Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকান্ডে অন্যতম অভিযুক্ত গ্রেফতার, এতদিন কী করছিল পুলিশ?

Untitled_design_(16)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেক আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল এলাকা। তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে বিস্ফোরণে উড়ে যায় প্রায় আস্ত একটা বাড়ি। ছিন্নভিন্ন দেহাংশ ছিটকে গিয়ে পড়ে প্রায় ২০০ মিটার দূরে। কারও কারও হাত-পা উড়ে যায়। আগুনে ঝলসে যান বেশ কয়েকজন। অনেকেই সেদিন বলেছিলেন, কয়েক কিলোমিটার দূরে বারাসত পর্যন্ত শোনা গিয়েছিল বিস্ফোরণের শব্দ। দত্তপুকুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে আগেই গ্রেফতার হয় মূল অভিযুক্ত। ২৮ দিন ধরে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে বিস্ফোরণকান্ডে অন্যতম অভিযুক্ত রমজান আলিকে পুলিশ গ্রেফতার করল। তাঁকে কদম্বগাছি থানা এলাকার একটি গ্রাম থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিস্ফোরণকান্ডে এর আগে আর কে গ্রেফতার হয়েছে? (Duttapukur)

দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল গ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রথম পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় সফিকুল ইসলাম। বিস্ফোরণ ঘটা বাজি কারখানায় সফিকুলের অংশীদারিত্ব ছিল বলে জানা গিয়েছিল। ধৃত সফিকুল বাজি কারখানার মালিক কেরামত শেখের পার্টনার বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল। তবে কেরামতের  সন্ধান পাওয়া যায় নি। কেউ বলছে, বিস্ফোরণে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন কেরামত। আবার একাংশের দাবি ছিল বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে তার। প্রসঙ্গত, বিস্ফোরণস্থলে নীল ড্রামে মজুত ছিল প্রচুর পরিমাণে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও পটাসিয়াম ক্লোরাইড। বাজি কারখানার অদূরে হদিশ মিলেছিলো ল্যাবরেটরি। এই প্রেক্ষাপটে দত্তপুকুরে বিস্ফোরণে আরডিএক্স ব্যবহার হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছিলেন এলাকায় গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি অভিযোগ উঠছিল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু পুলিশের তোলা আর তৃণমূল নেতাদের কাটমানি খাওয়ার পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল। আগে কাটমানি ১০ হাজার হলে, এখন ২০ হাজার টাকা ছিল।  

বিস্ফোরণকান্ডের অভিযুক্তকে কতদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত?

দত্তপুকুরে (Duttapukur) বাজি বিস্ফোরণে আগেই এফআইআর এর নাম ছিল এই রমজান আলির। রমজান আইএসএফের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করেছিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা। বিস্ফোরণের পর থেকেই এতদিন গা ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল সে। এতদিন পর  তাকে গ্রেফতার করে দত্তপুকুর থানার পুলিশ। এদিন ওই রমজান আলিকে বারাসত আদালতে তোলা হয়। পুলিশের তরফ থেকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করা হলে বারাসত জেলা আদালতের বিচারক ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share