PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক প্রধানমন্ত্রী মোদির

Narendra_Modi

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তপ্ত পশ্চিম এশিয়া (West Asia Crisis)। গাজায় ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের মধ্যে সংঘাতের জেরে গত এক বছর ধরে অশান্ত এই অঞ্চল। ইজরায়েল-লেবানন সংঘাত তাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তার ওপর, ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনাচ্ছে পশ্চিম এশিয়ার আকাশে। এর প্রভাব পড়ছে ওই অঞ্চলের বাণিজ্যের ওপর। মূলত ভারতে তেল আমদানি-রফতানির উপর। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত জরুরি বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

বৈঠকে থাকছেন কারা

পশ্চিম এশিয়ার চলতি নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বুধবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে যুযুধান সব পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এদিনের বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির সদস্যদের। নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ছাড়াও রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল।

আরও পড়ুন: ধ্রুপদী ভাষার তকমা পেল বাংলা, আপামর বাঙালিকে পুজোর উপহার মোদি মন্ত্রিসভার

কেন চিন্তা

বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সম্প্রতি যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, ‘‘পশ্চিম এশিয়ায় (West Asia Crisis) ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তার সঙ্কট নিয়ে আমরা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের অনুরোধ করছি। এই সংঘাত যেন বৃহত্তর এলাকায় ছড়িয়ে না পড়ে, সেটা দেখতে হবে। আমাদের অনুরোধ, সমস্ত সমস্যা আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করা হোক।’’ দিল্লির মতে, একটি সংঘাত শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলিকে প্রভাবিত করে না, এটি পুরো অঞ্চল, এমনকী বিশ্বের ওপরও প্রভাব ফেলে।

ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে লোহিত সাগর এবং এডেন প্রণালী (গালফ অব এডেন) রুটে বাণিজ্য বিঘ্নিত হচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরে ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়া এই অঞ্চলে বিশ্ব বাণিজ্য ব্যাহত করতে শুরু করে। শুধু ভারতেই এর ফলে পেট্রোলিয়াম রফতানি ৩৭.৫৬ শতাংশ কমে গেছে, যা গত বছর একই মাসে ৯.৫৪ বিলিয়ন ডলার থেকে এ বছরের আগস্টে ৫.৯৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। এখন আবার, ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধের জেরে দেশের জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে। দাম বাড়তে পারে তেলের। সমুদ্র পথে বাণিজ্য সুনিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share