মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশিরভাগ ভারতীয়ই হরিদাসপুর (Haridaspur) নামটি কখনও শোনেননি। কিন্তু এটা হল সেই স্থান, যেখান থেকে প্রতি চারজনের মধ্যে একজন বিদেশী ভারতে প্রবেশ করেন। তাই এ কথা বলাই যায় যে দিল্লি এবং মুম্বইয়ের পরে হরিদাসপুরই হল ভারতের আর একটি মুখ্য প্রবেশদ্বার। চলতি ২০২৪ সালের প্রথম ৪ মাসে যে রিপোর্ট সামনে এসেছে সেখানে দেখা যাচ্ছে ৩৩ শতাংশ বিদেশী ভারতে প্রবেশ করেছেন দিল্লির মাধ্যমে, ১৫ শতাংশ বিদেশী ভারতে এসেছেন মুম্বইয়ের মাধ্যমে এবং এর পরেই স্থান রয়েছে হরিদাসপুরের (Haridaspur)। ৮.৫৫ শতাংশ বিদেশী ভারতে প্রবেশ করেছেন হরিদাসপুরের মাধ্যমে। অন্যদিকে, চেন্নাইয়ের মাধ্যমে প্রবেশ করছেন ৭.৯৪ শতাংশ বিদেশী ও বেঙ্গালুরুর মাধ্যমে ভারতে প্রবেশ করেছেন ৫.৮০ শতাংশ বিদেশী।
২০২৪ সালের এপ্রিল মাসেই ১১ শতাংশ বিদেশী হরিদাসপুরের (Haridaspur) স্থলবন্দরের মাধ্যমে ভারতে প্রবেশ করেছেন
হরিদাসপুরের (Haridaspur) কথা বলতে গেলে বলা যায়, এখানে একটি সামান্য হেলিপ্যাডও নেই। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তো ছেড়েই দেওয়া যায়। কলকাতা থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হল হরিদাসপুর। কিন্তু কীভাবে এই স্থান ভারতের প্রবেশদ্বার হিসেবে তিন নম্বরে উঠে এল? হরিদাসপুর হল একটি সীমানা যেখান থেকে বাংলাদেশীরা আইনিভাবে ভারতে প্রবেশ করতে পারেন। এখানেই রয়েছে ইমিগ্রেশন অফিস পেট্রাপোল পোস্টের। দক্ষিণ এশিয়ার সবথেকে বৃহৎ স্থল বন্দরও হল হরিদাসপুর। ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে ২৩ লাখ বিদেশী ভারতে প্রবেশ করেছেন, হরিদাসপুরের স্থলবন্দরের মাধ্যমে। জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসেই ১১ শতাংশ বিদেশী হরিদাসপুরের স্থলবন্দরের মাধ্যমে ভারতে প্রবেশ করেছেন। ঠিক এই কারণেই হরিদাসপুর হয়ে উঠেছে ভারতের তিনটি প্রবেশদ্বারের মধ্যে একটি।
বাংলাদেশ থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ ভারতে আসেন
বাংলাদেশ থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ ভারতে আসেন। তাঁরা মূলত চিকিৎসা করাতেই আসেন। কলকাতাস্থিত (West bengal) আমরি হাসপাতাল, রুবি জেনারেল হাসপাতাল – প্রভৃতি জায়গায় থেকে বাংলাদেশিরা চিকিৎসা করান। একটি পরিসংখ্যান বলছে, প্রতিমাসে সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশী আসেন আমরি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে, অন্যদিকে রুবি জেনারেল হাসপাতালের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ১ হাজার। কলকাতার প্রায় প্রতিটি প্রাইভেট হাসপাতালে বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য হেল্প ডেস্কও (West bengal) চালু করা হয়েছে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।
Leave a Reply