Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Donald Trump: আমেরিকার ডালের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ভারতের, মোদির সঙ্গে কথা বলতে ট্রাম্পকে চাপ মার্কিন কৃষকদের

    Donald Trump: আমেরিকার ডালের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ভারতের, মোদির সঙ্গে কথা বলতে ট্রাম্পকে চাপ মার্কিন কৃষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ নভেম্বর, ২০২৫ থেকে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত হলুদ মটরের ওপর ৩০% শুল্ক আরোপের পর, মার্কিন সেনেটররা তাঁদের রাষ্ট্রপতির কাছে উত্তর ডাকোটা এবং মন্টানার ডাল চাষিদের পক্ষে আলোচনার জন্য চিঠি লিখেছেন। ১৬ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) লেখা একটি চিঠিতে, সেনেটর কেভিন ক্র্যামার এবং স্টিভ ডেইনস তাঁদের রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করে বলেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে (PM Modi) মার্কিন সরকার স্বাক্ষরিত যে কোনও চুক্তিতে ডাল ফসলের ক্ষেত্রে শুল্কের বিষয়ে যেন গঠনমূলক আলোচনা হয়।”

    বিশ্বের মোট ডালের ২৭% আমদানি করে ভারত (Donald Trump)

    চিঠিতে আরও উল্লেখ করে বলা হয়, “উত্তর ডাকোটা এবং মন্টানা হল ডাল ফসলের সবচেয়ে বেশি উৎপাদক কেন্দ্র। আর এই ডালে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম ভোক্তা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বলা হয়েছে বিশ্বের মোট ডালের ২৭% এরও বেশি ব্যবহার করে ভারত। তবে ভারত গত বছরের ৩০ অক্টোবর ঘোষণা করেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা হলুদ মটরের উপর ৩০% শুল্ক আরোপ করবে। এই শুল্ক ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে এবং ফলে উত্তর ডাকোটা এবং মন্টানার কৃষকরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

    ক্র্যামার এবং ডেইনস আরও অনুরোধ করেন, “ট্রাম্পের (Donald Trump) উচিত ডাল ফসলের শুল্কের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) সঙ্গে আলোচনা করা, যাতে মার্কিন কৃষকরা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অর্জন করতে পারে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০২৩ সালে, ভারত মার্কিন ডালের ওপর কিছু ছাড় দিয়েছিল, কিন্তু সাম্প্রতিক মার্কিন শুল্ক সেই সুবিধা বাতিল করে দিয়েছে এবং মার্কিন ফসলের ওপর ভারতের শুল্ক মার্কিন কৃষকদের ওপর প্রভাব ফেলছে।

    সেনেটরদের চিঠিটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের ১ নভেম্বরে শুল্ক আরোপ করার কারণ হল ২০২৫ সালের অগাস্টে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০% শুল্ক আরোপ করেছিলেন। ফলে ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া হল ভারতের পাল্টা শুল্ক আরোপ।

    মার্কিন মটরের ওপর ভারতের ৩০% সংশোধনমূলক শুল্ক দেশীয় সংবাদ মাধ্যমের নজর এড়িয়ে গেলেও। সেনেটরদের এই চিঠিটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা কতটা প্রয়োজন তা আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে। ট্রাম্পের (Donald Trump) আরোপিত অন্যায্য শুল্কের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ মার্কিন কৃষকরা যে চাপের মুখে ফেলেছেন তা আরও একবার প্রমাণিত।

  • Bangladesh: রাজবাড়িতে হিন্দু যুবককে গাড়ির চাকায় পিষে হত্যা, ইউনূস রাজত্বে অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন

    Bangladesh: রাজবাড়িতে হিন্দু যুবককে গাড়ির চাকায় পিষে হত্যা, ইউনূস রাজত্বে অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে এবার এক হিন্দু ব্যক্তিকে গাড়িতে পিষে হত্যা করা হয়েছে। পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানির দাম না দিয়ে চলে যাচ্ছিল একটি গাড়ি। চলন্ত গাড়িকে আটকাতে গেলে চাপা দেওয়া হয় হিন্দু যুবককে (Hindu Man Death)। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার ১৬ জানুয়ারি, ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ী জেলায়। এই ঘটনায় আরও একবার প্রমাণ হল বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindu Man Death) কীভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে হিন্দু নিধন ততই মারাত্মক হচ্ছে।

    ঘটনা ঘটেছে ভোর ৪:৩০ নাগাদ (Hindu Man Death)

    পুলিশ কর্তাদের বক্তব্যের সূত্রে শনিবার দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির নাম রিপন সাহা। তিনি ছিলেন পেট্রোল পাম্পের কর্মী। ঘটনার সময় তিনি গোয়ালন্দ মোড়ের করিম ফিলিং স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। রাজবাড়ী সদর থানার ওসি খোন্দকার জিয়াউর রহমানকে উদ্ধৃত করে নিউজ পোর্টাল বিডি নিউজ ২৪.কম-কে বলেছে, “আমরা খুনের মামলা (Hindu Man Death) দায়ের করব। পেট্রোলের জন্য টাকা দিতে অস্বীকার করে প্রথমে। এরপর গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আটকাতে যায় রিপন সাহা। তখনই তাঁকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।” প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শুক্রবার ভোর ৪:৩০ নাগাদ একটি কালো এসইউভি ফিলিং স্টেশনে আসে এবং প্রায় ৫,০০০ টাকা মূল্যের জ্বালানি নিয়ে যায়। চালক যখন টাকা না দিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তখন রিপন গাড়িটি আটকানোর চেষ্টা করেন। গাড়িটি তাঁকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। চাকায় পিষে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু রিপনের (Hindu Man Death)। পরে অবশ্য পুলিশ গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেছে এবং মালিক আবুল হাসেম ওরফে সুজন (৫৫) এবং তার চালক কামাল হোসেন (৪৩)-কে গ্রেফতার করেছে।

    ৭.৯৫% হিন্দু বাংলাদেশে

    ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশে হিন্দু (Hindu Man Death) জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭.৯৫%। জানুয়ারি মাসের শুরুতে, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ (BHBCUC) এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছিল যে সাধারণ নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, দেশে সাম্প্রদায়িক হিংসা ততইতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

    পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে পরিকল্পিত আতঙ্ক

    ফোরামের অভিযোগ, সংখ্যালঘু ভোটারদের তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার জন্যই হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চালানো হচ্ছে। কাউন্সিল জানিয়েছে যে তারা শুধুমাত্র ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেই ৫১টি সাম্প্রদায়িক হিংসার (Hindu Man Death)  ঘটনা রেকর্ড করেছে।

    ১> ২ ডিসেম্বর নরসিংদীর একটি স্কুল মাঠে দুর্বৃত্তদের গুলিতে প্রাণ হারান বছর বিয়াল্লিশের এক জুয়েলারি, যার নাম প্রান্তোষ সরকার (Hindu Man Death)।

    ২> ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ শহরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ২৫ বছর বয়সী এক পোশাক কারখানার শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা করে জনতা। এরপর তার দেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

    ৩> ২৪শে ডিসেম্বর রাজবাড়ী শহরের পাংশা উপজেলায় তোলাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল নামে আর এক হিন্দু ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

    ৪> ৩১ ডিসেম্বর রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ৫০ বছর বয়সী খোকন চন্দ্র দাসকে দুর্বৃত্তরা নৃশংসভাবে আক্রমণ করে, কুপিয়ে এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। তিন দিন পর ৩ জানুয়ারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

    ৫> ৫ জানুয়ারি রাতে পলাশ উপজেলার চরসিন্ধুর বাজারে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ৪০ বছর বয়সী মুদি দোকানের মালিক মনি চক্রবর্তীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

    ৬> ৩৮ বছর বয়সী বরফ তৈরির কারখানার মালিক রানা প্রতাপ বৈরাগী, যিনি নড়াইল থেকে প্রকাশিত “দৈনিক বিডি খবর” নামে একটি সংবাদপত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকও ছিলেন, ৫ জানুয়ারি খুন হন। যশোর জেলায় দুর্বৃত্তরা তাঁর মাথায় গুলি করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।

    ৭> ৬ জানুয়ারি নওগাঁ জেলায় চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত জনতার হাত থেকে বাঁচতে খালে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান মিঠুন সরকার নামে বছর পঁচিশের এক যুবক।

    ৮> ৭ ডিসেম্বর রংপুরের তারাগঞ্জ এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সৈনিক এবং অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় (৭০) এবং তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়কে (Hindu Man Death) হত্যা করা হয়। তাদের বাড়ির রান্নাঘরের মেঝেতে তাঁদের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়।

  • Indian Medicines: পাকিস্তানি নয়, আফগানিস্তানে ব্যাপক চাহিদা ভারতীয় ওষুধের

    Indian Medicines: পাকিস্তানি নয়, আফগানিস্তানে ব্যাপক চাহিদা ভারতীয় ওষুধের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানি (Pakistani Drugs) নয়, আফগানিস্তানের মেডিসিন বাজারে ব্যাপক চাহিদা ভারতীয় ওষুধের (Indian Medicines)। এক আফগান ব্লগার যিনি এক্স হ্যান্ডেলে ফজল আফগান নামে পরিচিত, আফগানিস্তানে ওষুধ কেনার অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন। তিনি জানান, তিনি যখন প্যারল কিনতে যাচ্ছিলেন (এটি পাকিস্তান ও তুরস্কে প্রচলিত একটি প্যারাসিটামল ব্র্যান্ড), তখন ফার্মাসিস্ট তাঁকে জানান, একই ধরনের ওষুধ একটি ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া যাবে, যার দাম অন্তত চার গুণ কম।

    ভারতীয় ওষুধের গুণাবলী (Indian Medicines)

    ফজল প্রথমে তুরস্কে তৈরি প্যারাসিটামলই চাইছিলেন, কারণ তিনি এর মানের ওপর আস্থা রাখতেন। তিনি লেখেন, “১০টি ট্যাবলেটের একটি প্যাকেটের দাম ৪০ আফগানি। এরপর দোকানদার আমাকে আর একটি বিকল্প দেখালেন, ভারতে তৈরি প্যারাসিটামল। পরিমাণ একই, কিন্তু দাম মাত্র ১০ আফগানি। তিনি আরও বললেন, ভারতীয় ওষুধ নাকি অন্যগুলোর তুলনায় ভালো কাজ করে।” দাম কম হওয়ায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় ট্যাবলেটটি কিনে নেন এবং লেখেন, সেটি খুব দ্রুত তাঁর মাথাব্যথা সারিয়ে দিয়েছে। এরপরেই তিনি মন্তব্য করেন, “ভারতীয় ওষুধ ধীরে (Pakistani Drugs) ধীরে আফগানিস্তানে পাকিস্তানি ওষুধের জায়গা নিচ্ছে (Indian Medicines)।” দুই দেশের মধ্যে একের পর এক সংঘর্ষের পর আফগান ওষুধ বাজারে পাকিস্তানের অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। যদিও ২০২৪ সাল থেকেই এই অংশ কমছিল, তবে ২০২৫ সালের অক্টোবর–নভেম্বরে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর আফগানিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী আবদুল গনি বরাদর পাকিস্তানি ওষুধের নিম্নমানের অভিযোগ তুলে তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন। তিনি ব্যবসায়ীদের ভারত, ইরান ও মধ্য এশিয়া থেকে বিকল্প উৎস খোঁজার আহ্বান জানান।

    আফগানিস্তানে ভারতীয় ওষুধ রফতানি

    একই সময়ে আফগানিস্তানে ভারতীয় ওষুধ রফতানি দ্রুত বেড়ে গিয়েছে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারত কাবুলে ১০.৮ কোটি ডলারের ওষুধ পাঠিয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের বাকি সময়জুড়ে আরও প্রায় ১০ কোটি ডলারের ওষুধ রফতানি করা হয়েছে। স্থলবেষ্টিত দেশ হওয়ায় এবং নিজস্ব স্বাস্থ্যখাত দুর্বল থাকায় আফগানিস্তান চিরকালই মৌলিক চিকিৎসা সরঞ্জামের জন্য পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীল ছিল (Indian Medicines)। ২০২৫ সালের নভেম্বরের আগে পর্যন্ত পাকিস্তানই ছিল আফগানিস্তানের প্রধান ওষুধ সরবরাহকারী দেশ (Pakistani Drugs)। ভৌগোলিক নৈকট্য এবং তোরখাম ও চামান সীমান্ত দিয়ে স্বল্প খরচে স্থলপথে পরিবহণের সুবিধা পাকিস্তানকে বাড়তি সুবিধা দিয়েছিল। উল্লেখ্য যে, আফগানিস্তানে ওষুধ উৎপাদন প্রায় নেই বললেই চলে। দেশটি তার মোট চাহিদার ৮৫ থেকে ৯৬ শতাংশ ওষুধ আমদানি করে।

    রাষ্ট্রসংঘের ইউএম কমট্রেডের তথ্য

    ট্রেডিং ইকোনমিকসের মাধ্যমে প্রাপ্ত রাষ্ট্রসংঘের ইউএম কমট্রেডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পাকিস্তান আফগানিস্তানে ১৮.৬  কোটি ডলার মূল্যের ওষুধ রফতানি করে। বিজনেস রেকর্ডারের হিসেবে, ২০২৩ সালে এই রফতানির পরিমাণ ছিল ১১.২৮ কোটি মার্কিন ডলার (Indian Medicines)। তালিবান প্রশাসনের তরফে নুরুল্লাহ নুরি জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরের আগে আফগানিস্তানে ব্যবহৃত ওষুধের ৭০ শতাংশেরও বেশি পাকিস্তান থেকে আসত (Pakistani Drugs)। এই নির্ভরতা বহু দশকের পুরোনো। ২০০১ সালের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিকাঠামো, মান নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং পরীক্ষাগারের সঙ্কট পাকিস্তানি আমদানিকে সবচেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী বিকল্প করে তুলেছিল। তবে একাধিক সীমান্ত সংঘর্ষের পর গত বছর আফগান ব্যবসায়ীদের জন্য তোরখাম ও চামান সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং তালিবান সরকার পাকিস্তানি ওষুধের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর ফলে দেশে ওষুধের বিরাট সঙ্কট দেখা দেয়। ডয়চে ভেলের (DW) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিক, ইনসুলিন ও হৃদরোগের ওষুধের ঘাটতি দেখা দেয়। অনেক ফার্মাসিস্ট অতিরিক্ত দাম নেয় কিংবা নকল ওষুধ বিক্রি করে।

    আফগানিস্তানে ওষুধের সঙ্কট

    ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে, যখন আফগানিস্তানে ওষুধের সঙ্কট প্রকট হতে শুরু করে, তখন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ঘোষণা করেন যে, ৭৩ টন জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বিমানযোগে কাবুলে পাঠানো হচ্ছে। এটি আফগানিস্তানে ভারতের প্রথম চিকিৎসা সহায়তা নয়। গত বছরের এপ্রিলে ভারত জলাতঙ্ক ও হেপাটাইটিস-বি রোগের টিকা, ছ’টি জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম-সজ্জিত অ্যাম্বুল্যান্স এবং একটি আধুনিক ১২৮-স্লাইস সিটি স্ক্যানার পাঠিয়েছিল (Indian Medicines)। এরও আগে, ২০২২ সালে আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ভারত পাঠিয়েছিল ১৩ টন চিকিৎসা সামগ্রী, যার মধ্যে ছিল পাঁচ লক্ষ কোভিড টিকাও। ভারতের সহায়তা শুধু জরুরি ওষুধ পাঠানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। গত চার বছরে ভারত ৩২৭ টন চিকিৎসা সামগ্রী দিয়েছে এবং পাকতিয়া, খোস্ত ও পাকতিকায় পাঁচটি মাতৃসদন ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং কাবুলে একটি ৩০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।

    ওষুধ রফতানির পরিমাণ

    এছাড়া কাবুলে একটি অঙ্কোলজি সেন্টার, ট্রমা সেন্টার, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও থ্যালাসেমিয়া সেন্টার নির্মাণ ও আধুনিকীকরণের কাজও হাতে নেওয়া হচ্ছে। আফগানিস্তানের রেডিওথেরাপি মেশিন ও অতিরিক্ত চিকিৎসা সামগ্রীর অনুরোধও বিবেচনাধীন (Pakistani Drugs)। ভারত-আফগান সম্পর্কের এই উন্নতি হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও আফগান জনস্বাস্থ্যমন্ত্রী মাওলভি নুর জালাল জালালির বৈঠকের পর। ভারত শীঘ্রই প্রবীণ ভারতীয় চিকিৎসকদের একটি দল পাঠানোর পরিকল্পনা করছে, যারা আফগানিস্তানে মেডিক্যাল ক্যাম্প চালাবে এবং স্থানীয় চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেবে। গত বছরের জুনে আয়োজিত এক মেডিক্যাল ক্যাম্পে ৭৫ জন আফগান রোগীর শরীরে কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন করা হয়েছিল। ১৯৬৯ সালে ভারতীয় অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত ৪০০ শয্যার ইন্দিরা গান্ধী শিশু হাসপাতাল আজও চালু রয়েছে, যেখানে আফগানিস্তানের প্রথম সেরিব্রাল পালসি কেন্দ্র রয়েছে (Indian Medicines)।  বর্তমানে আফগানিস্তানে ভারতের ওষুধ রফতানির পরিমাণ প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশটির ওষুধ বাজারের ১২–১৫ শতাংশ দখল করেছে। আগে যেখানে পাকিস্তানের অংশ ছিল ৩৫–৪০ শতাংশ।

    পাকিস্তানি ওষুধ বিক্রি বন্ধ

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানি ওষুধ বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভারত ভবিষ্যতে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ওষুধ রফতানি করতে পারে। ভারতীয় ওষুধ সংস্থাগুলি শুধু বিক্রি করেই থেমে নেই। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দুবাইয়ে ভারতীয় সংস্থা জাইডাস লাইফসায়েন্সেস আফগানিস্তানের রফিস ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের সঙ্গে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি মউ (MoU) সই করে। প্রথমে রফতানির ওপর জোর দেওয়া হলেও, ভবিষ্যতে প্রযুক্তি হস্তান্তর, আফগানিস্তানে জাইডাসের প্রতিনিধি দফতর এবং স্থানীয় উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমে (Pakistani Drugs)। তালিবান কর্তারা আর এক ভারতীয় সংস্থা ফার্মেক্সিলের সঙ্গেও যৌথ বিনিয়োগ, উৎপাদন কেন্দ্র ও গবেষণাগার স্থাপন নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছেন (Indian Medicines)। সব মিলিয়ে, আফগান ব্লগারের তুর্কি ও পাকিস্তানি ব্র্যান্ডের বদলে সস্তা ভারতীয় ব্যথানাশক বেছে নেওয়া আসলে আফগানিস্তানের ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থায় এক বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

     

  • British MP: “অত্যন্ত উদ্বেগের”! বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ব্রিটিশ সংসদে, তার মধ্যেই নতুন হিংসা

    British MP: “অত্যন্ত উদ্বেগের”! বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ব্রিটিশ সংসদে, তার মধ্যেই নতুন হিংসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে ব্রিটিশ সংসদে সরব হলেন দেশের সাংসদ (British MP) বব ব্ল্যাকম্যান। কনজারভেটিভ দলের এই সাংসদ, ব্রিটিশ সরকারের কাছে পদক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের হিন্দুদের যে ভাবে খুন করা হচ্ছে, সেখানে মন্দির ভাঙা হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগের।” উল্লেখ্য বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার বিষয়টিও অত্যন্ত উদ্বেগের। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ অবাদ নির্বাচন কতটা সম্ভব তা নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক বার্তা দেন ব্রিটেনের স্টার্মার সরকারকে।

    ইসলামি কট্টরপন্থীরা গণভোটের ডাক দিয়েছে (British MP)

    ব্রিটিশ সংসদে (British MP) বব ব্ল্যাকম্যান বক্তব্য রাখার সময় বলেন, “বাংলাদেশের মানবাধিকার রক্ষা নিয়ে অত্যন্ত চিন্তাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আমি আজ বাংলাদেশের বিষয়টি উত্থাপন করতে চাই এখানে। বিদেশ সচিবকে আমার দলের নেতা এর আগেও লিখেছেন বাংলাদেশের দুর্দশা নিয়ে। রাস্তায় ফেলে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে সেখানে। তাঁদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। মন্দির ধ্বংস করা হচ্ছে। অন্যান্য সংখ্যালঘুরাও এই একই ধরনের অত্যাচারের মুখোমুখি হচ্ছে সেখানে। পরের মাসে নাকি বাংলাদেশে তথাকথিত স্বচ্ছ নির্বাচন হওয়ার কথা। তবে বাংলাদেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল, আওয়ামি লিগকে সেখানকার নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। এরই সঙ্গে ইসলামি কট্টরপন্থীরা একটি গণভোটের ডাক দিয়েছে। সেই গণভোট বাংলাদেশের সংবিধানকে চিরতরের মতো বদলে ফেলার জন্য করা হচ্ছে। এই বিষয়ে বিদেশ সচিব যেন পরের সপ্তাহে সরকারের অবস্থান ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন। আমাদের সরকার এই বিষয়ে কী করছে, তা যেন আমাদের জানানো হয়।”

    তবে ব্রিটেন সরকার বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সব রকম ভাবে যোগাযোগ রেখে চলেছে এই বিষয়েও স্পষ্ট মত প্রকাশ করে। বব ব্ল্যাকম্যান, জিম শ্যানন, জাস আথওয়াল এবং ক্রিস ল-সহ বিভিন্ন দলের ব্রিটিশ আইনসভার সদস্যরা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের নির্বাচন লড়াই করার ক্ষেত্রে জোরপূর্বক প্রতিবন্ধকতা কোনও ভাবেই কাম্য নয়।

    সিলেটে হিন্দু শিক্ষকের বাড়িতে আগুন!

    এসবের মধ্যেই বাংলাদেশে ফের হিন্দুদের ওপর আরও একটা হামলার খবর প্রকাশ্যে  এসেছে। সিলেটের গোয়াইনঘাটে এক হিন্দু শিক্ষকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা সামনে এল। ভয়াবহ ওই আগুন থেকে কোনও ভাবে প্রাণে বেঁচে যান পরিবারের সদস্যরা। তবে এই ঘটনার পর থেকে গোটা এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বাহোর গ্রামে। যাঁর বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে, তাঁর নাম বীরেন্দ্র কুমার দে। পেশায় তিনি একজন শিক্ষক। এলাকায় তিনি ‘ঝানু স্যর’ নামেই পরিচিত। প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবেই বসবাস করতেন তিনি। কারা এই অগ্নিসংযোগ করেছে, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট হয়নি। পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

    ডিসেম্বর মাসেই ১০ জন হিন্দুকে হত্যা

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে কমপক্ষে ৫১টি হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে। যার সবটাই ওই দেশের সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ১০ জন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যায় নিহত হয়েছেন ময়মনসিংহের দীপু চন্দ্র দাস, অমৃতা মণ্ডল। ১০টি বড় রকমের হিন্দু পরিবারের চুরি, ডাকতি লাগানোর মতো ঘটনা ঘটেছে। হিন্দু পরিবারের জমিজমা দখল, বাড়ি দখল, আগুন লাগিয়ে দেওয়া, মন্দির ভাঙচুরের মতো ২৩ টি ঘটনা ঘটেছে। একই ভাবে মিথ্যা ধর্মীয় অবমাননা, র-এর গুপ্তচড়ের অভিযোগে মারধর, আটকের মতো ৪টি ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের চেষ্টা হয়েছে ৪টি। শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে তিনটি।

    লাগাতার হিন্দু হত্যা অব্যাহত!

    গত ১২ জানুয়ারিতে ফেনির (Bangladesh) সমীরকুমার দাস নামে ২৮ বছরের অটো চালককে হত্যা করা হয়। ১০ জানুয়ারি সিলেটে জয় মহাপাত্রকে খুন করা হয়। মিঠুন সরকারকে কট্টরপন্থীরা আক্রমণ করে, গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু পুকুরে নেমে ঝাপ দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। আবার ৫ জানুয়ারিতে ২ জন হিন্দুকে খুন করা হয়েছিল। ঢাকার কাছেই নরসিংদিতে ৪০ বছরের এক ব্যবসায়ী শরৎ চক্রবর্তীকে খুন করা হয়। যশোরে গুলি করে খুন করা হয় হিন্দু ব্যবসায়ী তথা সাংবাদিক রানাপ্রাতপ বৈরাগিকে। ২ জানুয়ারি খুন করা হয়েছিল সত্য রঞ্জন দাসকে। ৩ জানুয়ারি হত্যা করা হয় মিলন দাস এবং সনু দাসকে। ৩১ ডিসেম্বর নির্মম ভাবে আক্রমণ করা হয় খোকন চন্দ্র দাসকে। পরে তিনি মারা যান ৩ জানুয়ারি। ৪ জানুয়ারি হত্যা করা হয় শুভ পোদ্দারকে। বাংলাদেশে প্রতিদিন হিন্দু নির্যাতন, হত্যা, খুন, ধর্ষণ, লুটপাট এখন একটি অতি সাধারণ ঘটনা ঘটেছে।

  • Donald Trump: ট্রাম্পের হাতে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার তুলে দিলেন মাচাদো! আদৌ হস্তান্তর করা যায়? কী বলছে নিয়ম?

    Donald Trump: ট্রাম্পের হাতে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার তুলে দিলেন মাচাদো! আদৌ হস্তান্তর করা যায়? কী বলছে নিয়ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর স্বপ্ন ছিল নোবেল শান্তি পুরস্কার হস্তগত করা। কিন্তু তাঁর সেই কাঙ্খিত নোবেল পুরস্কার অধরাই রয়ে গিয়েছে। শেষমেশ অবশ্য দুধের স্বাদ ঘোলেই মেটালেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। হোয়াইট হাউসে গিয়ে ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো (Maria Corina Machado) যখন তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক ট্রাম্পের হাতে তুলে দেন, তখন সেই মুহূর্তে ট্রাম্পের মুখে ছিল অর্থবহ এক হাসি। এই সম্মান বহুদিন ধরেই তাঁর হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা, এবং তিনি কখনওই তা প্রকাশ্যে চাওয়ার ব্যাপারে পিছপা হননি। পুরস্কার হাতে নিয়ে এক গাল হাসি হেসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “দারুণ এক সৌজন্যমূলক পদক্ষেপ।”

    নোবেল পুরস্কার আদৌ হস্তান্তর করা যায়? (Donald Trump)

    মাচাদো শুধু ট্রাম্পকে পদকটি উপহারই দেননি, তিনি সেটি হোয়াইট হাউসেই রেখে গিয়েছেন। ট্রাম্পও প্রকাশ্যেই তা গ্রহণ করেন এবং একে পারস্পরিক সম্মানের প্রতীকী রূপ বলে অভিহিত করেন। নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নিজের পদক অন্য কারও হাতে তুলে দিলেন। প্রশ্ন হল, এভাবে কি নোবেল পুরস্কার আদৌ হস্তান্তর করা যায়? মাচাদোর হোয়াইট হাউস সফরের কয়েক দিন আগেই এই বিষয়টি নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছিল নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট। রবিবার প্রতিষ্ঠানটি আবারও জানায়, নোবেল শান্তি পুরস্কার কখনও হস্তান্তর, ভাগ বা প্রত্যাহার করা যায় না। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিনি তাঁর ২০২৫ সালের নোবেল পুরস্কারটি ট্রাম্পকে দিতে পারেন। তাঁর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই বিষয়টি পুনরায় স্পষ্ট করা হয় (Donald Trump)।

    নোবেল কমিটির বক্তব্য

    এক বিবৃতিতে নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট জানায়, নোবেল পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও স্থায়ী। নোবেল ফাউন্ডেশনের বিধির উল্লেখ করে তারা জানায়, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনও আপিলের সুযোগ নেই। পাশাপাশি তারা জানায়, পুরস্কার পাওয়ার পর কোনও বিজয়ীর বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড নিয়ে (Maria Corina Machado) নোবেল কমিটি কোনও মন্তব্য করে না। বিবৃতিতে বলা হয়, “একবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়ে গেলে তা আর কখনও প্রত্যাহার, ভাগ বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা যায় না। সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত এবং চিরস্থায়ী।”

    নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি এবং নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এই মন্তব্য করে। নোবেল শান্তি পুরস্কার, যাকে সব নোবেল পুরস্কারের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বলে মনে করা হয় এবং যা মানবজাতির সর্বাধিক কল্যাণে অবদান রাখা ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, চলতি বছর মাচাদোকেই দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে তিনি ঘোষণা করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর তিনি এই পুরস্কারটি ট্রাম্পের হাতে তুলে দেবেন (Donald Trump)।

    পরবর্তী কালে মাচাদো জানান, এই উপহার তিনি দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার জনগণের স্বাধীনতার প্রতি ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতি হিসেবে (Maria Corina Machado)। হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর মাচাদো বলেন, “আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি উপহার দিয়েছি। আমাদের স্বাধীনতার প্রতি তাঁর ব্যতিক্রমী অঙ্গীকারের স্বীকৃতি হিসেবেই, তাঁকে এই উপহারটি দিয়েছি।” বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প লেখেন, “মারিয়া আমার করা কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারটি আমায় দিয়েছেন। পারস্পরিক সম্মানের এক অসাধারণ রূপ। ধন্যবাদ, মারিয়া (Donald Trump)!”

  • Lashkar Leader Confession: “পৃথিবীর কোথাও জঙ্গি নিয়োগ পাকিস্তানের মতো সহজ নয়”, লস্কর নেতার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি

    Lashkar Leader Confession: “পৃথিবীর কোথাও জঙ্গি নিয়োগ পাকিস্তানের মতো সহজ নয়”, লস্কর নেতার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান জিহাদের জন্য খোলাখুলি স্বাধীনতা দিয়েছে। পৃথিবীর কোথাও জঙ্গি নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ এত সহজ নয়। পাকিস্তানের জঙ্গিনীতি নিয়ে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar commander) শীর্ষ কমান্ডার হাফিজ আবদুল রউফ (Hafiz Abdul Rauf)-এর বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি সামনে এল। কোনও গোয়েন্দা রিপোর্ট নয়, ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি নয়, স্বয়ং লস্কর কম্যান্ডারের মুখ থেকেই বেরল সত্য-কথন। ভারত বারবার যা দাবি করেছে তা মেনে নিল লস্কর নেতা। ভারতের অপারেশন সিঁদুর অভিযান মুরিদকেতে থাকা লস্করের প্রধান ঘাঁটিতে ভয়াবহ ধাক্কা দিয়েছে (Operation Sindoor), বলেও মেনে নিল রউফ। তার কথায়, “হেডকোয়ার্টার (Muridke HQ) পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।”

    মুরিদকে ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার

    বিস্তর অস্বীকার, কূটনৈতিক ধোঁয়াশা আর দ্বিচারিতার পর অবশেষে প্রকাশ্য মঞ্চে মুখ খুলল লস্কর-ই-তৈবার (LeT) নেতা হাফিজ আবদুল রউফ (Lashkar commander Hafiz Abdul Rauf confession)। স্বীকার করে নিল, অপারেশন সিঁদুরে মারকাজ-ই-তৈবা কমপ্লেক্স কার্যত গুঁড়িয়ে গিয়েছে। ২০২৫ সালের ৬-৭ মে রাতের সেই হামলার কথা বলতে গিয়ে রউফ বলেছে, “ভারতের লক্ষ্যবস্তু একদম ঠিক ছিল। এখন আর ওখানে আর কোনও মসজিদ নেই। আমরা সেখানে বসতেও পারি না। সব শেষ হয়ে গিয়েছে। ভারতের হামলায় ভেঙে পড়েছে মুরিদকে ঘাঁটি।”

    কে এই হাফিজ রউফ

    পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তান সেনার সহায়তাপ্রাপ্ত লঞ্চপ্যাড থেকে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ভারতে ঢোকানোর দায়িত্বে বহুদিন ধরেই রয়েছে হাফিজ আবদুল রউফ। শুধু তাই নয়, এর আগে অপারেশন সিঁদুরের পরবর্তী সময়ে ভারতীয় হামলায় খতম হওয়া লস্কর জঙ্গিদের জানাজায় নেতৃত্ব দিচ্ছে রউফ – সেই ছবিও ভাইরাল হয়েছিল। কয়েক মাস পর এবার তিনিই কার্যত পাকিস্তান ও লস্করের শেষ আড়ালটুকু উন্মুক্ত করে দিল রউফ।

    চিনা অস্ত্রেই চলে হামলা!

    ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা চালায় লস্কর-সমর্থিত সংগঠন, দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF)। সেই হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন নিরীহ ভারতীয় পর্যটক। তার পরই জঙ্গি দমনে ভারত চালায় অপারেশন সিঁদুর। এই অভিযানে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা জঙ্গি ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এতে ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলা মুরিদকের লস্কর-ই-তৈবা এবং বাহাওয়ালপুরের জইশ-ই-মহম্মদের ঘাঁটি। তদন্তে উঠে আসে, হামলাকারীদের হাতে ছিল চিনের তৈরি অস্ত্র ও সরঞ্জাম, যা পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গিগোষ্ঠীর সরঞ্জাম যোগানের ক্রমবর্ধমান পরিকাঠামোর দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছিল। এ বার স্বয়ং রউফও স্বীকার করে নিল যে, লস্কর ও পাকিস্তান ওই সংঘর্ষে চিনা অস্ত্র ও সামরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করেছে।

    পাকিস্তানের মদতেই চলে জঙ্গি-নিয়োগ

    ভারতের বহু বছরের দাবি, জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো শুধু আশ্রয় নয়, পাক-রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন পায়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে যা বারবার অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। রউফের কথায়, “পাকিস্তান জিহাদের জন্য খোলাখুলি স্বাধীনতা দিয়েছে। পৃথিবীর কোথাও জঙ্গি নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ এত সহজ নয়। রাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেই আমরা এটা করতে পারছি।” উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি মুরিদকের সেই মারকাজ-ই-তৈবা কমপ্লেক্সেই নতুন জঙ্গিদের পাসিং-আউট অনুষ্ঠান হয়েছিল। অনুষ্ঠানে হাজির ছিল রউফ, হাফিজ সইদের ছেলে হাফিজ তালহা সইদ, এবং লস্করের ডেপুটি চিফ সাইফুল্লাহ কাজুরি-সহ লস্করের শীর্ষ নেতৃত্ব। অর্থাৎ, অপারেশন সিঁদুরের পরেও পাকিস্তানের মদতেই জঙ্গি পরিকাঠামো হয় পুনর্গঠিত হচ্ছে, নয়তো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে – এটাই প্রমাণ করে সেই অনুষ্ঠান।

    পাকিস্তানকে সাহায্য করেছে চিন

    রউফ দাবি করেছে, ‘বুনিয়ান-এ-মারসুস’ নামে যে পর্যায়ে ভারত-পাক উত্তেজনা বাড়ে, সেই সময় পাকিস্তানকে রিয়েল-টাইম গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছিল চিন। তার বক্তব্য, চিনা যুদ্ধবিমান ও সরঞ্জামের এখন বিশ্বে চাহিদা রয়েছে, আর “অনেক দেশের বিমান নাকি এখন স্ক্র্যাপে পরিণত”। রউফের এই মন্তব্য শুধু লস্করের অস্ত্রসজ্জা নয়, বেজিং-ইসলামাবাদ ঘনিষ্ঠতার দিকেও ইঙ্গিত করে। রউফের দাবি, পাকিস্তানের হাতে ছিল ভারত সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য “শেষ খুঁটিনাটি পর্যন্ত”, আর সংঘর্ষের প্রতিধ্বনি “আমেরিকা-ইউরোপ পর্যন্ত পৌঁছেছিল” – যা বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তুলে ধরে লস্কর কমান্ডার।

    পাকিস্তানের সুদিন!

    সুদিন ফিরছে পাকিস্তানের। ইসলামাবাদের পক্ষে হতে চলেছে বিশ্ব মেরুকরণ। চাঞ্চল্যকর এই দাবিও করেছে, লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি) কমান্ডার রউফ। তার কথায়, “গতকাল পর্যন্ত আমরা একা ছিলাম এবং পুরো বিশ্ব ভারতের সঙ্গে ছিল। আজ পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। তুরস্ক পাকিস্তানের সঙ্গে আছে, বাংলাদেশের সেনাপ্রধানও ইসলামাবাদের পক্ষে। এখন পুরো বিশ্ব পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকছে। মুজাহিদদের একটি নতুন যুগ শুরু হয়েছে, যেখানে পাকিস্তান জয়ী হচ্ছে।” জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ কমে গিয়েছে, ভিডিওতে রউফ এই দাবিও খারিজ করে দিয়েছে এবং আক্রমণাত্মক ভাষায় দাবি করেছে যে- সংঘাত আরও তীব্র হবে। সে দাবি করেছে যে, কাশ্মীর “যুদ্ধ” শেষ হতে অনেক বাকি এবং যারা অন্যকিছু বিশ্বাস করছে তারা ভুল করছে বলে সতর্ক করেছে। এই বয়ান আসলে উপত্যকায় ক্রমাগত হিংসার জন্য চাপ দেওয়ার ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।

    লস্কর-জঙ্গি নেতার স্বীকারোক্তি তাৎপর্যপূর্ণ

    রউফের বক্তব্য পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের অস্বীকারকে ভেঙে দিয়েছে। প্রথমবার পাকিস্তানের শীর্ষ জঙ্গি নেতৃত্ব প্রকাশ্যে স্বীকার করল তারা এখনও রাষ্ট্রের ভেতরেই সুরক্ষিত ও সক্রিয়। মার্কিন নিষিদ্ধ ‘ঘোষিত’ গ্লোবাল টেররিস্টের এই স্বীকারোক্তি, ইসলামাবাদের জন্য নিঃসন্দেহে কঠিন প্রশ্ন তুলে দেবে। দীর্ঘ সময় ধরে রউফ লস্কর-এর সঙ্গে রয়েছে। রউফ একজন ঘোষিত সন্ত্রাসবাদী। হাফিজ সইদের ঘনিষ্ঠ এই জঙ্গির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা আছে আমেরিকারও। সে কারণেই তার মুখে এই স্বীকারোক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভারত বারবার বিশ্ব মঞ্চে বলেছে পাকিস্তান জঙ্গি-রাষ্ট্র। এবার কার্যত সেই দাবিকেই মান্যতা দিল লস্কর।

  • LET Commander: “হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে”! পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে হুমকি লস্কর কমান্ডারের

    LET Commander: “হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে”! পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে হুমকি লস্কর কমান্ডারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া জঙ্গি হুমকি এল পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর (PoJK) থেকে। একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ জঙ্গি আবু মুসা কাশ্মিরি প্রকাশ্যে জেহাদ (Jihad) ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসার আহ্বান জানাচ্ছে (LET Commander)। ভিডিওটি তোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি কোনও অঞ্চল থেকে। এই ঘটনা এমন একটা সময়ে সামনে এল, যখন তার ঠিক এক দিন আগেই ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী জঙ্গি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

    হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে (LET Commander)

    ওপেন-সোর্স গোয়েন্দা প্ল্যাটফর্ম ওসিন্টটিভি শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, লস্কর-ই-তৈবার জম্মু ও কাশ্মীর ইউনাইটেড মুজাহিদিন (JKUM)-এর সিনিয়র কমান্ডার আবু মুসা কাশ্মিরি পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের রাওয়ালকোট জেলার হাজিরা তহসিলের তাত্রিনোট এলাকায় এক সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছে। সেখানে সে প্রকাশ্যে হিংসার ডাক দেয় এবং দাবি করে যে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান একমাত্র জেহাদের মাধ্যমেই সম্ভব। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “ভিক্ষা করে স্বাধীনতা পাওয়া যাবে না। হিন্দুদের গলা কেটে তবেই স্বাধীনতা আসবে।” সে আরও দাবি করে, এই একই বার্তা সে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য শীর্ষ মন্ত্রীদের কাছেও পৌঁছে দিয়েছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’

    কাশ্মিরি এও বলে, “জেহাদের নামে সন্ত্রাস চালিয়েই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভব।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে জেহাদি হিংসায় পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ আদর্শিক ও রাজনৈতিক মদতের বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কাশ্মিরির এই ভাষণের সময়টিও বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার ঠিক আগেও সে একই ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিল। ওই হামলায় গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয় (LET Commander)।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার এক দিন আগেই ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী চলতি বছরের প্রথম ব্রিফিংয়ে ভারতের সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’কে মাত্র একটি ট্রেলার বলে উল্লেখ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতের যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত (Jihad)।”

    সেনাপ্রধানের বক্তব্য

    নয়াদিল্লিতে চাণক্য ডিফেন্স ডায়ালগসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে দ্বিবেদী জানান, ৮৮ ঘণ্টার এই অভিযান ভারতের দ্রুত ও কার্যকর জবাব দেওয়ার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। সেনাপ্রধান আবারও স্পষ্ট করে দেন, সন্ত্রাসবাদের পাশাপাশি একই সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদী এবং তাদের মদতদাতাদের একইভাবে মোকাবিলা করা হবে (LET Commander)।” তিনি আরও জানান, ভারতের অগ্রগতিতে বাধা দেওয়ার যে কোনও চেষ্টার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বাইরের কোনও চাপ ভারতকে দমাতে পারবে না।

    অপারেশন সিঁদুরের শিক্ষা

    অপারেশন সিঁদুর থেকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরেন দ্বিবেদী- সব স্তরে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজন, সেনা, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে আরও দৃঢ় সমন্বয়, এবং দীর্ঘমেয়াদি সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি। যদিও অপারেশন সিঁদুর স্থায়ী হয়েছিল মাত্র ৮৮ ঘণ্টা। তবে ভবিষ্যতে এই ধরনের সংঘর্ষ কয়েক মাস বা এমনকি কয়েক বছরও চলতে পারে বলে তিনি সতর্ক করে দেন। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। এর পরেই ৭ মে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করে, যার আওতায় পাকিস্তান ও পাক- অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের জঙ্গি পরিকাঠামো এবং বিমানঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়। পরে পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (DGMO) আলোচনার উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় (Jihad)। তবে নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে জানায়, এই অভিযান স্থগিত হয়েছে, শেষ হয়নি (LET Commander)।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে যে কোনও জঙ্গি হামলাকে যুদ্ধের সমতুল্য বলে গণ্য করা হবে। এছাড়াও সেনাপ্রধান জানান, ২০১৯ সালের অগাস্টে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তাঁর মতে, রাজনৈতিক স্পষ্টতা এবং ধারাবাহিক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের ফলেই এই উন্নতি সম্ভব হয়েছে (LET Commander)।

  • US Immigrants Visa: বাংলাদেশি-পাকিস্তানিদের ঢোকা বন্ধ আমেরিকায়! ভারতীয়দের নিয়ে আপত্তি নেই ট্রাম্প প্রশাসনের

    US Immigrants Visa: বাংলাদেশি-পাকিস্তানিদের ঢোকা বন্ধ আমেরিকায়! ভারতীয়দের নিয়ে আপত্তি নেই ট্রাম্প প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবেশ নিষিদ্ধ আমেরিকায়। ৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা (immigrant visa) প্রক্রিয়া বন্ধ করল আমেরিকা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের তরফে এই ঘোষণা করা হয়। ৭৫টি দেশের তালিকায় নাম আছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের। যদিও ভারতের নাম নেই এই তালিকায়। ভারতীয়দের ভিসা দেওয়ায় আপত্তি নেই আমেরিকার। যেসব দেশের অভিবাসী (US Immigrants Visa) “আমেরিকার জনগণের কাছ থেকে অগ্রহণযোগ্য হারে কল্যাণ গ্রহণ করছে”, সেইসব দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হবে, বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক সোশাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছে, ‘নতুন অভিবাসীরা আমেরিকার জনগণের কাছ থেকে সম্পদ বের করে নিচ্ছে না, এই বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ জারি থাকবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, যে সব দেশ থেকে নাগরিকরা আমেরিকায় এসে সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিতে পারে, সেই সমস্ত দেশের নামই তালিকায় রাখা হয়েছে। আমেরিকায় নিজেদের জীবন-যাপনে সক্ষম নন, সরকারি সাহায্যের ভরসায় যারা থাকবেন, এমন ব্যক্তিদের আমেরিকায় ঢোকা আটকাতেই ইমিগ্রান্ট বা অভিবাসী ভিসা (US Immigrants Visa) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, আমেরিকানদের পকেট থেকে টাকা নিয়ে সে দেশে বসবাস করছে অন্য দেশের নাগরিকরা। এই প্রক্রিয়া আটকাতেই ভিসা বন্ধের সিদ্ধান্ত।

    স্থগিতাদেশ শুরু কবে থেকে

    আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এই স্থগিতাদেশ শুরু হতে চলেছে। কতদিন এই ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই সমস্ত কনস্যুলার অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান, বাংলাদেশ সহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া যেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২১ জানুয়ারি থেকে এই নতুন নির্দেশ চালু হবে। তবে যারা নন-ইমিগ্রান্ট ভিসা, ট্যুরিস্ট ভিসা বা বিজনেস ভিসায় আমেরিকা যেতে চাইবেন, তাদের কোনও সমস্যা হবে না।

    ৭৫টি দেশের তালিকায় কারা

    এই মর্মে ৭৫টি দেশের তালিকা আমেরিকার সরকার এখনও জনসমক্ষে নিয়ে না এলেও, ফক্স নিউজের একটি রিপোর্ট সম্ভাব্য দেশগুলির তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় রয়েছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগা, বার্বুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামা, বার্বাডোস, বেলারুস, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া, ব্রাজিল, মায়ানমার, কম্বোডিয়া, ক্য়ামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, কঙ্গো, কিউবা, ডমিনিকা, মিশর, ইরিট্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনিয়া, হাইতি, ইরান, ইরাক, আইভরি কোস্ট, জামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরঘিস্তান, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, ম্যাসিডোনিয়া, মলডোভা, মঙ্গোলিয়া, মরক্কো, মন্টেনেগ্রো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজিরিয়া, রিপাবলিক অব কঙ্গো, রাশিয়া, রোয়ান্ডা, সেনেগাল, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, তাইল্যান্ড, টোগো, উগান্ডা, উরুগুয়ে, উজবেকিস্তান, ইয়েমেন, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট।

  • US Military Withdrawal: আস্তিন গুটোচ্ছে আমেরিকা, আকাশসীমা বন্ধ করল তেহরান, ইরানে হানা কি অচিরেই?

    US Military Withdrawal: আস্তিন গুটোচ্ছে আমেরিকা, আকাশসীমা বন্ধ করল তেহরান, ইরানে হানা কি অচিরেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার মধ্যেই একের পর এক জরুরি পদক্ষেপ করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US Military Withdrawal)। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি থেকে নীরবে সেনা ও কর্মী প্রত্যাহার, ইরানের আকস্মিক আকাশসীমা বন্ধ এবং উভয় পক্ষের কড়া হুঁশিয়ারি—এই জল্পনাকে আরও উসকে দিচ্ছে যে তেহরানের (Iran) ওপর হামলা যে কোনও মুহূর্তে শুরু হতে পারে।

    কর্মী প্রত্যাহার (US Military Withdrawal) 

    বুধবার আমেরিকা কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে তাদের কিছু কর্মী প্রত্যাহার করে নেয়। এটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি, যেখানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা থাকেন। কাতার সরকার জানিয়েছে, বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতেই এই প্রত্যাহার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এদিকে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসও তাদের কর্মীদের ওই উপসাগরীয় আরব দেশটির একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে যাতায়াত সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

    কঠোর সতর্কবার্তা জারি

    প্রসঙ্গত, এই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আসে এমন একটা সময়ে, যখন ইরান প্রতিবেশী দেশগুলির প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছে, বিশেষত, যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। তেহরান হুমকি দিয়েছে, আমেরিকা যদি ইরানের ভূখণ্ডে হামলা চালায়, তবে তারা ওইসব দেশে থাকা মার্কিন স্থাপত্যগুলির ওপর পাল্টা আঘাত হানবে। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার ইরানে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন (Iran)।

    “অনিশ্চয়তাই এই কৌশলের একটি অংশ”

    তবে এক পশ্চিমী সামরিক কর্তা সংবাদসংস্থাকে বলেন, এসব ইঙ্গিত থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলা আসন্ন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন, ট্রাম্প প্রশাসন প্রায়ই এমন কৌশলগত পদক্ষেপ করে, যার উদ্দেশ্য প্রতিপক্ষকে অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখা। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তাই এই কৌশলের একটি অংশ।” উত্তেজনা (US Military Withdrawal) আরও বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে ইরান সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। ‘নোটিস টু এয়ারমেন’ (NOTAM) জারি করে অধিকাংশ ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়, কেবল অনুমোদিত কয়েকটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ছাড়া। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, নির্দেশ জারির আগেই ইরান ও ইরাকের আকাশ দ্রুত ফাঁকা হয়ে যায়।

    আকাশসীমা বন্ধ রাখার সময়সীমা

    পরবর্তী কালে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় ইরান আকাশসীমা বন্ধ রাখার সময়সীমা আরও বাড়িয়েছে। তবে ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার সময় ও পরিসর এখনও স্পষ্ট নয়। ইউরোপীয় কর্তাদের মতে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (Iran)। ইরান আকাশসীমা বন্ধ করার কিছুক্ষণ আগেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, বিক্ষোভ দমনের অংশ হিসেবে ইরানে যে হত্যাকাণ্ড চলছিল, তা বন্ধ হচ্ছে বলে তাঁকে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথাও বলেন তিনি। ট্রাম্প জানান, অন্য পক্ষের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে ইঙ্গিত মিলেছে যে, এই মুহূর্তে ব্যাপক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরিকল্পনা নেই।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশ

    তিনি সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের বিষয়টি উড়িয়ে না দিলেও বলেন, ওয়াশিংটন প্রক্রিয়াটি কীভাবে এগোয়, তা দেখবে। পাশাপাশি তিনি জানান, ইরানের পক্ষ থেকে তার প্রশাসন একটি খুবই ভালো বক্তব্য পেয়েছে (US Military Withdrawal)।সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার জাতীয় নিরাপত্তা দলকে নির্দেশ দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে কোনও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা যেন দ্রুত, চূড়ান্ত হয় এবং সপ্তাহ বা মাসব্যাপী দীর্ঘ সংঘাতের রূপ না নেয়। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিভিন্ন সূত্রের দাবি, “তিনি যদি কিছু করেন, তবে সেটির চূড়ান্ত ও নির্ণায়ক হতে চান।” তবে ট্রাম্পের উপদেষ্টারা তাঁকে বোঝাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন যে, একটি হামলাই দ্রুত ইরানি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে (Iran)। কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, ইরানের শক্তিশালী পাল্টা আঘাত মোকাবিলার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নাও থাকতে পারে (US Military Withdrawal)।

    অর্থনৈতিক সঙ্কট

    ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভের জেরে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইরান। সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিরুদ্ধে এই আন্দোলনের পেছনে রয়েছে অর্থনৈতিক সঙ্কট, রাজনৈতিক দমননীতি এবং শাসনব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, দমন-পীড়নে অন্তত ২,৬১৫ জন নিহত হয়েছেন। অন্যান্য হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যা ৩,০০০ ছাড়িয়েছে, যা ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ইরানের সবচেয়ে ভয়াবহ হিংসাত্মক ঘটনাগুলির একটি। মানবাধিকার কর্মীদের আশঙ্কা, আটক বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি যে কোনও মুহূর্তে শুরু হতে পারে। হিংসার মাত্রা সাম্প্রতিক যে কোনও (Iran) আন্দোলনের চেয়ে বেশি এবং এটি কয়েক দশক আগের বিপ্লবী সময়ের অশান্তির স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে (US Military Withdrawal)।

     

  • Indian Embassy: দেশে ফিরে যান, নয়া নির্দেশিকা জারি তেহরানের ভারতীয় দূতাবাসের

    Indian Embassy: দেশে ফিরে যান, নয়া নির্দেশিকা জারি তেহরানের ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া নির্দেশিকা জারি করল তেহরানের ভারতীয় দূতাবাস। তাতে ভারতীয় নাগরিকদের বাণিজ্যিক বিমান-সহ উপলব্ধ পরিবহণের মাধ্যমে ইরান (Iran) ছেড়ে চলে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে (Indian Embassy)। ৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখের পূর্ববর্তী সতর্কতার পরে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে, কারণ দেশজুড়ে বিক্ষোভ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।পরিস্থিতির ক্রমবর্ধমান প্রেক্ষাপটে ইরানে বর্তমানে অবস্থানরত ভারতীয় ছাত্র, তীর্থযাত্রী, ব্যবসায়ী এবং পর্যটকদের দেশ ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    হিংসার আগুনে জ্বলছে ইরান (Indian Embassy)

    এই নির্দেশিকাটি দেশব্যাপী হিংসাত্মক বিক্ষোভের প্রতিফলন, যেখানে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিক থেকে ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১০,০০০ এরও বেশি লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি এবং মুদ্রার অবনতির জেরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের সমস্ত প্রদেশের ১৮০টিরও বেশি শহরে (Indian Embassy)। বর্ধিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, রাস্তা বন্ধ, গণপরিবহণ ব্যাহত এবং ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় বিক্ষোভ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, বাড়ছে হিংসাত্মক ঘটনাও। ইরান ৮৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট জারি করেছে, যার ফলে ইরানিরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করতে পারছেন না, পারছেন না কোনও ভিডিও পোস্ট করতেও।

    ফ্লাইট বাতিল

    বিভিন্ন বিমান সংস্থা ইরানে এবং সেখান থেকে ফ্লাইট সীমিত বা বাতিল করছে। ১৬ জানুয়ারি, শুক্রবার পর্যন্ত বেশ কয়েকটি পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছে। যোগাযোগ বন্ধ থাকায় অনেক ভারতীয় পরিবার ইরানে (Iran) থাকা আত্মীয়স্বজনের খোঁজখবর পাচ্ছে না। তাদের চোখেমুখে উদ্বেগের ছাপ স্পষ্ট (Indian Embassy)। ভারতের বিদেশমন্ত্রক ৫ জানুয়ারি ভারতীয় নাগরিকদের আপাতত ইরানে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। ভারতীয় নাগরিকদের ইরানে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে এবং যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বানও জানিয়েছে। সর্বশেষ পরামর্শটি সেই সতর্কতার আরও তীব্রতা তুলে ধরেছে। যেহেতু ইরানে অশান্তির পারদ ক্রমশ চড়ছে, তাই এখন অবিলম্বে সে দেশ ছেড়ে ভারতে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, জাপান, জার্মানি এবং ফ্রান্স-সহ অন্যান্য দেশ তাদের নাগরিকদের জন্য একই ধরণের নির্দেশিকা জারি করেছে।

    ভারতীয় দূতাবাস ভারতীয় নাগরিকদের জন্য জরুরি হেল্পলাইন চালু রেখেছে, যদিও ইন্টারনেট এবং টেলিযোগাযোগ ব্ল্যাকআউটের কারণে যোগাযোগ কঠিন হয়ে পড়েছে। ভারত এর আগে ২০২৫ সালের জুনে অপারেশন সিন্ধু চালু করেছিল, ইরান-ইজরায়েল সংঘর্ষের সময় ৩,৪০০ জনেরও বেশি ভারতীয় নাগরিককে ইরান (Iran) থেকে সরিয়ে নিয়েছিল (Indian Embassy)।

LinkedIn
Share