Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Mamata Banerjee: কালীঘাটে আসেননি তৃণমূলের সিংহভাগ বিধায়ক, বাতিল বৈঠক, ক্ষোভে ফুঁসছেন দলনেত্রী

    Mamata Banerjee: কালীঘাটে আসেননি তৃণমূলের সিংহভাগ বিধায়ক, বাতিল বৈঠক, ক্ষোভে ফুঁসছেন দলনেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেত্রীর পাশাপাশি তাঁর হাতে গড়া দল ডুবতেই হাওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ‘সুখের পায়রা’রা! ছাব্বিশে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হারের পর আজ, রবিবার মমতার ডাকে কালীঘাটের বৈঠকে হাজির হলেন মাত্র ১৯ জন (TMC MLA Meeting)। যদিও ঘাসফুল প্রতীকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন ৮০ জন। তার জেরে এক প্রকার বাধ্য হয়েই এদিনের বৈঠক বাতিল করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সূত্রের খবর, এত কম সংখ্যক বিধায়ক কালীঘাটে আসায় চটে যান মমতা। লোক মারফত সিংহভাগ বিধায়কের গরহাজিরার খবর পেয়ে অন্দরমহল থেকে আর বৈঠকের ঘরেই আসেননি দলনেত্রী। এর পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মাধ্যমে মমতা খবর পাঠান, বৈঠক আপাতত বাতিল।

    তৃণমূলের অন্দরে আতঙ্ক (Mamata Banerjee)

    বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা বাছাইয়ের প্রস্তাবনায় তৃণমূল বিধায়কদের সই নকল করা নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। নোটিশ দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নোটিশ দেওয়া হয়েছে ঘাসফুল শিবিরেরই আরও কয়েকজন বিধায়ককে। এর পাশাপাশি নির্বাচনোত্তর হিংসা (!) নিয়েও আলোচনা করতে রবিবারের বারবেলায় কালীঘাটের বাড়িতে বৈঠক ডেকেছিলেন মমতা। এদিকে, শনিবার দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রবিবার দলেরই সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জনরোষের মুখে পড়েন। ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে তৃণমূলের অন্দরে। সেই ‘ট্রমা’ কাটিয়ে কতজন এদিনের বৈঠকে হাজির হবেন, তা নিয়ে তৃণমূলেই ছিল (Mamata Banerjee) সংশয়।

    বৈঠকে ছিলেন কারা

    তবুও দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আশা করেছিলেন, অন্তত ২৫ জন বিধায়ক আসবেন। কিন্তু বৈঠকের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে দেখা গেল, হাজির হয়েছেন ১৯জন। খবর পেয়েই বৈঠক বাতিল করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিনের বৈঠকে যাঁরা উপস্থিত হয়েছিলেন, তাঁরা হলেন ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, গুলশন মল্লিক, পুলক রায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বীণা মণ্ডল, রহিম বক্সি, কুণাল ঘোষ, রুকবানুর রহমান, অসীমা পাত্র, সমীর জানা, অশোক দেব, আবদুল খালেক মোল্লা, জেবের শেখ, মতিবুর রহমান, মদন মিত্র, আলিফা আহমেদ, তৌসিফ রহমান, এবং মোশারফ হোসেন।

    দলের করুণ হাল বেআব্রু হয়ে পড়তেই, শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছে তৃণমূল। কুণাল বলেন, অভিষেক ও কল্যাণদার (কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়) ওপর হামলার ঘটনায় দলীয় কর্মীদের সুরক্ষার স্বার্থে নিজ নিজ এলাকায় বিধায়কদের থাকা প্রয়োজন (TMC MLA Meeting)। তাই তাঁদের অনুরোধে এখনকার মতো বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে। পরে কবে হবে, পরিস্থিতি বুঝে তা ঠিক করা হবে (Mamata Banerjee)।”

     

  • Political Violence Extortion Case: উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস, কেন পাকড়াও জানেন?

    Political Violence Extortion Case: উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস, কেন পাকড়াও জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূলের খোকন দাস গ্রেফতার। আজ, রবিবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ উত্তরপ্রদেশের মুঘলসরাইয়ের পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় পার্ক এলাকা থেকে পাকড়াও করে (Political Violence Extortion Case) তাঁকে। হুমকি, তোলাবাজি এবং রাজনৈতিক হিংসায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে খোকনকে (Khokan Das)। অভিযোগগুলি সেই সময়কার, যখন ক্ষমতায় ছিল খোকনের দল তৃণমূল।

    খোকনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Political Violence Extortion Case)

    পুলিশ সূত্রে খবর, মুলতুবি মামলার বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর রবিবার সকালে আটক করা হয় তাঁকে। ট্রানজিট রিমান্ডের জন্য উত্তরপ্রদেশের স্থানীয় একটি আদালতে তোলা হয় খোকনকে। তৃণমূলের প্রাক্তন এই বিধায়ককে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। ২০২১ সালে তৃণমূলের প্রতীকে জিতে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক হন খোকন। তার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক হিংসার একাধিক অভিযোগ ওঠে। বামেদের হটিয়ে তৃণমূল ক্ষমতায় আসায় সেই সময় পুলিশ খোকনের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ। রাজনৈতিক হিংসার পাশাপাশি তৃণমূলের এই প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে।

    ‘আমি এখন বিজেপি নেতা’

    জানা গিয়েছে, ছাব্বিশের বিধান নির্বাচনে তৃণমূল গোহারা হেরে যেতেই খোকন নিজেকে বিজেপি নেতা বলে পরিচয় দিতে শুরু করেন। ভোটের ফল ঘোষণার পর তাঁর একটি অডিও কথোপকথন ভাইরাল হয়। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “তৃণমূল কংগ্রেস হেরে যাওয়ার পর এসব নিয়ে এত হইচই করছেন! মনে রাখবেন, আমি এখন বিজেপি নেতা।” এরপরেই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় অভিযোগ। পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান খোকন। শেষমেশ রবিবার বর্ধমান জেলা পুলিশের একটি দল উত্তরপ্রদেশের মুঘলসরাইয়ের দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে তাঁকে।

    গ্রেফতার আরও এক তৃণমূল নেতা

    খোকনের বিরুদ্ধে অতীতেও তোলাবাজি এবং জমি-সংক্রান্ত অনিয়ম-সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। তদন্ত এড়ানোর চেষ্টাও করেছেন তিনি (Political Violence Extortion Case)। তবে এবার আর শেষরক্ষা হল না। উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার খোকন। এই ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। এদিকে, এদিনই পুলিশ গ্রেফতার করেছে পূর্বস্থলী উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়কেও। তাঁর (Khokan Das) বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণের ত্রিপল এবং ফুটবল উদ্ধার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কাটোয়ার এক শীর্ষস্থানীয় তৃণমূল নেতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে আর্থিক অনিয়মের একটি (Political Violence Extortion Case) মামলায়।

     

  • Police Raid: মদনের কামারহাটির বাড়িতে হানা পুলিশের, বাজেয়াপ্ত নথি, সিল করা হল বাড়ি

    Police Raid: মদনের কামারহাটির বাড়িতে হানা পুলিশের, বাজেয়াপ্ত নথি, সিল করা হল বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রের (Madan Mitra) কামারহাটির বাড়িতে হানা দিল পুলিশ (Police Raid)। রবিবার দুপুরে পুলিশ মদনের বাড়িতে যায়। সেই সময় বাড়িটিতে তালা দেওয়া ছিল। কামারহাটির বিধায়ক মদন তখন বাড়িতে ছিলেন না। তালা ভেঙে ঘরে ঢোকে পুলিশ। ঘণ্টাখানেক তল্লাশির পর ফের তালাবন্ধ করে চলে যায় পুলিশ। সিল করে দেওয়া হয়েছে বাড়িটি। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ) দ্যুতিমান ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে তল্লাশি অভিযান হয় তৃণমূলের এই বিধায়কের বাড়িতে।

    কামারহাটির ‘উদয় ভিলা’য় পুলিশি হানা (Police Raid)

    এদিন দুপুর ১টা নাগাদ মদনের এই বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। বাড়িটির নাম ‘উদয় ভিলা’। বাড়িটিতে মদনের একটি দলীয় কার্যালয় রয়েছে।অভিযোগ, যে জমির ওপর বাড়িটি রয়েছে, সেটি কেন্দ্রীয় সংস্থার জমি। কীভাবে কেন্দ্রীয় সংস্থার মালিকানাধীন জমিতে বাড়িটি তৈরি করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, মদন মাঝেমধ্যে থাকেন উদয় ভিলায়। সঙ্গে থাকেন তাঁর অনুগামীরাও। তবে কামারহাটির বিধায়ক স্বয়ং এই বাড়ির মালিক কিনা, তা এখনও জানা যায়নি। এদিন ঘণ্টাখানেক ধরে বাড়িটিতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে খবর, ‘এমএলএ হাউজ’ নামে পরিচিত এই বাড়ির বিভিন্ন ঘর থেকে বহু জরুরি নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ (Police Raid)।

    পুলিশকে হুঁশিয়ারির জের!

    কামারহাটির বিধায়কের ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে জানা গিয়েছে, মদন এখন দক্ষিণ কলকাতার বাড়িতে রয়েছেন। রবিবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে বৈঠকে বসছে তৃণমূলের পরিষদীয় দল। এই বৈঠকে যোগ দিতেই দক্ষিণ কলকাতার বাড়িতে রয়েছেন মদন। প্রসঙ্গত, শনিবারই কামারহাটির বিধায়ক পুলিশকে উদ্দেশ্য করে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বলে (Madan Mitra) অভিযোগ। পুলিশের দাবি, মদন বলেছিলেন তাঁর পায়ে ধরতে হবে, না হলে কামারহাটি চলতে দেবেন না। মদনের সেই হুঁশিয়ারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন মোডে পুলিশ (Police Raid)। প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে মাত্র ৮০টি বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। এর মধ্যে একটি হল কামারহাটি।

     

  • Amul: পশ্চিমবঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম দই তৈরির কারখানা গড়ছে আমূল, বিনিয়োগ ৬০০ কোটি টাকা

    Amul: পশ্চিমবঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম দই তৈরির কারখানা গড়ছে আমূল, বিনিয়োগ ৬০০ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের ডেয়ারি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে এক বড়সড় জোয়ার আসতে চলেছে। রাজ্যে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে বিশ্বের বৃহত্তম দই (Largest Yogurt Plant) উৎপাদনকারী কারখানা স্থাপন করতে চলেছে দেশের অন্যতম শীর্ষ ডেয়ারি সংস্থা ‘আমূল’ (Amul)।

    গুজরাট কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন লিমিটেড (GCMMF) এই খবরটি নিশ্চিত করেছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট ২০২৫” (BGBS)-এর মঞ্চেই এই বিপুল বিনিয়োগের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

    কোথায় ও কীভাবে তৈরি হচ্ছে এই কারখানা (Amul)?

    কলকাতার অদূরে হাওড়ার সাঁকরাইল ফুড পার্কে (Sankrail Food Park) এই সমন্বিত ডেয়ারি এবং দই উৎপাদন প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ চলছে। বিশ্বমানের এই কারখানাটি গড়ে তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ‘কায়রা ডিস্ট্রিক্ট কো-অপারেটিভ মিল্ক প্রডিউসার্স ইউনিয়ন লিমিটেড’-কে। সম্পূর্ণ প্রকল্পটি দুটি পর্যায়ে বাস্তবায়িত করা হবে।

    আমূল-এর (Amul) প্রধান জয়েন মেহতা জানিয়েছেন, এই অত্যাধুনিক কারখানায় (Largest Yogurt Plant) প্রতিদিন ১০ লক্ষ কেজি অর্থাৎ ১ মিলিয়ন কেজি দই উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি কারখানাটিতে দৈনিক ১৫ লক্ষ লিটার দুধ প্রক্রিয়াকরণের (Processing) ক্ষমতা থাকবে।

    কেন পশ্চিমবঙ্গকে বেছে নেওয়া হলো?

    আমূল (Amul) কর্তাদের মতে, এই বিনিয়োগের পেছনে রয়েছে একটি সুনির্দিষ্ট কৌশলগত লক্ষ্য। বাঙালির খাদ্য সংস্কৃতিতে মিষ্টি দই এবং টক দই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফলে এ রাজ্যে দইয়ের (Largest Yogurt Plant) এক বিশাল এবং স্থায়ী বাজার রয়েছে। উপভোক্তাদের এই বিপুল চাহিদার কথা মাথায় রেখেই কলকাতায় এই কারখানাটি গড়া হচ্ছে।

    এখান থেকে উৎপাদিত পণ্য কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি সমগ্র পূর্ব ভারতে আমূলের ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করবে।

    গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে জোয়ার

    এই প্রকল্পটির ফলে একদিকে যেমন রাজ্যে বড় অঙ্কের শিল্প বিনিয়োগ আসছে, ঠিক তেমনই স্থানীয় স্তরে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি কেন্দ্রীয় সমবায় মন্ত্রকের ‘শ্বেত বিপ্লব ২.০’ (White Revolution 2.0) উদ্যোগের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার মূল লক্ষ্য হল— দেশের ডেয়ারি উৎপাদন বাড়ানো, গ্রামীণ মানুষের জীবিকার মানোন্নয়ন এবং দুধ সংগ্রহের নেটওয়ার্ককে (Largest Yogurt Plant) আরও সুদৃঢ় করা।

    উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে জিসিএমএমএফ (GCMMF) বা আমুল প্রায় ৫৯,৪৪৫ কোটি টাকার ব্যবসা (Turnover) করেছে। ‘ইন্টারন্যাশনাল ফার্ম কম্প্যারিসন নেটওয়ার্ক’ (IFCN)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, দুধ প্রক্রিয়াকরণের দিক থেকে আমুল বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ডেয়ারি সংস্থা। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৫০টি দেশে পণ্য রফতানি করার পাশাপাশি আমেরিকার বাজারেও নিজেদের ব্যবসা বিস্তার করেছে তারা। সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে, পশ্চিমবঙ্গে আমূলের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ রাজ্যের শিল্পায়নের পথে একটি বড় মাইলফলক (Amul) হিসেবে বিবেচিত হতে চলেছে।

  • Annapurna Yojana: “যোগ্যরা যাতে টাকা পান, সেই দায়িত্ব সরকারের”, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    Annapurna Yojana: “যোগ্যরা যাতে টাকা পান, সেই দায়িত্ব সরকারের”, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ফর্ম ফিলআপের কাজ। ১২ পাতার ফর্ম দেখে অনেকেরই মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড়। উঠছে নানা প্রশ্নও। অনেকেরই প্রশ্ন, কেন এত তথ্য দিতে হবে (Form Fill Up)? এসব তথ্য দিলে আদৌ লক্ষ্মীর ভান্ডার মিলবে তো? রাজ্যবাসীর এই প্রশ্নের প্রেক্ষিতে উত্তর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    গুজবে কান দেবেন না (Annapurna Yojana)

    শনিবার বিনামূল্যে সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রকল্প শুরু হয়েছে। সেই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন,  “কেউ বিচলিত হবেন না, কেউ গুজবে কান দেবেন না। ফর্ম পূরণ করতে অসুবিধা হলে আমাদের লোক বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম পূরণ করবে। যোগ্যরা যাতে টাকা পান, সেই দায়িত্ব সরকারের।”

    ফর্ম নিয়ে যা বললেন অগ্নিমিত্রা

    প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের অন্নপূর্ণ যোজনার ফর্মে নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখের পাশাপাশি দিতে হবে গোটা পরিবারের তথ্যও। উল্লেখ করতে হবে বাড়ি, জমির মালিকানা, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য, রেশনের আইডি থেকে শুরু করে সন্তানের স্কুলের নাম পর্যন্ত সবই। এসব নিয়েই ছড়িয়েছে বিভ্রান্তি। রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের বক্তব্য, লক্ষ্মীর ভান্ডারের বহু উপভোক্তা যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও টাকা নিতেন। পুরুষ উপভোক্তারও খোঁজ মিলেছে। উপভোক্তারা যাতে ভারতীয় নাগরিকই হন, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে সরকার। নারী ও শিশুকল্যাণমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, ১২ পাতার ফর্ম শুধুমাত্র এই যোজনার জন্যই দেওয়া হয়নি, কেন্দ্রীয় অন্যান্য প্রকল্পেও কাজে লাগবে আবেদনকারীদের দেওয়া তথ্য (Annapurna Yojana)।

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অন্তত ৩০ লাখ ভুয়ো নাম রয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডারের গ্রাহক তালিকায়। অনেক পুরুষের নামও রয়েছে। যোগ্য মহিলাদের বাছতেই এই আবেদনের প্রক্রিয়া। অগ্নিমিত্রাও বলেন, “ফর্ম পূরণ করলেই টাকা পাওয়া যাবে, তা নয়। এই যোজনার টাকা পেতে গেলে ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। সেই যোগ্যতা সবাই পূরণ করছে কি না, সেটাও দেখার জন্য এই প্রক্রিয়া (Form Fill Up)।” প্রসঙ্গত, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে এতদিন মিলত ১৫০০ করে টাকা। অন্নপূর্ণা যোজনায় এই টাকার পরিমাণই দ্বিগুণ হয়ে হবে ৩০০০ টাকা (Annapurna Yojana)।

     

  • Abhishek Banerjee: অভিষেককে দেখেই আছড়ে পড়ল জনরোষ, ‘ভাইপো’কে লক্ষ্য করে ছোড়া হল ডিম

    Abhishek Banerjee: অভিষেককে দেখেই আছড়ে পড়ল জনরোষ, ‘ভাইপো’কে লক্ষ্য করে ছোড়া হল ডিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) লক্ষ্য করে ছোড়া হল পাথর, জুতো এবং ডিম। তাঁকে ঘুষি এবং লাথি মারার চেষ্টাও করা হয়। দেওয়া হয় ‘চোর, চোর’ স্লোগানও (Sonarpur Visit)। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক শনিবার গিয়েছিলেন সোনারপুর এলাকায়, ভোট-পরবর্তী হিংসার শিকার পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে। সেখানেই তিনি পড়েন বিক্ষোভের মুখে। গত এক মাস আগেও বাংলার রাজনীতিতে ক্ষমতার ভরকেন্দ্র ছিলেন তৃণমূলের এই সেকেন্ড ইন-কমান্ড। তৃণমূল-রাজ শেষ হতেই তাঁকে দেখে জনতা উগরে দিল একরাশ ঘৃণা। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার ২৫ দিন পর এটি ছিল অভিষেকের প্রকাশ্যে আসা। সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিবেকানন্দনগর এলাকায় গিয়েছিলেন জনৈক সঞ্জু কর্মকারের পরিবারের সঙ্গে। অভিযোগ, সঞ্জু নির্বাচন-উত্তর হিংসার শিকার।

    অভিষেককে লক্ষ্য করে ‘চোর’ স্লোগান (Abhishek Banerjee)

    সরকার পরিবর্তনের আগে পর্যন্ত অভিষেক পেতেন জেড-প্লাস নিরাপত্তা। এদিন গাড়ি থেকে নামতেই তাঁকে উদ্দেশ্য করে ‘চোর, চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। এর পর এসইউভি থেকে নেমে তিনি ওঠেন বাইকে। জনরোষের মুখে পড়ে বাইকটিও। পরে একটি হেলমেট পরে, ছেঁড়া জামা গায়ে, নিরাপত্তারক্ষীদের সাহায্যে তিনি ভবানীপুর থেকে আসা কয়েকজন তৃণমূল সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে কর্মকার পরিবারের বাড়ির দিকে হেঁটে যান। এই সময় অভিষেকের ধারে-কাছে দেখা যায়নি সোনারপুরের কোনও তৃণমূল নেতা বা কর্মীকে (Abhishek Banerjee)।স্থানীয় এক মহিলা বলেন, “ও এখানে কেন এসেছে? নিশ্চয়ই টাকা নিতে! ডাক্তার ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর সে পানিহাটিতে কেন যায়নি?” উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে পড়লে পুলিশ হেলমেট পরিয়ে এবং নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে করে তাঁকে ওই বাড়ির ভেতরে নিয়ে যায় (Sonarpur Visit)।

    অভিষেকের অনুযোগ

    অভিষেক বলেন, “ওরা আমায় মেরে ফেলতে চায়। প্রশাসন ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আমি এই জায়গা বা এই পরিবারকে ছেড়ে যাব না। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, এখানে কোনও সরকারি আধিকারিক উপস্থিত নেই। সব কিছু ভিডিওতে রেকর্ড হয়েছে। আমি রাজ্যপাল এবং হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।” সঙ্গে আসা অনুগামীদের সরকারি আধিকারিকদের ফোন করার নির্দেশ দেন অভিষেক। মেসেজ পাঠান হোয়াটসঅ্যাপেও। কেউ সাড়া না দেওয়ায় স্ক্রিনশট তুলে রেখে দেন।

    কী বললেন শমীক

    কর্মকার পরিবারের বাড়ির বাইরে পুরুষ, মহিলা এবং শিশুরা অভিষেককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। কয়েকজন মহিলার অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের হুমকির কারণে তাঁদের ভিটে ছাড়া হতে হয়েছিল (Abhishek Banerjee)। এক মহিলা বলেন, “আমরা জানতে চাই, উনি আমাদের রক্ষা করেননি কেন? মহিলাদের নিরাপত্তাহীন অবস্থায় কেন ফেলে রাখা হয়েছিল?” বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “স্থানীয় পুলিশের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি বলেন, “বিজেপি এই ধরনের রাজনীতি করে না। পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের প্রাক্তন মহিলা মোর্চা নেত্রী রূপা গাঙ্গুলি কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন, মানুষ তা মনে রেখেছেন (Sonarpur Visit)। বাংলার মানুষ এই হিংসার রাজনীতির বিরুদ্ধে পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন (Abhishek Banerjee)।”

     

  • CID Raid: ‘ভাইপো’র বাড়িতে সিআইডি হানা, সইকাণ্ডে তলব সোমে

    CID Raid: ‘ভাইপো’র বাড়িতে সিআইডি হানা, সইকাণ্ডে তলব সোমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভাইপো’র বাড়িতে সিআইডি হানা (CID Raid)! শনিবার দুপুরে সাংসদ তথা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়িতে হানা দেন সিআইডির পাঁচ আধিকারিক। ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমা পড়া একটি চিঠি নিয়ে। ওই চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের সই রয়েছে। সেই সইয়ের সত্যতা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। অভিযোগ, কয়েকটি সই নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি।

    সিআইডির লক্ষ্য (CID Raid)

    ওই চিঠিতে থাকা সইগুলি আদৌ স্বাক্ষরকারীর কি না, তা যাচাই করাই সিআইডির লক্ষ্য। তাই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে যান সিআইডির আধিকারিকরা। সেই তালিকায় যেমন রয়েছেন চন্দ্রনাথ সিনহা, নয়না বন্দ্যোপাধ্যয়, তেমনি রয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেকও। এই মামলারই তদন্তে শনিবার অভিষেকের বাড়িতে গিয়েছিলেন সিআইডি আধিকারিকরা।

    বঙ্গে পট পরিবর্তন

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে পট পরিবর্তন হয়েছে বঙ্গে। যিনি ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, বিজেপির সেই শুভেন্দু অধিকারী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর গোহারা হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি খুইয়ে আক্ষরিক অর্থেই পথে বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজে তো হেরেইছেন, মুখ থুবড়ে পড়েছে তাঁর সাধের তৃণমূলও। মাত্র ৮০টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে তাঁর দল। বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হয়েছেন প্রবীণ নেতা শোভনদেব। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমা পড়া একটি চিঠির জেরেই যত কাণ্ড! অভিযোগ, ওই চিঠিতে কয়েকটি সই জাল করা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এ সংক্রান্ত প্রথম চিঠিটি বিধানসভায় পাঠিয়েছিলেন অভিষেক। সেই চিঠি ফিরিয়ে দেন বিধানসভার স্পিকার। পরে তাঁর কাছে যায় আরও একটি চিঠি। তার পরেই শুরু হয় ‘জাল সই’ নিয়ে হইচই (CID Raid)।

    নথিপত্র খতিয়ে দেখছে সিআইডি

    কেবল সই যাচাই-ই নয়, বেশ কিছু নথিপত্রও খতিয়ে দেখছেন সিআইডির আধিকারিকরা। কোন পরিস্থিতিতে ওই চিঠিতে সই করা হয়েছিল, যিনি সই করেছিলেন, তিনি আদৌ স্বাক্ষর করেছিলেন কিনা, সইটি সত্যি সত্যিই তাঁর নিজের করা কি না – এ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন বলেও খবর (Abhishek Banerjee)। এদিন অবশ্য সিআইডির আধিকারিকদের খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে অভিষেকের বাড়ি থেকে। কারণ বাড়িতে তাঁর দেখা মেলেনি। তাঁর বাড়ির এক কর্মী জানান, অভিষেক বাড়িতে নেই। তাঁর স্ত্রী, সন্তানরাও নেই। কোথায় গিয়েছেন, তিনি বলতে পারবেন না। সব শুনে তদন্তকারীরা অভিষেকের বাড়ি ১৮৮এ শান্তিনিকেতনের ঠিকানায় একটি নোটিশ লটকে দিয়ে যান। এরই খানিক পরে কালীঘাট রোডের বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করেন অভিষেক। বলেন, আমি ওই বাড়িতে থাকি না। আমার সঙ্গে দেখা করতে হলে, এই বাড়িতে আসতে হবে (CID Raid)।

    অভিষেকের হাতে নোটিশ

    তৃণমূল নেতার এহেন ‘বার্তা’ পেয়েই অভিষেকের কালীঘাট রোডের বাড়িতে পৌঁছে যান তদন্তকারীরা। সেখানে তাঁরা সরাসরি ‘ভাতিজা’র হাতেই তুলে দেন নোটিশ। জানা গিয়েছে, সোমবারই তলব করা হয়েছে তৃণমূলের এই নেতাকে। পরে অভিষেক বলেন, “যাঁরা মামলার তদন্ত করছেন, সেই অফিসাররা জানেন না সাত বছর ধরে আমি ওই বাড়িতে থাকি না৷ হয়তো ওঁদের কাছে ভুল তথ্য ছিল৷ আমিও বুঝি ওঁদের চাকরি করতে হয়৷ এখনও নোটিশ পড়িনি৷ নোটিশ পড়ার পর আমার আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করব৷ তার পর যদি মনে হয় এবং আমায় যদি হাজিরা দিতে বলা (Abhishek Banerjee) হয়, তাহলে নিশ্চয়ই হাজিরা দেব৷ আমিও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেব৷ সেই অধিকার আমারও আছে (CID Raid)৷”

     

  • Cervical Cancer Vaccine: মেয়ের বয়স ১৪? বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা দিচ্ছে রাজ্য সরকার, কোথায় পাওয়া যাবে? জানালেন শুভেন্দু

    Cervical Cancer Vaccine: মেয়ের বয়স ১৪? বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা দিচ্ছে রাজ্য সরকার, কোথায় পাওয়া যাবে? জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মহিলাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জরায়ুমুখ ক্যানসার (Cervical Cancer) প্রতিরোধে রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল বিনামূল্যে হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস বা সংক্ষেপে এইচপিভি (Human Papillomavirus, HPV) টিকাকরণ কর্মসূচি। শনিবার বিধাননগর মহকুমা হাসপাতাল থেকে এই রাজ্যব্যাপী অভিযানের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে জাতীয় এইচপিভি টিকাকরণ কর্মসূচি চালু হয়েছিল। এবার সেই জাতীয় উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গও।

    প্রথম পর্যায়ে ২৩৫টি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকাকরণ

    শুভেন্দু অধিকারী জানান, প্রথম ধাপে রাজ্যের ২৩৫টি সরকারি হাসপাতাল, জেলা হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এইচপিভি টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই বাংলায় পৌঁছেছে ৭ লক্ষ ৭২ হাজার ৬৫০ ডোজ টিকা। সরকারের লক্ষ্য, শহর থেকে গ্রাম—রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। সেই কারণে ধাপে ধাপে (Phased Expansion Plan) টিকাকরণ কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে এসএসকেএম হাসপাতালে ১০০টি নতুন শয্যারও উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    কারা এই টিকা পাবে?

    বর্তমান পর্যায়ে এই বিনামূল্যের টিকাকরণ কর্মসূচি শুধুমাত্র ১৪ বছর বয়সি কিশোরীদের জন্য চালু করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, কৈশোরের এই বয়সকে এইচপিভি টিকা নেওয়ার জন্য ‘গোল্ডেন উইন্ডো’ বলা হয়। কারণ ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার আগেই শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা গেলে ভবিষ্যতে জরায়ুমুখ ক্যানসারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। যেসব পরিবারের কন্যাসন্তানের বয়স ১৪ বছর, তারা নিকটবর্তী সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতালে যোগাযোগ করে টিকা নেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এইচপিভি টিকা?

    চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, এইচপিভির কিছু উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ স্ট্রেন জরায়ুমুখ ক্যানসারের প্রধান কারণ। বিশেষ করে এইচপিভি টাইপ ১৬ এবং ১৮ বিশ্বজুড়ে প্রায় ৭০ শতাংশ জরায়ুমুখ ক্যানসারের জন্য দায়ী। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এইচপিভি ভ্যাকসিন এই ভাইরাসজনিত ক্যানসারের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই টিকা জরায়ুমুখ ক্যানসার ছাড়াও গলা, মলদ্বার এবং অন্যান্য এইচপিভি-সম্পর্কিত ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে সক্ষম।

    বিধাননগরে উদ্বোধন

    শনিবার বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে ভারত সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। শনিবার বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে আয়োজিত সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য, স্থানীয় বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং ইন্দ্রনীল খাঁ। অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, মহিলাদের মধ্যে হওয়া বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যানসার (সার্ভাইক্যাল ক্যানসার) অন্যতম মারাত্মক, যা প্রতি বছর গড়ে প্রায় দেড় লক্ষ মহিলাকে আক্রান্ত করে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃহৎ পরিসরে এইচপিভি টিকাকরণ চালু হওয়ায় ভবিষ্যতে জরায়ুমুখ ক্যানসারের প্রকোপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এই উদ্যোগ। এর ফলে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ কিশোরী দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক রোগের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা পাবে।

  • DA News: বকেয়া ডিএ মেটানোর ‘সঙ্কল্প’ পূরণ শুরু বঙ্গের বিজেপি সরকারের, প্রথমে কারা পাচ্ছেন জানেন?

    DA News: বকেয়া ডিএ মেটানোর ‘সঙ্কল্প’ পূরণ শুরু বঙ্গের বিজেপি সরকারের, প্রথমে কারা পাচ্ছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সঙ্কল্পপত্রে’ (বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারের এমনই নাম) দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ এক এক (DA Arrears Credited) করে শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। এবার পূরণ হচ্ছে বকেয়া ডিএ মেটানোর ‘সঙ্কল্প’ও। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (DA News) মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিল নবান্ন। শুক্রবার থেকেই যোগ্য প্রাপকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা জমাও পড়তে শুরু করেছে।

    কারা পাবেন বকেয়া ডিএ (DA News)

    নবান্ন সূত্রে খবর, আপাতত এই সুবিধা সব অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী পাবেন না। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যাঁরা অবসর নিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র তাঁদেরই দেওয়া হচ্ছে টাকা। আপাতত এই টাকা পাবেন না এই সময়সীমার আগে-পরে অবসর নেওয়া সরকারি কর্মীরা। ১ জুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক রয়েছে সরকারি কর্মীদের সংগঠনগুলির। সেই বৈঠকের দিকেই তাকিয়ে কর্মীরা। কারণ, যাঁরা চাকরি করছেন, তাঁরা কবে থেকে বকেয়া ডিএ পাবেন, সেই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হতে পারে ওই বৈঠকেই। প্রসঙ্গত, ডিএ নিয়ে মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া কত দূর এগিয়েছে, বুধবার শুনানির সময় তা জানতে চেয়েছিল শীর্ষ আদালত। রাজ্য সরকারের তরফে কিছুটা সময় চাওয়া হয়। বাকি সংগঠনগুলিও জানায়, মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকের দিন ঠিক করেছেন। তাই এই মামলায় আরও সময় প্রয়োজন। সব পক্ষের সওয়াল শোনার পর শুনানি পিছিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ফের হবে শুনানি। তার আগে রাজ্যকে ডিএ মামলার স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে মেলা অভিযোগ

    বকেয়া ডিএ নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মেলা অভিযোগ ছিল। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং বকেয়া ডিএ মেটানোর দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। কলকাতা হাইকোর্ট ঘুরে সেই মামলা গিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে। অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও বকেয়া ডিএ দেওয়া হয়নি। রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে ফেব্রুয়ারি মাসে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চে বিচার চলছে সেই (DA News) মামলার।

    কর্মচারী সংগঠনের বক্তব্য

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হয় মমতার সরকার। ক্ষমতায় আসে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পদ্ম সরকার। তার পরেই শুরু হয় বকেয়া ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া। একাধিক কর্মচারী সংগঠনের দাবি, ঠিক কত শতাংশ হারে ডিএ দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে কোনও স্পষ্ট সরকারি নির্দেশিকা এখনও পর্যন্ত জারি করা হয়নি। তাই কীসের ভিত্তিতে ডিএ (DA Arrears Credited) দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অনিশ্চয়তার। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “শুনছি, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া টাকা অবসরপ্রাপ্তদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে। যদিও আমরা শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং অন্য গ্রান্ট-ইন এইডের কর্মীরা এখনও এক টাকাও পাইনি!’’ সিপিএম সমর্থিত কর্মচারী সংগঠনের কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিত গুপ্ত চৌধুরী বলেন, “অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই (DA News)।”

     

  • Suvendu Adhikari: রোগী রেফার! ডাক্তার নেই? সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা নজর রাখতে চালু কন্ট্রোল রুম-হেল্পলাইন, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রোগী রেফার! ডাক্তার নেই? সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা নজর রাখতে চালু কন্ট্রোল রুম-হেল্পলাইন, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলির পরিষেবা আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। হাসপাতালগুলিতে দালালচক্র, অপ্রয়োজনীয় রেফার, পরিষেবার গাফিলতি ও রোগী হয়রানির অভিযোগ রুখতে স্বাস্থ্যভবনে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালুর ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার বিধাননগর মহকুমা হাসপাতাল থেকে জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে টিকাকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এই উদ্যোগের কথা জানান। তাঁর বক্তব্য, সরকারি হাসপাতালগুলিতে পরিষেবার মান উন্নত করতে এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে এই কন্ট্রোল রুম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    রাজ্যের হাসপাতালগুলির উপর নজরদারি

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্যভবনে খোলা হওয়া এই কন্ট্রোল রুম থেকে রাজ্যের হাসপাতালগুলির উপর সর্বক্ষণ নজরদারি চালানো হবে। রোগী বা তাঁদের পরিবারের সদস্যরা নির্দিষ্ট হেল্পলাইন নম্বরের মাধ্যমে হাসপাতাল সংক্রান্ত যে কোনও অভিযোগ সরাসরি জানাতে পারবেন। হাসপাতালের বেডের অভাব, চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্যা, ওষুধের ঘাটতি, কর্মীদের দুর্ব্যবহার কিংবা অন্য কোনও অনিয়মের অভিযোগও সেখানে নথিভুক্ত করা যাবে। প্রথম পর্যায়ে রাজ্যের সমস্ত জেলা হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে। হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসক উপস্থিত আছেন কি না, রোগীরা যথাযথ পরিষেবা পাচ্ছেন কি না, হাসপাতাল চত্বরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হচ্ছে কি না, কোথাও দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে কি না অথবা অযথা রোগীদের অন্যত্র রেফার করা হচ্ছে কি না— সেসব বিষয়েও নজর রাখা হবে।

    ‘‘দালালচক্র যাতে না চলে’’, কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হাসপাতালে কোনও দালালচক্র যাতে না চলে এবং কোনও রোগীকে অকারণে রেফার না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে আমরা পেশাদার কর্মী নিয়োগ করছি। এ বিষয়ে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে।” অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সম্প্রতি এক মুমূর্ষু রোগীকে রেফার করার ঘটনায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সুপারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা আরও উন্নত করতে চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা বজায় রাখার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে মানবসম্পদের ঘাটতি দূর করা জরুরি।

    সরকারি হাসপাতাল ঘিরে একাধিক অভিযোগ

    উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের একাধিক সরকারি হাসপাতালকে ঘিরে চিকিৎসা পরিষেবার মান, রোগী পরিষেবা ও প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই প্রেক্ষাপটেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর সরাসরি নজরদারি বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনের একাংশ। সরকারের দাবি, নতুন এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে শুধু কলকাতা নয়, রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকার সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পরিস্থিতিও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে। কোথাও কোনও সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসনের মতে, স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও স্বচ্ছ, কার্যকর ও জনমুখী করে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতালের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করাও সরকারের অন্যতম উদ্দেশ্য। এখন এই কন্ট্রোল রুম কতটা কার্যকরভাবে কাজ করে এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কতটা দ্রুত ফল পাওয়া যায়, সেদিকেই নজর থাকবে।

LinkedIn
Share