Panchayat elections 2023: নির্বাচনোত্তর সন্ত্রাস খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে বিজেপির ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি

nadda

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনোত্তর (Panchayat elections 2023) সন্ত্রাসের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গড়ল বিজেপি (BJP)। মঙ্গলবার চার সদস্যের ওই কমিটির সদস্যরা আসছেন রাজ্যে। কমিটিতে রয়েছেন সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ, মুম্বই পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার তথা সাংসদ সত্যপাল সিংহ, সাংসদ রাজদীপ রায় এবং বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি তথা সাংসদ রেখা বর্মা। রাজ্যের সন্ত্রাস-বিধ্বস্ত এলাকাগুলি ঘুরে দেখবেন ওই দলের সদস্যরা। ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গড়ায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

এদিকে, রবিবার রাতেই দিল্লি উড়ে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সোমবার তিনি দেখা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat elections 2023) হিংসার যে ছবি তিনি চাক্ষুষ করেছেন এবং যেসব অভিযোগ পেয়েছেন, সেগুলি নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। রাজভবন সূত্রে খবর, পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার যে ছবি সন্ত্রাস-বিধ্বস্ত এলাকায় গিয়ে দেখেছেন, তার একটি রিপোর্ট প্রস্তুত করেছেন রাজ্যপাল। সেই রিপোর্টই তুলে দেওয়া হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে।

রক্তের হোলি খেলা

প্রসঙ্গত, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে রক্তের হোলি খেলা। সেদিনই মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে রাজনৈতিক হিংসার বলি হন এক কংগ্রেস কর্মী। তার পর থেকে রাজ্যে একে একে ঝরে গিয়েছে ৩২টি তাজা প্রাণ। এর মধ্যে কেবল নির্বাচনের দিনই খুন হয়েছেন ১৯ জন। এঁদের মধ্যে একজন ভোটারও রয়েছেন।

এহ বাহ্য। গণতন্ত্রের (Panchayat elections 2023) উৎসবে ভাঙচুর করা হয়েছে ব্যালট বাক্স। ছিঁড়ে, পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যম হাজার হাজার ব্যালট পেপার। কোথাও আবার ব্যালট বাক্স তুলে নিয়ে গিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে জলাশয়ে। গণতন্ত্রের উৎসবের আগে পরে এহেন কিছু ছবিই রাজ্যপাল তুলে ধরবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। খুনের রাজনীতিতে রাজ্যপাল যে যারপরনাই ব্যথিত, তার প্রমাণ মিলেছে নানা সময়।

আরও পড়ুুন: পেটে লাথি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তাল খানাকুল

এদিনও সংবাদ মাধ্যমকে রাজ্যপাল বলেন, “একটা জিনিস আমি লক্ষ্য করেছি, সেটা হল যাঁরা খুন হয়েছেন তাঁরা গরিব মানুষ, যারা খুন করেছে তারাও গরিব। আমাদের দারিদ্রকে হত্যা করা উচিত। তার বদলে আমরা খুন করছি দরিদ্রদের। বাংলা এর যোগ্য নয়।”

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

 
 
Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share