Nepal: নেপালে ফের জোরালো হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে দাবিসনদ পেশ জনতার

Nepal crackdowns on pro king activities 51 monarchist leaders held

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে (Nepal) ফের জোরালো হচ্ছে হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি। এ আওয়াজ তোলা হচ্ছে সে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে। দেশজুড়ে বইছে হিন্দুত্বের হাওয়া। এমতাবস্থায় চার দিনের বৈঠকে বসে নেপালি কংগ্রেস ন্যাশনাল কাউন্সিল। রাজতন্ত্রের দাবিও তুলেছেন নেপালি জনতা।

দাবিসনদ পেশ

নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহলের কাছে ৪০টি দাবি সম্বলিত একটি সনদও পেশ করেছে নেপালের রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি। বুধবার নেপালের (Nepal) রাজধানী কাঠমাণ্ডুর বিভিন্ন এলাকায় মিছিল করেন রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টির হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক। পরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করেন দাবি সনদ। রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান রাজেন্দ্র লিংগডেন বলেন, “রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চালিয়ে যাবে। সরকার এ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ না করলে বড়সড় আন্দোলনে নামব আমরা।” ২০০৮ সালে রাজতন্ত্রের উচ্ছেদ ঘটে নেপালে। দেশকে ঘোষণা করা হয় অ-হিন্দু রাষ্ট্র। ২০১৫ সালে নয়া সংবিধানের মাধ্যমে সরকারিভাবে ধর্ম নিরপেক্ষ প্রজাতান্ত্রিক দেশে পরিণত হয় নেপাল।

রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবি

নেপালে রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিনের। হিন্দুরাষ্ট্রের দাবিও বহু পুরানো। জনতার এই দাবিতে ইন্ধন জোগাচ্ছে সনাতন হিন্দু স্টেট নেপাল মেগা ক্যাম্পেন। এই সংগঠনের নেতা শঙ্কর ভাণ্ডারি। নেপালকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার দাবি এনসি পার্টিরও। এই দলের প্রেসিডেন্ট শের বাহাদুর দেউবা বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হন নেপালি কংগ্রেসে।

২০২২ সালে নেপালের (Nepal) সাধারণ নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি জয়ী হয় ২৭৫টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে। দেশের পঞ্চম বৃহত্তর রাজনৈতিক দল হিসেবে জায়গা করে নেয়। ভোটের পর রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি জোট সরকারেরই অংশ ছিল। ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তারা বিরোধী বেঞ্চে বসে। নেপালের এই দলটিই দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছে।

আরও পড়ুুন: ৯ পাতার ‘ইভেন্ট গাইড’! অম্বানী-পুত্রের বিয়েতে অতিথিদের জন্য চার্টার্ড বিমান

হিন্দুত্বের দাবিতে সরব হয়েছে নেপালের জেনারেল রুকমানগুড় কাটাওয়াল। তিনি ২০০৬ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত নেপালের সেনাবাহিনীর কমান্ডার ছিলেন। তিনি বলেন, “আমাদের এই প্রচার দেশকে হিন্দুত্ববাদী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা নয়, সংখ্যালঘু মুসলিম ও খ্রিস্টানদের এক ঘরে করে দেওয়াও নয়। আমাদের প্রচার শুধুমাত্র নেপালের (Nepal) হিন্দু পরিচয় ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে।”

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share