Ram Mandir: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সারদা পীঠের পবিত্র জল অযোধ্যায় পাঠালেন জনৈক মুসলিম

Untitled_design(437)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের এক মুসলিম বাসিন্দা সারদা পীঠ কুণ্ডের পবিত্র জল রামলালার (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা উৎসবে অযোধ্যা পাঠালেন। এই পবিত্র জল ব্রিটেনের মাধ্যমে তিনি ভারতে পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ‘সেভ সারদা কমিটি কাশ্মীর’ নামের সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা রবীন্দ্র পণ্ডিতা এ বিষয়ে বলেন,‘‘পবিত্র জল সরাসরি ভারতে পাঠানো সম্ভব হয়নি তার কারণ ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে পোস্টাল সার্ভিস বন্ধ রয়েছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের পরেই। তাই ব্রিটেনের মাধ্যমে এই জল পবিত্র রাম জন্মভূমিতে (Ram Mandir) পাঠানো হয়েছে।’’

জনৈক তানভির আহমেদ এই পবিত্র জল রাম মন্দিরের নির্মাণের জন্য পাঠিয়েছেন

জানা গিয়েছে, জনৈক তানভির আহমেদ এবং অন্যান্যরা এই পবিত্র জল রাম মন্দিরের (Ram Mandir) নির্মাণের জন্য পাঠিয়েছেন। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুসলিম সম্প্রদায়ের নাগরিকরা এই জল সংগ্রহ করেন এবং তা ইসলামাবাদে পাঠান সেখান থেকেই তানভির আহমেদের লন্ডনবাসী কন্যা মাঘরিবির কাছে পাঠানো হয়।  জানা গিয়েছে, এরপরে মাঘরিবি ওই জল সোনাল শের নামের জনৈক কাশ্মীরি পণ্ডিতকে পাঠান। পরবর্তীকালে এই জল দিল্লিতে আসে। রবীন্দ্র পণ্ডিতা আরও জানিয়েছেন, পবিত্র এই জল এশিয়া ইউরোপ মহাদেশ ঘুরে ভারতে এল। প্রসঙ্গত সারদা সর্বজ্ঞান পীঠে ১৯৪৮ সাল থেকেই ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ রয়েছে।

‘সেভ সারদা কমিটি কাশ্মীর’ রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনটি উদযাপন করবে

শুধু জলই নয় এর আগে মাটি এবং শিলাও এসেছে সারদা কুণ্ড থেকে। এটা খুব গর্বের বিষয় যে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার মুহূর্তে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনসাধারণেরও যোগদান রইল, এমনটাই বলছেন সেভ সারদা কমিটির সদস্যরা।  প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ জুন শৃঙ্গেরি মঠের শঙ্করাচার্য সারদা মন্দিরের উদ্বোধনও করেন। জানা গিয়েছে, আগামী ২২ জানুয়ারি সেভ সারদা কমিটি- এর সদস্যরা প্রদীপ জ্বালিয়ে দিনটি উদ্বোধন করবেন লাইন অফ কন্ট্রোল এর কাছে। কাশ্মীরের কুপোয়ারা জেলাতে এই উদযাপন হবে বলে জানা গিয়েছে।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share