মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। এবার তৃণমুল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের সামনেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূলেরই দুই গোষ্ঠীর নেতা কর্মীরা। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের (Arambagh) খানাকুলে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে।
ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খানাকুল-১ তৃণমূল ব্লক সভাপতি বনাম পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতির অনুগামীদের দ্বন্দ্বের জেরে বারবার অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে জেলা থেকে রাজ্য নেতৃত্বকে। বৃহস্পতিবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় বলে কর্মীসভায়। দলীয় কর্মসূচিতে খানাকুলে যোগ দেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার,আরামবাগ (Arambagh) সাংসদ অপরুপা পোদ্দার। আর সেখানেই রাজ্য নেতৃত্বের সামনে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এক গোষ্ঠীর লোকজন অপর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও দলবিরোধীর অভিযোগ তুলে সরব হন। মিটিংয়ের মধ্যে তুমুল বচসা হয়। পরে, রাজ্য নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এই ঘটনায় আবারও অস্বস্তিতে পড়ল আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্য নেতৃত্ব চরম অস্বস্তিতে পড়ে যায়।
তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?
খানাকুল ১ নং ব্লকের যুব তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি মাসাদুল মল্লিকের অভিযোগ, পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি নঈমূল হক নিজের ইচ্ছামত কাজ করছে। টাকার বিনিময়ে কর্মাধ্যক্ষ বন্টন করেছে। পাশাপাশি কখনও তৃণমূল আবার কখনো বিজেপিতে যোগ দিয়ে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। যদিও পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তৃণমূলের রাজ্য নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, কোনও বিশৃঙ্খলা হয়নি। অল্প বাকবিতন্ডা হয়েছে।
বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?
যদি এই ঘটনায় আরামবাগ (Arambagh) সংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, যখন জয়প্রকাশবাবু নির্বাচনের লড়াই করেছিলেন তখন তাঁর পিছনে লাথিটা মেরেছিল তৃণমূল। এই দলটার থেকে এর থেকে বেশি কিছু আশা করা যায় না। কাটমানি,কোন্দল নিয়ে তৃণমূল।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply