Blog

  • Partha Chatterjee: “পার্থ তুই কত খেলি? কালীঘাটে কত পাঠালি?”, আদালত চত্বরে প্রশ্ন বিক্ষোভকারীদের

    Partha Chatterjee: “পার্থ তুই কত খেলি? কালীঘাটে কত পাঠালি?”, আদালত চত্বরে প্রশ্ন বিক্ষোভকারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তৃণমূলের (TMC) পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee) লক্ষ্য করে ফের ধেয়ে এল ‘চোর, চোর’ স্লোগান। সোমবার আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালত চত্বরে এর সঙ্গে যুক্ত হল, “এই পার্থ কত খেলি”? জাতীয় বাক্যও। এদিন নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে পার্থকে হাজির করানো হয় আদালতে। আদালতে ঢোকার সময় বেশ খোশমেজাজেই ছিলেন পার্থ। সাংবাদিকদের রবীন্দ্রনাথের কবিতার লাইন শুনিয়ে চলে যান আদালতে। কটাক্ষ-বাণ আছড়ে পড়ে আদালত থেকে বেরোনোর সময়। আগে থেকেই কোর্ট লক-আপের বাইরে হাজির ছিলেন দুই ব্যক্তি।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) উদ্দেশে কটাক্ষ বাণ…

    পার্থকে বেরোতে দেখেই ‘চোর, চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। এঁদেরই একজন ছড়ার সুরে প্রশ্ন করেন, “পার্থ তুই কত খেলি? কালীঘাটে কত পাঠালি”? এসব বাক্য-বাণের মধ্যেই পার্থকে গাড়িতে তুলে দেন পুলিশ কর্মীরা। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে এদিন ছিলেন এক প্রবীণও। কসবা বিধানসভা এলাকায় থাকেন। তিনি বলেন, “দেশের কী করে উন্নতি হবে। চোর কোনও দিন বলবে না, আমি সাধু নই। বলবে আমি ভাল”। তিনি বলেন, “নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের অত কোটি টাকা কোথায় গেল”? এক বিক্ষোভকারী বলেন, “পার্থকে এখানে নিয়ে আসুন। ওকে চুলের মুঠি ধরে বেঁধে রেখে দেব”।

    এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার পার্থকে (Partha Chatterjee) লক্ষ্য করে ভেসে এসেছে কটূক্তি। ২৩ মার্চ আদালতে হাজির করানোর সময়ও পার্থকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছিল। সেদিনও বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন বলেছিলেন, “ওঁকে জ্বালিয়ে দেওয়া উচিত, ওঁর ফাঁসি হওয়া উচিত”।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হলে রাজ্যপাল বসে থাকবেন না”, বললেন আনন্দ বোস

    অথচ, রবীন্দ্রজয়ন্তীর ঠিক আগের দিন বেশ খোশমেজাজেই ছিলেন পার্থ। এদিন আদালতে ঢোকার আগে একগাল হেসে তিনি আওড়ান সোনার তরী কাব্যগ্রন্থের দুটি লাইন। বলেন, “আমি শুধু একটা কবিতার লাইন বলব। মসী লেপি দিল তবু ছবি ঢাকিল না। অগ্নি দিল তবুও তো গলিল না সোনা”। এদিন পার্থের মুখে শোনা গিয়েছে অভিষেকের ভূয়সী প্রশংসা। অভিষেকের নবজোয়ার কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি (Partha Chatterjee) বলেন, “১০০ শতাংশ সফল এই কর্মসূচি। নবজোয়ারে জনজোয়ার এসেছে”। এর আগেও একবার তিনি বলেছিলেন, “আমি চাই অভিষেক সফল হোক”। এহেন মেজাজে মসী লেপে দিলেন বিক্ষোভকারীরা। পার্থকে এদিনও একবার শুনতে হল ‘চোর, চোর’ স্লোগান।

    পার্থর রবীন্দ্রজয়ন্তীর আনন্দ কি ফিকে হয়ে গেল না?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • The Kerala Story: রাজ্যে নিষিদ্ধ ‘দ্য কেরালা স্টোরি’! ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ‘‘অগণতান্ত্রিক’’, তোপ কেন্দ্রের

    The Kerala Story: রাজ্যে নিষিদ্ধ ‘দ্য কেরালা স্টোরি’! ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ‘‘অগণতান্ত্রিক’’, তোপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) সিনেমাকে। নবান্ন সূত্রে খবর, এই ছবি রাজ্যে কোথাও প্রদর্শন করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় এই ছবির প্রদর্শন হচ্ছে কিনা তা খোঁজ নেওয়ার জন্য মুখ্যসচিবকে ইতিমধ্যে নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কর্নাটকের বল্লেরির জনসভায় দ্য কেরালা স্টোরির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছিলেন, এই ছবি সন্ত্রাসবাদের মুখোশ টেনে খুলবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কেরালার মতোই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এরাজ্যে। জেলায় জেলায় খোঁজ মিলছে আল কায়দার এজেন্টদের। লাভ জেহাদের অভিযোগও আসছে শ’য়ে শ’য়ে। এমনই আবহে তাই কিছু আড়াল করতেই কি মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত? এই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। প্রসঙ্গত, প্রথম তিন দিনেই ৩৫ কোটির ব্যবসা করেছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story)। বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেনের এই ছবি দেখতে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা গিয়েছে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে।

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ?

    বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী সত্যের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছেন, কোনও ভাবে সত্যকে আড়াল করতে চেষ্টা করছেন। যখনই দেশে কোনও রকমের দেশবিরোধী শক্তির বিরোধিতা করা হয়, মুখ্যমন্ত্রী দেশবিরোধী শক্তির পক্ষ নেন। তবে এভাবে সত্যকে আড়াল করা যাবেনা। বেঙ্গল স্টোরিও খুব শীঘ্র আসবে। ’’

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কি সংখ্যালঘু তোষণের কারণেই ছবির প্রদর্শন বন্ধ করলেন?

    সিনেমাতে সন্ত্রাসবাদের মুখোশ খোলা হয়ে থাকলে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর এতে আপত্তি কিসের? এমনটাও বলছেন অনেকে। মুখ্যমন্ত্রী কি কোনও বিশেষ সম্প্রদায়কে বার্তা দিতেই এই ছবির প্রদর্শন বন্ধ করলেন? তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক তোষণের অভিযোগ প্রথম থেকেই। ক্ষমতায় আসার পরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল রাজ্যসভার সদস্য করেছিল আহমেদ হাসান ইমরানকে, যিনি ছিলেন নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন সিমির প্রতিষ্ঠাতা রাজ্য সভাপতি। বিরোধী মহলের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর কি তবে তাঁর দলের এই লবিকে খুশি করতেই এবং ভোট ব্যাংকের কারণেই এই ছবির প্রদর্শন বন্ধ করলেন। 

    আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন প্রযোজক

    মুখ্যমন্ত্রীর এই অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন প্রযোজক বিপুল শাহ এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বললেন।

    প্রতিবাদ জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্তকে অগণতান্ত্রিক বলেন অনুরাগ ঠাকুর। এ প্রসঙ্গে কালিয়াগঞ্জের উদাহরণ টেনে এনে তিনি বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধায়ের রাজ্যে দিনকয়েক আগেই এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়, তারপরেও তাঁর দেহকে পুলিশ যেভাবে টেনে নিয়ে যায়, এটা দেখে সত্যিই কষ্ট হয়।’’

     
     

  • CBI: প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই সিটের প্রধান হলেন কল্যাণ ভট্টাচার্য

    CBI: প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই সিটের প্রধান হলেন কল্যাণ ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রধান ছিলেন এতদিন ধরমবীর সিংহ। সোমবার তাঁকে সরিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট এবং পরিবর্তে দায়িত্ব পেলেন সিবিআই (CBI) আধিকারিক কল্যাণ ভট্টাচার্য, যিনি একজন বাঙালি। প্রসঙ্গত এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি যখন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে চলছিল তখনই সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরতে চেয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিক ধরমবীর সিং। শুধু তাই নয় তিনি সিবিআইয়ের (CBI) চাকরিও ছাড়তে চান বলে আদালতে তখন জানিয়েছিলেন। যদিও তাঁর মতো অভিজ্ঞ গোয়েন্দার চাকরি ছাড়ার কারণ এখনও অবধি সুষ্পষ্ট নয় কারও কাছে। তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। সূত্রের খবর, ধরমবীরবাবু তাঁর এই আর্জি যখন আদালতে জানিয়েছিলেন, তখনই অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, বাঙালি কোনও আধিকারিককে এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের দায়িত্বে আনার বিষয়ে। সম্প্রতি, টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায়, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির মামলা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম নির্দেশে এসেছেন নতুন বিচারপতি। তবে জানা যাচ্ছে, বিচারপতি অমৃতা সিংহের এজলাসেও এই নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত কান্ডের প্রধান থেকে সরে যেতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন ধরমবীর। অন্তত সিবিআইয়ের আইনজীবীরা, সেটাই জানিয়েছেন কোর্টে। আর সেই কারণেই হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্ত বলে জানা যাচ্ছে।

    গত বছর থেকেই চলছে নিয়োগ দুর্নীতি কান্ডে তদন্ত

    প্রসঙ্গত, রাজ্য জুড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কান্ডে একের পর এক গ্রেফতার হয়েছেন শাসক দলের কেষ্টবিষ্টুরা। প্রথম শুরু হয়েছিল গত বছরের জুলাই মাসে পার্থ-অর্পিতা গ্রেফতার হওয়া থেকে, এখনও অবধি সর্বশেষ সংযোজন তৃণমূলের বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহা। অভিজ্ঞমহল বলছে, তদন্তের নির্দেশ যেমন কোর্ট দিয়েছে, তেমনি দ্রুত গতিতে তদন্ত করে যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয়ও দিয়েছে সিবিআই (CBI)। এবার প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তভার গেল এক বাঙালির হাতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Banana in empty stomach: সকালে খালিপেটে কলা খান! জানেন, এতে লাভ হচ্ছে না ক্ষতি?

    Banana in empty stomach: সকালে খালিপেটে কলা খান! জানেন, এতে লাভ হচ্ছে না ক্ষতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুষ্টিবিদরা সবথেকে জোর দেন ব্রেকফাস্টের উপর। সারদিন শরীরকে এনার্জি সাপ্লাই করবে এমন খাবারই রাখতে বলেন তাঁরা ব্রেকফাস্টে। কিন্তু অনেক সময় কিছু সুপারফুডকে ব্রেকফাস্টে এড়িয়ে যেতে বলেন তাঁরা। যেমন কলা। পুষ্টিগুণের দিক থেকে কলা অনেক উপকারী। কলাতে থাকে ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো পুষ্টি। তাছাড়া কলার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন বি, ভিটামিন বি৬ রয়েছে। এটি পেশি গঠনে এবং রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা গড়ে তোলার কাজে দারুণ সাহায্য করে।  কিন্তু খালিপেটে কলা (Banana in empty stomach) অনেক বিপদ ডেকে আনতে পারে, এমনটাই মত পুষ্টিবিদদের।

    কেন খালি পেটে কলা (Banana in empty stomach) খাবেন না?

     
    ১) খালি পেটে কলা (Banana in empty stomach) হার্টের ক্ষতি করে

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কলার মধ্যে উচ্চ পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে, তাই এটি খালি পেটে খেলে বিপাক ক্রিয়ার উপর প্রভাব পড়তে পারে। হজমের গোলযোগও দেখা দিতে পারে। অনেক সময় হার্টেরও ক্ষতি হয়।

    ২) ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়

    চিকিৎসকরা বলছেন, কলায় পুষ্টির পাশাপাশি শর্করাও রয়েছে। খালি পেটে কলা (Banana in empty stomach) খেলে এটি হঠাৎ করেই রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এটা ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য মোটেও ভাল বিষয় নয়। 

    ৩) খালি পেটে কলা (Banana in empty stomach) কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ায়

    যদিও কলা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও কমে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন খালি পেটে কলা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা উল্টে বেড়ে যেতে পারে। তাই খালি পেটে কলা না খাওয়াই ভাল।

    ৪) শরীর ক্লান্ত হয়ে যেতে পারে

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কলা খেলে দীর্ঘক্ষণ খিদে পায় না। কলা খেলে তাৎক্ষণিক শক্তি বৃদ্ধি তো ঘটে কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেটা কমেও যায়। সুতরাং, দীর্ঘক্ষণ কিছু না খেলে শরীর ক্লান্ত হয়ে যেতে পারে।

    ৫) ব্রেকফাস্টে কলা খাবেন, তবে কিছু খাওয়ার পরে

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কলা ব্রেকফার্সে খাওয়া যেতে পারে, তবে কিছু খেয়ে। প্রথমেই কলা খেতে নিষেধ করছেন পুষ্টিবিদরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rabindranath Tagore: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শশীভিলাকে হেরিটেজ ঘোষণার দাবি

    Rabindranath Tagore: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শশীভিলাকে হেরিটেজ ঘোষণার দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) স্মৃতি বিজড়িত বরানগরের শশীভিলা চরম অবহেলায় অনাদরে পড়ে রয়েছে। প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ এই বাড়িতে দীর্ঘদিন বসবাস করতেন। এখানেই ঘটা করে বিশ্বকবির দু-দুবার জন্মদিন পালন করা হয়েছিল। একসময়ের প্রচারের আলোয় ছিল এই বাড়ি। কিন্তু, জাতীয় সংগীতের স্রষ্টার স্মৃতি বিজড়িত এই বাড়িটি সংস্কার করার বিষয়ে কোনও হেলদোল নেই। ফলে, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বাড়িটি এখন ভেঙে ভেঙে পড়ছে। ২৫ বৈশাখ কবিগুরুর (Rabindranath Tagore) ১৬৩ তম জন্মদিবস। তার আগেই এই বাড়িটিকে হেরিটেজ ঘোষণা করার দাবি জানিয়ে সোমবার হেরিটেজ কমিশনের কাছে লিখিত আবেদন জানাল বরানগর নাগরিক প্রতিরোধ মঞ্চের সদস্যরা।

    বিশ্বকবির (Rabindranath Tagore) দুবার জন্মদিন পালিত হয়েছিল এই শশীভিলাতে

    বরানগরের গোপাললাল ঠাকুর রোডে এই বাড়িটি রয়েছে। বাড়িটির ভিতরে মূক ও বধিরদের একটি স্কুল রয়েছে। বাড়ির সংলগ্ন সুন্দর বাগানও ছিল। এই বাড়িতে ১৯৩১ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত এই বাড়িটি ভাড়া নিয়ে প্রশান্তচন্দ্র মহালানবীশ বসবাস করতেন। মহালানবীশের বিভিন্ন লেখাতেই এই বাড়ির বর্ণনা রয়েছে। বিশ্বকবির (Rabindranath Tagore) এই বাড়িতে থাকার কথাও তিনি তাঁর লেখায় তুলে ধরেছেন। প্রশান্তবাবু এক জায়গায় লিখেছেন, বরানগরের এই বাড়িতেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) থাকতেন খুব ছোট একটি কোণের ঘরে। সামনে একটি বড় জানলা দিয়ে পূর্ব-দক্ষিণ কোণে দেখা যেত পুকুর ঘাট, আম, সুপুরির বাগান। ছোট কোণের ওই ঘরটার নাম দিয়েছিলেন নেত্রকোণা। এই ঘরে লেখার টেবিল রাখতেন জানলার কাছে থেকে সরিয়ে এক কোণে। দুপাশে দেওয়াল রয়েছে, সামনে কিছু দেখা যায় না, এমন জায়গায় টেবিলটি রাখা হত। কবি বলতেন, খোলা জানলার কাছে বসলে আমার আর লেখা হবে না। আমার মন ঘুরে বেড়াবে বাইরে দূরে। যখন কাজকর্ম শেষ হয়ে যেত, তখন জানলার সামনে ইজিচেয়ারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাইরের দিকে তিনি তাকিয়ে থাকতেন। এই বাড়িতেই বিশ্বকবি স্নান সমাপন, নীহারিকা, মাতা, দ্বৈত, শেষ প্রহরে সহ বেশ কিছু কবিতা লিখেছিলেন। কবির ৭০ তম এবং ৭৫ তম জন্মবার্ষিকী উত্সব এই বাড়িতেই পালিত হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানের প্রচুর অতিথি এই বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন।

    কী বললেন নাগরিক মঞ্চের সদস্য?

    এখন এই বাড়ির হাল অত্যন্ত বেহাল। বিল্ডিংয়ের পলেস্তারা খসে খসে পড়ছে। এই বাড়ির ইতিহাস না জানলে এটা পৌরবাড়ি ছাড়া কিছু মনে হবে না। বরানগর নাগরিক প্রতিরোধ মঞ্চের পক্ষ থেকে এই বাড়িটিকে হেরিটেজ করার বিষয়ে উদ্যোগী হয়। নাগরিক মঞ্চের সদস্য তথা বরানগর রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তন শিক্ষক দীনেশচন্দ্র ভট্টাচার্য বলেন, শশীভিলাকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। কোনও সরকারই এই বাড়িটিতে হেরিটেজ ঘোষণার বিষয়ে উদ্যোগ নেয়নি। আমরা এর আগে বরানগরের সমস্ত স্তরের মানুষের কাছে গণস্বাক্ষর করেছিলাম। এবার হেরিটেজ কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন জানালাম। শশীভিলাকে হেরিটেজ করার জন্য আমরা সবরকমের আন্দোলন করতে প্রস্তুত।

    কী বললেন হেরিটেজ কমিশনের সেক্রেটারি?

    হেরিটেজ কমিশনের সেক্রেটারি অম্লানজ্যোতি সাহা বলেন, এই প্রথম কেউ ওই বাড়িটি হেরিটেজ করার দাবি জানিয়ে আমাদের কাছে আবেদন করেছে। আমরা তাদের দাবির বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে দেখব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Republic Day 2024: নারী শক্তির জয়! ২০২৪ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে কি শুধুই মেয়েরা?

    Republic Day 2024: নারী শক্তির জয়! ২০২৪ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে কি শুধুই মেয়েরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2024) কুচকাওয়াজ থেকে ট্যাবলো— গোটা শোভাযাত্রায় শুধুমাত্র মহিলাদের দেখা যেতে পারে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক  (Ministry of Home Affairs India)এমনই চিন্তা-ভাবনা করছে বলে সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর। সরকারি সূত্রের দাবি, ২০২৪ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসে শুধুমাত্র মহিলাদের অংশগ্রহণের প্রস্তাব দিয়ে একটি অফিস মেমো জারি করেছে মন্ত্রক। যদিও তা এখনও পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে। বিষয়টি সেনা-সহ স্বরাষ্ট্র, সংস্কৃতি এবং নগরোন্নয়ন মন্ত্রককে জানানো হয়েছে।

    কুচকাওয়াজ থেকে ট্যাবলো শুধুমাত্র মহিলা

    সম্প্রতি প্রতিরক্ষা বাহিনীতে মহিলাদের জন্য সুযোগ-সুবিধা অনেক বেড়েছে। পাশাপাশি, মহিলাদের আগের চেয়ে অনেক বেশি উচ্চপদে দায়িত্বও দেওয়া হচ্ছে। সেই ধারা মেনেই গত মাসে জারি করা এক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলেছে ২০২৪ সালে কর্তব্যপথে প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) কুচকাওয়াজ থেকে ট্যাবলো, মার্চিং, ব্যান্ড বিভিন্ন ক্ষেত্রে শুধু মহিলারাই অংশ নেবেন। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে মহিলা পুরুষ উভয় অংশ নিয়ে থাকে। এত দিন দেখেছি পুরুষদের পাশাপাশি কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দিয়েছেন মহিলারা। আবার যুদ্ধবিমানও উড়িয়েছেন। কখনও আবার নানা ধরনের স্টান্টও দেখিয়েছেন প্রমীলা বাহিনী। আগামী বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজধানীর রাজপথে অন্য ভাবে পালন করা হবে। সেখানে নারীশক্তিকে উৎযাপিত করতেই কুচকাওয়াজ থেকে ট্যাবলো প্যারেডে শুধুমাত্র মহিলাদের দেখা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনার নজরদারি! ভারতের আকাশে প্রায় ১০ মিনিট রইল পাক বিমান, কেন জানেন?

    সেনায় নারী শক্তির অবদান আরও বাড়াতে লিঙ্গবৈষম্যের প্রাচীর ভেঙে ফেলারই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। ২০১৫ সালে প্রথম বার সেনার ৩টি বিভাগেই শুধুমাত্র মহিলারা কুচকাওয়াজ করেছেন। ২০১৯ সালে প্রথম মহিলা আধিকারিক হিসাবে ডেয়ারডেভিল দলের হয়ে বাইকের স্টান্ট দেখিয়েছেন ক্যাপ্টেন শিখা সুরভী। পরের বছর পুরুষে সেনাদের কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্যাপ্টেন তানিয়া শেরগিল। ২০২১ সালে ফ্লাইট লেফ্টেন্যান্ট ভাবনা কান্তই ছিলেন প্রথম মহিলা ফাইটার, যিনি কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করেন। এবার নারী শক্তির নয়া নজিরের সামনে কর্তব্যপথ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “রাজ্যে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হলে রাজ্যপাল বসে থাকবেন না”, বললেন আনন্দ বোস

    CV Ananda Bose: “রাজ্যে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হলে রাজ্যপাল বসে থাকবেন না”, বললেন আনন্দ বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাজ্যে আইনগত বা সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হলে একজন রাজ্যপাল শেক্সপিয়রের (Shakespeare) হ্যামলেটের মতো ‘টু বি অর নট টু বি’-র সংশয় নিয়ে বসে থাকবেন না। কারণ, শিক্ষা আমাদের এটাই শেখায়”। সোমবার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন-নবান্ন সম্পর্কে যখন ফাটল ধরেছে, তখন রাজ্যপালের এহেন মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। রাজ্যপাল বলেন, শিক্ষায় বাংলা পথ দেখাবে। বাংলার ছেলেরা সারা বিশ্বে দাপিয়ে বেড়াবে। তিনি বলেন, “শিক্ষা যেন শুধু খাতা-বইয়ের মধ্যে আবদ্ধ না থাকে, সেদিকে নজর দিতে হবে। তার মাধ্যমে যাতে কর্মসংস্থান হয়, তাও খেয়াল রাখতে হবে সব পক্ষকে”।

    রাজ্যের শিক্ষা নিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)?

    কেন্দ্রের নয়া শিক্ষানীতির ভূয়সী প্রশংসাও শোনা গিয়েছে রাজ্যপালের মুখে। তিনি বলেন, এই নয়া শিক্ষানীতি দেশের ছাত্র সমাজকে নতুন দিশা দেখাবে। বাংলার শিক্ষার প্রশংসা করে তিনি বলেন, একদিন বাংলা শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বকে পথ দেখাবে। প্রসঙ্গত, এর আগেও বিভিন্ন সময় বাংলার শিক্ষা যে সেরা, তা বলেছিলেন রাজ্যপাল। জগদীপ ধনখড় রাজভবন ছেড়ে যাওয়ার পর আসেন সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তার পর থেকে রাজভবন-নবান্নর মধ্যে সমন্বয়ের ইঙ্গিত মিলেছিল। সরস্বতী পুজোর দিন রাজভবনে হয় হাতেখড়ির অনুষ্ঠান। ওই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলা লেখা শুরু করেছিলেন রাজ্যপাল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি তাঁর যে গভীর অনুরাগ রয়েছে, তা বহু বার বলেছেন রাজ্যপাল। রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সংঘাত বাঁধে রাজভবন-নবান্নর। বাড়তে থাকে দূরত্বও।

    আরও পড়ুুন: “তদন্তে সহযোগিতা করতে অভিষেকের সমস্যা কোথায়?” প্রশ্ন হাইকোর্টের

    এহ বাহ্য। কিছুদিন আগে রাজভবনের তরফে রাজ্যকে চিঠি পাঠিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির গতিবিধি এবং আর্থিক লেনদেনের হিসাব চাওয়া হয়। তা নিয়ে ফের একপ্রস্ত ক্ষোভ প্রকাশ করে নবান্ন। দিন কয়েক সারপ্রাইজ ভিজিটে বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। তাঁকে মত্ত হস্তীর সঙ্গে তুলনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়োগ সংক্রান্ত বিলটি রাজভবনে আটকে রয়েছে বেশ কয়েক মাস। তা নিয়েও রাজভবন-নবান্ন হয় মনান্তর। এহেন প্রেক্ষাপটে এদিনের সমাবর্তনে রাজ্যপালের দৃপ্ত ঘোষণা, “রাজ্যে আইনগত বা সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হলে একজন রাজ্যপাল শেক্সপিয়রের হ্যামলেটের মতো টু বি অর নট টু বি-র সংশয় নিয়ে বসে থাকবেন না”।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী অবশেষে থানায় গিয়ে হাজিরা দিলেন

    TMC: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী অবশেষে থানায় গিয়ে হাজিরা দিলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল (TMC) নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তী অবশেষে পুলিশের কাছে হাজিরা দিলেন। ৩ মে পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই সোমবার তিনি সাইবার ক্রাইম থানায় গিয়ে হাজিরা দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সাড়ে দশটা নাগাদ তিনি সাইবার থানায় আসেন। ডিএসপি পদমর্যাদার এক পুলিশ আধিকারিক তাঁকে আধ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার রাহুল দে বলেন, তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে কিছু বলা যাবে না।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে তিন আদিবাসী মহিলা দণ্ডি কেটে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে (TMC) যোগ দেন। দণ্ডি কাটার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রদীপ্তা চক্রবর্তী নামে ওই নেত্রী বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। প্রদীপ্তাকে মহিলার জেলা সভানেত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকী গত ২ মে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দক্ষিণ দিনাজপুরে এসে আদিবাসী তিন মহিলার সঙ্গে দেখা করে ঘোষণা করেছিলেন যে দণ্ডিকাণ্ডে যতবড়ই নেতানেত্রী জড়িত থাকুক না কেন তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় ও প্রশাসনিকগত ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিষেকের হুঁশিয়ারির পরই প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারিত করা হয়। তৃণমূলের (TMC) সেকেন্ড ইন কমান্ড এর ঘোষণার পরদিন ৩ মে দণ্ডি মামলায় প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে সাত দিনের মধ্যে হাজিরার নোটিশ পাঠায় পুলিশ। সেই নির্দেশ মেনে এদিন তিনি হাজিরা দিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলার সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। ঘটনার পর পরই তাঁর বিরুদ্ধে দলগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়াও চলছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, দণ্ডিকাণ্ডের মতো অমানবিক ঘটনায় মূল অভিযুক্ত প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে গ্রেফতারের দাবিতে বিজেপি সহ বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন আন্দোলনে নেমেছিল। এদিন অভিযুক্তকে শুধু জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এসব লোক দেখানো নাটক না করে দণ্ডিকাণ্ডে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে। তার গ্রেফতারের দাবিতে আগামীতে বিজেপি আবার আন্দোলনে নামবে বলে জানান তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Air Force: বায়ুসেনার নজরদারি! ভারতের আকাশে প্রায় ১০ মিনিট রইল পাক বিমান, কেন জানেন?

    Air Force: বায়ুসেনার নজরদারি! ভারতের আকাশে প্রায় ১০ মিনিট রইল পাক বিমান, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আকাশসীমায় পাকিস্তান এয়ারলাইন্সের বিমানকে (Pakistan Plane) ঢুকে পড়তে দেখেই তৎপর হয়ে উঠল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। পাঞ্জাবের উপর চক্কর কাটছিল বিমানটি। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, খারাপ আবহাওয়ার কারণেই ভারতীয় আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছিল ওই যাত্রীবাহী পাক বিমানটি। ১০ মিনিটের বেশি সময় বিমানটি পাঞ্জাবের আকাশে ছিল। 

    বায়ুসেনার নজরদারি

    রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৪ মে পাকিস্তানি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের ১৬ বছর পুরোনো বোয়িং ৭৭৭ ভারতীয় আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছিল। লাহোরে অবতরণ করতে না পেরে ট্রাফিক কন্ট্রোলের নির্দেশেই সেই বিমানটি ঘুরে ফের পাকিস্তানে প্রবেশ করে। সেই সময় সেটি ভারতীয় আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল। রাতের অন্ধকারে পাঞ্জাবের বেশ কিছু জায়গার ওপর দিয়ে উড়ে গিয়েছিল বিমানটি। জানা গিয়েছে, পিকে-২৪৮ উড়ানটি ওমানের মাসকাট থেকে টেকঅফ করেছিল লাহোরের উদ্দেশে। তবে অবতরণের সময় লাহোরের আল্লামা ইকবাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আবহাওয়া খারাপ ছিল। এই আবহে বিমানটি অবতরণ করতে পারছিল না। এই আবহে দিল্লি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বিষয়টি নিয়ে অবগত হয়। লাহোরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে সমন্বয়ে বিমানটির যাত্রাপথ নিয়ন্ত্রণ করে দিল্লি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল।

    আরও পড়ুন: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘৪২০’ বলে কেন কটাক্ষ করলেন সুকান্ত মজুমদার?

    খারাপ আবাহাওয়া দায়ী

    পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের সব বিমানের ভারতীয় আকাশসীমার উপর দিয়ে ওড়ার অনুমতি নেই। কয়েকটির আছে। পাকিস্তান থেকে কুয়ালালামপুর ও ব্যাঙ্ককগামী বিমানগুলি ভারতীয় আকাশসীমার উপর দিয়েই যায়। তাই এই বিমানটি রুট বদল করে ভারতে ঢোকার পর থেকেই লাগাতার বায়ুসেনার নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। পরে আবহাওয়ার পরিস্থিতি ঠিক হলে বিমানটি ফিরে যায় লাহোরে। ফ্লাইট রাডার 24-এ একটি ট্র্যাকার অ্যাপ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘটনার দিন রাত প্রায় সাড়ে ৮ টার কিছু পরে পাক বিমানটি পাঞ্জাবের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। তারপর সেটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে মোড় নিয়ে পাক আকাশসীমায় প্রবেশের আগে তারন তারান উপর দিয়ে গিয়ে উড়ে যায়। পরে রুট বদল করে পাক বিমানটি লাহোরের পরিবর্তে মুলতান বিমানবন্দরে অবতরণ করে বলে জানা গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ময়নায় বিজেপি কর্মী খুনে নতুন করে আরও তিনজন গ্রেফতার, মোট কতজন গ্রেফতার জানেন?

    BJP: ময়নায় বিজেপি কর্মী খুনে নতুন করে আরও তিনজন গ্রেফতার, মোট কতজন গ্রেফতার জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়নায় বিজেপি (BJP) নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়া খুনে নতুন করে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এই খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রবিবার রাতে শ্যামপদ মণ্ডল, সাগর মণ্ডল এবং মধুসূদন সাহুকে গ্রেফতার করা হয়। আর আগে এই খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মিলন ভৌমিক, নন্দন মণ্ডল, সুজয় মণ্ডলসহ মোট চারজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় মোট সাতজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

    ধৃতদের কোথা থেকে গ্রেফতার করা হল?

    কয়েকদিন আগে বিজেপি (BJP) নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে স্ত্রী, সন্তানের সামনে অপহরণ করে তুলে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। ৩৪ জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে বন্‌ধ, প্রতিবাদ মিছিল করে বিজেপি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত তিনজনের বাড়ি ময়না থানার বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার গোড়ামহল গ্রামে। তারা এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর থেকে তারা কেউ এলাকায় ছিল না। হলদিয়া এলাকায় গা ঢাকা দিয়েছিল। হলদিয়ার ভবানীচক এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে বাগচায় একটি ইটভাটাতে দুজন অভিযুক্ত লুকিয়ে ছিল। পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে তাদের গ্রেফতার করে। এদিকে, পটাশপুরের তৃণমূল বিধায়ক উত্তম বারিকের নেতৃত্বে ৩৩ জন বিজেপি কর্মীর নামে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বিজেপি কর্মী খুনের পর পরই বেশ কয়েকটি তৃণমূল কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর হয়। তৃণমূলের অভিযোগ, দলীয় কর্মী খুনের পর বিজেপি এই হামলা চালিয়েছিল। সেই ঘটনার সূত্র ধরেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।

    গ্রেফতারি নিয়ে কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি আশিস মণ্ডল বলেন, দোষীদের গ্রেফতারে টালবাহানা করছে পুলিশ। এই খুনের পিছনে মূল যারা ষড়যন্ত্রকারী রয়েছে, তাদের ধরার বিষয়ে পুলিশের কোনও হেলদোল নেই। আমাদের দাবি, মূল ষড়যন্ত্রকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। আর বিচার ব্যবস্থার প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এই খুনের ঘটনার এনআইএ বা সিবিআই তদন্ত হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share