Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Osman Hadi: অভিযুক্ত দুবাইতে! মুখ থুবড়ে পড়ল হাদি-হত্যা নিয়ে বাংলাদেশের করা ভারত-বিরোধী অভিযোগ

    Osman Hadi: অভিযুক্ত দুবাইতে! মুখ থুবড়ে পড়ল হাদি-হত্যা নিয়ে বাংলাদেশের করা ভারত-বিরোধী অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সরকারকে চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিল নিহত শরিফ ওসমান হাদির (Osman Hadi) ছাত্র সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চ। এহেন আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে হাদির অভিযুক্ত খুনির একটি ভিডিও। বাংলাদেশের তদন্তকারী সংস্থার মতে, হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ওই ভিডিওতে দাবি করেছে (Bangladesh), খুন করার পর সে হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গিয়েছে – এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

    অভিযুক্ত খুনির দাবি (Osman Hadi)

    মাসুদের দাবি, হাদির সঙ্গে তার সম্পর্ক কেবল আর্থিক লেনদেনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ভিডিওতে সে জানায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় সে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে ছিল। সেই সময় সাহায্যের জন্য হাদির সঙ্গে যোগাযোগ করে সে। হাদি তাকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন বলে ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে। মাসুদের বক্তব্য, পরে সে হাদির হয়ে রাজনৈতিক সংগঠনের কাজেও যুক্ত হয়। তবে ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ভারত বা বাংলাদেশের কোনও সরকারি সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। ভিডিওতে মাসুদ বলে, “হাদির সঙ্গে কথা বলার পর তিনি আমাকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি পাঁচ লাখ টাকা চেয়েছিলেন। তাই আমি সেই টাকা দিই। এর উদ্দেশ্য ছিল শুধুমাত্র সরকারি প্রকল্প সংক্রান্ত লবিং।”

    ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

    এদিকে, ইনকিলাব মঞ্চ রবিবার রাতে ঢাকার শাহবাগ থেকে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে। সংগঠনের সদস্য-সচিব আবদুল্লা আল জাবের এই ঘোষণা করেন। ভারতবিরোধী অবস্থান বজায় রেখে ইনকিলাব মঞ্চের দাবি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ না করা হলে ভারতে কর্মরত ভারতীয় নাগরিকদের ওয়ার্ক পারমিট স্থগিত করতে হবে। পাশাপাশি ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করার দাবিও জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, ইনকিলাব মঞ্চের (Osman Hadi) এই দাবি আসে এমন একটা সময়ে, যখন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অভিযোগ করে যে হাদি হত্যাকাণ্ডের দুই প্রধান সন্দেহভাজন ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গিয়েছে। এই সীমান্তটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘ভিত্তিহীন’ বলে অভিহিত করেছে সে।

    অভিযুক্ত হত্যাকারীর ভিডিও

    এই অভিযোগ ওঠার ঠিক একদিন পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে অভিযুক্ত হত্যাকারীর একটি ভিডিও। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে ওই ব্যক্তি জানায়, সে দুবাইয়ে রয়েছে। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, সে ওসমান হাদিকে হত্যা করেনি। তার দাবি, জামাত-শিবিরের সদস্যরাই ছাত্রনেতা হাদিকে হত্যা করেছে এবং সে এই হামলার পেছনে জামাতিদের জড়িত থাকার অভিযোগ তোলে। যদিও ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের (Bangladesh) কোনও সংস্থাই এখনও কোনও প্রতিক্রিয়াও জানায়নি।

    হাদি হত্যাকাণ্ডের জেরে বাংলাদেশে অস্থিরতা

    ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে কট্টরপন্থী ছাত্রনেতা হাদির হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশে নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। একাধিক শহরে হিংসার ঘটনা ঘটতে দেখা গিয়েছে। হাদির দল ইনকিলাব মঞ্চ তাঁর হত্যার জন্য ইউনূস নেতৃত্বাধীন সরকারকে দায়ী করেছে। এই হিংসার বলি হয়েছিলেন দীপু চন্দ্র দাস ও অমৃত মণ্ডল নামে দুই হিন্দু নাগরিক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক কট্টর ছাত্র সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা হাদি তাঁর তীব্র ভারতবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, তিনি ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ওই আন্দোলনের জেরেই ক্ষমতাচ্যুত হয়ে (Osman Hadi) দেশান্তরিত হতে হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে।

    বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ফেব্রুয়ারি মাসে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির খালেদা জিয়া প্রয়াত হয়েছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর স্বেচ্ছানির্বাসনে থাকার পর বাংলাদেশে ফিরেছেন (Bangladesh) তাঁর ছেলে তারেক রহমান। ২৫ ডিসেম্বর পরিবার নিয়ে বাংলাদেশে ফেরেন তারেক। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপিকেই নির্বাচনের (Osman Hadi) অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও নির্বাচন বয়কট করেছে শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ।

  • Lashkar-e-Taiba: “কখনও কাশ্মীর মিশন থেকে সরে আসব না”, হুমকি লস্করের, মুখে বাংলার প্রসঙ্গও

    Lashkar-e-Taiba: “কখনও কাশ্মীর মিশন থেকে সরে আসব না”, হুমকি লস্করের, মুখে বাংলার প্রসঙ্গও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন ‘সিঁদুরে’র ক্ষত এখনও পুরোপুরি শুকোয়নি পাকিস্তানের। ভারতের সফল সামরিক অভিযানের পর ফের প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দিল জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba)। ২০২৫ সালের ৭ মে ভারতের চালানো নির্ভুল সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় এই হুমকি দিয়েছে পাক মদতপুষ্ট এই জঙ্গি সংগঠন। লস্কর-ই-তৈবার সহকারী প্রধান এবং কুখ্যাত জঙ্গি হাফিজ সইদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সইফুল্লা কাসুরি (Terrorist Saifullah) সম্প্রতি হাজার হাজার সমর্থকের সামনে উসকানিমূলক ভাষণ দেয়। ওই বক্তব্যে সে কাশ্মীর থেকে শুরু করে হায়দরাবাদ ও জুনাগড় পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন ভূখণ্ডের ওপর ‘অধিকার’ দাবি করে।

    কাসুরির হুঁশিয়ারি (Lashkar-e-Taiba)

    উসকানিমূলক ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে কাসুরি বলে, “অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত বড় ভুল করেছে। কারণ তারা শুধু জঙ্গি ঘাঁটিগুলিকেই নিশানা করেছে।” বক্তব্যের শেষের দিকে সে আরও উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করে বলে, “আমার শেষ কথা… আমাদের লোকেরা শুনুক, বাইরের লোকেরা শুনুক, বন্ধুরা শুনুক, শুনুক শত্রুরাও।” নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বক্তব্য ফের একবার প্রমাণ করছে যে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলি ভারতের সামরিক ও কূটনৈতিক সাফল্যে গভীরভাবে বিচলিত এবং পরিস্থিতি অশান্ত করে তুলতে পরিকল্পিতভাবে উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করছে।

    সইফুল্লার ‘কাশ্মীর মিশন’

    যারা জঙ্গি সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং তাদের কাজকর্ম প্রকাশ্যে আনে, সইফুল্লা সরাসরি তাদের উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। তার দাবি, গোটা বিশ্বের ব্যবস্থাই বদলে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba) কখনও তাদের তথাকথিত ‘কাশ্মীর মিশন’ থেকে সরে আসবে না। তার এই বক্তব্যকে ভারতের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য হুমকি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সে কাশ্মীর ইস্যুর গায়ে ধর্মের রং লাগানোর চেষ্টাও করেছে। কাশ্মীর প্রসঙ্গকে সে ‘প্রথম কিবলার মুক্তি’র সঙ্গে তুলনা করে, যা মূলত জেরুজালেমের প্রতি ইঙ্গিত করে (Terrorist Saifullah)। সইফুল্লা বলে, “যারা আমাদের সন্ত্রাসবাদী বলে এবং আমাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপায়, তারা যেন মন দিয়ে শোনে, কাশ্মীর ও প্যালেস্তাইনকে মুক্ত করার মিশন থেকে আমরা কখনওই পিছু হটব না।”

    সন্ত্রাসবাদকে উসকে দেওয়া হচ্ছে

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে সন্ত্রাসবাদকে উসকে দেওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে (Lashkar-e-Taiba)। শুধু হুমকি দেওয়ায়ই সীমাবদ্ধ থাকেনি সইফুল্লা। তার দাবি, ভারত কাশ্মীর, অমৃতসর, হোশিয়ারপুর, গুরুদাসপুর, জুনাগড়, মানাবদর, হায়দরাবাদ দাক্ষিণাত্য এবং এমনকি বাংলার মতো একাধিক অঞ্চল দখল করে নিয়েছে। সইফুল্লার অভিযোগ, এই সমস্ত এলাকাই নাকি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল এবং ব্রিটিশ ও হিন্দুদের একটি তথাকথিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সেগুলি পাকিস্তানের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে (Terrorist Saifullah)।

    সইফুল্লার দাবি ভিত্তিহীন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সইফুল্লার এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং ঐতিহাসিক সত্যের পরিপন্থী। একে উসকানিমূলক প্রচার হিসেবেই দেখা হচ্ছে (Lashkar-e-Taiba)। নিজের বক্তব্যে সইফুল্লা নিজেকে ও তার সংগঠনকে ‘শান্তিপ্রিয়’ বলে তুলে ধরার চেষ্টা করে। অথচ বাস্তবে লস্কর-ই-তৈবা বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে পরিচিত এবং ভারত-সহ একাধিক দেশে নিষিদ্ধ এই সংগঠন (Terrorist Saifullah)।

     

  • PM Modi: খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানকে সমবেদনা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানকে সমবেদনা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে (Tarique Rahman) শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। তাতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, এই শোকের সময়ে তাঁর চিন্তা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রয়েছে। খালেদা জিয়ার মৃত্যু এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করলেও তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও উত্তরাধিকার ভবিষ্যতেও স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তারেককে পাঠানো শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আপনার মা, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপার্সন, মহামান্য বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের সংবাদে আমি গভীরভাবে শোকাহত। এই গভীর ব্যক্তিগত ক্ষতির সময়ে আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। ঈশ্বর তাঁর আত্মাকে চিরশান্তি দান করুন।”

    বাংলাদেশে জয়শঙ্কর (PM Modi)

    এরই মধ্যে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজায় ভারতের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাঠানো শোকবার্তাটি সরাসরি তারেকের হাতে তুলে দেন। খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশটির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নেতৃত্ব, রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচিত তারেককে পাঠানো চিঠিতে খালেদার অবদান ও নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। ওই চিঠিতে তিনি ২০১৫ সালের জুন মাসে ঢাকা সফরের সময় খালেদার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ও আলোচনার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন অসাধারণ দৃঢ়তা ও অটল বিশ্বাসসম্পন্ন এক নেত্রী, যাঁর নেতৃত্ব দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে (Tarique Rahman)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মঙ্গলবার প্রয়াত হন খালেদা। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি শক্তিশালী ও প্রভাবশালী নাম। তাঁরই পুত্র তারেক বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন (PM Modi)।

    মোদির স্মৃতিচারণ

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতেও তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছেন। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে জানান, খালেদার আদর্শ ও মূল্যবোধ তাঁর পুত্র রহমানের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে। সেই আদর্শ ভারত ও বাংলাদেশের গভীর, ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং দু’দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ভবিষ্যতেও দুই দেশের জনগণের জন্য একটি দিশা হিসেবে কাজ করবে (PM Modi)। শোকবার্তায় তিনি খালেদা জিয়াকে দৃঢ় সংকল্প ও অটল বিশ্বাসের বিরল নেতৃত্বের প্রতীকও বলে উল্লেখ করেন (Tarique Rahman)।

    প্রধানমন্ত্রী যা বললেন

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০১৫ সালের জুন মাসে ঢাকায় বেগম সাহেবার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ ও আলোচনা আমি উষ্ণতার সঙ্গে স্মরণ করি। তিনি ছিলেন এক বিরল দৃঢ়তা ও প্রত্যয়ের অধিকারী নেত্রী। বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর একটি বিশেষ জায়গা রয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।” শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, খালেদার প্রয়াণে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে তাঁর আদর্শ ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকার চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপির বর্তমান নেতৃত্বের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার আদর্শ আগামী দিনেও বহন করা হবে (Tarique Rahman)।প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আপনার দক্ষ নেতৃত্বে তাঁর আদর্শ এগিয়ে যাবে এবং ভারত ও বাংলাদেশের গভীর ও ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে আরও সমৃদ্ধ করতে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। এটি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন দিশার সূচনা করবে।” খালেদার রাজনৈতিক জীবন, তাঁর নেতৃত্ব এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা দুই দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও মনে করছে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক মহল।

    রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

    এদিকে, বুধবার ঢাকার শেরেবাংলা নগরে স্বামী প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে খালেদাকে। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মঙ্গলবার ৮০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা। তাঁর প্রয়াণে দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শেষ বিদায়ে শ্রদ্ধা জানাতে শেরেবাংলা নগরে জড়ো হন হাজার হাজার মানুষ। এঁদের মধ্যে যেমন ছিলেন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, তেমনই ছিলেন সাধারণ মানুষ (Tarique Rahman)। বাংলাদেশের রাজনৈতিক (PM Modi) ইতিহাসে এক প্রভাবশালী ও শক্তিশালী নেতৃত্ব হিসেবে খালেদা তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সামরিক শাসনের পর গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী মহিলা নেত্রী।

    বাংলাদেশিদের পাশে মোদি

    অন্যদিকে, খালেদার মৃত্যুতে বাংলাদেশিদের উদ্দেশেও শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ওই শোকবার্তায় তিনি বলেন, “এই জাতীয় শোকের মুহূর্তে আমার সহানুভূতি বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রয়েছে। ইতিহাসজুড়ে তারা অসাধারণ শক্তি ও মর্যাদার পরিচয় দিয়েছে। আমি নিশ্চিত, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ঐতিহ্য এবং জাতীয় ঐক্যের শক্তিতে তারা শান্তি ও সম্প্রীতির পথে এগিয়ে যাবে।” শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও বলেন (PM Modi), “দয়া করে আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। আমি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন এই কঠিন সময়ে আপনাদের পরিবারকে শক্তি ও ধৈর্য দান করেন। ভবিষ্যতের সকল উদ্যোগে আমি আপনাদের সাফল্য কামনা করি।” প্রসঙ্গত, খালেদার মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, বরং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বন্ধ হয়ে গেল বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের (Tarique Rahman)।

  • US Corn Imports: শুকরের বিষ্ঠার সার দেওয়া ভুট্টা বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে আমেরিকা! সমাজমাধ্যমে ট্রোলের বন্যা

    US Corn Imports: শুকরের বিষ্ঠার সার দেওয়া ভুট্টা বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে আমেরিকা! সমাজমাধ্যমে ট্রোলের বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সম্প্রতি একটি টুইটে জানায় যে আমেরিকা থেকে ভুট্টা (US Corn Imports) এই মাসেই বাংলাদেশে আসছে। ভুট্টার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যশিল্পে ব্যবহারের কথা তুলে ধরে দেওয়া ওই পোস্টটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় তা ঘিরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। কারণ হিসেবে উঠে আসে যুক্তরাষ্ট্রে ভুট্টা চাষে শূকরের সার ব্যবহারের বিষয়টি—যা মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে ধর্মীয়ভাবে সংবেদনশীল বলে বিবেচিত। দূতাবাসের টুইটে বলা হয়, “মার্কিন ভুট্টা এই মাসে বাংলাদেশে আসছে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই শস্য কর্নব্রেড ও ব্রেকফাস্ট-সহ নানা খাদ্যে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি এটি পশুখাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে মাংস, দুধ ও ডিমের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।” তবে পোস্টটির পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারকারীরা শূকর সার ব্যবহারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করতে শুরু করেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া

    বিভিন্ন ব্যবহারকারী মন্তব্যে বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেন। কেউ কেউ ধর্মীয় অনুভূতির প্রশ্ন তোলেন, আবার কেউ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। একাধিক পোস্টে মার্কিন নীতির সমালোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশকে ‘চাপের মুখে’ আমদানিতে বাধ্য করা হয়েছে—এমন দাবিও করা হয়। এ নিয়ে এখনও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশে আমদানিকৃত মিট অ্যান্ড বোন মিল (এমবিএম) পাউডারে শূকরজাত উপাদান শনাক্ত হওয়ার ঘটনায় দেশটি ওই পণ্যের আমদানি ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছিল। ফলে খাদ্য ও পশুখাদ্যে ব্যবহৃত উপকরণ নিয়ে সতর্কতা নতুন নয়।

    কেন মার্কিন ভুট্টা?

    ভুট্টা চাষে ব্যাপক সার প্রয়োজন হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিভিন্ন ধরনের জৈব সার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ভুট্টার বাম্পার ফলন হওয়ায় দেশটি বাংলাদেশ ও ভারতের মতো বাজারে রফতানি বাড়াতে আগ্রহী। কিছু প্রতিবেদনে অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে ভুট্টা মজুতের চাপের কথাও উঠে এসেছে। ভারত বড় পরিসরে মার্কিন ভুট্টা আমদানিতে এখনও অনাগ্রহী থাকলেও বাংলাদেশ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম, ভুট্টা ও সয়াবিন আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর পেছনে রয়েছে দু’দেশের বাণিজ্যিক টানাপোড়েন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছর শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করলেও পরে তা কমানো হয়। এই প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন মার্কিন গম কেনার অনুমোদনও দিয়েছে। সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভুট্টা সংক্রান্ত পোস্টটি বাণিজ্যিকভাবে ইতিবাচক বার্তা দিতে চাইলেও, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার কারণে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

  • Hindu Man Killed: বাংলাদেশে ফের হিন্দু নিধন, ময়মনসিংহে গুলিতে হত নিরাপত্তারক্ষী

    Hindu Man Killed: বাংলাদেশে ফের হিন্দু নিধন, ময়মনসিংহে গুলিতে হত নিরাপত্তারক্ষী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৈশাচিকভাবে হত্যা করা হয়েছিল বাংলাদেশের (Bangladesh) দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দুকে (Hindu Man Killed)। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের হিন্দু নিধন পদ্মাপারের দেশে। নিহত ব্যক্তির নাম বজেন্দ্র বিশ্বাস। বছর চল্লিশের ওই ব্যক্তি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার একটি পোশাক কারখানায় নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ মেহরাবাড়ি এলাকার সুলতানা সুইটার্স লিমিটেড কারখানার ভেতরেই সহকর্মীর গুলিতে গুরুতর জখম হন তিনি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে।

    আনসার বাহিনীর সদস্য খুন (Hindu Man Killed)

    জানা গিয়েছে, বজেন্দ্র বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীন আধাসামরিক বাহিনী আনসার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা এই বাহিনীরই আর এক সদস্য নোমান মিঞা তাঁকে গুলি করে হত্যা করে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সময় কারখানায় মোট প্রায় ২০ জন আনসার সদস্য কর্মরত ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বজেন্দ্র ও নোমান পাশাপাশি বসেছিলেন। হঠাৎই নোমান একটি শটগান বের করে বজেন্দ্রর বাঁ দিকের উরুতে গুলি চালায়। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ব্রজেন্দ্র। সহকর্মীরা (Bangladesh)দ্রুত ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন (Hindu Man Killed)।

    প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান

    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আনসার সদস্য এপিসি আজহার আলি বলেন, “ঘটনার সময় নোমান মিঞা ও বজেন্দ্র বিশ্বাস আমার ঘরেই বসেছিলেন। হঠাৎ নোমান বজেন্দ্রের দিকে বন্দুক তাক করে বলে, ‘গুলি করব?’ কথাটা শেষ করেই সে গুলি চালায়। তার পরেই গা ঢাকা দেয় নোমান।” প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, ঘটনার আগে দু’জনের মধ্যে কোনও ধরনের ঝগড়া বা তর্কাতর্কি হয়নি। ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মঙ্গলবার ভোরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নোমান মিঞাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত (Bangladesh)। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    প্রসঙ্গত, শুধু ডিসেম্বর মাসেই বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনও সদস্যকে হত্যার এটি তৃতীয় ঘটনা। একই সঙ্গে এটি ময়মনসিংহ জেলায় রিপোর্ট হওয়া দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড (Hindu Man Killed)। গত ২৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের কালিমহর ইউনিয়নের হোসেনডাঙা এলাকায় বছর ঊনত্রিশের অমৃত মণ্ডলকে জনতা পিটিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ। তার আগে, ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় একটি কারখানায় মিথ্যে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে বছর পঁচিশের দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। অভিযোগ, কারখানার এক মুসলমান সহকর্মী তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তোলে। পিটিয়ে খুনের পর উন্মত্ত জনতা তাঁর দেহ একটি গাছে ঝুলিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

    মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ধর্মীয় গোষ্ঠীর, বিশেষ করে হিন্দুদের, ওপর হিংসার ঘটনা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। এ নিয়ে দেশটির নাগরিক সমাজের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলিও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে (Hindu Man Killed)। এদিকে, গত সপ্তাহে ভারত সরকার বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ-সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে চলতে থাকা (Bangladesh) নিরবচ্ছিন্ন শত্রুতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লি এও জানিয়ে দিয়েছে, প্রতিবেশী দেশটির পরিস্থিতির ওপর তারা নিবিড় নজর রাখছে।

  • Narendra Modi: পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Narendra Modi: পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) সরকারি বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সংঘাত বন্ধ করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উভয় পক্ষের প্রতিই কূটনৈতিক আলাপ আলোচানার ওপর জোর দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এই উত্তেজনা ফের আরেকবার প্রকাশ্যে চলে আসায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আবেদন (Narendra Modi)

    রাশিয়া সরকারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) সতর্ক করে বলেন, কোনও উত্তেজনা সৃষ্টিকারী পদক্ষেপ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাত নিরসনে চলমান আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে আরও দুর্বল করতে পারে। সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-হ্যান্ডলে দেওয়া একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আমি রাশিয়ান (Vladimir Putin) ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের বাসভবনে হামলার খবরে ভীষণ ভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি সব পক্ষের প্রতি এমন পদক্ষেপ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান যা শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যহত করতে পারে। তাই স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আবেদন করবো।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদির এই মন্তব্যটি এমন সময়ে এলো যখন এর আগের দিন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ অভিযোগ করেন যে ইউক্রেন মস্কো এবং সেন্ট পিটার্সবার্গের মধ্যবর্তী নভগোরোদ অঞ্চলে পুতিনের সরকারি বাসভবনে দূরপাল্লার ৯১টি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে। লাভরভ দাবি করেন, রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা সমস্ত ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে এবং এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে, তিনি এই বলেও সতর্ক করেন যে এই হামলার কারণে চলমান শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার ভূমিকা বদলে যাবে।”

    ভলোদিমির জেলেনস্কির অস্বীকার

    অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানানো বলে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “মস্কো কিয়েভে আক্রমণকে ন্যায় বিচার করুক। আসলে যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন শান্তি আলোচনাকে দুর্বল করার জন্য এই মিথ্যা কাহিনী তৈরি করা হচ্ছে।”

    তবে ভারত শুরু থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন (Vladimir Putin) সংঘাতে সংলাপ এবং কূটনীতিকেই শান্তির একমাত্র স্থায়ী পথ হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) এই বিবৃতি সেই অবস্থানকেই পুনর্বার তুলে ধরে, যেখানে তিনি সকল পক্ষের প্রতি এমন পদক্ষেপ এড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে বা চলমান কূটনৈতিক চ্যানেলগুলিকে দুর্বল করতে পারে।

  • Bangladesh Polls 2025: তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র দাখিল: ঢাকা-১৭ আসন, ২০২৬ নির্বাচন

    Bangladesh Polls 2025: তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র দাখিল: ঢাকা-১৭ আসন, ২০২৬ নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Bangladesh Polls 2025) আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, অরাজকতা, সহিংসতা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চরমে পৌঁছে গিয়েছে। তাই আসন্ন নির্বাচনকে দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা (Bangladesh Polls 2025)

    ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarique Rahman) ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিতারিত করার পর দেশের ইতিহাসে এটি একটি বড় রাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রহমান তাঁর স্ত্রী জোবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে আসেন। তাঁর হয়ে দলের নেতারা ২৯ ডিসেম্বর, সোমবার আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারেক রহমান আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (Bangladesh Polls 2025) ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানা গিয়েছে। বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রধান উপদেষ্টা ফরহাদ হালিম ডোনার তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়নপত্রটি সেগুনবাগিচা ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২৮ ডিসেম্বর, শনিবার তারেক ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার হিসেবে নিজের নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। এরপরেই বিএনপি নেতারা তাকে এই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অনুরোধ করেন।

    মাতৃভূমির মাটিতে ফিরে পরিবর্তনের ডাক

    তারেক রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ রাষ্ট্র (Bangladesh Polls 2025) হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছেন। ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে নিজ দেশে তিনি যে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন, তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি এক্স‘ হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে বলেন, “প্রিয় বন্ধু, বোন ও ভাইয়েরা, সারা বাংলাদেশে, গত বৃহস্পতিবার এমন একটি দিন ছিল যা আমি চিরকাল হৃদয়ে ধরে রাখব, যেদিন ১৭টি দীর্ঘ বছর পর আমি আমার মাতৃভূমির মাটিতে ফিরে এসেছি। আপনাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, ঢাকার রাস্তা ধরে মুখচ্ছবিগুলোর সমুদ্র এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রার্থনা—এসব মুহূর্ত আমি কখনো ভুলব না। আমার গভীরতম ধন্যবাদ সবাইকে। শব্দে পুরোপুরি প্রকাশ করা সম্ভব নয় আমাদের পরিবার এবং আমার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের জন্য কেমন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অনুভব করছি। আমাদের সেইসব সমর্থকদের প্রতি, যারা প্রতিটি কঠিন সময়ে আমাদের পাশে ছিলেন এবং কখনও আশা হারাননি, আপনাদের সাহস আমাকে শক্তি জুগিয়ে চলেছে।”

    সব মামলায় মুক্ত তারেক

    তারেক রহমান (Tarique Rahman) ২০০৭-০৮ সালের সামরিক-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেফতার হয়েছিলেন। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি সপরিবারে লন্ডনে যান এবং দেশে ফিরে আসেননি। ২০১৮ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর পর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রহমানকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। গত সাত বছর ধরে তিনি লন্ডন থেকে ভিডিও কলের মাধ্যমে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এবার লড়বেন নির্বাচনে (Bangladesh Polls 2025)।

    হিন্দু নির্যাতন কি কমবে?

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতা পরিবর্তনের পর, আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আমলে দায়ের করা মামলাগুলি থেকে তারেক (Tarique Rahman) একে একে মুক্তি পেয়েছেন। এরপর দেশে ফেরার পথ প্রশস্ত হয়েছে। বিএনপি এর আগে ১৩তম সংসদ নির্বাচনের জন্য আংশিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছিল, যেখানে বলা হয়েছিল তারেক রহমান প্রথমবারের মতো বগুড়া-৬ আসন থেকে ভোট দেবেন।

    তবে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে (Bangladesh Polls 2025) ঘিরে দেশের অভ্যন্তরে হিন্দুদের উপর কট্টর মৌলবাদীদের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেই চলছে। ভালুকা, রাজশাহী, পিরোজপুরে লাগাতার হিন্দুদের টার্গেট করা হচ্ছে। কাউকে ধর্মীয় অবমাননার মিথ্যা অপবাদ পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে আবার কোথাও বাইরে থাকে ঘরে তালা লাগিয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার কর্মকাণ্ড চলছে। সবটা মিলিয়ে নির্বাচনকে ঘিরে সংখ্যা লঘুদের উপর ফের একবার বিপর্যয় নেমে এসেছে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব ঢাকার, কারণ কী?

    Bangladesh: বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব ঢাকার, কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া মোড় নিচ্ছে ভারত-বাংলাদেশের (Bangladesh) সম্পর্ক! দিন কয়েক আগে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে (Reaz Hamidullah) তলব করেছিল নয়াদিল্লি। তার পরপরই ঢাকায় জরুরি তলব করা হয় হামিদুল্লাহকে। ডাক পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকা পৌঁছন তিনি। গত বছরের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অপসারণ এবং মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। তবে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশে নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ায় সেই উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক (Bangladesh)

    বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, “ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় ডাকা হয়েছে।” জানা গিয়েছে, বিদেশমন্ত্রকের এক ‘দায়িত্বশীল সূত্রে’র উদ্ধৃতি দিয়ে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তলবের প্রেক্ষিতে হামিদুল্লাহ সোমবার রাতে ঢাকায় পৌঁছন। প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছ, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্যই তাঁকে ঢাকায় ডাকা হয়েছে।” শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশজুড়ে (Bangladesh) ব্যাপক বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই নতুন অস্থিরতার মধ্যেই একদল বিক্ষোভকারী চট্টগ্রামে ভারতের উপ রাষ্ট্রদূতের অফিসে হামলার চেষ্টা করে। সেই প্রেক্ষিতেই ভারত ওই মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করে। এর আগে ভারত বাংলাদেশে নিযুক্ত দূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করে এবং ঢাকায় ভারতীয় মিশনের চারপাশে নিরাপত্তাজনিত অস্থিরতা তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করা কিছু চরমপন্থীকে নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত

    এর পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ নয়াদিল্লিতে অবস্থিত সে দেশের হাইকমিশন এবং ত্রিপুরায় অবস্থিত মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করে দেয়। পাশাপাশি, ভারতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের বাইরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে (Reaz Hamidullah)। তবে, একাধিক মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত এবং উভয় (Bangladesh) পক্ষের কূটনীতিকদের তলবের পরেও ঢাকা যে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে সাজাতে আগ্রহী, তারই ইঙ্গিত মিলল। গত সপ্তাহে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করছেন এবং এ বিষয়ে তিনি নিজেও বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে কথা বলছেন।”

    সালেহউদ্দিন আহমেদ

    গত সপ্তাহে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছিলেন, প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা দুই দেশের মধ্যে কোনও তিক্ততা চাই না। বাইরে থেকে যদি কেউ সমস্যা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে, তা কোনও দেশের স্বার্থেই ভালো নয় (Bangladesh)।” এদিকে, বাংলাদেশ ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল আমদানির একটি প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে। সালেহউদ্দিন আহমেদ একে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার একটি পন্থা বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই চাল আমদানি বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হবে, কারণ ভারত ছাড়া আর একটি বড় বিকল্প ভিয়েতনাম থেকে চাল আনতে হলে প্রতি কেজিতে ১০ বাংলাদেশি টাকা বেশি খরচ পড়বে। সালেহউদ্দিন বলেন, “আমাদের বাণিজ্যনীতি রাজনৈতিক বিবেচনায় (Reaz Hamidullah) পরিচালিত নয়। যদি ভিয়েতনাম বা অন্য কোনও দেশ থেকে চাল আনার তুলনায় ভারত থেকে চাল আমদানি সস্তা হয়, তাহলে অর্থনৈতিক দিক থেকে ভারত থেকেই এই প্রধান খাদ্যশস্য কেনাই যুক্তিসঙ্গত (Bangladesh)।”

  • Khaleda Zia: প্রয়াত খালেদা জিয়া, বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কেমন ছিল ভারতের সম্পর্ক?

    Khaleda Zia: প্রয়াত খালেদা জিয়া, বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কেমন ছিল ভারতের সম্পর্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি-এর চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৮০। অশীতিপর বিএনপি নেত্রীর শারীরিক পরিস্থিতি গত কয়েক দিন ধরেই সঙ্কটজনক ছিল। রাজধানী ঢাকার হাসপাতালে সিসিইউ-তে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বাংলাদেশে।

    বাংলাদেশ প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী

    শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা হিসাবে যেমন বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন হাসিনা, তেমনই খালেদার পরিচিতি ছিল জিয়াউর রহমানের স্ত্রী হিসাবে। স্বামীর মৃত্যুর পর অবশ্য নিজেই নিজের পরিচিতি তৈরি করেছিলেন খালেদা। হাল ধরেছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পার্টি (বিএনপি)-র। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম মহিলা হিসাবে প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা। তাঁর কিডনির সমস্যা অনেক পুরনো। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্টের কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। পরীক্ষার পর ফুসফুসে সংক্রমণ এবং নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। সূত্রের খবর, বয়সজনিত কারণে পরিস্থিতি অনেক জটিল হয়ে উঠেছিল। কারণ, তাঁর শরীরে আগে থেকেই একাধিক সমস্যা ছিল। একটির চিকিৎসা করতে গেলে অন্য রোগের উপর তার বিরূপ প্রভাব পড়ছিল। কিডনির কার্যকারিতাও অনেকটা কমে গিয়েছিল খালেদার।

    ছোটবেলায় খালেদা

    ১৯৪৫ সালের ১৫ অগাস্ট দিনাজপুর শহরের মুদিপাড়া এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন খালেদা। নাম ছিল খালেদা খানম পুতুল। তাঁর বাবা জনাব ইস্কান্দর মজুমদার এবং মা বেগম তৈয়বা মজুমদার। তাঁরা তিন বোন এবং দুই ভাই। জনাব ইস্কান্দর মজুমদার ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। খালেদা একদম ছোট বয়সে মিশন স্কুলে পড়াশোনা করেন। ৫ বছরেই সেখানে ভর্তি হন। এরপর দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাশ করেন ১৯৬০ সালে। সেই বছরই তাঁর বিয়ে হয় জিয়াউর রহমানের সঙ্গে। তখনই তাঁর নাম হয় খালেদা জিয়া বা বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর স্বামী জিয়াউর রহমান ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন ক্যাপ্টেন। পরবর্তী সময় তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।

    স্বামীর হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ

    ১৯৮১ সালে খালেদার জীবন এক কঠিন সময় আসে। সেই বছর ৩০ মে সামরিক অভ্যুত্থানে প্রাণ হারান জিয়াউর রহমান। এরপরই খালেদার রাজনীতিতে প্রবেশ। তিনি ১৯৮২ সালে বিএনপি-তে যোগ দেন। ১৯৮৪ সালের ১০ মে দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। এরপরই তাঁর জীবন নতুন মোড় নেয়। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলনের জেরে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা নেন তিনি।

    ১৯৯১ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী

    সালটা ছিল ১৯৯১। সেই বছরই প্রথমবারের জন্য নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া। তারপর আবার ১৯৯৬ সালে তাঁর মাথায় চাপে একই দায়িত্ব। তবে সেই দফায় রাজনৈতিক চাপে তিনি প্রধানমন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। এরপর আবার তিনি ২০০১ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব সামলেছেন। তবে ২০০৭ সাল থেকে খালেদা জিয়ার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। এই সময় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। ১ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তাঁকে দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার করা হয়। এই সময় তিনি এক বছরের বেশি সময় কারাগারে ছিলেন। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে আদালতের নির্দেশে জামিনে মুক্তি পান। শুধু তাই নয়, ২০১৮ সালে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জিয়াকে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে শক্তিশালী এবং বিতর্কিত এক ব্যক্তিত্ব খালেদা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হাত ধরেই জমি শক্ত করেছিল তাঁর দল বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি)। তাঁর আমলেই মহাশক্তিশালী হয়ে ওঠে জামাত-ই-ইসলামি-সহ অন্যান্য মৌলবাদী সংগঠন। ভারতের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক যে খুব একটা মধুর ছিল না তা সবার জানা। মুজিব হত্যার পর রাজাকারদের আশ্রয় দিয়েছিলেন তাঁর স্বামী সেনাশাসক জেনারেল জিয়াউর রহমান। তাঁর মৃত্যুর পর একই কাজ করে গিয়েছেন খালেদা। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বাংলাদেশে বিএনপি সরকারের আমলে আরও অশান্ত হয়ে উঠেছিল ভারতের ‘সেভেন সিস্টারস’ বা ‘সাত বোন’। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অশান্তির মূল কারিগর ছিলেন তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। জানা যায়, উত্তর–পূর্ব ভারতে আলফা, এনডিএফবি, এনএলএফটি, এটিটিএফ–এর মতো সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলি সেই সময়ে অনেকটাই শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। অভিযোগ ওঠে, ওই সংগঠনগুলির নেতাদের বেশিরভাগই আশ্রয়স্থল ছিল বাংলাদেশ। সেদেশের মাটি ব্যবহার করেই ভারতে একের পর এক হামলার ষড়যন্ত্র করেছিল তারা।

    দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশ

    ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয় খালেদার দল বিএনপি। প্রথমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন জিয়াউর পত্নি খালেদা। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে এসেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের দিকে খালেদা নজর দেন কিন্তু বিতর্ক তাঁর পিছু ছাড়েনি। তাঁর শাসনে বাংলাদেশে মৌলবাদ চরম আকার নেয়। সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন, হিংসা মাত্রাছাড়া হয়ে ওঠে। যার ফলস্বরূপ পরের নির্বাচনে আওয়ামি লিগের কাছে হারের মুখ দেখতে হয় মুজিব চেতনাকে দুরমুশ করা পাকপন্থী বিএনপিকে। ক্ষমতা হারালেও বিরোধী নেত্রী হিসেবে দাপটের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যান তিনি। ২০০১ সালে ফের ক্ষমতায় আসে তার দল। আবারও প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া। কিন্তু পরিস্থিতি বদলায়নি। সমস্ত ক্ষমতার রাশ নিজের হাতে নিয়ে ফের শুরু হয় খালেদার দাপট। গণআন্দোলন, জনমত এবং জনপ্রিয়তাকে ভিত্তি করে ক্ষমতায় এলেও অচিরেই তাঁর শাসনে অরাজকতা ও দুর্নীতি ভয়াবহ আকার নেয়। সাম্প্রদায়িক হিংসা ব্যাপক বাড়ে বাংলাদেশে। মৌলবাদ ও রাজনৈতিক হিংসার ঘটনাও লাগামছাড়া আকার নেয়। তার মেয়াদকালে দুর্নীতির সূচকে (২০০১-২০০৫) বাংলাদেশ টানা পাঁচ বছর বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে উঠে আসে।

     

     

     

     

     

  • Bangladesh: পাঁচটি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ! সংখ্যালঘুদের ওপর ফের আক্রমণ বাংলাদেশে

    Bangladesh: পাঁচটি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ! সংখ্যালঘুদের ওপর ফের আক্রমণ বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) মুসলিম-প্রধান এলাকা পিরোজপুর জেলার দুমড়িতলা গ্রামে একটি হিন্দু গ্রামে অন্তত পাঁচটি বাড়ি অগ্নিসংযোগে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটিকে সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে চালানো হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনা ঘটেছে গত ২৮ ডিসেম্বর। উল্লেখ্য এর আগে ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে ২৯ বছর বয়সী গার্মেন্টস কারখানায় কর্মরত দীপু চন্দ্র দাসকে ধর্ম অবমাননার কারণে মিথ্যা অভিযোগে একদল মুসলিম উন্মত্ত জনতা প্রথমে পিটিয়ে হত্যা করেছিল এবং এরপর তাঁর মৃতদেহ আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় এই হিন্দু নির্যাতনের (Attacks On Minorities Hindu) ঘটনায় ভারতেও ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় একাধিক হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে।

    কাপড় গুঁজে আগুন লাগিয়ে দেয় (Bangladesh)

    স্থানীয় (Bangladesh) প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। কট্টরপন্থী হামলাকারীরা (Attacks On Minorities Hindu) ঘরের একটি ঘরে কাপড় গুঁজে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং এরপর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত সাহা পরিবারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা। পরিবারের সদস্যরা বলেন, এই ঘটনা আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। তবে তাঁরা প্রকাশ্যে কথা বলতে রাজি হন নি। আগুন পরিকল্পনা করেই লাগানো হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে পুলিশ তদন্ত করছে।

    পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, ভোরের দিকে আগুন দেখতে পেয়ে বুঝতে পারা যায় বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলযার ফলে তারা ঘরের ভেতর আটকে পড়েন। পরে দুটি পরিবারের মোট আটজন সদস্য টিনের চাল ও বাঁশের বেড়া কেটে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। ঘরবাড়ি ও সমস্ত আসবাবপত্র সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এমনকি আগুনে বাড়ির পোষা প্রাণীরাও মারা গেছে।

    এই ঘটনাস্থলটি রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ ইতোমধ্যে পাঁচজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে স্থানীয় লোকজন একাধিক ঘরে ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন।

    আন্তর্জাতিক সংস্থার দাবি

    হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ (Bangladesh) মাইনরিটিজ (HRCBM) জানিয়েছে, চলতি বছরের জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে হিন্দু সংখ্যালঘুদের অভিযোগকে কেন্দ্র করে অন্তত ৭১টি ঘটনার তথ্য তারা সংগ্রহ করেছে। এসব ঘটনা চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, সুনামগঞ্জ, খুলনা, কুমিল্লা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিলেটসহ ৩০টিরও বেশি জেলায় নথিভুক্ত হয়েছে। সংস্থাটির মতে, এসব ঘটনার বিস্তার ও পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে যে এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং ধর্মীয় অভিযোগকে ব্যবহার করে সংখ্যালঘুদের একটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।  

    পাকিস্তানের সঙ্গে মিত্রতা ইউনূসের

    প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ জনসংখ্যার এই দক্ষিণ এশীয় দেশটি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্রমশ ধর্মীয় রক্ষণশীলতার দিকে ঝুঁকছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Bangladesh) ক্ষমতাচ্যুতির পর দেশটি একটি অনিশ্চিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই সময়ে উগ্র ইসলামপন্থীদের উত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকার মুছে ফেলার প্রচেষ্টা এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে পাকিস্তানের দিকে ঝোঁকার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। অথচ এই পাকিস্তানই বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যাপক নির্যাতন (Attacks On Minorities Hindu) ও হত্যালীলা চালিয়েছিল।

    চরম হিন্দু নির্যাতন!

    বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনৈতিক পরিসরে নিয়মিত ভারতবিরোধী বক্তব্য শোনা যাচ্ছে, যার মধ্যে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সম্পর্কিত উসকানিমূলক মন্তব্যও রয়েছে। এসব বক্তব্যের সূত্রপাত হয় মুহাম্মদ ইউনূসের ওই অঞ্চল নিয়ে করা এক মন্তব্য থেকে। বিশ্লেষকদের মতে, বিভিন্ন উগ্র গোষ্ঠী এই ভারতবিরোধী মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আড়ালে কট্টর মৌলবাদীরা রাজত্ব করছে।

    বাংলাদেশ যখন ইউনূস সরকারের অধীনে নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে, তখন বিচ্ছিন্ন হলেও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনা বাড়ছে, যা মানবাধিকার সংগঠন ও পর্যবেক্ষকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। গত ২৪ ডিসেম্বর রাজবাড়ী শহরে আরেক হিন্দু ব্যক্তি অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাটকে উন্মত্ত জনতা হত্যা করে। তবে বাংলাদেশ সরকার দাবি করেছে, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক গুরুতর মামলা ছিল এবং ঘটনাটি সাম্প্রদায়িক হামলা নয়। আসলে বাংলাদেশে এখন হিংস্রতা (Attacks On Minorities Hindu) চরম সীমায়।

LinkedIn
Share