Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • One Nation One Election committee: “এক দেশ এক ভোট” নিয়ে মোট ৮ জনের কমিটি গড়ল কেন্দ্র

    One Nation One Election committee: “এক দেশ এক ভোট” নিয়ে মোট ৮ জনের কমিটি গড়ল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দেশ এক ভোট অর্থাৎ ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন (One Nation One Election committee) নীতিকে বাস্তবায়িত করতে কেন্দ্র সরকার বিশেষ কমিটি গঠন করল। এই কমিটির প্রধান নেতৃত্বে রয়েছেন, দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। শনিবার এই কমিটির মধ্যে আরও ৭ জনের নাম ঘোষণা করে, এক দেশ এক ভোটকে বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা শুরু করা হয়েছে, বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    কমিটিতে কে কে আছেন (One Nation One Election committee)?

    এই এক দেশ এক ভোটের (One Nation One Election committee) কথা, কেন্দ্রের মোদি সরকার অনেকদিন আগে থেকেই বলে আসছিলেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই এই নীতি নিয়ে কথা শুরু হয়েছে। প্রথমে একজন সদস্য হিসাবে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কথা হলেও আজ আরও সাতজনকে এই কমিটির মধ্যে নাম ঘোষণা করা হয়। এই কমিটিতে প্রথমে সদস্য সংখ্যা ছিল ১। এখন আরও ৭ জনের নাম যুক্ত হওয়ায় মোট কমিটির সদস্য সংখ্যা দাঁড়ালো ৮। এই কমিটির মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, লোকসভার বিরোধী দল নেতা অধীর রঞ্জন চৌধরি এছাড়াও থাকছেন গোলাম নবী আজাদ, এনকে সিংহ, সুভাষ সি কাশ্যপ, হরিশ সালবে এবং সঞ্জয় কোঠারী।

    সংসদের বিশেষ অধিবেশন

    ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই কেন্দ্র সরকার চাইছেন দেশে এক দেশ এক ভোট (One Nation One Election committee) ব্যবস্থা কার্যকর হোক। সারা দেশে এতও নির্বাচন এবং এত সময় অপচয়ের কথা মাথায় রেখে, অতিরিক্ত খরচের বোঝা থেকে দেশকে মুক্ত করতে এই এক দেশ এক নির্বাচন। কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি সাংবাদিক সম্মেলন করে সংসদের বিশেষ অধিবেশনের কথা ঘোষণা করছেন। এই অধিবেশন হবে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে টানা ৫ দিন। এই অধিবেশনে সরকার পক্ষ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করানোর কথা ভাবছেন বলে মনে করছেন ওয়াকিবহল মহল। যদিও এই অধিবেশনে কী কী বিষয় থাকবে তা এখনও সরকার স্থির করে কিছুই বলেননি।

    হতে পারে বেশ কিছু অনুচ্ছেদের বদল

    এক দেশ এক ভোট (One Nation One Election committee) কার্যকর হলে দেশের বিধানসভা গুলিতে আঞ্চলিক দল গুলির অস্তিত্ব হারিয়ে যেতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। একই কথা বিরোধীদের মহাজোটের মুম্বাই বৈঠকে ইঙ্গিত মিলেছে। কিন্তু সেই সঙ্গে বিধানসভা, লোকসভার বেশ কিছু অনুচ্ছেদের বদল ঘটতেও পারে। ৮৩ নম্বর ধরায় যেমন সংসদের উভয় কক্ষের মেয়াদের কথা বলা হয়েছে। আবার ৮৫ নম্বর ধারায় লোকসভা ভেঙে দেওয়ার কথা বলা রয়েছে। ১৭২ নম্বর ধারায় রাজ্যের বিধানসভার কথা যেমন রয়েছে তেমনি আবার ১৭৪ নম্বর ধারায় বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সর্বপরি ৩৫৬ নম্বর ধারায় রাষ্ট্রপতি শাসনের কথা বলা হয়েছে। ফলে জনপ্রতিনিধি আইনের সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • G-20: পুতিনের পর জিনপিং, জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে আসছেন না চিনের প্রেসিডেন্ট

    G-20: পুতিনের পর জিনপিং, জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে আসছেন না চিনের প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভ্লাদিমির পুতিনের পর শি-জিনপিং, চলতি মাসের জি-২০ (G-20) শীর্ষ সম্মেলনে আসছেন না চিনের রাষ্ট্রপতি। ইতিমধ্যেই এই খবর আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে ভারত এবং চিন দুই দেশের তরফ থেকেই। প্রসঙ্গত, ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে বসতে চলেছে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। এই সম্মেলনে (G-20) যোগ দেওয়ার কথা ছিল চিনা প্রেসিডেন্টের। কূটনৈতিক মহলের একটি অংশ মনে করছে, চলতি বছরে চিন যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে সেখানে অরুণাচল প্রদেশ এবং আকসাই চিনকে তাদের দেশের অংশ বলে দেখানো হয়েছিল। এরপরে এই ভারত-চিন সম্পর্কের অবনতি হয়। তখন থেকে শি-জিনপিং এর ভারতে আসা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। আবার অন্য একটি কূটনৈতিক মহলের ধারনা, চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গালওয়ান পরবর্তী সময় থেকেই খারাপ হতে থাকে।

    ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে বসছে জি-২০ সম্মেলন (G-20)

    প্রসঙ্গত, এবছরের শীর্ষ সম্মেলনে (G-20) সভাপতিত্ব করছে ভারত। ৯-১০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে হাজির থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন থেকে শুরু করে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রঁ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, এখানে আসার কথা ছিল ভ্লাদিমির পুতিনেরও এবং কিন্তু জানা যাচ্ছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বদলে সেদেশের বিদেশ মন্ত্রী সার্গেই লাভরভ প্রতিনিধিত্ব (G-20) করবেন। অন্যদিকে চীনের তরফে সম্মেলনে (G-20) যোগ দিতে পারেন চিনা প্রিমিয়ার লি কিউয়াং।

    ব্রিকস সম্মেলনে মোদি জিনপিং বৈঠক

    প্রসঙ্গত, সারা বিশ্বের তাবড় দেশের নজর থাকে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের। গত বছর বালিতে জি-২০ (G-20) সম্মেলন হয়েছিল। সে সময়ে চিনের প্রেসিডেন্ট এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট মুখোমুখি হয়েছিলেন। তারপর থেকে মনে করা হয়েছিল ভারতেও (G-20) বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্র নেতারা মিলিত হবেন। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট এলেও আসছেন না রাশিয়া এবং চিনের প্রেসিডেন্ট। অগাস্ট মাসে ব্রিকস সম্মেলনের বৈঠক বসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকাতে। সেখানে সদস্য দেশ হিসেবে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও চিন। সূত্রের খবর, সেখানে চিনা প্রেসিডেন্টকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন লাদাখে শান্তি ফেরাতে দুই দেশকেই তৎপর(G-20) হতে হবে। শান্তি ফেরাতে চিনের ভূমিকা ঠিক কী হতে পারে সেটাও বুঝিয়ে দেন নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RJD: জোড়া খুনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আরজেডির প্রাক্তন সাংসদ প্রভুনাথের, রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট

    RJD: জোড়া খুনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আরজেডির প্রাক্তন সাংসদ প্রভুনাথের, রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোড়া খুনের মামলায় সাজা ঘোষণা হল রাষ্ট্রীয় জনতা দলের প্রাক্তন সাংসদ (RJD) রঘুনাথ সিংহের। তিন দশকের পুরনো এই জোড়া খুনের মামলায় তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এর পাশাপাশি ১৯৯৫ সালের মার্চ মাসে হওয়া এই খুনের ঘটনায় নিহত দুই ব্যক্তির পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করার জন্য প্রভুনাথকে(RJD) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরই সঙ্গে ওই ঘটনায় গুরুতরভাবে জখম হয়েছিলেন একজন, তাঁকে ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত (RJD)। 

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, ‘‘এমন মামলা আগে কখনও দেখা যায়নি’’

    প্রভুনাথ সিংহকে (RJD) ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি বিহার সরকারকেও ওই একই অংকের টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এই ঘটনায় সাজা ঘোষণা করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, ‘‘এমন মামলা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’ এদিন এই মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি সঞ্জয় কিষান কৌল, বিচারপতি অভয় এস ওকা এবং বিচারপতি বিক্রম নাথের ডিভিশন বেঞ্চ। এ দিনের রায়দানের প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বলে, ‘‘এই মামলায় দুটি শাস্তি হতে পারে, এক, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদন্ড।’’

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    বিহারের মহারাজগঞ্জ লোকসভা আসন থেকে চারবারের সাংসদ ছিলেন প্রভুনাথ (RJD)। জেডিইউ-এর থেকে তিনবার এবং আরজেডি (RJD) থেকে একবার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। প্রভুনাথের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, ১৯৯৫ সালে বিহারে বিধানসভা ভোট চলাকালীন ৪৭ বছর বয়সী দারোগা রায় এবং ১৮ বছর বয়সী রাজেন্দ্র রায়কে নৃশংসভাবে খুন করেন তিনি। জানা গিয়েছে, রঘুনাথ সিংহের ঠিক করে দেওয়া প্রার্থীকে (RJD) ভোট দেননি এই দুইজন। তাই তাঁদেরকে খুন করা হয়। প্রথমে নিম্ন আদালত তারপরে পাটনা হাইকোর্টে পৌঁছায় এই মামলা। প্রভাবশালী সাংসদের (RJD) বিরুদ্ধে কোনও রকম প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই প্রমাণের অভাবে পাটনা হাইকোর্ট বেকসুর খালাস করে প্রভুনাথকে। মামলার জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। অন্যদিকে, ১৯৯৫ সালে জনতা দলের বিধায়ক অশোক সিংহকে খুনের মামলাতেও দোষী সাব্যস্ত করা হয় প্রভুনাথকে। সেই মামলায় ২০১৭ সালেই যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দণ্ডিত হন প্রভুনাথ(RJD)। বর্তমানে তিনি জেলেই রয়েছেন। প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সালে বিহারের বিধানসভা ভোটে প্রভুনাথ অশোক সিংহের কাছে হেরে যান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: ১০৫ বছরে রেল বোর্ডের চেয়ারপার্সন পদে প্রথম মহিলা, দায়িত্বে জয়া বর্মা সিংহ

    Indian Railway: ১০৫ বছরে রেল বোর্ডের চেয়ারপার্সন পদে প্রথম মহিলা, দায়িত্বে জয়া বর্মা সিংহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০৫ বছরের ইতিহাসের রেলওয়ে (Indian Railway) বোর্ডের চেয়ারপার্সন পদে বসলেন কোনও মহিলা। এই পদে কেন্দ্রীয় সরকার নিয়োগ করল জয়া বর্মা সিংহকে। জানা গিয়েছে, রেল (Indian Railway) বোর্ডের চেয়ারপার্সন হওয়ার আগে জয়া বর্মা সিংহ নর্দান রেল, সাউথ ইস্টার্ন রেল, ইস্টার্ন রেলে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি ছিলেন রেল বোর্ডের (Indian Railway) সদস্য। জয়া বর্মা সিংহের পড়াশোনা এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

     ১ সেপ্টেম্বর থেকে দায়িত্বভার বুঝে নেবেন জয়া বর্মা সিংহ

    ১৯৮৮ সালে ইন্ডিয়ান রেলওয়ে (Indian Railway) ট্রাফিক সার্ভিসে জয়া বর্মা সিংহ যোগদান করেন। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানা গিয়েছে রেল বোর্ডের চেয়ারপার্সন এবং সিইও পদে জয়া বর্মা সিংহার নিয়োগ করেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিয়োগ কমিটি। জয়া বর্মা সিংহের আগে এই পদে ছিলেন অনিল কুমার লাহোতি। শনিবার ১ সেপ্টেম্বর থেকে নিজের দায়িত্বভার বুঝে নেবেন জয়া বর্মা সিংহ। আগামী ২০২৪ সালের ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত এই পদে বহাল থাকবেন তিনি। জয়া বর্মা সিংহের অবসর নেওয়ার কথা রয়েছে চলতি বছরের ১ অক্টোবর। তবে সেদিনই তাঁকে আবার নিজের পদে পুনর্বহাল করা হবে।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল সমাবেশে বেফাঁস মন্তব্য, চটে লাল রাজবংশী, মতুয়ারা, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুরও

    বালাসোরের ট্রেন দুর্ঘটনার সময় থেকেই সামনে আসেন জয়া বর্মা সিংহ

    রেলের (Indian Railway) অত্যন্ত দক্ষ আধিকারিক বলে পরিচিত জয়া বর্মা সিংহ সামনে আসেন ওড়িশার করমন্ডল এক্সপ্রেস (Indian Railway) দুর্ঘটনার সময় থেকেই। বাংলাদেশের ভারতীয় হাই কমিশনেও তিনি কাজ করেছেন। কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস পরিষেবাতেও ভূমিকা রয়েছে তাঁর। তাঁর দক্ষতা এতটাই ছিল যে রেলের যে কোনও জটিল সিগনাল সিস্টেমকে অত্যন্ত সহজ ভাবে তা সংবাদমাধ্যমের সামনে উপস্থাপনা করতে পারতেন তিনি। বালাসোরে ট্রেন দুর্ঘটনার সময়ে তাঁকে সাংবাদিক সম্মেলন করতে দেখা যেত। ৩৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় রেলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন জয়া বর্মা সিংহ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: ফের অশান্ত মণিপুর, চলতি সপ্তাহে হিংসায় নিহত ৬, আহত ১৩

    Manipur Violence: ফের অশান্ত মণিপুর, চলতি সপ্তাহে হিংসায় নিহত ৬, আহত ১৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur Violence) কুকি এবং মেইতেই সম্প্রদায়ের সংঘর্ষে ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে চলতি সপ্তাহে। এই সংঘর্ষে গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন ১৩ জন। গত বৃহস্পতিবার ২৯ অগাস্ট হিংসা ছড়ায় মণিপুরের (Manipur Violence) নারানসেইনা, থামনাপকপিতে। গত চারমাস ধরে চলা মণিপুরের (Manipur Violence) হিংসায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৫৯। দ্য ইন্ডিজিনিয়ায় ট্রাইবেল লিডার ফোরাম, যা কুকি এবং জো সম্প্রদায়ের একটি যৌথ বাহিনী, তারা ইতিমধ্যে চূড়াচন্দ্রপুর জেলায় বনধ-এর ঘোষণা করেছে। যাবতীয় জরুরি পরিষেবাকে বনধের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এখানেও কুকি সম্প্রদায়ের দু’জন মানুষের মৃত্যু হয়। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকেই ফের উত্তপ্ত (Manipur Violence) হয়ে ওঠে  মণিপুর। বন্দুকের লড়াই সেখানে চলছে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে। চূড়াচন্দ্রপুর কুকি সম্প্রদায়ের অধ্যুষিত, অন্যদিকে বিষ্ণুপুর জেলায় মেইতেই সম্প্রদায় সংখ্যাগরিষ্ঠ। এই দুই এলাকায় চলছে ব্যাপক হিংসা। চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবারও মণিপুর হিংসায় চারজনের মৃত্যু হয়। যাঁদের মধ্যে দু’জন মেইতেই সম্প্রদায়ের এবং দু’জন কুকি সম্প্রদায়ের বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ওই দুই জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপত্তা বাহিনীর মোতায়েন করেছে সরকার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সরকার ইতিমধ্যে দুই সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে হিংসা বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছে।

    যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার মণিপুরে

    অন্যদিকে, মণিপুরে (Manipur Violence) অসম রাইফেলস এবং সে রাজ্যের পুলিশের যৌথ অভিযানে ৪৬টি গ্রেনেড, ২টি পিস্তল এবং একটি এম-১৬ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পেয়ে যৌথ বাহিনী হানা দেয় পশ্চিম ইম্ফল জেলার চম্পিরকে।  এই যৌথ বাহিনীর অভিযানের পর পুলিশ সেখানকার স্থানীয়দের কাছে আবেদন জানিয়েছে যে কোনও অস্ত্র মোতায়েনের (Manipur Violence) খবর থাকলে তা সঙ্গে সঙ্গে যেন তাঁদেরকে জানানো হয়।

    ৩ মে থেকেই চলছে মণিপুর হিংসা (Manipur Violence)

    প্রসঙ্গত, ৩ মে থেকে হিংসায় অগ্নিগর্ভ (Manipur Violence) হয়ে ওঠে মণিপুর। কুকি এবং মেইতেই সম্প্রদায়ের এই বিবাদ প্রায় চার মাস ধরে চলছে সেখানে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সেখানে গিয়ে দুই সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গেই বৈঠক করেছেন। ঘোষণা করা হয়েছে ১০১ কোটি টাকার প্যাকেজও। কিন্তু তারপরেও মণিপুরের (Manipur Violence) দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসা যেন কোনওভাবেই থামছে না। কবে শান্ত হবে মণিপুর? এই প্রশ্নই এখন জাগছে মানুষের মনে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: নতুন রুটে ভারত-বাংলাদেশ ট্রেনের চাকা গড়াচ্ছে সেপ্টেম্বরেই

    Indian Railway: নতুন রুটে ভারত-বাংলাদেশ ট্রেনের চাকা গড়াচ্ছে সেপ্টেম্বরেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের সেপ্টেম্বরেই ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে নতুনরুটে ছুটবে ট্রেন (Indian Railway)। ভারতীয় রেলের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে আগামী মাসেই ট্রায়াল রান শুরু করা হবে। প্রসঙ্গত, নতুন রুটের এই ট্রেনে ত্রিপুরার নিশ্চিন্তপুর থেকে বাংলাদেশের গঙ্গাসাগর রেলস্টেশনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে। তারপরেই শুরু হবে বাণিজ্যিকভাবে রেল পরিষেবা। এখনও পর্যন্ত যা জানা গেছে তাতে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সেপ্টেম্বর মাসের ৯ এবং ১০ তারিখে নিশ্চিন্তপুর-গঙ্গাসাগর রেলস্টেশনের মধ্যে ট্রায়াল রান শুরু করবে। পরবর্তীকালে, ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার সঙ্গে এই রুট (Indian Railway) যুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    আগরতলা থেকে মাত্র ১০ ঘণ্টায় কলকাতা পৌঁছানো সম্ভব হবে

    রেল (Indian Railway) সূত্রে খবর, এই রেলপথটি চালু হলে ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক অনেকটাই উন্নত হবে। সেই সঙ্গে দুই দেশে কম সময়ে এবং কম খরচে আরও বেশি করে পণ্য আমদানি-রফতানি করা যাবে। যার ফলে ব্যবসা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই ট্রেনে চেপে আগরতলা থেকে মাত্র ১০ ঘণ্টায় কলকাতা পৌঁছানো সম্ভব হবে। রেল (Indian Railway) প্রকল্পটির বাংলাদেশ অংশের নির্মাণের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪১ কোটি টাকা। ২০২০ সালের মধ্যেই এর কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু করোনার কারণে সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করা যায়নি। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দিল্লিতে বসছে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে উঠতে পারে ভারত-বাংলাদেশ এই রেল (Indian Railway) প্রকল্পের কথা।

    কী বলছেন বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী?

    অন্যদিকে, বাংলাদেশের সঙ্গে আরও যোগাযোগ বাড়াতে চাইছে ত্রিপুরা। জানা গেছে আগরতলার বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিমান চালানোর উদ্যোগ নেওয়া শুরু হয়েছে। এরই সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তে ডাবল লাইন রেলপথ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য নিয়ে আপাতত নতুন চারটি রুটও খুলে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন সান্তনা চাকমা, ‘‘বাংলাদেশে পণ্য পরিবহণের জন্য ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবেন। এই দুটি বন্দরে (Indian Railway) প্রবেশ করা এবং ব্যবহার করা অনুমতি দেওয়ার ব্যাপারে ভারত ও বাংলাদেশ একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আমরা উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির সঙ্গে আরও বেশি বাণিজ্য করতে চাইছি। এই জন্য ত্রিপুরা ও উত্তর-পূর্বের অন্যান্য রাজ্য থেকে পণ্য স্থানান্তরের জন্য বাংলাদেশ সরকার চারটি রুট খুলে দিয়েছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: লক্ষ্য ২০২৪ লোকসভা ভোট! সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক জোর দিচ্ছে বিজেপি

    BJP: লক্ষ্য ২০২৪ লোকসভা ভোট! সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক জোর দিচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। প্রচারের কাজে কোনও রকম ফাঁক রাখতে চাইছে না বিজেপি (BJP)। ২০২৪ লোকসভা ভোটে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেশের অধিকাংশ মানুষের কাছে পৌঁছানোর পরিকল্পনা নিয়েছে গেরুয়া শিবির (BJP)। বিজেপি (BJP) সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে যে দেশের ৩০ শতাংশ মানুষের কাছে পৌঁছানো হবে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে। ২০২৪ সালের জয়ের লক্ষ্যে অগাস্ট মাসের ২৭ তারিখ থেকে উত্তরপ্রদেশে শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর কার্যশালা, যা চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত.

    সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবশালীদের কাছে টানছে গেরুয়া শিবির (BJP)

    জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়াতে জনপ্রিয় রয়েছেন এমন ব্যক্তিত্বদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে বিজেপি (BJP)। যাঁদের সাবস্ক্রাইবার ২০ হাজার থেকে ১ লাখ পর্যন্ত রয়েছে তাঁদেরকেই সোশ্যাল মিডিয়াতে বিজেপির প্রচারের কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, জেলাস্তর ধরে কাজ করার জন্য বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার পর্যন্ত যাঁদের ফলোয়ার রয়েছে তাঁদেরকেও জোড়া হচ্ছে বিজেপির সঙ্গে। পাশাপাশি নতুন দুটি অ্যাপও আনতে চলেছে বিজেপি (BJP)। জানা গিয়েছে, কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছাড়াও জনসাধারণের সঙ্গেও সংযোগ করতে কাজে লাগবে এই অ্যাপ দুটি।

    সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপক ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপি (BJP)

    ভারতবর্ষে ৭৯ কোটি মানুষ স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন। ৭৬ কোটিরও বেশি ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই সংখ্যা ৯০ কোটিতে পৌছাবে ২০২৫ নাগাদ। লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারতে স্মার্ট ফোন, ইন্টারনেট ব্যবস্থা এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে ভরপুর ব্য়বহার করতে চাইছে বিজেপি (BJP)। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার মাধ্যমে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও এখন পৌঁছে গেছে স্মার্ট ফোন। এই সুবিধায় মোদি সরকারের জনমুখী কর্মসূচির প্রচার সেরে ফেলতে চাইছে গেরুয়া শিবির (BJP)। ২০১৪ সালে ২৮২টি আসন নিয়ে কেন্দ্রের মসনদে বসে বিজেপি। সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়েছিল। দেশের যুবসমাজকে বিজেপির কাছে আনতে সাহায্য করেছিল সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচার। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ২০১৯ সালেও সোশ্যাল মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বিজেপির জয়ে। ২০২৪-এর ভোটেও একইভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার ভরপুর ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপি (BJP)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adhir Ranjan Chowdhury: দুঃখ প্রকাশ অধীর চৌধুরীর! সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিল স্বাধিকার রক্ষা কমিটি

    Adhir Ranjan Chowdhury: দুঃখ প্রকাশ অধীর চৌধুরীর! সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিল স্বাধিকার রক্ষা কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরীর (Adhir Ranjan Chowdhury) সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিল স্বাধিকার রক্ষা কমিটি। বুধবারই কমিটির বৈঠক বসে এবং সেখানেই বহরমপুরের সাংসদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করার বিষয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। ওই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে লোকসভার স্পিকারের কাছে। স্বাধিকার রক্ষা কমিটির এই বৈঠকে হাজির ছিলেন অধীর চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury) নিজেও।

    চলতি বছরের বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড হন অধীর (Adhir Ranjan Chowdhury)

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের বাদল অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয় অধীর চৌধুরীকে (Adhir Ranjan Chowdhury)। কংগ্রেসের দলনেতা প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নীরব মোদির সঙ্গে তুলনা করেন। পাশাপাশি, মণিপুর ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে ধৃতরাষ্ট্র বলেও কটাক্ষ করেন অধীর (Adhir Ranjan Chowdhury)। ১০ অগাস্ট তাঁর এই সংসদীয় আচরণের জন্য স্বাধিকার ভঙ্গের প্রস্তাব এনেছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেই স্পিকার ওম বিড়লা অধীর চৌধুরীকে সাসপেন্ড করেন। সাসপেন্ডের সময় জানানো হয়, লোকসভার স্বাধিকার রক্ষা কমিটি অধীরের বিষয়ে রিপোর্ট যতক্ষণ না জমা দিচ্ছে, ততদিন তিনি সাসপেন্ড থাকবেন।

    ১৮ অগাস্ট হয় কমিটির প্রথম বৈঠক

    ১৮ অগাস্ট হয় কমিটির প্রথম বৈঠক। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় প্রিভিলেজ কমিটি অধীর চৌধুরীর (Adhir Ranjan Chowdhury) বক্তব্য শুনেই সেই পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নেবে। প্রসঙ্গত, সাসপেনশনের সময় ওয়াক আউট করেছিলেন কংগ্রেসের সাংসদরা, সেখানে ছিলেন অধীর চৌধুরী নিজেও। পরে অবশ্য অধীর চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury) জানিয়েছিলেন, স্বাধিকার রক্ষা কমিটি তাঁকে ডেকে পাঠালে তিনি অবশ্যই যাবেন। স্বাধিকার রক্ষা কমিটির তরফ থেকে এদিন বিজেপি সাংসদ সুনীলকুমার সিংহ জানিয়েছেন, অধীর চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury) বৈঠকে বলেছেন, কাউকে আঘাত করা তাঁর মন্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল না। পাশাপাশি তাঁর মন্তব্যে কেউ আঘাত পেলে তিনি তাঁর জন্য দুঃখিত। এরপরেই সর্বসম্মতিতে সাসপেনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বৈঠকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ১৭ সেপ্টেম্বর মোদির জন্মদিন, দেশজুড়ে দু’সপ্তাহব্যাপী ‘সেবা পক্ষ’ কর্মসূচি বিজেপির

    PM Modi: ১৭ সেপ্টেম্বর মোদির জন্মদিন, দেশজুড়ে দু’সপ্তাহব্যাপী ‘সেবা পক্ষ’ কর্মসূচি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ৭৩ তম জন্মদিন। এই দিনটিতে ভারতীয় জনতা পার্টি সারা দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। বিজেপি সূত্রে খবর, শুধুমাত্র ১৭ সেপ্টেম্বর নয়, বরং দু’সপ্তাহ ধরে পালিত হবে ‘সেবা পক্ষ’। অর্থাৎ ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তী পর্যন্ত চলবে এই সেবামূলক কর্মসূচি। তবে এমন কর্মসূচি যে ২০২৩ সালে নতুন ভাবে হচ্ছে, এমনটা নয়। ২০২২ সালেও বিজেপি প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) জন্মদিনকে সামনে রেখে আয়োজন করেছিল নানা কর্মসূচি। গত বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জীবনীর উপর বিভিন্ন প্রদর্শনীশালাও করা হয় বিজেপির কার্যালয়গুলিতে।

    সেবা সপ্তাহ নিয়ে ইতিমধ্যে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

    সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) জন্ম দিবসে দেশব্যাপী কর্মসূচিকে সফল করতে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি বৈঠক করেছেন বিজেপি জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘ, বিনোদ তাওরে, সুনীল বনশল এবং কৈলাস বিজয়বর্গীরা। বর্তমানে বিজেপির কর্মসূচি চলছে ‘মেরি মাটি মেরা দেশ’। এনিয়েও একপ্রস্থ আলোচনা হয়েছে ওই বৈঠকে। সেবা পক্ষের মাঝে পড়বে পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্ম দিবস (২৫ সেপ্টেম্বর) অন্যদিকে, গান্ধী জয়ন্তীর পাশাপাশি ২ অক্টোবর লালবাহাদুর শাস্ত্রীরও জন্মদিন। সেদিনটিও সাড়ম্বরে পালন করবে বিজেপি।

    ১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)

    প্রসঙ্গত, ১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গুজরাটের ভাদনগরে জন্মগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দেশের কাজে নিজের সারাটা জীবন উৎসর্গ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বাল্য অবস্থাতেই যুক্ত হন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সঙ্গে। তাঁর জন্মদিনকে বিশেষভাবে পালন করতে চায় বিজেপি। নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভাবনা এবং জীবনীকে দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে চায় গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: জানেন কোন ২১ জন বিধায়ক পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিলেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mudra Loan: নিজে ব্যবসা করতে চান? কেন্দ্রের প্রকল্পে ঋণ পেতে পারেন ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত

    Mudra Loan: নিজে ব্যবসা করতে চান? কেন্দ্রের প্রকল্পে ঋণ পেতে পারেন ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কি ব্যবসা করে স্বনির্ভর হতে চাইছেন? তাহলে প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা (Mudra Loan) প্রকল্পে ঋণ নিয়ে, ব্যবসায় বিনিয়োগ করে লাভবান হতে পারেন। এটি হল ভারত সরকারের একটি বিশেষ আর্থিক প্রকল্প। এই প্রকল্পে ব্যবসা করার জন্য স্বল্প সুদ এবং সহজ কিস্তিতে বিশেষ ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

    কী আছে প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনায় (Mudra Loan)?

    প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার ঋণে (Mudra Loan) উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত, বাণিজ্য, পরিষেবা, অকৃষি এবং ছোট শিল্পের জন্য ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের সুবিধা রয়েছে। সরকারি, বেসরকারি ব্যাঙ্ক, সমবায়, গ্রামীণ ব্যাঙ্ক এবং অন্যান্য যে কোনও ঋণ প্রদানকারী সংস্থা থেকে ঋণ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর অধীনে ঋণকে তিনটি ভাগে ভাগ করা রয়েছে। যথা শিশু, কিশোর এবং তরুণ। ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ হল শিশু বিভাগ, ৫০,০০১ থেকে ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হল কিশোর বিভাগ এবং ৫,০০,০০১ থেকে ১০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হল তরুণ বিভাগ। এই ঋণের জন্য আবেদন করতে প্রয়োজনীয় তথ্য হিসাবে লাগবে আইডি প্রুফ, রেসিডেন্স প্রুফ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং আধার।

    কারা আবেদন করতে পারবেন (Mudra Loan)?

    প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার ঋণ (Mudra Loan) পেতে যে কোনও ব্যক্তি আবেদন করতে পারবেন। তবে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারী যেন কোনও প্রকার ব্যাঙ্ক বা আর্থিক সংস্থার ঋণখেলাপির সঙ্গে যুক্ত না থাকেন। অপর দিকে আবেদনকারীর ক্রেডিট ট্র্যাক রেকর্ড যেন সন্তোষজনক থাকে। উল্লেখ্য এই মুদ্রাঋণ পেতে মধ্যস্বত্ত্বভোগীর প্রয়োজন নেই। উপভোক্তা বা আবেদনকারী নিজেই অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

    কীভাবে আবেদন করবেন (Mudra Loan)?

    আবেদন করতে প্রথমে PM Mudra-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে https://www.mudra.org.in/ যান। এর পর Mudra Loan-এ ক্লিক করুন। এখানে আপনি “Apply Now” অপশন পাবেন। এরপর সব পূরণ করে OTP তৈরি করতে হবে। এরপর রেজিস্ট্রেশন করে “লোন অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার” এ ক্লিক করতে হবে। এর পরে চাওয়া তথ্য পূরণ করে সমস্ত নথি জমা দিন। জমা দেওয়ার পরে, আপনি একটি আবেদন নম্বর পাবেন, যেখান থেকে আপনি আপনার ঋণের (Mudra Loan) অবস্থা জানতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share