Tag: bjp

bjp

  • Presidential Election: আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ-র প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু

    Presidential Election: আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ-র প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনার অবসান। আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (Presidential Election 2022) কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি (BJP), সেই নিয়ে তুমুল কৌতুহল ছিল জাতীয় রাজনীতি মহলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেই জল্পনার যবনিকা পতন হল। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA)। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ প্রার্থী (NDA candidate) হিসেবে এদিন দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) নাম ঘোষণা করেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা (Nadda)। তিনি বলেন, এই প্রথমবার একজন আদিবাসী মহিলাকে প্রার্থী করা হল। 

    নাম ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্যুইট করে পদপ্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। তিনি লেখেন, সমাজসেবা এবং দরিদ্র, পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক মানুষদের ক্ষমতায়নের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন শ্রীমতী দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর বিশাল প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যপাল হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। আমি নিশ্চিত তিনি আমাদের দেশের একজন মহান রাষ্ট্রপতি হবেন।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোটের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা

    কোনও অঘটন না ঘটলে, ৬৪ বছর বয়সি দ্রৌপদী মুর্মুই হতে চলেছেন দেশের ১৫তম রাষ্ট্রপতি। নির্বাচিত হলে তিনিই হবেন দেশের দ্বিতীয় মহিলা রাষ্ট্রপতি। দ্রৌপদীই হবেন দেশের প্রথম সাঁওতালি মহিলা যিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

    কে এই দ্রৌপদী মুর্মু?

    ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার বাইদাপোসি গ্রাম থেকে উঠে আসা দ্রৌপদী প্রথম জীবনে শিক্ষকতা করতেন। স্বামী শ্যামচরণ মুর্মু মারা যাওয়ার পর কিছুদিন কাজ করেছিলেন সেচ দফতরের ছোট কেরানি হিসেবে। ১৯৯৭ সালে যোগ দেন ওড়িশার রাজনীতিতে। রাইরঙপুরে পুরসভার কাউন্সিলর হন। এরপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দীর্ঘ সময় তিনি ছিলেন বিজেপির তফশিলি উপজাতি মোর্চার সহ সভানেত্রী।

    ২০০০ সালে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন রাইরঙপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। জিতেই বিজেপি-বিজেডি জোট সরকারের মন্ত্রী হয়েছিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। বাণিজ্য ও পরিবহণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৎস্য ও পশুপালন দফতরও তাঁকে সামলাতে হয়েছে। ২০০০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ওড়িশা বিধানসভার মন্ত্রী ছিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। 

    এরপর আরও একবার ২০০৯ সালে তিনি ওড়িশা বিধানসভার বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালে তাঁকে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। এর আগে ঝাড়খণ্ড রাজ্য তৈরি হওয়ার পর কোনও রাজ্যপালই পূর্ণ মেয়াদ কাজ করতে পারেননি। সেই দিক দিয়ে দ্রৌপদী মুর্মুই প্রথম রাজ্যপাল যিনি পূর্ণ মেয়াদ ছিলেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল ভবনে। গতবছর ২০২১ সালেই পূর্ণ করেছেন তাঁর রাজ্যপালের মেয়াদ। 

    ২০১৭ সালেও উঠেছিল তাঁর নাম

    ২০১৭ সালেই দিল্লি রাজনীতির অন্দরে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোরাফেরা করছিল দ্রৌপদী মুর্মুর নাম। প্রণব মুখোপাধ্যায়ের উত্তরসুরী হিসেবে। কিন্তু সেবার বিজেপি রাষ্ট্রপতি পদের জন্য রামনাথ কোভিন্দের নাম সুপারিশ করে। বিহারের রাজ্যপাল থেকে প্রথমবার দেশের দলিত রাষ্ট্রপতি হন কোভিন্দ। ঠিক পাঁচ বছর পর ঐ একই পদের জন্য ফের উঠে এল দ্রৌপদী মুর্মুর নাম। এবার, তাঁকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে এনডিএ-র পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করল বিজেপি।

    গতকাল ২০শে জুন নিজের ৬৪তম জন্মদিন পালন করেছেন দ্রৌপদী মুর্মু। ২১ জুনের সন্ধ্যায় বিজেপির ঘোষণা, দেশের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে এনডিএ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এই তফশীলি উপজাতি নেত্রী।

  • Rahul Gandhi: কেউ রানি ভিক্টোরিয়া বা যুবরাজ নয়! সোমবার রাহুলের জেরা প্রসঙ্গে বিজেপি

    Rahul Gandhi: কেউ রানি ভিক্টোরিয়া বা যুবরাজ নয়! সোমবার রাহুলের জেরা প্রসঙ্গে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড (National Herald) মামলায় সোমবার আবারও ইডির (ED) জেরার মুখে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এদিন সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে পৌঁছন রাহুল। 

    গত সপ্তাহে টানা তিনদিন ৩০ ঘণ্টা রাহুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। গত শুক্রবারই চতুর্থবার জেরার জন্য কংগ্রেস সাংসদকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু মা সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখার করার জন্য তা পিছনোর আর্জি জানিয়ে ইডিকে চিঠি লিখেছিলেন রাহুল। তা মেনে নিয়ে ২০ জুন হাজিরার নির্দেশ দেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেইমতোই এদিন ইডির দফতরে পৌঁছন রাহুল। চলে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব।

    এদিকে, রাহুল গান্ধীকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু করেছে কংগ্রেস। দিল্লির যন্তর মন্তরে সত্যাগ্রহ শুরু করেছেন কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, সলমন খুরশিদ, ভি নারায়ণ স্বামীরা। কংগ্রেসের বিক্ষোভ আটকাতে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইডি দফতরের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। 

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় রাহুলকে ইডির (Enforcement Directorate) জেরা নিয়ে কড়া ভাষায় কংগ্রেসের সমালোচনা করে বিজেপি। দলের মুখপাত্র সম্বিত পাত্র কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে বলেন, “এ দেশে না কেউ রানি ভিক্টোরিয়া (Queen Victoria ), না কেউ যুবরাজ চার্লস (Prince Charles)। যে তাঁকে জেরা করা যাবে না। এদেশে আইনের চোখে সবাই সমান। কারও বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে বা উঠলে তদন্তকারী সংস্থা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পারে।” তাঁর দাবি, জনগণ জানে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় গান্ধী পরিবার এবং রাহুল গান্ধীর ভূমিকার কথা। সুতরাং,এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট মনে করলে গান্ধী পরিবারের যে কোনও সদস্যকে ডেকে জেরা করতেই পারে। এই জেরার অধিকার তাদের রয়েছে। সম্বিত আরও বলেন, “ইডি কথার অর্থ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, এন্টাইটেলমেন্ট ডিরেক্টরেট নয়। এটা যেন কংগ্রেস বা রাহুল গান্ধী ভুলে না যান।”

    আরও পড়ুন: কেন রাহুল গান্ধীকে জেরা, ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা কী?

    এর আগে রাহুলকে তলব নিয়ে কংগ্রেস মুখপাত্র অজয় মাকেন বলেন, “আমার জানা নেই যে কংগ্রেসকে (Congress) যেভাবে দিনের পর দিন হেনস্থা করা হচ্ছে, সেভাবে অন্য কোনও দলকে হেনস্থা করা হয়েছে কি না। আর এই হেনস্থার একমাত্র উদ্দেশ্য হল রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের মুখ বন্ধ করা। এভাবে কোনও একটি রাজনৈতিক দলের মুখ বন্ধ করা যায় না।”

    প্রসঙ্গত, এই মামলায় শুধু রাহুল নয় সনিয়া গান্ধীকেও ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি৷ কিন্তু করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর নির্ধারিত দিনে ইডি অফিসে হাজিরা দিতে পারেননি কংগ্রেস সভানেত্রী৷ এই মুহূর্তে তিনি ভর্তি গঙ্গারাম হাসপাতালে৷ পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে ইডি দফতরে তিনি যাবেন বলে জানিয়েছে কংগ্রেস৷

  • Presidential Polls: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোটের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা

    Presidential Polls: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোটের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব জল্পনার অবসান। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (Presidential Polls) বিরোধী জোটের (opposition) সর্বসম্মত প্রার্থী হচ্ছেন যশবন্ত সিনহা। মঙ্গলবার দুপুরে দিল্লিতে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের বাড়িতে ১৮টি জোটের বৈঠকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকের পর পাওয়ার, কংগ্রেস  (Congress) নেতা মল্লিকার্জুন খড়্গে-সহ বিরোধী নেতারা সাংবাদিক সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। পাওয়ার বলেন, ‘‘বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে ধর্মনিরপেক্ষ শিবিরের সর্বসম্মত প্রার্থী হবেন যশবন্ত।” 

    এদিন ১৮টি বিরোধী দলের বৈঠকে যোগ দেয় ওয়েইসির ‘মিম’, কংগ্রেস, তৃণমূল, এনসিপি, সিপিএম, সিপিআই, আরজেডি, এসপি, ডিএমকে, আরএসপি। শরদ পাওয়ার জানান, যশবন্ত সিন্হাকে সমর্থন করেছে আম আদমি পার্টি (AAP) ও TRS। এর আগেই তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করেছেন যশবন্ত।  তারপরই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রার্থীপদে সিলমোহর দেয় বিরোধীরা। ২৭ জুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়ন পেশ করবেন যশবন্ত। ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। যদিও এই নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী কে, তা এখনও দলের তরফে ঘোষণা করা হয়নি।

    [tw]


    [/tw]

    প্রাক্তন আমলা যশবন্ত ১৯৮৪ সালে জনতা দলের হাত ধরে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন। এর পর তাঁর সঙ্গে গেরুয়া শিবিরের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। তিনি বিজেপি-র মুখপাত্রও ছিলেন এক সময়। অটলবিহারী বাজপেয়ীর আমলে অর্থ এবং বিদেশমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছেন। কিন্তু ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের হাতে দলের রাশ ওঠার পর থেকেই বিজেপি-র সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে।  ২০১৮ সালে বিজেপি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। 

    আরও পড়ুন: সন্ধ্যায় বৈঠকে বিজেপি, মঙ্গলেই চূড়ান্ত রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর নাম?

    এদিন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ ট্যুইট করেন,“আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমরা একজন সাধারণ প্রার্থী নির্বাচন করার এবং মোদি সরকারকে আরও ক্ষতি করা থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ অনুষ্ঠিত বৈঠকে আমরা যশবন্ত সিনহাকে সাধারণ প্রার্থী হিসাবে বেছে নিয়েছি। আমরা সমস্ত রাজনৈতিক দলকে যশবন্ত সিনহাকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করছি।”  

  • Rajya Sabha Polls Update: রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৬-র মধ্যে ৮ আসনে জয়ী বিজেপি

    Rajya Sabha Polls Update: রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৬-র মধ্যে ৮ আসনে জয়ী বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভার (Rajya Sabha) ১৬টি আসনের মধ্যে বিজেপির (BJP) দখলে এল ৮। বাকি ৭টি আসনের রাশ গিয়েছে কংগ্রেস (Congress)-এনসিপি (NCP)-শিবসেনা (Shivsena) জোটের দখলে। বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন একটি আসনে।

    ১৫টি রাজ্য মিলিয়ে রাজ্যসভার মোট ৫৭টি আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল ১০ জুন। ৪১ জন প্রার্থী আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে যাওয়ায় এদিন ভোট হয়েছে ১৬টি আসনে। নির্বাচনে মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, কর্নাটক ও রাজস্থান চার রাজ্যে নিয়োগ করা হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষক। পুরো ভোটপর্ব ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে। চার রাজ্যের ১৬টি আসনে ভোট হলেও, জোর লড়াই হয়েছে মূলত রাজস্থান ও মহারাষ্ট্রে।

    আরও পড়ুন : টানটান উত্তেজনায় শেষ রাজ্যসভা নির্বাচন, হল ক্রস ভোটিংও

    এদিন ক্রসভোটিংয়ের সম্ভাবনা ছিল। হয়েছেও তাই। কর্নাটকে জনতা দল সেকুলারের (JDS) দুই বিধায়ক ভোট দিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থীকে। ভোটপর্ব শুরু হয়েছিল সকাল ৯টায়। শেষ বিকেল ৪টায়। বিকেল পাঁচটায় শুরু হয় গণনা। ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায়, ১৬টি আসনের মধ্যে বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৮টি আসনে। বাকি ৭টিতে কংগ্রেস। বিজেপি সমর্থিত এক নির্দল প্রার্থীও জয়ী হয়েছেন।

    যে ১৬টি আসনে ভোট হয়েছে, তার মধ্যে মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) আসন সংখ্যা ৬। রাজস্থান ও কর্নাটকে ৪টি করে আসন। আর দুটি আসন হরিয়ানায় (Haryana)। গণনা শেষ হয় মধ্য রাতে। তখনই জানা যায়, মহারাষ্ট্রের তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস-এনসিপি-শিবসেনা জোট জয়ী হয়েছে একটি আসনে। হরিয়ানায় বিজেপি জিতেছে একটি আসন। আর বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন একটি আসনে।

    আরও পড়ুন : রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রথম ১৬ জনের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা পেলেন জায়গা?

    রাজস্থানের (Rajasthan) কুর্সিতে রয়েছে কংগ্রেস। সেখানে তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) দল। একটি আসনে জয়ী হয়েছেন পদ্ম-প্রার্থী। কর্নাটকে (Karnataka) রাজ্যসভার তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। আর কংগ্রেস পেয়েছে একটি আসন।

    আগামী মাসেই রয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Presidential Polls)। তাই রাজ্যসভার এই নির্বাচন শাসক এবং বিরোধী দু পক্ষের কাছেই ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে রাজ্যসভায় স্বভাবতই শক্তি বাড়ল বিজেপির। শক্তি খোয়াল কংগ্রেস। প্রত্যাশিতভাবেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি!

     

  • Howrah Violence: অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রাজ্যপালকে চিঠি শুভেন্দুর, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি রাজ্য বিজেপির

    Howrah Violence: অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রাজ্যপালকে চিঠি শুভেন্দুর, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি রাজ্য বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নূপুর শর্মা (Nupur Sharma) বিতর্কে অগ্নিগর্ভ হাওড়া (Howrah)। সেনা নামিয়ে মানুষের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার আবেদন জানিয়ে রাজ্যপালকে মেল করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। শুভেন্দুর সেই চিঠি ট্যুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির সহ সভাপতি সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan)।

    হজরত (Prophet) মহম্মদকে নিয়ে দিনকয়েক আগে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপির (BJP) প্রাক্তন মুখপাত্র নূপুর শর্মা। ঘটনার পরে পরেই তাঁকে সাসপেন্ড করে দল। কেড়ে নেওয়া হয় প্রাথমিক সদস্যপদও। তার পরেও শান্ত হয়নি বাংলার হাওড়া (Howrah)। জেলার উলুবেড়িয়া, ধুলোগড়, ডোমজুড়, শলপ সহ বিভিন্ন এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের গাড়ি, কিয়স্কে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। পাঁচলায় বিজেপির পার্টি অফিসে হামলা চালানো হয়। হাওড়ার অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। শলপে পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। রেল লাইনে অবরোধের জেরে হাওড়া দক্ষিণ-পূর্ব শাখায় বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল।

    আরও পড়ুন : অফিসে পুলিশি হানা কেন? বিহিত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির প্রতিবাদে সরব হন শুভেন্দু। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে উলুবেড়িয়ার নিমদিঘি থেকে পাঁচলা পর্যন্ত কয়েকশো গাড়ি ভাঙা হচ্ছে, পোড়ানো হচ্ছে। তাতে নিরপরাধ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ আছেন। গোটা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে সকাল থেকে রাজ্যপালকে একাধিক ভিডিও, ট্যুইট করেছি। মেলেও সেনা নামিয়ে মানুষের জীবন সম্পত্তি রক্ষার আবেদন জানিয়েছি রাজ্যপালকে।

    [tw]


    [/tw]

    তাঁকে লেখা চিঠির কপি ট্যুইট করেছেন রাজ্যপাল। সেই সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে (Chief Secretary) তিনি লেখেন, পূর্ব নির্ধারিত আলোচনার সময় সশস্ত্র বাহিনী বা আধা সেনা মোতায়েনের বিষয়ে যেন রাজ্য সরকারের অবস্থান তাঁর কাছে স্পষ্ট করা হয়। রাজ্য প্রশাসনের বক্তব্য, পুলিশ ওই এলাকায় আগে থেকেই সক্রিয়। প্রচুর পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা (Internet cut off)।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন : বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড নূপুর শর্মা, নবীন জিন্দালকে বহিষ্কার বিজেপি-র

    এদিকে, রাজ্যের অশান্তির এই খণ্ডচিত্রের ছবি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিলেন বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। রাজ্যের পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে আনতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

  • Suvendu Adhikari: উঠল সাসপেনশন, বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন শুভেন্দুরা

    Suvendu Adhikari: উঠল সাসপেনশন, বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন শুভেন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ সাত বিজেপি (BJP) বিধায়কের (MLA)। সাসপেনশন (Suspension) প্রত্যাহারের প্রতিবাদে ধর্নায় বসেছিল বিজেপি। এদিন সাসপেনশন তুলে নেওয়া হতেই উঠে যায় ধর্নাও। সাসপেনশন উঠে যাওয়ায় এবার বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন ওই সাত বিধায়ক।  

    বিধানসভায় বিশৃঙ্খলার অভিযোগে গত বাজেট অধিবেশনে সাসপেন্ড হয়েছিলেন শুভেন্দু সহ বিজেপির সাত বিধায়ক। সাসপেনশন জারি ছিল এই অধিবেশনেও। সাসেপনশন প্রত্যাহারের আর্জি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন বিজেপির সাসপেন্ডেড বিধায়করা। সাসেপেনশন প্রত্যাহারের দাবিতে ধর্নায়ও বসেছিলেন তাঁরা। তার পরেও প্রত্যাহার করা হয়নি সাসপেনশন।

    আরও পড়ুন : সুকান্তর পর শুভেন্দু! এবার হাওড়া যাওয়ার পথে বিরোধী দলনেতাকে আটকাল পুলিশ!

    এর আগে একবার সাসেপনশন তোলার প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছিলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকার জানিয়েছিলেন, বিজেপির আনা প্রস্তাবে ভুল ছিল। যদিও রাজ্যের বিরোধী দলনেতার পাল্টা দাবি, প্রস্তাবে কোনও ভুল ছিল না।

    এদিন শুভেন্দুদের নয়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয় অধিবেশনে। শুভেন্দুদের সাসপেনশন প্রত্যাহারের প্রস্তাবে সায় দেয় তৃণমূলও। তার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু সহ সাত বিজেপি বিধায়কের সাসপেনশন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন। শুভেন্দু ছাড়াও যাঁদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হয়েছে তাঁরা হলেন, শঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মণ, মনোজ টিগ্গা, নরহরি মহাতো, সুদীপ মুখোপাধ্যায় এবং মিহির গোস্বামী।

    আরও পড়ুন : অফিসে পুলিশি হানা কেন? বিহিত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, এদিন বিএ কমিটির বৈঠকে হাজির ছিলেন না বিজেপির কোনও প্রতিনিধিই। তবে শাসকদলের বাকি সদস্যরা সম্মতি দিয়েছিলেন সাসপেনশন প্রত্যাহারের পক্ষে। তার পরেই সাসপেনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন স্পিকার।

    গত বাজেট অধিবেশনে সাসপেন্ড হয়েছিলেন শুভেন্দু সহ বিজেপির সাত বিধায়ক। এর মধ্যে আবার অসংসদীয় আচরণের জন্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছিলেন স্পিকার। বিধানসভায় তাঁর অফিসে বসার ক্ষেত্রেও জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা। এনিয়ে আদালতে যান শুভেন্দু। আদালত বিষয়টি মীমাংসার পরামর্শ দেয়। তার পর সোমবার পদ্ধতিগত ত্রুটির কথা বলে বিজেপি বিধায়কদের প্রথম আবেদনপত্রটি খারিজ করে দেন স্পিকার। আদালতের নির্দেশে এদিন ফের একবার আবেদন করেন শুভেন্দুরা।

     

  • JP Nadda: “শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গেও গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন”, রাজ্যে এসে বার্তা নাড্ডার

    JP Nadda: “শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গেও গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন”, রাজ্যে এসে বার্তা নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাজনীতিতে কোনও কিছুই স্থির থাকে না, আজ যা আছে তা আগামীকাল থাকবে না, যা আগামীকাল হবে তা পরশু থাকবে না।” রাজ্যে এসে তৃণমূলকে এভাবেই কটাক্ষ করলেন জগৎ প্রকাশ নাড্ডা।

    আগামী বছর রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে, দলের মনোবল বাড়াতে মঙ্গলবার, ২ দিনের বঙ্গ সফরে এসেছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি। একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। দলের কর্মসমিতির বৈঠকে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি, বিভিন্ন জনসংযোগ কর্মকাণ্ডে তিনি এদিন যোগ দেন।

    এদিন বিহার-উত্তরপ্রদেশের তুলনা টেনে এনে বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি মনে করিয়ে দেন, কোনও রাজ্যে কোনও দলই চিরস্থায়ী থাকতে পারে না। তিনি বলেন, “২০ বছর আগেও কেউ ভাবেনি বিহার থেকে লালুপ্রসাদ যাদবের রাজত্ব শেষ হবে। কিন্তু বিজেপি সেখানেও পূর্ণ শক্তি নিয়ে এসেছে। উত্তরপ্রদেশে কেউ ভাবেনি যে মুলায়ম সিংয়ের শাসন শেষ হবে। আজ সেখানে বিজেপি সবাইকে সাফ করে দিয়েছে। সর্বত্র বিজেপি সরকার গঠিত হচ্ছে।” 

    আরও পড়ুন: বাংলার হারানো গৌরব ফেরাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, রাজ্য সফরে এসে নাড্ডা

    নাড্ডা বলেন, “আমাদের সবসময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন শক্তিকে রাজনৈতিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সেই জন্য নিজেদের শক্তি সম্পর্কেও ধারণা থাকা উচিত।” নাড্ডার বিশ্বাস, আগামীদিনে পশ্চিমবঙ্গ সহ অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও বিজেপি সরকার গঠনে সক্ষম হবে। তিনি বলেন, “আমরা অন্ধ্রপ্রদেশে, তেলেঙ্গানায় এবং খুব শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গেও গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন করব।”

    রাজ্যের বর্তমান শাসক দলকে আক্রমণ করে নাড্ডা বলেন, “বাংলা সম্পর্কে একসময় বলা হতো যে Which Bengal thinks today, India thinks tomorrow. বাংলাকে এক সময় অর্থনৈতিক রাজধানী বলা হলেও আজ এখানে শোচনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।” 

    পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি যোগ করেন, ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো (NCRB)-এর মতে, আজ পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি অপহরণের ঘটনা ঘটছে। পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি নারী পাচার হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর রাজত্বে রাজ্যের এই হাল?”

    আরও পড়ুন: কাশী-মথুরা নিয়ে কী ভাবছে বিজেপি? স্পষ্ট করলেন নাড্ডা

    এই প্রেক্ষিতে নাড্ডা জানান, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার কী কী করেছে, তার খতিয়ান তুলে ধরেন নাড্ডা। বলেন, “স্বচ্ছ ভারত মিশনের অধীনে, ৭৪ লক্ষ পশ্চিমবঙ্গে নির্মিত হয়েছে। পাশাপাশি, জনধন যোজনার অধীনে পশ্চিমবঙ্গে ২.৮২ কোটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ লক্ষ বাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।”

  • Howrah Violence: হাওড়ায় হিংসার জের, বদল শহর ও গ্রামীণের পুলিশপ্রধান

    Howrah Violence: হাওড়ায় হিংসার জের, বদল শহর ও গ্রামীণের পুলিশপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিন হলেও হাওড়ার অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি এখনও সামাল দিতে ব্যর্থ মমতা প্রশাসন। এই পরিস্থিতি প্রচণ্ড চাপের মুখে অবশেষে জেলা পুলিশের শীর্ষস্তরে রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। হাওড়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আজই নবান্নে জরুরি বৈঠকে বসেন মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদী৷ বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব বি পি গোপালিকা এবং এডিজি আইনশৃঙ্খলা জাভেদ শামিম৷ সেখানেই দুই পুলিশকর্তাকে বদলির সিদ্ধান্ত নেওযা হয়।

    হাওড়া শহরের নতুন পুলিশ কমিশনার হচ্ছেন প্রবীণ ত্রিপাঠী। সেইসঙ্গে গ্রামীণ জেলার নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন স্বাতি ভাঙ্গালিয়া। এই মুহূর্তে কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশানাল কমিশনার পদে কর্মরত আছেন প্রবীণ ত্রিপাঠী। স্বাতি ভাঙ্গালিয়া আছেন ডিসি সাউথ ওয়েস্ট পদে। হাওড়া জেলার বর্তমান পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর হচ্ছেন কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি এবং গ্রামীণ জেলার পুলিশ সুপার সৌম্য রায় হচ্ছেন কলকাতা পুলিশের ডিসি সাউথ ওয়েস্ট।

    আরও পড়ুন: হাওড়া যাওয়ার পথে গ্রেফতার সুকান্ত, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    হজরত মহম্মদকে (Prophet) নিয়ে করা দিল্লিতে সদ্য দল থেকে সাসপেন্ড হওয়া বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার একটি মন্তব্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জেরে কার্যত উত্তপ্ত হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা। বৃহস্পতিবার ডোমজুড়ের অঙ্করহাটির কাছে ১১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধের পর শুক্রবার গোটা দিন ধরেই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ ছিল বহু এলাকায়। জেলার উলুবেড়িয়া, ডোমজুর সহ একাধিক এলাকায় গত কয়েকদিনে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। 

    জাতীয় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে টানা চলে অবরোধ। চেঙ্গাইল সহ একাধিক স্টেশনে হয় রেল অবরোধ। স্তব্ধ হয়ে যায় সড়ক ও রেল যোগাযোগ। পাঁচলায় অগ্নিসংযোগ এবং এটিএম ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটে। শনিবারও পরিস্থিতির তেমন কোনও উন্নতি হয়নি। এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। 

    আরও পড়ুন: “আপনার পাপের ফলে ভুগতে হচ্ছে জনগণকে”, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    সতর্কতা হিসেবে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আগামী ১৩ জুন সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত হাওড়ার বেশ কিছু জায়গায় ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে হাওড়ার পর এবার মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বেলডাঙাতেও অশান্তির আঁচ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।  ১৪ জুন সকাল ৬টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • JP Nadda: “দেশ বদলেছে, রাজ্যেও বদল আসবে”, বার্তা নাড্ডার

    JP Nadda: “দেশ বদলেছে, রাজ্যেও বদল আসবে”, বার্তা নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে বদল হয়েছে, এরাজ্যেও পরিবর্তন আসবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলামন্দিরে বিদ্বজ্জনদের সভায় এমনটাই জানালেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। 

    বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি রাজ্যের বর্তামান পরিস্থিতির সঙ্গে দেশে ২০১৪ সালের পূর্ববর্তী পরিস্থিতির তুলনা করেন। তিনি বলেন, “২০১৪’র আগে দেশের যেরকম পরিস্থিতি ছিল, আজ বাংলার পরিস্থিতিও একই রকম। লুঠপাট, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি সহ বিশ্বের দুর্নীতিগ্রস্থ দেশের তালিকায় দেশের নাম নেওয়া হতো। কিন্তু আজ দেশ বদলাচ্ছে না, বদলে গিয়েছে। সেজন্য বাংলা নিয়েও আমি হতাশ হই না। হয়তো একটু সময় লাগবে কিন্তু এখানেও পরিবর্তন আসবে।”

    পরিবারতন্ত্র নিয়ে তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে ফের একবার সুর চড়ান নাড্ডা। বলেন, “কাশ্মীর থেকে নীচ পর্যন্ত পরিবারতন্ত্র। এখানেও তো পিসি-ভাইপো। বাকিরা তো ল্যাম্পপোষ্ট। এখানে হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) নির্দেশে সিবিআই (CBI) তদন্ত চলে।” তিনি মনে করিয়ে দেন, যারা বাংলার গর্বকে ক্ষতি করতে চাইবে, তাদের মুখোশ খুলে দিতে হবে।”

    কলামন্দিরে অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) কাজের খতিয়ানও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, “মোদিজির শাসনের ৮ বছর পর আমরা বলতে পারি মোদি থাকলে সব সম্ভব। আজ আমাদের নীতি সংস্কার, সুশাসন, গতি, দক্ষতা। এখন পর্যন্ত, বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের ২২ লক্ষ কোটি টাকা ডিজিটালভাবে সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়েছে।” 

    নাড্ডা আরও বলেন, “আজ একটি বোতাম টিপেই ২৩ হাজার কোটি টাকা সরাসরি ১০ কোটি কৃষকের অ্যাকাউন্টে পৌঁছেছে। আজ মোদি সরকারের অধীনে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PMAY) আওতায় ২.৫ কোটি বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। আজ ১২ কোটি মানুষ প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা যোজনার (PMJJBY) সুবিধা পাচ্ছেন, যার মধ্যে ৭৬ লক্ষ সুবিধাভোগী বাংলার মানুষ। ২৮ কোটি মানুষ প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনার (PMSBY) সুবিধা পাচ্ছেন, যা নিজেই একটি রেকর্ড।”

    এর আগে নিউটাউনের হোটেলে বিজেপির বিধায়ক-সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন সর্বভারতীয় সভাপতি। সেখানে তিনি জানান, করোনা না এলে এবারই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি (BJP Bengal) ক্ষমতায় চলে আসত। বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি মনে করিয়ে দেন, চতুর্থ দফার ভোটের পর ঠিকমত প্রচারই করতে পারা যায়নি। করোনার জন্য প্রায় প্রচার ছাড়াই বিজেপিকে ভোটে লড়তে হয়েছে। না হলে যে গতিতে বিজেপি এগোচ্ছিল, তাতে এবারই নিশ্চিত ছিল।

    আরও পড়ুন: “শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গেও গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন”, রাজ্যে এসে বার্তা নাড্ডার

  • Nupur Sharma: গ্রেফতার করা যাবে না নূপুর শর্মাকে, মিলল সুপ্রিম নির্দেশ 

    Nupur Sharma: গ্রেফতার করা যাবে না নূপুর শর্মাকে, মিলল সুপ্রিম নির্দেশ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) স্বস্তি পেলেন বিজেপির (BJP) সাসপেন্ডেড মুখপাত্র নূপুর শর্মা (Nupur Sharma)। গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ চেয়ে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। শেষমেশ মিলল স্বস্তি। সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, ১০ আগস্ট পর্যন্ত কোনও মামলায় গ্রেফতার করা যাবে না নূপুরকে। প্রাণসংশয়ের আশঙ্কা রয়েছ বলেও এদিন আদালতের দাবি করেছিলেন নূপুর। সেই দাবিকেও গুরুত্ব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, ওই একই ইস্যুতে যদি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কোনও এফআইআর দায়ের হয়, সেক্ষেত্রেও তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালার ডিভিশন বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন : নূপুর শর্মাকে খুনের হুমকি! গ্রেফতার আজমের দরগার এক ধর্মগুরু

    হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয় বিজেপির মুখপাত্র নূপুরকে। তার পরেও দেশজুড়ে শুরু হয় তাণ্ডব। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করে, কোথাওবা বিজেপির পার্টি অফিস পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখায় সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়ের একাংশ। ঘটনার প্রেক্ষিতে নূপুরকে ফোনে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

    এর আগে পয়লা জুলাই মামলা থেকে সুরক্ষার দাবিতে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নূপুর। তখন খারিজ হয়ে যায় তাঁর আর্জি। সম্প্রতি ফের আদালতের দ্বারস্থ হন বিজেপির সাসপেন্ডেড মুখপাত্র নূপুর। এদিন নূপুরের আইনজীবী মনিন্দর সিং বলেন, নূপুরের প্রাণ সংশয় রয়েছে। সেই দাবি মেনে নিয়ে এদিন ডিভিশন বেঞ্চের তরফে রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, যাতে নূপুরের প্রাণ সংশয় না হয়, সেই মতো নিরাপত্তা দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন : নূপুর শর্মাকে ভর্ৎসনার প্রতিবাদ, খোলা চিঠি ১১৭ প্রাক্তন আমলার

    নূপুরের বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দেশের নানা রাজ্যে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। দিল্লি, তেলঙ্গানা, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ মায় জম্মু-কাশ্মীরেও দায়ের হয় এফআইআর। কলকাতায় যে তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করা হয়েছে, এদিন সে কথারও উল্লেখ করেন নূপুরের আইনজীবী। নূপুরের বিরুদ্ধে এফআইআরের পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকটি ক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধে জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরওয়ানা। সম্ভাব্য গ্রেফতার এড়াতেই আদালতের দ্বারস্থ হন নূপুর। তার প্রেক্ষিতেই মেলে স্বস্তি।  

     

LinkedIn
Share