RSS: জ্ঞানবাপী, হিজাব বিতর্কের আবহেই মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বৈঠক আরএসএস প্রধানের

mohan_bhagbwat

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ বিতর্কে (Gyanvapi Mosque Row) ইতি পড়েনি। থামেনি হিজাব বিতর্কও (Hijab Row)। এহেন আবহে মুসলমান বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। জানা গিয়েছে, ধর্মীয় ঐক্য বজায় রাখতেই তিনি বৈঠক করেন  মুসলমান বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে। কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির চত্বরেই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, এক সময় কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের একাংশ ভেঙেই তৈরি করা হয়েছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ। মসজিদের ওজুখানার জলাশয়ে শিবলিঙ্গ রয়েছে বলেও দাবি হিন্দুত্ববাদী নানা সংগঠনের। এই বিতর্কের মীমাংসা এখনও হয়নি। আদালতে চলছে মামলা।

কর্নাটকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরে আসা যাবে না বলেও নির্দেশিকা জারি করেছিল রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারের সেই নির্দেশিকাকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। মামলা গড়ায় আদালতে। সুপ্রিম কোর্টে এখনও চলছে সেই মামলার শুনানি। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের মুসলমান বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে আরএসএস প্রধানের বৈঠক নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। সূত্রের খবর, মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে সংঘ প্রধানের সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে ঐক্যসাধন কীভাবে সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জ্ঞানবাপী মসজিদ বিতর্ক, হিজাব বিতর্ক এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়েও আলোচনা হয়েছে দু পক্ষে।

আরও পড়ুন : আদর্শ সমাজের লক্ষ্যে রায়পুরে বসতে চলেছে আরএসএস-এর বার্ষিক সমন্বয় বৈঠক

মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে আরএসএস প্রধানের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এস ওয়াই কুরেশি, দিল্লির প্রাক্তন গভর্নর লেফটেন্যান্ট নাজিব জং, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল জামিরউদ্দিন শাহ, প্রাক্তন সাংসদ শাহিদ সিদ্দিকি এবং ব্যবসায়ী সৈয়দ শেরাভানি। বৈঠক শেষে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন সিদ্দিকি। তিনি জানান, দেশবাসীর মধ্যে শান্তি এবং সৌভ্রাতৃত্বের ভাব কীভাবে বজায় রাখা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, দেশে যা চলছে তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। এতে দেশের ধর্মীয় ঐক্য দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই আমরা কীভাবে দেশে শান্তি বজায় রাখা যায়, কীভাবেই বা বজায় রাখা যায় সৌভ্রাতৃত্ব, তা নিয়ে আলোচনা করেছি। প্রাক্তন এই সাংসদ বলেন, মোহন ভাগবত একটি প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানের সমর্থক বহু মানুষ। তাই আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে ধর্মীয় ঐক্য নিয়ে।

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share