Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sadhguru: মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন সদগুরু? আরোগ্য কামনা প্রধানমন্ত্রীর

    Sadhguru: মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন সদগুরু? আরোগ্য কামনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সদগুরু। বুধবার দিল্লির এক নামি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়েছে। ওই হাসপাতালের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, শারীরিক অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে সদগুরুর। ইশা ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করা হয়েছে সদগুরুর শারীরিক অবস্থার আপডেট দিয়ে। অন্যদিকে, সদগুরুর (Sadhguru) সঙ্গে কথা বলার পরে তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। প্রধানমন্ত্রীর এই আরোগ্য কামনায় অভিভূত হতে দেখা গিয়েছে সদগুরুকে। প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট তিনি রিট্যুইটও করেছেন।

    সদগুরুর কন্যাও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন পিতার স্বাস্থ্যের আপডেট 

    ইতিমধ্যে ইশা ফাউন্ডেশনের তরফে এক ভিডিও বার্তায় সদগুরু নিজেই সকলকে আশ্বস্ত হতে বলেছেন। সদগুরুর (Sadhguru) কন্যা রাধে জগ্গি তাঁর পিতার স্বাস্থ্যের বিষয়ে আপডেট দিয়েছেন এবং সমাজ মাধ্যমের পাতায় লিখেছেন, ‘‘সকলকে জানানো হচ্ছে সদগুরু এখন ভালো আছেন এবং দ্রুত তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।’’ রাধে জগ্গি এই ইনস্টাগ্রাম স্টোরি বুধবার রাতেই পোস্ট করেন। সদগুরুর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Sadhguru (@sadhguru)

    চার সপ্তাহ ধরে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ চলছে সদগুরুর 

    দিল্লির ওই বেসরকারি হাসপাতালের সিনিয়র চিকিৎসক বিনীত সুরি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রায় চার সপ্তাহ ধরে মস্তিষ্কে যন্ত্রণা অনুভব করছিলেন সদগুরু (Sadhguru)। এরকম আবহে ৮ মার্চ তিনি শিবরাত্রির অনুষ্ঠানও করেন। পরবর্তীকালে ১৫ মার্চ থেকে যন্ত্রণা আরও তীব্র হয়। সে সময়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। এরপরে গত সপ্তাহে বৃহস্পতিবার সদগুরু দিল্লিতে পৌঁছান। তখনই এমআরআই-তে ধরা পড়ে তাঁর মস্তিষ্কে তুমুল রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তার মধ্যেই শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি শুরু হয় সদগুরুর। মাথায় যন্ত্রণার সঙ্গে বমি শুরু হয়। দুর্বল হতে থাকে তার বাঁ পা। শেষ পর্যন্ত হাসপাতলে ভর্তি হন তিনি। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: সিএএ-তে স্থগিতাদেশ নয়, তিন সপ্তাহে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

    CAA: সিএএ-তে স্থগিতাদেশ নয়, তিন সপ্তাহে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ-তে (CAA) স্থগিতাদেশ দিল না দেশের শীর্ষ আদালত। ৯ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ওই দিন হলফনামার আকারে কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, সিএএ-র বিরোধিতা করে একাধিক মামলা দায়ের হয় দেশের শীর্ষ আদালতে। সেগুলিকে এক করে মঙ্গলবারই সিএএ নিয়ে শুনানি শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট (CAA)। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলাগুলি শোনে। প্রধান বিচারপতি ছাড়া ওই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি জেবি পরদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা হাজির ছিলেন সরকার পক্ষের আইনজীবী হয়ে। সলিসিটর জেনারেল এদিন আদালতে বলেন, “সিএএ-তে কারও নাগরিকত্ব যাবে না।”

    মোট ২৩৭টি আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে

    সিএএ (CAA) নিয়ে একাধিক মামলার মধ্যে সর্বশেষ মামলাটি দায়ের করে কেরলের বাম সরকার। রবিবার  সিএএ-র সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে যায় তারা। সেসময় কেরল সরকার ঘোষণা করেছিল, রাজ্যে সিএএ কার্যকর করতে দেওয়া হবে না। অন্যদিকে এর আগে, শনিবার সিএএ-তে স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ‘অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন’ (মিম) দলের নেতা তথা হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। এর পাশাপাশি কংগ্রেসের তরফে জয়রাম রমেশ, তৃণমূলের ঘুষকাণ্ডে বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্র, সিপিএমের যুব সংগঠনও এই ইস্যুতে দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টে। প্রসঙ্গত, মোট ২৩৭টি আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে। এর মধ্যে ২০টি ক্ষেত্রেই সিএএ-র ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। কিন্তু শীর্ষ আদালত সিএএ-র ওপর স্থগিতাদেশ দিলনা এদিন।

    ৪ বছর পরে লাগু সিএএ

    ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সিএএ (CAA) পাশ করে মোদি সরকার। কিন্তু মাঝখানে করোনা মহামারী চলে আসায়, আইন তখন কার্যকর করা যায় নি। চারবছর পরে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ সিএএ লাগু করে সরকার। এই আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে এ দেশে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত। এই ৬ সম্প্রদায় হল, হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi News: ‘মিনডুম মোদি-ভেনডুম মোদি’! কোর্টের নির্দেশে কোয়েম্বাটোরে রোডশো প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi News: ‘মিনডুম মোদি-ভেনডুম মোদি’! কোর্টের নির্দেশে কোয়েম্বাটোরে রোডশো প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরে হুডখোলা গাড়িতে রোডশো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন ১৯৯৮ সালে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫৮ জন মানুষের প্রতি। প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ু সরকার প্রধানমন্ত্রীর রোডশো-এর কোনওরকম অনুমতি দেয়নি। এবং এক্ষেত্রে পুলিশর যুক্তি ছিল যে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নাকি বিঘ্ন হবে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে। কিন্তু পুলিশের এমন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণে জল ঢেলে দেয় মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধানমন্ত্রীর রোডশো-কে সবুজ সংকেত দেয় কোর্ট। ‘মিনডুম মোদি-ভেনডুম মোদি’- এই স্লোগানে মুখর ছিল রোডশো। তামিল ভাষায় যার অর্থ, স্বাগতম মোদি-আবার মোদি।

    আরও পড়ুুন: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

    হুডখোলা জিপে চেনা রোডশো দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর

    হুডখোলা জিপে চেনা রোডশো দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর। রাস্তার দুপাশে অসংখ্য মানুষ মোদি মোদি (PM Modi News) চিৎকার করতে থাকেন। এর পাশাপাশি তামিলনাড়ুর কিছু জনপ্রিয় গানও বাজানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে। রোডশো-তে হাজির ছিলেন বিজেপির তামিলনাড়ুর রাজ্যের সভাপতি কে আন্নামালাই, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান এবং কোয়েম্বাটোর দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক তথা বিজেপি মহিলা মোর্চার জাতীয় সভাপতি বনথী শ্রীনিবাসন। প্রসঙ্গত, নির্বাচন ঘোষণার পর এই প্রথম দক্ষিণী এই রাজ্যে প্রচার করলেন নরেন্দ্র মোদি। কোয়েম্বাটুরের মেত্তুপালায়াম রোড থেকে এই রোডশো শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। আরএস পুরমে গিয়ে শেষ হয় যাত্রা।

    এনডিএ-তে সামিল পিএমকে

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi News) এই সফরের মাঝেই এনডিএ জোটে সামিল হল তামিলনাড়ুর পিএমকে দল। প্রসঙ্গত, আঞ্চলিক দল পিএমকে-এর উত্তর তামিলনাড়ুতে বেশ ভালো প্রভাব রয়েছে বলেই জানা যায়। জানা গিয়েছে, বিজেপির তরফ থেকে তৃতীয় মোদি সরকার গঠিত হলে পিএমকে-কে ক্যাবিনেট মন্ত্রকের অফার দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা আনবুমানি রামাদশ আগেও কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন।

     

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • Indian Railways: প্রতিনিয়ত উন্নত পরিষেবার লক্ষ্যে রেল, যাত্রীসুরক্ষায় জনপ্রিয় হচ্ছে এলএইচবি কোচ

    Indian Railways: প্রতিনিয়ত উন্নত পরিষেবার লক্ষ্যে রেল, যাত্রীসুরক্ষায় জনপ্রিয় হচ্ছে এলএইচবি কোচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল দৈনন্দিন কয়েক কোটি মানুষকে পরিষেবা দিয়ে আসছে। আর এই পরিষেবা যাতে সুখকর হয়, আরামদায়ক হয়, সে কথা মাথায় রেখে রেল প্রতিনিয়ত তাদের পরিষেবা উন্নত থেকে উন্নততর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান যুগে দাঁড়িয়ে ভারতের রেল (Indian Railways) পরিষেবা অনেকটাই উন্নতমানের। কয়েক হাজার কিমি যাত্রা করলেও মানুষের শরীরে তার কোনও ছাপ পড়ে না। আর এই সবকিছু নির্ভর করে একটি ট্রেনের কোচ কী ধরনের, তার ওপর। আগে ভারতীয় রেলে নীল রঙের আইসিএফ কোচের দেখা মিলত, এখনও অনেক ট্রেনেই এই আইসিএফ (ICF) কোচ দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে মানুষের কাছে সব থেকে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এলএইচবি(LHB) কোচ, ঝাঁ চকচকে, রং বেরংয়ের কোচ, যেগুলিতে মানুষ সাধারণত চাপতে খুবই ভালোবাসে। বর্তমানে রাজধানী সহ বহু দূরপাল্লার ট্রেনে এই এলএইচবি (LHB) কোচের দেখা মেলে। শুধু সুখ স্বাচ্ছন্দ্য, ঝাঁ চকচকে বলে নয়, এই কোচের আছে অনেক গুরুত্ব যা ট্রেনকে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে। তাই যাত্রী নিরাপত্তার দিক থেকে এই কোচগুলি শীর্ষে। এই প্রতিবেদনে আমরা জানব সেইসব বিশেষত্বের কথা।

    কেন আলাদা এই এলএইচবি (LHB) কোচ?

    এলএইচবি-র পুরো নাম লিঙ্ক হফম্যান বুশ। এই কোচ জার্মানির কোম্পানি লিঙ্ক-হফমান-বুশ এর দ্বারা উৎপাদন করা হয়, যা বর্তমানে ভারতে কপুরথলাতে তৈরি হওয়া শুরু হয়েছে। ভারত সরকারের তরফ থেকে ২০০০ সালে প্রথম ভারতে এই কোচ নিয়ে আসা হয়েছিল। প্রথমে সাধারণত রাজধানীর সমগোত্রীয় ট্রেনে এর ব্যবহার  শুরু হয়। এই কোচের ট্রেনগুলি দুর্ঘটনার কবলে পড়লে খুব কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই কোচের (Indian Railways) ব্যবহার শুরু হয়। এই এলএইচবি কোচের কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন এই কোচ অ্যান্টি রোল, অ্যান্টি কোলাপ্স এবং অ্যান্টি টেলিস্কোপিক। এই কোচগুলি সাধারণত মাইল্ড স্টাইল দিয়ে তৈরি হওয়ায় এগুলি আইসিএফ (ICF) কোচের তুলনায় অনেকটাই হালকা। কারণ পুরানো কোচগুলিতে স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা হয়। এই ট্রেনে যাত্রা খুবই আরামদায়ক হয়। এই কামরাগুলিতে চাকায় লাগানো আছে উন্নতমানের ডিস্ক ব্রেক, যা দ্রুততম ট্রেনকে সহজেই ব্রেক করে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে। আইসিএফের তুলনায় দ্রুত গতিতে ছুটতে সক্ষম এই কোচের ট্রেনগুলি বর্তমানে ১৬০কিমি প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত গতিতে ছুটতে পারে। অপরদিকে ICF কোচের ট্রেনগুলি ঘণ্টায় ১১০ কিমির বেশি দৌড়াতে পারে না। আইসিএফ কোচে বসে থাকলে ট্রেন চলার সময় অনেক বেশি ঝাঁকুনি  অনুভব হত। কিন্তু এই উন্নত কোচগুলিতে সেই ঝাঁকুনির পরিমাণ অনেক কম।

    দুর্ঘটনার সময়ও এই কোচ দেয় বিশেষ নিরাপত্তা (Indian Railways) 

    পূর্বের অনেক রেল দুর্ঘটনার সময় আমরা লক্ষ্য করেছি একটি কোচের ওপর আরেকটি কোচের উঠে পড়া, ফলে অনেক মানুষ আহত এবং নিহত হন এবং দুর্ঘটনা এক ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। কিন্তু বিশেষ এলএইচবি কোচে এই সমস্যা হয় না। এই কোচের ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়লে তা আড়াআড়ি ভাবে লাইনচ্যুত হয়ে যায়। ফলে যাত্রীদের প্রাণহানির ঘটনা অনেকটাই কম হয়। বর্তমানে রেল মন্ত্রকের (Indian Railways) তরফ থেকে জানা গিয়েছে, যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ভবিষ্যতে আইসিএফ কোচগুলির পরিবর্তে সমস্ত ট্রেনকেই এলএইচবি (LHB) কোচে রূপান্তরিত করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JNU: জেএনইউতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে এবিভিপির প্রার্থী ঘোষণা, ক্যাম্পাসে শিক্ষা পরিমণ্ডলকে উন্নত করার ডাক

    JNU: জেএনইউতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে এবিভিপির প্রার্থী ঘোষণা, ক্যাম্পাসে শিক্ষা পরিমণ্ডলকে উন্নত করার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (JNU) ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। এবিভিপির ইউনিট সম্পাদক বিকাশ প্যাটেল বলেন,  “বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শিক্ষা পরিমণ্ডলকে উন্নত করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। একই সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষাকে সুনিশ্চিত করতে হবে। সাশ্রয়ী মূল্যে সকলের জন্য শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে এবং ক্যাম্পাসে শক্তিশালী ছাত্র সংসদের প্রার্থী নির্বাচন করে ক্যাম্পাসের ছাত্র স্বার্থকে অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। আগামী ২২ মার্চ ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দিন। প্রেসিডেন্ট বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে ২০ মার্চ এবং নাম প্রত্যহারের শেষ দিন ওই দিনই।”

    ছাত্র সংসদের প্রার্থী কারা কারা (JNU)?

    জেএনইউ (JNU) এবিভিপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রেসিডেন্ট পদের জন্য প্রার্থী হয়েছেন উমেশ চন্দ্র আজমিরা, ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হয়েছেন দীপিকা শর্মা, সম্পাদক পদের প্রার্থী অর্জুন আনন্দ এবং যুগ্ম সম্পাদক হিসাবে প্রার্থী হয়েছেন গোবিন্দ ডাঙ্গী। একই ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও ৪২ টি কাউন্সিলর পদে প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবিভিপি।

    প্রেসিডেণ্ট প্রার্থীর পরিচয়

    প্রেসিডেন্ট প্রার্থী উমেশ চন্দ্র আজমিরা মূলত তেলঙ্গানার ওয়ারাঙ্গলের বাসিন্দা। হায়দ্রাবাদের নিজাম কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক। এরপর জেএনইউতে (JNU) স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ থেকে স্নাতকোত্তর এবং এমফিল করেছেন। বর্তমানে তিনি ওই বিভাগের গবেষক ছাত্র।

    ভাইস প্রেসিডেন্টের পরিচয়

    ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী দীপিকা শর্মা হলেন হরিয়ানার ভিওয়ানির বাসিন্দা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দৌলত রাম কলেজ থেকে স্নাতক হয়েছেন। তিনি জেএনইউর (JNU) স্কুল অফ এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স থেকে এমএসসি করেছেন। বর্তমানে ওই বিভাগের গবেষক ছাত্রী তিনি।

    সম্পাদক ও সহ সম্পাদকের পরিচয়

    সম্পাদক প্রার্থী অর্জুন হলেন মূলত হিমাচলের বাসিন্দা। তিনি ধর্মশালার একটি কলেজ থেকে ভূগোল বিষয়ে স্নাতক হয়েছিলেন। পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে এমএ করেন। বর্তমান জেএনইউর (JNU) সেন্টার ফর নর্থ ইস্ট স্টাডিজ থেকে গবেষণা করছেন। সহ সম্পাদকের প্রার্থী হয়েছেন গোবিন্দ। তাঁর বাড়ি মধ্যপ্রদেশে। এলাহাবাদ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হয়েছেন। এরপর জেএনইউতে অ্যামেরিকান স্টাডিজে এমফিল করেছেন। বর্তমানে স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ বিভাগের গবেষক ছাত্র তিনি। এবিভিপির সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে জয় বিষয়ে আশাবাদী।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: আবগারি মামলায় কেজরিওয়ালকে নবমবার তলব করল ইডি

    Arvind Kejriwal: আবগারি মামলায় কেজরিওয়ালকে নবমবার তলব করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নবমবার তলব করল ইডি। আগামী ২১ মার্চ তাঁকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এর আগে কোনও বারই হাজিরা দেননি অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তাই উঠছে প্রশ্ন। এই তলবেও কি সাড়া দেবেন তিনি? অন্যদিকে, আবগারি দুর্নীতি মামলায় শনিবার সকালে দিল্লির আদালতে সশরীরে হাজিরা দেন আম আদমি পার্টির প্রধান। ইডি তাঁকে ৮ বার সমন পাঠালেও প্রতিবারই এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। তাই এনিয়ে ইডির তরফে অভিযোগ জানানো হয় দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে। আদালতে ইডি জানায়,  সরকারি অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন কেজরিওয়াল, দলের হয়ে ভোটের প্রচারও করছেন। অথচ ইডি দফতরে হাজিরা দিতে পারছেন না। ইডির পূর্বের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার তাঁকে কোর্টে হাজিরা দিতে বলা হয় এবং সবকিছু মেনে তিনি হাজির হন।

    ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালতের শুনানিতে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন কেজরিওয়াল

    তবে এবারই প্রথম নয়, এর আগেও একই অভিযোগ তুলে কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর (Arvind Kejriwal) বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আবেদন জানানো হয় কোর্টে। ৭ ফেব্রুয়ারিতে সেই মামলার শুনানিতে দিল্লির আদালত নির্দেশ দেয়, আদালতে হাজির হয়ে জবাবদিহি করতে হবে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। গত মাসের ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালতের শুনানিতে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন কেজরিওয়াল। সশরীরে হাজির না থাকার কারণ হিসেবে কেজরিওয়াল তখন জানিয়েছিলেন, দিল্লি বিধানসভায় তাঁকে আস্থা ভোটে হাজির থাকতে হবে। তাই সশরীরে তিনি উপস্থিত থাকতে পারছেন না।

    ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ হয় না

    এর আগে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) দল আম আপনি পার্টির তরফে জানানো হয়, ১২ মার্চের পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ইডি দফতরে হাজিরা দেবেন কেজরিওয়াল। কিন্তু ইডির তরফে সাফ জানানো হয়েছে, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ হয় না। কেজরিওয়াল কেন বার বার হাজির এড়িয়ে যাচ্ছেন এনিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। আবগারি দফতরে বিপুল দুর্নীতি সামনে আসতেই ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। বর্তমানে জেলে রয়েছেন তিনি। গ্রেফতারির ভয়েই কি হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছেন কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)? এনিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: লক্ষ্য স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন, ভোটারদের জন্য ২৭ অ্যাপ ও পোর্টাল চালু কমিশনের

    Lok Sabha Elections 2024: লক্ষ্য স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন, ভোটারদের জন্য ২৭ অ্যাপ ও পোর্টাল চালু কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) ভরপুর প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে। শনিবার ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে গিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এমন কথাই জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। আগামী লোকসভা নির্বাচনে মোট ২৭টি বিভিন্ন অ্যাপ ও পোর্টাল ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। এবং এই অ্যাপ এবং পোর্টালগুলি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও অবাধ করে তুলবে বলে মত কমিশনের। আদর্শ আচরণ বিধি কোথাও লঙ্ঘন হচ্ছে কিনা সমেত একাধিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই পোর্টাল এবং অ্যাপগুলি।

    ভোটারদের সুবিধায় চালু অ্যাপ

    আগামী লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) দেশের ভোটার সংখ্যা ৯৬.৮ কোটি। শনিবার এমনটাই জানিয়েছে কমিশন। এবং এই বিপুলসংখ্যক ভোটারদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে কমিশন চালু করেছে ‘ভোটার হেল্প’ অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটাররা অনলাইন ফর্মে আবেদন করে তাঁদের নাম ভোটার লিস্টে দেখতে পাবেন। বিশদে জেনে যাবেন তাঁদের বুথ সম্পর্কে। এবং এর পাশাপাশি এই অ্যাপের মাধ্যমেই বিএলও-দের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন ভোটাররা। এর পাশাপাশি কমিশন চালু করেছে cVigil অ্যাপও। আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে সে বিষয়ে রিপোর্ট জমা করা যাবে এই অ্যাপের মাধ্যমে। কমিশন জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার ১০০ মিনিটের মধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগকারীর নাম সম্পূর্ণভাবে গোপন রাখা হবে।

    ভুয়ো খবর ছড়ালে ব্যবস্থা নেবে কমিশন

    এর পাশাপাশি কমিশন একটি কেওয়াইসি পোর্টাল ও অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটাররা (Lok Sabha Elections 2024) প্রার্থীদের সম্পর্কে বিশদে জানতে পারবেন। দেখতে পারবেন প্রার্থীদের হলফনামা, প্রার্থীর কোনও অপরাধের রেকর্ড থাকলে তাও জেনে যাবেন ভোটাররা। নির্বাচনের সময় ভুয়ো খবরকে রুখতে বেশ কিছু ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন। এ বিষয়ে রাজীব কুমার জানিয়েছেন, ডিজিটাল যুগে ভুল তথ্যকে রুখে দেওয়া খুব কঠিন কাজ। তবে তার জন্য কমিশন বেশ কিছু ব্যবস্থা নিচ্ছে। যারা এ ধরনের ফেক নিউজ ছড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Evm Hack: ‘‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করে বলছি, ইভিএম ১০০ শতাংশ সুরক্ষিত’’, বললেন রাজীব কুমার

    Evm Hack: ‘‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করে বলছি, ইভিএম ১০০ শতাংশ সুরক্ষিত’’, বললেন রাজীব কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি জিতলেই বিরোধীদের ‘ইভিএম হ্যাক’ ইস্যু সামনে আসে। তবে কোনও রাজ্যে যদি বিরোধীরা জেতে তখন আবার ইভিএম (Evm Hack) ঠিক কাজ করতে থাকে। যেমন গত বছরের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হওয়া কর্নাটক নির্বাচনে কংগ্রেস জিতলে ইভিএম নিয়ে কোনও অভিযোগই সামনে আসেনি। কিন্তু বিজেপি জিতলেই যেন ইভিএম হ্যাক হয়ে যায়। শনিবারই নির্বাচন ঘোষণা করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পাশাপাশি ভোটিং প্রক্রিয়া নিয়েও বক্তব্য রাখেন। ইভিএম ইস্যুতে তাঁর মত হল, ‘‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করে বলছি, ইভিএম ১০০ শতাংশ সুরক্ষিত।’’

    সুপ্রিম কোর্ট ৪০ বার ইভিএম নিয়ে মামলা দেখেছে

    সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টে ইভিএম নিয়ে বিভিন্ন সময়ের মামলার কথাও বলেন তিনি। তাঁর নিজের ভাষায়, ‘‘হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট ৪০ বার ইভিএম নিয়ে মামলা দেখেছে। ইভিএম (Evm Hack) নিয়ে কখনও বলা হয়েছে রিগিং হয় না, কখনও বলা হয়েছে একটির বদলে ৫টি ভিভিপ্যাড গণনা করুন। আমরা সব করেছি। এখন জরিমানাও করা হচ্ছে। দিল্লি কোর্ট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। সুপ্রিম কোর্ট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।’’

    ইভিএম কখনও হ্যাক হওয়া সম্ভব নয়

    তিনি আরও  বলেন, ‘‘ইভিএম কখনও হ্যাক (Evm Hack) হওয়া সম্ভব নয়। বারবার এটা প্রমাণ হয়েছে। যে কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় ইভিএম নিয়ে বসে যায়, এদের অনেকে তো এক্সপার্টও হয়ে গিয়েছেন। কীসের এক্সপার্ট জানি না। ওনারা একটা বাক্স নিয়ে বসেন, একটা বোতাম টিপলে নাকি অন্য স্লিপ বের হচ্ছে। আপনারা যতবার প্রশ্ন করবেন, আমরা উত্তর দেব। ইভিএমের কারণেই অনেক রাজনৈতিক দল অস্তিত্ব লাভ করেছে। সব ইভিএমের তিনবার মক পোল হয়। প্রার্থীদের সামনেই মক পোল হয়। আমাদের ওয়েবসাইটে ইভিএম নিয়ে ঘনঘন করা প্রশ্ন ও তার উত্তর রয়েছে। দয়া করে সেটা অন্তত করুন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Model Code of Conduct: চালু হল আদর্শ আচরণবিধি, কী কী নিয়ম মানতে হবে?

    Model Code of Conduct: চালু হল আদর্শ আচরণবিধি, কী কী নিয়ম মানতে হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে কমিশন। ৭ দফায় ভোট হবে দেশে। ১৯ এপ্রিল প্রথম দফা। শেষ দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১ জুন। ভোটের ফল বের হবে ৪ জুন। কমিশনের ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে লাগু হয়েছে আদর্শ আচরণবিধি (Model Code of Conduct)। নির্দেশিকা জারির পর থেকে সব দলের প্রার্থী, রাজনৈতিক দলগুলিকে মানতে হবে এই বিধি। ফলঘোষণা পর্যন্ত এই বিধি জারি থাকবে। প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলগুলি এই বিধি না মানলে পদক্ষেপ করে কমিশন। ১৯৬০ সালে কেরলে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম বার এই নির্বাচনী আচরণ বিধি জারি করা হয়েছিল। ১৯৬২ সালে লোকসভা নির্বাচন থেকে গোটা দেশে এই বিধি জারি করে নির্বাচন কমিশন।

    আদর্শ আচরণবিধিতে কী কী নিষিদ্ধ?

    সরকারের মন্ত্রীরা সরকারি খরচে কোনও নির্বাচনী সমাবেশ (Model Code of Conduct) করতে পারবেন না। এই সময়ে মন্ত্রীরা তাঁদের বাসভবন থেকে অফিসে যাওয়ার জন্য শুধুমাত্র সরকারি যানবাহন ব্যবহার করতে পারেন। সরকারি গাড়ি নির্বাচনী সমাবেশ ও সফরে ব্যবহার করা যাবে না।

    সরকারি ঘোষণা, প্রকল্পের উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ইত্যাদি সব ধরনের অনুষ্ঠান স্থগিত রাখতে হবে।

    মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার বা কোনও ধর্মীয় স্থানকে নির্বাচনী প্রচারের কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

    সরকার এই সময়ে কোনও কর্মীকে (Model Code of Conduct) বদলি বা পদচ্যুত করতে পারে না। বন্ধ থাকে নিয়োগও।

    সরকারি বা কারও ব্যক্তিগত জায়গায় সভা করার জন্য লাউডস্পিকার ব্যবহার করার আগে স্থানীয় পুলিশের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে না।

    নির্বাচনের দিনঘোষণা হলে প্রার্থীরা কোথাও কোনও আর্থিক অনুদান দিতে পারেন না।

    প্রচারের কাজে জন্য সরকারি পরিবহণ, যন্ত্র, নিরাপত্তারক্ষী ব্যবহার করা যাবে না।

    সকল প্রার্থী, রাজনীতিকদের জনসভার জন্য বিনামূল্যে সরকারি জায়গা ব্যবহার করতে দিতে হবে। পক্ষপাতিত্ব করা চলবে না।

    ভোটের কাজে কোনও সরকারি ডাকবাংলো, বিশ্রামাগার বা অন্য সরকারি সুবিধা ব্যবহার করা যাবে না।

    সরকারি সংবাদমাধ্যম শাসকদলের হয়ে কোনও পক্ষপাতদুষ্ট খবর পরিবেশন করতে পারবে না।

    ভোটারদের প্রভাবিত করতে কোনও জাতি বা ধর্মের মানুষের আবেগকে ব্যবহার করা যাবে না। কারও আবেগে আঘাত করা যাবে না।

    রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারে যাতে কোনও ভাবেই নারীদের সম্মান ও মর্যাদা নষ্ট না হয়, তা মাথায় রাখতে হবে সব দলকে।

    ভুয়ো বিজ্ঞাপন কোনওভাবেই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না।

    সোশ্যাল মিডিয়াতে আপত্তিকর এবং রুচিহীন, এমন কিছু পোস্ট বা শেয়ার করা যাবে না।

    যে স্থানে ভোট হবে তার ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে সেখানে আর কোনও প্রচার করা যাবে না।

    আচরণবিধি (Model Code of Conduct) লঙ্ঘন হলে কী হবে?

    কোনও রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে, তবে তাঁর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে কমিশন।

    আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যায়, এমনকী জেলে পাঠানোরও বিধান রয়েছে।

    মনে রাখতে হবে আচরণবিধি শুধু রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। অর্থাৎ কোনও ব্যক্তি যদি কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচার করেন, তাঁকেও এই নিয়মগুলি মেনে চলতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi News: ‘‘হেডলাইন নয়, ডেডলাইনের দিকে তাকিয়ে কাজ করি’’, ‘ইন্ডিয়া টুডে’র কনক্লেভে মোদি

    PM Modi News: ‘‘হেডলাইন নয়, ডেডলাইনের দিকে তাকিয়ে কাজ করি’’, ‘ইন্ডিয়া টুডে’র কনক্লেভে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘হেডলাইন নয়, ডেডলাইনের দিকে তাকিয়ে কাজ করি’’, শনিবার ইন্ডিয়া টুডে’র কনক্লেভে এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News)। প্রধানমন্ত্রী এদিন অনুষ্ঠানের সঞ্চালককে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘‘আপনারা ২০২৯-এর কথা বলছেন। আর আমি ২০৪৭ সালের কথা ভাবছি।’’ তাঁর বক্তব্যে এদিন ঝরে পড়ছিল ব্যাপক আত্মবিশ্বাস। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ২০৪৭ সালের জন্য তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং সেটাই তাঁর লক্ষ্য। আসলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিকশিত ভারতের কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার জন্য নানা প্রকল্প গ্রহণ করছে তাঁর সরকার। মহাকাশ থেকে অর্থনীতি, পরিকাঠামো থেকে দারিদ্র দূরীকরণ- সব দিকেই নতুন নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে। ঢেলে সাজানো হচ্ছে দেশের সমস্ত ক্ষেত্রকে। এবং নতুন নতুন লক্ষ্যমাত্রাও বেঁধে দেওয়া হচ্ছে।

    ‘মুড অফ দ্য নেশন’ মানে হল বিকশিত ভারতের নির্মাণ

    এদিনের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News) আরও বলেন, ‘‘আজ গোটা বিশ্ব অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু একটা বিষয় আমাদের বুঝতে হবে যে ভারত আরও দ্রুত গতিতে উন্নতি করতে থাকবে।’’ প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তার কারণ বিগত দিনগুলিতে করোনা মহামারীর কারণে বিশ্বব্যাপী মন্দা দেখা দিলেও ভারতবর্ষের অর্থনীতির দ্রুত গতিতে বেড়েই চলেছিল। এবং বর্তমানে তা বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন, ‘‘ভারতবর্ষের আজকের ‘মুড অফ দ্য নেশন’ হল ভারতকে কীভাবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত করা যায়। ‘মুড অফ দ্য নেশন’ মানে হল বিকশিত ভারতের নির্মাণ।’’ প্রসঙ্গত আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের নির্ঘণ্টও শনিবারেই প্রকাশ করে কমিশন। তারপরে এটাই ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বক্তব্য।

    মোদির গ্যারান্টি 

    সমস্ত সমীক্ষাতেই দেখা গিয়েছে আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়জয়কার হতে চলেছে। কিছু সমীক্ষাতে উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লক্ষ্যপূরণের কথা। অর্থাৎ এনডিএ জোট ৪০০-র বেশি আসন জিততে চলেছে। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News) বলেন, ‘‘এটা নির্বাচনের সময় তাই আমাদের বিরোধী বন্ধুরা কাগজের স্বপ্ন বুনতে ব্যস্ত। কিন্তু মোদি সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলেছে। আমি দৃঢ়ভাবে বলছি, আগামী পাঁচ বছরে ভারতবর্ষ তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে। আগামী পাঁচ বছর গ্যারান্টি থাকবে একটি শক্তিশালী ভারতের।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share