Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Indian Defence: ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির উন্নতি, কৌশলগত বিকাশের বার্তা কেন্দ্রের

    Indian Defence: ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির উন্নতি, কৌশলগত বিকাশের বার্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা রফতানি দু’টি দেশের মধ্যে সাধারণ কোনো বাণিজ্যিক লেনদেন (Indian Defence) নয়। এটি আসলে কৌশলগত সম্পর্কের এক বার্তা, যার মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা, প্রযুক্তি ও রাজনৈতিক অভিপ্রায় প্রকাশ পায়। কোনও (Strategic Development) দেশ যখন সামরিক সরঞ্জাম কেনে, তখন প্রকৃতপক্ষে সে একটি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের সূচনা করে। এর মধ্যে প্রশিক্ষণ, সহায়তা ও কার্যকরী সমন্বয়ের বিষয়গুলিও অন্তর্ভুক্ত থাকে। প্রতিরক্ষা রফতানি একটি দেশের কৌশলগত পরিসরকেও নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে।

    ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি খাতে প্রবেশ (Indian Defence)

    এই প্রেক্ষাপটে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি খাতে প্রবেশ করা ছিল অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা বাজার নানা কারণে জটিল। নিষেধাজ্ঞা, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন, তার মধ্যে অন্যতম। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় স্লোগান ও বক্তব্যের চেয়ে স্থিতিশীলতা ও বাস্তব সক্ষমতাই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। ২০১৪ সালের পর ভারতীয় প্রতিরক্ষা পণ্যের রফতানিতে এই পরিবর্তন স্পষ্টভাবে দেখা যায়। অতিরিক্ত প্রচার বা আদর্শগত বক্তব্য ছাড়াই নরেন্দ্র মোদির সরকার ধীরে ধীরে নিজেকে একটি বিশ্বাসযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করেছে। ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির ক্রমবর্ধমান প্রবণতা মূলত বিশ্বাসযোগ্যতার শক্ত ভিত্তির ওপরেই ধাপে ধাপে গড়ে উঠছে। প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রধান শক্তিধর দেশগুলির মধ্যে রয়েছে বিরাট ব্যবধান। বিশ্বজুড়ে সামরিক উপস্থিতির কারণে আমেরিকা ৯৬৮.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করে শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চিন। প্রতিরক্ষা খাতে এই দেশ ব্যয় করে ৩১৭.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি ভারতের ৮৩.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রতিরক্ষা ব্যয়ের প্রায় চার গুণ বেশি (Strategic Development)।

    ভারত বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ প্রতিরক্ষা ব্যয়কারী দেশের মধ্যে রয়েছে

    এই বিরাট পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ভারত বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ প্রতিরক্ষা ব্যয়কারী দেশের মধ্যে রয়েছে। চিন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক কম বাজেট নিয়ে কাজ করলেও, ভারত একটি অত্যন্ত কঠিন ও সংবেদনশীল ভূ-রাজনৈতিক অঞ্চলের মোকাবিলা করছে (Indian Defence)। এই প্রধান শক্তিগুলির মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ব্যবধান জার্মানি দিয়ে শুরু হয়ে প্রথমে রাশিয়া এবং শেষে ভারতে এসে দাঁড়ায়। মাথাপিছু প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ক্ষেত্রে চিত্রটি অবশ্য সম্পূর্ণ আলাদা। আমেরিকায় প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় হয় প্রায় ২,৯০০ মার্কিন ডলার, জার্মানি ও রাশিয়ায় এই ব্যয় প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই ১,০০০ ডলারের বেশি। বিপুল জনসংখ্যার কারণে চিনের মাথাপিছু প্রতিরক্ষা ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম, প্রায় ২২১ মার্কিন ডলার। ভারতের ক্ষেত্রে এই ব্যয় মাত্রই ৫৯.৬ মার্কিন ডলার, যা ওই সব দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন। তা সত্ত্বেও পরিসংখ্যান থেকে এটা স্পষ্ট যে, উন্নত দেশগুলির তুলনায় অনেক কম ব্যয় সত্ত্বেও ভারত কীভাবে তার প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি এবং প্রতিরোধমূলক সক্ষমতা বজায় রাখতে পারছে (Indian Defence)।

    জিডিপির শতকরা হার

    প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় সাধারণত জিডিপির শতকরা হারে পরিমাপ করা হয়। এই সূচকটি একটি দেশ তার সামগ্রিক সম্পদের তুলনায় জাতীয় নিরাপত্তাকে কতটা অগ্রাধিকার দেয় (Strategic Development), তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। রাশিয়া তার জিডিপির ১৮.৯ শতাংশ ব্যয় করে প্রতিরক্ষা খাতে। এর পরেই রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারা ব্যয় করে জিডিপির ৯ শতাংশেরও বেশি। আর প্রতিরক্ষা খাতে ভারত ব্যয় করে জিডিপির ৭.৬৩ শতাংশ। চিনের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৫.০৬ শতাংশ এবং জার্মানিতে ৩.৯৩ শতাংশ। মাথাপিছু প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম হওয়া সত্ত্বেও, কৌশলগত প্রয়োজন মেটাতে ভারত সরকার এই ক্ষেত্রে যে শক্তিশালী ও তুলনামূলকভাবে বেশি চেষ্টা করছে, তার প্রমাণ মেলে সরকারি পরিসংখ্যানেই।

    ধীরগতির পর্ব এখন অতীত

    এদিকে, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি ছিল প্রায় নগণ্য। এর প্রধান কারণ ছিল কঠোর নীতিনির্ধারণ ও এমন ক্রয়ব্যবস্থা, যা কেবলমাত্র অভ্যন্তরীণ বাজারকেন্দ্রিক ছিল। সেই ধীরগতির পর্ব এখন অতীত (Indian Defence)। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩,৬২২ কোটি টাকা। তবে এখানে সংখ্যার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি এখন আর অ্যাডহক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরিচালিত হয় না। অস্থায়ী ছাড়পত্র ব্যবস্থার পরিবর্তে চালু হয়েছে একটি সুসংহত ও শক্তিশালী রফতানি ব্যবস্থা। ইলেকট্রনিক লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে ছাড়পত্র প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে। এতে অনায়াস হয়েছে রফতানি প্রক্রিয়া।

    ৮০টি দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি ভারতের

    জানা গিয়েছে, ভারত এখন ৮০টি দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ রফতানি করতে শুরু করেছে, যা ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং এসব ব্যবস্থার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও প্রতিরক্ষা রফতানি ধারাবাহিক ও স্থিতিশীল হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা প্রমাণ করে যে (Strategic Development) এই বিক্রি কোনও চাপের ফলে নয়, বরং বাস্তব প্রয়োজন থেকেই চালিত হচ্ছে। এই সন্ধিক্ষণটি সেই মুহূর্তকে চিহ্নিত করে, যখন ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি প্রান্তিক অবস্থান থেকে মূলধারায় প্রবেশ করেছে (Indian Defence)।

  • Foxconn in Bengaluru: প্রায় ৮০ শতাংশই মহিলা! ৩০ হাজার কর্মী নিয়োগ করল ফক্সকন, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্য

    Foxconn in Bengaluru: প্রায় ৮০ শতাংশই মহিলা! ৩০ হাজার কর্মী নিয়োগ করল ফক্সকন, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইওয়ানের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ফক্সকন (Foxconn in Bengaluru) বেঙ্গালুরুর কাছে দেবনহল্লিতে তাদের নতুন আইফোন অ্যাসেম্বলি কারখানায় মাত্র আট–নয় মাসের মধ্যে প্রায় ৩০,০০০ কর্মী নিয়োগ করেছে। দ্য ইকোনমিক টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের ক্ষেত্রে এটি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুতগতির কারখানা সম্প্রসারণের উদাহরণ। এই দ্রুত নিয়োগ অ্যাপলের উৎপাদন ঘাঁটি চিনের বাইরে বৈচিত্র্যময় করার কৌশলকে স্পষ্ট করে। আনুমানিক ৩০০ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই কারখানায় কর্মীদের প্রায় ৮০ শতাংশই মহিলা। সূত্রের দাবি, অধিকাংশ কর্মীর বয়স ১৯ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে এবং অনেকেই প্রথমবারের মতো কর্মজীবনে পা রেখেছেন।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় ফক্সকনের সহায়তা

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ স্মার্টফোনের দাপটে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নতুন ইতিহাস। ভারত থেকে মোবাইল ফোন রফতানি ১ লক্ষ কোটি টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা বেড়েছে ৫৫ শতাংশ। যা এক কথায় অবিশ্বাস্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রোডাকশন-লিঙ্কড ইনসেনটিভ স্কিম এই সাফল্যের পথ তৈরি করেছে। এই নীতির হাত ধরেই ভারত এখন আমেরিকায় স্মার্টফোন রফতানিতে চিনকেও পেছনে ফেলে দিয়েছে। আমেরিকার বাজারে বিক্রি হওয়া মোট স্মার্টফোনের ৪৪ শতাংশই এখন ভারতে তৈরি। যার পিছনে ফক্সকনের এক বড় হাত রয়েছে। একটা সময় ভারত মোবাইল ফোনের জন্য মূলত আমদানির উপর নির্ভর করত। কিন্তু পিএলআই স্কিম সেই ছবিটা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। পিএলআই স্কিম ভারতে উৎপাদন ও ভারত থেকে স্মার্টফোন রফতানিতে এক নব জোয়ার নিয়ে এসেছে। এর ফলে আগামীতে আরও বড় বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    কর্মীদের প্রায় ৮০ শতাংশই মহিলা

    চলতি বছরের এপ্রিল–মে মাসে কারখানাটিতে ট্রায়াল প্রোডাকশন শুরু হয়, যেখানে আইফোন ১৬ মডেল অ্যাসেম্বল করা হয়। সূত্রের খবর, এখানে সর্বশেষ আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স উৎপাদন শুরু হয়েছে। উৎপাদিত আইফোনের ৮০ শতাংশেরও বেশি বিদেশে রফতানি করা হচ্ছে। আগামী বছরে পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ শুরু করলে এই ইউনিটে কর্মসংস্থান ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। কারখানা চত্বরে ছয়টি বড় ডরমিটরি রয়েছে, যার বেশ কয়েকটি ইতিমধ্যেই মহিলা কর্মীদের জন্য চালু হয়েছে। বাকি পরিকাঠামোর নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে চলছে। সম্প্রসারণ সম্পূর্ণ হলে এক জায়গায় এত বেশি মহিলা কর্মীর উপস্থিতি ভারতের আর কোনও সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে থাকবে না বলে প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। প্রতিবেশী রাজ্যগুলি থেকেও বিপুল সংখ্যক মহিলা কর্মী এখানে কাজ পেয়েছেন।

    স্বয়ংসম্পূর্ণ টাউনশিপ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা

    সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ টাউনশিপ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা ও বিনোদনের সুবিধা থাকবে। কর্মীরা বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থা ও ভর্তুকিযুক্ত খাবার পাচ্ছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, গড় মাসিক বেতন প্রায় ১৮,০০০ টাকা, যা মহিলা ব্লু-কলার কর্মীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি। বেঙ্গালুরু প্রকল্পে ফক্সকনের বিনিয়োগ প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকা। সম্পূর্ণরূপে চালু হলে কর্মসংস্থান ও উৎপাদন—উভয় ক্ষেত্রেই এটি ভারতের বৃহত্তম কারখানায় পরিণত হবে। শুধু উৎপাদন ফ্লোরই প্রায় ২.৫ লক্ষ বর্গফুট জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। এই নতুন ইউনিটটি তামিলনাড়ুতে ফক্সকনের প্রথম আইফোন কারখানাকেও ছাপিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে বর্তমানে প্রায় ৪১,০০০ কর্মী কাজ করেন। সরকারি আধিকারিকরা এটিকে উৎপাদন খাতে জিডিপির অংশ বাড়ানোর কেন্দ্রের উদ্যোগের বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে জোর

    পুরোপুরি নির্মিত হলে বেঙ্গালুরুর কারখানায় প্রায় এক ডজন আইফোন অ্যাসেম্বলি লাইন থাকতে পারে, যেখানে বর্তমানে প্রায় চারটি লাইন চালু রয়েছে। ২০২১ সালে চালু হওয়া প্রোডাকশন-লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) প্রকল্পের সহায়তায় অ্যাপল ধীরে ধীরে ভারতে আইফোন উৎপাদন বাড়াচ্ছে। সরকারি সূত্রের মতে, মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের অধীনে অ্যাপলের ভারতীয় কার্যক্রম সরকার ও শিল্পের সফল অংশীদারিত্বের উদাহরণ। কয়েক বছর আগেও এত দ্রুত ও বড় পরিসরে সম্প্রসারণ কল্পনাতীত ছিল। ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে অ্যাপলের বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে ভারত এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বর্তমানে সব আইফোন মডেলই উৎপাদনের শুরু থেকেই ভারতে তৈরি হচ্ছে এবং সেগুলি বিশ্বব্যাপী রপ্তানি করা হচ্ছে। ভারতে অ্যাপলের সরবরাহকারী নেটওয়ার্ক প্রায় ৪৫টি সংস্থায় পৌঁছেছে। এছাড়াও, কর্মী উন্নয়নের ক্ষেত্রে অ্যাপল তাদের অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত মহিলা কর্মীরা—যাঁদের অধিকাংশই উচ্চ মাধ্যমিক বা পলিটেকনিক পাশ—আইফোন অ্যাসেম্বলি লাইনে যোগ দেওয়ার আগে প্রায় ছয় সপ্তাহের অন-দ্য-জব প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

  • Indian Railways: আবারও বাড়ছে রেলের ভাড়া, তবে লোকাল-মান্থলিতে ছাড়

    Indian Railways: আবারও বাড়ছে রেলের ভাড়া, তবে লোকাল-মান্থলিতে ছাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভাড়া বাড়াচ্ছে রেল (Indian Railways)। তবে তাতে আমজনতার কোনও ক্ষতি হবে না। কারণ লোকাল ট্রেনের ভাড়া (Train Fares) বাড়ছে না, মান্থলির ভাড়াও থাকছে অপরিবর্তিত। ভাড়া বাড়ছে কেবল দূরপাল্লার যাত্রিবাহী ট্রেনের। দূরপাল্লার যাত্রায় ভাড়ার নয়া কাঠামো প্রকাশ করে রেল জানিয়েছে, নতুন ভাড়া কার্যকর হবে বড়দিনের পরের দিন, ২৬ ডিসেম্বর থেকে।

    নয়া ভাড়া কাঠামো (Indian Railways)

    রেল সূত্রে খবর, ভাড়া বাড়ছে দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের। এসি, নন-এসি এই দুই শ্রেণির সংরক্ষিত টিকিটের ভাড়া বাড়ছে। এটি নির্ধারিত হবে কিলোমিটারের ভিত্তিতে। অসংরক্ষিত টিকিটের ভাড়াও বাড়ছে, তবে সে ক্ষেত্রে থাকছে নির্দিষ্ট নিয়ম। জানা গিয়েছে, নতুন কাঠামো অনুযায়ী, দূরপাল্লার ট্রেনে সাধারণ শ্রেণিতে ২১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রা করলে অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে হবে না। তবে তার পর প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধি করা হচ্ছে। দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেসে (নন-এসি) প্রতি কিলোমিটারে দু’পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশোধিত ভাড়া অনুযায়ী, নন-এসিতে ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য যাত্রীদের অতিরিক্ত ১০ টাকা করে গুণতে হবে। এসির টিকিটের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে দু’পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে (Indian Railways)। রেল কর্তাদের আশা, চলতি বছরে নয়া ভাড়া কাঠামোয় রেল অতিরিক্ত প্রায় ৬০০ কোটি টাকা রোজগার করবে।

    ট্রেনের ভাড়া

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে এই নিয়ে দু’বার দূরপাল্লার ট্রেনের ভাড়া বাড়াল রেল। গত জুলাইয়েও কিলোমিটার পিছু ভাড়া বেড়েছিল দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের। সেবার অবশ্য দূরপাল্লার ট্রেনের নন-এসি দ্বিতীয় শ্রেণীর টিকিটের (অসংরক্ষিত টিকিট) ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে আধ পয়সা করে বাড়ানো হয়েছিল। একই সিদ্ধান্ত হয়েছিল স্লিপার এবং প্রথম শ্রেণির অসংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রেও। নন-এটি সংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা করে ভাড়া বাড়িয়েছিল রেল। আর এসির ক্ষেত্রে বাড়ানো (Train Fares) হয়েছিল কিলোমিটার পিছু দু’পয়সা করে। বড়দিনের পর থেকে ফের প্রায় সেই একই হারে বাড়ছে রেলের ভাড়া (Indian Railways)।

  • UGC: আবারও ৩ জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করল ইউজিসি

    UGC: আবারও ৩ জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে ক্রমেই বাড়ছে জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা (Fake Universities)। কেন্দ্র প্রতিবছরই তার তালিকা প্রকাশ করে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও তিন ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। এই প্রতিষ্ঠানগুলি হল, দিল্লির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট সলিউশন, কর্নাটকের সর্বভারতীয় শিক্ষাপীঠ, এবং মহারাষ্ট্রের ন্যাশনাল ব্যাকওয়ার্ডস কৃষি বিদ্যাপীঠ। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) (UGC) জনগণের স্বার্থে এই তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে জারি করেছে সতর্কবার্তা। কমিশনের মতে, এই তিনটি প্রতিষ্ঠানই সরকারি কোনও অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছে ইউজিসি (UGC)

    বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মতে, এই প্রতিষ্ঠানগুলি আইনগত ক্ষমতা ছাড়াই ডিগ্রি দিচ্ছে, যা আদতে লঙ্ঘন করছে ইউজিসি আইন, ১৯৫৬। কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই সংস্থাগুলির দেওয়া কোনও ডিগ্রি উচ্চশিক্ষা, সরকারি নিয়োগ বা বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বৈধ বলে গণ্য হবে না। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে ইউজিসি কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে যে, স্বীকৃতিহীন প্রতিষ্ঠান  থেকে পাওয়া ডিগ্রির কোনও আইনগত স্বীকৃতি নেই। এই ধরনের ডিগ্রিধারীরা দেশে কিংবা – উভয় ক্ষেত্রেই উচ্চশিক্ষা বা চাকরির জন্য আবেদন করেও প্রত্যাখ্যাত হতে পারেন। ভর্তি হওয়ার আগে যে কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতির অবস্থা যাচাই করে নিতে শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)। কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতির অবস্থা যাচাই করে নেওয়া যেতে পারে। সরকারি এই ওয়েবসাইটে স্বীকৃত এবং ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের আপডেটেড তালিকা প্রকাশ করা হয়।

    জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা

    তিনটি জাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকার একেবারে ওপরে রয়েছে দিল্লির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট সলিউশন। নামের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা শিক্ষার ইঙ্গিত দেওয়া হলেও, এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ইউজিসি আইন, ১৯৫৬-এর ধারা ২(এফ) বা ধারা ৩-এর অধীনে স্বীকৃত নয়। ইউজিসির মতে, এই প্রতিষ্ঠানের কোনও বিষয়েই ডিগ্রি দেওয়ার কোনও আইনগত ক্ষমতা নেই। তাই শিক্ষার্থীদের সেখানে ভর্তি না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে (Fake Universities)। কারণ এই প্রতিষ্ঠান থেকে ইস্যু করা যে কোনও ডিগ্রি অবৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে। শুধু তাই নয়, ওই ডিগ্রি অ্যাকাডেমিক বা পেশাগত স্বীকৃতির জন্য অযোগ্য বলেও বিবেচিত হবে (UGC)। ওই তালিকার দ্বিতীয় নম্বরে রয়েছে কর্নাটকের তুমকুরের সর্বভারতীয় শিক্ষাপীঠ।তুমকুর জেলার দেবানুর মেইন রোডে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টিও চলছে বেআইনিভাবে। ইউজিসি জেনেছে, এই প্রতিষ্ঠানটি কোনও বিধিবদ্ধ অনুমোদন ছাড়াই বেআইনিভাবে ডিগ্রি দিচ্ছে। এটি ইউজিসি আইন, ১৯৫৬ এর অধীনে স্বীকৃত নয়। সর্বভারতীয় কারিগরি শিক্ষা পরিষদ বা অন্য কোনও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনও এর নেই। তাই এই প্রতিষ্ঠানের দেওয়া সার্টিফিকেট এবং ডিগ্রি চাকরি কিংবা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হবে না। ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকার তৃতীয় নম্বরে রয়েছে মহারাষ্ট্রের ন্যাশনাল ব্যাকওয়ার্ড কৃষি বিদ্যাপীঠ। এই প্রতিষ্ঠানটি মহারাষ্ট্রের সোলাপুর জেলার আক্কলকোট তালুকার তাদওয়াল গ্রামে অবস্থিত (UGC)।

    ইউজিসি আইন, ১৯৫৬

    ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, এই প্রতিষ্ঠানটি কোনও আইনি অনুমোদন ছাড়াই ডিগ্রি দিয়ে আসছে। এটি ইউজিসি আইনের ধারা ২(এফ) এবং ধারা ৩-এর আওতায় স্বীকৃত নয় এবং এআইসিটিই বা অন্য কোনও বিধিবদ্ধ সংস্থার সঙ্গেও এর কোনও সংযোগ নেই। তাই এই প্রতিষ্ঠানে যাঁরা পড়াশোনা করছেন, তাঁদের এই মর্মে সতর্ক করা হয়েছে যে কোনও বৈধ বিশ্ববিদ্যালয় বা নিয়োগকর্তা তাঁদের ডিগ্রিকে মান্যতা দেবে না (Fake Universities)। ইউজিসি আইন, ১৯৫৬ ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান আইন। এই আইন অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বীকৃতি দেওয়া, শিক্ষার মান নির্ধারণ করা এবং শিক্ষাদান ও গবেষণার গুণমান নিশ্চিত করার ক্ষমতা ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের হাতে ন্যস্ত। কেবলমাত্র ধারা ২(এফ)-এর অধীনে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান বা ধারা ৩ অনুযায়ী “ডিমড-টু-বি বিশ্ববিদ্যালয়” হিসেবে ঘোষিত প্রতিষ্ঠানই আইনত নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় বলতে পারে এবং ডিগ্রি দিতে পারে। এই ধরনের স্বীকৃতি ছাড়া পরিচালিত যে কোনও প্রতিষ্ঠানকে অননুমোদিত বলে গণ্য করা হয়। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় ভুয়া বা অননুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে জনসমক্ষে সতর্কবার্তা জারি করা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতাও ইউজিসিকে দিয়েছে এই আইন (UGC)।

    রাজ্যভিত্তিক ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের আপডেটেড তালিকা

    প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইউজিসি তাদের সরকারি ওয়েবসাইটে রাজ্যভিত্তিক ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের আপডেটেড তালিকা প্রকাশ করে। এই তালিকায় এমন সব প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলির আইনগত স্বীকৃতি না থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় শব্দটি ব্যবহার করে রীতিমতো ‘কারবার’ চালিয়ে যাচ্ছে। পরিদর্শন বা অভিযোগের মাধ্যমে নতুন তথ্য সামনে এলে কমিশন নিয়মিতভাবে এই তালিকা আপডেট করে। আর্থিক ও শিক্ষাগত ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে ভর্তি হওয়ার আগেই এই তালিকা দেখে (Fake Universities) নিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন ইউজিসি কর্তৃপক্ষ (UGC)।

  • Modi in Assam: “দেশকে নিরাপত্তা ও সংহতির ক্ষেত্রে ভারী মূল্য দিতে হয়েছে”  অসমে কংগ্রেসকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী

    Modi in Assam: “দেশকে নিরাপত্তা ও সংহতির ক্ষেত্রে ভারী মূল্য দিতে হয়েছে” অসমে কংগ্রেসকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের কংগ্রেসকে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Assam)। গুয়াহাটিতে কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু করেছে, যাতে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া যায়। কিন্তু, কিছু ‘দেশবিরোধী’ শক্তি সেই উদ্যোগ বানচাল করে ও দেশের স্বার্থবিরোধী কাজ করে সারা দেশে অনুপ্রবেশকারীদের সুরক্ষা দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে। মোদির দু’দিনের অসম সফর দিয়েই বিধানসভা ভোটে বিজেপির প্রচার পর্ব শুরু হল।

    দেশের জমি ও বন অন্যদের দিয়ে দেবে কংগ্রেস

    রবিবার নামরুপে জনসভায় মোদি কংগ্রেসকে (PM Attacks Congress) তিনটি বিষয়ে নিশানা করেন—উন্নয়ন, কল্যাণ ও অনুপ্রবেশ রোধ। আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এগুলিই বিজেপির মূল প্রচার-ইস্যু হবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। মোদি দাবি করেন, “কংগ্রেস কখনওই অসমের স্বার্থ রক্ষা করবে না, বরং অসমের জমি ও বন অন্যদের দখলে দিয়ে দেবে।” তিনি কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী গোপীনাথ বরদলৈয়ের মূর্তি উদ্বোধন করে বলেন, “কংগ্রেস অসমের পরিচয় ধ্বংস করার চেষ্টা স্বাধীনতার আগে থেকে করছে। ইংরেজ ও মুসলিম লীগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তারা অসমকে পূর্ববঙ্গের অংশ করতে চেয়েছিল। তখন গোপীনাথ বরদলৈ নিজের দলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে তা রোখেন। বরদলৈ কখনও অসমের স্বার্থ ও পরিচয়ের সঙ্গে আপস করেননি। এখন অসমবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কংগ্রেসের ‘ষড়যন্ত্র’ প্রতিহত করতে হবে।”

    অবাধ অনুপ্রবেশকে মদত দেয় কংগ্রেস

    নামরুপে ডিব্রুগড় জেলার অসম ভ্যালি ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের ₹১০,৬০০ কোটি টাকার অ্যামোনিয়া-ইউরিয়া সার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে মোদি (Modi in Assam) কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘দেশবিরোধী চিন্তাধারা’ প্রচারের অভিযোগ তোলেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Attacks Congress) দাবি, “বাংলা ও অসমে ভোটব্যাঙ্ক বাড়াতে কংগ্রেস অবাধ অনুপ্রবেশকে মদত দিয়েছে। অনুপ্রবেশকারীরা এখানকার জনচরিত্র বদলে দিয়েছে। জঙ্গল ও জমি দখল করে নিয়েছে। হিমন্তের সরকার এখন অসমের সম্পদকে এই সব বেআইনি ও দেশবিরোধী শক্তি থেকে মুক্ত করছে।” তিনি আরও বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বসতি স্থাপন ও রক্ষার কাজ কংগ্রেসই করেছে, তাই ভোটার তালিকা সংশোধনের বিরোধিতা করছে তারা। ‘তুষ্টিকরণের রাজনীতি’র বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে মোদি বলেন, অসমের পরিচয় ও সম্মান রক্ষায় বিজেপি ‘ইস্পাতের মতো দৃঢ়’।

    কংগ্রেসের ভুলে মূল্য চোকাতে হয় সমগ্র দেশকে

    দেশদ্রোহীরা চেষ্টা করছে অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে। কিন্তু, এসআইআর তা হতে দেবে না। কংগ্রেস যতই অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করুক, বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনীতে তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবেই। বিজেপি শাসিত অসমের মাটিতে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস সহ বিরোধী ইন্ডিয়া ব্লকের পার্টিগুলিকে হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে অনুপ্রবেশকারীদের যারা বাঁচানোর চেষ্টা করছে, তাদের দেশদ্রোহী আখ্যা দেন মোদি (Modi in Assam)। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কাজ চালাচ্ছে। কিন্তু, দেশদ্রোহীরা তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করছে। পূর্বতন কংগ্রেস সরকারকে বিঁধে প্রধানমন্ত্রী বলেন,“অসম ও উত্তর-পূর্ব ভারতকে উন্নয়নের আড়ালে রেখে ওরা যে অপরাধ করেছে, তার মূল্য চোকাতে হয় সমগ্র দেশকে। দেশকে একতা, নিরাপত্তা ও সংহতির ক্ষেত্রে ভারী মূল্য দিতে হয়েছে কংগ্রেসের ভুলে। কংগ্রেসের আমলেই দশকের পর দশক ধরে এই অঞ্চলে হিংসা বজায় ছিল। আর আমরা ১০-১১ বছর ক্ষমতায় এসেই সেই উগ্রবাদকে শেষ করেছি। একদিন যে জেলাগুলি হিংসা উপদ্রুত ছিল, আজ সেখানেই উন্নয়ন চলছে।”

    অসমের মাটির সঙ্গে একাত্ম প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Attacks Congress) এই বক্তব্য রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের জুলাই থেকে শুরু হওয়া কড়াকড়ির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, সরকারি ও বনভূমি থেকে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। চলমান উচ্ছেদে প্রভাবিতদের বড় অংশই মিয়া সম্প্রদায়ের—বাংলাভাষী মুসলমান, যাদের অনেকের শিকড় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। গুয়াহাটিতে মোদি বলেন, রাজ্য সরকার ‘অবৈধ ও দেশবিরোধী দখল’ থেকে সম্পদ মুক্ত করতে কাজ করছে এবং কংগ্রেস ও ইন্ডি জোট অনুপ্রবেশকারীদের পক্ষে আইনি হস্তক্ষেপসহ নানা ভাবে সুরক্ষা দিচ্ছে। রবিবার তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাদেশি। প্রধানমন্ত্রী অসম আন্দোলনের ৮৬০ শহিদের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান এবং ব্রহ্মপুত্রের উপর একটি ক্রুজে ২১ জন পড়ুয়ার সঙ্গে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অসমের মাটির সঙ্গে আমার আত্মা মিশে আছে। ভালবাসা ও এখানকার মানুষের আবেগ জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে অসম ও উত্তর-পূর্ব ভারতের মা-বোনেদের ভালবাসা আমাকে উৎসাহিত করে, অনুপ্রেরণা জোগায়।”

  • Maharashtr: মহারাষ্ট্রের পুরনির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক বাজিমাত, মোদি-দেবেন্দ্রের কৃতিত্বে ফের জয় জয়কার

    Maharashtr: মহারাষ্ট্রের পুরনির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক বাজিমাত, মোদি-দেবেন্দ্রের কৃতিত্বে ফের জয় জয়কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtr) পুরসভা নির্বাচনে (Local Body Election) ভারতীয় জনতা পার্টি আবারও বিরোধীদের ধরাশায়ী করে বাজিমাত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র চবনের নেতৃত্বে, বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট রাজ্যজুড়ে নিজেদের জয়কে অব্যাহত রাখল। সম্প্রতি কেরলেও পুর নির্বাচনে বিজেপির বিরাট জয় রাজনীতির আঙ্গিনায় ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।

    ২১৪টি বেশি পুর সভাপতি পদে জয়

    মহারাষ্ট্রের (Maharashtr) ২৮৮টি পুর পরিষদের মধ্যে, মহাযুতি ২১৪টিরও বেশি পুর সভাপতি পদে জয়লাভ করেছে। রাজ্যের একক বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্ম প্রকাশ করেছে বিজেপি। পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের বিধায়ক মহেশ লান্ডগে সমস্ত বিজয়ী (Local Body Election) প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই জনাদেশকে বিজেপির শাসন মডেল হিসেবে বিশেষ ভাবে উল্লেখও করেছেন। বিজেপি নেতা লান্ডগে বলেন, “উত্তর পুনে জেলা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করার সময়, দলের সাংগঠনিক শক্তি, পদাধিকারী ও কর্মীদের মধ্যে ঐক্য জয়ের জন্য বিশেষ ভাবে কার্যকারী ছিল। সরকারের উন্নয়নমুখী পরিকল্পনার নানা বিষয়গুলিতে ভোট এবং ফলাফলে ব্যাপক প্রভাব ফলেছে। দলের প্রতিটি স্তরের সামগ্রিক প্রচেষ্টার কারণে নির্বাচনে জয়ের ধারা বজায় রাখতে সুবিধা হয়েছে।”

    ফলাফলের আরেকটি প্রধান আকর্ষণীয় দিক হল আলান্দি পুর নির্বাচনে বিজেপির নির্ণায়ক ফলাফল। এখানে ২১টি আসনের মধ্যে ১৫টি আসন জয়ী হয়েছে বিজেপি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পুরসভার সভাপতি হিসেবে প্রশান্ত পোপট কুড়হাদের জয়কে ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

    স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন জনগণ

    হিন্দুত্ব ও আদর্শের প্রতি বিজেপি সবসময় আনুগত্যশীল থাকে। ভোটারদের স্পষ্ট সমর্থন এবং বিজেপির নীতির প্রতি জনসাধারণের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন (Local Body Election) ঘটেছে এই নির্বাচনে। লান্ডগে আরও বলেন, “রাজ্য জুড়ে মানুষ উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন। এই রায় আমাদের আরও বেশি বেশি করে কাজ করার শক্তি দেবে। আলান্দি থেকে পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পর্যন্ত, আমরা সাধারণ নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে এবং উন্নয়ন মূলক শাসনব্যবস্থা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন! এই সপ্তাহে কোথায় কোথায় অত্যাচার?

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন! এই সপ্তাহে কোথায় কোথায় অত্যাচার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং ভারতের বাইরে বিদেশে হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অবিরাম গতিতে হয়ে চলছে। আমাদের চোখের সামনেই বিশ্বের অনেক অঞ্চলে হিন্দু ধর্মের নিপীড়ন ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো প্রকাশ পাচ্ছে। কয়েক দশক ধরে আন্তর্জাতিক বিশ্ব এই ধারাবাহিক আক্রমণগুলিকে উপেক্ষা করে আসছে। হিন্দু-বিরোধী ধর্মান্ধতা (Hindu Dharma) এবং কট্টরপন্থীদের দৌরাত্ম্য ব্যাপক আকার রূপ নিয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণ্য বক্তব্য এবং যৌন হেনস্থার মতো নানা ঘটনা ঘটে চলছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্যের মতো নানা ঘটনায় হিন্দুরা নিজেদের অস্তিত্বের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে ইসালাম বিরোধী গুজব রটিয়ে বাংলাদেশের এক হিন্দু যুবককে নির্মম ভাবে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    চলতি মাসে ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সময়ের জন্য এই সাপ্তাহিক সারসংক্ষেপ এখানে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করব। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংকট কতটা ভয়াবহরূপ ধারণ করছে এই আলোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    দক্ষিণ ভারতে হিন্দু নির্যাতন (Hindus Under Attack)

    হাসান জেলার সাকলেশপুর তালুকের বেলাগোডু হোবলির চিক্কানায়াকানাহল্লি গ্রামে সরকারি ষড়যন্ত্রে জমি দখলের একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে। শেখ মোহাম্মদ জাল রেকর্ডের মাধ্যমে সিদ্দাম্মা নামে এক তফসিলি জাতির মহিলার সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁকে জীবিত অবস্থায় মৃত ঘোষণা করে তাঁর জমি বেআইনিভাবে নিজের নামে হস্তান্তর করেছে দুর্বৃত্তরা।

    তিরুপতির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) লক্ষ্য করে খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে দুটি হাই-প্রোফাইল মামলা হয়েছে। তিরুমালা মন্দিরের কাছাকাছি সরকারি কলেজগুলিতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী সদস্যদের দ্বারা ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। শ্রীভেঙ্কটেশ্বর সরকারি পলিটেকনিক কলেজের শিক্ষক প্রভাষক মাধবী এবং শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক চ চাঙ্গাইয়া যীশু খ্রিস্টের প্রচারের জন্য শ্রেণীকক্ষকে রীতিমতো ব্যবহার করার অভিযোগ ব্যাপক ভাবে শোরগোল ফেলেছে। হিন্দু ছাত্রদের ধর্মান্তরের (Hindu Dharma) কৌশল থেকে রক্ষা করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হিন্দু গোষ্ঠীগুলি ব্যাপক ভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    মহারাষ্ট্রে হিন্দু নির্যাতন

    মহারাষ্ট্রের নান্দেরে একজন নিবেদিতপ্রাণ হিন্দু (Hindus Under Attack) কর্মী হর্ষ ঠাকুর বছরের পর বছর ধরে অবিরাম নির্যাতন সহ্য করেছেন। তিনি নিজে অনলাইনে ভয়াবহ বর্বর শারীরিক অত্যাচারের কথা তুলে ধরেছেন। আবার রূপেশ দুবে মুম্বাইয়ের মীরা-ভায়ন্দর এলাকার একজন সুপরিচিত ব্যক্তি। হিন্দু (Hindu Dharma) অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য তিনি এখন ভীম-মিম জোটের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন। একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে পুলিশের একটি অংশ ভীম-মিম জোটের পক্ষে কাজ করছে। ইচ্ছাকৃত ভাবে রূপেশের মতো সমাজকর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে।

    এই রাজ্যে বেআইনি ধর্মান্তরকরণ এবং ইসলামি কট্টর মৌলবাদী কর্তৃত্বের সংগঠিত আরেকটি মামলায় পুলিশ একজন জাহাদি ধর্মগুরু মৌলভীকে গ্রেফতার করেছে। তিনি গ্রামের এক মহিলাকে প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার মতো অভিযোগে অভিযুক্ত। পুলিশের তদন্তে জানা গিয়েছে, জব্বার ওরফে হাফিজ ওরফে মৌলভী কেবল ধর্মান্তরকরণ নয়, তার বাইরে গিয়ে সরাসরি অবৈধ বিবাহকে সহজ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ইতিমধ্যে তাঁর নামেও একটি মামলায় দায়ের করা হয়েছে।

    হরিয়ানা-কর্নাটকে আক্রমণ

    হরিয়ানার যমুনানগরে জাতীয় মহাসড়কের বাহাদুরপুর গ্রামের কাছে একটি জনপ্রিয় নার্সারিতে ২৫ বছর বয়সী এক হিন্দু মহিলার (Hindus Under Attack) মাথাবিহীন এবং অর্ধ-উলঙ্গ দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড পুরো অঞ্চলকে হতবাক করে দিয়েছে। উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের বাসিন্দা উমা নামে ওই মহিলা ১৩ বছর বয়সী এক ছেলের মাও ছিলেন। তবে নিজে খুনির সঙ্গে দুই বছরের লিভ-ইন সম্পর্কের মধ্যে ছিলেন। স্বামী এবং পরিবার অনেক আগেই ত্যাগ করেছিলেন। পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং অভিযুক্তের অন্য মহিলার সঙ্গে আসন্ন বিবাহের কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

    স্কুলছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে কর্ণাটকের হাভেরি জেলায় এক উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে। প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ব্যর্থ হলে শিশুদের সুরক্ষায় স্থানীয় মানুষের সচেতন ভূমিকা তুলে ধরার দৃষ্টান্ত পাওয়া গিয়েছে। একটি প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, সাভানুর শহরে, নাবালিকা মেয়েদের বারবার হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত একজন সরকারি উর্দু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এলাকার সকল বাসিন্দারা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন, সাহস দেন। এরপর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    পশ্চিমবঙ্গের কুলপি বিধানসভা কেন্দ্রের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় সিঙ্গির হাট মোড়ের কাছে বজরঙ্গবলী মন্দিরে শ্রী বজরঙ্গবলীর মূর্তির শিরোচ্ছেদ করার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই সঙ্গে আক্রমণ করে মন্দিরের আরতির সরঞ্জাম এবং সাউন্ড সিস্টেমও ভাঙচুর করা হয়।

    বাংলাদেশে নির্যাতন

    বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অব্যাহত। ধীরে ধীরে দেশ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নির্মূল করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাত-এর এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পর হিন্দু নির্যাতন, নারীদের ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য হিন্দুদের ভয় দেখানোর মতো অজস্র ঘটনা ওই দেশে হিন্দুদের নির্মূল করার পক্ষে ঘটনা।

    ইসলাম ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় এক হিন্দু (Hindus Under Attack) যুবককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে তাঁর দেহকে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মন্তব্য ছিল ভুয়ো। পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, হত্যার আগে যুবককে লাঠি ও রড দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে। আক্রমণকারীরা প্রমাণ মুছতে এবং ভয় সৃষ্টি করার জন্য দেহে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের আরও সূক্ষ্ম রূপ

    বেশিরভাগ ঘৃণামূলক অপরাধই ঘটে হিন্দু-বিরোধী (Hindu Dharma) গোঁড়ামির কারণে। কট্টর মৌলবাদীদের নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে লুকিয়ে আছে এই বিদ্বেষের বীজ। পার্শ্ববর্তী ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট। আবার ভারতের মতো আপাতদৃষ্টিতে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং জনসাধারণের মধ্যেও হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের আরও সূক্ষ্ম রূপ রয়েছে। সরকারি ব্যবস্থার আড়ালে ঘৃণামূলক অপরাধের প্রবণতা অনেক বেশি। প্রচলিত আইন এবং অভিযোগকে সূক্ষ্ম ভাবে বিচার না করলে হামলার মানসিকতা বোঝা সম্ভব নয়।

    আমরা সকল পাঠকদের অনুরোধ করছি যে, এই সময়ে আমরা যেসব হিন্দু-বিরোধী ঘৃণামূলক অপরাধের ঘটনাগুলিক উল্লেখ করতে পারিনি তাঁরা আমাদের কমেন্ট সেকশেনে গিয়ে মতামত এবং ঘটনার কথা উল্লেখ করুন। হিন্দু মানবাধিকার রক্ষায় আমরা সকলেই এক।

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচলে বৌদ্ধ সম্মেলনে আপত্তি চিনের, পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    Arunachal Pradesh: অরুণাচলে বৌদ্ধ সম্মেলনে আপত্তি চিনের, পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াং-এ একটি আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ ধর্মীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে ভারত ছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু, পণ্ডিত ও গবেষকরা অংশ নেন। সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল বৌদ্ধ দর্শন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা। এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করেই চিন সরকারের প্রতিক্রিয়া সামনে আসে। সম্মেলন শেষ হওয়ার ঠিক তিন দিন পরে চিনের সরকারি একটি ওয়েবসাইটে কটুক্তিমূলক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়। সেখানে অরুণাচল প্রদেশকে আবারও “দক্ষিণ তিব্বত” বলে উল্লেখ করা হয়। চিনের ওই লেখায় সম্মেলনটিকে “একটি হাস্যকর নাটক” বলা হয়। ভারতের উদ্যোগকে খাটো করার চেষ্টা করা হয় । অরুণাচল প্রদেশকে “তথাকথিত অরুণাচল প্রদেশ” বলা হয়। রাজ্যের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকেও “তথাকথিত মুখ্যমন্ত্রী” বলে কটাক্ষ করা হয় (Arunachal Pradesh) ।

    অস্বস্তি চিনের (Arunachal Pradesh)

    এই ধরনের ভাষা থেকেই চিনের বিরক্তি ও অস্বস্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশ্লেষকদের মতে, তাওয়াং-এর মতো একটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধ কেন্দ্র আন্তর্জাতিক গুরুত্ব পাওয়ায় চিন (China) তার অবস্থান হারানোর আশঙ্কা করছে। চিন আরও দাবি করেছে, ষষ্ঠ দালাই লামা গ্যালওয়া সাঙইয়াং গিয়াতসোর জন্ম অরুণাচল প্রদেশে হওয়ায় ওই এলাকা তাদের অংশ হওয়া উচিত। এই যুক্তি দেখিয়ে চিন বহুদিন ধরেই ভৌগোলিক দাবি জারি রাখছে।

    কী বলল ভারত?

    ভারতের গবেষকদের বড় অংশ এই বক্তব্যকে ইতিহাসের বিকৃতি বলে মনে করছেন। তাঁদের মতে, তাওয়াং (Arunachal Pradesh) বহু শতাব্দী ধরে ভারতের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পরিমণ্ডলের অংশ। বৌদ্ধ ধর্ম কোনও এক দেশের একচেটিয়া বিষয় নয়। এর আগেও চিন অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন জায়গার নাম বদলানোর চেষ্টা করেছে। ভারত প্রতিবারই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নাম বদলালেই বাস্তব বদলায় না। অরুণাচল প্রদেশ ছিল, আছে এবং থাকবে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই ঘটনার ফলে আবারও অরুণাচল প্রদেশকে ঘিরে ভারত–চিন (China) রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন সামনে এসেছে। তবে ভারত শান্ত ও দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। ভারত জানিয়েছে, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অন্য দেশের আপত্তি গ্রহণযোগ্য নয়।

  • SHANTI Bill 2025: সংসদে পাশ ‘শান্তি’ বিল, মিটবে একশো বছরের শক্তি চাহিদা

    SHANTI Bill 2025: সংসদে পাশ ‘শান্তি’ বিল, মিটবে একশো বছরের শক্তি চাহিদা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তি বিল ২০২৫ ভারতের পরমাণু শক্তি নীতিতে একটি বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে। এই বিলের পুরো নাম Sustainable Harnessing and Advancement of Nuclear Energy for Transforming India (SHANTI)। মোদি সরকার মনে করছে, আগামী একশো বছরের শক্তি চাহিদা মেটাতে এই বিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। বুধবার লোকসভায় এই বিলটি পাশ করা হয়। প্রসঙ্গত, সোমবার সংসদে এই বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রীয় আণবিক শক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। বর্তমানে ভারতের মোট পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৮.৯ গিগাওয়াট। সরকারের লক্ষ্য ২০৩২ সালের মধ্যে এটি ২২ গিগাওয়াট, ২০৩৭ সালে ৪৭ গিগাওয়াট, ২০৪২ সালে ৬৭ গিগাওয়াট এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াটে পৌঁছনো।

    কী পরিবর্তন আনল এই বিল (SHANTI Bill 2025)?

    এখনও পর্যন্ত ভারতের পরমাণু শক্তি খাত মূলত Atomic Energy Act, 1962 এবং Civil Liability for Nuclear Damage Act, 2010 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এই আইনগুলির ফলে পরমাণু শক্তি প্রায় পুরোপুরি সরকারের হাতে ছিল। বেসরকারি সংস্থার প্রবেশ খুব সীমিত ছিল। শান্তি বিল ২০২৫ সেই ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনছে। এই বিল বেসরকারি সংস্থাকে অসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে (SHANTI Bill 2025)। তবে নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ এবং তদারকি পুরোপুরি সরকারের হাতেই থাকবে।

    এই বিলে liability বা ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত নিয়মও বদলানো হয়েছে। আগে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সরবরাহকারী সংস্থার ওপর কঠোর দায় ছিল। এতে বিদেশি ও দেশীয় বিনিয়োগকারীরা পিছিয়ে থাকতেন। নতুন বিল তাঁদের জন্য সহজ ও বাস্তবসম্মত করা হয়েছে। সরকারের যুক্তি হল, পরমাণু শক্তি ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়। সৌর ও বায়ু শক্তি আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু পরমাণু বিদ্যুৎ স্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য। পাশাপাশি এটি কার্বন নির্গমনমুক্ত।

    কোন কোন ক্ষেত্রে প্রভাব বাড়বে (India Nuclear Energy)?

    এই বিলের প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনে সীমাবদ্ধ নয়। পরমাণু প্রযুক্তি ক্যান্সার চিকিৎসা, রেডিওথেরাপি, খাদ্য সংরক্ষণ, জল বিশুদ্ধকরণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়। শান্তি বিল এই ক্ষেত্রগুলিতেও উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করবে। সরকার মনে করছে, এই বিল কার্যকর হলে ভারত কয়লার ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে। শক্তি ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা বাড়বে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলাও সহজ হবে (SHANTI Bill 2025)। সব মিলিয়ে, শান্তি বিল ২০২৫ শুধুমাত্র একটি আইন নয়। এটি ভারতের শক্তি নিরাপত্তা, পরিবেশ রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

  • AI Based Tolling System: স্যাটেলাইট-এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    AI Based Tolling System: স্যাটেলাইট-এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সড়কগুলিতে টোল ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে ভারত (AI Based Tolling System)। ২০২৬ সালের শেষাশেষি ন্যাশনাল হাইওয়েতে সম্পূর্ণ স্যাটেলাইট ও এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রী নিতিন গডকরি। সরকারের এহেন উদ্যোগের ফলে টোল প্লাজায় অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে (India) যাবে, সাশ্রয় হবে জ্বালানি, কমবে দূষণ এবং সামগ্রিকভাবে লজিস্টিকস ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়বে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের।

    মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো (AI Based Tolling System)

    এই নয়া ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো (MLFF) টোলিং সিস্টেমের মাধ্যমে। এটি একটি প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যার সাহায্যে যানবাহন টোল পয়েন্টে না থেমে বা গতি কমানো ছাড়াই চলাচল করতে পারবে। এই উন্নত এএমপিএম টোলিং সিস্টেমে ফাস্ট্যাগ, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রিডার, অটোমেটিক নম্বর প্লেট রিকগনিশন (ANPR) ক্যামেরা এবং এআই-ভিত্তিক বিশ্লেষণ একসঙ্গে ব্যবহার করা হবে। এর ফলে যানবাহনের নির্ভুল শনাক্তকরণ ও টোল আদায় নিশ্চিত হবে এবং টোল পয়েন্টে যান চলাচল অবাধ থাকবে।

    সড়ক পরিবহণ

    ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজ্যসভায় জমা দেওয়া একটি লিখিত সরকারি উত্তরের তথ্য অনুযায়ী, সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রক ইতিমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো পদ্ধতিতে টোল আদায়ের পাইলট প্রকল্প চালু করেছে (India)। এমএলএফএফ (MLFF) কাঠামোয় গ্যান্ট্রিতে স্থাপিত আরএফআইডি রিডার এবং এএনপিআর ক্যামেরা একসঙ্গে কাজ করে। ফলে একটি দ্বৈত সুরক্ষিত ও অত্যন্ত নির্ভুল টোল আদায় ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়। ফাস্ট্যাগ ও নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে যানবাহন শনাক্ত করা হয় এবং কোনও শারীরিক বাধা বা টোল বুথ ছাড়াই ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে টোল ফি বাবদ ধার্য করা টাকা কেটে নেওয়া হয় (AI Based Tolling System)।

    বাড়বে গাড়ির গতি

    গডকরি জানিয়েছেন, একবার এই ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে যানবাহনগুলি টোল বুথ দিয়ে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার গতিতেও চলাচল করতে পারবে। এটি বর্তমান ব্যবস্থার থেকে বড় পরিবর্তন, যেখানে টোল বুথ পার হওয়ার সময় গাড়িকে থামতে ও আবার চালু করতে হয়।রাজ্যসভা রিপোর্টের সঙ্গে যুক্ত পরিশিষ্ট অনুযায়ী, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজায় ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। সেগুলির মধ্যে রয়েছে, গুজরাটের এনএইচ-৮-এর ভরুচ–সুরাট অংশে চোরিয়াসি, এনএইচ-৪৪-এর পানিপথ–জালন্ধর অংশে ঘারাউন্ডা, দিল্লি–জয়পুর করিডরে মনোহরপুরা, শাহজাহানপুর ও দৌলতপুরায় এবং দিল্লির আরবান এক্সটেনশন রোড–২ করিডরের  মুন্ডকায়।

    সরকার বাধাহীন টোল আদায় ব্যবস্থার বিপুল সুফলের ওপরও ভরসা করছে। মন্ত্রকের করা মূল্যায়ন অনুযায়ী টোল বুথে সারি দেওয়ার প্রয়োজন তুলে দিলে জ্বালানি ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য হ্রাস ঘটবে এবং একই সঙ্গে কমবে যানবাহন থেকে নির্গত দূষণের পরিমাণও (AI Based Tolling System)। গডকরির দাবি, জ্বালানি অপচয় কমানো এবং টোল ফাঁকি রোধের মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তিটি প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা (India) সাশ্রয়ে সহায়ক হবে। পাশাপাশি, পণ্যের নির্বিঘ্ন চলাচল লজিস্টিকস দক্ষতা বাড়াবে, যার ফলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। টোল বুথ ও ব্যারিয়ার না থাকায় পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত খরচও কমবে বলেই আশা। সেক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগ ও পরিকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণে আর অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে না (AI Based Tolling System)।

LinkedIn
Share