Jalpaiguri : ঘরে ঢুকে শিশু চুরির চেষ্টা! মশারির ভিতর যুদ্ধ করে সন্তানকে বাঁচালেন বাবা-মা

Jalpaiguri 

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরে ঢুকে সন্তান চুরির চেষ্টা করলে মাশারির ভেতরেই দুষ্কৃতীকে সটান লাথি মেরে ফেলে দিয়ে সন্তানকে রক্ষা করলেন মা-বাবা। এই ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ি এলাকায়। কলকাতায় শিশু চুরি করে পাচার করার ঘটনার কথা প্রায় শোনা যায়। এবার উত্তরবঙ্গের শিশু চুরির ঘটনায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এলাকার মানুষ নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশের দিকে আঙুল তুলছেন।

কীভাবে ঘটল ঘটনা (Jalpaiguri)?

মঙ্গলবার গভীর রাতে বাড়ির বেড়া ভেঙে ঘরে ঢুকে পড়েছিল দুষ্কৃতী। উদ্দেশ্য ছিল বাড়ির (Jalpaiguri) শিশুকে চুরি করা! বিছানার মশারির ফাঁকে হাত ঢুকিয়ে চুপিসারে শিশুকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করতেই, বাবা-মায়ের সঙ্গে যুদ্ধ বাধে দুষ্কৃতীদের। মা, শিশুর কান্নার শব্দ টের পেতেই তার হাত চেপে ধরেন। এরপর বিছানা থেকে দুষ্কৃতীকে লাথি মেরে ফেলে দেন। সঙ্গে সঙ্গে বাবা মশারির ভিতর থেকে হাত বাড়িয়ে দুষ্কৃতীর মাথা চেপে ধরে প্রহার শুরু করেন। এরপর পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতী। নিজের সন্তানকে রক্ষা করে বাবা-মা এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

শিশুর বাবা-মায়ের বক্তব্য

ঘটনার কথা জানিয়ে বাবা বরুণ দাস বলেন, “মোটামুটি রাত তখন তিনটে বাজে। আমাদের গভীর ঘুমের মাধ্যেই দুষ্কৃতীরা মাটির ঘরের বেড়া ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়ে। এরপর আমার সন্তানকে হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতে চাইলে, কান্নার শব্দে আমাদের ঘুম ভেঙে যায়। এরপর দুষ্কৃতীদের সঙ্গে একপ্রকার লড়াই করে আমাদের সন্তানকে রক্ষা করতে হয়। কিছুক্ষণ পরে আমাদের চিৎকারে আশেপাশের প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই স্থানীয় পুলিশ এসে হাজির হয়। পুলিশের কাছে পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে অভিযোগ জানানো হয়। ধূপগুড়ির স্থানীয় থানার (Jalpaiguri) পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শিশু চুরি করতে আসা কি মূল উদ্দেশ্য ছিল? নাকি শুধু ঘরের সিঁধ কেটে কেবল চুরি করতে এসেছিল! এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কিন্তু এলাকার নিরাপত্তার কথা বলে সাধারণ মানুষ পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দেন।   

 

 দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share