Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh Crisis: হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হচ্ছে বাংলাদেশ!

    Bangladesh Crisis: হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হচ্ছে বাংলাদেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina) দেশে ফেরাতে (Bangladesh Crisis) ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হচ্ছে বাংলাদেশ। শনিবার বিকেলে ঢাকার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশের সরকারি আইনজীবী তথা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মহম্মদ তাজুল হোসেন।

    সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য (Bangladesh Crisis)

    ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হবে।” তিনি জানান, ইন্টারপোলের মাধ্যমে হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যে এ বিষয়ে চুক্তি রয়েছে, তাও মনে করিয়ে দেন তাজুল। বাংলাদেশের সরকারি আইনজীবী তথা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর বলেন, “হাসিনা-সহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু মামলার তদন্ত রিপোর্ট আমরা মার্চ মাসের মধ্যেই হাতে পেয়ে যাব বলে আশা করছি। যদি আনুষ্ঠানিকভাবে ওই রিপোর্ট পেয়ে যাই, তাহলে এক-দেড় মাসের মধ্যেই বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করে দেওয়া হবে।”

    বিরতি ছাড়াই চলবে বিচার

    তিনি বলেন, “কতদিন ধরে তা চলবে, এখনই বলা সম্ভব নয়। নথির পরিমাণ, সাক্ষীদের বয়ান বিচার করে আদালত সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আমাদের দিক থেকে যত দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার কাজ এগোনো যায়, সেই চেষ্টা করব। কোনও বিরতি ছাড়াই চলবে ট্রাইব্যুনালের বিচার।” তাজুল বলেন, “ইন্টারপোলের মাধ্যমে হাসিনাকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি রয়েছে। আওয়ামি লিগ সরকারই তা স্বাক্ষর করেছিল। আশা করছি, এই চুক্তির শর্ত মেনেই ভারত হাসিনাকে ফিরিয়ে দেবে।”

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি কোনও সাধারণ খুনের ঘটনা নয়। এগুলি মানবতাবিরোধী অপরাধ। যার বিস্তৃতি ৫৬ হাজার বর্গমাইল। দু’হাজারেরও বেশি মানুষ এতে শহিদ হয়েছেন। আহতের সংখ্যা ২৫ হাজারেরও বেশি। আমরা দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শুরুর চেষ্টা করছি।” প্রসঙ্গত, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে আসেন হাসিনা। তাঁকে ফেরত চেয়ে নয়াদিল্লিকে চিঠিও দিয়েছে ঢাকা (Sheikh Hasina)। সেই চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করলেও, ভারত এখনও তার জবাব দেয়নি (Bangladesh Crisis)।

  • Israel: রমজানে দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধ বিরতির মার্কিন প্রস্তাব, সায় ইজরায়েলের

    Israel: রমজানে দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধ বিরতির মার্কিন প্রস্তাব, সায় ইজরায়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস (Gaza) ও ইজরায়েলের (Israel) মধ্যে ৪২ দিনের যুদ্ধবিরতি শেষ হয়েছে গতকাল শনিবার। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের একটি নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে ইজরায়েলের সরকার। এমনটাই জানা গিয়েছে। এই প্রস্তাবের আওতায় পুরো রমজান মাসে যুদ্ধবিরতি বজায় থাকতে চলেছে। ইজরায়েলের সংবাদমাধ্যমগুলি জানিয়েছে, নতুন যুদ্ধবিরতি রমজান মাস এবং ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের পাসওভার (Israel) উৎসব পর্যন্ত বহাল থাকবে।

    চুক্তির প্রথম ধাপে ৪২ দিন গাজায় বন্ধ রাখা হয়েছিল যুদ্ধ

    এর আগে চুক্তির প্রথম ধাপে ৪২ দিন গাজায় বন্ধ রাখা হয়েছিল যুদ্ধ। সেই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী দুই পক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল, তবে তা বাস্তবে হয়নি। প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি চলাকালীন বন্দিবিনিময় পর্ব সম্পন্ন হয় দুই দেশের মধ্যে। নেতানিয়াহুর সরকার জানিয়েছে, গাজা উপত্যকায় (Israel) এখনও পর্যন্ত ২৭ জন জীবিত বন্দী আছে এবং ৩২টি মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

    যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত (Israel)

    যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে বন্দী বিনিময়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা ও দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা অন্যতম উদ্দেশ্য। বর্তমানে অনুমোদিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, যেদিন ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব পাসওভার শেষ হবে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধবিরতির প্রথম দিনেই জীবিত ও মৃত বন্দীদের অর্ধেককে মুক্তি দেওয়া হবে। এরপর যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষে যদি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তবে বাকি বন্দীদেরও মুক্তি দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দাবি করেছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের একটি পরিকল্পনা, যা ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু অনুমোদন করেছেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের দাবি ইজরায়েল সম্পূর্ণরূপে যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত মেনে চলছে, তবে হামাস বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছিল যুদ্ধ।

  • Tibet: ভূমিকম্পের পরে হয়েছিল বন্ধ, তিব্বতের মাউন্ট কোমোলাংমা অংশ পর্যটকদের জন্য খুলল চিন

    Tibet: ভূমিকম্পের পরে হয়েছিল বন্ধ, তিব্বতের মাউন্ট কোমোলাংমা অংশ পর্যটকদের জন্য খুলল চিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতে পরপর ভূমিকম্পে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয় তিব্বত (Tibet)। গত জানুয়ারি মাসের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর জনসাধারণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল তিব্বত (Tibet) স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে অবস্থিত মাউন্ট কোমোলাংমা। এই অঞ্চলের খ্যাতি রয়েছে মনোরম পরিবেশের জন্য। গতকাল শনিবারই মাউন্ট কোমোলাংমা অংশটি পর্যটকদের জন্য খুলে দিয়েছে চিন।

    তিব্বতি ভাষায় (Tibet) মাউন্ট এভারেস্টকে মাউন্ট কোমোলাংমা বলা হয়

    বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের (Mt Everest) ডিংরিতে ৬.৮ রিখটার স্কেলের তীব্র ভূমিকম্পের পর গত ৭ জানুয়ারি এই এলাকাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, তিব্বতের (Tibet) এই ভূমিকম্পে ১২৬ জন নিহত হন। আহত হন ১৮৮ জন। ভূমিকম্পের পরেই পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এই মাউন্ট কোমোলাংমা অংশটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, তিব্বতি ভাষায়, মাউন্ট এভারেস্টকে মাউন্ট কোমোলাংমা বলা হয়। এই অংশটি চিন ও নেপালের সীমান্তের অংশ।

    কী বললেন প্রশাসনিক অধিকর্তা

    চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সের অধীনে রয়েছে মাউন্ট কোমোলাংমা অ্যাটমোস্ফিয়ার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট কম্প্রিহেনসিভ অবজারভেশন অ্যান্ড রিসার্চ স্টেশন। এরই অধিকর্তা মা ওয়েইকিয়াং সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘এই এলাকাটি ফের একবার জনগণের জন্য খুলে দিয়েছি আমরা। বর্তমানে এখানকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে।’’ জানা গিয়েছে, গত ২২ জানুয়ারি স্থানীয় প্রশাসনের তরফ থেকে এলাকাটি পরিদর্শন করা হয়। এর পরে ৩৫ দিন ধরে চালানো হয় পর্যবেক্ষণ। পরে তা খোলা হল ১ মার্চ। পরিসংখ্যান বলছে গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে এই অঞ্চলে এসেছিলেন ৫৪৭,৬০০ জনেরও বেশি পর্যটক। যার মধ্যে ১৩,৭০০ বিদেশী পর্যটক। এঁরা মূলত এসেছিলেন সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, জার্মানি এবং ফ্রান্স থেকে। প্রসঙ্গত, গত ৭ জানুয়ারি ছিল মঙ্গলবার। সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ জোরালো ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে তিব্বত। এর প্রভাব পড়ে নেপাল, ভুটান এবং ভারতেও। সে সময় সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানায়, তিব্বতের শিগাতসের এই ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অন্তত আট লক্ষ মানুষ।

  • Bangladesh: ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানকে অস্বীকার! তথ্য-বিকৃতি বাংলাদেশের ৪৪১ পাঠ্যপুস্তকে

    Bangladesh: ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানকে অস্বীকার! তথ্য-বিকৃতি বাংলাদেশের ৪৪১ পাঠ্যপুস্তকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অগাস্ট মাসেই পদচ্যুত হন শেখ হাসিনা। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান রূপে দায়িত্ব নেন মহম্মদ ইউনূস (Yunus Regime)। এরপর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা যেমন বাড়তে থাকে, একইভাবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকাকে অস্বীকার করার মতো বিভিন্ন পদক্ষেপও করতে থাকে ইউনূস সরকার। এ নিয়ে ভারতেরই একাধিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে খবর। ওই খবরগুলোতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের (Bangladesh) জাতীয় পাঠক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদানকে অবমূল্যায়ন করার জন্য চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখেনি। এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশের জাতীয় পাঠক্রমে যেভাবে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তার মধ্যে একটি উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবেই বোঝা যাচ্ছে যে, সে দেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের যে অবদান সেটিকে অবমূল্যায়ন করা ও ভারতের সেনাবাহিনীকে খাটো করা। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের নাগরিকদের ভুলিয়ে দেওয়া, ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানি সেনাকে পরাস্ত করতে সরাসরি যুদ্ধে নেমেছিল ভারতের সেনা।

    ৪৪১টি বইতে পরিবর্তন, অবমূল্যায়ন করা হয়েছে ভারতের ভূমিকা

    বাংলাদেশ (Bangladesh) নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য আরও সামনে এসেছে। তথ্য বলছে, গত অগাস্ট মাসের পর থেকেই বাংলাদেশের পাঠ্য পুস্তকগুলিতে এ ধরনের পরিবর্তন করা হতে থাকে। প্রাথমিক স্তর, মাধ্যমিক স্তর এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়গুলিতে সিলেবাসের ৪৪১টি বইতে এই ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সম্পূর্ণভাবে ভারতের ভূমিকাকে খাটো করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের ষষ্ঠ শ্রেণির একটি ইংরেজি বই ছিল। এই বইতে ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের ২টি ছবি ছিল। এই দুটি ছবি ১৯৭২ সালের তোলা। ইউনূস সরকারের জমানায় এই ছবি দুটিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই দুটি ছবির মধ্যে একটি ছিল কলকাতার সমাবেশে ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে মুজিবুর রহমানের একসঙ্গে তোলা ফটো। অপরটি ছিল ঢাকা বিমানবন্দরে ইন্দিরা গান্ধীকে স্বাগত জানাচ্ছেন মুজিবুর রহমান, এমন একটি ছবি।

    কী বলছেন বাংলাদেশের (Bangladesh) শিক্ষা বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান

    এ নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে সে দেশের শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে এম রিয়াজুল হাসানকে। তিনি স্পষ্টত স্বীকার করেন যে এই ছবিগুলি ২০২৩-২৪ সালের পাঠক্রমের অংশ ছিল। কিন্তু বর্তমানে তা বাতিল করা হয়েছে। এর পাশাপাশি এনসিটিভির চেয়ারপার্সন একেএম রিয়াজুল হাসান এক ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “পুরোনো বইগুলিতে বলা হয়েছে যে ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে ভারতই প্রথম বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তবে, আমরা জানি ভুটানই প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর। চলতি বছরে সময় কম থাকায় আমরা এটি সংশোধন করতে পারিনি। আমরা পরের বছর এটি সংশোধন করব।” এখানেই থামেননি রিয়াজুল হাসান। আরও জানিয়েছেন যে, পাঠ্যপুস্তকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের ঘটনাটাই রাখা হয়েছিল। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কিংবা জাতীয় সংগীত নিয়ে কিছু ছিল না। এ প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ তোলেন যে এগুলি ভারত, বাংলাদেশের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল এবং তাঁরা তা সংশোধন করছেন।

    ব্যাপক মিথ্যাচার! বঙ্গবন্ধু নয়, স্বাধীনতার ঘোষক নাকি জিয়াউর রহমান

    ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে সরকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়ারদের জন্য নয়া পাঠ্য পুস্তকের প্রবর্তন করে। কিন্তু সেখানে ব্যাপক মিথ্যাচার করা হয় বলে অভিযোগ। এখানেই দাবি করা হয় যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। যদিও আসল সত্য হল যে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ গ্রেফতার করে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। গ্রেফতারের আগে তিনি একটি ওয়ারলেস বার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। ওই বার্তাতে বঙ্গবন্ধু বলেন, “এটিই আমার শেষ বার্তা হতে পারে, তবে আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি যে, আপনারা যেখানেই থাকুন না কেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ করুন। পাকিস্তানের দখলদার সেনাবাহিনীর শেষ সৈনিককে বাংলাদেশের মাটি থেকে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত আপনাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।” এই বার্তাটি বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ তফশিলের একটি অংশ। শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ দুবার সম্প্রচারিত হয়েছিল। জানা যায় সে সময়ে এ নিয়ে খবরও করেছিল ভারতের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম। যেমন দ্য স্টেটসম্যান, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া। আন্তর্জাতিক স্তরে খবর করে দ্য লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস। তা সত্ত্বেও সম্পূর্ণভাবে মিথ্যাচার করে ইউনূস সরকারের অধীনে অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্য পুস্তক থেকে স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণাটি জিয়াউর রহমানের নামে করে দেয়।

    স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক হিসেবে জিয়াউরের নাম পাওয়া যায়না

    প্রকৃতপক্ষে ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ এমন কোনও ঘোষণা করেছিলেন জিয়াউর রহমান, এক্ষেত্রে কোনও প্রমাণ মেলেনি। তবে এটা নথিভুক্ত রয়েছে যে তার একদিন পরে জিয়াউর রহমান একটি ঘোষণা করেন। কালুরঘাট যা চট্টগ্রাম শহরের উত্তর দিকে অবস্থিত সেখান থেকে দ্বিতীয় স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন জিয়াউর। কী বলেছিলেন ওই ঘোষণায়? ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ তিনি রেডিওতে ঘোষণা করেন, “আমি, মেজর জিয়াউর রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে, এতদ্বারা ঘোষণা করছি যে স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমি প্রজাতন্ত্রের অস্থায়ী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। আমি সকল বাঙালিকে পশ্চিম পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের মাতৃভূমিকে মুক্ত করার জন্য আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করব। আল্লাহর রহমতে, বিজয় আমাদের।”

    ভারতের ভূমিকাকে অবমূল্যায়ন ও বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার চেষ্টা

    অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে একদিকে যেমন ভারতের ভূমিকাকে অবমূল্যায়ন ও খাটো করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলারও এক ব্যাপক প্রয়াস বাংলাদেশ জুড়ে শুরু করেছে ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। স্কুলের পাঠক্রমগুলিতে এভাবেই মিথ্যাচার করা হচ্ছে। তথ্য বিকৃত করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় সেনাবাহিনীতে ছিলেন জিয়াউর রহমান। পরবর্তীকালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি স্থাপন করেন। বাংলাদেশের ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। জানা যায় শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতিতে বাঙালি পরিচয়কে আগে রেখেছিলেন। কিন্তু জিয়াউর রহমান ইসলামের ওপর ভিত্তি করে একটি আলাদা পরিচয় প্রচার করেছিলেন। শুধু তাই নয় জিয়াউর রহমানের আমলে বাংলাদেশে হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদেরও কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এরপরে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিএনপি চেয়ারপার্সন হন। তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্ব কালে বাংলাদেশে উগ্র ইসলামিক সংগঠনগুলির বাড়বাড়ন্ত বাড়তেই থাকে। এর পাশাপাশি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক অনুপ্রবেশ বৃদ্ধি পায়। ভারতে বাড়ে জঙ্গি কার্যকলাপ। বাংলাদেশে হিন্দু সমাজের মানুষজনের ওপরে অসংখ্য হামলার অভিযোগ ওঠে।

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ভারত বিরোধিতা

    প্রসঙ্গত এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে শেখ হাসিনাকে অগণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। দখল করা হয় গণভবন। তারপর থেকেই ভারতের সঙ্গে একেবারে শত্রুতাপূর্ণ মনোভাব নিয়ে চলতে দেখা যায় মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের একজন শীর্ষ উপদেষ্টা ভারত সরকারকে সরাসরি হুমকি দেয়। ওই হুমকিতে বলা হয়, ভারত যদি শেখ হাসিনাকে ফেরত না দেয়, তাহলে বাংলাদেশের তীব্র প্রতিবাদ শুরু হবে। একইসঙ্গে ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিতে শোনা যায় বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা সার্জিস আলমকে। সারজিস আলম ওই সময় বলেন, আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে চাই যে, এটা গুজরাট নয় এটা বাংলাদেশ। গুজব ছড়িয়ে এবং মানুষ হত্যা করে আপনি এখানে ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। একইসঙ্গে শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের দাবিও জানিয়েছিলেন সারজিস। এমন একাধিক ঘটনা সামনে আসতে থাকে।

  • Muhammad Yunus: বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে সরাতে সক্রিয় আইএসআই! জেনারেল জমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ইউনূস?

    Muhammad Yunus: বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে সরাতে সক্রিয় আইএসআই! জেনারেল জমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ইউনূস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনার জামানার পতনের পর মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus) জামানায় ঢাকা-ইসলামাবাদ দোস্তি চওড়া হয়েছে। পদ্মাপাড়ে ভারত বিরোধিতার সুর যত চড়েছে ততই পাকিস্তানের কোলে ঢলে পড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূস। পাকিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘ ৫০ বছর পর সমুদ্র বাণিজ্য চালু করেছে বাংলাদেশ (Bangladesh Army Chief)। করাচি থেকে পণ্যবাহী জাহাজ এসেছে চট্টোগ্রামে। এবার পাকিস্তান সেনার সঙ্গে যোগ রেখে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জমানকে সরাতে চাইছে ইউনূস প্রশাসন। তাঁর বদলে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়ে আসা হতে পারে পাক ঘনিষ্ঠ বাংলাদেশের সেনাবাহিনীতে চতুর্থ স্থান অধিকারী,ফয়জুর রহমানকে।

    ইউনূস এবং সেনাপ্রধানের মধ্যে বিরোধ!

    সূত্রের খবর, বাংলাদেশের (Bangladesh Army Chief) অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus) , যিনি গত বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের শাসনভার গ্রহণ করেছিলেন, তিনি দেশের সেনা প্রধানের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, জেনারেল জমান দীর্ঘদিন ধরে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তী সরকারকে নিয়ে অসন্তুষ্ট। তিনি দেশটির গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ এবং শেখ হাসিনার অপসারণের পর দেশটির আইন-শৃঙ্খলার অবনতির বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। শেখ হাসিনার পতনের পর জেনারেল জমান বারবার নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে কথা বললেও, বর্তমান পরিস্থিতির অজুহাতে ইউনূস দেশে নির্বাচনের তারিখ বারবার স্থগিত করেছেন। আরেকটি কারণ হতে পারে যে, জেনারেল জমান শেখ হাসিনার শাসনামলে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পান। তাঁর স্ত্রীর সম্পর্ক শেখ হাসিনার পরিবারে, যার ফলে দু’পক্ষের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

    ইউনূস সরকার এবং পাকিস্তানের আইএসআইয়ের ষড়যন্ত্র

    বিশেষ সূত্রমতে, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল জমান সন্দেহ করছেন যে, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এবং আইএসআই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাইছে। তাঁর ধারণা, আইএসআই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রভাব ফেলছে এবং তাদের পছন্দের লোকদের শীর্ষ পদে নিযুক্ত করার চেষ্টা করছে। গত মাসে পাকিস্তানের আইএসআই প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মালিকের বাংলাদেশ সফরকালে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়জুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকটি, জেনারেল জমানের প্রতি আইএসআইয়ের হস্তক্ষেপের চেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফয়জুর রহমান বাংলাদেশের সেনাবাহিনীতে চতুর্থ স্থান অধিকারী। তিনি পাকিস্তানের সমর্থক হিসেবে পরিচিত।

    জমানকে অপসারণের চেষ্টা

    বাংলাদেশ সেনার অভ্যন্তরে গুঞ্জন, অন্তবর্তী সরকার জেনারেল জমানকে সেনাপ্রধান পদ থেকে অপসারণ করে, ফয়জুর রহমানকে এই পদে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ফয়জুর রহমানকে পাকিস্তানের প্রতি সহানুভূতিশীল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর পক্ষে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও আইএসআইয়ের সমর্থন রয়েছে।

    বিরোধের সূত্রপাত

    গত অগাস্ট মাসের শুরুতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের সময়, আন্দোলনকারীদের পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন জেনারেল জমান এবং সেনা। তাদের চাপেই ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন হাসিনা। তারপর, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকার। বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করে বিচার বিভাগ, পুলিশ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইউনুস। সেই সঙ্গে সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত করার একটি রূপরেখা দিয়েছে ইউনূস সরকার। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এতদিন পর্যন্ত ছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আওতাধীন। অর্থাৎ, সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছিল প্রধানমন্ত্রীর হাতে। কাজেই, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে রাজনৈতিক প্রয়োজনে সেনাকে ব্যবহারের সুযোগ ছিল। তার বদলে সেনাকে রাষ্ট্রপতির আওতায় আনার প্রস্তাব দিয়েছে নয়া সরকার। এর ফলে, ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় থাকবে। কিন্তু আখেড়ে উল্টো কাজ করছে ইউনূস প্রশাসন। তার থেকেই বিরোধের সূত্রপাত।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

    বাংলাদেশে (Bangladesh Army Chief) শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ জায়গায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশে বিশেষত হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ব্যাপক সম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। যা ঢাকা এবং নয়াদিল্লির সম্পর্ককে জটিল করে তুলছে। ভারত, ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তী সরকারকে অভিযোগ করছে যে তারা সন্ত্রাসী মৌলবাদী ইসলামিক শক্তিগুলির দ্বারা সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ প্রসঙ্গে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে অক্ষম এবং এ ব্যাপারে চোখ বন্ধ করে রেখেছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ভারত সফরে এসে পাক গোয়েন্দারা ভারতের চিকেন নেকও দেখতে গিয়েছিলেন। যা ভারতের কাছে বিরক্তির কারণ। এই আবহে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে পাক ঘনিষ্ঠতা ভারতের কাছে অসন্তোষের।

  • Bomb Blast: এবার পাকিস্তানে ‘জিহাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে’ই বিস্ফোরণ, হত উপাচার্য-সহ অন্তত ৬

    Bomb Blast: এবার পাকিস্তানে ‘জিহাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে’ই বিস্ফোরণ, হত উপাচার্য-সহ অন্তত ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘জিহাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে’ই বিস্ফোরণ (Bomb Blast)। হত অন্তত ৬ জন। পাকিস্তানের (Pakistan) খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের দারুল উলুম হাক্কানিয়া মাদ্রাসার ঘটনা। ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে মাদ্রাসার মধ্যে থাকা মসজিদে। সেই সময় শুক্রবার নমাজ সবে শুরু হয়েছিল। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ওই মাদ্রাসার উপাচার্য তথা ধর্মীয় নেতা মৌলানা হামিদুল হক হাক্কানি। বিস্ফোরণে জখম হয়েছেন অন্তত ২০ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা পাকিস্তানের পুলিশ-প্রশাসনের।

    কী বলছে প্রশাসন? (Bomb Blast)

    উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের এই অংশ তালিবান অধ্যুষিত। মাদ্রাসার সঙ্গে তালিবানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। অতীতে এই মাদ্রাসায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন পাক তালিবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের মতো জঙ্গি-নেতাও। অনুমান, নমাজ আদায়ের সময় ঘটানো হয়েছে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ। যদিও ঘটনার দায় স্বীকার করেনি কোনও সংগঠন। খাইবার পাখতুনখোয়ার ইনস্পেক্টর জেনারেল জুলফিকর হামিদ সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, “প্রাথমিক তদন্তের পরে মনে করা হচ্ছে, মাদ্রাসায় আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। সম্ভবত উপাচার্য হাক্কানিই নিশানা ছিল হামলাকারীদের।”

    হত উপাচার্য হাক্কানি

    সূত্রের খবর, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের আক্কোরা খাট্টাক জেলায় রয়েছে মাদ্রাসাটি। মাদ্রাসাটির সঙ্গে যোগ রয়েছে আফগান তালিবানদের। ১৯৪৭ সালে মাদ্রাসাটি তৈরি করেছিলেন হাক্কানিয়ার বাবা মৌলানা আবদুল হক হাক্কানিয়া। বাবার মৃত্যুর পরে উপাচার্য হয়েছিলেন হাক্কানি। তিনি জামিয়াত উলেমা-ই-ইসলাম (সামি)-র প্রধান। গত বছর পাকিস্তানের ধর্মীয় নেতাদের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে আফগানিস্তানে গিয়েছিলেন হাক্কানি (Bomb Blast)। সেখানে তিনি তালিবান নেতাদের সঙ্গে বৈঠকও করেছিলেন।

    মাদ্রাসাটি ‘জিহাদ বিশ্ববিদ্যালয়’ নামেই পরিচিত

    এই মাদ্রাসাটি ‘জিহাদ বিশ্ববিদ্যালয়’ নামেই পরিচিত। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো হত্যায় নাম জড়িয়েছিল এই মাদ্রাসার পড়ুয়াদের। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এবার সেই মাদ্রাসায়ই ঘটল বিস্ফোরণ। এবং মারা গেলেন খোদ উপাচার্যই! হাক্কানি একজন রাজনীতিবিদও। তিনি ২০০২ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন।

    ঘটনাটিকে জঙ্গি হামলা বলে নিন্দা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি বলেন, “কাপুরুষের মতো এই জঘন্য ঘটনা রেয়াত করা হবে না। এই সন্ত্রাসবাদের যোগ্য জবাব আমরা দেব।”

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে বড়সড় জঙ্গি দমন অভিযান চালায় পাক সেনা। খতম হয় ৩০ জন জঙ্গি। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত জঙ্গিরা তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান সংগঠনের সদস্য। ফলে (Pakistan) এই হামলায় ওই সংগঠনের হাত উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা (Bomb Blast)।

  • Joe Biden: ইউএসএআইডির টাকা গিয়েছে হামাস, তালিবান, আল কায়েদার হাতে! কাঠগড়ায় বাইডেন প্রশাসন

    Joe Biden: ইউএসএআইডির টাকা গিয়েছে হামাস, তালিবান, আল কায়েদার হাতে! কাঠগড়ায় বাইডেন প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা গিয়েছে জঙ্গিদের হাতে! বিশ্বের মার্কামারা জঙ্গি সংগঠনগুলির হাতে পৌঁছেছে এই টাকা। জঙ্গিদের এই তালিকায় রয়েছে কুখ্যাত হামাস, তালিবান এবং আল কায়েদাও। ঘটনাটিকে মার্কিন কংগ্রেসের আইনপ্রণেতারা ‘জাতীয় লজ্জা’ এবং ‘মার্কিন করদাতাদের সঙ্গে বিপজ্জনক বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে অভিহিত করেছেন (Joe Biden)।

    অর্থ সাহায্যে উদ্বেগ (Joe Biden)

    জানা গিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (USAID) মাধ্যমে বিলি করা বৈদেশিক সাহায্য খরচ হয়েছে ওই খাতে। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসে এক শুনানি হয়। শিরোনাম ছিল ‘আমেরিকা লাস্ট: কীভাবে বিদেশি সাহায্য সারা বিশ্বে মার্কিন স্বার্থকে দুর্বল করেছে’। ইউএসএআইডি কীভাবে করদাতাদের অর্থ খরচ করেছে, তা খতিয়ে দেখতেই আয়োজন করা হয়েছিল শুনানির। এই শুনানিতে প্রতিনিধি টিম বারচেট এবং মার্জোরি টেলর গ্রিন ইজরায়েলের ওপর হামাসের প্রাণঘাতী হামলার পর ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় দেওয়া ২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    করদাতার অর্থ হামাসকে বাঁচিয়ে রেখেছে!

    বাইডেন প্রশাসনকে নিশানা করে বারচেট বলেন, “করদাতার অর্থ হামাসকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আমাদের সরকার অন্ধভাবে কোটি কোটি ডলার সেই অঞ্চলে পাঠাচ্ছে, যা আদতে একটি জঙ্গি সংগঠনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এটি সম্পূর্ণরূপে একটি অবমাননাকর ব্যাপার। এই প্রশাসন সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে এটা নিশ্চিত করতে যে আমাদের সাহায্য সেই লোকরাই অপব্যবহার করছে, যারা আমেরিকা ও ইজরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলতে চায়।” এক্সপার্ট উইটনেস রোমান সাক্ষ্য দিতে গিয়ে বলেন, “শিথিল তদারকি এবং জরুরি অনুমোদনের কারণে ইউএসএআইডি তহবিল গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এড়িয়ে গিয়েছে।”

    কাঠগড়ায় বাইডেন প্রশাসন

    বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “‘জরুরি ব্যবহার’ বিধানের কারণে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। এর ফলস্বরূপ, গাজার দিকে পাঠানো প্রায় ৯০ শতাংশ মার্কিন সাহায্য হামাস-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে চলে গিয়েছে। এটি অযৌক্তিক। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির আগে পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কার্যত হামাসের টিকে থাকায় ইন্ধন জুগিয়েছে।” বারচেট বলেন, “বাইডেন প্রশাসন এখনও আফগানিস্তানে প্রতি সপ্তাহে ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠাচ্ছে। এই অর্থের প্রধান উপভোক্তা তালিবান এবং আল কায়েদা।”

    তালিবানের কাছে নিলামে তোলা হয়

    এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন (Joe Biden), “প্রতি সপ্তাহে চার্টার জেটের মাধ্যমে আফগানিস্তানে করদাতাদের ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ পাঠানো হচ্ছে। এই নগদ অর্থ এরপর তালিবানের কাছে নিলামে তোলা হয়, যারা তাদের অংশ কেটে নেওয়ার পর বাকি অর্থ এনজিওগুলির মধ্যে বিলি করে। এই এনজিওগুলি পরে তালিবানকে ‘কর’ দিতে বাধ্য হয়, যা আদতে জঙ্গি শাসনব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে।” রোমানও বলেন, “আমাদের কাছে এমন প্রমাণও রয়েছে যেখানে মার্কিন সহায়তা পরোক্ষভাবে সোমালিয়ার আল-শাবাব, সুদানের হামজি নেটওয়ার্ক, হামাস, ইসলামিক জিহাদ, হিজবুল্লা, কাতাইব হিজবুল্লা এবং সিরিয়ার হায়াত তাহরির আল-শামকে সমর্থন করেছে।” তিনি বলেন, “ইউএসএইড কার্যত বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক সংগঠনগুলোর জন্য একটি নগদ অর্থের পাইপলাইন হয়ে উঠেছে।” গ্রিনের অভিযোগের আঙুল আবার ইউক্রেনের দিকে।

    “আমরা একে দুর্নীতি বলি”

    তিনি জানান, জো বাইডেন যখন ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখন ইউএসএইড (USAID) তহবিল ব্যবহার করে তাঁর ছেলে হান্টার বাইডেনকে ইউক্রেনে দুর্নীতির তদন্ত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেন, “যখন জো বাইডেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তাঁর ছেলে হান্টার ইউক্রেনের একটি জ্বালানি কোম্পানি, বুরিসমার বোর্ডে ছিলেন, যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় প্রসিকিউটর জেনারেল ভিক্টর শোকিন বুরিসমার বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, “তখন বাইডেন (Joe Biden) হুমকি দেন যে শোকিনকে বরখাস্ত না করলে ১ বিলিয়ন ডলার ইউএসএআইডি অনুদান আটকে দেওয়া হবে। এটা সব ভিডিওতে ধরা আছে।” সাক্ষী প্রিমোরাক বলেন, “আমরা একে দুর্নীতি বলি।”

    ইউএসএআইডির ভূমিকার নিন্দা

    ইউএসএআইডির ভূমিকার নিন্দা করে গ্রিন বলেন, “ইউএসএআইডি-প্রণোদিত শাসন পরিবর্তনের সবচেয়ে বিস্তৃত উদাহরণগুলোর একটি হল বাশার আল-আসাদকে উৎখাত করার জন্য সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন করা।” তিনি বলেন, “আমেরিকাকে নিরাপদ করার পরিবর্তে ইউএসএআইডির অর্থ শেষ পর্যন্ত এমন কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে পৌঁছে যায়, যারা পরবর্তীকালে মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে যায় (Joe Biden)।”
    রিপাবলিকান প্রতিনিধি এরিক বার্লিসন বলেন, “এটি আমেরিকান করদাতাদের প্রতি একটি লজ্জাজনক বিশ্বাসঘাতকতা। ইউএসএআইডি (USAID) সম্পূর্ণভাবে তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে এবং এর পূর্ণাঙ্গ সংস্কার প্রয়োজন।” তিনি বলেন, “আমরা এটা কখনওই মেনে নেব না যে আমেরিকান নাগরিকরা যখন জীবনযাত্রার খরচ মেটাতে সংগ্রাম করছেন, তখন বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার চলে যাচ্ছে জঙ্গিদের অর্থায়নে।”

  • Trump-Zelenskyy Meet: হল না খনিজ চুক্তি! ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে তুমুল বচসা, বাতিল যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন

    Trump-Zelenskyy Meet: হল না খনিজ চুক্তি! ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে তুমুল বচসা, বাতিল যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজিরবিহীন! বিশ্ব রাজনীতির অলিন্দে কান পাতলে এমন ঘটনা খুব কমই শোনা যায়। রুদ্ধদ্বার বৈঠক বেরিয়ে এল ঘরের বাইরে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার হোয়াইট হাউসে বৈঠকে বসেছিলেন (Trump-Zelenskyy Meet)। কিন্তু মাঝপথে রেগেমেগে বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট। ফলে দু’জনের মধ্যে পূর্ব ঘোষণা মতো চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। বাতিল হয় যৌথ সাংবাদিক বৈঠকও। এই ঘটনার জন্য ট্রাম্প এবং জেলেনস্কি পরস্পরকে দায়ী করেছেন।

    আপস করতে হবে ইউক্রেনকে

    ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই ইউক্রেন প্রেসিডেন্টকে আক্রমণ করছিলেন। বরফ গলে ইউক্রেনের (Trump-Zelenskyy Meet) খনিজ সম্পদের উপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরে জেলেনস্কি রাজি হওয়ার পর। শুক্রবার দুই প্রেসিডেন্ট বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকে একদিকে যেমন রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনা নিয়ে কথা হয়েছে, তেমনই ইউক্রেন-আমেরিকার খনিজ চুক্তি নিয়েও আলোচনা হয়। ট্রাম্প জেলেনস্কিকে জানিয়েছেন, তিনি নিরপেক্ষ থেকে দুদেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে চান। রাশিয়া বা ইউক্রেন কারও দিকেই তিনি ঝুঁকে নেই। তবে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করতে হলে খানিকটা আপস করতে হবে ইউক্রেনকে। ট্রাম্পের বক্তব্য, ইউক্রেন-রাশিয়ার মধ্যে শান্তি ফেরানোর উদ্যোগে এগিয়ে আসতে হবে ন্যাটোকেও। ক্রমে বাক্যালাপ গড়ায় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে।

    উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়

    ট্রাম্প রাশিয়া-ইউক্রেন (Trump-Zelenskyy Meet) যুদ্ধের জন্য জেলেনস্কিকে দায়ী করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘আপনি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ চাপিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু জেনে যান এই যুদ্ধ আপনি হেরে গিয়েছেন। আপনার সৈন্য কমে গিয়েছে। অস্ত্র কমে গিয়েছে। আপনি কিছুতেই জিততে পারেন না। কারণ আমরা আপনার পাশে নেই। আপনার উচিত কৃতজ্ঞ থাকা। আমরা অনেক কিছুই দিয়েছি আপনাদের।’’ পাল্টা জবাব দেন জেলেনস্কি। তাঁর কথায়, ‘‘আমেরিকার ভুল নীতির জন্য পুতিনের মতো খুনি মান্যতা পেয়ে যাচ্ছে। রাশিয়াই ইউক্রেন আক্রমণ করেছে। যেখানে তাঁদের দেশে মানুষ মারা যাচ্ছেন, আগুনে জ্বলছে শহরগুলি, সেখানে আপসের কথা আসছে কোথা থেকে।’’ জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘‘কিন্তু আপনাদের তো এই মুহূর্তে কিছুই করার নেই।’’ ইউক্রেনকে বাস্তববাদী হওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি। শেষপর্যন্ত জেলেনস্কির সঙ্গে কথা কাটাকাটি হতে থাকে ট্রাম্পের। বর্ষীয়ান রিপাবলিকান নেতার স্পষ্ট দাবি, জেলেনস্কির জায়গায় তিনি থাকলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতেই দিতেন না। এহেন পরিস্থিতিতে হোয়ইট হাউজ থেকে বেরিয়ে আসেন জেলেনস্কি। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ইউক্রেনের মানুষের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছেন বলেও তোপ দাগেন ট্রাম্প। দেন একাই লড়ার হুঁশিয়ারি।

    কেন বাদানুবাদ

    ঠিক কী নিয়ে দু’জনের আলোচনা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তা জানা যায়নি। কূটনৈতিক মহলের অনুমান, খনিজ চুক্তি নিয়ে শেষ মুহূর্তে ইউক্রেনের উপর কিছু শর্ত চাপাতে চান ট্রাম্প (Trump-Zelenskyy Meet)। তাতেই বেঁকে বসেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ড। অতীতে আমেরিকার জো বাইডেনের সরকার ইউক্রেনের পাশে ছিল। জেলেনস্কির দেশকে অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা করেছে আমেরিকা। রাশিয়ার বিরুদ্ধে সেই সব অস্ত্র ব্যবহার করেছে ইউক্রেন। ট্রাম্প এসেই সেই সব সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছেন। মার্কিন সহায়তা চালু রাখতেই ট্রাম্পের চাপের কাছে নতিস্বীকার করে ইউক্রেনের খনিজ পদার্থ নিয়ে চুক্তি করতে এবং হোয়াইট হাউস সফরে রাজি হন জেলেনস্কি।

    ক্ষমা চাইবেন না জেলেনস্কি

    হোয়াইট হাউস (White House Meeting) সূত্রে খবর, ট্রাম্প কোনও চুক্তির সম্ভাবনাকে এখনও উড়িয়ে দিচ্ছেন না। তবে তাঁর শর্ত হল ইউক্রেনকে গঠনমূলক কথাবার্তা চালাতে হবে। অন্যথায় খনিজ চুক্তি হওয়া সম্ভব নয়। বল এখন ইউক্রেনের কোর্টে। ওভাল অফিসে (Oval Office) যা হয়েছে, তা যে দুই দেশের সম্পর্কের পক্ষে ভাল নয়, মেনে নিয়েছেন জেলেনস্কিও (Trump-Zelenskyy Meet)। তাঁর কথায়, ‘‘এই ধরনের বাদানুবাদ উভয় পক্ষের জন্যই খারাপ। ট্রাম্প যদি ইউক্রেনকে সাহায্য না-করেন, তবে রাশিয়ার আক্রমণ ঠেকানো আমাদের পক্ষে মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। তবে আমি নিশ্চিত, এই সম্পর্ক মেরামত করা সম্ভব। কারণ, এটা শুধু দুই প্রেসিডেন্টের মধ্যে সম্পর্কের বিষয় নয়। এটা দুই দেশের মধ্যেকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক। আমি সবসময় আমাদের দেশের মানুষের পক্ষ থেকে আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। তবে এই ঘটনার জন্য ক্ষমা চাওয়ার কোনও প্রশ্ন উঠছে না।’’

    জেলেনস্কির পাশে ইউরোপ

    এই বৈঠকের পর ইউরোপের একাধিক দেশের রাষ্ট্রনেতা মুখ খুলেছেন। তাঁরা জেলেনস্কি এবং ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। আমেরিকার সঙ্গে ইউরোপের যে সমস্ত দেশের বন্ধুত্ব রয়েছে, মূলত তাঁরাই জেলেনস্কিকে সমর্থন করেছেন। ট্রাম্প আমেরিকার কুর্সিতে বসার পর থেকে এই মিত্র দেশগুলি আতঙ্কিত। তাদের ধারণা, জেলেনস্কিকে চাপে রেখে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকেই জয়ী ঘোষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে ট্রাম্পের। তাই একযোগে ইউরোপের রাষ্ট্রনেতারা মুখ খুলেছেন। জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ স্কলজ বলেন, ‘‘ইউক্রেনের মানুষ শান্তি চান।’’ ফান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ বলেন, ‘‘রাশিয়া আগ্রাসী, ইউক্রেনের মানুষ সেই আগ্রাসনের শিকার। আমরা ইউক্রেনের পাশে রয়েছি।’’ ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলেন, ‘‘ভেদাভেদ নয়, একজোট হতে হবে।’’

  • Bangladesh: ইউনূসে বিরক্ত ছাত্ররা! নয়া দলের আত্মপ্রকাশ বাংলাদেশে! ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের কী ইঙ্গিত?

    Bangladesh: ইউনূসে বিরক্ত ছাত্ররা! নয়া দলের আত্মপ্রকাশ বাংলাদেশে! ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের কী ইঙ্গিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) আত্মপ্রকাশ করল নতুন রাজনৈতিক দল। ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে আত্মপ্রকাশ করে এই নয়া দল। ছাত্রদের এই নতুন রাজনৈতিক দলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ (Jatiyo Nagarik Party)। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতারাই তৈরি করেছেন এই নয়া দল। বাংলাদেশে একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন দলের আহ্বায়ক বা নেতা হয়েছেন নাহিদ ইসলাম। দলের সদস্যসচিব হয়েছেন আখতার হোসেন। জানা গিয়েছে, তিনি জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। নতুন দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে এসেছেন সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদীব। সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব পদে নিযুক্ত হয়েছেন তাসনিম জারা ও নাহিদা সারওয়ার (নিভা)। অন্যদিকে দলের প্রধান সমন্বয়কারী পদে থাকছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। যুগ্ম সমন্বয়ক পদে এসেছেন আবদুল হান্নান মাসউদ। হাসনাত আবদুল্লাকে মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) ও সারজিস আলমকে মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) পদে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে খবর। নতুন রাজনৈতিক দলের হয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন।

    কেন ইউনূসে বিরক্ত ছাত্ররা (Bangladesh)

    প্রসঙ্গত গত অগাস্ট মাসেই শুরু হয় বাংলাদেশে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন। একটা সময় দেখা যায় এই আন্দোলন হিংসাত্মক রূপ নেয়। পরে তা সাম্প্রদায়িক হিংসাতেও পরিণত হয়। নিজের বোনকে নিয়ে দেশ ছাড়েন হাসিনা। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আশ্রয় নেন ভারতে। এরপরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা মহম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ভেবেছিলেন যে অর্থনীতিতে নোবেল পাওয়া ইউনূস বাংলাদেশকে উন্নতি শিখরে নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন। কিন্তু ইউনূস জামানায় বাংলাদেশের অর্থনীতি শুধু নয়, ভেঙে পড়েছে গোটা শাসন ব্যবস্থাও। দেশ জুড়ে চলছে বিশৃঙ্খলার রাজত্ব। শান্তি ও ঐক্যের বাংলাদেশ গঠনে বারবার তাঁর কাছে আবেদন জানিয়েছে নাগরিক সমাজ। প্রতি পদক্ষেপেই মুখ থুবড়ে পড়েছে ইউনূস সরকার। সত্যি কথা বলতে তা জামাত ও বিএনপির হাতের পুতুলই হয়ে গিয়েছে। ইউনূসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। তার মধ্যে সবথেকে ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপরে হামলা। সেই হামলা বন্ধ করতে ইউনূস সরকার যেমন ব্যর্থ হয়েছে, তেমনই বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসনও হিন্দুদের বিপক্ষে কাজ করছে। একাধিক সাধু সন্ন্যাসীকে পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ইউনূস সরকারের ওপর সেদেশের জনগণের ক্ষোভ যে বাড়ছে তা ক্রমে অনুধাবন করতে শুরু করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। অবস্থা খুবই খারাপ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিও হচ্ছে না, বেসরকারি সংস্থাগুলিতে কর্ম ছাঁটাই চলছে। বিশেষত পোশাকশিল্পে এবং আইটি সেক্টরে। সারা দেশ জুড়ে এক হতাশার পরিবেশ তৈরি হয়।

    এবার ইউনূসের কী হবে (Bangladesh)

    সব জায়গা থেকেই বর্তমানে একটি বড় প্রশ্ন উঠছে যে এবার ইউনূসের কী হবে? নতুন রাজনৈতিক দল তো ঘোষণা করে দিল বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। একই সঙ্গে তারা ঘোষণা করে দিল যে তাদের কোনও যোগাযোগ নেই জামাত-ই-ইসলামী অথবা তার ছাত্র সংগঠন ইসলামিক ছাত্র শিবিরের সঙ্গে। কিন্তু ইউনূসও এই দুই মৌলবাদী সংগঠনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। এই জামাতের সঙ্গে বৈঠকের পরেই পাকিস্তানিদের তিনি দেশে ডেকে এনেছেন। পাক কূটনীতিকদের সঙ্গে বারবার বৈঠক করেছেন। এই অবস্থাতে পাকিস্তানের ভিসা ফ্রি হয়েছে বাংলাদেশে (Bangladesh)। শুধুমাত্র জামাত এবং তার ছাত্র সংগঠনের চাপে পড়েই আনসার বাংলা টিমের একাধিক নেতাকেও ছেড়ে দিয়েছে ইউনূস সরকার। আনসার বাংলা টিম সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে পরিচিত এবং তারা আল-কায়েদার হয়ে কাজ চালায় বলেই সবাই জানে। বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক দলের নেতা কোনওভাবেই ইউনূস হচ্ছেন না। অনেকে তাই মনে করছেন, এবার হয়তো ইউনূস সামাজিক কাজেই ফিরে যাবেন।

    আওয়ামি লিগ-বিএনপির কী হবে

    এই আবহে আওয়ামি লিগ এবং বিএনপি’র কি হবে? এই প্রশ্ন উঠছে। প্রসঙ্গত বর্তমানে দেশ ছাড়ার পরেও বাংলাদেশে (Bangladesh) বেশ প্রাসঙ্গিকই আছেন শেখ হাসিনা। নিয়মিতভাবে ভার্চুয়ালি তিনি দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আওয়ামি লিগের ফেসবুক পেজ থেকে তিনি লাইভও আসেন। তিনি তাঁর সমর্থকদের ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন খুব তাড়াতাড়ি তিনি দেশে ফিরবেন এবং যেভাবে অচলাবস্থা চলছে তা তিনি সামাল দেবেন। এই আবহে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে শেখ হাসিনা আসলে অপেক্ষা করছেন বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন ঘোষণার দিকে তাকিয়ে। কিন্তু কেউ কেউ মনে করছেন তাঁর অনুপস্থিতিতে আওয়ামি লিগের পক্ষে নির্বাচন লড়া কঠিন হয়ে যাবে। অন্যদিকে, হাসিনার বিরুদ্ধে রয়েছে শতাধিক মামলা। তাই নির্বাচনের আগে দেশে ফিরলে তাঁকে গ্রেফতারও করা হতে পারে। অন্যদিকে, ইউনূসের কাজকর্মে বিএনপি নেতারাও ব্যাপক হতাশ হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে আওয়ামি লিগ এবং বিএনপি নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়া বন্ধ করেছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই চাইছেন যে ইউনূস সেদেশের নির্বাচনকে ঘোষণা করুন। আওয়ামি লিগ ও বিএনপির সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে জুড়ল আর এক নয়া দল।

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের কী ইঙ্গিত

    নতুন রাজনৈতিক দল গঠনে ভারতের বিদেশ নীতি কি প্রভাবিত হবে? এমন চর্চাও শুরু হয়েছে। গত অগাস্ট মাসের পর থেকে বাংলাদেশের (Bangladesh) সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। বাংলাদেশের প্রতি হতাশার কথাও অভিব্যক্ত করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয় শংকর। প্রসঙ্গত, নতুন যে রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ করেছে, তারা স্পষ্ট ঘোষণা করেছে তাদের বিদেশ নীতি নীতির ক্ষেত্রে ফোকাস করা হবে মূলত অর্থনীতিকেই। একইসঙ্গে, স্বচ্ছতা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের মাধ্যমেই তাঁরা বিদেশে নীতি তৈরি করবেন বলে জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের (Bangladesh) সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক বরাবর ভালো। তবে, শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও ভারতে তাঁর আশ্রয় নেওয়ার পর সেই সম্পর্কে খানিক পরিবর্তন এসেছে, তা বলাই যায়। এই আবহে ছাত্রদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর এর প্রভাব পড়বে ভারতের সঙ্গে সে দেশের বাণিজ্য, দ্বি-পাক্ষিক এবং নিরাপত্তার সম্পর্কে। এই আবহে বাংলাদেশের ওপর কড়া নজর রেখে চলেছে ভারত।

  • Nepal: মধ্যরাতে কেঁপে উঠল নেপাল, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৬.১, কম্পন অনুভূত বিহার, বাংলাতেও

    Nepal: মধ্যরাতে কেঁপে উঠল নেপাল, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৬.১, কম্পন অনুভূত বিহার, বাংলাতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল (Nepal)। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.১। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার নেপালের স্থানীয় সময় ২টো ৫১ মিনিট নাগাদ হঠাৎই কেঁপে ওঠে নেপালের মধ্য এবং পূর্বাংশ। ভূ-কম্পন অনুভূত হয় শিলিগুড়ি এবং পাটনাতেও। বিভিন্ন মাধ্যমে জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের (Earthquake) উৎসস্থল নেপালের সিন্ধুপালচক জেলার ভৈরবকুণ্ড। জানা গিয়েছে, মাটির অন্তত ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের উৎপত্তিস্থলটি। নেপালের বাসিন্দা গণেশ নেপালি সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, “আমরা ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ প্রচন্ড ঝাঁকুনিতে ঘম ভেঙে গেল। ভূমিকম্প বুঝতে পেরেই আমরা দৌড়ে পালিয়ে যাই বাড়ি থেকে।”

    আতঙ্কে অনেকেই ঘর বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন

    এনিয়ে নেপালের (Nepal) ভূমিকম্প পর্যবেক্ষক এবং গবেষণা সংস্থা কম্পনের মাত্রা ৬.১ বলে জানালেও জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিয়োসায়েন্সের মতে, এদিনের ভূমিকম্পের মাত্রা ৫.৬। অন্যদিকে ভারতের জাতীয় ভূকম্পন পরিমাপকেন্দ্র বা ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি এবং আমেরিকার জিয়োলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, এদিনের কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৫। ভূমিকম্পে বিহার, সিকিম, দার্জিলিং, শিলিগুড়িতেও বাড়িঘর কেঁপে ওঠে বলে খবর। আতঙ্কে অনেকেই ঘর বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। তবে সেভাবে কোথাও ক্ষতি হয়নি। নেপালের (Nepal) বেশ কিছু বাড়ি ও পুলিশ পোস্টে ফাটল দেখা গিয়েছে।

    কম্পন সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়েছে নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তে

    সেদেশের বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, কম্পন সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়েছে নেপাল (Nepal) ও তিব্বতের সীমান্তে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই এনিয়ে আতঙ্কে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন বলে জানিয়েছে বিভিন্ন সংবাদসংস্থা। তবে এখনও পর্যন্ত এই ভূমিকম্পে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর অবশ্য সেভাবে মেলেনি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপ করছে বলে জানা গিয়েছে। ভূমিকম্পের উৎসস্থল যেখানে, সেই ভোটে কোশি এলাকার পুরসভার চেয়ারম্যান হলেন পাসাং শেরপা। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ভূমিকম্পের জেরে দুগুনাগড়িতে ধস নেমেছে। তবে আশেপাশে বাড়ি না থাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।”

LinkedIn
Share