Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • TMC Violence: পদ্মের দখলে রাজ্য, তার পরেও বঙ্গে অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল! নিহত ২ বিজেপি কর্মী

    TMC Violence: পদ্মের দখলে রাজ্য, তার পরেও বঙ্গে অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল! নিহত ২ বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ‘বধ’ হয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! বস্তত, গোটা রাজ্যেই মুখ থুবড়ে পড়েছে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান তৃণমূল। প্রত্যাশিতভাবেই ২০০-এরও বেশি বিধায়ক নিয়ে সরকার গড়ার দাবিদার বিজেপি (BJP Workers Killed)। এহেন আবহে রাজ্যে অশান্তি পাকাতে শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা (TMC Violence)। বিজেপির তরফে প্রথম থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, বদলা নয়, বদল চাই। তার পরেও দলনেত্রীর মতোই মাজা ভাঙলেও, মচকায়নি তৃণমূলের জার্সিধারীরা।

    হাওড়ায় বিজেপি কর্মী খুন (TMC Violence)

    রাজ্যজুড়ে বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর বিক্ষিপ্ত হামলা চালাতে শুরু করেছে গোহারা হেরে যাওয়া তৃণমূলের লোকজন। মঙ্গলবার সকালে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে বিজেপির এক কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। স্থানীয় ও বিজেপি সূত্রে খবর, মৃতের নাম যাদব বর। বিজেপির জয়ের আনন্দে সোমবার রাতে আবির খেলায় মেতেছিলেন তিনি। তার পরেই তাঁকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করেছে বলে অভিযোগ। বিজেপির এই কর্মীর বাড়ি উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৪৮ নম্বর বুথ এলাকায়। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, যাদব বিজেপির সমর্থক ছিলেন। বিজেপির জয়ের আনন্দ দলের সতীর্থদের সঙ্গে উদ্‌যাপন করছিলেন তিনি। সোমবার রাত ১১টা নাগাদ বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যান কয়েকজন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারা হয় বিজেপির ওই কর্মীকে।

    নিউটাউনেও পিটিয়ে খুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মঙ্গলবারই নিউটাউনের বালিগড়ি চক পাচুড়িয়া এলাকায় বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডলকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (BJP Workers Killed)। যদিও ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কমল মণ্ডল পলাতক। জানা গিয়েছে, পুনর্গণনার পরে রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভা কেন্দ্রে ৩১৬ ভোটে জয়ী হন বিজেপির পীযূষ কানোরিয়া (TMC Violence)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, এর পরেই মধু দলবল নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতা এবং পঞ্চায়েত কমিটির সদস্য কমল মণ্ডলের বাড়িতে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। ওই সময় কমল বাড়িতে ছিলেন না। বিকেলে মধু ফের উজিয়ে কমলের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। মধুর হুমকি শুনে বেরিয়ে আসেন কমল। শুরু হয় কথা কাটাকাটি। এক সময় ওই তৃণমূল নেতা মধুকে ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ। টাল সামলাতে না পেরে পড়ে যান ওই বিজেপি কর্মী। তখন সে মধুর বুকে সজোরে লাথি মারে বলে অভিযোগ। সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞান হারান মধু। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে। খবর পেয়ে রাতেই মধুর বাড়িতে যান বিজেপির সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া। কথা বলেন মৃতের পরিবারের সঙ্গে। সব রকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। বিজেপি কর্মী অরূপ মণ্ডল বলেন, “মধুকে বুকে লাথি মেরে পিটিয়ে খুন করেছে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা।” অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন স্থানীয়রা (TMC Violence)।

    উত্তরেও অশান্তি হেরো তৃণমূলের

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরেও অশান্তি পাকানোর অভিযোগে কাঠগড়ায় সেই তৃণমূল-ই। বিধানসভা নির্বাচনে দলের জয়ের পর মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন একদল বিজেপি কর্মী-সমর্থক (BJP Workers Killed)। আচমকাই তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। জলপাইগুড়ির রংধামালি এলাকায় এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় ছড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। বিজেপির অভিযোগ, জলপাইগুড়ি সদর বিধানসভা কেন্দ্রের হেরে যাওয়া তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাসের লোকজনই একাজ করেছে। ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর জখম হয়েছেন অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী। জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ-হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁরা। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, কৃষ্ণের নেতৃত্বে একদল যুবক লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পথ আগলায়। গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে শুরু হয় মারধর। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রকাশ্য দিবালোকেই বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ধারালো অস্ত্রের ঘায়ে জখম হন বেশ কয়েকজন।

    উলটপুরাণ!

    খবর পেয়েই এলাকায় যান জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বিজেপির দাবি, পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেছে রাজ্যের শাসকদল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, হেরে গিয়েও বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ওপর তৃণমূল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ (BJP Workers Killed)। যদিও বিজেপির তরফে পাল্টা মার দেওয়া হয়নি। সূত্রের খবর, পদ্মশিবিরের ওপরতলার (TMC Violence) নেতাদের নির্দেশেই পাল্টা মারের রাস্তায় হাঁটেনি পদ্মশিবির। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দুই ফুলের (বিজেপির পদ্মফুল এবং তৃণমূলের ঘাসফুল) রূপ-রস-গন্ধ সবই যে আলাদা, এই সব ঘটনাই তার প্রমাণ।

     

  • Election Commission: সিসিটিভি বন্ধ করে শারীরিক নিগ্রহ! মমতার সব ‘ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত’ অভিযোগ খারিজ কমিশনের

    Election Commission: সিসিটিভি বন্ধ করে শারীরিক নিগ্রহ! মমতার সব ‘ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত’ অভিযোগ খারিজ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবাসীর কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েও গদি ছাড়েননি রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের হেরো তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)! উল্টে তাঁর এবং তাঁর দল তৃণমূলের (নিন্দুকেরা অবশ্য বলেন, কোম্পানি) হারের জন্য কাঠগড়ায় তোলেন নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission)। সেই কারণেই হেরে গিয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা ইস্তফা দেননি বুধবার সকাল পর্যন্তও।

    নির্বাচন কমিশনের সাফ কথা (Election Commission)

    যদিও তাদের বিরুদ্ধে মমতার তোলা সব অভিযোগই খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সিসিটিভি বন্ধের অভিযোগ ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না বলা পর্যন্ত গণনা থামানো হয়নি। তারপর তাঁকে জানিয়ে, গাইডলাইন মেনে ফের শুরু হয় গণনা। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো অভিযোগ করেন, “আমি ৩২ হাজার ভোটে জিতছিলাম। তারপরেই বিজেপির প্রার্থী ২০০-র বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে হুমকি দেওয়া শুরু করে। কাউন্টিং সেন্টারে যাওয়ার সময় আমাকে আটকে দেয়। আমাকে নিগ্রহ করা হয়। তখন সিসিটিভি বন্ধ ছিল। আমি বলেছিলাম যে কাউন্টিং শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি থাকব। কিন্তু আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে বের করে দেয়। দল কর্মীদের সঙ্গে আছে। আমরা লড়াই করে ফিরব। এখানে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে, যেমন অন্য রাজ্যেও হয়েছিল।”

    মমতার তোলা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন

    দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিকের (DEO) পক্ষ থেকে দেওয়া রিপোর্টে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভবানীপুরে মমতার তোলা অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন। কমিশনের সাফ কথা, ভোট গণনার পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ম-আইন মেনে অত্যন্ত স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা কখনওই বন্ধ করা হয়নি। ভবানীপুরের প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ধস্তাধস্তির যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কমিশন এও জানিয়েছে, প্রার্থীর জেদের কারণে গণনার কাজ কিছুক্ষণের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে পরে নিয়ম মেনে তাঁকে জানিয়েই আবারও গণনার কাজ শুরু করা হয়েছিল (Election Commission)।

    ভবানীপুরে গোহারা মমতা

    প্রসঙ্গত, সোমবার, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন গোটা দেশের (Mamata Banerjee) নজর ছিল হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে। এই কেন্দ্রেই দ্বৈরথ হয়েছে মমতা ও তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ, বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর। গণনা শুরুর পর থেকেই সমানে সমানে টক্কর চলছিল মমতা-শুভেন্দুর। যদিও শেষ দিকে এগোতে থাকেন শুভেন্দু। তার পর আর তাঁর নাগাল পাননি মমতা। হাজার পনেরো ভোটে হেরে যান ‘বাংলার নিজের মেয়ে’ মমতা। রাজ্যে গোহারা হারে তাঁর দল, তৃণমূলও। মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেছিলেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াই ছিল না। নির্বাচন কমিশন এখানে একটা কালো ইতিহাস তৈরি করল। মানুষের অধিকার লুট করেছে। ভোটের আগে সব জায়গায় রেড করে, সব অফিসারকে বদলে দেয়। বিজেপি আর কমিশনের মধ্যে বেটিং হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে (Mamata Banerjee) লাগিয়ে ভোট লুঠ করেছে।’ এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা তো হারিনি! হারলে পদত্যাগ করতাম (Election Commission)।”

     

  • Mamata Close Aides Resign: মমতা ইস্তফা না দিলেও, এক-এক করে পদত্যাগ তাঁর পছন্দের আমলা-শীর্ষকর্তাদের

    Mamata Close Aides Resign: মমতা ইস্তফা না দিলেও, এক-এক করে পদত্যাগ তাঁর পছন্দের আমলা-শীর্ষকর্তাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ১৫ বছরের সাম্রাজ্যের অবসান ঘটিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। ৪ মে রাজ্যে পালাবদল হতেই শুরু হয়েছে তৃণমূল পরিচালিত সদ্যপ্রাক্তন রাজ্য সরকার-নিযুক্ত আমলা, শীর্ষকর্তাদের পদত্যাগের হিড়িক। সেদিন থেকেই এক-এক করে ইস্তফা দিচ্ছেন রাজ্যের একাধিক শীর্ষস্তরের আমলা, কর্তা ও পদাধিকারীরা।

    পদত্যাগ আলাপন-হরিকৃষ্ণ-মনোজের…

    মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা ঘোষণা করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে তিনি ইস্তফা দেবেন না। তবে, তাঁর নির্দেশে রাজ্যের শীর্ষস্তরে নিযুক্ত হওয়া তাঁর পছন্দের ও কাছের আমলা-কর্তারা এক-এক করে নিজেদের পদ থেকে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন। যেমন, ক্ষমতার পালাবদলের পরে এ বার (সদ্যপ্রাক্তন) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ‍্য উপদেষ্টা পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দুই অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক, আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। নবান্ন সূত্রে খবর, আলাপন এবং হরিকৃষ্ণ দু’জনেই একদা রাজ্যের মুখ্যসচিব পদে ছিলেন। অবসরের পরে ওই দুই আমলাকে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ‍্য উপদেষ্টা হিসাবে বিশেষ পদ দেওয়া হয়েছিল। আলাপন এবং হরিকৃষ্ণ দু’জনেই রাজ্যের মুখ্যসচিবের গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতার আস্থাভাজন হিসাবেও পরিচিত ছিলেন। অন্য একটি সূত্র জানাচ্ছে মঙ্গলবারই মুখ্যমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল সচিবের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন আর এক প্রাক্তন আমলা মনোজ পন্থ।

    পদত্যাগ রাজ্যের এজি কিশোর দত্তর

    তার আগেই, একেবারে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিনই, তৃণমূলের পরাজয়ের পরেই পদত্যাগ করছেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্ত। মঙ্গলবার তিনি রাজ্যপাল আরএন রবির কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন কিশোর দত্ত৷ মঙ্গলবার সকালেই বিজেপির লিগাল সেলের পক্ষ থেকে আইনজীবীরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন রাজ্য সরকার সম্পর্কিত সমস্ত মামলায় রায়দান যেন স্থগিত রাখা হয়৷ প্রধান বিচারপতি সেই আশ্বাস দেন৷ এরপর বেলা বাড়তেই খবর পাওয়া যায় রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত পদত্যাগ করেছেন৷ উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। তারপরই কিশোর দত্তকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আর নয়া সরকার গদিতে বসার আগেই নিজে থেকে কিশোর পদত্যাগ করলেন।

    পদত্যাগ অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকারের…

    এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের বিপুল পরাজয়ের পরেই রাজ্য সরকারের দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে পদত্যাগ করলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকার। মঙ্গলবার রাজ্যের শিল্প উন্নয়ন নিগম এবং স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান পদ থেকে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর নৈকট্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে অতীতে একাধিকবার চর্চা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, রাজ্যে বিপুল পট পরিবর্তনের কারণে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পূর্বতন সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিক ও বিভিন্ন পর্ষদের পদাধিকারীরা ইস্তফার পথে হাঁটতে পারেন।

    এদিকে, নবান্ন থেকে এক জারি হওয়া এক নির্দেশের মাধ্যমে অবসরের পরও দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বুধবার থেকে অফিসে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। সচিবরা নিজের নিজের দফতরে মৌখিকভাবে এই নির্দেশ জারি করেছেন। লোক ভবন থেকে আসা এই নির্দেশ মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা সব দফতরের সচিবদের জানিয়েছেন বলে নবান্ন সূত্রের খবর। নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ বহাল থাকবে।

  • Abhishek Security Revoked: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যয়ের নিরাপত্তায় কাটছাঁট! বাড়ির সামনে থেকে প্রত্যাহার করা হল অতিরিক্ত পুলিশ

    Abhishek Security Revoked: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যয়ের নিরাপত্তায় কাটছাঁট! বাড়ির সামনে থেকে প্রত্যাহার করা হল অতিরিক্ত পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Security Revoked) অফিস এবং বাড়ির বাইরের অতিরিক্ত পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিল লালবাজার। উল্লেখ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেড প্লাস ক্যাটাগোরির নিরাপত্তা পান। তবে পুলিশের তরফ থেকে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, জেড প্লাস ক্যাটাগোরিরও অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। এই আবহে সেই অতিরিক্ত নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। বুধবার ৬ মে সকাল সাড়ে ৬ টা থেকে এই নির্দেশিকা কার্যকর করা হয়েছে।

    কোথায় অতিরিক্ত পুলিশ পিকেট তোলার নির্দেশ

    ভোটে পরাজিত হওয়ার পরই বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বাড়ির সামনে থেকে গার্ডরেল সরিয়ে দেওয়া হয়। আর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) অফিস এবং বাড়ির বাইরের অতিরিক্ত পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশিকা জারি করা হল। লালবাজার সূত্রে খবর, ১৮৮ এ হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়ির বাইরের পিকেট, ১২১ কালীঘাট রোডের অফিস আর বাড়ির বাইরের পিকেট। একই সঙ্গে ৯ ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের বাইরের পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই আবহে বুধবার সকালেই অতিরিক্ত পুলিশকর্মীরা চলে যান। অভিষেকের বাড়ির সামনে থাকা পুলিশের কিয়স্ক খালি করে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে পুলিশের জন্য রাখা স্ট্যান্ড ফ্যান সরানো হয়েছে। এখন সেখানে কয়েকটা ব্যারিকেড রয়েছে। আগে ফুটপাথ জুড়ে পুলিশদের বসার জায়গা ছিল। সেখানে চেয়ার-টেবিল রাখা ছিল। সেগুলোও সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

    নিরাপত্তা সরাতে খুশি স্থানীয়রা

    বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছেই রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়। কালীঘাটের পটুয়া পাড়ার সেই এলাকাও এখন ছেয়ে গিয়েছে বিজেপির পতাকায়। রাজ্যের পালা বদল হতেই মুখ খুলতে শুরু করেছেন শিল্পীরা। তাঁদের দাবি, শুধুমাত্র শিল্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এই কার্যালয়ের পাশে এত হাই-সিকিউরিটি থাকে সেই কারণে। এক শিল্পী বলেন, “এটা কালীঘাট রোড। এটা কারও বাবার রাস্তা নয়। কোনও গাড়ি দাঁড়াতে দেয় না। এখানেই ওঁর বাড়ি। ওঁরা তো আমাদের জন্য ছিলেন, এখন আমাদের পিছনে লাথি মারছেন? মানুষ অতিষ্ঠ। আমরাই তো দিদিকে এনেছি।” শিল্পীদের দাবি, অভিষেকের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে এমন সব ব্যবস্থা হয়েছিল তাতে নাভিশ্বাস উঠছিল পটুয়া পাড়ার। তবে ভোটের ফলাফল ঘুরতেই দেখা গেল নিরাপত্তাও কমানো হচ্ছে অভিষেকের।

  • Kalita Majhi: আউশগ্রামে পদ্ম ফোটালেন গৃহপরিচারিকা কলিতা, এক হার-না মানা মহিলার উত্থানের কাহিনি

    Kalita Majhi: আউশগ্রামে পদ্ম ফোটালেন গৃহপরিচারিকা কলিতা, এক হার-না মানা মহিলার উত্থানের কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গেরস্থের ঘর থেকে সটান বিধানসভায় গেলেন পেশায় গৃহপরিচারিকা কলিতা মাজি (Kalita Majhi)। চারটে বাড়িতে কাজ করে মাস গেলে তিনি রোজগার করতেন আড়াই হাজার টাকা (BJP)। সামান্য এই আয়েই সংসার চালাচ্ছিলেন কলিতা। বিধানসভায় তিনিই এখন বিজেপির অন্যতম মুখ। বিজেপির পদ্ম প্রতীকে লড়ে জয়ী হয়েছেন কলিতা। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন। আউশগ্রাম কেন্দ্রে সেবার হেরে গিয়েছিলেন কলিতা। সেই তিনিই এবার ওই একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন বিপুল ভোটে।

    হার-না মানার গল্প (Kalita Majhi)

    গুসকরা পুরসভার বাসিন্দা কলিতা। এলাকারই চারটি বাড়িতে কাজ করে টানেন সংসারের জোয়াল। এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন বিজেপির একনিষ্ঠ কর্মীও। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হাজার ১২ ভোটে তৃণমূলের অভেদানন্দ থান্ডারের বিরুদ্ধে লড়ে হেরে যান কলিতা। যদিও হাল ছেড়ে দেননি তিনি। গৃহস্থের বাড়ির কাজ শেষ করে সংসার সামলে কলিতা চালিয়ে গিয়েছেন সংগঠনের কাজও। সেই কারণেই এবারও ওই কেন্দ্রে পদ্মশিবির প্রার্থী করে জীবনযুদ্ধে হার না-মানা কলিতাকে। তবে এবার আর হারেননি, বরং তৃণমূল প্রার্থীকে হারিয়ে আউশগ্রামের বুকে পদ্ম ফুটিয়ে ছেড়েছেন তিনি।

    বিধানসভায় গিয়ে যা বলবেন কলিতা 

    কলিতা পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৬৯২ ভোট। তৃণমূলের প্রার্থী শ্যাম প্রসন্ন লোহারকে ১২ হাজার ৫৩৫ ভোটে হারিয়ে উজ্জ্বল করেছেন বিজেপির মুখ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কলিতার এই উত্থান কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বাংলার বদলে যাওয়া সামাজিক বাস্তবতারও প্রতিফলন। কলিতা বলেন, “গুসকরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সমস্যা রয়েছে। দমকল কেন্দ্র লাগবে। রাস্তাঘাটের সমস্যাও রয়েছে। রয়েছে পানীয় জলের সমস্যাও। এই কাজগুলিই সবার আগে করতে চাই (Kalita Majhi)।”

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা পদ্মময় করে দিয়েছে বিজেপি। ভবানীপুরে খোদ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে দিয়ে গেরুয়া ঝান্ডা তুলে ধরেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাতারাতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করে দিয়েছেন মমতাকে। এই ‘মহাপতনে’র আবহেও লোকমুখে ঘুরছে কলিতার উত্থানের গল্প। যিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করে পরিবারের সদস্যদের মুখে তুলে (BJP) দেন অন্ন, সেই তিনিই এবার যাচ্ছেন বিধানসভায়, গণতন্ত্রের মন্দিরে। সমাজের নিচুতলার মানুষও যে বিধানসভায় গিয়ে স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখের কথা তুলে ধরতে পারেন, কলিতার জয় সেটাই প্রমাণ করে ছাড়ল। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশে তো এটাই কাম্য। তাই নয় কি (Kalita Majhi)?

     

  • Post Poll Violence in Bengal: অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কড়া কমিশন

    Post Poll Violence in Bengal: অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কড়া কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence in Bengal) রুখতেও কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কোথাও ভাঙচুর বা হিংসার ঘটনা দেখলেই অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেলকে সতর্ক থাকতে বলেছেন জ্ঞানেশ (CEC Gyanesh Kumar)। সর্বদা নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে জেলাশাসক এবং পুলিশকর্তাদেরও।

    ভোট-পরবর্তী হিংসা কোথায় কোথায়

    ভোটের ফলপ্রকাশ হয়েছে সোমবার। আর রাত গড়াতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর মিলতে শুরু করে। সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ভোট–পরবর্তী হিংসায় চার জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গিয়েছে। সূত্রের খবর, তাঁদের মধ্যে দু’জন তৃণমূল ও দু’জন বিজেপির কর্মী। মঙ্গলবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির রাজবাড়ি এলাকায় ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে জখম হন ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসূন কর। সূত্রের খবর, তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন ওই পুলিশ অফিসার। সেই সময়ে দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলি তাঁর পায়ে লাগে, তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মিনাখাঁর এসডিও-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। কলকাতা–সহ প্রায় গোটা রাজ্য উত্তপ্ত। বিজয়ী দল বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের তরফে এই পরিস্থিতিতে পুলিশ ও প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ করার নির্দেশ এবং দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে শান্তি বজায় রাখার জোরালো বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ কমিশনের

    ভোটের নির্ঘণ্টা ঘোষণার সময়ই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন, ভোট-পর্ব মিটে যাওয়ার পরও কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বাংলায়। ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবার এই নিয়ে আরও কড়া বার্তা দিলেন তিনি। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানিদাতা এবং ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন। বাংলায় ভোটের ফল বেরনোর পর বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুরের খবর পাওয়া যায়। এই নিয়েই এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতা পুলিশ কমিশনার ​এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ডিজি-সহ সমস্ত ডিএম, এসপি এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের হিংসা রোধে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। নিরবচ্ছিন্ন টহল দিতে হবে বলে জানিয়েছেন। জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশ,​ ভাঙচুরকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানিদাতারাও ছাড় পাবেন না বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। রাজনীতির রং না-দেখে হিংসার ঘটনায় পদক্ষেপ করার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালার কাছে আর্জি জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।

  • Writers’ Building: চলছে প্রস্তুতি! নবান্নে নয়, নতুন সরকারের কাজ চলবে ঐতিহ্যবাহী রাইটার্স বিল্ডিং থেকেই

    Writers’ Building: চলছে প্রস্তুতি! নবান্নে নয়, নতুন সরকারের কাজ চলবে ঐতিহ্যবাহী রাইটার্স বিল্ডিং থেকেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার বদল হতেই, বদলে যাচ্ছে প্রশাসনিক ভবন। নবান্ন নয়, বরং ঐতিহ্যের রাইটার্স বিল্ডিং (Writers’ Building) ওরফে মহাকরণ থেকে ফের পরিচালিত হবে বাংলা। ২০০-র বেশি আসন পেয়ে পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের পথে বিজেপি। সূত্রের খবর, আগামী ৯ মে রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন শপথ গ্রহণ করতে পারেন বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যেই রাইটার্স বিল্ডিং পরিদর্শনে গেল পূর্ত দফতরের একটি টিম। মহাকরণের পরিস্থিতি, সুরক্ষা খতিয়ে দেখতেই এই পরিদর্শন বলে জানা যাচ্ছে। সব ঠিক থাকলে নবান্ন থেকে দফতর সরানো হতে পারে রাইটার্সে। মুখ্যমন্ত্রী ও কয়েকজন মন্ত্রীর দফতর হতে পারে রাইটার্সে।

    রাইটার্স-এর ঐতিহ্য

    ১৭৭৬ সালে টমাস লিয়নের পরিকল্পনায় গড়ে উঠেছিল লালবাড়ি রাইটার্স, ওই বাড়িই প্রশাসনিক ভবন হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে লাল দিঘির পাড়ে গড়ে ওঠে লাল ইটের বাড়িটি। সেখানে আগে ছিল কলকাতায় ব্রিটিশদের তৈরি প্রথম উপাসনাস্থল। সেই পরিত্যক্ত গির্জার জমিতে গড়ে ওঠে করণিকদের কর্মস্থলটি। কেরানিরা এখানে বসে কাজ করতেন, তাই নাম হল ‘মহাকরণ’। কেরানিদের বলা হত ‘রাইটার’, তাই ব্রিটিশদের তৈরি সেই ভবনের নাম হয়ে যায় রাইটার্স বিল্ডিং। তারপর থেকেই এই লাল বাড়িটিতে স্বাধীনতার পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক সদর দফতর হয়ে ওঠে। ইতিমধ্যে গঙ্গা দিয়ে জল বয়ে গিয়েছে অনেক। ২০১১ সালে ৩৪ বছরের বাম শাসনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর দখল নেয় মহাকরণ (রাইটার্স বিল্ডিং) মহাকরণের আমূল সংস্কারের জন্য সচিবালয় সরিয়ে নিয়ে যায় গঙ্গার ওপারে। নাম দেওয়া হয় নবান্ন। সেখান থেকেই ১৫ বছর শাসন চালিয়েছে মমতা সরকার। রাজ্যে পালাবদলের পর এবার কি ফের আলো জ্বলে উঠবে ঐতিহ্যবাহী সেই রাইটার্সে?

    এখনই কাজ শুরু করা সম্ভব নয়!

    তবে মহাকরণের যা অবস্থা, তাতে এখনই কাজ শুরু করা সম্ভব নয়। ভবনের মেরামতির কাজ সেরে তবেই সরকারি কাজ শুরু করা সম্ভব। আর সেটা করতে বছর ঘুরে যেতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে আপাতত কোথাও কাজ শুরু করতে হবে। জানা যাচ্ছে, লালদিঘির কাছে অর্থাৎ যেখানে রাইটার্স ভবন অবস্থিত, সেখানেই একটি ভবন নেওয়া হচ্ছে সচিবালয় তৈরি করার জন্য। সেখানেই আপাতত কাজ শুরু করতে পারে নতুন সরকার। নবান্নে না বসার সম্ভাবনা বেশি। ২৫ বৈশাখ বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথ নেবেন। বিজেপি (BJP in Bengal) সরকার গঠন করবে রাজ্যে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। সেই কথাই জানা গিয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “আমাদের সরকার নবান্ন থেকে নয়, রাইটার্স থেকে পরিচালনা হবে। এটা আমরা আগেই বলেছিলাম।”

  • Mamata Banerjee: গোহারা হেরেও সম্বিত ফেরেনি! “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি!”, বলছেন মমতা

    Mamata Banerjee: গোহারা হেরেও সম্বিত ফেরেনি! “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি!”, বলছেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একই বন্ধনীতে চলে এলেন বঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)! কীভাবে? গেল বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে গিয়েও পদত্যাগ করতে চাইছিলেন না ট্রাম্প। অথচ, সেবার তাঁকে হারিয়েছিলেন জো বাইডেন (Constitutional Crisis)। বেনজিরভাবে হোয়াইট হাউস লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়েছিল ট্রাম্পের অনুগামীদের একাংশ। অনেক ‘নাটকে’র পর অবশ্য বাইডেনকে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন পরাজিত ট্রাম্প।

    ট্রাম্পের পদাঙ্ক অনুসরণ মমতার! (Mamata Banerjee)

    এদিক থেকেই ট্রাম্পের সঙ্গে একই বন্ধনীতে চলে এলেন মমতা। সোমবার দুপুরেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ভাগ্য। জনাদেশে গোহারা হারে তৃণমূল এবং তার প্রধান কান্ডারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতি অনুযায়ী, হেরে গেলে লোকভবনে (রাজ্যপাল ভবনের বর্তমান নাম) গিয়ে ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে দেন শাসক দলের মুখ্যমন্ত্রী। নয়া সরকার গড়ার দাবিতে সেই লোকভবনেই যান বিজয়ী দলের নেতা-নেত্রীরা। এবার এই নিয়মেই সমস্যার সৃষ্টি করতে চাইছেন তৃণমূলেশ্বরী। মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন, তিনি ইস্তফা দেবেন না।

    “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি!”

    তিনি বলেন, “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি! জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে। ইস্তফার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে?” তৃণমূল নেত্রীর এহেন পদক্ষেপে সাংবিধানিক সঙ্কট সৃষ্টি হতে পারে বলে কারও কারও অভিমত। যদিও এমন পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সংবিধানে কিছু বলা নেই। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বেশ কিছু ধারণার কথা বলছেন। যদিও ভোটে হেরে গিয়েও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা না-দেওয়ার নজির ভারতে নেই। তাই মমতা শেষ পর্যন্ত ইস্তফা না দিলে নয়া নজির সৃষ্টি হবে ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে।

    সাংবিধানিক সঙ্কট!

    কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত এক প্রধান বিচারপতি জানান, মধ্যবর্তী সময়ে অনেক ক্ষেত্রে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীকে ‘কেয়ারটেকার’ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাজ চালানোর অনুরোধ করেন রাজ্যপাল। তিনি নিজেও এক-দু’দিন তদারকি করতে পারেন। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার সংস্থানও রয়েছে। যদিও সাধারণত এত কম সময়ের জন্য ‘সঙ্কট’ না-হলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা না-ও হতে পারে।। অবশ্য এ সবই নির্ভর করছে বিজেপি পরিষদীয় দল শপথের দিনক্ষণ কবে চূড়ান্ত করে, তার ওপরে (Constitutional Crisis)। তবে মমতা ইস্তফা না দিলে কোনও সঙ্কট সৃষ্টি হবে না। কারণ, বিধানসভার মেয়াদ শেষের সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যায় মুখ্যমন্ত্রিত্বের মেয়াদও (Mamata Banerjee)।

    অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বক্তব্য

    ৯ মে রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন শপথ নিতে পারেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী। তবে পদ্মশিবিরের মুখ্যমন্ত্রী যদি ৮ মে শপথ নেন, তাহলে তেমন কোনও সমস্যা হবে না। কারণ মমতা সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে ৭ এপ্রিল। তাই ৯ তারিখ বা তার পরের কোনও দিন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শপথ নিলে মধ্যবর্তী স্বল্পসময়ের জন্য পুরো বিষয়টি তত্ত্বাবধান করবেন রাজ্যপাল। অবশ্য তা হবে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষেই। অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, “সংবিধানের ১৬৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী রাজ্যপাল যতদিন চাইবেন, মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীরা ততদিনই স্বপদে বহাল থাকেন৷ মন্ত্রিসভার মেয়াদ ৫ বছর৷ কমিশন এই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচন-পর্ব শেষ করে৷ ভোটের ফল বেরনো মাত্রই নতুন সদস্যরা জয়ী হন (Constitutional Crisis)৷ সেই তালিকা রাজ্যপালকে দেয় নির্বাচন কমিশন৷ এর পরেই সরকার গঠনের দাবি জানায় সংখ্যাগরিষ্ঠ দল৷ তাই আগের সরকারের মেয়াদ এমনিতেই শেষ হয়ে যায় (Mamata Banerjee)৷”

    কী বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবি হওয়া এবং দলের সুপ্রিম কমান্ডারের মহাপতনের পর ইস্তফা দিতে পারতেন মমতা। কারণ সোমবার রাতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে জনাদেশ। জনতার রায় মাথা পেতে নিয়ে পদত্যাগ করতে পারতেন তিনি। কিন্তু মমতা তা করেননি। উল্টে সাংবাদিক বৈঠকে ঘনিষ্ট বৃত্তের লোকজনকে নিয়ে হাত ধরাধরি করে তৃণমূলের ঐক্যের ছবিটাই আরও একবার তুলে ধরলেন হেরো মমতা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যেহেতু মমতা নিজেও হেরেছেন তাই বিধানসভার বিরোধী দলনেত্রীর পদের শিকেটাও ছিঁড়ছে না তাঁর ভাগ্যে। (অবশ্য তৃণমূলের জয় নিশ্চিত জেনে কোনও আসনে উপনির্বাচন করিয়ে বিধানসভায় যেতে পারেন মমতা। এমনিও যেতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রে ছ’মাসের মধ্যে নির্বাচন করিয়ে জিতে আসতে হবে তাঁকে।) যেহেতু এসবের কোনওটাই হচ্ছে না, তাই রীতিমতো চিত্রনাট্য তৈরি করে মঙ্গল-বিকেলে একপ্রস্ত নাটক করলেন তৃণমূলেশ্বরী। কারণ তিনি পিকচারে না থাকলে আর খবর হবেন না। অগত্যা মঞ্চস্থ করতেই হল নয়া নাটক (Constitutional Crisis)।

    বিরোধীদের মতে, সব খুইয়ে কেলেঙ্কারির বোঝা মাথায় নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো পদত্যাগ করলেই বোধহয় ভালো করতেন (Mamata Banerjee)!

     

  • Amit Shah: শাহের ঘাড়ে ‘অমিত’ দায়িত্ব, বঙ্গ বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তিনিই

    Amit Shah: শাহের ঘাড়ে ‘অমিত’ দায়িত্ব, বঙ্গ বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তিনিই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর কূট চালেই বাংলায় বধ হয়েছে তৃণমূল। পদ্ম-ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে ঘাসফুল (Amit Shah)। পরাজিত তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। অতএব, বাংলায় সরকার গড়ছে বিজেপি (BJP)। গেরুয়া শিবিরে শুরু হয়ে গিয়েছে সলতে পাকানোর কাজও। এহেন আবহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (পড়ুন, বিজেপির চাণক্য) অমিত শাহের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হল ‘অমিত’ দায়িত্ব। বিজেপির কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় দলের পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছেন তাঁকে। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিকে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব। বিজেপি সূত্রে খবর, এই দুই নেতাই মূলত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া তদারকি করবেন। রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনার মাঝেই পদ্মশিবিরের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। অসমেও ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে জেপি নাড্ডাকে। সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনিকে। বিজেপির তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই খবর (Amit Shah)।

    দিল্লি গেলেন সুনীল বনসল (Amit Shah)

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়ার আগে মঙ্গলবার সকালেই দিল্লি চলে যান এ রাজ্যে বিজেপির পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। পরিষদীয় দলের বৈঠক, শপথগ্রহণ এবং পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করতে দিল্লিতে গিয়ে বৈঠক করেন তিনি। কথা বলেন অমিত শাহের সঙ্গেও। রাজ্যের পর্যবেক্ষকের সঙ্গে কথা হবে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনেরও। দিল্লি রওনা দেওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমে সুনীল বলেন, “সকলকে ধন্যবাদ।” তবে কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, শুভেন্দু অধিকারীও দিল্লি যাবেন কি না, এসব প্রশ্নের কোনও জবাবই দেননি সুনীল। বরং সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে, হাসিমুখে রওনা দেন সুনীল।

    জোড়া বৈঠকে হয়েছে আলোচনা

    কাঙ্খিত বঙ্গ জয়ের পর বিজেপি শিবিরে শুরু হয়েছে সরকার গড়ার তৎপরতা। সরকার গঠন নিয়ে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে হয়ে গিয়েছে দুটি বৈঠক। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বৈঠক বসে সংসদীয় কমিটির। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেও যোগ দেন তিনি। দুটি বৈঠকেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রের খবর। দিল্লিতে বৈঠক সেরেই আজ, মঙ্গলবার কিংবা আগামিকাল বুধবার কলকাতায় ফিরবেন বনসল-সহ বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। এই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন রাজনাথ সিং। বিজয়ী প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক করবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাংলায় সরকার গঠন নিয়েও আলোচনা হতে পারে (BJP)।

    শপথ গ্রহণ হবে ব্রিগেডে!

    বিজেপি সূত্রে খবর, শপথগ্রহণের দিনও ঠিক হয়ে যাবে এদিনই। বিজয়ী বিধায়কদের নিয়ে পরিষদীয় বৈঠক হবে। সেখানে পরিষদীয় দলের নেতার নাম প্রস্তাব করা হবে, সমর্থন করবেন বাকিরা। এর পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, দিলীপ ঘোষ,  শুভেন্দু অধিকারীরা যাবেন রাজভবনে, দাবি জানাবেন সরকার গঠনের। কবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে, হবেই বা কোথায়, তাও ওইদিনই ঘোষণা করা হবে বলে বিজেপি সূত্রে খবর। অসমর্থিত সূত্রের খবর, আগামী ৯ মে ব্রিগেড ময়দানে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে শপথ নেবেন পশ্চিমবঙ্গের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী। কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীও (BJP) শপথ নেবেন ব্রিগেডেই। বাকি মন্ত্রীরা শপথ নেবেন পরে (Amit Shah)।

     

  • Shamik Bhattacharjee: “কোনও রাজনৈতিক হিংসা নয়, বিজেপির পতাকা নিয়ে অশান্তি করলে দল থেকে বের করে দেব”, বার্তা শমীকের

    Shamik Bhattacharjee: “কোনও রাজনৈতিক হিংসা নয়, বিজেপির পতাকা নিয়ে অশান্তি করলে দল থেকে বের করে দেব”, বার্তা শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি (BJP)। ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৭টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি, অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া অবস্থান নিয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব এবং কলকাতা পুলিশ। রাজ্যে এককভাবে ক্ষমতায় আসার পরই দলগতভাবে লিখিত নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বিরোধী দলের বুথ, পার্টি অফিস বা সাইনবোর্ড দখল করা যাবে না। একই সঙ্গে অটো ও টোটো স্ট্যান্ড কিংবা বাজার দখলের মতো ঘটনাও বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের কাজ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    রাজনৈতিক হিংসার জায়গা নেই

    বাংলায় পালা বদলের পর থেকেই শহর ও শহরতলির বিভিন্ন জায়গা থেকে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ সামনে এসেছে। কোথাও কোথাও তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর বা দখলের অভিযোগ উঠেছে, আবার কলকাতার রাস্তাতেও ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি শিমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharjee) এই বিষয়ে অত্যন্ত কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন,“আমি একটা কথা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিচ্ছি, বিজেপির পতাকা নিয়ে কোথাও যদি কোনও রাজনৈতিক হিংসা চলে, কোনও তৃণমূল অফিসের উপর আক্রমণ হয়, মুখ্যমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যদি কদর্য ভাষা ব্যবহার করা হয়, তাকে দল থেকে বার করে দেব। সেই অধিকার আমার পার্টির সংবিধান আমাকে দিয়েছে। প্রশাসনকে দেখতে হবে যে বিজেপির পতাকা নিয়ে যদি টোটো স্ট্যান্ড, অটোস্ট্যান্ড থেকে যদি টাকা চায়, কঠোরতম ব্যবস্থা নেবেন। তাকে গ্রেফতার করবেন। কোনও রঙ দেখে কাজ করবেন না। কোনও রাজনৈতিক হিংসার জায়গা পশ্চিমবঙ্গে নেই। এই রাজনৈতিক সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে বলেই মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন।”

    কলকাতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে

    ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই শহরের পরিস্থিতি যাতে কোনওভাবে উত্তপ্ত না হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখছে কলকাতা পুলিশ। সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়ানো ভুয়ো খবরের বিষয়েও এদিন সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলায় কলকাতা পুলিশের তরফে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে জানানো হয়েছে, ভোটের ফল প্রকাশের পর অনেক বিভ্রান্তিকর পোস্ট ছড়ানো হচ্ছে। অন্য জায়গার ছবি ও ভিডিও কলকাতার বলে চালানো হচ্ছে। শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে যাঁরা ভুল খবর ছড়াচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে। কলকাতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নাগরিকদের কাছে পুলিশের আবেদন, কোনও খবর যাচাই না করে সমাজমাধ্যমে ছড়াবেন না, ভয় পাবেন না।

LinkedIn
Share