Phula Soren: শৈশবে মাকে হারিয়েছেন জন্মান্ধ ফুলা সোরেন, এখন ক্রিকেটের অধিনায়িকা, জানুন সাফল্যের কথা

Phula_Soren

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মান্ধ তরুণী, ছোট্ট বেলা থেকেই মাকে হারিয়েছেন। সকল প্রতিবন্ধকতাকে (Blind Cricketer) উপেক্ষা করে ক্রিকেট খেলাই ফুলা সরেনকে জীবনের সাফল্যের দিকে নিয়ে গিয়েছে। শারীরিক বাধা মনের জোরকে কোনও দিন থামিয়ে রাখতে পারেনি। আজ তিনি ভারতের অন্ধ ক্রিকেট দলের সহ-অধিনায়িকা। একজন নারী হয়ে কীভাবে জীবনকে সাফল্যের দিকে নিয়ে গিয়েছেন, আসুন জেনে নিই সেই ফুলা সোরেনের (Phula Soren) গল্প কথা।

খুব অল্প বয়সেই নিজের মাকে হারিয়েছিলেন (Phula Soren)!

ফুলা সোরেনের (Phula Soren) দৃষ্টিশক্তি ছোট বেলা থেকেই হারিয়ে গিয়েছিল। তাঁর বয়স তখন মাত্র ১৭। ওড়িশার সালাবানি শান্ত গ্রামে একটি অল্পবয়সী মেয়ে ধূলাময় মাঠে দাঁড়িয়ে প্রথমবারের জন্য ক্রিকেট ব্যাট (Blind Cricketer) ধরেছিলেন। বলের ভিতরের শব্দে তাঁর গতিবিধি পরিচালিত হচ্ছিল। নিজের ইন্দ্রিয় দিয়ে সেই সজাগ দৃষ্টিকে নিরীক্ষণ করে খেলাকে করায়ত্ত করেছিলেন তিনি। তাঁর শৈশব জীবন কেটেছিল আরও কষ্টে, খুব অল্প বয়সেই নিজের মাকে হারিয়েছিলেন। কিন্তু তবুই ক্রিকেটের আনন্দ এবং সাফল্য তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। একটি খেলা যে তাঁকে এত বড় সাফল্যের দিকে নিয়ে যাবে তা কল্পনাতীত ছিল। জীবনের চেহারা একে বারে বদলে দিয়েছে।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by The Better India (@thebetterindia)

মাঠে ঘন্টার পর ঘন্টা অনুশীলন করতেন

ক্রিকেট খেলা দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের (Blind Cricketer) জন্য এক প্রকার চ্যালেঞ্জ স্বরূপ হয়ে থাকে। এই খেলাকে নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষা হিসেবে গ্রহণ করেন ফুলা (Phula Soren)। এই ক্রিকেট খেলা ব্যাটের সুইং, বলের শব্দ, স্পর্শ ইত্যাদি নানা মাত্রার উপর নির্ভর করে খেলা হয়ে থাকে। তবে দৃষ্টিহীনরা এই খেলাকে বেশ কয়েকটি ধাপে ধাপে শিক্ষণ করে থাকেন। মাঠে ঘন্টার পর ঘন্টা অনুশীলন করে পারদর্শী হয়ে উঠেছিলেন ফুলা। এরপর সর্ব ভারতীয় অন্ধ মহিলা টিমে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: ‘‘ভাষা নিয়ে আরও সংযত হোন’’, মানচিত্র বিতর্কে বাংলাদেশকে সতর্ক করল দিল্লি

দেশের জন্য স্বর্ণপদক নিয়ে এসে ছিলেন

ফুলা (Blind Cricketer) গৌরবের সঙ্গে দলের সহ-অধিনায়িকার দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৩ সালে, তিনি বার্মিংহামে আইবিএসএ ওয়ার্ল্ড গেমসে ঐতিহাসিক স্বর্ণপদক নিয়ে এসেছিলেন। যেখানে তাঁরা ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করেছিলেন। এটি ছিল অত্যন্ত গর্বের একটি মুহূর্ত, কারণ ভারত এই ইভেন্টে প্রথমবারের মতো মহিলাদের অন্ধ ক্রিকেটে সোনা জিতেছিল৷ ফুলার অবদান ছিল মুখ্য, তাঁর দক্ষতা এবং নেতৃত্ব ছিল অসামান্য।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share