Calcutta High Court: মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত দুর্নীতি? জবাব চাইলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

abhijit_high_court

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য। এরই মধ্যে সামনে এল মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ। এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ যোগ্য়তা থাকা সত্ত্বেও সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না। এর পাশাপাশি রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোতে বেনিয়মের মাধ্যমে ভর্তি করা হচ্ছে পড়ুয়াদের। মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র ভর্তির দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের মামলা গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। মঙ্গলবারই এই মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে (Calcutta High Court)। অতিসত্ত্বর রাজ্যের কাছে জবাব তলব করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি তিনি ডিরেক্টর অফ মেডিক্যাল এডুকেশন দেবাশিষ ভট্টাচার্যকে আদালতে তলবও করেছেন। এদিনের শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানান ভর্তি সংক্রান্ত এই মামলায় অনিয়ম প্রমাণিত হলে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, ভর্তি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন ইতিশা সোরেন নামে এক নিট পরীক্ষার্থী। 

ঠিক কী অভিযোগ ছিল মামলাকারীর

চলতি বছরের ৭ মে নিট পরীক্ষা হয় মেডিক্যালের। গত ১৩ জুলাই এ সংক্রান্ত ফল প্রকাশ হয়। সেখানে দেখা যায় পরীক্ষার্থী ইতিশা সোরেন মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছেন ২৮,৩১৯ নম্বরে। ইতিশা সোরেন একজন তপশিলি সমাজের পড়ুয়া। ইতিশা জানিয়েছেন, এরপরে দুবার তাঁকে কাউন্সেলিং-এ ডাকা হলেও কোনও সরকারি মেডিক্যাল কলেজে (Calcutta High Court) পড়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এর পাশাপাশি তাঁকে বলা হয়েছে সংরক্ষিত সমস্ত আসন পূরণ হয়ে গিয়েছে। মামলাকারীর আইনজীবী এদিন হাইকোর্টে জানিয়েছেন, তপশিলি জনজাতি সমাজের নন এমন অনেককে সংরক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই এমন অভিযোগ

তবে এই অভিযোগ নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এনআরএস, আরজিকর, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ সহ বেশিরভাগ কলেজগুলিতে সংরক্ষণের নিয়ম না মেনে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছিল দীর্ঘদিন ধরেই। এ বিষয়ে সোমবারই ডিরেক্টর অব মেডিক্যাল এডুকেশন এর অধ্যাপক দেবাশিষ ভট্টাচার্যকে হাইকোর্টে তলব করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Calcutta High Court)। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন আগামী দিনে যদি অভিযোগ সত্য বলে প্রমাণ হয় তাহলে যাঁরা বেনিয়মের মাধ্যমে ভর্তি হয়েছেন। সেই ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি তো বাতিল করা হবে এর পাশাপাশি আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share