Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • 456 Madrasas Grant Stopped: মাদ্রাসা বোর্ড বিলুপ্তির পর ৪৫৬টি মাদ্রাসার সরকারি অনুদান বন্ধ! উত্তরাখণ্ড সরকারের বড় সিদ্ধান্ত

    456 Madrasas Grant Stopped: মাদ্রাসা বোর্ড বিলুপ্তির পর ৪৫৬টি মাদ্রাসার সরকারি অনুদান বন্ধ! উত্তরাখণ্ড সরকারের বড় সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে বড়সড় পদক্ষেপ করল উত্তরাখণ্ডের পুষ্কর সিং ধামী সরকার। রাজ্যে মাদ্রাসা বোর্ড (Uttarakhand Madrasa Board) পুরোপুরি বিলুপ্ত করার পর, এবার এই বোর্ডের অধীনে থাকা ৪৫৬টি মাদ্রাসাকে দেওয়া সমস্ত রকম সরকারি আর্থিক অনুদান (456 Madrasas Grant Stopped) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। তবে অনুদান বন্ধ করা হলেও, মাদ্রাসাগুলিতে অধ্যয়নরত হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে ‘U-DISE’ (Unified District Information System for Education) সুবিধাগুলি অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে। সরকারের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষাকে স্কুল শিক্ষার কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা।

    কেন বন্ধ সরকারি অনুদান (456 Madrasas Grant Stopped)?

    উত্তরাখণ্ড শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, রাজ্য সরকার আগেই মাদ্রাসা বোর্ড ভেঙে দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিল। এবার সেই সিদ্ধান্তের সূত্র ধরেই অনুদান বন্ধের এই কড়া নির্দেশিকা জারি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মাদ্রাসা বোর্ড বিলুপ্ত হওয়ার পর এই ৪৫৬টি মাদ্রাসা আর সরকারি আর্থিক সাহায্য পাওয়ার আইনি যোগ্যতা রাখে না। এর ফলে রাজ্য কোষাগার থেকে এই মাদ্রাসাগুলির পরিকাঠামো ও পরিচালনার জন্য যে মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়া হতো, তা পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে।

    চালু থাকছে ‘U-DISE’ সুবিধা

    মাদ্রাসাগুলির প্রাতিষ্ঠানিক অনুদান বন্ধ হলেও, সাধারণ পড়ুয়ারা যাতে কোনওভাবেই ক্ষতির মুখে না পড়ে, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রেখেছে ধামী সরকার। ‘U-DISE’ পোর্টালের অন্তর্ভুক্তি বজায় থাকায়, মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরা আগের মতোই কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন স্কলারশিপ (Scholarships) পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। পড়ুয়ারা যাতে পুষ্টি ও শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, সেজন্য মিড-ডে মিল (Mid-day Meal) এবং অন্যান্য সরকারি শিক্ষাগত সুবিধাগুলি আগের মতোই চালু থাকবে। এই ব্যবস্থার ফলে পড়ুয়াদের প্রাতিষ্ঠানিক ডেটাবেস নষ্ট হবে না, যার ফলে পরবর্তীতে তাদের উচ্চশিক্ষা বা স্কুল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কোনো আইনি জটিলতা তৈরি হবে না।

    মূল ধারার শিক্ষায় ফেরানোর লক্ষ্য

    বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তরাখণ্ড সরকারের এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে মাদ্রাসার পড়ুয়াদের আধুনিক ও মূল ধারার শিক্ষার সাথে যুক্ত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। উত্তরাখণ্ড সরকার চাইছে, মাদ্রাসাগুলি শুধুমাত্র ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ স্কুলগুলির মতো আধুনিক সিলেবাস, বিজ্ঞান ও গণিত চর্চাকে অগ্রাধিকার দিক। ইতিমধ্যেই অনুদানপ্রাপ্ত মাদ্রাসাগুলিকে সাধারণ স্কুলের নিয়মের আওতায় আসার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পরামর্শ দেওয়া শুরু হয়েছে।

  • Nepal Protest: নেপালে পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ, নিজের তৈরি আগ্রাসী নীতিরূপী ‘ভস্মাসুর’-এর মুখে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ

    Nepal Protest: নেপালে পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ, নিজের তৈরি আগ্রাসী নীতিরূপী ‘ভস্মাসুর’-এর মুখে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের রাজনীতিতে ফের বড়সড় অসন্তোষ। যে সরকারকে এক বছরও হয়নি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছিল দেশের যুবসমাজ , আজ সেই সরকারের বিরুদ্ধেই কাঠমান্ডুর রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ (Nepal Protest) দেখাচ্ছেন তাঁরা। রাজধানী কাঠমান্ডুর সরকারি দফতর ‘সিংহদরবার সেক্রেটারিয়েট’-এর বাইরে প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হয়েছেন শত শত মানুষ। ‘গরিবের উপর অত্যাচার বন্ধ করো’ এবং ‘মানবাধিকারকে সম্মান দাও’- স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। নেপালের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বালেন্দ্র শাহের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে এই গণবিক্ষোভের নেপথ্যে রয়েছে এক মর্মান্তিক ঘটনা।

    কেন এই জনরোষ (Nepal Protest)? 

    গত বৃহস্পতিবার, কাঠমান্ডুর রাস্তায় খদ্দেরের জন্য অপেক্ষা করছিলেন মোটরসাইকেলে যাত্রী বহনকারী চালক বছর ২৫-এর গণেশ নেপালি। নেপালি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সেই সময় পুরসভার পুলিশ এসে আচমকা তাঁর মোটরসাইকেলের চাকায় লক (Wheel Clamp) লাগিয়ে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশের এই অন্যায় আচরণের প্রতিবাদে নিরুপায় হয়ে ২৫ বছর বয়সী ওই তরুণ নিজের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। এই মর্মান্তিক মৃত্যুই নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা নেপালকে। বারুদের মতো জ্বলে উঠেছে জেন-জিদের ক্ষোভ (Gen Z Protest)।

    পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা আন্দোলনকারীদের

    গণেশ নেপালির মৃত্যুর বিচার চেয়ে এবং প্রধানমন্ত্রীর ‘ফ্যাসিবাদী নীতি’-র বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ পড়ুয়া, চালক ও যুবসমাজ বীর হাসপাতালের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। ভদ্রকালী এলাকায় পুলিশ আন্দোলনকারীদের পথ আটকালে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করতেই পুলিশ ও যুবকদের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। পাল্টা ইট-পাটকেল ছোড়ে আন্দোলনকারীরাও।

    উত্তাল নেপালের সংসদও

    রাস্তার সংঘর্ষের আঁচ এবার পৌঁছেছে নেপালের সংসদেও। সরকারের শরিক দল ‘রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি’ (RSP)-র সাংসদ আশিকা তামাং থেকে শুরু করে বিরোধী জোটের নেতারাও বালেন্দ্র শাহ-র সরকারকে তুলোধোনা করেছেন। বিরোধীদের স্পষ্ট দাবি, সরকারকে স্টান্টবাজি বন্ধ করতে হবে। এই প্রশাসনই সাধারণ দিনমজুরদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এদিকে, পরিস্থিতি সামাল দিতে নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক পুলিশের ডিআইজি (DIG) গোবিন্দ থাপালিয়ার নেতৃত্বে একটি ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং পুরপুলিশের ক্ষমতা খর্ব না করা পর্যন্ত আন্দোলন থেকে সরতে নারাজ নেপালের লড়াকু জেন-জি প্রজন্ম।

    বালেন্দ্র শাহ-এর ‘আগ্রাসী’ শাসন নীতি

    বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই অত্যাচার নতুন নয়। ২০২২ সালে বালেন্দ্র শাহ কাঠমান্ডুর মেয়র হওয়ার পর থেকেই ওখানকার পুরপুলিশ অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। শহরের সৌন্দর্যায়ন ও ফুটপাত পরিষ্কার করার নামে বালেন্দ্র শাহ কড়া মনোভাব নেন। নদীপাড়ের বস্তি উচ্ছেদ এবং হকারদের জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার কারণে বারবার পুলিশের সঙ্গে গরিব মানুষের সংঘর্ষ বাঁধে। ফুটপাতের ছোট ব্যবসায়ী, দিনমজুর ও গরিব মানুষদের উপর পুলিশের এই জুলুমের একাধিক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই যুবসমাজের মধ্যে ক্ষোভ (Gen Z Protest) জমছিল। যা এই তরুণ চালকের মৃত্যুর পর গণবিক্ষোভে রূপ নিয়েছে।

    আইন কী বলছে? 

    আইনজ্ঞদের মতে, বালেন্দ্র শাহ-এর প্রশাসন সংবিধানের তোয়াক্কা না করে পুরপুলিশকে ফেডারেল পুলিশের মতো আগ্রাসী বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করছে। নেপালের ‘কাঠমান্ডু মেট্রোপলিটন সিটি মিউনিসিপ্যাল পুলিশ অ্যাক্ট ২০২৩’ অনুযায়ী, পুরপুলিশের কাজ পুরসভার সম্পত্তি রক্ষা করা, পার্কের দেখভাল করা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং স্থানীয় উৎসবে সাহায্য করা। নেপালের প্রাক্তন ডিআইজি পূর্ণচন্দ্র জোশী এবং প্রবীণ আইনজীবী রাজু চাপাগাইন জানিয়েছেন, পুরপুলিশের কোনো নাগরিককে আটক করার, লাঠিচার্জ করার বা বলপ্রয়োগ করার আইনি অধিকার নেই। ট্রাফিক বা রাস্তা অবরোধের সমস্যা হলে তাদের ট্রাফিক পুলিশ বা নেপাল পুলিশকে জানানো উচিত। কিন্তু আইন অমান্য করে এই পুরপুলিশ প্রতিনিয়ত হকারদের তাড়া করছে, সাধারণ মানুষের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করছে এবং মারধর করছে—যা সম্পূর্ণ বেআইনি।

    বস্তি উচ্ছেদ বন্ধ ও বাসস্থানের দাবি

    রাইড-শেয়ারিং চালকের মৃত্যুর পাশাপাশি বিক্ষোভকারীরা সরকারের অবৈধ গ্রেফতারি বন্ধ করার এবং নদীপাড় থেকে উচ্ছেদ হওয়া বস্তিবাসীদের বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। কয়েক মাস আগে যে যুবসমাজ (Gen Z) পরিবর্তনের আশায় বালেন্দ্র শাহ-কে সমর্থন করেছিল, আজ তারাই দেশের গরিব মানুষের মানবাধিকার রক্ষা এবং প্রশাসনের জবাবদিহির দাবিতে অনড়।

  • ‘Ek Ped Maa Ke Naam’: ৪০ কোটি চারা রোপণ! সবুজ ইতিহাস গড়ল উত্তরপ্রদেশ, যোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেশ

    ‘Ek Ped Maa Ke Naam’: ৪০ কোটি চারা রোপণ! সবুজ ইতিহাস গড়ল উত্তরপ্রদেশ, যোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবেশ রক্ষা এবং সবুজায়নের লক্ষ্যে এক অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়ল উত্তরপ্রদেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ (Ek Ped Maa Ke Naam) অভিযানের আওতায় ‘বৃক্ষরোপণ মহাযজ্ঞ-২০২৬’-এর মধ্য দিয়ে গোটা রাজ্যজুড়ে একদিনে রেকর্ডসংখ্যক ৪০ কোটিরও বেশি চারা রোপণ করে ইতিহাস যোগী রাজ্যের। এই ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করার পর উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সেরাজ্যের জনগণকে এই অভাবনীয় সাফল্যের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। পরিবেশ সংরক্ষণের এই মহাযজ্ঞ ইতিমধ্যেই জাতীয় স্তরে বিপুল প্রশংসা কুড়োচ্ছে।

    ‘বৃক্ষরোপণ মহাযজ্ঞ-২০২৬’ (Vriksharopan Mahayagya-2026)

    গত ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) দেশবাসীকে ধরিত্রী রক্ষা ও নিজের মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ অভিযানে শামিল হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সুদক্ষ পরিচালনায় গোরক্ষপুরে এই সরকারি কর্মসূচি নিমেষের মধ্যে এক বিশাল ‘জনআন্দোলনে’ রূপ নেয়। যা ‘বৃক্ষরোপণ মহাযজ্ঞ-২০২৬’ (Vriksharopan Mahayagya-2026) হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। গ্রাম থেকে শহর, স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে সরকারি দফতর, কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ চাকুরিজীবী—সব স্তরের মানুষ অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে নিজেদের মায়ের নামে গাছ লাগিয়ে এই সবুজ বিপ্লবে অংশ নেন।

    উত্তরপ্রদেশের সবুজ মহোৎসব

    গোটা রাজ্যের সমস্ত জেলা মিলিয়ে একযোগে ৪০ কোটিরও বেশি চারাগাছ রোপণ করা হয়েছে। শুধুমাত্র সংখ্যা বাড়ানোই নয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে রোপণ করা হয়েছে নিম, বট, অশ্বত্থ, আম, জাম এবং বিভিন্ন ভেষজ ও ফলদায়ী চারা। প্রতিটি চারাগাছের সঠিক দেখভাল নিশ্চিত করতে এবং জিও-ট্যাগিংয়ের মাধ্যমে সেগুলির বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করার বিশেষ ব্যবস্থাও নেয় রাজ্য প্রশাসন।

    মুখ্যমন্ত্রী যোগীর বার্তা

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন,”মা এবং ধরিত্রী-উভয়েই আমাদের জীবনদাতা। প্রধানমন্ত্রীর এই দূরদর্শী আহ্বানকে উত্তরপ্রদেশের ২৫ কোটি মানুষ যেভাবে আপন করে নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। এই ৪০ কোটি গাছ আগামী প্রজন্মকে এক স্বাস্থ্যকর ও দূষণমূক্ত পরিবেশ উপহার দেবে”।

    পরিবেশ রক্ষায় ভারতের রোল মডেল উত্তরপ্রদেশ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের (Global Warming) এই কঠিন সময়ে একদিনে ৪০ কোটি চারাগাছ রোপণ করা কেবল ভারতের বুকেই নয়, বিশ্ব পরিবেশের ইতিহাসেও এক অন্যতম বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি। উত্তরপ্রদেশের এই পদক্ষেপ অন্যান্য রাজ্যগুলির কাছেও পরিবেশ রক্ষায় একটি রোল মডেল বা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। পরিবেশবিদদের একাংশ বলছেন, এই বিপুল পরিমাণ গাছ আগামী দিনে উত্তরপ্রদেশের গ্রিন কভার বা বনাঞ্চলের পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তুলবে এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতে বড় ভূমিকা নেবে।

  • 56th International Physics Olympiad 2026: ভারতের ক্লিন সুইপ! ৫টি সোনা জিতে বিশ্বমঞ্চে ইতিহাস

    56th International Physics Olympiad 2026: ভারতের ক্লিন সুইপ! ৫টি সোনা জিতে বিশ্বমঞ্চে ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বমঞ্চে ফের ভারতের জয়জয়কার! কলম্বিয়ার বুকরাম্যাঙ্গায় (Bucaramanga) আয়োজিত ৫৬তম আন্তর্জাতিক পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে (56th International Physics Olympiad 2026) ইতিহাস গড়ল ভারতীয় পড়ুয়ারা। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া পাঁচজন ভারতীয় ছাত্রই সোনা (Five Gold Medals) জিতে দেশবাসীকে গর্বিত করেছেন। এই দুর্দান্ত ‘ক্লিন সুইপ’-এর হাত ধরে রাশিয়া, চিন, কাজাখস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ানের মতো হেভিওয়েট দেশগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্ব তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করল ভারত। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই মেধা প্রতিযোগিতায় ভারতের এই জয় বিজ্ঞান শিক্ষায় দেশের ক্রমবর্ধমান শক্তিরই প্রমাণ।

    ৩৭৮ জন প্রতিযোগীকে পিছনে ফেলে শীর্ষস্থানে ভারত

    এবারের অলিম্পিয়াডে বিশ্বের ৮৭টি দেশ থেকে মোট ৩৮১ জন প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিল। তাদের সবাইকে পিছনে ফেলে ভারতীয় দলের পাঁচ রত্ন ভারতের পতাকা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন। মেধা এবং নিখুঁত পারফরম্যান্সের জোরে পাঁচজনই সোনা পকেটে পুরে নেন।

    ভারতের সোনার ছেলেরা (Five Gold Medalist)

    দেশের নাম উজ্জ্বল করা এই পাঁচ কৃতি ছাত্র হলেন, কনিষ্ক জৈন (পুনে), ঋদ্ধেশ অনন্ত বেন্দালে (ইন্দোর), ঋষিত গর্গ (দিল্লি), শ্রেষ্ঠ সুরাইয়া (মুম্বই), স্বৈয়ত জোশী (আমেদাবাদ)।

    মাসের পর মাস কঠিন পরিশ্রম

    বিশ্বের দরবারে এই সাফল্য কিন্তু একদিনে আসেনি। আন্তর্জাতিক স্তরের এই কঠিন প্রতিযোগিতার জন্য পড়ুয়াদের মাসের পর মাস কঠোর প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের অধীনে পদার্থবিদ্যার অ্যাডভান্সড থিওরি, ল্যাবরেটরির জটিল কাজ এবং নিয়মিত প্র্যাকটিস সেশনের মধ্য দিয়ে নিজেদের প্রস্তুত করেছিলেন এই তরুণ বিজ্ঞানীরা। এই পুরো যাত্রায় ভারতীয় দলের মেন্টর ও গাইড হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন হোমি ভাবা সেন্টার ফর সায়েন্স এডুকেশন (HBCSE-TIFR)-এর অধ্যাপক অন্বেষ মজুমদার, ড. লীনা জোশী এবং বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষক হিসেবে যুক্ত থাকা আইআইএসইআর (IISER) কলকাতার অধ্যাপক আনন্দ দাশগুপ্ত ও নিশা কেলকর। তাঁদের যোগ্য নেতৃত্বই ছাত্রদের এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।

    আন্তর্জাতিক পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড কী?

    এটি প্রতি বছর আয়োজিত হওয়া স্কুল স্তরের বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও কঠিন পদার্থবিজ্ঞান প্রতিযোগিতা। এখানে অংশগ্রহণকারী পড়ুয়াদের কঠিন তাত্ত্বিক (Theoretical) এবং ব্যবহারিক বা পরীক্ষামূলক (Experimental) পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়। এর মাধ্যমে তাদের পদার্থবিদ্যার গভীরতা, বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা এবং কঠিন সমস্যা সমাধানের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

    শিক্ষামহলে খুশির হাওয়া

    ভারতীয় দলের এই অভূতপূর্ব সাফল্যে দেশের শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী মহলে খুশির হাওয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের সেরা বিজ্ঞান শিক্ষা ব্যবস্থার দেশগুলির সাথে প্রথম স্থান ভাগ করে নেওয়া প্রমাণ করে যে, ভারতীয় পড়ুয়াদের মেধা আন্তর্জাতিক স্তরেও কতটা শক্তিশালী। এই জয় দেশের হাজার হাজার তরুণ পড়ুয়াকে আগামীদিনে বিজ্ঞান চর্চা এবং বিশ্বমঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল করতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে।

  • Chhattisgarh Naxalism: মাওবাদীদের বড় নাশকতার ছক বানচাল! আত্মসমর্পণকারীদের তথ্যে উদ্ধার বিপুল অস্ত্র-সোনা

    Chhattisgarh Naxalism: মাওবাদীদের বড় নাশকতার ছক বানচাল! আত্মসমর্পণকারীদের তথ্যে উদ্ধার বিপুল অস্ত্র-সোনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের মাওবাদী (Chhattisgarh Naxalism) দমনে ফের বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ ও যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী। দক্ষিণ বস্তার দান্তেওয়াড়া এবং কাঙ্কের জেলায় দুটি পৃথক অভিযানে মাওবাদীদের লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক, সোনা ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। সময়মতো মাওবাদীদের এই গোপন আস্তানা বা ‘ডাম্প’গুলির হদিশ মেলায় বড়সড় নাশকতার ছক ব্যর্থ করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।

    আত্মসমর্পণকারীদের তথ্যে তোলপাড় দান্তেওয়াড়া

    পুলিশ সূত্রে খবর, সম্প্রতি মাওবাদী মতাদর্শ এবং হিংসার পথ ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে এসেছে বেশ কিছু মাওবাদী। তাদেরই দেওয়া সুনির্দিষ্ট ও নিখুঁত তথ্যের ভিত্তিতে দান্তেওয়াড়া জেলার বারসুর থানার অন্তর্গত তোড়মা গ্রামের ঘন জঙ্গল ও পাহাড়ি এলাকায় একটি বিশাল তল্লাশি অভিযান (Dantewada Operation) চালানো হয়। সেখানেই মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা একটি বিশাল গোপন ডাম্পের সন্ধান পায় বাহিনী। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মোট বাজার মূল্য প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা। পুলিশের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে বড়সড় হামলা চালানো এবং এলাকায় নাশকতামূলক কাজের উদ্দেশ্যেই মাওবাদীরা এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছিল।

    দান্তেওয়াড়া থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী (Maoist Arms Recovery)

    ১১৬ গ্রাম ওজনের সোনার বিস্কুট, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১৬ লক্ষ টাকা। নগদ ২ লক্ষ টাকা। ১টি ইনসাস (INSAS) রাইফেল এবং ১৬টি ইনসাস ম্যাগাজিন। ৪টি একে-৪৭ ম্যাগাজিন এবং ৬৮ রাউন্ড গুলি। ২৩টি এসএলআর (SLR) ম্যাগাজিন এবং ৩৪ রাউন্ড গুলি। ৫টি ১২-বোর বন্দুক এবং ৭ রাউন্ড গুলি। ৩টি বিজিএল (BGL) লঞ্চার এবং ১টি বিজিএল সেল। ২টি কারবাইন ম্যাগাজিন। ৮টি .৩০৩ রাউন্ড গুলি এবং ৪৫টি .৩০৩ চার্জার। ১০টি ভাঙা ভরমার বন্দুক, ১টি রিভলভার এবং ১টি এয়ারগান। ৬টি টিফিন বোমা, ৪টি পাইপ বোমা, ১২২টি তির বোমা, ১টি প্যারা বোমা, ২টি দেশি হ্যান্ড গ্রেনেড, ২টি দেশি মর্টার, ১ স্টিল বক্স জিলেটিন, ২০টি ডেটোনেটর, ১ বান্ডিল কোডেক্স ওয়্যার এবং ১৪টি কুকার। এছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে, মাওবাদী ইউনিফর্ম, ওষুধ, লিফলেট-প্যামফলেট এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।

    মাওবাদীদের বার্তা পুলিশের 

    বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও রসদ উদ্ধারকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে প্রশাসন। বস্তার রেঞ্জের পুলিশ আইজি বদ্রী নারায়ণ মিনা, সিআরপিএফ ডিআইজি (অপারেশনস) রাকেশ চৌধুরী এবং দান্তেওয়াড়ার পুলিশ সুপার গৌরব রাইয়ের যৌথ নির্দেশনায় ও তত্ত্বাবধানে এই অভিযানটি সফল হয়। দান্তেওয়াড়া পুলিশের পক্ষ থেকে সমস্ত পথভ্রষ্ট মাওবাদীদের স্পষ্ট বার্তা,  হিংসার পথ ও মাওবাদী মতাদর্শ পুরোপুরি ত্যাগ করে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসে। অস্ত্র ছেড়ে পরিবারের সঙ্গে শান্তি, অহিংসা ও এলাকার উন্নয়নের পথে শামিল হওয়ার জন্যও বার্তা জেলা পুলিশের।

    কাঙ্কের-নারায়ণপুর সীমান্তেও উদ্ধার ‘মাওবাদী ডাম্প’

    অন্যদিকে, দান্তেওয়াড়ার পাশাপাশি ছত্তীসগঢ়ের কাঙ্কের ও নারায়ণপুর জেলার সীমান্তবর্তী কোয়লিবোড়া থানা এলাকাতেও মাওবাদীদের আরও একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পেয়েছে বাহিনী। আলপরাস ও গুমচুর গ্রামের মধ্যবর্তী পাহাড়ি জঙ্গলে রুটিন টহলদারির সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF) এবং ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (DRG)-এর একটি যৌথ দল মাটির নিচে কিছু লুকানো রয়েছে বলে সন্দেহ করে। এরপর সেখানে খোঁড়াখুঁড়ি করতেই উদ্ধার হয় আধুনিক ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র। কাঙ্কেরের পুলিশ সুপার নিখিল রাখেচা, বিএসএফ-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট অঙ্কুশ কুমার এবং কোয়লিবোড়ার থানা ভারপ্রাপ্ত পরিদর্শক নির্মল জংড়ের নেতৃত্বে এই যৌথ অভিযানটি সফল হয়।

    কাঙ্কের থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী 

    ২টি .৩০৩ রাইফেল এবং ৩২ রাউন্ড তাজা গুলি। ১টি ল্যাপটপ এবং ১টি ট্যাবলেট। ১টি রেডিও সেট এবং ৩টি ওয়্যারলেস ব্যাটারি। ২টি মাওবাদী ইউনিফর্ম এবং ৫টি পাউচ। ২টি চার্জার এবং ১টি সাধারণ ব্যাটারি। বিপুল পরিমাণ মাওবাদী সাহিত্য ও বইপত্র।

    উল্লেখ্য, বস্তার বা দান্তেওয়াড়ার এই জঙ্গলগুলোতে মাওবাদীদের অস্ত্রভাণ্ডার বা ‘ডাম্প’ উদ্ধারের ঘটনা এটা প্রথম নয়। এর আগেও বহুবার নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে মাটির নিচ থেকে বিপুল পরিমাণ মরণাস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। তবে এবারের ঘটনাটি বাকি সময়ের চেয়ে অনেকটাই আলাদা এবং তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, আগে মূলত গোয়েন্দা সূত্রে বা তল্লাশি চালাতে গিয়ে আচমকা এই ধরনের ডাম্পের সন্ধান মিলত। কিন্তু এবার খোদ আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীরাই স্বেচ্ছায় পুলিশকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাদের গোপন আস্তানা চিনিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, লাল সন্ত্রাসবাদীদের পায়ের তলা থেকে মাটি কেবল সরছেই না, বরং খোদ সংগঠনের অন্দরেই মাওবাদী মতাদর্শের মৃত্যু ঘটেছে। বারবার অস্ত্র উদ্ধার এবং প্রথম সারির ক্যাডারদের এই আত্মসমর্পণ বলাই বাহুল্য ছত্তীসগঢ়ে মাওবাদী সাম্রাজ্যের পতনের কাউন্টডাউন আরও ত্বরান্বিত করল।

  • India’s Defence Sector: ভারতের প্রতিরক্ষা খাতে বড় সংস্কার! এবার বেসরকারি সংস্থার হাতেই ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন

    India’s Defence Sector: ভারতের প্রতিরক্ষা খাতে বড় সংস্কার! এবার বেসরকারি সংস্থার হাতেই ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদন (India’s Defence Sector) ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে এগোচ্ছে কেন্দ্রের মোদি সরকার (Modi Govt Missile Manufacture)। প্রথমবারের মতো উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র (মিসাইল) তৈরির ক্ষেত্রে বেসরকারি ভারতীয় সংস্থাগুলিকে সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, সরকারি কারখানার উপর নির্ভরতা কমানো এবং আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা রফতানির বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং বন্ধু দেশগুলির কাছ থেকে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতি বাড়তে থাকা আগ্রহের কথা মাথায় রেখেই এই নীতি পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুমোদিত হলে দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

    অ্যাস্ট্রা এমকে-২ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে বেসরকারি সংস্থাকে সুযোগ

    সূত্রের খবর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক শীঘ্রই অ্যাস্ট্রা এমকে-২ (Astra Mk-2) বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ (BVR) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল উৎপাদনের জন্য বেসরকারি সংস্থাগুলির কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান করতে পারে। ডিআরডিও (DRDO)-র তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার। ভবিষ্যতে এটি তেজস এমকে-১এ, মিগ-২৯, সুখোই সু-৩০ এমকেআই এবং রাফাল মেরিন যুদ্ধবিমানে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি একাধিক বন্ধু দেশ ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ফলে শুধু সরকারি উৎপাদন সংস্থার উপর নির্ভর করলে ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণ করা কঠিন হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে বেসরকারি শিল্পকে যুক্ত করে উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো, দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেওয়া এবং দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পকে আরও শক্তিশালী করাই সরকারের লক্ষ্য।

    কোন কোন সংস্থা লাভবান হতে পারে?

    যদিও এখনও কোনও সংস্থাকে চূড়ান্তভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি, তবুও প্রতিরক্ষা শিল্পের বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি বড় ভারতীয় সংস্থা এই প্রকল্পে অংশ নেওয়ার জন্য সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। সম্ভাব্য সংস্থাগুলি হল—

    টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেম (Tata Advanced Systems)
    আদানি ডিফেন্ল অ্যান্ড অ্যারো স্পেস (Adani Defence & Aerospace)
    লারসেন অ্যান্ড টোব্রো (Larsen & Toubro-L&T)
    ভারত ফোর্জ (Bharat Forge)
    কল্যানী স্ট্র্যটেজিক সিস্টেম (Kalyani Strategic Systems)

    ইতিমধ্যেই এই সংস্থাগুলি ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, মহাকাশ প্রযুক্তি, আর্টিলারি, ড্রোন, সাঁজোয়া যান এবং ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন উপাদান তৈরি করছে।

    প্রলয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পেও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভাবনা

    অ্যাস্ট্রা এমকে-২ প্রকল্পের পর সরকার ‘প্রলয়’ (Pralay) ট্যাকটিক্যাল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনেও বেসরকারি সংস্থাগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানা গিয়েছে। প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র উচ্চ গতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এবং ভারতের পরবর্তী প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অস্ত্রগুলির মধ্যে অন্যতম বলে মনে করা হয়। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি, তবে এই নীতি কার্যকর হলে ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন খাতে বেসরকারি শিল্পের ভূমিকা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও প্রতিরক্ষা রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন গতি আসতে পারে।

  • Palakkad To Space: ‘গডস ওন কান্ট্রি’ থেকে মহাকাশ জয়! কেরালার এক জেলা থেকেই বিশ্ব কাঁপানো ৩ নভোচারী

    Palakkad To Space: ‘গডস ওন কান্ট্রি’ থেকে মহাকাশ জয়! কেরালার এক জেলা থেকেই বিশ্ব কাঁপানো ৩ নভোচারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের মহাকাশ মানচিত্রে আজ অনন্য উচ্চতায় ভারত। তবে এবারের গৌরবগাথা কোনও একক রকেটের উৎক্ষেপণ বা উপগ্রহের কক্ষপথ জয়ের নয়; এবারের ইতিহাস তৈরি হয়েছে মানুষের মেধা, গভীর পারিবারিক ও আঞ্চলিক শিকড়ের মেলবন্ধনে। কেরালার ‘গডস ওন কান্ট্রি’ খ্যাত পালাক্কাদ (Palakkad) জেলা আজ বিশ্বমঞ্চে এক অবিশ্বাস্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে। একটিমাত্র জেলার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তিনজন বিখ্যাত মহাকাশচারীর নাম, যা আমেরিকা বা রাশিয়ার মতো পরাশক্তি বাদ দিলে পৃথিবীর আর কোনও অঞ্চলের ক্ষেত্রে ভাবাই যায় না। পাশাপাশি, আগামী ১৫ জুলাই ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাসা (NASA) নভোচারী ড. অনিল মেনন রাশিয়ার ‘সয়ূজ এমএস-২৯’ (Soyuz MS-29) মহাকাশযানে চেপে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (ISS) উদ্দেশ্যে তাঁর প্রথম মহাকাশ যাত্রা শুরু করতে চলেছেন।

    পালাক্কাদের সেই তিন ‘মহাকাশ বীর’ (Palakkad To Space)

    ড. অনিল মেনন (নাসা নভোচারী ও গবেষক)- আমেরিকায় বেড়ে উঠলেও ড. অনিল মেননের শিকড় কেরালার পালাক্কাদেই (Palakkad)। তাঁর বাবা ভারতীয় এবং মা ইউক্রেনীয়। অনিল একাধারে একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এবং মার্কিন স্পেস ফোর্সের কর্নেল। মহাকাশে যাওয়ার আগে তিনি ভারতের পোলিও নির্মূল অভিযানেও মাঠপর্যায়ে কাজ করেছিলেন। আগামী ১৫ জুলাই কাজাখস্তানের বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে দীর্ঘ ৮ মাসের এক বৈজ্ঞানিক মিশনের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন।

    আন্না মেনন (ইতিহাস সৃষ্টিকারী বাণিজ্যিক মহাকাশচারী)- ড. অনিল মেননের স্ত্রী আন্না মেনন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্পেসএক্সের (SpaceX) ঐতিহাসিক ‘পোলারিস ডাউন’ মিশনের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই ইতিহাস গড়েছেন। বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক স্পেসওয়াক (spacewalk) এবং পৃথিবী থেকে রেকর্ড দূরত্বে পাড়ি দেওয়া নারীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। বর্তমানে তিনি নাসার মহাকাশচারী হিসেবে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। অনিল ও আন্না বর্তমান বিশ্বের অন্যতম এক বিরল এবং সফল ‘মহাকাশচারী দম্পতি’।

    এয়ার কমোডোর প্রশান্ত বালকৃষ্ণ নায়ার (ভারতের গগনযান বীর)- গৌরবের মুকুটে সবচেয়ে বড় পালকটি হলেন ভারতের নিজস্ব ‘গগনযান’ মিশনের অন্যতম প্রধান মহাকাশচারী এয়ার কমোডোর প্রশান্ত বালকৃষ্ণ নায়ার। তিনিও পালাক্কাদেরই সন্তান। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর স্বপ্নের অন্যতম প্রধান মুখ তিনি।

    হিউস্টন থেকে পালাক্কাদ

    আমেরিকার হিউস্টনে প্রশিক্ষণের সময় অনিল মেনন এবং প্রশান্ত নায়ারের মধ্যে এক চমৎকার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। অনিলের এই ঐতিহাসিক যাত্রার প্রাক্কালে প্রশান্ত নায়ার ও তাঁর স্ত্রী (অভিনেত্রী লেনা) একটি অত্যন্ত আবেগঘন শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন। প্রশান্ত লিখেছেন, “ভাই অনিল এবং প্রিয় আন্না… এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে পারা অত্যন্ত আবেগপূর্ণ একটি বিষয়। ভারত এবং কেরালার মাটির সঙ্গে তোমাদের এই টান আমরা সবসময় মনে রাখব। তোমরা দুজনে মিলে সত্যিই একটি সম্পূর্ণ মহাকাশচারী পরিবার”।

    ভারতের মহাকাশ যাত্রার এক প্রতীকী বৃত্ত পূরণ

    মালয়ালি তথা সমগ্র ভারতবাসীর জন্য এই উদযাপনের আনন্দ আরও দ্বিগুণ। কারণ, ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘ইসরো’ (ISRO)-এর জন্ম হয়েছিল কেরালারই এক প্রত্যন্ত মাছ ধরার গ্রাম ‘থুম্বা’ (Thumba)-তে। আর আজ কেরালারই এক জেলা থেকে উঠে আসা তিন ব্যক্তিত্ব বৈশ্বিক মহাকাশ গবেষণার মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছেন। আমেরিকার নাসা, রাশিয়ার রশকমস কিংবা ভারতের ইসরো- সংস্থা যাই হোক না কেন, পালাক্কাদের এই তিন নক্ষত্র প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ রূপায়ণে ভারতের ভূমিকা এখন আর শুধু প্রযুক্তি সরবরাহে সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানব অভিযানের নেতৃত্বেও ভারত আজ প্রথম সারিতে।

  • Lindsey Graham: ভারতের উপর শুল্ক চাপাতে বলেছিলেন! ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ মার্কিন সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম প্রয়াত

    Lindsey Graham: ভারতের উপর শুল্ক চাপাতে বলেছিলেন! ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ মার্কিন সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম প্রয়াত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত মার্কিন সেনেটের দীর্ঘ দিনের সদস্য লিন্ডসে গ্রাহাম (Lindsey Graham)। বারাক ওবামার আমল থেকেই ইরান-বিরোধী নেতা হিসেবেই পরিচিত তিনি। সেই ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সংঘর্ষের আবহেই প্রয়াত হলেন রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। বয়স হয়েছিল ৭১। বেশ কিছু দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন গ্রাহাম। রবিবার গ্রাহামের কার্যালয়ের তরফে এক্স হ্যান্ডলে জানানো হয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় প্রবীণ নেতার মৃত্যু হয়েছে। প্রবীণ এই সেনেটর আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। গ্রাহামের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, ‘‘লিন্ডসে গ্রাহাম প্রকৃত আমেরিকাপ্রেমী ছিলেন।’’ তাঁর মৃত্যু ‘বড় ক্ষতি’ বলে বর্ণনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    ভারতের উপর শুল্ক চাপানোর পরামর্শ

    গ্রাহাম (US Senator Death) তাঁর কর্মজীবনে নানা সময়ে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন। তাঁর করা নানা মন্তব্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে সর্বস্তরে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি দাবি করেছিলেন, ‘উল্লেখযোগ্য ভাবে’ রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমিয়ে দিয়েছে ভারত। আর ভারতের এই পদক্ষেপের নেপথ্যে রয়েছে ট্রাম্পের শুল্কনীতি। গ্রাহামের দাবি, কী ভাবে একটা নীতিগত পদক্ষেপ বিভিন্ন দেশের কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করতে পারে, তার ‘ভাল উদাহরণ’ দিল্লির উপর আরোপিত ট্রাম্পের শুল্ক। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ভারতের উপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর কথা বলেছিলেন গ্রাহাম। তিনি দাবি করেছিলেন, ট্রাম্প এমন একটি বিলে (গ্রাহাম-ব্লুমেন্থাল নিষেধাজ্ঞা বিল) অনুমোদন দিয়েছেন, যা নিয়ে তিনি কয়েক দিন ধরে কাজ করছিলেন। এই বিল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এমন ক্ষমতা দেবে, যার বলে তিনি রাশিয়া থেকে তেল ক্রয়কারী ভারত-সহ দেশগুলির উপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পাবেন। এই শুল্ককে ‘শাস্তি’ হিসাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন রিপাবলিকান সেনেটর গ্রাহাম।

    ইরান-বিরোধী বলে পরিচিত

    ইরানের আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে ‘হত্যা’ করার পরামর্শও দিয়েছিলেন গ্রাহাম। ইরানে হামলার প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমি যদি মার্কিন প্রেসিডেন্টের জায়গায় থাকতাম, তবে যাঁরা গণহত্যা করছেন, তাঁদের খুন করতাম।’’ গ্রাহাম এ-ও দাবি করেছিলেন, ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনেইকে ‘হত্যা’ করলে পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফিরবে। গ্রাহাম পাকিস্তানের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এক্স পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘আমার কাছে এটা স্পষ্ট যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান অত্যন্ত সমস্যাজনক। ইজরায়েলের সঙ্গে তাদের শত্রুতা অনেক দিনের। এটা স্বীকার করতেই হবে পাকিস্তানের বিমান ঘাঁটিগুলিতে ইরানের সামরিক বিমান রাখা হচ্ছে।’’ প্রসঙ্গত, জুন মাসেই সেনেটে পঞ্চম বারের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন গ্রাহাম। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘উনি আমার দেখা অন্যতম সেরা ব্যক্তিত্ব এবং সেনেটর ছিলেন। লিন্ডসে একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ছিলেন, যিনি দেশের জন্য সবসময় কাজ করে গিয়েছেন। ওঁর কথা আমাদের সব সময়ে মনে পড়বে।’

  • Baruipur Incident: বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের পর হিংসায় উসকানির অভিযোগ, ধৃত সিপিএম নেতা লাহেক আলি

    Baruipur Incident: বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের পর হিংসায় উসকানির অভিযোগ, ধৃত সিপিএম নেতা লাহেক আলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুইপুর কাণ্ডে (Baruipur Incident) অশান্তিতে উস্কানির অভিযোগে গ্রেফতার সিপিএম নেতা লাহেক আলি। সূর্যপুরে অশান্তির ঘটনায় গ্রেফতার সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বারুইপুর পশ্চিম থেকে প্রার্থীও হয়েছিলেন তিনি। রবিবার ১২ জুলাই রাতে বারুইপুরে বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করা হয় লাহেক আলিকে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের সূর্যপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এলাকায়। সেই ঘটনার জেরে হওয়া বিক্ষোভে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে এবার গ্রেফতার হলেন স্থানীয় সিপিএম নেতা। এই ঘটনায় এই প্রথম কোনও রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত বাম নেতাকে আজ, সোমবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে।

    তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই গ্রেফতার

    পুলিশ সূত্রে খবর, সূর্যপুরের ঘটনার পর গত রবিবার এলাকায় তীব্র গণবিক্ষোভ শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা রাস্তা অবরোধ করেন এবং একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের ওপর চড়াও হন। দফায় দফায় ভাঙচুর চালানো হয় পুলিশের গাড়িতে। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মীও এই হামলায় জখম হন। অভিযোগ, ঘটনার দিন আন্দোলনের নামে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ানো এবং পুলিশের ওপর হামলায় সরাসরি উস্কানি দিয়েছিলেন সিপিএম নেতা লাহেক আলি। ঘটনার সময় তিনি সশরীরে সেখানে উপস্থিতও ছিলেন। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজ ও ঘটনার দিনের বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে এবং প্রাথমিক তদন্তে সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই লাহেক আলিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার (Baruipur violence) দিন আইজি প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ কঙ্করপ্রসাদ বারুইের পাশেও দেখা যায় এই লাহেক আলিকে। ঘটনার পর পুলিশ একটি এফআইআর করে। যেখানে সুজন চক্রবর্তী ও লাহেক আলি-লহ চারজনের নাম ছিল।

    কোন কোন ধারায় মামলা রুজু

    ধৃত সিপিএম নেতা লাহেক আলির বিরুদ্ধে বিএনএস- এর ২০টি ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। উস্কানি, প্ররোচনা, গন্ডগোল পাকানো, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ধারায় মামলা হয়েছে লাহেক আলির বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, লাহেক আলির বিরুদ্ধে রেলওয়ে অ্যাক্টেও মামলা দায়ের হয়েছে। অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, গণপিটুনিতে খুন, প্ররোচনা দেওয়া, বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা, প্রাণঘাতী অস্ত্র নিয়ে আসা, উস্কানি দেওয়া, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা-বিদ্বেষ ছড়ানো, জনসাধারণের সম্পত্তি নষ্ট করা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা, সরকারি কর্মচারীকে কাজে বাধা, সরকারি কর্মচারীর উপর হামলা, অপরাধমূলক ভয় দেখানো, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা, সংরক্ষিত সম্পত্তি নষ্ট করা, অবৈধ কাজ করা, রেলের সম্পত্তির ক্ষতি করা, রেলকর্মীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত – এই ধারাগুলিতে মামলা রুজু হয়েছে ধৃত লাহেক আলির বিরুদ্ধে।

  • FIFA World Cup 2026: ৯৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম! ফিফা তালিকায় শীর্ষ চার দল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে

    FIFA World Cup 2026: ৯৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম! ফিফা তালিকায় শীর্ষ চার দল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার ফিফা (FIFA) র‌্যাঙ্কিংয়ের প্রথম চারটি দল একসঙ্গে সেমিফাইনালে উঠল। ৪৮ দলের লড়াই, একাধিক আনকোরা দলের সঙ্গে ছিল রাউন্ড অফ ৩২-এর চ্যালেঞ্জ। কিন্তু এই চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে কোনও অঘটন ঘটল না বিশ্বকাপে। সেমি ফাইনালে প্রবেশ করল ফিফা (FIFA World Cup 2026) র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল—আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন এবং ইংল্যান্ড। সেমি ফাইনালে ওঠা চার দলই অতীতে অন্তত একবার করে বিশ্বকাপ জিতেছে। অর্থাৎ, এ বারও কোনও নতুন দল চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে না। চারটি প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল এবার শেষ চারে লড়বে শিরোপার জন্য। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি মাত্র তৃতীয়বার, যখন সেমি ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে চারটি বিশ্বকাপজয়ী দেশ। এর আগে ১৯৭০ এবং ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপেও একই ঘটনা ঘটেছিল।

    সেমিফাইনালের সূচি (ভারতীয় সময়)

    প্রথম সেমিফাইনাল:

    ফ্রান্স বনাম স্পেন

    তারিখ : ১৫ জুলাই (বুধবার)
    সময়: রাত ১২:৩০টা
    ভেন্যু: ডালাস স্টেডিয়াম

    দ্বিতীয় সেমিফাইনাল:

    ইংল্যান্ড বনাম আর্জেন্টিনা

    তারিখ : ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার)
    সময়: রাত ১২:৩০টা
    ভেন্যু: আটলান্টা স্টেডিয়াম

    বিশ্বজয়ের স্বপ্ন

    ৬০ বছর পর কেন, বেলিংহ্যামদের পায়ে আবার বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে ইংল্যান্ড। কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ ব্যবধানে নরওয়েকে হারায় ইংল্যান্ড। অন্যদিকে, সুইৎজারল্যান্ডকে ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছেন লিয়োনেল মেসিরা। আর্জেন্টিনার অধিনায়কের কথায়, “জয়ের পর সত্যিই খুব ভাল লাগছে। পরিশ্রম করে জিততে হয়েছে। আমরা জানতাম খুব কঠিন ম্যাচ হবে। কিন্তু এই ম্যাচ জেতার দরকার ছিল। আরও এক বার আমাদের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু এই দলটা কখনও বিশ্বাস করা থামায় না। আরও এক বার আমরা বিশ্বের সেরা চার দলের একজন।” মেসির সংযোজন, “জানি না আবার বিশ্বকাপ জিতব কি না। হওয়ার থাকলে নিশ্চয়ই হবে। গত বার জেতার আগে অনেক দিন বিশ্বকাপ পাইনি। তাই এখনকার প্রতিটা মুহূর্তকে উপভোগ করা দরকার।”

    বিশেষ নজরে কারা

    সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা খেলবে ইংল্যান্ডের সঙ্গে। দুই দেশের নকআউট ম্যাচের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এই ম্যাচেই ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোল রয়েছে দিয়েগো মারাদোনার। পরবর্তী প্রতিপক্ষকে নিয়ে মেসি বলেছেন, “ওই গোলের (মারাদোনা) সম্পর্ক যা কিছু জেনেছি তা সবই ভিডিয়ো বা ছবি দেখে। আর্জেন্টিনীয়রা নিয়মিত সেই ছবি দেখেন। তবে এই দলটা প্রতিপক্ষের কথা না ভেবেই ফুটবল খেলে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলা সব সময়েই আনন্দের। কারণ ওরা ফুটবলের মহাশক্তি। সেই রকম দলের বিরুদ্ধে খেলা সব সময়েই আনন্দের। প্রথম বার ওদের বিরুদ্ধে খেলব। ইংল্যান্ড ছাড়া সব দেশের বিরুদ্ধে খেলেছি। সেরা ছন্দে থেকে খেলার চেষ্টা করব।” বিশেষ নজর থাকবে লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপে, জুড বেলিংহ্যাম এবং লামিনে ইয়ামাল-এর মতো তারকাদের ওপর। বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে চার দলই নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে প্রস্তুত।

LinkedIn
Share