Gold Hub: মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাই সার, জমি জটে আটকে ঘাটালের সোনার হাব তৈরির কাজ

Gold_Hub

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাই সার। জমি জটে আপাতত থমকে গেল দাসপুরে নির্মীয়মাণ সোনার হাবের (Gold Hub) কাজ। খেলার মাঠ ও শ্মশান বাঁচাতে আদালতের দ্বারস্থ গ্রামবাসীরা। ফলে, এই প্রকল্পের কাজ কবে শুরু হবে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। দ্রুত জট কেটে মিলবে সমাধান, আশাবাদী প্রশাসন।

গ্রামবাসীদের কী অভিযোগ?

কয়েক বছর আগে খড়্গপুরের প্রশাসনিক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাসপুরে গোল্ড হাব (Gold Hub) গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই শুরু হয় জমি চিহ্নিতকরণ সহ যাবতীয় প্রক্রিয়া। দাসপুর-২ নম্বর ব্লকের ফরিদপুর মৌজায় চিহ্নিত করা হয় জমি। ১ একর  ৮০ শতকের এই জমি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতরকে হস্তান্তর করা হয়। ভবন তৈরির জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে সাড়ে সাত কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। চলতি বছরের ১৬ ই ফেব্রুয়ারি গোল্ড হাবের ভার্চুয়ালি শিলান্যাস করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মাস কয়েক আগে শুরু হয় কাজও। তবে এরই মাঝে বেঁকে বসেন গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীদের একাংশের বক্তব্য, সরকারি এতবড় প্রকল্প করার আগে জমিটিতে কী হয়, তা প্রশাসনের কর্তাদের নজরে এল না। আসলে গোল্ড হাবের জন্য যে জমি চিহ্নিত করা হয়েছে, খাতায়-কলমে সেই জমির চরিত্র শ্মশান। জমির একাংশ খেলার মাঠ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। দুর্গাপুজো সহ গ্রামের একাধিক অনুষ্ঠান হয় এই জমিতেই। এই কারণেই গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে বিকল্প কোনও জমিতে সোনার হাব তৈরির দাবি তোলা হয়। প্রাথমিকভাবে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েও কোনও সুরাহা না মেলায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন গ্রামবাসীরা। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, তিন সপ্তাহের মধ্যে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে গোটা বিষয় নিয়ে।

কী বললেন মহকুমা শাসক?

ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস বলেন, প্রথম দিকে এনিয়ে কোনও অভিযোগ আসেনি। এখন অভিযোগ এসেছে। গোটা বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত এই জট কেটে গোল্ড হাব (Gold Hub) তৈরি করা হবে।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।                                                                        

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share