India-Australia Refueling Pact: মাঝ-আকাশেই ভারতের বিমানে জ্বালানি ভরবে অস্ট্রেলিয়া, স্বাক্ষরিত নয়া চুক্তি

parliament_(12)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ-আকাশেই এক বিমান থেকে অন্য বিমান জ্বালানি সরবরাহ করবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া (India-Australia Refueling Pact)। বাইশ গজে দুজনের মধ্যে লড়াই যতই কঠিন হোক না কেন আসলে দুই দেশই একে অপরের ভাল বন্ধু। সেই বন্ধুত্বের মর্যাদা রেখেই ভারত অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে এক নয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হল। সেই চুক্তি অনুসারে, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান এয়ার ফোর্স বা ব়্যাফ, উড়ান চলাকালীন মাঝ-আকাশেই এক বিমান থেকে অন্য বিমান জ্বালানি সরবরাহ করতে পারবে।

নয়া চুক্তি এক মাইলফলক

সম্প্রতি আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। যেখানে আলাদা করে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং অস্ট্রেলিয়ার (India-Australia Refueling Pact) প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্যাট কনরয়। লাওসে আয়োজিত ওই বৈঠকে নয়া চুক্তি সম্পাদনের কথা ঘোষণা করেন রাজনাথ ও কনরয়। সংশ্লিষ্ট চুক্তির আওতায় ব়্যাফের এয়ার-টু-এয়ার জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, কেসি ৩০এ-র মাধ্যমে ভারতীয় সশস্ত্রবাহিনীর বিমানে জ্বালানি ভরা যাবে। অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বিভাগের তরফে প্রকাশ করা একটি বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে। তাদের মতে, এই চুক্তি ভারতের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সমারিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক তৈরি করল।

সামরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ়

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যদি উড়ান চলাকালীনই মাঝ-আকাশে বিমানে জ্বালানি ভরার ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে যে কোনও যুদ্ধবিমানের কার্যক্ষমতা এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যায়। কারণ, সেই বিমানকে আর জ্বালানি ভরার জন্য মাটিতে নামতে হয় না। ফলে তার উড়ানের পরিসর বিস্তৃত হয়ে যায়। এই চুক্তি অনুযায়ী ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতীয় নৌবাহিনীর পি-৮১ নেপচুন নজরদারি বিমানে জ্বালানি ভরতে পারবে কেসি-৩০এ। গত ১৯ নভেম্বর নয়া দিল্লিতে আয়োজিত অস্ট্রেলিয়া-ভারত বায়ু সেনা আধিকারিকদের বৈঠকেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তাতে স্বাক্ষর করেন এয়ার ভাইস-মার্শাল হার্ভে রেনল্ডস। তিনি এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর ফলে দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

নয়া চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ

ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া (India-Australia Refueling Pact) এই দুই দেশই কোয়াডের সদস্য। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এই দুই রাষ্ট্রশক্তি যৌথভাবে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রসর হয়েছে। এমনকী, বিভিন্ন সময় যৌথ মহড়া-সহ অন্য়ান্য কর্মসূচিও পালন করেছে।  ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নয়া চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share