Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Modi in Malda: বিজেপি এলেই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, মালদা থেকে হুঁশিয়ারি মোদির

    Modi in Malda: বিজেপি এলেই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, মালদা থেকে হুঁশিয়ারি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল অনুপ্রবেশ। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত অশান্ত হচ্ছে। আর রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস তাতে মদত দিচ্ছে। শনিবার মালদায় পরিবর্তন সংকল্প সভার মঞ্চ থেকেই অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Malda)। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধনের পরপরই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন মোদি। তিনি বলেন, অনুপ্রবেশ বাংলার একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যার জেরে শুধু সামাজিক অস্থিরতাই নয়, কর্মক্ষেত্র, নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবেশও বিপর্যস্ত হচ্ছে রাজ্যের একাধিক জেলায়।

    অনুপ্রবেশ সমস্যা তৃণমূলের মদত

    প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, বিশ্বের উন্নত দেশগুলিও অনুপ্রবেশকারীদের নিজেদের দেশ থেকে বের করে দিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকলে বাংলা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বের করা কার্যত অসম্ভব। মোদি বলেন, ‘‘বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল অনুপ্রবেশ। দুনিয়ার সমৃদ্ধ দেশ, যেখানে টাকার অভাব নেই, তারাও অনুপ্রবেশকারীদের বার করে দিচ্ছে। ওদের বাইরে পাঠানো উচিত কি না? কিন্তু তৃণমূল সরকার থাকতে তা কি সম্ভব? ওরা কি করবে? আপনাদের অধিকার কি রক্ষা করবে? আপনাদের জমি, বোন-মেয়েদের কি রক্ষা করবে? অনুপ্রবেশকারীদের কে বার করবে? তৃণমূলের সিন্ডিকেট বহু বছর ধরে অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার করার খেলা করছে। ওরা গরিবদের অধিকার ছিনিয়ে নেয়। যুবকদের কাজ ছিনিয়ে নেয়। বোনদের উপর অত্যাচার করেছে। দেশে সন্ত্রাস, হিংসা আনছে। জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ভাষার ফারাক আসছে কিছু জায়গায়। মালদা, মুর্শিদাবাদের অনেক জায়গায় হিংসা বাড়ছে। অনুপ্রবেশকারী এবং সত্ত্বাধারীদের জোট ভাঙতে হবে। বিজেপি সরকার হলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হবে।’’

    মতুয়াদের উদ্দেশে বার্তা

    এ দিনের সভা থেকে মতুয়া সম্প্রদায়কে উদ্দেশ করে আলাদা বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘মোদির গ্যারান্টি, মতুয়া, যাঁরা প্রতিবেশী দেশে ধর্মের কারণে হিংসার শিকার হয়ে এখানে এসেছেন, তাঁরা ভয় পাবেন না। মোদি সিএএ-র মাধ্যমে শরণার্থীদের সুরক্ষা দিয়েছে। এখানে যে বিজেপি সরকার হবে, তারা মতুয়া, নমশূদ্র শরণার্থীদের বিকাশের কাজে গতি আনবে। বাংলায় পরিবর্তন আনার দায়িত্ব রয়েছে মা-বোন, যুবকদের।’’

    নারী নির্যাতন নিত্যদিন

    মোদি (Modi talks on Infiltration) বলেন, ‘‘বাংলায় এখন নারী নির্যাতন রোজ-কার ঘটনা। কাল দেখলাম মহিলা সাংবাদিক নিগৃহীত। কত অভদ্রতা করা হয়েছে। তৃণমূলরাজে স্কুল, কলেজেও মহিলারা সুরক্ষিত নয়। নির্মমতা এতটাই যে মহিলাদের কথা শোনা হয় না। নির্যাতিতাদের কোর্টে যেতে হয়। এই পরিস্থিতি বদলাতে হবে। এই কাজ কে করবে? আপনাদের একটা ভোট করবে। আপনাদের ভোট পশ্চিমবঙ্গের পুরনো গৌরব ফেরাবে। তৃণমূলের গুণ্ডাগিরি বেশিদিন চলবে না। এর শেষ হবে। গরিবদের নিপীড়ন শেষ হবে।’’ বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তিতেই বঙ্গবাসীর কাছে বাংলাকে বিকাশের পথে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান মোদি।

  • Modi in Malda: মালদার আম-অর্থনীতি নিয়ে ভাবেনি তূণমূল! ম্যাঙ্গো ইকোনমিকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেবে বিজেপি, দাবি মোদির

    Modi in Malda: মালদার আম-অর্থনীতি নিয়ে ভাবেনি তূণমূল! ম্যাঙ্গো ইকোনমিকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেবে বিজেপি, দাবি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা আর আম সমার্থক। গোটা রাজ্যে তো বটেই গোটা দেশেই মালদার আমের আলাদা পরিচিত ও খ্যাতি রয়েছে। মালদার (Modi in Malda) অর্থনীতির একটা বড় স্তম্ভ হল আম। কিন্তু রাজ্যের তৃণমূল সরকার সেদিকে নজরই দেয় না। তাই মালদার আমজনতার মাঝে আম নিয়ে একাধিক বড় ঘোষণা করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে পাটচাষী, রেশম চাষিদের দুর্দশার কথা উঠে এল মোদির কথায়। মোদি বলেন, ‘‘মালদা সেই জায়গা, যেখানে প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে। রাজনীতি এবং সাংস্কৃতির চেতনা। মালদা বাংলার সমৃদ্ধির কেন্দ্র। আমি প্রথম বাংলার শিবেন্দুশেখর রায়কে প্রণাম জানাই, যার জন্য মালাহ আজও পরিচিত। আজও নিজের আম, আমসত্ত্ব, রেশম, লোকসঙ্গীত, বৌদ্ধিক চেতনার জন্য পরিচিত।’’

    আম-অর্থনীতি নিয়ে মোদির ভাবনা

    মালদার সভায় প্রধানমন্ত্রীর (Modi talks on Mango) ভাষণের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল চাষিদের কথা। আম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা, “মালদা জেলা আম এবং আমসত্ত্বের জেলা। অথচ এই জেলায় আম অর্থনীতি নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করেনি তৃণমূল।” মোদির দাবি, বাংলায় ক্ষমতায় এলে মালদার আম শিল্পকে ১ লক্ষ কোটি টাকার শিল্পক্ষেত্রে পরিণত করবে কেন্দ্রীয় সরকার। এখন কালিয়াচক ও ইংলিশবাজার আমের বাজার। সেটার বিকল্প বাজার তৈরি করবে বিজেপি সরকার। কোল্ড স্টোরেজ আরও বাড়বে, ফুড প্রসেসিং সেক্টরে বিনিয়োগ বাড়বে। আমজনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি, “ম্যাঙ্গো ইকোনমিকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেবে বিজেপি সরকার। মালদার পুরনো গৌরব ফেরাব আমরা।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ মালদার নিত্যানন্দপুরে জনসভায় বলেন, “তৃণমূল সরকার দীর্ঘদিন ধরে মালদার আমচাষীদের বঞ্চিত করে রেখেছে। কোল্ড স্টোরেজ নেই, প্রসেসিং ইউনিট নেই, বাজারজাতকরণের সুবিধা নেই। ফলে চাষীরা ন্যায্য দাম পান না, আম নষ্ট হয়ে যায়। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই বঞ্চনার অবসান হবে।আমরা কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ দেব, নতুন নতুন কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করব, আধুনিক প্যাকেজিং ও লজিস্টিক্সের ব্যবস্থা করব যাতে মালদার ল্যাংড়া, লক্ষণভোগ, হিমসাগর, ফজলি এই সব বিখ্যাত আম সারা ভারতে সহজে পৌঁছে যায়।” প্রধানমন্ত্রী আরও জোর দিয়ে বলেন, আম চাষকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে বৃহৎ ফুড প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রি। আমের আচার, জ্যাম, জেলি, পাল্প, ড্রাই ফ্রুটস, আমের রস – এসব তৈরির কারখানা হবে মালদায়।

    বাংলার কৃষকদের সুদিন ফেরানোর আশা

    শুধু আম নয়, মালদা ও মুর্শিদাবাদের কৃষকদের জীবনযাত্রার একটা বড় ভিত রেশম ও পাটচাষ। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, রেশম চাষিদের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার। মোদির কথায়,“এই তৃণমূলের লোকেরা যখন দিল্লিতে সরকার চালাত তখন পাটের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ছিল ২৪০০ টাকা। আজ সেটা ৫৫০০ টাকা। দ্বিগুণের বেশি হয়ে গিয়েছে। আমাদের সরকার পাটচাষিদের ১৩০০ কোটির বেশি টাকা দিয়েছে।” মোদি বলেন, ‘‘মালদায় আপনাদের দুঃখ কমাতে এসেছি। এখানে কারখানা হচ্ছে না। কৃষকেরা সুবিধা পাচ্ছে না। মালদা, মুর্শিদাবাদ থেকে যুবকেরা রুজির জন্য পালাতে বাধ্য হন। রেশম কৃষক, আম কৃষকদের অবস্থা বেহাল। আমচাষীরা বলছেন, চাষের টাকাও ওঠেনি। কারণ, তৃণমূল সরকার এই নিয়ে উদ্যোগ নেয়নি। প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে বড় উদ্যোগ নেয়নি। আপনাদের হকের টাকা দেয়নি।’’

    নদীভাঙন নিয়ে সরব মোদি

    মানিকচক, রতুয়ার দীর্ঘদিনের সমস্যা নদী ভাঙন। এদিন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে সেই প্রসঙ্গও উঠে এল। প্রধানমন্ত্রী বললেন, “আপনাদের কষ্টের কোনও চিন্তা নেই তৃণমূলের। কেন্দ্র টাকা পাঠায় আর তৃণমূল খেয়ে নেয়। তৃণমূল সরকার নির্মম নির্দয়।” প্রধানমন্ত্রী বললেন, “মালদায় গঙ্গা আর ফুলহারের ভাঙনে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়। প্রতিবছর তৃণমূলের সাহায্য চায় মানুষ, কিন্তু তৃণমূল আপনাদের দুর্দশার মধ্যেই রেখে দিয়েছে।” মোদি বলেন, ‘‘মালদা তৃণমূলের দুর্নীতির কারণে মার খাচ্ছে। প্রতি বছর এখানে অসংখ্য ঘর নদীতে তলিয়ে যায়। লক্ষ মানুষ তৃণমূল সরকারের কাছে আবেদন করছেন, পাড় বাঁধাতে। তৃণমূল ছেড়ে দেয়। বাঁধের নামে কত যে খেলা হয়, আমার থেকে বেশি আপনারা জানেন। সিএজি রিপোর্ট দেখছিলাম বাঁধ নিয়ে। আপনাদের বাঁধের টাকা দেয়নি। কিন্তু তৃণমূলের নিজের লোকদের খাতায় ৪০ বার বাঁধের টাকা পাঠানো হয়েছে। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের দেওয়া হয়েছে। যাঁরা সঙ্কটে ছিলেন, তাঁদের দেয়নি। তৃণমূলের ঘনিষ্ঠেরা পীড়িতদের টাকা লুটেছে। মালদার মাটিতে বলছি, বাংলায় বিজেপির সরকার হলেই তৃণমূলের এই কালো দুর্নীতি বন্ধ হবে।’’

  • Modi in Malda: ‘‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার!’’ বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র স্লোগান বেঁধে দিলেন মোদি

    Modi in Malda: ‘‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার!’’ বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র স্লোগান বেঁধে দিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার চারপাশে সুশাসনের সরকার রয়েছে৷ বিহার, ওড়িশা, অসম, ত্রিপুরার পর এবার বাংলায় সুশাসনের পালা৷ মালদার সভা থেকে শনিবার রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোটের স্লোগান বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, “বাংলা আমায় অনেক ভালোবাসা দিয়েছে। আজ মালদার (PM Modi in Malda) এই জনসাগর দেখে আমি নিশ্চিত, বাংলার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য মানুষ আসল পরিবর্তনের সঙ্কল্প নিয়েছেন।” বাংলার দ্রুত বিকাশই কেন্দ্রের প্রাথমিক লক্ষ্য। কিন্তু সেই পথ আটকাচ্ছে তৃণমূলের হিংসার রাজনীতি। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বঙ্গবাসী।

    কেন্দ্রের টাকা লুট করে তৃণমূল

    মালদায় রাজনৈতিক জনসভা থেকে এদিন সুর চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রী এদিন সরাসরি তৃণমূল সরকারকে ‘গরিবদের শত্রু’ বলে আখ্যা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, “কেন্দ্রীয় সরকার গরিবদের জন্য যে টাকা পাঠায়, তা তৃণমূলের লোকজন লুটে নেয়। ওরা নিজেদের সিন্দুক ভরতে ব্যস্ত।” মোদি বলেন, ‘‘দেশ আজ দীক্ষিত ভারত হওয়ার লক্ষ্যে। পূর্ব ভারতের বিকাশ খুব জরুরি। হিংসার রাজনীতি যারা করে, তারা বিকাশ আটকে রেখেছিল। বিজেপি এই রাজ্যগুলিকে হিংসার রাজনীতি করা লোকজনের থেকে মুক্ত করেছে। পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির বিশ্বাস যদি কারও সঙ্গে থাকে, তা হলে তা হল বিজেপি।’’

    পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার

    মোদি বলেন, ‘‘ওড়িশায় বিজেপি সরকার করেছে। ত্রিপুরা, অসম ভরসা রেখেছে বিজেপি-তে। কিছু দিন আগে বিহার আরও এক বার বিজেপি-এনডিএ সরকার গড়েছে। বাংলার চার দিকে বিজেপির সুশাসনের সরকার রয়েছে। এখন বাংলায় সুশাসনের সময় এসেছে। তাই আমি বিহারে জয়ের পর বলেছিলাম, মা গঙ্গা আশীর্বাদে বাংলায় বিকাশের গঙ্গা বইবে। বিজেপি এই কাজ করে ছাড়বে। বাংলায় সুশাসন আনবে। আমার সঙ্গে একটা সঙ্কল্প নিন। আমি বলব, পাল্টানো দরকার। আপনারা বলবেন, চাই বিজেপি সরকার।’’ মুম্বই পুরসভা (BMC) এবং তিরুবনন্তপুরমে বিজেপির সাফল্যের উদাহরণ টেনে মোদি বলেন, দেশের চারদিকে আজ বিজেপির সুশাসনের সরকার। এবার বাংলার সময় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, যে রাজ্যগুলিতে বিজেপি-র জয় অসম্ভব বলেই মনে করা হত, সেখানেও এখন বিজেপি নির্বাচনে সাফল্য পাচ্ছে৷ উদাহরণ হিসেবে কেরল, মহারাষ্ট্রের কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী৷ তাঁর দাবি, এবার বাংলাতেও পালাবদল হয়ে পদ্ম ফুটবে৷

    বাংলার উন্নয়ন প্রাথমিক লক্ষ্য

    মোদির কথায়, ‘‘বাংলার দ্রুত বিকাশ কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য। কিছু ক্ষণ আগে বাংলার বিকাশের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু প্রকল্প উদ্বোধন করেছি। বাংলা আধ ডজন নতুন ট্রেন পেয়েছে। তার মধ্যে একটা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। মেড ইন ইন্ডিয়া। সকলের জন্য আনন্দের যে, প্রথম স্লিপার বন্দে ভারত শুরু হচ্ছে বাংলা থেকেই। একটা স্টেশন মালদাও। বাংলার সব মানুষকে শুভেচ্ছা। দেশের তরুণ প্রজন্ম, জেন জি বিজেপি-র উপরে ভরসা রাখছে৷ বিজেপি-কে নিয়ে যে ভুল প্রচার চালানো হত, তা দূর হচ্ছে৷’’ মোদি বলেন, ‘‘বাংলার সব গৃহহীন ঘর পান। নল থেকে সকলে জল পান, মুক্ত রেশন পান, যে যোজনা কেন্দ্র গরিবদের জন্য তালু করেছে, আমি চাই, বাংলার মানুষ তার সুবিধা পাক। আপনাদের সেগুলি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু তা হচ্ছে না। তৃণমূল সরকার নির্দয়। নির্মম। কেন্দ্রীয় সরকার গরিবদের জন্য যে টাকা দেয়, তা তৃণমূলের লোকজন লুটে নেয়।’’ বিশেষ করে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) প্রকল্পের সুবিধা থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত রাখার অভিযোগে তিনি সরব হন। মোদি বলেন, “সারা দেশের গরিবরা ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পেলেও বাংলার মানুষ তা পাচ্ছেন না। তৃণমূল সরকার এখানে এই যোজনা চালু করতে দিচ্ছে না।” তাই বাংলার উন্নয়নের স্বার্থে রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৭ তারিখ মালদহ ও ১৮ তারিখ হুগলির সিঙ্গুরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। কোটি কোটি টাকার রেল প্রকল্পের সূচনা করবেন মোদি। যা ভারত তথা বাংলার রেল মানচিত্রে নিয়ে আসবে বড় বদল। নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বাংলায় আসা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জানিয়েছেন, কেবল মালদায় ৩,২৫০ কোটিরও বেশি টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস হবে। হাওড়া ও গুয়াহাটির মধ্যে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের শুভ সূচনা করা হবে।

    বঙ্গ সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

    নিজের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal) লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গে রেল পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই আগামীকালের অনুষ্ঠানে বালুরঘাট–হিলি নতুন রেললাইন, নিউ জলপাইগুড়িতে অত্যাধুনিক মালবাহী ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, শিলিগুড়ির লোকো শেডের উন্নয়ন এবং জলপাইগুড়িতে বন্দে ভারত ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির শিলান্যাস করা হবে।” পাশাপাশি, ৪টি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও শুভ সূচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ মালদা স্টেশনে দেশের প্রথম হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি ভার্চুয়ালি গুয়াহাটি (কামাখ্যা)–হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটিরও উদ্বোধন করবেন। এর পর পৌনে ২টো নাগাদ সাহাপুর মালদা বাইপাস সংলগ্ন মাঠে মোদির সভা রয়েছে। সেখানে ৩,২৫০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক রেল ও সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন তিনি। ধূপগুড়ি-ফালাকাটা (৩১ডি) জাতীয় সড়কের কিছু অংশের সংস্কার ও চার লেনের শিলান্যাস করবেন মোদি। যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের যাতায়াত আরও সহজ করে তুলবে এই সংস্কার এবং নতুন চার লেনের রাস্তা।

    সিঙ্গুরে রবিবার

    রবিবার ১৮ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi in Bengal) সরকারি সভা রয়েছে হুগলির সিঙ্গুরে। সেখান থেকে ৮৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। বালাগড়ে বর্ধিত বন্দর গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রোড ওভার ব্রিজও। বিজেপি নেতৃত্বের কথায় ১৭ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গের রেল মানচিত্রে ঐতিহাসিক দিন হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর আসন্ন রাজ্য সফর সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলার উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন। তাঁর এই সফর এই উন্নয়নের যাত্রায় আরও একটি সংযোজন। বাংলার জনগণের উপকারের জন্য তিনি ধারাবাহিক অবদান রেখে চলেছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বার্তা

    শুধু প্রকল্প উদ্বোধনই আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতেও অংশ নেবেন বলে হুঙ্কার দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর মতে, রাজ্যের সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে নিয়ে তিতিবিরক্ত। তাঁরা চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার। নিজের পোস্টে এই বিষয়টা স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। তিনি লেখেন, ‘আগামীকাল বিজেপির সমাবেশে আমি মালদা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় আছি। প্রতিদিনই তৃণমূলের অপশাসনের কোনও না কোনও নতুন উদাহরণ সামনে আসছে। তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তিতিবিরক্ত এবং এই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করতে তাঁরা প্রস্তুত। মানুষ চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার।’

  • PM Modi: মালদায় পৌঁছে গিয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, শনিবার ১টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মালদায় পৌঁছে গিয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, শনিবার ১টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় এসে পৌঁছে গিয়েছে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper)। উদ্বোধন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র। প্রধানমন্ত্রী কখন উদ্বোধন করবেন তা নিয়ে গোটা দেশের নজর এখন মালদার দিকে। শনিবার, ১৭ জানুয়ারি দুপুর ১টায় মালদা স্টেশন থেকে এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ট্রেনের কামরাগুলিকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে (Vande Bharat Sleeper)

    উদ্বোধনের একদিন আগে পৌঁছানো ট্রেনের কামরাগুলিকে খতিয়ে দেখেছেন রেলের আধিকারিকরা। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে গোটা মালদা এলাকাকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। পূর্ব রেলের ডিআরএম মনিশ কুমার জানিয়েছেন, শনিবার দুপুর ১ টার সময় সবুজ পতাকা উত্তোলন করে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের যাত্রা শুরু করবেন। ফলে এই সময়ে ট্রেনের যাত্রার আগে সবকিছুকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ট্রেন হাওড়া থেকে শুরু করে হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদা, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, এবং অসমের বঙ্গাইগাঁও, কামরূপ মেট্রোপলিটন জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন।

    ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ

    দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে (Vande Bharat Sleeper) ঘিরে দেশবাসীর মধ্যে উত্তেজনা এখন ব্যাপক তুঙ্গে। যদিও ট্রেনের শুভ সূচনার ছাড়াও সাংগঠনিক ভাবে একাধিক কর্মসূচিও রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ভারতীয় রেলের তরফে একটি নোটিশ জারি করে বলা হয়েছে, আগামী ১৬ এবং ১৭ জানুয়ারি মালদা টাউন স্টেশনের ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাট ফর্ম সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আর তাই ১৬ জানুয়ারি ১৫টি ট্রেনকে অন্যান্য প্ল্যাট ফর্মে স্থানান্তর করা হয়েছে। একই ভাবে ১৭ জানুয়ারিও স্থানান্তর করা হয়েছে ১৫টি যাত্রীবাহী ট্রেনকে। উদ্বোধনের দিনে ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে মোট দুই হাজার মানুষকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের প্রত্যকের কাছে বিশেষ আমন্ত্রণ পত্র থাকতে হবে। বৃহস্পতিবার থেকেই স্টেশনকে এসপিজি নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও আগেই পৌঁছে যাবেন মালদায়। সম্পূর্ণ স্টেশনকে নিরাপত্তার বিষয়টি নিজে ভালো করে ক্ষতিয়ে দেখবেন। তবে মোদি স্টেশনে ঢুকে রেলের উদ্বোধন করবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক রসারজ মাজি জানিয়েছেন, “আগামিকাল রেলমন্ত্রী মালদায় আসছেন ৷ আশা করছি, তারপরেই ট্রেন উদ্বোধনের চূড়ান্ত সূচি আমরা পেয়ে যাবো৷”

    সভাস্থলে দুটি মঞ্চ

    পুরাতন মালদায় ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভাকে ঘিরে দুটি মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে। একটি সরকারি এবং অন্যটি দলীয় মঞ্চ হবে। সভাস্থলের পিছনে তৈরি হবে বেশ কিছু তাঁবু। প্রত্যেক দফতরের এক-একটি বিভাগ থাকবে। একটি তাঁবু রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জন্যও নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে বিশ্রামাগারও তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সভাস্থলের উপর দিয়ে যাওয়া হাইটেনশনের ইলেকট্রিক তারও খুলে দেওয়া হয়েছে।

    সভাস্থলের নিরাপত্তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ইতিমধ্যে নিয়ে নিয়েছে এসপিজির জওয়ানরা। প্রতিটি জিনিসে স্নিফার ডগ দিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। একই ভাবে করা হচ্ছে ময়দানের প্রতিটি কোনায় কোনায়। তল্লাশি করছেন রাজ্য পুলিশের কর্মীরাও। মঞ্চের সামনে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় রাখা হয়েছে। ভিড়কে কোনও ভাবেই বাড়তে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের মানুষের উদ্দেশেও ভাষণ

    উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভাকে ঘিরে বলেন, “আগামী ১৭ তারিখ প্রধানমন্ত্রী পুরাতন মালদায় সভা করবেন ৷ মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর মিলিয়ে চারটি সাংগঠনিক জেলার মানুষজনের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন তিনি৷ অবশ্য শুধু এই চারটি সাংগঠনিক জেলাই নয়, তিনি গোটা রাজ্যের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের মানুষের উদ্দেশেও ভাষণ দেবেন ৷ তাঁর সভার জন্য প্রস্তুতি চলছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষকে নতুন বছরের উপহার দেবেন তিনি ৷ দেশের প্রথম স্লিপার ক্লাস বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করবেন ৷ একইসঙ্গে রেলের কিছু অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন তিনি ৷ ওই অনুষ্ঠানে বেশ কিছু রেল প্রকল্প-সহ কিছু ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।”

  • SIR in Bengal: এসআইআরে ভুল সংশোধন আবেদনের সময়সীমা বাড়াল কমিশন, কতদিন পর্যন্ত করা যাবে?

    SIR in Bengal: এসআইআরে ভুল সংশোধন আবেদনের সময়সীমা বাড়াল কমিশন, কতদিন পর্যন্ত করা যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষ নিবিড় সংশোধন অর্থাৎ এসআইআর (SIR in Bengal)-এর খসড়া তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরে তাতে কোনও ভুল বা আপত্তি থাকলে তা সংশোধন করার আবেদনের মেয়াদ ছিল ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সেই সময়সীমা আরও আরও ৪ দিন বাড়াল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তথ্য সংশোধনের আবেদন জানানো যাবে আগামী ১৯ জানুয়ারি, সোমবার পর্যন্ত। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও এই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে গোয়া, লাক্ষাদ্বীপ, রাজস্থান ও পুদুচেরিকে।

    কোন কোন দলের কত তরফে আবেদন

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, তালিকা সংশোধনের জন্য বিভিন্ন দলের তরফে এখনও পর্যন্ত কমিশনের কাছে মাত্র আটটি অভিযোগ জমা পড়েছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে তৃণমূলের তরফে। তালিকায় তিন জন ভোটারের নাম তোলার আবেদন জানিয়ে তৃণমূল ৩টি অভিযোগ জানিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, খসড়া তালিকা থেকে ওই সব ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। সিপিএম দু’টি, ফরওয়ার্ড ব্লক ও বিজেপি একটি করে এবং বহুজন সমাজ পার্টির তরফে ১টি অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যেক দলই তালিকায় নাম নথিভুক্তির আবেদন জানিয়েছে। নাম বাদ দেওয়ার আবেদন কোনও দলের তরফেই জানানো হয়নি।

    পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সময়সীমা বৃদ্ধি

    এসআইআর-এর (SIR in Bengal) পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর বিশেষ নিবিড় সংশোধনের খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ওই তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ যায়। তবে ওই তালিকা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নয়। সেখানে ভুল থাকতে পারে। আপত্তি বা অভিযোগের জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা আরও চার দিন বাড়ানো হল। সমস্ত অভিযোগ দেখে সেগুলি যাচাই ও সংশোধন করার পরে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। সব মিলিয়ে পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-কে চিঠি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে সময়সীমা বৃদ্ধির কথা।

  • SIR: এসআইআরের নথি হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, জানিয়ে দিল কমিশন

    SIR: এসআইআরের নথি হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, জানিয়ে দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরের (SIR) নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণ না করার কথা সিও-কে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিল কমিশন। এসআইআর-এর নথি বিষয়ে নির্বাচন কমিশন রাজ্যের নির্বাচন আধিকারিক সিইও মনোজ আগারওয়ালাকে শুক্রবার চিঠি দিয়ে এই বিষয়টি স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে। যদিও কমিশন আগে ১৩টি বৈধ নথির কথা জানিয়েছিল। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধকারিকের (Election Commission) সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকেরদের আগে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এরপর প্রস্তাব দিলে কমিশন খারিজ করে দেয়।

    জন্মতারিখের তথ্য হিসেবে বৈধতা দেখাতে হবে (SIR)

    ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে কোনও ভাবেই নথি হিসেবে, জন্মতারিখের তথ্য হিসেবে বৈধতা দেওয়া হবে না। ফলে এতে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার একটা আশঙ্কা রয়েছে। এসআইআর-এর অনেকেই নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা করেছেন। এখন সেই অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে গৃহীত হবে না বলায় অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে কমিশন (Election Commission) ভোটারদের এই নিয়ে ১৩টি নথির মধ্যে যেকোনও একটি দেখানোর কথাই বলেছে।

    ১৩টি নথি কী কী

    সিইও দফতর (SIR) থেকে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সদর দফতরে প্রস্তাব পাঠনো হয়েছিল। অবশেষে নির্বাচন কমিশন বৈধ নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণ করার আবেদন বাতিল করে দিয়েছে। কমিশন ঘোষিত যে ১৩টি নথির কথা বলা হয়েছে, সেগুলি হল—

    • ১) কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র, পেনশন পেমেন্ট অর্ডার
    • ২) ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগের নথি
    • ৩) জন্মের শংসাপত্র
    • ৪) পাসপোর্ট
    • ৫) শিক্ষাগত শংসাপত্র
    • ৬) ডোমিসাইল শংসাপত্র
    • ৭) বনাধিকার শংসাপত্র
    • ৮) জাতিগত শংসাপত্র
    • ৯) জাতীয় নাগরিক পঞ্জিতে নাম
    • ১০) বংশলতিকার শংসাপত্র
    • ১১) সরকারের দেওয়া জমির নথি
    • ১২) আধার কার্ড
    • ১৩) বিহারের এসআইআর নথি।

    নো-ম্যাপিং এবং এনুমারেশন ফর্মে (SIR) তথ্যগত অসঙ্গতির জন্য খসড়া ভোটার তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের একাংশকে শুনানির জন্য ডেকেছে কমিশন। তবে শুনানির জন্য যাদের কমিশন ডেকেছে তাদের নির্ধারিত নথির মধ্যে যে কোনো একটি দেখালেই হবে।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ফরাক্কায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন’’, মণিরুলের দৌরাত্ম্যে জ্ঞাণেশকে চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ফরাক্কায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন’’, মণিরুলের দৌরাত্ম্যে জ্ঞাণেশকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফরাক্কায় (Farakka) কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন। তৃণমূল বিধায়কের আচরণে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু অধিকারী নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে কমিশনকে বলেন, “তৃণমূল নেতার মন্তব্য মহা জঙ্গলরাজের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। রাজ্যে এসআইআর আবহে তৃণমূল নেতাদের উত্তেজক ভাষণে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে।” একই ভাবে বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুর জেলার চাকুলিয়ার বিডিও অফিসে এসআইআর শুনানিতে আক্রমণ করে উন্মত্ত জনতা। কার্যত আগুন লাগিয়ে রণক্ষেত্র করে তোলে গোটা সরকারি দফতর।

    সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা প্রয়োগের দাবি (Suvendu Adhikari)

    বুধবার রাজ্যের ফরাক্কায় তৃণমূল নেতার বিরাট দৌরাত্ম্য দেখা গিয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ওইদিন সকাল থেকে বিডিও অফিসের বাইরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল বিধায়ক এবং তাঁর অনুগামীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূল নেতা মণিরুল ইসলাম স্লোগান দেন “এসআইআর মানছি না মানব না।” এরপর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে। বিধায়কের নেতৃত্বে ব্যাপক ভাঙচুর চলে বিডিও অফিসে। শাসক দলের বিধায়কের নেতৃত্বে ভাঙচুরের ঘটনায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলাকে ঘিরে চরম বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে অনুরোধ করে বিরোধী দলনেতা বলেন, “সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে অবিলম্বে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে রাজ্য প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে এসআইআর প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার দাবি জানাই। শুভেন্দু আরও বলেন, “ভয়মুক্ত ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এখনই কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন, না হলে গণতন্ত্রই সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে।”

    হিন্দুদের সব খোয়াতে হবে

    একই ভাবে রাজ্যে একাধিক জায়গায় (Farakka)  এসআইআর বিরোধিতার নামে  তৃণমূল শাসনের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “বর্তমানে এই রাজ্যে মমতা সরকারের তোষণনীতি চরমসীমায় পৌঁছে গিয়েছে, উদ্দেশ্যে সেই ভোটব্যাঙ্ক, কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের কুর্সি টিকিয়ে রাখতে হবে। সুতরাং এই সব জেহাদিরা রাজ্যের যেখানে যা খুশি করুক তাদের বিরুদ্ধে কোনোও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। আসলে এই সরকারটা দ্বিতীয় বাংলাদেশ সৃষ্টি করতে চায়। রাজ্যের হিন্দুদের একত্রিত হয়ে অবিলম্বে এই সরকারটাকে শিকড় সমেত উপড়ে ফেলতে হবে, না হলে এই সব ঘটনা তো ট্রেলার মাত্র, আগামী দিনে হিন্দুদের ভিটে মাটি সব এভাবে প্রশাসনের সামনেই দখল হবে, আর হিন্দুদের সব খোয়াতে হবে। বাংলাদেশ থেকে সব হারিয়ে হিন্দুরা তাদের একমাত্র হোমল্যাণ্ড পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন, এর পর তাঁদের ভাবতে হবে তাঁরা কোথায় যাবেন? তাই সময় থাকতে হিন্দুরা এই হিন্দু-বিরোধী মমতা সরকারকে উৎখাত করতে অবিলম্বে একত্রিত হন।”

    চাকুলিয়ায় বিজেপি অফিসে আগুন ভাঙচুর!

    একই ভাবে ফরাক্কার পরে উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ার বিডিও অফিসে ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসআইআর-এর শুনানির কাজকে ঘিরে দুষ্কৃতীরা সরকারি দফতরে ব্যাপক ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। তবে বিরোধীদের অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সড়ককে অবরোধ করে প্রথমে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তবে যাদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে তারাই এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। ইতিমধ্যে চাকুলিয়া থানার আইসিকে ব্যাপক মারধর করা হয়।

    আবার চাকুলিয়ার বিডিও-র করা অভিযোগ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ টা নাগাদ বিডিও দফতরে জোর করে প্রবেশের চেষ্টা করেন প্রায় ৩০০ জন। পুলিশ প্রথমে উত্তেজিত জনতাকে আটকানোর চেষ্টা করে। এরপর দফতরের ভিতরে ঢুকে বৈদ্যুতিন যন্ত্র থেকে চেয়ার-টেবিল সব ভেঙে ফেলা হয়। প্রচুর নথি নষ্ট করা হয়। অফিসের ২০ লক্ষ টাকার জিনিস ধ্বংস করে দিয়েছে বলে বিডিও নিজে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে ইসলামপুর জেলা পুলিশের তরফে সর্তকতা জারি করা হয়েছে।

    বিভাজনের রাজনীতি মণিরুলের

    তবে ফারক্কার বিধায়ক মণিরুল উস্কানি মূলক ভাষণ দিয়ে বলেন, “হিন্দুরা আমায় বলেছে, রামের নাম শুনলে বলছে আপনার কিছু লাগবেনা। আর আর রহিমের নাম শুনলে তখন চোদ্দ গুষ্ঠির খতিয়ান চাই। এই দ্বিচারিতা চলবে না। আমরা সকলে এই দেশকে স্বাধীন করেছি। যদি ফরাক্কার মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে গুলি খেতে হয় এই মণিরুল ইসলাম গুলি খাবেন প্রথমে।” বারাসত থেকে বাঁকুড়া সর্বত্র এক দল এস আইআরকে ঘিরে গোলমাল করছে। তবে তৃণমূলের ছোট বড় নেতাদের কমিশন বিরোধী মন্তব্য একমাত্র দায়ী বলে দাবি করেছে বিজেপি। আগামী সময়ে কমিশন এখন কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তাই এখন দেখার।

  • PM Modi: ১৭ জানুয়ারি আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজো সাজো রব মালদায়, সেজে উঠছে স্টেশন

    PM Modi: ১৭ জানুয়ারি আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজো সাজো রব মালদায়, সেজে উঠছে স্টেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ জানুয়ারি ফের পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ওইদিনই মালদায় যাবেন নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকেই দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই নতুন ট্রেন সরাসরি যুক্ত করবে গুয়াহাটি-উত্তরবঙ্গ-কলকাতাকে। তাঁর সফরের আগে নয়া রূপে সেজে উঠেছে মালদা টাউন স্টেশন চত্বর। দিনরাত ধরে চলছে কাজ। মালদা টাউন স্টেশনকে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার কাজও (Vande Bharat Sleeper) চলছে জোরকদমে। স্টেশনে ঢোকার মুখে রয়েছে একটি বিশাল পার্ক। এই পার্কেই বসানো হয়েছে ফাইবারের তৈরি শ্রীচৈতন্য দেবের মূর্তি।

    সাজানো হয়েছে পার্ক (PM Modi)

    বাঁকুড়ার বিখ্যাত পোড়ামাটির ঘোড়া আর নানা ধরনের মূর্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে পার্কটি। এলাকার সমস্ত রাস্তায় নতুন করে পিচের প্রলেপ পড়েছে। পুরো এলাকা সাজানো হচ্ছে আলো দিয়ে। পার্কের কাজ শেষ করতেও ঘাম ঝরাচ্ছেন শ্রমিকরা। মালদা টাউন স্টেশনের ১ ও ২ নম্বর প্লাটফর্মে গিয়ে দেখা গেল, সেখানেও কাজ চলছে। দুটি প্লাটফর্মের মেঝের বেশ কিছু জায়গায় টাইলস পাল্টানো হচ্ছে। কোথাও আবার পড়েছে রংয়ের প্রলেপ। সামনে দাঁড়িয়ে কাজকর্ম তদারকি করছেন রেলকর্তারা। রেল সূত্রে খবর, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মালদায় পৌঁছে যাবে বন্দে ভারত স্লিপারের দুটি রেক। সেগুলি দাঁড়াবে ১ ও ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে (PM Modi)। সেই কারণে ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকে কোনও ট্রেন চলাচল করবে না। পূ্র্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক রসরাজ মাজি বলেন, “ইতিমধ্যেই কাটিহার থেকে বন্দে ভারত স্লিপার মালদার দিকে আসতে শুরু করেছে। এলেই জানিয়ে দেব।” ১৭ জানুয়ারি বন্দে ভারত স্লিপারের (Vande Bharat Sleeper) উদ্বোধন। তার ঠিক আগের দিনই মালদায় এসে পৌঁছবেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    মালদায় প্রধানমন্ত্রী

    ১৭ তারিখেই মালদায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর এই সফর ঘিরে চূড়ান্ত ব্যস্ততা। পুরাতন মালদা বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নানা প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মালদা টাউন স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের নিজস্ব ফাঁকা লক্ষ্মণ সেন স্টেডিয়ামে তৈরি হচ্ছে অস্থায়ী হেলিপ্যাড। জানা গিয়েছে, ১৭ জানুয়ারি দুপুর ২টো নাগাদ প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে সেখানে পৌঁছবেন। সেখান থেকে সড়কপথে আসবেন মালদা টাউন স্টেশনে। সড়ক পথের পুরো রাস্তাটিতে পিচের প্রলেপ পড়তে শুরু করেছে। দফায় দফায় এলাকা পরিদর্শন করছেন মালদা ডিভিশনের রেল কর্তারা।

    রেলের বক্তব্য

    পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার মণীশকুমার গুপ্তা বলেন, “১৭ জানুয়ারি মালদায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন স্লিপার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা হবে। তবে এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কোনও নির্দেশিকা আমাদের কাছে এসে পৌঁছয়নি।” জানা গিয়েছে, ওই দিন সবুজ পতাকা নেড়ে মালদা টাউন স্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী সূচনা করবেন বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। শুধু তাই নয়, সেখান থেকে ফরাক্কা পর্যন্ত তিনি ওই ট্রেনে সফরও করবেন। ট্রেনে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হবে এক ঝাঁক খুদে পড়ুয়া (Vande Bharat Sleeper)। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফর করার সুযোগ কারা পাবে, তাদের বেছে নিতে শুক্রবার থেকে মালদার বেশ কয়েকটি স্কুলে ছবি আঁকা, লেখার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন স্কুল থেকে প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়া পড়ুয়াদের নিয়ে আবার প্রতিযোগিতা হবে জেলাস্তরে। সেখানেই সফল হওয়া ৩০ পড়ুয়াকে বেছে নেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে (PM Modi)।

    একগুচ্ছ ট্রেনের উদ্বোধন

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি সরাসরি যুক্ত করবে গুয়াহাটি-উত্তরবঙ্গ-কলকাতাকে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, প্রথম ভাণ্ডে ভারত স্লিপার চলবে হাওড়া-মালদা টাউন-নিউ জলপাইগুড়ি-নিউ কোচবিহার-নিউ বঙ্গাইগাঁও-গুয়াহাটি (কামাখ্যা) রুটে। অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোর মধ্যে এবার আরও দ্রুত সংযোগ তৈরি হবে। এতেই শেষ নয়, একই দিনে প্রধানমন্ত্রী মোট ছ’টি নতুন ট্রেন পরিষেবার উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি-নাগেরকোইল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, নিউ জলপাইগুড়ি-তিরুচিরাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-বেঙ্গালুরু (SMVT) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-মুম্বই (পানভেল) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, রাধিকাপুর-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস, বালুরঘাট-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস।

    প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী বাছাই শুরু

    রেলের তরফে জেলার ১৮টি স্কুলে প্রতিযোগিতার নির্দেশাবলি পৌঁছে গিয়েছিল আগেই। তার পরেই শুরু হয় প্রতিযোগিতা। মালদার ঐতিহ্যবাহী বার্লো বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দীপশ্রী মজুমদার বলেন, “রেলের তরফে আমাদের চিঠি দিয়ে প্রতিযোগিতাগুলি আয়োজন করার জন্য বলা হয়েছে।” শুক্রবার জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যে সব স্কুল পড়ুয়ারা বন্দে ভারতে সফর করবেন, তাদের বেছে নেওয়া হবে তিন ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। ছবি আঁকা, সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা এবং প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে বলা হয়েছিল। আমরা স্কুলের জুনিয়র ও সিনিয়র ছাত্রীদের মধ্যে পৃথক দুটি ভাগে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম।” প্রতিযোগিতার বিষয় হিসেবে বিকশিত ভারত, বিকশিত বাংলা, নেক্সট জেনারেশন ট্রেন এবং আত্মনির্ভর ভারত ইত্যাদি বিষয় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মালদা অক্রুরমণি করোনেশন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক অজয়কৃষ্ণ রায় বলেন, “রেলের তরফে পড়ুয়াদের ছবিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে (Vande Bharat Sleeper)। স্কুলের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয়দের বক্তৃতার ভিডিও-ও করা হয়েছে (PM Modi)।”

  • CBI: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কলকাতার পাঁচ জায়গায় সিবিআই হানা, কে কে রয়েছেন তালিকায়?

    CBI: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কলকাতার পাঁচ জায়গায় সিবিআই হানা, কে কে রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলার (Bank Fraud Case) তদন্তে বৃহস্পতিবার কাকভোরে কলকাতার পাঁচ জায়গায় হানা দিল সিবিআই (CBI)। এদিন আলিপুর, নিউটাউন-সহ মোট পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, সকালেই শহরের ওই পাঁচ জায়গায় অভিযান চালান সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও।

    তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা (CBI)

    প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এদিন কয়েকজন ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ভুয়ো নথি দেখিয়ে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই দায়ের হয়েছিল মামলা। সেই মামলার সূত্রেই এদিন তল্লাশি চালায় সিবিআই। তদন্তকারীরা কার কার বাড়িতে হানা দিয়েছে, তা জানা না গেলেও, আলিপুর নিউ রোডে জনৈক নিশা কেজরিওয়ালের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

    আলিপুর নিউ রোডেও অভিযান

    নিশা থাকেন ২৮ নম্বর প্লটের একটি বহুতল বিলাসবহুল আবাসনে। এদিন তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় ৬ আধা সেনাকে। ভেতরে রয়েছেন আরও দুজন। তল্লাশি অভিযানে নেমে সিবিআই দেখতে চাইছে ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কার কার কাছে গিয়েছে টাকা। আলিপুর নিউ রোডের কাছে গণেশ কোর্ট আবাসনের পাঁচ তলায়ও এক ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে সিবিআই। এই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে (Bank Fraud Case) ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে কয়েকশো কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সপ্তাহখানেক আগেই কলকাতায় হানা দিয়েছিল ইডি। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা প্রথমে যান আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে। খবর পেয়ে খানিকক্ষণ বাদেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্রুত পায়ে ঢুকে যান আইপ্যাকের অফিসে। খানিক পরে হনহনিয়ে তিনি চলে আসেন বাইরে, তখন তাঁর হাতে ধরা একটি সবুজ ফাইল। ইডির আধিকারিকদের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তদন্তে বাধা দিয়েছেন (CBI)। যদিও মমতার সাফাই, এই সবুজ ফাইলে রয়েছে তাঁর দলের প্রার্থীদের নাম, ভোট স্ট্র্যাটেজির মতো বিভিন্ন (Bank Fraud Case) বিষয়। তাই তিনি ফাইলটি দ্রুত হস্তগত করেছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী (CBI)।

LinkedIn
Share