Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালিতে শান্তি না ফিরলে ১৪৪ ধারা ভাঙার হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

Suvendu_Adhikari

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়িতে ইডি হানা দেওয়ার পর থেকেই বেপাত্তা সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহান। তাঁর দুই শাগরেদ উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা সন্দেশখালি (Sandeshkhali Violence)। তৃণমূলের ২ নেতার বাগানবাড়ি থেকে পোল্ট্রি ফার্ম সবই জ্বলেছে ক্ষোভের আগুনে। গোটা এলাকা পুলিশে ছয়লাপ। জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। অবস্থা এতটাই খারাপ যে সন্দেশখালিতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাও। এই ইস্যুকে সামনে রেখে আন্দোলনে নেমেছে গেরুয়া শিবির। শনিবার সকালে বিজেপি প্রতিনিধিদলকে সন্দেশখালিতে ঢুকতে বাধা দেয় প্রশাসন। দুপুরেই বিজেপি বিধায়কদের দল সোজা রাজভবন চলে যান। তাঁদের সঙ্গে ছিল পোস্টার যাতে লেখা, ‘পাশে আছে সন্দেশখালি’, ‘সঙ্গে আছি সন্দেশখালি’। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Violence) শান্তি ফেরাতে ২৪ ঘণ্টা সময়সীমা বেঁধে দেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, কালকের মধ্যে  শান্তি না ফিরলে সোমবার ১৪৪ ধারা ভাঙব।

কী বললেন শুভেন্দু? 

বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে এই মিছিলে দাবি জানানো হয় এবার হস্তক্ষেপ করতে হবে রাজ্যপালকেই। শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “জনগণের (Sandeshkhali Violence) মানবাধিকারকে, জনগণের রোষকে কোনওভাবেই পদদলিত করতে বিজেপি দেবে না। আমাদের মহিলা মোর্চা, যুব মোর্চা পথে নামতে চলেছে। ভারতীয় জনতা পার্টির বিধায়করা সোমবার বিধানসভায় জড়ো হয়ে ১৪৪ ভাঙার জন্য সন্দেশখালি যাব।” রাজভবনকে সময়সীমা (Sandeshkhali Violence) বেঁধেও দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “আমরা রাজ্যপালকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে গেলাম। কালকের মধ্যে যদি শান্তি ফিরিয়ে না আনা হয় তাহলে সোমবার ১৪৪ ভাঙব। কত ক্ষমতা আছে আমাদের গ্রেফতার করুন। কত ক্ষমতা আছে আমরা দেখতে চাই।”

শনিবারও নতুন করে বিক্ষোভ সন্দেশখালিতে

শনিবারও নতুন করে সন্দেশখালিতে বিক্ষোভ দেখায় গ্রামের মহিলারা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ যে সন্দেশখালির সিতুলিয়া গ্রামে ভুজঙ্গ দাসের বাড়িতে গতকাল গভীর রাতে পুলিশ এবং তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা (Sandeshkhali Violence) একজোট হয়ে হামলা চালায়। ভুজঙ্গ দাসের বৃদ্ধা মা’কে মারধর করে বাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। তারই প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে সিতুলিয়া গ্রামের মহিলারা। শনিবার সকালেই বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল সন্দেশখালিতে ঢুকতে যায়। সন্দেশখালি বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রী অর্চনা মজুমদার ছিলেন সামনে। সেই দলকে আটকে দেয় পুলিশ। এরপরই সামনে আসে বিজেপির বিধায়ক দলের রাজভবন অভিযান। সেখানে ১৪৪ ধারার নোটিফিকেশন পোড়াতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share