মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত অফিসে বসে দই-আইসক্রিম খেয়ে সময় কাটান। কাজের সময়ে চলে রোম্যান্স। তৃণমূলের প্রধান প্রিয়াঙ্কা শূরের বিরুদ্ধে এমনই গুরুতর অভিযোগ তুললেন দলের কর্মী থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সদস্যরা। প্রধানের বিরুদ্ধে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখালেন তাঁরা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির পোলবার রাজহাট গ্রাম পঞ্চায়েতে। এই ঘটনায় শাসক দলের কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।
প্রধানের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ? (TMC Conflict)
গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যরা বলেন, প্রধান শুধু তাঁর নিজের ও ঘনিষ্ঠদের এলাকায় কাজ করেন। বাকি কোথাও কাজ করেন না। আমরা এলাকায় উন্নয়ন করার কথা বললেও তিনি তা করেন না। যার ফলে এলাকার উন্নয়ন থমকে আছে। দলের কোনও কথাও তিনি শোনেন না। এ নিয়ে কথা বলতেই পঞ্চায়েত অফিসে আমরা যাই। আমাদের সঙ্গে দলের কর্মীরা ছিলেন। কিন্তু, কথা বলতেই সেখানে উত্তেজনা (TMC Conflict) তৈরি হয়। তৃণমূলের রাজহাট অঞ্চল সভাপতি রূপকুমার কর বলেন, “প্রধান আমাদের কোনও কথা শোনেন না। নিজের খুশি মতো যা মনে হয় তাই করে যান তিনি।” অন্যদিকে, তৃণমূল কর্মী সন্দীপ মালাকার আবার একটি ছবি দেখিয়ে বলেন,”স্বামীর সঙ্গে বাড়িতে রাগ অভিমান হলে সেটা পঞ্চায়েত এসে মেটান। কখনও দই খাইয়ে, কখনও আইসক্রিম খাইয়ে রাগ ভাঙান। পঞ্চায়েত অফিসটা কাজের জায়গা। আর প্রধান রোমান্সের জায়গা বানিয়ে ফেলেছেন।” বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা বলেন, প্রধানের এই সব কার্যকলাপের জন্যই প্রধানের নিজের বুথে দল হেরেছে। এমনকী তিনি বিজেপি ঘেঁষা হয়ে গিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তাঁর পদত্যাগেরও দাবি করছেন দলের কর্মীরা।
আরও পড়ুন: বীরভূমের পর বর্ধমান! রেললাইনের ধারে বিজেপি নেতার দেহ, শোরগোল
পঞ্চায়েত প্রধান কী সাফাই দিলেন?
গ্রাম পঞ্চায়েত (Hooghly) প্রধান প্রিয়াঙ্কা শূর বলেন, “কোনও সমস্যা তৈরি হলেই আমি সমাধান করার চেষ্টা করি। আমি কাজ করি না বলে যে অভিযোগ আসছে তা মিথ্যা। পঞ্চায়েত সদস্যরাই পঞ্চায়েতে আসেন না।সবই চক্রান্ত। আমাকে সরাতেই এ সব করা হচ্ছে। এসব মিথ্যা অভিযোগ করে কোনও লাভ হবে না।”
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।
Leave a Reply