মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার ঝাঁটিপাহাড়িতে পঞ্চায়েতের তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের নির্বাচনী সভায় লাগল কালিয়াগঞ্জের রাজবংশী কিশোরী ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার আঁচ। প্রকাশ্য জনসভায় সকলের সামনে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এক গৃহবধূ। যা দেখে সভায় উপস্থিত হওয়া কর্মী, সমর্থকরা হতবাক হয়ে যান। পরে, স্থানীয় নেতৃত্ব পরিস্থিতি সামাল দেন।
ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?
শুক্রবার বাঁকুড়ার ঝাঁটিপাহাড়িতে নির্বাচনী প্রচার সভায় বক্তব্য রাখছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) রাজ্য সম্পাদিকা সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় আচমকা সংঘমিত্রা অধিকারী নামে এক গৃহবধূ সন্তান কোলে নিয়ে জনসভায় হাজির হবন। তিনি নিজেকে রাজবংশী হিসেবে পরিচয় দিয়ে কালিয়াগঞ্জ কাণ্ডের বিচার চেয়ে সায়ন্তিকার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছোঁড়েন, তিনি বলেন, দোষীরা যেন শাস্তি পায়। সেই বার্তা মুখ্যমন্ত্রীকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সায়ন্তিকার কাছে তিনি আর্জিও জানান। সায়ন্তিকা নির্বাচনী বক্তব্য থামিয়ে ওই গৃহবধূকে এই ঘটনায় সুবিচারের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। রাজবংশী ওই গৃহবধূ তবুও থামেননি।আরও জোর গলায় ছেড়ে তিনি তাঁর দাবিতে সরব হন। এই সময় ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন তৃণমূল কংগ্রেসের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার মহিলা সভানেত্রী তথা ছাতনার জেলা পরিষদ প্রার্থী বিশ্বরূপা সেনগুপ্ত। তিনি সেই গৃহবধূর কাছে গিয়ে এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। তাঁকে অনেক বুঝিয়ে তিনি তাঁকে শান্ত করেন।
কী বললেন রাজবংশী ওই বধূ?
সভা শেষ হওয়ার পর পরই সংবাদ মাধ্যমের সামনে রাজবংশী ওই গৃহবধূ বলেন, আমার বাড়ি কোচবিহার। আমি এখন এখানে থাকি। কালিয়াগঞ্জের ঘটনা আমাকে খুব কষ্ট দিয়েছে। ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনা। মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে পুলিশের পোশাকে খুন করার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এখানকার চুনোপুঁটি তৃণমূল (TMC) নেতাদের বলে কিছু হবে না। তাই, সায়ন্তিকাকে সামনে অভিযোগ জানিয়েছি। আমার বিশ্বাস আমার এই দাবি দিদির কাছে পৌঁছে দেবেন সায়ন্তিকা।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply