Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • West Bengal Governor: লোকভবনে পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন আরএন রবি

    West Bengal Governor: লোকভবনে পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন আরএন রবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্যপাল (West Bengal Governor) হিসেবে পদে বসলেন আরএন রবি (R N Ravi)। বৃহস্পতিবার লোকভবনে রাজ্যপাল শপথ নিলেন আরএন রবি। তাঁকে এদিন শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক ব্যক্তিত্ব।

    বোসের জায়গায় স্থলাভিষিক্ত (West Bengal Governor)

    বুধবার সস্ত্রীক বাংলায় আসেন আরএন রবি। সন্ধ্যাতেই তিনি দিল্লি হয়ে কলকাতায় এসে পৌঁছান। সস্ত্রীক কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন এই নতুন রাজ্যপাল। তাঁকে স্বাগত জানাতে এয়ারপোর্টে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। সদ্য প্রাক্তন হয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁর জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আরএন রবি। তিনি ইতিমধ্যে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    ব্যক্তিগত জীবন

    রবীন্দ্র নারায়ণ রবি (R N Ravi), সংক্ষেপে আরএন রবি, জন্ম ৩ এপ্রিল ১৯৫২ সালে বিহারের পাটনায়। ছাত্রজীবন থেকেই মেধাবী ছিলেন তিনি। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৭৬ ব্যাচের কেরালা ক্যাডারের আইপিএস অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তাঁর কেরিয়ারের বড় অংশ কেটেছে দেশের গোয়েন্দা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায়। দীর্ঘদিন তিনি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (IB)-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ২০১৪ সালে তিনি জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

    প্রশাসনিক দায়িত্ব

    আমলাতান্ত্রিক জীবন থেকে অবসর নেওয়ার পর রবীন্দ্র নারায়ণ রবি (R N Ravi) ২০১৯ সালের অগাস্টে নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্ত হন এবং ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেই দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি মেঘালয়ের রাজ্যপাল হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বও সামলান। পরে ২০২১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২১ সাল থেকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তামিলনাড়ুতে দায়িত্ব পালনকালে ডিএমকে সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের সঙ্গে তাঁর একাধিক সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছিল।

  • Assembly Election 2026: দিল্লিতে শাহ-নবীনদের সঙ্গে বৈঠকে শমীক-শুভেন্দু, সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে আলোচনা

    Assembly Election 2026: দিল্লিতে শাহ-নবীনদের সঙ্গে বৈঠকে শমীক-শুভেন্দু, সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে আলোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Elections 2026) আগে দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে করলেন বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতারা (West Bengal BJP)। বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (J P Nadda) বাসভবনে বুধবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya), রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)-সহ বঙ্গ বিজেপির একাধিক শীর্ষ পদাধিকারী। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এই বৈঠকে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, খুব শিগগিরই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে। তার আগেই ২৯৪টি বিধানসভা আসনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করতে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    প্রার্থীতালিকা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা

    বুধবার সন্ধ্যায় জেপি নাড্ডার বাড়িতে দীর্ঘ ৬ ঘণ্টার বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। বৈঠকে বাংলার প্রতিটি আসন ধরে ধরে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আর তারপরই জোরালো জল্পনা বিধানসভা ভোটের জন্য বাংলার ২৯৪ আসনের প্রার্থী কি চূড়ান্ত করে ফেলেছে বিজেপি? শুধু মোদির অনুমোদনের অপেক্ষা। বুধবার সন্ধ্যায় জেপি নাড্ডার বাড়িতে বিজেপির বৈঠকে যোগ দিতে পৌঁছে যান বঙ্গ বিজেপির কোর কমিটি শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, অমিতাভ চক্রবর্তী, অমিত মালব্য-সহ অন্যরা। বিজেপি সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল যে, প্রার্থী তালিকা নিয়েই আলোচনা হবে সেই বৈঠকে। দলীয় সূত্রে খবর, সম্প্রতি সংগঠনের উদ্যোগে শুরু হওয়া ‘পরিবর্তন যাত্রা’র রাজনৈতিক প্রভাব ও ফলাফল নিয়েও বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিনিময় করেন রাজ্য নেতারা। একই সঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থীতালিকা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।

    আসন-ভিত্তিক কৌশল নির্ধারণ

    পাশাপাশি, বৈঠকে বাংলার প্রতিটি আসন ধরে ধরে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বৈঠকে সংগঠনকে আরও মজবুত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে বুথস্তরে দলীয় কর্মসূচি সক্রিয়ভাবে চালানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংগঠনের শক্তি ও দুর্বলতার দিকগুলি এবং কোথায় প্রচার আরও জোরদার করা দরকার—এই সব বিষয় নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চাইতে পারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এছাড়াও রাজ্যের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং আসনভিত্তিক কৌশল নির্ধারণ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কোন কেন্দ্রে কোন দলের প্রভাব কতটা, সেই হিসেব করেই প্রাথমিক পর্যায়ে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

    আজ বৈঠক মোদির সঙ্গে

    বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত প্রায় সাড়ে ১২টা, প্রায় ৬ ঘণ্টা বৈঠকের পর জেপি নাড্ডার বাসভবন থেকে বেরিয়ে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, বৈঠকে বাংলার প্রতিটি আসন ধরে ধরে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলের পুরনো কর্মী ও সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে বলেই প্রাথমিকভাবে ইঙ্গিত মিলেছে। এবার বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির বৈঠক। জানা যাচ্ছে, ওই বৈঠকেই কেরল ও পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হতে পারে।

    রাজ্যে ভোট ঘোষণা শীঘ্রই!

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। তাই বাংলার আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী বাছাই নিয়ে জোর তৎপরতা ইতিমধ্যেই শুরু করেছে বিজেপি। আগামী ১৪ তারিখ কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভা হওয়ার কথা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ওই সভা শেষ হওয়ার পর যে কোনও সময় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার আগেই স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যে বিজেপির রাজনৈতিক তৎপরতাও বাড়তে শুরু করেছে।

  • Shamik Bhattacharya: ‘‘পৃথিবীর কোনও শক্তি তৃণমূলকে আর ফেরাতে পারবে না’’! রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ শমীকের

    Shamik Bhattacharya: ‘‘পৃথিবীর কোনও শক্তি তৃণমূলকে আর ফেরাতে পারবে না’’! রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতি শুধু রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা রাজ্যের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। তোষণমূলক নীতির মাধ্যমে রাজ্যের সামাজিক সংহতি দুর্বল করার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা চলছে। এমনভাবেই রাজ্য সরকার ও শাসক দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের ভাতার বাজারে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র শেষদিনে এক জনসভা থেকে তিনি সাফ ঘোষণা করেন, আগামী দিনে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী নবান্ন থেকে নয়, বরং ঐতিহ্যের রাইটার্স বিল্ডিং থেকেই সরকার পরিচালনা করবেন। তৃণমূলের পরাজয় এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা বলেও দাবি করেন তিনি।

    নো এসআইআর, নো ভোট

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে ‘বিচারাধীন’ বা এসআইআর (SIR) তালিকা কোনওভাবেই সরানো যাবে না—এই দাবিতে অনড় থাকল বিজেপি। সোমবার কালীঘাটে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে তৃণমূলের ‘গো ব্যাক’ স্লোগান এবং কালো পতাকা দেখানোর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) জানালেন, “নো এসআইআর, নো ভোট— এটাই আমাদের অবস্থান।” শমীক ভট্টাচার্যের কটাক্ষ, “মুখ্যমন্ত্রীর এজেন্ডা অত্যন্ত পরিষ্কার। তিনি চান বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গারা ভোটার লিস্টে থাকুক। মৃত ব্যক্তি এবং ভুয়ো ভোটারদের নাম তালিকায় রেখে দেওয়ার জন্যই এই লড়াই।” তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী ভাতার বা বর্ধমানের সাধারণ মানুষের জন্য লড়ছেন না, তাঁর লক্ষ্য কেবল বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের স্বার্থরক্ষা করা।

    পশ্চিমবঙ্গে দাঙ্গা-গোষ্ঠী হিংসা কেন

    বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির উদাহরণ টেনে শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেন, গুজরাটে গত ২০ বছরে কোনও দাঙ্গা হয়নি। উত্তরপ্রদেশ বা মধ্যপ্রদেশেও হিন্দু-মুসলিম বা শিয়া-সুন্নি বিবাদ বন্ধ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মালদা, মুর্শিদাবাদ বা উত্তর ২৪ পরগনার মতো জেলাগুলিতে প্রতিনিয়ত অশান্তি ঘটছে। তাঁর অভিযোগ, “তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ মিডিয়া অনেক ঘটনা চেপে গেলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ সব দেখছেন।” সোমবারের বক্তব্যের জন্য মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমা না চাইলে বিচারব্যবস্থাকে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানান তিনি। বিজেপির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার এক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। বিজেপির মতে, প্রকৃত উন্নয়ন বা ক্ষমতায়নের বদলে তাঁদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। দলের অভিযোগ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আর্থিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সমাজের প্রকৃত অগ্রগতি ঘটাতে সরকার পর্যাপ্ত উদ্যোগ নেয়নি।

    রাজ্যে মানুষ ভালো নেই

    কালীঘাটে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে তৃণমূলের বিক্ষোভ দেখানো প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বিদ্রুপের সুরে বলেন, “আমরা ওনাকে (জ্ঞানেশ কুমার) আসতে বলেছিলাম। আশা করি উনি ভালো সংবর্ধনা পেয়েছেন। এখানকার মানুষ কেমন আছেন এবং পরিস্থিতি কী, সেটা নিশ্চয়ই উনি বুঝতে পেরেছেন।” বিজেপির অভিযোগ, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ ও জনসংখ্যার ভারসাম্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। দলের দাবি, এ বিষয়ে রাজ্য সরকার যথেষ্ট কঠোর পদক্ষেপ নেয়নি। বিজেপির বক্তব্য, এই সমস্ত ইস্যু এখন কেবল রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় নয়, বরং রাজ্যের ভবিষ্যৎ, সংস্কৃতি ও নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত একটি বড় প্রশ্ন। তাদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য ও সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য তারা রাজনৈতিকভাবে লড়াই চালিয়ে যাবে এবং উন্নয়নমুখী একটি রাজ্য গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবে।

    তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরবে না

    ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামাও বাজিয়ে দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ভাতার বাজারের কামারপাড়া মোড়ে আয়োজিত সভায় শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “পৃথিবীর কোনও শক্তি তৃণমূলকে চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরাতে পারবে না। ২৬-এর নির্বাচন আসলে তৃণমূলের বিসর্জন।” তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাইটার্স ছেড়ে নবান্নে প্রশাসন নিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় এসে আবার পুরোনো কেন্দ্র থেকেই কাজ শুরু করবে। সোমবার ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ভোটারদের উদ্দেশ্যে যে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, তাকে ‘অসাংবিধানিক’ এবং ‘বিভাজনমূলক’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন শমীক। তিনি বলেন, “পরাজয়ের হতাশা থেকেই মুখ্যমন্ত্রী দাঙ্গা ও অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন। অতীতে কোনও নেতা এভাবে মঞ্চ থেকে দুই সম্প্রদায়কে আক্রমণের ভয় দেখাননি।”

    বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা

    বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যজুড়ে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি দাবি করেন, “তৃণমূলের গুন্ডাদের হামলার জেরে বহু বিজেপি কর্মীকে বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হচ্ছে। অপরাধী আর তৃণমূল এখন সমার্থক হয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, ভীমপুর, কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, তারকেশ্বর এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাঁর অভিযোগ, “জেলা জেলায় নতুন নতুন ফতোয়া জারি হচ্ছে। এই সরকারের আমলে কেউ রেহাই পাচ্ছেন না বিচারপতি থেকে শিল্পপতি পর্যন্ত।” ভোটের আগে রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ) মোতায়েনের নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, এটি পশ্চিমবঙ্গ ও রাজ্যের মানুষের জন্য লজ্জার। তাঁর কথায়, “গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব হল নির্বাচন। তার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আসতে হয়েছে। ২০১১ সালে গণতন্ত্র ফেরানোর স্লোগান দিয়ে তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছিল। আজ তাদের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।”

  • Election Commission: ১৪ মার্চের আগেই প্রত্যেকটা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ, বড় নির্দেশিকা কমিশনের

    Election Commission: ১৪ মার্চের আগেই প্রত্যেকটা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ, বড় নির্দেশিকা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে (Election Commission) সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্বাচন কমিশন এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য হল ভোটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলা এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা। এই জন্য কমিশন অত্যন্ত তৎপর হয়ে নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ১৪ মার্চের মধ্যে রাজ্যের প্রতিটি বুথ বা পোলিং স্টেশন এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) রুট মার্চ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এলাকায় মুক্তভাবে প্রার্থী চয়ন করে নিজের ভোট নিজে দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি কমিশন ভীষণ ভাবে দায়বদ্ধ।

    এলাকা দখল (Election Commission)

    ভোটের (Election Commission) আবহে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যকে ঠেকাতে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে, কেবল প্রধান রাস্তা নয়, বাহিনীর জওয়ানদের (Central Force) গ্রামের ভেতরের রাস্তা এবং গলিঘুঁজিতেও টহল দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। লক্ষ্য একটাই যাতে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন। বর্তমানে রাজ্যে ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর ধাপে ধাপে আরও বাহিনী বৃদ্ধি করা হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

    কমিশনের কড়া নজরদারি

    জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে রুট মার্চের নিয়মিত রিপোর্ট কমিশনে পাঠানো হয়। বাহিনীর গতিবিধি এবং মানুষের প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী রণকৌশল ঠিক করা হবে। সেনা জওয়ান এবং কর্মী মিলিয়ে এক কোম্পানিতে ১০০ থেকে ১২০ জন করে সদস্য রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের জন্য আনুমানিক ৫০ হাজার আধাসেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। কোথায় কত বাহিনী মোতায়েন থাকবে, তাও চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। মার্চের প্রথম দিকে ২৪০ কোম্পানি অর্থাৎ ২৮,৮০০ জন বাহিনী (Central Force) রাজ্যে চলে এসেছে। কলকাতায় আপাতত ৩০ কোম্পানি অর্থাৎ ৩,৬০০ জন বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। সোমবার এমনটাই জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর। এখন এলাকাগুলিকে (Election Commission) চেনানোর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কেন এই তৎপরতা?

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অতীতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন নির্বাচনে হিংসার অভিযোগ ওঠায় এবার কমিশন (Election Commission) আগেভাগেই কোমর বেঁধে নামছে। বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করাই এই ‘অপারেশন রুট মার্চ’-এর প্রধান উদ্দেশ্য। নির্বাচন কমিশন চাইছে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যের প্রতিটি কোণায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) উপস্থিতি জানান দিতে, যাতে ভোটাররা কোনও প্রকার ভয় বা চাপের ঊর্ধ্বে থেকে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

    কোথায় কত বাহিনী?

    দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনায় তিন পুলিশ জেলা এবং দুই কমিশনারেট (Election Commission) মিলিয়ে বাহিনীর সংখ্যা হবে মোট ৫৮ কোম্পানি। মুর্শিদাবাদেও বাহিনীর সংখ্যা হবে ৫৮ কোম্পানি। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩৩ কোম্পানি এবং কলকাতায় ৩০ কোম্পানি মোতায়েন থাকবে। দুই ধাপে মিলিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ কোম্পানি, হুগলিতে ২৭ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৫ কোম্পানি, নদিয়ায় ২২ কোম্পানি, হাওড়া এবং বীরভূমে ২১ কোম্পানি করে, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ২০ কোম্পানি করে বাহিনী মোতায়েন করছে কমিশন। উত্তরবঙ্গে উত্তর দিনাজপুরে ১৯ কোম্পানি, মালদহে ১৮ কোম্পানি, পশ্চিম বর্ধমানে ১৭ কোম্পানি, দার্জিলিঙে ১৬ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৫ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৩ কোম্পানি, ঝাড়গ্রামে ১১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং জলপাইগুড়িতে ১০ কোম্পানি করে বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে। আলিপুরদুয়ারেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) সংখ্যা হচ্ছে ৭ কোম্পানি এবং কালিম্পঙে ৪ কোম্পানি।

  • Santragachi: সাঁতরাগাছি থেকে খড়্গপুর হবে চতুর্থ লাইন, বাজেট অনুমোদন কেন্দ্রের, বাঁচবে সময়, কমবে যাত্রী ভোগান্তি

    Santragachi: সাঁতরাগাছি থেকে খড়্গপুর হবে চতুর্থ লাইন, বাজেট অনুমোদন কেন্দ্রের, বাঁচবে সময়, কমবে যাত্রী ভোগান্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগে রাজ্যে একাধিক রেল প্রকল্পের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, হলদিয়া ও কলকাতা বন্দরের মধ্যে পণ্য পরিবহণ আরও সহজ হলে রাজ্যবাসী আরও বেশি করে সুবিধা পাবেন।” তাই সাঁতরাগাছি (Santragachi) থেকে খড়্গপুর পর্যন্ত একটি নতুন করে চতুর্থ লাইন রেললাইন তৈরি করার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই নিয়ে ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে।

    কত কিমি প্রকল্পের রেল (Santragachi)

    পণ্য পরিবহণে গতি আনতে পশ্চিমবঙ্গ (Santragachi) ও ঝাড়খণ্ডের মধ্যে দুটি বড় মাল্টি-ট্র্যাকিং প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটি এই দু’টি গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। বাস্তবায়িত হবে মোট ৪,৪৭৪ কোটি টাকা। পুরো কাজ হবে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘পিএম গতি শক্তি’ মাস্টার প্ল্যানের অংশ হিসেবে।  রেলমন্ত্রীর দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “প্রকল্পের মোট রেল লাইনের বিস্তৃতি দৈর্ঘ্যে ১১১ কিলোমিটার। আনুমানিক খরচ হবে ২,৯০৫ কোটি টাকা। প্রকল্পের সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে আগামী ৫ বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা। এই রেল লাইনটি হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ওপর দিয়ে যাবে। এই পরিকাঠামোর প্রকল্পের অধীনে ১টি বড় ব্রিজ, ১৫টি মাঝারি ব্রিজ এবং ১০০টি ছোট ব্রিজ তৈরি করা হবে।

    কেন এই উদ্যোগ?

    দক্ষিণ-পূর্ব রেলে যাত্রীদের ভোগান্তি নতুন কিছু নয়। প্রায় রোজদিনই দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়গপুর শাখায় এই নিয়ে সমস্যা লেগেই থাকে। দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ-পূর্ব রেলের (Indian Railways) খড়গপুর শাখায় যাত্রীদের ভোগান্তির অভিযোগ শোনা যায়। আসে প্রতিদিনই ট্রেন দেরি, অতিরিক্ত ভিড় এবং পরিষেবার অনিয়ম থেকে শুরু করে এরকম নানা বিষয়ে অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সাঁতরাগাছি (Santragachi) থেকে খড়্গপুরের মধ্যে ৩টি লাইন রয়েছে। প্রচণ্ড ট্রেনের চাপের কারণে প্রায়ই লোকাল ট্রেন দেরি করে চলে। এই চতুর্থ লাইন (Bengal-Jharkhand Rail) তৈরি হলে ট্রেনের গতিবেগ বাড়বে এবং লোকাল ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা উন্নত হবে। ট্রেন লেট হওয়ার সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া, কলকাতা থেকে মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে। বিশেষ করে কলকাতা থেকে মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের মতো বড় শহরের সঙ্গে রেল যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। পাশাপাশি এই রুটে প্রচুর সাব-আরবান বা লোকাল ট্রেনও চলে। নতুন লাইন তৈরি হলে সেই ট্রেনগুলির জন্য অতিরিক্ত ক্যাপাসিটি তৈরি হবে, ফলে আশা করা হচ্ছে লোকাল পরিষেবা আরও নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠবে ।

    অর্থনৈতিক গুরুত্ব

    হলদিয়া ও কলকাতা (Bengal-Jharkhand Rail) বন্দরের মধ্যে পণ্য পরিবহণ আরও সহজ হবে। জাতীয় সড়কের ধারে অবস্থিত বিভিন্ন সিমেন্ট ক্লাস্টার, শালিমার ও সাঁকরাইলের গুড শেড এবং কোলাঘাট থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলো এই প্রকল্পের ফলে উপকৃত হবে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়্গপুর শাখায় নিত্যযাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে এবং মালবাহী ট্রেনের গতি বাড়াতে এই বড় উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে রেলমন্ত্রক।

    পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের মোট ৫টি জেলায় প্রকল্প

    পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের (Bengal-Jharkhand Rail) শিল্পাঞ্চলগুলিকে যুক্ত করতে নতুন লাইন ও ডাবলিংয়ের কাজ করা হবে। পশ্চিমবঙ্গ (Santragachi) ও ঝাড়খণ্ডের মোট ৫টি জেলা এই প্রকল্পের অধীনে পড়বে। এর ফলে ভারতীয় রেলের মানচিত্রে নতুন করে ১৯২ কিলোমিটার পথ যুক্ত হবে। উপকৃত হবেন ৫,৬৫২টি গ্রামের মানুষ। আসানসোল এবং সীতারামপুর সংলগ্ন রেল করিডরকে আরও উন্নত করা হবে। পূর্ব ভারতের অন্যতম ব্যস্ত রেল রুট বলেই পরিচিত এই রুট। এই রুটে মূলত কয়লা, সিমেন্ট, লোহা পরিবহণ করা হয়। সাঁইথিয়া-পাকুর সেকশনে চতুর্থ রেললাইন নির্মাণ করা হবে। চতুর্থ রেললাইন তৈরি করা হবে সাঁতরাগাছি-খড়্গপুর সেকশনেও। নতুন ট্র্যাক তৈরি হলে খরচ বহুলাংশে কমে যাবে। গতি আসবে শিল্পক্ষেত্রে। এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Gyanesh kumar: ছাপ্পা নিয়ে এবার আরও কড়া কমিশন! সিসিটিভি বিকল হলেই বুথে পুননির্বাচনের সিদ্ধান্ত, জানালেন জ্ঞানেশ কুমার

    Gyanesh kumar: ছাপ্পা নিয়ে এবার আরও কড়া কমিশন! সিসিটিভি বিকল হলেই বুথে পুননির্বাচনের সিদ্ধান্ত, জানালেন জ্ঞানেশ কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি ফেরার আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভোট কীভাবে হবে, কমিশন কোন কোন বিষয়ে কতখানি নজরদারি করবে প্রয়োজনে ঠিক কতখানি কড়া সিদ্ধান্ত তিনি নেবেন সব কিছু স্পষ্ট করেছেন জ্ঞানেশ কুমার। গত ৯ এবং ১০ মার্চ দুই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh kumar)। বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা হয়। রাজ্যের পরিস্থিতিতে জেল থেকে আসামীদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে কিনা সেই দিকেও বিশেষ নজর দিতে বলেছেন্ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। রাজ্যের নির্বাচন (West Bengal Election 2026) অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে চান, এইনিয়ে কোনও প্রশ্নেই আপোষ করতে রাজি নন যে জ্ঞানেশ কুমার তাও সাফ করে জানিয়ে দিয়েছেন।

    সিসিটিভি বিকল হলেই পুনঃনির্বাচন (Gyanesh kumar)

    মুখ্যনির্বাচন কমিশনার সাংবাদিক সম্মেলনে জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh kumar) বলেন, “এবারে প্রতি বুথে থাকবে সিসিটিভি, ওয়েব কাস্টিং। শুধু বুথের ভিতরে নয় বুথের বাইরেও থাকবে, তবে যদি ক্যামেরাকে অকেজো করে বুথে ছাপ্পা বা ভোট লুট হয় তাহলে ওয়াকিবহাল হয়ে কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সিসিটিভি বিকল হলেই পুননির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বাইরে ঝামেলার ছবি দেখলে কমিশন সেই বুথে পুনঃনির্বাচিত (West Bengal Election 2026) ভাগ্য নির্ধারণ করবে।” বুথ জ্যাম। ভোট লুট। বাংলায় বিভিন্ন ভোটে এইসব অভিযোগের কথা বিরোধীরা বার বার নির্বাচন কমিশনকে জোর দিয়ে বলেছেন। বুথে সিসিটিভি বন্ধ করে বা ক্যামেরায় চুইং গাম সেঁটে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগে সরবও হন নেতারা। এইসব বন্ধে এবার কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    ছাপ্পা হবে না!

    গতকাল জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh kumar) সাংবাদিক বৈঠকে বারবার এটা বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্যে অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Election 2026) অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সবরকমই পদক্ষেপ করা হবে। তারপরও বুথে সিসিটিভি বিকল করে ছাপ্পা ভোট হলে, পুনর্নির্বাচনের পথে হাঁটা হবে বলে জানিয়ে দিলেন। ফলে রাজনৈতিক মহল বলছে, সিসিটিভি বন্ধ করে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গে বার বার একাধিক সময়ে উঠেছে। ফলে এবারের নির্বাচনে যে তা আর হবে না, সেই বার্তাই দিয়ে গেলেন জ্ঞানেশ কুমার।

  • Kolkata Port: ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরে পুনর্নির্মিত হচ্ছে ঐতিহাসিক ব্যাসকিউল ব্রিজ

    Kolkata Port: ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরে পুনর্নির্মিত হচ্ছে ঐতিহাসিক ব্যাসকিউল ব্রিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বন্দর তথা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্টে (Kolkata Port) অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির নিদর্শন ‘ব্যাসকিউল ব্রিজ’-এর আমূল সংস্কার ও আধুনিকীকরণের জন্য ১১৭.৫৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে কেন্দ্র। দীর্ঘদিনের পুরোনো এই সেতুটি বন্দরের পণ্য পরিবহণ এবং স্থানীয় যানচলাচলের ক্ষেত্রে একটি মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে।

    ঐতিহাসিক গুরুত্ব (Kolkata Port)

    বিশেষ ধরণের সেতুটি মাঝখান থেকে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে ওপরের দিকে উঠে যায়, যাতে নিচ দিয়ে বড় জাহাজ অনায়াসে যাতায়াত করতে পারে। এটি কলকাতা বন্দরের (Kolkata Port) পুরাতন প্রকৌশল বিদ্যার এক অনন্য নিদর্শন।

    আধুনিকীকরণপণ্য পরিবহণে গতি

    দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে সেতুর যান্ত্রিক অংশে যে জরাজীর্ণ অবস্থা তৈরি হয়েছিল, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তার সম্পূর্ণ সংস্কার করা হবে। আধুনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং শক্তিশালী যন্ত্রাংশ স্থাপনের মাধ্যমে এর স্থায়িত্ব বাড়ানো হবে। খিদিরপুর ডক (Kolkata Port) এলাকায় নির্বিঘ্নে পণ্যবাহী যান চলাচলের জন্য এই সেতুর কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্কারের পর ভারী ট্রাক ও কন্টেইনার যাতায়াত আরও নিরাপদ ও দ্রুত হবে।

    কেন এই সংস্কার জরুরি?

    বন্দরে (Kolkata Port) জাহাজ চলাচলের সুবিধা এই সংস্করণের প্রধান লক্ষ্য। সেতুর যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত করা হলে জাহাজ চলাচলের সময় সেতুটি দ্রুত খোলা ও বন্ধ করা সম্ভব হবে। শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য এই ব্রিজের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। মোমিনপুর ও খিদিরপুর এলাকার যানজট কমাতে এবং বন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বাড়াতে এই আধুনিকীকরণ অপরিহার্য ছিল। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কলকাতা বন্দরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং একইসঙ্গে শহরের এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় দীর্ঘকাল সচল থাকবে।

  • PM Modi Brigade Rally: ২০২৬-এর লক্ষ্যে মোদির ব্রিগেড, বিজেপির তুরুপের তাস উত্তরবঙ্গ, ৫০ হাজার কর্মীর জন্য ১০টি ট্রেন ও কয়েকশো বাসের ব্যবস্থা

    PM Modi Brigade Rally: ২০২৬-এর লক্ষ্যে মোদির ব্রিগেড, বিজেপির তুরুপের তাস উত্তরবঙ্গ, ৫০ হাজার কর্মীর জন্য ১০টি ট্রেন ও কয়েকশো বাসের ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Brigade Rally) মেগা সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিজেপি। এই সমাবেশকে সফল করতে গেরুয়া শিবিরের উত্তরবঙ্গ থেকে আসবে বহু রাজনৈতিক কর্মী। আগামী ১৪ মার্চ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এই মহাসভা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, যা একইসঙ্গে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’র শেষ কার্যক্রম। পর্যাপ্ত ট্রেন (Special Trains) এবং বাসের পরিষেবা দেওয়া হবে দলের তরফে, এমনটাই জানিয়েছে বিজেপি।

    বিজেপির শক্ত ঘাঁটি উত্তরবঙ্গ (PM Modi Brigade Rally)

    রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকেই অন্তত ৫০ হাজার কর্মী-সমর্থককে কলকাতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা (PM Modi Brigade Rally) নিয়েছে। এর মধ্যে শিলিগুড়ি থেকেই প্রায় ১০ হাজার মানুষ যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে কোচবিহার, এনজেপি (NJP) এবং মালদা থেকে ১০টি বিশেষ ট্রেন (Special Trains) ও কয়েকশ বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    জনসভায় ভিড় উপচে পড়বে

    উত্তরবঙ্গ ঐতিহাসিকভাবেই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই অঞ্চলের ৫৪টি আসনের মধ্যে ৩০টিতেই বিজেপি জয়লাভ করেছিল। সেই দাপট বজায় রাখাই এখন দলের প্রধান চ্যালেঞ্জ। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি গোস্বামী ব্রিগেডে জনসভার ভিড় নিশ্চিত করার দায়িত্বে রয়েছেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বাপি বলেন, “প্রত্যেক জেলার নেতৃত্বকে কলকাতায় লোক নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ভিড় (PM Modi Brigade Rally) উপচে পড়বে। অনেক সংখ্যায় ট্রেন (Special Trains), বাস থাকবে। শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, রাজ্যের সমস্ত এলাকার মানুষের উপস্থিতি থাকবে।”

    মোদির এই সভাই অক্সিজেন

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং উপনির্বাচনগুলোতে উত্তরবঙ্গে বিজেপির সেই একচ্ছত্র আধিপত্যে কিছুটা ভাটা লক্ষ্য করা গেছে। সাংগঠনিক ভাবে দলকে আরও মজবুত করে আগামী জয়ের লক্ষ্যে মোদির এই সভাকেই ‘অক্সিজেন’ হিসেবে দেখছেন কর্মীরা। তবে উত্তরবঙ্গের জেলা সভাপতিদের দাবি, কোনো টার্গেট বা বাধ্যবাধকতা নয়, মোদিকে (Special Trains) দেখতে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ব্রিগেডে (PM Modi Brigade Rally) ভিড় জমাবেন। সেই সঙ্গে দলীয় সূত্রে খবর, ভোটের আগে কোচবিহার ও মালদায় প্রধানমন্ত্রীর আরও দুটি জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিলিগুড়িতেও এমন সভা হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ পদ্ম শিবিরের

    Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ পদ্ম শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ (Dharna Stage)। এসআইআরের প্রতিবাদে দিন কয়েক ধরে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? ওই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আমরা আছি বলেই আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি, কোনও দিন সেই রকম আসে, এক সেকেন্ড লাগবে। একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ড লাগবে, একদম বারোটা বাজিয়ে দেবে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান, তাহলে বিজেপির অপপ্রচারে কোনও দিন ভুল বুঝবেন না।” মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যেই উত্তাল রাজনৈতিক মহল। তাঁর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা।

    সুকান্তর প্রতিক্রিয়া (Mamata Banerjee)

    ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। বাঁকুড়ায় দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি,  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীই ধরনা-মঞ্চ থেকে বলছেন, এক সম্প্রদায় একজোট হলে অন্যান্য সম্প্রদায়কে মেরে পুড়িয়ে ফেলবে! ওঁকে বলব, পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে অনেক বেশি মুসলিম রয়েছেন উত্তরপ্রদেশ ও অসমে। সেখানে একটাও দাঙ্গা হয় না (Mamata Banerjee)। কারণ কেউ দাঙ্গা করলে তার বাড়িতে বুলডোজার চলবে।” সুকান্ত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আগেই ৭০ শতাংশ হিন্দু ভোট হারিয়েছেন, বাকি মুসলিম ভোটও এখন চলে গিয়েছে বাবরি মসজিদ গড়তে হুমায়ুন কবীরের কাছে (Dharna Stage)। তাই প্রমাদ গুণছেন উনি।” মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সিপিএমের তরফে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর ভাব শিষ্য হুমায়ুন কবীর লোকসভা নির্বাচনে একটা সম্প্রদায়ের নাম করে হুমকি দিয়েছিলেন, বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর নেত্রী সম্প্রদায়ের নাম না করে একই ইঙ্গিত করছেন। আরএসএস-বিজেপির অভিসন্ধির পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে এটাও আর একটা বিপদ।”

    শঙ্কর ঘোষের প্রতিক্রিয়া

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী হুমকি দিয়েছেন, একটি কমিউনিটি যদি চায়, জোট বেঁধে তাহলে আপনাদের বারোটা বাজিয়ে দেবে।” মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শঙ্কর বলেন, “ক্ষমতা থাকলে ওই কমিউনিটির নাম বলুন।” তাঁর অভিযোগ, “রাজ্যের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) একটি কমিউনিটির নাম করে থ্রেট করছেন হিন্দু সনাতনী মানুষকে।” এই ধরনের মন্তব্য রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

    বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে শঙ্করের নেতৃত্বে হয় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা। শিলিগুড়ির সেবক রোডের খাটু শ্যাম মন্দিরে পুজো দিয়ে শুরু হওয়া এই যাত্রা ভেনাস মোড় ও দার্জিলিং মোড় হয়ে মাটিগাড়া ও নকশালবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। ভেনাস মোড়ে আয়োজিত এক সভায় রাজ্যে তৃণমূল শাসনের অবসানের ডাকও দেন শঙ্কর। শিলিগুড়ির বিধায়কের দাবি, তৃণমূলের ভয় ও সন্ত্রাসের পরিবেশ সত্ত্বেও, পরিবর্তন যাত্রাকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে অভাবনীয় স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা যাচ্ছে। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি রাজ্যে পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি। বিজেপির এই (Dharna Stage) সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের উত্তরবঙ্গের একাধিক নেতানেত্রী (Mamata Banerjee)।

     

  • Sukanta Majumdar: ‘দুর্নীতিগ্রস্থদের আর রেয়াত নয়, দরকার বুলডোজার মডেল’, পরিবর্তন যাত্রা থেকে  তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘দুর্নীতিগ্রস্থদের আর রেয়াত নয়, দরকার বুলডোজার মডেল’, পরিবর্তন যাত্রা থেকে তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বর্ধমানে পরিবর্তন যাত্রায় (Parivartan Yatra) অংশগ্রহণ করেন। মমতার শাসনে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা এবং দুর্নীতির ইস্যু মারাত্মক আকার ধারন করেছে। এই নিয়ে বিজেপি এবার কড়া অবস্থান গ্রহণ করেছে। বর্ধমানের একটি সভা থেকে উত্তরপ্রদেশের আদলে পশ্চিমবঙ্গেও ‘বুলডোজার মডেল’ কার্যকর করা প্রয়োজন বলে পরিবর্তন যাত্রায় একটি মডেলর রূপ দেখানো হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকারকে বুলডোজারে চড়ে পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।

    র্নীতিগ্রস্তদের শায়েস্তা করতে একই পথ (Sukanta Majumdar)

    যোগী শাসনের প্রসঙ্গ নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “উত্তরপ্রদেশে অপরাধ দমনে যেভাবে বুলডোজার ব্যবহার করা হয়েছে, বাংলার প্রেক্ষাপটেও অপরাধী ও দুর্নীতিগ্রস্তদের শায়েস্তা করতে একই পথ বেছে নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া হবে। যারা জনগণের টাকা আত্মসাৎ করে অট্টালিকা বানিয়েছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সেই বেআইনি সম্পত্তির ওপর বুলডোজার চালানো হবে। কর্মীরা আবদার করেছিল। কর্মীরা আয়োজন করেছিল, সেজন্য বুলডোজারে চড়ে এসেছি। এ রাজ্যের মানুষ চাইছেন বুলডোজার সরকার। বুলডোজার সরকার অর্থে সেই সরকার সবসময় বুলডোজার চালাবে তা নয়, আসলে সেই সরকার অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ (Parivartan Yatra)  করবে।”

    রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

    তাঁর এই মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলেছে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস একে ‘বিদ্বেষমূলক’ এবং ‘গণতন্ত্রবিরোধী’ বলে পাল্টা সমালোচনা করেছে। তবে সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য মূলত দলের ‘কড়া ইমেজে’র বহিঃপ্রকাশ। অপরাধীদের মনে ভয় ধরাতে এবং নিজেদের কঠোর প্রশাসনিক মানসিকতা তুলে ধরতেই এই ধরণের রূপক ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। পরিবর্তন যাত্রার (Parivartan Yatra) প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “চাই বিজেপির সরকার। বুলডোজার দরকার। গুঁড়িয়ে দেবে চোর তৃণমূলের সরকার।”

LinkedIn
Share