Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Narayana Murthy: চারমাসের নাতিকে ইনফোসিসের ২৪০ কোটি টাকার শেয়ার উপহার নারায়ণ মূর্তির

    Narayana Murthy: চারমাসের নাতিকে ইনফোসিসের ২৪০ কোটি টাকার শেয়ার উপহার নারায়ণ মূর্তির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার খবরের শিরোনামে ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তি (Narayana Murthy)। নিজের চার মাস বয়সের নাতি একাগ্র মূর্তিকে ২৪০ কোটি টাকারও বেশি শেয়ার উপহার দিয়েছেন তিনি। এই শেয়ার কেনার পরেই চার মাস বয়সি একাগ্র ভারতবর্ষের কোটিপতিদের তালিকায় চলে এসেছে। সংস্থার তরফে শেয়ার মার্কেটে দাখিল করা নথি থেকে জানা যাচ্ছে, একাগ্র এখন ইনফোসিসের ১৫ লক্ষ শেয়ারের মালিক, যা সংস্থার ০.০৪ শতাংশ মালিকানার সমান।

    ২০২৩ সালের নভেম্বরে জন্মগ্রহণ করে একাগ্র

    একাগ্র জন্মগ্রহণ করে গত বছরেরই নভেম্বর মাসে। বর্তমানে সে চার মাসে পা দিয়েছে। নারায়ণ মূর্তির (Narayana Murthy) ছেলে রোহন মূর্তি এবং পুত্রবধূ অপর্ণা কৃষ্ণনের সন্তান হল একাগ্র। নারায়ণ মূর্তি এবং তাঁর স্ত্রী সুধা মূর্তির তৃতীয় নাতি একাগ্র। একাগ্র ছাড়াও নারায়ণ মূর্তির অপর দুই নাতনিও রয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের স্ত্রী হলেন নারায়ণ মূর্তির কন্যা অক্ষতা মূর্তি। সেই সুবাদে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দম্পতির দুই কন্যা নারায়ণ মূর্তির নাতনি।

    মহাভারত থেকে এসেছে একাগ্র নাম 

    একাগ্র নামটিতে বেশ নতুনত্ব রয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাভারতের অর্জুন চরিত্র থেকেই এই নামটি নেওয়া হয়েছে। একাগ্র শব্দের অর্থ হল সংকল্প এবং গভীর মনোযোগ। প্রসঙ্গত অর্জুনেরও এমন সংকল্প এবং গভীর মনোযোগের কাহিনী জানা যায় মহাভারতের গল্পে। যেখানে গাছের উপরে একটি কাঠের পাখি রেখে তার চোখকে নিশানা করতে বলেছিলেন গুরু দ্রোণাচার্য। বাকিরা না পারলেও নিজের গভীর মনোযোগের কারণে লক্ষ্যভেদ করেন অর্জুন।

    ইনফোসিসের যাত্রা শুরু ১৯৮১ সাল থেকে

    ইনফোসিস কোম্পানির (Narayana Murthy) যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৮১ সাল থেকে। সে সময় ১০ হাজার টাকার সামান্য বিনিয়োগে যাত্রা শুরু করেছিল এই কোম্পানি। তারপর থেকে তা বর্তমানে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম আইটি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। নারায়ণ মূর্তির দূরদর্শিতা এবং সুধা মূর্তির নিষ্ঠা সহকারে কাজ, সংস্থাকে এই উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন। সুধা মূর্তি একজন বিশিষ্ট লেখিকা এবং সমাজসেবী বলেও পরিচিত। সম্প্রতি, ভারতীয় সংসদের উচ্চ কক্ষ রাজ্যসভায় তিনি মনোনীত হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রাহুলের ‘শক্তি’-মন্তব্যকে কটাক্ষ করে বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ মোদির, কী বললেন?

    PM Modi: রাহুলের ‘শক্তি’-মন্তব্যকে কটাক্ষ করে বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ মোদির, কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “‘ইন্ডি’ জোট শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। আমরা তাঁর আশীর্বাদ প্রার্থী।” রবিবার এভাবেই বিরোধী জোটকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বললেন, তাদের (বিরোধী) ইস্তাহারেও শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    শক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মত (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার কাছে প্রত্যেক মা, প্রত্যেক কন্যা শক্তির রূপ।” তেলঙ্গানার সভায় উপস্থিত মহিলা কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “ওঁরা শক্তি স্বরূপ। আমায় আশীর্বাদ করতে এসেছেন।” মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কের এক সমাবেশে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, “হিন্দু ধর্মে শক্তি শব্দটি রয়েছে। আমরা একটি শক্তির বিরুদ্ধেই লড়ছি। এই শক্তি হল ইভিএম এবং সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান।”

    ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা মোদির

    কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতির এই বক্তব্যকেই হাতিয়ার করে ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি (PM Modi) বলেন, “ইন্ডি জোট যে শক্তিকে শেষ করার শপথ নিয়েছে, আমি তাকে চ্যালেঞ্জ করছি। এই শক্তিকে রক্ষা করতে আমি আমার জীবন নিবেদন করব। ভারতভূমে দাঁড়িয়ে কেউ কি শক্তি ধ্বংসের কথা বলতে পারেন?” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রত্যেকেই শক্তির পুজো করি। চন্দ্রযান ৩-এর অবতরণ স্থলের নামও দেওয়া হয়েছিল শিব-শক্তি। এই শক্তিকে ধ্বংস করার সুযোগ কি আপনারা ওঁদের দেবেন?” তিনি বলেন, “বর্তমানে লড়াই হচ্ছে দু’দলের। একদল শক্তির আরাধনা করেন। আর অন্য দল প্রতিনিয়ত সেই শক্তিকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে চলেছে।” তিনি বলেন, “৪ জুনই ঠিক হয়ে যাবে শেষ হাসি হাসবে কারা – যারা শক্তিকে ধ্বংস করতে চায় নাকি যারা নিরন্তর শক্তির আশীর্বাদ চাইছেন।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘কাউন্সিলর-এমএলএ-এমপিরা খুব টাকা খাচ্ছে, আর…’’ গার্ডেনরিচকাণ্ডে কটাক্ষ দিলীপের

    লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। সাত দফায় নির্বাচন হবে। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। এদিন প্রথম দফার নির্বাচন হবে উত্তর-পূর্বের দুই রাজ্য সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশের তিন আসনেও। এই দুই রাজ্যে এদিনই হবে বিধানসভার নির্বাচনও। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে ভোট গ্রহণ হবে সাত দফায়। প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১০২টি আসনে। এই লোকসভা নির্বাচনেই বিজেপিকে মাত দিতে ইন্ডি জোট গড়েছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। এদিন তেলঙ্গানার সমাবেশে সেই জোটকেই আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দেশভাগের সময় যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত এবং হতাশ হয়েছিলেন, তাঁদের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে।” সিএএ নিয়ে আমেরিকার প্রতিক্রিয়ার প্রত্যুত্তরে এ কথাই বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। গত সোমবার সন্ধ্যায় দেশজুড়ে লাগু হয়েছে সিএএ। তার পরেই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করতে মাঠে নেমে পড়েছেন বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতারা। প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আমেরিকাও। জো বাইডেনের দেশ এ বিষয়ে প্রকাশ করেছে উদ্বেগও। বাইডেন প্রশাসনের সেই প্রতিক্রিয়ারই জবাব দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।

    আমেরিকাকে বার্তা জয়শঙ্করের (S Jaishankar)

    সিএএ লাগু হওয়ার পর ভারতের নীতি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন এ দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গার্সেটি। তার প্রেক্ষিতেই নাম না করে আমেরিকাকে একহাত নিয়েছেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “আমারও নীতি রয়েছে। দেশভাগের সময় যেসব মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলেন, সেই সব মানুষের জন্যই সিএএ।” সিএএতে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগাভাগি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তারও জবাব দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কেবল আমাদের দেশে নয়, অন্য দেশেও ধর্ম ও জাতির ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।”

    সিএএ-র ক্ষমতা

    জয়শঙ্কর বলেন, “আমি কারও নীতি বা গণতন্ত্রের আদর্শ নিয়ে কিছু বলছি না। কিন্তু আমার মনে হয়, আমাদের দেশের ইতিহাস সম্পর্কে অনেকের সঠিক ধারণা নেই। বিশ্বের অনেক জায়গা থেকে এমন অনেক মন্তব্য করা হচ্ছে, তা শুনে মনে হচ্ছে ভারতে কোনওদিন দেশভাগ হয়নি। দেশভাগের সময় এমন কোনও সমস্যা হয়নি, যার সমাধান সিএএ করতে পারবে না।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “তাদের (আমেরিকার) গণতন্ত্রে যে অসম্পূর্ণতা রয়েছে, তা নিয়ে আমি প্রশ্ন তুলছি না। তাদের নীতি কিংবা নীতির অভাব নিয়েও তো আমি প্রশ্ন করছি না। আমাদের দেশের ইতিহাস কতটা তারা বুঝেছে, তা নিয়েও প্রশ্ন করছি না।” তিনি বলেন, “আপনি যদি বিশ্বের বিভিন্ন অংশের মন্তব্য শোনেন (সিএএ নিয়ে), তাহলে মনে হবে ভারতে কখনও দেশভাগের মতো ঘটনা ঘটেনি।” এর পরেই বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “দেশভাগের সময় এমন কোনও সমস্যা হয়নি, যার সমাধান সিএএ করতে পারবে না।”

    আরও পড়ুুন: “১০০ দিনের রোডম্যাপ তৈরি করুন”, নির্বাচনের আগেই মন্ত্রীদের নির্দেশ প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রীর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “১০০ দিনের রোডম্যাপ তৈরি করুন”, নির্বাচনের আগেই মন্ত্রীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “১০০ দিনের রোডম্যাপ তৈরি করুন”, নির্বাচনের আগেই মন্ত্রীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবে মাত্র কাঠি পড়েছে লোকসভা নির্বাচনের ঢাকে। রাজনীতির কারবারিরা ব্যস্ত কোন দল কত আসন পাবে, তার চুলচেরা হিসেব নিকেশ করতে। অথচ ক্ষমতায় ফিরে আগামী ১০০ দিনে কী কী কাজ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে করতে হবে, মন্ত্রীদের তার রোডম্যাপ তৈরি করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত মোদি (PM Modi)

    লোকসভা নির্বাচনে এবারও যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-ই ক্ষমতায় ফিরবে, সে ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন সময় তাঁকে তা বলতেও শোনা গিয়েছে। সূত্রের খবর, সেই কারণেই মন্ত্রীদের রোডম্যাপ তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কেবল একশো দিনের রোডম্যাপ নয়, রবিবার মন্ত্রিসভার ওই বৈঠকে আগামী পাঁচ বছর কী কী কাজ করা হবে, তারও রোডম্যাপ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) দিয়েছেন তাঁদের। সরকারি নীতিগুলি কীভাবে বাস্তবে রূপদান করা যায়, তা নিয়েও মন্ত্রকের অফিসারদের সঙ্গে কথা বলতে মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

    মন্ত্রিসভার সদস্যদের নির্দেশ

    এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরে সরকারি নীতিগুলি কীভাবে কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে প্রত্যেক মন্ত্রী আলোচনা করবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে। তার পরেই প্রত্যেক মন্ত্রীকে তৈরি করতে হবে একটি করে রোডম্যাপ। আগামী পাঁচ বছরে কীভাবে কাজ করবে তাঁদের মন্ত্রক, সেই বিষয়টিই বিস্তারিত তুলে ধরা হবে এই রোডম্যাপে।

    সতীর্থ মন্ত্রীদের এই নির্দেশের পাশাপাশি নির্বাচনের নির্ঘণ্টও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে পাঠিয়েছে মন্ত্রিসভা। জানা গিয়েছে, আগামী ২০ মার্চ জারি হতে পারে লোকসভা নির্বাচনের প্রথম বিজ্ঞপ্তি। লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। ভোট হবে ১০২টি কেন্দ্রে।

    আরও পড়ুুন: ‘তৃণমূল পরিচয় দিয়ে ভোট চাইতে লজ্জা পাচ্ছেন কর্মীরা’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার ঢের আগেই দলীয় নেতাদের ৩৭০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাকি ৩০টি আসন পেতে হবে এনডিএর অন্যান্য শরিকদের। বাংলায় লোকসভার আসন রয়েছে ৪২টি। এর সবক’টিই যাতে বিজেপির ঝুলিতে যায়, বাংলা সফরে এসে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের সেই টার্গেটও ঠিক করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • INS Kolkata: রুদ্ধশ্বাস অভিযান ভারতীয় নৌসেনার, সোমালিয়ার জলদস্যুদের হারিয়ে উদ্ধার জাহাজ

    INS Kolkata: রুদ্ধশ্বাস অভিযান ভারতীয় নৌসেনার, সোমালিয়ার জলদস্যুদের হারিয়ে উদ্ধার জাহাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোমহর্ষক অভিযান ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy)। সোমালিয়ার জলদস্যুদের বিরুদ্ধে লড়াই করে অপহৃত জাহাজ উদ্ধার করল আইএনএস কলকাতা (INS Kolkata)। ৪০ ঘণ্টার লড়াই শেষে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হল ৩৫ জন জলদস্যু। পণ্যবাহী জাহাজ থেকে উদ্ধার করা হয় ১৭ জন কর্মীকে। আটক করা ওই জাহাজ থেকে বিপুল পরিমাণ বেআইনি অস্ত্রশস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতের উপকূল থেকে প্রায় ২৬০০ কিমি দূরে গভীর সমুদ্রে এই অভিযান চালিয়েছিল আইএনএস কলকাতা। 

    দুর্ধর্ষ অভিযান

    ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) মুকুটে জুড়ল আরও একটি সাফল্যের পালক। ভারতীয় নৌসেনার তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এম ভি রুয়েন নামক মাল্টার একটি পণ্যবাহী জাহাজকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে অপহরণ করেছিল সোমালিয়ার জলদস্যুরা।  সেই জাহাজকে ব্যবহার করেই অন্য জাহাজের উপরে হামলা করত দস্যুরা। গত বৃহস্পতিবারও ওই জাহাজ থেকেই বাংলাদেশের একটি পণ্যবাহী জাহাজের উপরে হামলা করার চেষ্টা করে জলদস্যুরা। সাহায্যের বার্তা পেয়েই এগিয়ে যায় ভারতীয় নৌসেনা। শুরু হয় অভিযান। নৌসেনা জাহাজ আটকাতে, গুলি চালাতে শুরু করে জলদস্যুরা। নৌসেনার তরফে বারংবার তাদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হলেও, অপহৃত জাহাজ নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে তারা। পাল্টা জবাব দেয় নৌসেনাও। 

    আটক ৩৫ জলদস্যু

    মাঝ সমুদ্রে টানা ৪০ ঘণ্টা ধরে অভিযান চালিয়েছে আইএনএস কলকাতা (INS Kolkata)। ভারতীয় নৌসেনার ড্রোন, হেলিকপ্টারের সাহায্যে ওই জাহাজে বন্দি হয়ে থাকা ১৭ জন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় ৩৫ জন জলদস্যু। নৌসেনা (Indian Navy) সূত্রে খবর, আন্তর্জাতিক আইন মেনে খুব কম বলপ্রয়োগ করেই জলদস্যুদের আটক করা হয়েছে। এই জাহাজটিকে উদ্ধার করার অপারেশনে আইএনএস কলকাতা ছাড়াও যুক্ত ছিল প্যাট্রল ভেসেল আইএনএস সুভদ্রা, পি৮আই নজরদারি বিমান। এছাড়াও বায়ুসেনার সি-১৭ বিমানের থেকে মেরিন কমান্ডোদের (মার্কোস) ‘এয়ার ড্রপ’ করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, ভারতের পশ্চিম উপকূলের উদ্দেশে এমভি রুয়েনকে নিয়ে রওনা হয়েছে আইএনএস কলকাতা। 

     

    আরও পড়ুন: সপ্তাহের প্রথম দিনেই ভিজল কলকাতা, দিনভর কেমন থাকবে আবহাওয়া?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: ‘জাতীয় পুনরুত্থানে রাম মন্দির’, প্রস্তাব পাশ নাগপুরে আরএসএস-এর সর্বভারতীয় বৈঠকে

    RSS: ‘জাতীয় পুনরুত্থানে রাম মন্দির’, প্রস্তাব পাশ নাগপুরে আরএসএস-এর সর্বভারতীয় বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগপুরে অনুষ্ঠিত আরএসএস-এর (RSS) অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠকে ‘জাতীয় পুনরুত্থানে রাম মন্দির’ প্রস্তাব গৃহীত হল। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘‘রাম মন্দিরের নির্মাণ বিশ্বের ইতিহাসে সোনালী অধ্যায়ে লেখা থাকবে।’’ ওই প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, ‘‘শত বছরেরও বেশি সময় ধরে হিন্দু সমাজের সংঘর্ষ এবং আত্মত্যাগের ফলে নির্মাণ সম্ভব হয়েছে রাম মন্দিরের।’’

    রাম মন্দির আন্দোলনে যুক্ত প্রত্যেককে সম্মান জানানো হয়েছে 

    প্রস্তাবে রাম মন্দির আন্দোলনে সমাজের সেই সমস্ত ব্যক্তিকে সম্মান জানানো হয়েছে, যাঁরা রাম মন্দির নির্মাণের আন্দোলনে কোনও না কোনওভাবে যুক্ত ছিলেন (RSS)। যেমন, আইন বিশেষজ্ঞ, সংবাদমাধ্যম, গবেষক প্রভৃতি। এর পাশাপাশি স্মরণ করা হয়েছে আন্দোলন করতে গিয়ে যাঁরা নিজের প্রাণ বলিদান দিয়েছেন তাঁদেরকেও। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘‘অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা (RSS) তাঁদের প্রত্যেককে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে যাঁরা এই আন্দোলন করতে গিয়ে নিজের জীবন আহুতি দিয়েছেন।’’

    প্রস্তাবে স্থান পেয়েছে অক্ষত চাল বিতরণ কর্মসূচি 

    রাম মন্দিরের উদ্বোধনের আগে অক্ষত চাল দেশের প্রতিটি গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় আরএসএস (RSS)। সেই কর্মসূচির সাফল্যও স্থান পেয়েছে প্রস্তাবে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘‘সমগ্র সমাজ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন রাম মন্দিরের অক্ষত চাল বিতরণের অনুষ্ঠানে। লক্ষ লক্ষ রামভক্ত সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন কোটি কোটি পরিবারের সঙ্গে গ্রাম এবং শহর মিলিয়ে।’’

    দেশ এবং দেশের বাইরে দীপোৎসব অনুষ্ঠান

    প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, ‘‘২২ জানুয়ারি ভারতবর্ষ এবং দেশের বাইরেও প্রতিটি প্রান্তে দীপোৎসব অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গৈরিক ধ্বজ প্রত্যেক বাড়িতে উড়েছে। মন্দির এবং ধর্মস্থান গুলিতেও দেখা গিয়েছে একই চিত্র।’’ প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে অযোধ্যা সাক্ষী থেকেছে বিশ্বের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক নেতাদের অংশগ্রহণে। এর পাশাপাশি সমাজের অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রের এবং অন্য বিশ্বাসের মানুষরাও সেদিন এসেছেন অযোধ্যায়।’’

    রাম মন্দিরের নির্মাণ সমাজে একটি সম্প্রীতির পরিবেশ নির্মাণ করতে পেরেছে

    ‘‘রাম মন্দিরের নির্মাণ সমাজে একটি সম্প্রীতির পরিবেশ নির্মাণ করতে পেরেছে।’’-এমনটাও উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাবে। এর পাশাপাশি রাম মন্দিরের উদ্বোধন জাতীয় জীবনকে সংগঠিত করতে পেরেছে বলেও মত রাখা হয়েছে ওই প্রস্তাবে। শ্রী রামচন্দ্রের মূল্যবোধের উপর নির্মিত রাম মন্দিরের উদ্বোধন ভারতবর্ষের জাতীয় পুনরুত্থানের সূচনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রস্তাবে। পাশাপাশি প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, ‘‘রাম মন্দিরের নির্মাণের মাধ্যমে সমাজ বিদেশি শাসনের সময়ে যেভাবে আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগত সেখান থেকেও বেরিয়ে আসতে পেরেছে।’’

    ভগবান রামচন্দ্র সকলের কাছে প্রেরণার স্রোত 

    ওই প্রস্তাব অনুযায়ী, ‘‘ভগবান রামচন্দ্র সকলের কাছে প্রেরণার স্রোত। ভগবান রামচন্দ্রের সুশাসন সারা পৃথিবী জুড়ে খ্যাত। রাম রাজ্যের নীতি বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।’’ অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার মতে, ‘‘ভগবান রামের আদর্শ থেকে সকলকে প্রেরণা নেওয়া দরকার। সমাজের মধ্যে ধর্মের মূল্যবোধ জেগে ওঠা দরকার। আত্মত্যাগ, বিচারবোধ, সদিচ্ছা, সততা- এই সমস্ত কিছুই প্রতিফলিত হয় ভগবান শ্রী রামের জীবনে।’’

    ঘোষণা ৬ সহ-সরকার্যবাহের

    নাগপুরে অনুষ্ঠিত আরএসএস-এর (RSS) অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভায় ফের একবার সরকার্যবাহ পদে নির্বাচিত হলেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে। এর পাশাপাশি তিনি ৬ জন সহ-সরকার্যবাহকে নিয়োগও করেন ২০২৪ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত সাংগঠনিক বর্ষে। ২০২১ সালের প্রতিনিধি সভার বৈঠকে সহ-সরকার্যবাহ ছিলেন ৫ জন। এবারে তা বেড়ে ৬ হল। ৬ জন সহ-সরকার্যবাহ হলেন— কৃষ্ণ গোপাল, সি আর মুকুন্দ, অরুণ কুমার, রাম দত্ত চক্রধর, অতুল লিমায়ে এবং অলোক কুমার। মনমোহন বৈদ্য এর আগে সহ-সরকার্যবাহের দায়িত্বে ছিলেন, প্রতিনিধি সভার বৈঠকে তাঁকে দায়িত্ব মুক্ত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদিকে দেখতে বিদ্যুতের টাওয়ারে, “দয়া করে নেমে আসুন”, অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: মোদিকে দেখতে বিদ্যুতের টাওয়ারে, “দয়া করে নেমে আসুন”, অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এসেছেন। সর্বত্র ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই রব। অগত্যা প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখবেন বলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে  বেশ কয়েকজন তরতরিয়ে উঠে পড়লেন সমাবেশস্থল আলোকিত করতে যে অস্থায়ী টাওয়ার বানানো হয়েছিল, তাতে। ঘটনাটি নজরে পড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। নেমে আসতে বললেন অত্যুৎসাহী দলীয় কর্মী-সমর্থকদের। প্রধানমন্ত্রীর এই তৎপরতার জন্য এড়ানো গেল বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    রবিবার সন্ধ্যায় অন্ধ্রপ্রদেশের পালনাডু জেলায় এনডিএ-র প্রজাগালমে (যৌথ সমাবেশ) যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) মঞ্চে ওঠা মাত্রই তাঁকে দেখতে অস্থায়ী টাওয়ারে উঠে পড়েন বেশ কয়েকজন। টাওয়ার ভেঙে পড়ার পাশাপাশি তড়িদাহতও হতে পারতেন ওঁরা। নজরে পড়া মাত্রই বক্তৃতা থামাতে বলেন জন সেনা সভাপতি পবন কল্যাণকে। মাইকের সামনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আরে আপনারা ওখানে কী করছেন? ওখানে বিদ্যুতের তার রয়েছে। আপনাদের জীবন আমাদের কাছে অত্যন্ত দামী। দয়া করে নেমে আসুন। সংবাদ মাধ্যমের লোকজন আপনাদের ফোটো তুলে নিয়েছেন। এবার তো নেমে আসুন। এখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আপনারা (পুলিশ) দয়া করে এসব লক্ষ্য করুন। যদি কোনও অঘটন ঘটে, সেটা আমাদের পক্ষে বেদনাদায়ক হবে।”

    অন্ধ্রে সমীকরণ

    এর পরেই দেখা যায়, বাধ্য ছাত্রের মতো টাওয়ার থেকে একে একে নামছেন ওই দলীয় কর্মীরা। টাওয়ার খালি হতেই নিজের আসনে ফিরে যান প্রধানমন্ত্রী। ফের বলতে শুরু করেন জন সেনা সভাপতি। ১০ বছর আগে এন চন্দ্রবাবু নাইডুর হাত ধরে অন্ধ্রপ্রদেশে পা রাখে বিজেপি। ১৪-র বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে নির্বাচনে যায় চন্দ্রবাবুর দল টিডিপি। পরে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশেষ মর্যাদার দাবিতে মতানৈক্যের জেরে ২০১৮ সালে বিজেপি সঙ্গ ত্যাগ করে টিডিপি। তার পরের নির্বাচনে একলা চলো নীতি নেয় টিডিপি। গোহারা হারে চন্দ্রবাবুর দল। তার পর ফের বিজেপির হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত এনটি রামা রাওয়ের জামাই চন্দ্রবাবু। টিডিপির পাশাপাশি বিজেপির হাত ধরেছে জন সেনাও (PM Modi)।

    আরও পড়ুুন: সিকিম-অরুণাচলে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন এগোল, কেন জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Polls 2024: সিকিম-অরুণাচলে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন এগোল, কেন জানেন?

    Assembly Polls 2024: সিকিম-অরুণাচলে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন এগোল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাদ্যি বেজে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের। দেশজুড়ে নির্বাচন হবে সাত দফায়। এই সময়ের মধ্যে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Polls 2024) হবে উত্তর-পূর্বের দুই রাজ্যে। এই রাজ্যগুলি হল, অরুণচল প্রদেশ ও সিকিম। এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হবে ২ জুন। রবিবার এই খবর জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগে ঠিক ছিল, লোকসভা নির্বাচনের ফল যেদিন ঘোষণা হবে, সেই ৪ জুন ফল ঘোষণা হবে এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেরও। পরে ঠিক হয়, সিকিম, অরুণাচল প্রদেশের ফল প্রকাশ করা হবে দুদিন (Assembly Polls 2024) আগেই।

    এগিয়ে এল ফল প্রকাশের দিন (Assembly Polls 2024)

    কেন এই দুই রাজ্যের ফল প্রকাশের দিন এগিয়ে আনা হল? জানা গিয়েছে, এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের মেয়াদ শেষ হবে ২ জুন। ৪ জুন ফল ঘোষণা হলে, পরিস্থিতি দাঁড়াবে এই যে দু’দিন রাজ্যে বিধানসভাই থাকবে না। এই পরিস্থিতি এড়াতেই ফল ঘোষণার দিন এগিয়ে আনা হয়েছে। দু’তারিখই ফল ঘোষণা করা হলে রাজ্য বিধানসভাহীন হল, এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না। কারণ সেদিনই বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে যাবে।

    নির্বাচন কবে?

    তবে নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন এগিয়ে নিয়ে আসা হলেও, লোকসভা নির্বাচনের যে সূচি এ রাজ্যের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে, তার হেরফের হবে না। ১৯ এপ্রিল শুরু হয়ে যাবে লোকসভা নির্বাচন। ভোট হবে সাত দফায়। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে নির্বাচন হবে। অরুণাচল প্রদেশে লোকসভার আসন ২টি। আর সিকিমে রয়েছে একটি। এই তিন আসনেই ভোট হবে ১৯ এপ্রিল, প্রথম দফায়। এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনও হবে এই দিনই।

    আরও পড়ুুন: বাকি আসনের প্রার্থী ঘোষণা শীঘ্রই? রাজ্যের ৪ শীর্ষ নেতাকে দিল্লি তলব বিজেপির

    ২০১৪-র বিধানসভা নির্বাচনে অরুণাচল প্রদেশে সরকার গড়ে কংগ্রেস। পরে মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু সিংহভাগ বিধায়ককে নিয়ে যোগ দেন বিজেপিতে। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় বিজেপি। আর উনিশের নির্বাচনে সিকিমে পঁচিশ বছরের মুখ্যমন্ত্রী পবনকুমার চামলিংয়ের দল সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টকে গদিচ্যুত করে সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চার প্রধান প্রেম সিংহ তামাং (Assembly Polls 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বাকি তথ্যও ওয়েবসাইটে আপলোড কমিশনের

    Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বাকি তথ্যও ওয়েবসাইটে আপলোড কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, নির্বাচনী বন্ডের (Electoral Bond) নম্বর প্রকাশ্যে আনতে হবে। সেই মতো রবিবার নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বাকি তথ্যও ওয়েবসাইটে আপলোড করল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়েছিল প্রথম দফার কিছু তথ্য।

    দ্বিতীয় দফায় কোন তথ্য প্রকাশ (Electoral Bond) 

    দ্বিতীয় দফায় যে তথ্য আপলোড করা হয়েছে, তা থেকে জানা যাচ্ছে কত টাকার নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে, তা থেকে কতগুলি বন্ড ভাঙিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি ইত্যাদি। বন্ড কেনার তারিখ, বন্ডের সংখ্যা, এসবিআইয়ের কোন শাখা থেকে বন্ড কেনা হয়েছিল, সেই বন্ড কোন রাজনৈতিক দল ভাঙিয়েছে, সব তথ্যই আপলোড করা হয়েছে কমিশনের তরফে দেওয়া দ্বিতীয় দফার তথ্যে। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ১২ মার্চ মুখবন্ধ খামে নির্বাচন কমিশনের হাতে এসব (Electoral Bond) তথ্য তুলে দিয়েছিল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

    মমতার দলের আয় কত?

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, নির্বাচনী বন্ড থেকে সব চেয়ে বেশি আয় হয়েছে সর্বভারতীয় দল বিজেপির। আঞ্চলিক দল হওয়া সত্ত্বেও বন্ড বাবদ রোজগারের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনী বন্ড থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল আয় করেছে ১ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে আর একটি সর্বভারতীয় দল কংগ্রেস। নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে লাভবান হয়েছে আরও কয়েকটি আঞ্চলিক দল।

    আরও পড়ুুন: বাকি আসনের প্রার্থী ঘোষণা শীঘ্রই? রাজ্যের ৪ শীর্ষ নেতাকে দিল্লি তলব বিজেপির

    তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এসবিআইকে বিভিন্ন বন্ডের ইউনিক নম্বর জানাতে বলেছে। যাতে করে দল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানতে পারে। মায়াবতীর বহুজন সমাজবাদী পার্টি জানিয়েছে, নির্বাচনী বন্ড থেকে তারা কোনও অনুদান পায়নি। সিপিএম এবং সিপিআইও জানিয়েছে, নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে কোনও অনুদান পায়নি তারা। তামিলনাড়ুর শাসক দল ডিএমকে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে পেয়েছে ৬৫৬.৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে রয়েছে লটারি কিং সান্তিয়াগো মার্টিনের সংস্থা ফিউচার গেমিংয়ের দেওয়া ৫০৯ কোটি টাকাও। কংগ্রেস জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে এসবিআই যে তথ্য দিয়েছে, তা প্রকাশ্যে আনবে তারা। কংগ্রেসের গোয়া ইউনিট জানিয়েছে, ভাস্কো দা গামা ভিত্তিক কোম্পানি ভিএম সালগাওকরের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা অনুদান (Electoral Bond) পেয়েছে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sidhu Moose Wala: প্রয়াত সিধু মুসেওয়ালার পরিবারে খুশির হাওয়া, ভাই হল গায়কের

    Sidhu Moose Wala: প্রয়াত সিধু মুসেওয়ালার পরিবারে খুশির হাওয়া, ভাই হল গায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু বছর আগে খুন হয়েছিলেন পঞ্জাবী গায়ক সিধু মুসেওয়ালা (Sidhu Moose Wala)। ছেলের মৃত্যুতে শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিলেন তাঁর বাবা-মা। সদ্য সেই পরিবারে এসেছে খুশির হাওয়া। ভাই হয়েছে সিধুর। শনিবার ইন্সটাগ্রামে প্রয়াত এই গায়কের বাবা বলকৌর সিং নবজাতকের ছবি শেয়ার করেন। ছবির পিছনে উঁকি মারছে সিধু ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটি।

    কী লিখলেন সিধুর বাবা? (Sidhu Moose Wala)

    বছর ষাটের বলকৌর ইন্সটাগ্রামে নবজাতকের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, “লক্ষাধিক মানুষ যাঁরা শুভদীপকে (সিধুর ডাক নাম) ভালোবাসতেন, তাঁদের আশীর্বাদে ঈশ্বর শুভর ছোট ভাই এসেছে। ওয়াহে গুরুর আশীর্বাদে আমাদের পরিবার সুস্থ রয়েছে। সকল শুভাকাঙ্খীকে অশেষ ধন্যবাদ।” প্রসঙ্গত, সিধুর (Sidhu Moose Wala) মা চরণ কৌর আইভিএফ পদ্ধতিতে সন্তান ধারণ করেছিলেন।

    আইভিএফ পদ্ধতিতে সন্তান

    ২০২২ সালের ২৯ মে পঞ্জাবের মানসা জেলায় খুন হন সিধু। দুই বন্ধুকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন গায়ক-রাজনীতিবিদ সিধু। আচমকাই আততায়ীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যান বছর আঠাশের সিধু। এই গায়ক-রাজনীতিবিদকে খুনের দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয় ওয়ান্টেড গ্যাংস্টার গোল্ডি ব্রার। বর্তমানে কানাডায় ঘাঁটি গেড়েছে সে। সিধুর মায়ের বয়স পঞ্চান্ন। বাবা ষাট। সিধুর মৃত্যুর পরেই ফের সন্তান নেওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু করেন তাঁরা। আইভিএফ পদ্ধতিতে দ্বিতীয়বার গর্ভবতী হন সিধুর মা। সিধুর কাকাই সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছিলেন সে কথা।

    আরও পড়ুুন: মোদির মুখে ইডির প্রশংসা, তির্ষক বাণ হানলেন বিরোধীদের

    সিধুর মৃত্যুর পর ইমেলে হুমকি পেয়েছিলেন তাঁর বাবা। গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে কিছু বললে তাঁর প্রাণসংশয় হতে পারে – এই মর্মে হুমকি দিয়েছিল রাজস্থানের এক বাসিন্দা। সেই সময় নিরাপত্তা দেওয়া হয় প্রয়াত গায়ক তথা রাজনীতিবিদ সিধুর পরিবারকে। সিধুকে খুনের পর গ্রেফতার করা হয় ছয় শ্যুটারকে। তার পরেই তুলে নেওয়া হয় এই কংগ্রেস নেতার পরিবারের নিরাপত্তা। পরে গোল্ডিকে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করে ভারত সরকার (Sidhu Moose Wala)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share