির ক্রমবর্ধমান প্রভাবের স্পষ্ট ইঙ্গিত। বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজধানীর মেয়র পদ দখল করা দলের জন্য এক বড় মাইলফলক। ভিভি রাজেশকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখের, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুরেশ গোপী, প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সিকে পদ্মনাভন, ভি মুরলীধরন, কুম্মানাম রাজাশেখরন, কে সুরেন্দ্রন এবং যুব মোর্চা রাজ্য সভাপতি ৷ পুরনিগমের মেয়র নির্বাচনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর ৷ তিনি জানান, এই দিনটি কেরল বিজেপির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন ৷ ভিভি রাজেশ জানিয়েছেন, তিনি তিরুঅনন্তপুরম পুরনিগমের ১০১টি ওয়ার্ডকে একটি ইউনিট হিসেবেই দেখবেন ৷ তাঁর কথায়, “আমাদের লক্ষ্য, উন্নয়নের দিক দিয়ে তিরুঅনন্তপুরম যেন দেশের প্রথম তিনটি শহরের মধ্যে থাকে ৷ এর জন্য সকলের সহযোগিতা দরকার ৷”

  • Bangladesh: দীপুর নির্মম হত্যার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন জাহ্নবী, ইউনূসকে তোপ ‘বর্বরতার বাংলাদেশ!”

    Bangladesh: দীপুর নির্মম হত্যার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন জাহ্নবী, ইউনূসকে তোপ ‘বর্বরতার বাংলাদেশ!”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই জ্বলছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। দীপু চন্দ্র দাসকে নির্মম ভাবে পিটিয়ে গাছে ঝুলিয়ে, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের মতো নারকীয় ঘটনা গোটা বিশ্বে গভীর ভাবে দাগ কেটে গেছে। কট্টর মৌলবাদীরা এই হিন্দু যুবকের পোড়া মাথা এবং ধড় নিয়ে উল্লাসের নৃত্য করেছে। শুধু তাই নয় অন ক্যামেরায় ভিডিও করে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াও হয়েছে। কট্টর ইসলামপন্থী মৌলবাদীদের নয়নের মণি মহম্মদ ইউনূসের ভূমিকায় সরাসরি তোপ দেগেছেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal)। সম্পূর্ণ ঘটনাকে “বর্বরতার বাংলাদেশ” বলে উল্লেখ করেছেন। একই ভাবে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অভিনেত্রী কাজল আগরওয়ালা, অভিনেত্রী জয়া প্রদা।

    ভিডিওগুলি সামাজিক মাধ্যমে এখনও ঘুরছে (Bangladesh)

    বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, দীপু দাসের হত্যাকাণ্ড একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এবার এই বিবৃতির প্রেক্ষিতেই বাংলাদেশের কট্টর মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal)। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যা ঘটেছে অত্যন্ত জঘন্য এবং বর্বরতার পরিচয়। দীপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ড কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গণপিটুনি দিয়ে অমানবিক ভাবে খুন করা হয়েছে। ভিডিওগুলি সামাজিক মাধ্যমে এখনও ঘুরছে ভালো করে দেখুন। প্রশ্ন করুন। আর এই সব ঘটনা দেখে যদি আপনাদের বোধোদয় না হয়, তাহলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই আপনাদের ভণ্ডামির জন্য সব ধ্বংস হয়ে যাবে।” তবে এখানেই থেমে থাকেননি অভিনেত্রী।

    কেঁদেও কূল পাবেন না

    জাহ্নবী (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal) আরও বলেন, “আমাদের ভাইবোনদের পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। গোটা বিশ্বকে এই সন্ত্রাস গ্রাস করবে। আর তখন কেঁদেও কূল পাবেন না। তাই পৃথিবীর বুক থেকে মানবতা মুছে যাওয়ার আগে যে কোনও রকম কট্টর মনোভাবকে উগ্রবাদকে গুঁড়িয়ে দিন।” বাংলাদেশের ঘটনা সারা বিশ্বের কাছে চরম অমানবিকতার পরিচয়বাহী। একটি ভার্চুয়াল প্রতিবাদে যোগদান করেছিলেন, কাজল আগরওয়াল, পবন কল্যাণ, মুনাওয়ার ফারুকী সহ আরও অনেকেই। ইতিমধ্যে দীপুর উপর প্রতিবাদ নিয়ে গান বেঁধেছেন নেহা, টনি কক্কর।

    জেগে ওঠো হিন্দুরা

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু হত্যার বিরুদ্ধে বলিউড অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal) নিজের সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, “অল আইজ অন বাংলাদেশ হিন্দুস। প্রতিবেশি রাষ্ট্রে লাগাতার হিন্দুদের উপর নির্যাতন চলছে। ইসলামি উগ্রপন্থীরা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হিন্দুদের নির্মম ভাবে হত্যা করছেন। সংখ্যালঘুদের উপর ধর্মীয় সন্ত্রাস দিন দিন মারাত্মক আকার নিয়েছে। একই ভাবে তিনি নিজের পোস্টে গণপিটুনি, গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ছবিও বিনিময় করেছেন। শুধু তাই নয় সেই সঙ্গে লিখেছেন, “জেগে ওঠো হিন্দুরা নীরবতা তোমাদের বাঁচাতে পারবে না।”

    আর কতক্ষুণ চুপ থাকবো!

    দীপু হত্যাকাণ্ডের (Bangladesh) বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ জয়া প্রদা। তিনি বলেন, “দীপু দাসের হত্যাকাণ্ড গভীর ভাবে ব্যথিত করেছে। আমি খুবই দুঃখিত, আমার হৃদয় রক্তাক্ত হয়ে উঠেছে। নিরীহ হিন্দু বলেই মৌলবাদীরা পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধু পিটিয়ে হত্যাই নয়, গাছে ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মেরেছে। এটাই কি নতুন বাংলাদেশ। প্রকাশ্যে গণপিটুনি মানেই হিংস্রতার চরম সীমায় পৌঁছে যাওয়া। মন্দির ভেঙে ফেলা হচ্ছে, হিন্দু বাড়িতে লক্ষ্য করে আগুন ধরিয়ে দেওয় হচ্ছে। মহিলাদের উপর আক্রমণ করা হচ্ছে। আমরা আর কতক্ষুণ চুপ থাকবো। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা চুপ করে বসে আছি। আমাদের এবার আওয়াজ তুলতে হবে। সকল জায়গায় আক্রান্ত হওয়া হিন্দুদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সরকার দেশ রাষ্ট্র সকলের দায়বদ্ধতা রয়েছে।”

    গাজা নিয়ে তৎপর! বাংলাদেশে কেন নয়?

    আবার অভিনেতা মনোজ যোশী বলেন, “গাজা বা ফিলিস্তিনে কোনও কিছু ঘটলেই সকলে এগিয়ে আসেন। কিন্তু হিন্দু নির্যাতন হলে বাংলাদেশ (Bangladesh) নিয়ে বক্তব্য উঠে আসেনা। একজন হিন্দুকে যেখানে হত্যা করা হয়েছে কেউ কোনও কথা বলছেন না।” গায়ক টনি কক্কর তার নতুন গান ‘চার লগ’–এ দীপু দাসের গণপিটুনির কথা উল্লেখ করেছেন। গানে ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং বৈষম্যকে দূর করার আহ্বান জানান।

    এখনও পর্যন্ত এই হত্যা মামলায় ১২ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে দীপুর বিরুদ্ধে কোনও রকম ধর্মীয় অবমাননাকর মন্তব্য বা কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মেলেনি। বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, দীপুর বিরুদ্ধে অভিযোগের সমর্থনে এখনও পর্যন্ত কোনও সাক্ষী পাওয়া যায়নি।

  • Amit Shah: “শীঘ্রই সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হবে ভারত, শুরু হবে রপ্তানি”, অমিত শাহ

    Amit Shah: “শীঘ্রই সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হবে ভারত, শুরু হবে রপ্তানি”, অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ধীরে ধীরে কেবল একটি বড় বাজার নয়, বরং একটি উচ্চপ্রযুক্তি উৎপাদনকারী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। সেই দিকেই স্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) গোয়ালিয়রে অনুষ্ঠিত ‘অভ্যুদয় মধ্যপ্রদেশ গ্রোথ সামিট’-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানালেন, সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductors) ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার পথে ভারত দ্রুত এডেস্কঃ এবং অদূর ভবিষ্যতেই এই খাতে রপ্তানিকারক দেশ হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করবে ভারত।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কেবল স্লোগান নয় (Amit Shah)

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে প্রবেশ করতে আমাদের কিছুটা দেরি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু প্রবেশটা হয়েছে খুব শক্ত ভিতের উপর। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভারত শুধু এই ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরই হবে না, বরং বিশ্বের বাজারে সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductors) রপ্তানি শুরু করবে।” তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এখন কেবল স্লোগান নয়, বরং প্রযুক্তিগত বাস্তবতায় পরিণত হচ্ছে।

    মধ্যপ্রদেশের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যটির ভৌগোলিক অবস্থান ও উর্বর জমির বিশেষ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রদেশ এমন একটি রাজ্য যেখানে তুলনামূলকভাবে কম বিনিয়োগেও বড় মুনাফার সম্ভাবনা রয়েছে। বিদ্যুৎ ঘাটতির রাজ্য থেকে বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত রাজ্যে রূপান্তর এবং পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকেও তিনি ‘উন্নয়নের মডেল’ হিসেবে তুলে ধরেন।

    এই গ্রোথ সামিটে প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগমূল্যের একাধিক শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধন করেন অমিত শাহ। এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী-র ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে। বাজপেয়ীকে স্মরণ করে তিনি বলেন, “অটলজি ছিলেন এক অসাধারণ বক্তা, সংবেদনশীল কবি, জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ নেতা এবং রাজনীতিতে ‘অজাতশত্রু’ – যাঁর কোনও শত্রু ছিল না।”

    এদিন অমিত শাহ শ্রদ্ধা জানান সমাজ সংস্কারক পণ্ডিত মদন মোহন মালব্যের জন্মবার্ষিকীতে এবং ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল সি রাজাগোপালাচারীর মৃত্যুবার্ষিকীতেও। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল, আধুনিক ভারতের নির্মাণে এই মনীষীদের অবদান আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

    অটল মিউজিয়াম

    সামিট উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) গোয়ালিয়র মেলার উদ্বোধন করেন এবং অটল মিউজিয়ামের সংস্কার কাজ সাধারণ মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। জানা গেছে, এই গ্রোথ সামিটে প্রায় ২৫ হাজার উপভোক্তা, পাশাপাশি হাজার হাজার উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারী (Semiconductors) অংশগ্রহণ করছেন। সামিটে ঘোষিত ও উদ্বোধন হওয়া শিল্প প্রকল্পগুলির মাধ্যমে প্রায় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সব মিলিয়ে, এই সামিট কেবল একটি বিনিয়োগ সম্মেলন নয়-বরং তা ভারতের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং আত্মনির্ভরতার দিকেই এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Ghar Wapsi in Bihar: বড়দিনে বিহারের পূর্ণিয়ায় ঘর ওয়াপসি, শতাধিক মানুষের সনাতন ধর্মে প্রত্যাবর্তন

    Ghar Wapsi in Bihar: বড়দিনে বিহারের পূর্ণিয়ায় ঘর ওয়াপসি, শতাধিক মানুষের সনাতন ধর্মে প্রত্যাবর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের পূর্ণিয়া জেলার বনমনখিতে বড়দিনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) ও বজরং দল-এর উদ্যোগে একটি ঘর ওয়াপসি (Ghar Wapsi in Bihar) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে শতাধিক মানুষ সনাতন ধর্মে ফিরে আসেন বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা হোম-যজ্ঞ, হাভন এবং তিলক গ্রহণসহ বিভিন্ন শুদ্ধিকরণ আচার সম্পন্ন করেন। এরপর প্রকাশ্যে তাঁরা জানান, তাঁরা আর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী নন। অংশগ্রহণকারীরা বনমনখি ও বাইসি ব্লকের অধীন একাধিক গ্রামের বাসিন্দা।

    আর্থিক সাহায্য ও সামাজিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি

    ভিএইচপি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই এর আগে আর্থিক প্রলোভন ও চাপের মাধ্যমে সনাতন ধর্ম থেকে বিচ্যুত হয়েছিলেন। ভিএইচপি’র বিহার-ঝাড়খণ্ড ধর্ম প্রসার প্রধান উপেন্দ্র কুশওয়াহা অভিযোগ করেন, খ্রিস্টান মিশনারিরা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্য ও সামাজিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্মান্তরে প্রলুব্ধ করেছিলেন। তাঁর কথায়, “এরা নিজেদের শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেন। সত্য বুঝতে পেরে তাঁরা স্বেচ্ছায় সনাতন ধর্মে ফিরে এসেছেন।” অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে হরিনটোড় গ্রামের সুরেন্দ্র রাই, তাঁর স্ত্রী মীনা দেবী ও কালু হারিজন তাঁদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। মীনা দেবী জানান, ধর্মান্তরের পর তাঁদের হিন্দু দেব-দেবীর উপাসনা করতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল এবং তাঁদের সংস্কৃতি ও জীবনধারা থেকে বিচ্ছিন্ন বোধ হচ্ছিল। তিনি বলেন, “আমাদের ঐতিহ্য মানতে দেওয়া হত না। সব কিছু জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।” পরে তিনি বাইসি থানায় যান এবং ভিএইচপি’র সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে জানান।

    ধর্মান্তরিত হওয়ার পরে আর প্রতিশ্রুতি পূরণ হয় না

    সুরেন্দ্র রাই বলেন, লোভ বা প্রলোভনের কারণে নিজের ধর্ম ত্যাগ না করার জন্য অন্যদের সতর্ক থাকা উচিত। তিনি বলেন, “আমরা ভুল করেছিলাম, আজ সেই ভুল সংশোধন করলাম”। কালু হারিজনও একই আবেদন জানিয়ে বলেন,“কেউ যেন আর্থিক প্রলোভন বা চাপে পড়ে নিজের বিশ্বাস ত্যাগ না করেন।” তাঁদের কথায়, ধর্মান্তরণের জন্য নিজেদের সমাজ ও আত্মীয়-স্বজন থেকেও দূরে সরে যাচ্ছিলেন তাঁরা। তাই এরা সকলেই হিন্দু ধর্মে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন তাঁরা হিন্দু রীতি অনুযায়ী ঘরে ফিরেছেন। এই এলাকার গ্রামবাসীদের মতে, ধর্মপ্রচারকারীরা ষড়যন্ত্র করে গ্রামীণ এলাকার দরিদ্র ও অভাবী লোকদের ধর্মান্তরিত করতে প্ররোচিত করে। মানুষকে ধর্মান্তরিত করার জন্য বাড়ি, টাকা, চাকরি এবং চিকিৎসার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়। এভাবেই গ্রামের একাধিক পরিবার খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকদের এই ষড়যন্ত্রে আটকে পড়ে বলে অভিযোগ। যাঁরা ধর্মান্তরিত হয়েছেন তাঁরা গ্রামবাসীদের দ্বারাও সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন। গ্রামবাসীরা তাঁদের কোনও কর্মসূচিতেই অংশ নেয় না, এমনকী বিয়েতেও এসব লোকের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে না বলে অভিযোগ। ধর্মপ্রচারকরা এই নিরীহ লোকদের যে প্রতিশ্রুতি দেয় তা ধর্মান্তরিত হওয়ার পরে আর পূরণ হয় না। ভিএইচপি নেতৃত্বের মতে, এই ঘর ওয়াপসি অনুষ্ঠান অঞ্চলটিতে তথাকথিত প্রতারণামূলক ধর্মান্তরের বিরুদ্ধে একটি বার্তা দিয়েছে।

  • Veer Bal Diwas: তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করে বীর বাল দিবস, জানেন এই দিনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব?

    Veer Bal Diwas: তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করে বীর বাল দিবস, জানেন এই দিনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইতিহাস কেবল তারিখ আর যুদ্ধের সংকলন নয়। এই ইতিহাসের মধ্যে মানবিক অভিপ্রায় এবং সংবেদনশীলতাও রয়েছে। ভারতীয়রা (Young Bharat) কীভাবে নিজেদের সাহস, নৈতিক দৃঢ়তা এবং আত্মিক শক্তিকে জীবন্ত করে রেখেছে তারও বাস্তব উদাহরণ রেখে গিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। প্রতি বছর ২৬শে ডিসেম্বর পালিত হয় বীর বাল দিবস (Veer Bal Diwas)। এই দিনটি ইতিহাসের পাতায় একটি অমর অধ্যায়। এই দিনেই দশম শিখ গুরু, গুরু গোবিন্দ সিং-এর কনিষ্ঠ পুত্রদ্বয়—জোরাবর সিং এবং ফতেহ সিং-আত্মবলিদান দিয়েছিলেন। না নিজের ধর্ম এবং রাষ্ট্রের জন্য বিদেশী শাসকের বশ্যতা স্বীকার করেননি। মাত্র নয় আর ছয় বছর বয়সে দুই বালক নিজদের বীরত্বের পরিচয়ে অমর হয়ে আছে। মুঘল শাসকদের সামনে তারা নিজধর্ম এবং আত্ম-সম্মান রক্ষার জন্য যে সাহস দেখিয়েছিল , তাদের সেই বলিদান আজও ভারতবাসীর কাছে অমর।

    দেওয়ালের মধ্যে গেঁথে হত্যা করা হয়েছিল (Veer Bal Diwas)

    তখন সময়টা ছিল ১৭০৫ সাল। মুঘল অত্যাচার তখন চরমে, এবং গুরু গোবিন্দ সিং জির পরিবারকে চরম কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছিল। গোবিন্দ সিং-এর দুই পুত্রের ঠাকুমা গুজরিকেও বন্দি করা হয়। মুঘল শাসক উজির খানের নির্দেশে তাদের ধর্ম ত্যাগ করার জন্য হুমকি, প্রলোভন এবং ক্রমাগত চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই শিশুরা অসাধারণ স্থিরতা ও সংকল্পের সঙ্গে মুঘলদের সবরকম দাবিকে নস্যাৎ করে। ফলস্বরূপ, তাদের জীবন্ত অবস্থায় একটি দেওয়ালের মধ্যে গেঁথে হত্যা করা হয়। এটি কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা ছিল না, এটি ছিল মানব আত্মার সর্বোচ্চ পরীক্ষা—যেখানে শরীরকে নিষ্ঠুর ভাবে আঘাত করলেও তাদের স্থির সিদ্ধান্ত ছিল অটুট। আর এই জন্যই গোবিন্দ সিং-এর দুই সন্তান কর্ম এতো মহৎ (Veer Bal Diwas) হয়ে উঠেছে।

    বয়স একটা সংখ্যামাত্র

    দেশের শিশু ও যুব সমাজ যাতে এই আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারে, সেই লক্ষ্যে ২০২২ সালে ভারত সরকার ২৬ ডিসেম্বরকে বীর বাল দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই দিনটি শুধু স্মরণের জন্য নয়, দিনের সত্যতা, নৈতিকতা এবং আত্ম-সম্মানকে আমাদের জীবনের কেন্দ্রে যাতে রাখার মন্ত্র স্বরূপ ভাবা যায় সেই কথাকেই সরকারের তরফ থেকে প্রচার করা হয়। ফলে অনেক ইতিহাসবিদরাই মনে করছেন বয়স একটা সংখ্যামাত্র, মনের অভীষ্ট সিদ্ধান্ত কতটা সুদূর প্রসারী (Young Bharat) হতে পারে তা এই বাল দিবসের (Veer Bal Diwas) ভাবনায় স্পষ্ট।

    জেন জি-দের জন্য অনুপ্রেরণার

    বর্তমানে, এই বীর বাল দিবসের (Veer Bal Diwas) ভাবনা জেন জি (Gen Z)-এর জন্য বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। যারা গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্যের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন তাদের জন্য ভীষণ ভাবে অণুপ্রেরণা দেবে। গবেষণায় দেখা যায়, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী প্রতি পাঁচজন ভারতীয় তরুণের মধ্যে প্রায় একজন উদ্বেগ, বিষণ্নতা বা মানসিক কষ্টের লক্ষণ দেখায়। এই সময়ে, বীর বাল দিবসের গল্পটি একটি প্রতিবিম্বের মতো। সেই সঙ্গে একটি প্রদীপের মতও। এক দিকে যেমন প্রতিরূপ (Young Bharat) দেখায় ঠিক একই ভাবে আবার  উদ্যমতার আগুনও জ্বালিয়েও দেয়।

    বীরত্ব কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়

    গুরু গোবিন্দ সিং-এর দুই সন্তানের জীবন আজকের তরুণ প্রজন্মের সমাজকে শেখায় আত্ম-সম্মান বাইরের অনুমোদন থেকে নয়, বরং ভেতরের বিশ্বাস থেকে আসে। চরম চাপের মধ্যেও তারা নিজেদের মূল্যবোধে অবিচল ছিলেন। তাদের গল্প আমাদের (Young Bharat) মনে করিয়ে দেয়, জীবনের মহত্ত্ব, তার দৈর্ঘ্যে নয়, বরং তার গভীরতা ও উদ্দেশ্যের মধ্যে নিহিত রয়েছে। মানসিক দৃঢ়তা বয়সের দ্বারা আবদ্ধ নয়। জীবনের পূর্ণতা কর্ম এবং আদর্শের মধ্যেই। আজকের জগতে, বীরত্ব কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, মনের ভেতরের ভূখণ্ডেও সমানভাবে প্রয়োজন। পড়াশোনায় ব্যর্থ হওয়ার পর আবার উঠে দাঁড়ানো, মানসিক কষ্ট নিয়ে খোলাখুলি কথা বলা, সাহায্য চাওয়া, ক্ষতিকারক অভ্যাস ত্যাগ করা এবং সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, এই সকল ক্ষেত্রে বীর বাল দিবসের (Veer Bal Diwas) গুরুত্ব অপরিসীম।

    মানসিক স্বাস্থ্যের অগ্রগতি বৃদ্ধি পাবে

    ২০২৫ সালের এই বীর বাল দিবস (Veer Bal Diwas) আজকের তরুণদের এই আশ্বাস দেয় যে তারা একা নয়। তারা এমন এক উত্তরাধিকারের ধারক যা মানসিক শক্তি, আত্ম-সম্মান এবং উদ্দেশ্যের অনুভূতির ধারক বাহক। তাই বীর বাল দিবসে নিজেরা এবং পারিপার্শ্বিক বন্ধুদের মানসিক স্বাস্থ্যের অগ্রগতি কিভাবে বৃদ্ধি পাবে তা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা যেতে পারে। একে অপরের কথা শোনা এবং সাহস নিয়ে বাঁচতে শেখার সংকল্পও গ্রহণ করে। বর্তমান প্রজন্মের তরুণ সমাজকে মূল্যবোধের দ্বারা মনকে আরও শক্তিশালী করতে বিশেষ ভাবে অনুপ্রেরণার সঞ্চার করে।

  • Dhruv Criticize Janhvi: বাংলাদেশে হিন্দু যুবক হত্যা, জানভি কাপুরের পোস্টের পর ধ্রুব রাঠির প্রতিক্রিয়া ঘিরে বিতর্ক

    Dhruv Criticize Janhvi: বাংলাদেশে হিন্দু যুবক হত্যা, জানভি কাপুরের পোস্টের পর ধ্রুব রাঠির প্রতিক্রিয়া ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ইনস্টাগ্রাম পোস্ট করেছেন বলিউড অভিনেত্রী জানভি কাপুর (Dhruv Criticize Janhvi)। তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টের পরপরই ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির একটি পাল্টা পোস্ট করেন। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে জানভি কাপুর একটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বাংলাদেশে সংঘটিত ওই হত্যাকাণ্ডকে “নৃশংস” বলে উল্লেখ করেন। তিনি সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান। হিংসার ঘটনায় বেছে বেছে প্রতিবাদ করার প্রবণতার সমালোচনা করেন জানভি।

    অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হিন্দুরা

    সম্প্রতি বাংলাদেশে প্রতিদিনই অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে হিন্দুদের। গত ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়। নীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে উত্তেজিত জনতা তাঁকে আক্রমণ করে। পরে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। এই ঘটনাকে নিষ্ঠুর, নৃশংস এবং অমানবিক অ্যাখ্যা দেন জানভি। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত ছিল যে ভৌগোলিক অবস্থান বা মতাদর্শ নির্বিশেষে সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধেই সমানভাবে প্রতিবাদ হওয়া উচিত।

    জানভি কাপুরকে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট

    এই ঘটনার দিকে জানভি কাপুর দৃষ্টি আকর্ষণ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধ্রুব রাঠি তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে “ডার্ক সাইড অফ বিউটি” শিরোনামের একটি ইউটিউব ভিডিও প্রচার করেন। যার থাম্বনেইলে জানভি কাপুরের ছবি ব্যবহার করা হয়। পোস্টের সময় নির্বাচন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন ওঠে। নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ, জানভি কাপুরের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার নিন্দাকে আড়াল করতেই ধ্রুব রাঠি ওই ভিডিওটি প্রচার করেছেন। যদিও ধ্রুব রাঠি নিজে এই হত্যাকাণ্ড বা বিতর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার খবর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। বিভিন্ন মহল পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধান ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছে।

  • Bharat Taxi: আসছে দেশের প্রথম সমবায় ট্যাক্সি পরিষেবা ‘ভারত ট্যাক্সি’! যাত্রী সুবিধা, চালকদের আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য দাবি শাহের

    Bharat Taxi: আসছে দেশের প্রথম সমবায় ট্যাক্সি পরিষেবা ‘ভারত ট্যাক্সি’! যাত্রী সুবিধা, চালকদের আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য দাবি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম সমবায় ট্যাক্সি পরিষেবা ‘ভারত ট্যাক্সি’ (Bharat Taxi) চালু হতে চলেছে দিল্লিতে। চালকদের আয় বাড়ানো এবং যাত্রী পরিষেবা উন্নত করার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকার শীঘ্রই ‘ভারত ট্যাক্সি’ পরিষেবা চালু করতে চলেছে। সম্প্রতি এই ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকার এই পরিষেবা চালু করতে চলেছে। ট্যাক্সি পরিষেবার জন্য সমস্ত প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। সূত্রের খবর, চালকরা ভাড়ার লভ্যাংশ থেকে অনেক বেশি আয় করতে পারবেন। যার জন্য একটি মাসিক ক্রেডিট সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে।

    যাত্রী সুবিধা, চালকদের আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য

    হরিয়ানার পঞ্চকুলায় অনুষ্ঠিত সহকারী সম্মেলনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, সমবায় মন্ত্রকের উদ্যোগে চালু হতে যাওয়া এই পরিষেবায় অর্জিত সমস্ত লাভই চালকদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। অমিত শাহের কথায়, “আমরা খুব শীঘ্রই ‘ভারত ট্যাক্সি’ (Bharat Taxi) পরিষেবা চালু করব, যার প্রতিটি টাকার লাভ যাবে আমাদের চালক ভাইদের কাছে। এতে যাত্রীদের সুবিধা বাড়বে এবং একই সঙ্গে চালকদের আয়ও বৃদ্ধি পাবে।” দেশের অ্যাপ ক্যাব বাজারে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে চলেছে নতুন এই প্ল্যাটফর্ম ‘ভারত ট্যাক্সি’। সূত্রের খবর, নতুন এই পরিষেবাটি জানুয়ারি মাসে নয়াদিল্লিতে পূর্ণাঙ্গ ভাবে চালু হতে চলেছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে দিল্লি এবং গুজরাটের বেশ কিছু অংশে পরীক্ষামূলক ভাবে পরিষেবা শুরু হয়েছিল ভারত ট্যাক্সির। এই নতুন পরিষেবা ওলা, উবর এবং র‌্যাপিডোর মতো প্রতিষ্ঠিত সংস্থাগুলিকে টক্কর জোর টক্কর দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ভারত ট্যাক্সি কী?

    ভারত ট্যাক্সি (Bharat Taxi) পরিচালনা করছে সহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ লিমিটেড। এই প্ল্যাটফর্মকে চালক-মালিকানাধীন দেশীয় মোবিলিটি পরিষেবা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। সংস্থার দাবি এটি বিশ্বের বৃহত্তম ড্রাইভার-ওনড মোবিলিটি নেটওয়ার্ক। বর্তমানে দিল্লি এবং গুজরাটের সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে গাড়ি, অটো-রিকশা ও বাইক ট্যাক্সি মিলিয়ে এক লক্ষের বেশি চালক এই প্ল্যাটফর্মে নথিভুক্ত রয়েছেন। ভারত ট্যাক্সি অ্যাপে স্বচ্ছ ভাড়া কাঠামো, একাধিক ভাষা, রিয়েল-টাইম গাড়ি ট্র্যাকিং এবং ২৪ ঘণ্টার গ্রাহক সহায়তার সুবিধা রয়েছে। যাত্রী ও চালক—দু’পক্ষের নিরাপত্তার জন্য যাচাই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এ ছাড়াও দিল্লি পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সংযোগ রেখে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।

    জিরো কমিশন মডেল

    ভারত ট্যাক্সির (Bharat Taxi) সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল জিরো-কমিশন মডেল। এই ব্যবস্থায় চালকরা ভাড়ার পুরো অর্থ নিজেরাই রাখতে পারবেন। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নথিভুক্ত চালকদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ক্যাব অপারেটর। এ ছাড়াও রয়েছেন অটো-রিকশা এবং বাইক ট্যাক্সির চালকেরা। সহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ ইতিমধ্যেই ভারত ট্যাক্সির মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস— দুই প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যাচ্ছে। সংস্থার দাবি অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত অ্যাপটি ৭৫ হাজারের বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে।

    ভাড়ার হার ও পরিষেবা

    এই প্ল্যাটফর্মে এসি, প্রিমিয়াম, নন-এসি এবং এক্সএল ক্যাবের অপশন মিলবে। সংস্থার দাবি, দু’মিনিটের মধ্যেই গাড়ি পাওয়া যাবে। ভাড়ার হারও তুলনামূলকভাবে অন্য সংস্থার থেকে কম থাকবে। এই অ্যাপে প্রথম ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত ন্যূনতম ভাড়া ৩০ টাকা। ৪ থেকে ১২ কিলোমিটারের জন্য প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ২৩ টাকা এবং ১২ কিলোমিটারের বেশি হলে প্রতি কিলোমিটারে ১৮ টাকা ধার্য করা হবে। অন্যান্য অ্যাগ্রিগেটরদের মতোই ভারত ট্যাক্সি অ্যাপটি মেট্রোর মতো পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পরিষেবার সঙ্গেও যুক্ত। ফলে ব্যবহারকারীরা একটি মাত্র অ্যাপের মাধ্যমেই যাতায়াতের একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করে পুরো যাত্রার পরিকল্পনা করতে পারবেন। বর্তমানে দিল্লি ও গুজরাটে পরীক্ষামূলক পরিষেবা চালু রয়েছে। ব্যবহারকারীরা মোবাইল নম্বর দিয়ে সাইন আপ করতে পারবেন। পিক-আপ ও ড্রপ লোকেশন নির্বাচন করে পছন্দের রাইড বেছে নেওয়া যাবে। যাত্রার পুরো সময় রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং করা যাবে। ব্যবহার প্রক্রিয়া অন্যান্য বেসরকারি সংস্থার অ্যাপের মতোই সহজ।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির বিভিন্ন জনমুখী নীতি

    হরিয়ানার ওই অনুষ্ঠানে অমিত শাহ দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন জনমুখী নীতি নিয়ে কথা বলেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাজেট বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে ধরে অমিত শাহ জানান, ২০১৪ সালে যেখানে কৃষি বাজেট ছিল ২২ হাজার কোটি টাকা, সেখানে বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকা। একইভাবে, গ্রামীণ উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ৮০ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১.৮৭ লক্ষ কোটি টাকা। দেশের উন্নয়নে হরিয়ানার অবদানের কথাও বিশেষভাবে তুলে ধরেন শাহ। তিনি বলেন, “হরিয়ানা রাজ্যের কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও দুগ্ধ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে অসংখ্য পদক এনে জাতীয় পতাকাকে গর্বিত করেছেন।” পাশাপাশি, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবকে দেশের খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর করার ক্ষেত্রে কৃতিত্ব দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। জাতীয় নিরাপত্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনসংখ্যার তুলনায় হরিয়ানা থেকেই সর্বাধিক সংখ্যক সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য দেশকে রক্ষা করছেন।

     

     

     

     

     

  • Atal Canteen: ৫ টাকায় পেট ভরে ভাত-ডাল-রুটি-সবজি, দিল্লিতে খোলা হল ১০০টি ‘অটল ক্যান্টিন’

    Atal Canteen: ৫ টাকায় পেট ভরে ভাত-ডাল-রুটি-সবজি, দিল্লিতে খোলা হল ১০০টি ‘অটল ক্যান্টিন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবেলা দুমুঠো অন্ন সংস্থান করতে যাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়, তাদের জন্য বড় উপহার। এবার ভরপেট খাবার মিলবে, আর খরচ? মাত্র পাঁচ টাকা। কোথায় পাবেন এত সস্তায় খাবার? দিল্লি সরকার আজ, ২৫ ডিসেম্বর উদ্বোধন করল অটল ক্যান্টিনের। মাত্র পাঁচ টাকাতেই পাওয়া যাবে খাবার। দিল্লির ১০০টি জায়গায় এই খাবার পাওয়া যাবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর ১০১তম জন্মবার্ষিকীতে এই উদ্য়োগ নেওয়া হয়েছে।

    সাশ্রয়ী মূল্যে পুষ্টিকর খাবারের আশ্বাস

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছেন, এই ১০০টি অটল ক্যান্টিনে গরিব, শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের পরিবার দু-বেলা দুমুখো খাবার পেট ভরে খেতে পারবে। তিনি বলেন, “অটল ক্যান্টিন দিল্লির আত্মা হয়ে উঠবে। আর কেউ অভুক্ত থেকে ঘুমোতে যাবে না।” নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেই শহরের বাসিন্দাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে পুষ্টিকর খাবারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। দিল্লির নগরোন্নয়ন মন্ত্রী আশিস সুদ জানান, ক্যান্টিনগুলি বিশেষ করে দৈনিক মজুর, শ্রমিক এবং নিম্ন আয়ের পরিবারগুলির জন্য বানানো হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় হাজার জনকে খাবার সরবরাহ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কী কী খাবার থাকবে মেনুতে

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এদিন দিল্লির আর কে পুরম, জাংপুরা, শালিমার বাগ, গ্রেটার কৈলাশ, রাজৌরি গার্ডেন, নারেলা, বাওয়ানা-সহ বিভিন্ন স্থানে ৪৫টি অটল ক্যান্টিনের দ্বার উন্মোচন করেন। দিল্লি সরকার সূত্রে খবর, ধাপে ধাপে আরও বিভিন্ন এলাকায় বাকি ৫৫টি ক্যান্টিন খোলা হবে বলে জানিয়েছেন রেখা। দুপুরের খাবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে এবং রাতের খাবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে। দিল্লি সরকার খাবার বিতরণের জন্য হাতে লেখা কুপনের পরিবর্তে একটি ডিজিটাল টোকেন ব্যবস্থা চালু করেছে। দিল্লি আরবান শেল্টার ইমপ্রুভমেন্ট বোর্ডের (ডিইউএসআইবি) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সিসিটিভি ক্যামেরার সাহায্যে সমস্ত কেন্দ্রগুলিতে পর্যবেক্ষণ করা হবে। মাত্র পাঁচ টাকায় পাওয়া যাবে ভাত, ডাল, রুটি, সবজি ও আচার। এই প্রকল্পের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

  • Maoist Encounter: মাথার দাম ১ কোটি ১০ লক্ষ! হিডমার পর ওড়িশায় এনকাউন্টারে নিহত মাও শীর্ষনেতা গণেশ

    Maoist Encounter: মাথার দাম ১ কোটি ১০ লক্ষ! হিডমার পর ওড়িশায় এনকাউন্টারে নিহত মাও শীর্ষনেতা গণেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও-দমনে ফের বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। গত মাসেই নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্ধ্রপ্রদেশের আলুরি সীতারামারাজুতে নিহত হয়েছিলেন মাওবাদী শীর্ষনেতা মাডবী হিডমা। তার ঠিক এক মাসের মধ্যেই ওড়িশার (Odisha) কন্ধমলে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে (Maoist Encounter) নিহত হলেন আরও এক মাওবাদী শীর্ষনেতা গণেশ উইকে। তাঁর মাথার দাম ছিল ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা। এই সংঘর্ষের ২৪ ঘণ্টা আগে মালকানগিরিতে ২২ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন। নিরাপত্তাবাহিনীর এক আধিকারিক বলেন, ‘‘এটা আমাদের বাহিনীর জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য। মাও নেতার মাথার দাম ছিল ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা। গণেশের মৃত্যুতে মাওবাদীদের সাংগঠনিক কাঠামোর মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছে।’’

    রাতভর চলে এনকাউন্টার

    পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা নাগাদ ওড়িশার (Odisha) কন্ধমল জেলার জঙ্গলে মাওবাদীদের (Maoist Encounter) একটি দলকে ঘিরে ফেলে বিএসএফ এবং সিআরএফ জওয়ানরা। এরপর শুরু হয় ধুন্ধুমার গুলির লড়াই। তাতেই মৃত্যু হয় মোট চার জন মাওবাদীর। এই চার জনের একজন হলেন মাও সেন্ট্রাল কমিটির সদস্য গণেশ উইকে। নিহত বাকি তিন জনের মধ্যে দু’জন মহিলা সদস্য বলে জানা গিয়েছে। তেলেঙ্গানার নলগোন্ডা জেলার চেন্দুর মণ্ডলের পুল্লেমালা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন গণেশ উইকে। যদিও মাওবাদী সদস্যদের কাছে গণেশ পাক্কা হনুমন্তু, রাজেশ তিওয়ারি, চামরু এবং রুপা নামে পরিচিত ছিলেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, গণেশের মাথার দাম ছিল এক কোটি দশ লক্ষ টাকা। হিডমার মৃত্যুর পর গণেশের খোঁজেও তল্লাশি চলছিল। বুধবার রাতে গোপন সূত্রে কন্ধমলের বেলঘর থানায় খবর আসে ওই জেলার গুম্মার জঙ্গলে একদল মাওবাদী জড়ো হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শীর্ষনেতাও আছেন। সেই খবর পেয়েই রাতে অভিযানে যায় পুলিশ এবং নিরাপত্তাবাহিনীর যৌথ দল। রাতভর তল্লাশি অভিযান চলে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয়। ওডিশার ডিজিপি যোগেশ বাহাদুর খুরানিয়া জানান, প্রথম এনকাউন্টার হয় বেলঘর থানা এলাকার গুম্মার জঙ্গলে। বুধবার রাতে ওই জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হন মাওবাদীদের দুই সদস্য। তাঁরা সংগঠনের ছত্তিসগড়ের সদস্য ছিলেন। জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয়েছে থ্রিনটথ্রি রাইফেল ও ইনসাস রাইফেল, প্রচুর কার্তুজ। দ্বিতীয় এনকাউন্টার হয় বৃহস্পতিবার ভোররাতে।

    সংগঠনের জন্য বড় ধাক্কা

    ঝিরাম ঘাঁটি হামলার অন্যতম অভিযুক্ত গণেশ প্রায় চার দশকের বেশি সময় ধরে দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটি (ডিকেএসজেডসি)-তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও তথাকথিত ‘রেড করিডোর’-এর বিভিন্ন অঞ্চলের স্থানীয় ইউনিটগুলির মধ্যে মূল সেতুবন্ধন ছিলেন তিনি। নিরাপত্তা সংস্থার মতে, পূর্বঘাটে মাওবাদী (Maoist Encounter) সংগঠন বিস্তারের ‘মস্তিষ্ক’ ছিলেন উইকে। বর্তমানে মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির মাত্র তিনজন সদস্য অবশিষ্ট ছিলেন—গণেশ উইকে (ওড়িশা), মল্লারাজি রেড্ডি ওরফে সংঘম (ছত্তীসগঢ়) এবং আনন্দা ওরফে তুফান (ঝাড়খণ্ড)। এই অভিযানের ফলে ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে দেশকে মাওবাদীমুক্ত করার কেন্দ্রের লক্ষ্যের আরও কাছাকাছি পৌঁছনো সম্ভব হল বলে মনে করছে প্রশাসন। চলতি বছরেই একের পর এক শীর্ষ মাওবাদী নেতা নিহত হওয়ায় কেন্দ্রীয় কমিটির শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মে মাসে সাধারণ সম্পাদক বাসবরাজ এবং নভেম্বরে কমান্ডার মাডভি হিডমার নিহত হওয়ার পর এবার গণেশ উইকের মৃত্যু সংগঠনের জন্য বড় ধাক্কা।

LinkedIn
Share