Imran Khan: তোষাখানা মামলায় জামিন, সাইফারে ফের গ্রেফতার ইমরান খান

imran_khan

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামিনে মুক্তি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের গ্রেফতার পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। তোষাখানা মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন ইমরান। নিম্ন আদালতের রায়ে তিন বছর কারাদণ্ড হয় তাঁর। নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার সকালে মেলে জামিন। এর পরেই ফের গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

সাইফার মামলা 

এবার ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়েছে সাইফার (গোপন খবরের সাংকেতিক রূপ) মামলায়। সোমবারই জেলে গিয়ে সাইফার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীকে। সেই সময়ই সংবাদ মাধ্যমের একাংশ জানিয়ে দিয়েছিল, সাইফার মামলায় গ্রেফতার হতে পারেন ইমরান। হলও তাই। মঙ্গলবার সকালে তোষাখানা মামলায় জামিন পাওয়ার পরে পরেই ফের গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। পাকিস্তান পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অফিসিয়াল গোপনীয়তা আইনের ভিত্তিতে সাইফার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ইমরানকে।

অ্যাটক জেলা জেলে বন্দি 

বুধবার তাঁকে পেশ করা হবে আদালতে। তার আগে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ সুপ্রিমোকে বন্দি থাকতে হবে অ্যাটক জেলা জেলে। ১৯ অগাস্ট এই জেলে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল ইমরানকে (Imran Khan)। মঙ্গলবার ইসলামাবাদ হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়। প্রত্যাশিতভাবেই জামিন হয়ে যায় প্রাক্তন ক্রিকেটার কাম রাজনীতিক ইমরানের। এরই কিছুক্ষণ পরে সাইফার মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

আরও পড়ুুন: উৎসবের মুখে মোদি সরকারের ‘উপহার’, ২০০ টাকা কমছে রান্নার গ্যাসের দাম

এদিকে, এদিন পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কড়া সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তাঁর অভিযোগ, প্রধান বিচারপতি উমর আটা বান্দিয়াল ইমরানের পক্ষ নিয়েছেন। তোষাখানা মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ে যে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে, তার প্রেক্ষিতেই এমন মন্তব্য করছেন শেহবাজ। ঘটনাটিকে তিনি পাকিস্তানের ইতিহাসে ‘কালো অধ্যায়’ বলেও অভিহিত করেন। প্রধান বিচারপতিকে বিদ্রুপ করে শেহবাজ বলেন, “পছন্দের মানুষটির (Imran Khan) কারাদণ্ডের সাজায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে, কারাদণ্ডের মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। প্রধান বিচারপতির বার্তা, ‘আপনার সঙ্গে দেখা হবে’, ‘আপনার সৌভাগ্য কামনা করি’। যদি প্রত্যেকেই আগাম জেনে যায় আদালত কী রায় দিতে চলেছে, তাহলে তা বিচার ব্যবস্থার পক্ষে উদ্বেগের।”

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share