Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে এবার নজরে বারাসত পুরসভা, চিঠি দিয়ে নথি তলব সিবিআইয়ের

Recruitment_Scam_(3)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) ইডি-সিবিআই একাধিক পুরসভার বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে। ঠিক এরকম একটা সময়ে বারাসত পুরসভায় এল সিবিআইয়ের  একটি চিঠি। ২০১২ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই পুরসভায় কারা কারা ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন, তাঁদের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর-সহ যাবতীয় তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই চিঠি ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তাহলে কি পুর-নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের রেশ এবার জেলার সদর বারাসতেও। চিঠির কথা স্বীকার করলেও এর সঙ্গে নিয়োগ-দুর্নীতির কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান।

বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি (Recruitment Scam)

পুর-নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে শিকড়ে পৌঁছতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ইডি-সিবিআই। অয়ন শীলের সংস্থা এবিএস ইনফোজোনের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে একাধিক পুরসভায় গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি’র চাকরি বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই বেআইনি নিয়োগের পিছনে তৃণমূলের প্রাক্তন এবং বর্তমান চেয়ারম্যানদের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা খতিয়ে দেখতে ময়দানে নেমেছে কেন্দ্ৰীয় দুই তদন্তকারী সংস্থা। কিছুদিন আগেই মধ্যমগ্রাম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের মাইকেল নগরের বাড়িতেও হানা দিয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দিয়ে মন্ত্রীর বাড়ি ঘিরে রেখে উনিশ ঘণ্টা তল্লাশি অভিযান (Recruitment Scam) চালানো হয়। তল্লাশিতে মন্ত্রীর বাড়ি থেকে বেশ কিছু তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে খবর পাওয়া যায়। যদিও খাদ্যমন্ত্রী দাবি করেন, কোনও নথিই বাজেয়াপ্ত করা হয়নি তাঁর বাড়ি থেকে। শুধু মন্ত্রীর বাড়িই নয়, মধ্যমগ্রাম পুরসভাতেও ইতিমধ্যে দু-দু’বার হানা দিয়েছে ইডি- সিবিআই। পাশাপাশি আধিকারিকদের জেরার মুখেও পড়তে হয়েছে মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষকে। এরই মধ্যে এবার নিয়োগ দুর্নীতির চিঠি এসে পৌঁছল বারাসত পুরসভাতে।

চিঠির কথা স্বীকার পুরসভার চেয়ারম্যানের (Recruitment Scam)

এই বিষয়ে বারাসত পুরসভার চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায় বলেন, “সিবিআই ই-মেল মারফত চিঠি (Recruitment Scam) পাঠিয়েছে পুরসভার কাছে। সেই চিঠির উত্তরও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁদের কাছে। তারা জানতে চেয়েছে, ২০১২ সাল থেকে ২০২৩ সাল, এই ১১ বছরে পুরসভায় কারা কারা ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁদের নাম, ঠিকানা সহ যাবতীয় তথ্য পাঠাতে বলেছিল, আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি। কেন পাঠাতে বলেছে, সেটা আমার পক্ষে বলা অসম্ভব। হতে পারে তদন্তের স্বার্থে তারা জানতে চেয়েছে এসব। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে পুরসভায় কোনও নিয়োগ হয়নি।

কোনও সংযোগ আছে, দাবি বিজেপির

অন্যদিকে বিজেপির বারাসত সাংগঠনিক জেলার প্রাক্তন জেলা সভাপতি তাপস মিত্র দাবি করেন এবিএস ইনফোজোনের মাধ্যমে যদি এখানে নিয়োগ নাই হয়ে থাকে, তাহলে কেন চিঠি পাঠাতে গেল সিবিআই। বেআইনি নিয়োগের কোনও না কোনও সংযোগ রয়েছে সেখানে (Recruitment Scam)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share