Uttar Pradesh: ভারতের ‘নুন’ খেয়ে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগে ধৃত উত্তর প্রদেশের যুবক

isi_f

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের খেয়ে আক্ষরিক অর্থেই বনের মোষ তাড়াচ্ছিলেন তিনি। ভারতের খেয়ে তথ্য পাচার করছিলেন পাকিস্তানে (Pakistan)। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের (ISI) চরবৃত্তি করার অভিযোগে উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) এক যুবককে গ্রেফতার করল এটিএস। মহম্মদ রইস নামের ওই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ মাত্র ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ভারতীয় সেনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানে পাচার করেছিলেন ওই যুবক।

দেশের বুকে ছুরি

ভারতের ক্ষতি করার চেষ্টা অবশ্য এই প্রথম নয়। কেউ কোনও পাক সুন্দরীর প্রেমের ফাঁদে পা দিয়ে আইএসআইকে তুলে দিয়েছেন প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য। কেউ আবার টাকার বিনিময়ে ছুরি মেরেছেন দেশের বুকে। এটিএস সূত্রে খবর, উত্তর প্রদেশের গোন্ডা জেলার (Uttar Pradesh) তারাবগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা কাজের খোঁজে গিয়েছিলেন মুম্বই। সেখানে তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় আরমান নামের এক যুবকের। পুলিশি জেরায় রইস জানিয়েছেন, আরমানই তাঁকে প্রলোভিত করেছিলেন চরবৃত্তিতে।

গুপ্তচরবৃত্তির প্রস্তাব

উত্তর প্রদেশের ওই যুবক পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি আরমানকে আরব আমিরশাহিতে চাকরি খুঁজে দিতে বলেছিলেন। তখন আরমান তাঁকে আইএসআইয়ের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করার প্রস্তাব দেয়। তার বিনিময়ে মোটা টাকা মিলবে বলে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল আরমান। সে এও জানিয়েছিল, তাকে কিছু করতে হবে না। সে নিজেই রইসের নম্বর আইএসআইয়ের এজেন্টদের দিয়ে দেবে। তারাই যোগাযোগ করে নেবে। ২০২২ সালে ভিন দেশের একটি নম্বর থেকে (Uttar Pradesh) ফোন আসে রইসের কাছে। ফোনের অন্য দিকে থাকা মানুষটি জানিয়েছিল, তার নাম হুসেন। সে পাকিস্তানি গুপ্তচর। রইসকে ভারতীয় সামরিক সেনাঘাঁটিগুলি সম্পর্কে তথ্য চালান করার দায়িত্ব দিয়েছিল হুসেন। এজন্য রইসকে ১৫ হাজার টাকাও পাঠানো হয়। তার পরেই কয়েকজন বন্ধুকে কাজে লাগিয়ে রইস তথ্য পাচার করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুুন: সিবিআইয়ের নজরে ১৪টি পুরসভা! পুর দুর্নীতির আড়ালে কীসের আঁচ?

উত্তর প্রদেশের বিশেষ ডিজি (আইনশৃঙ্খলা) প্রশান্ত কুমার বলেন, “রইস নামের এক যুবককে এটিএস গ্রেফতার করেছে। তিনি গোন্ডার বাসিন্দা। তাঁকে এটিএস দফতরে তলব করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি গুপ্তচরবৃত্তিতে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।”

পাকিস্তানে তথ্য পাচারের অভিযোগে দিন কয়েক আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন ডিআরডিও বিজ্ঞানী প্রদীপ কুরুলকর। মহারাষ্ট্রের এটিএস গ্রেফতার করেছিল তাঁকে। তিনি অবশ্য টাকা নয়, প্রেমের ফাঁদে পা দিয়ে  তথ্য পাচার করেছিলেন বলে অভিযোগ। আর রইসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তথ্য পাচার করেছেন টাকার লোভে।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

 
 
Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share