Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • PM Modi: “তাঁর সাহস ও দেশপ্রেম সর্বদা অনুপ্রেরণা জোগাবে”, বীর সাভারকরের জন্মজয়ন্তীতে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: “তাঁর সাহস ও দেশপ্রেম সর্বদা অনুপ্রেরণা জোগাবে”, বীর সাভারকরের জন্মজয়ন্তীতে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকরের জন্মজয়ন্তীতে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বীর সাভারকরের (Veer Savarkar) জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সাভারকরের অদম্য সাহস এবং দেশপ্রেম চিরকাল দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করবে।” একই সঙ্গে তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা এবং সমাজ সংস্কারের ওপর দেওয়া বিশেষ জোরের কথাও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বীর সাভারকারের জন্মদিনে অভিনন্দন জানিয়ে বিশেষ মন্তব্য করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’ (X)-এ প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “বীর সাভারকরের জয়ন্তীতে তাঁকে সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করি। তাঁর অসীম সাহস ও গভীর দেশপ্রেম প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে সর্বদা অনুপ্রেরণা জোগাবে। এর পাশাপাশি তাঁর অসামান্য বুদ্ধিমত্তা এবং সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অত্যন্ত স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ।”

    ‘অস্ত্র ও শাস্ত্রের উপাসক’, সাভারকরের বহুমুখী ব্যক্তিত্ব (PM Modi)

    শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা শেয়ার করেন। সেখানে তিনি বীর সাভারকরের (Veer Savarkar)  বহুমুখী প্রতিভার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ ২৮ মে, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী বীর সাভারকরের জন্মজয়ন্তী। তাঁর ত্যাগ, বীরত্ব এবং সংকল্প আমাদের অনবরত প্রেরণা দিয়ে চলেছে। সাভারকরজির ব্যক্তিত্ব ছিল অনন্য বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। তিনি একাধারে যেমন অস্ত্রের উপাসক ছিলেন, তেমনই ছিলেন শাস্ত্রের একনিষ্ঠ সাধক।” প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন, “সাভারকর কেবল একজন নির্ভীক সংগ্রামীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন শক্তিশালী কবি এবং দূরদর্শী সমাজ সংস্কারক, যিনি সমাজ থেকে অস্পৃশ্যতা ও ভেদাভেদ দূর করে জাতীয় ঐক্য ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন।”

    আন্দামানের ‘কালাপানি’ স্মৃতি রোমন্থন

    ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সেলুলার জেলে তাঁর সফরের আবেগঘন স্মৃতি স্মরণ করেন। যেখানে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা বীর সাভারকরকে কঠোর ‘কালাপানি’ বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়ে বন্দি করে রেখেছিল, জীবনের ২৫টি বছর জেল খেটেছেন । তাঁর ত্যাগ দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আবেগপূর্ণ কণ্ঠে বলেন, “আমি সেই দিনটির কথা কখনই ভুলতে পারব না, যখন আমি আন্দামানের সেই ঐতিহাসিক কারাগারে গিয়েছিলাম যেখানে বীর সাভারকরজি কালাপানির নির্মম নির্যাতন সহ্য করেছিলেন। সাভারকরজির ব্যক্তিত্ব ছিল অত্যন্ত বলিষ্ঠ এবং সুবিস্তৃত। তাঁর নির্ভীক ও আত্মমর্যাদাশীল স্বভাব কখনোই দাসত্বের মানসিকতার কাছে মাথা নত করেনি। দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর সর্বস্ব ত্যাগ ও অবদানকে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।”

    চন্দ্রনাথ বসুর হিন্দুত্বে প্রভাবিত

    উল্লেখ্য, ১৮৮৩ সালের ২৮ মে মহারাষ্ট্রের নাসিকে জন্মগ্রহণ করেন বিনায়ক দামোদর সাভারকর, যিনি দেশবাসীর কাছে ‘বীর সাভারকর’ (Veer Savarkar) নামে সমধিক পরিচিত। তিনি ছিলেন একাধারে বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী, রাজনীতিবিদ, আইনজীবী এবং লেখক। ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে ‘হিন্দুত্ব’ (Hindutva) শব্দটির প্রবক্তা হিসেবে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত এবং হিন্দু মহাসভার অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিলেন।

    লোকমান্য তিলকের আদর্শ তাঁকে গভীরভাবে করেছিল

    বিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন এবং পুনের ফার্গুসন কলেজে অধ্যায়নকালেও এই ধারা বজায় রাখেন। উনিশ শতকের বাঙালি চন্দ্রনাথ বসুর ১৮৯২ সালে লেখা “হিন্দুত্ব” গ্রন্থের দ্বারা ব্যাপক ভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিল বীর সাভারকার। একজন মারাঠার রক্তে গতি স্রোত বইয়ে দিয়েছিলেন চন্দ্রনাথ বসু। সেই সঙ্গে হিন্দুত্বের মধ্যে জাতীয়তাবাদী নেতা লোকমান্য তিলকের আদর্শ তাঁকে গভীরভাবে করেছিল। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যে আইন পড়ার সময় তিনি ‘ইন্ডিয়া হাউস’ এবং ‘ফ্রি ইন্ডিয়া সোসাইটি’-র মতো বিপ্লবী সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহকে কেন্দ্র করে তাঁর রচিত ‘দ্য ইন্ডিয়ান ওয়ার অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স’ বইটি তৎকালীন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ভারতের স্বাধীনতার জন্য তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর ত্যাগের কথা দেশজুরে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে আপমার দেশবাসী।

    “হিন্দু” শব্দটিকে শুধু ধর্মীয় পরিচয় হিসেবে নয়

    সভারকার স্বয়ং দয়ানন্দ সরস্বতী, স্বামী বিবেকানন্দ ও শ্রী অরবিন্দ সমাজ সংস্কার এবং হিন্দুধর্মকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার কাজ করেছিলেন। কিন্তু সাভারকর হিন্দু জাতীয়তাবাদের আরও কঠোর ও রাজনৈতিক একটি ধারণা তৈরি করেন। কারাগারে থাকার সময় সাভারকরের চিন্তাধারা ধীরে ধীরে হিন্দু সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদের দিকে চলে যায়। পরে তিনি পুরো জীবন এই ধারণা প্রচারে ব্যয় করেন। রত্নগিরি জেলে থাকাকালে তিনি “হিন্দুত্বের অপরিহার্যতা” নামে একটি বই লেখেন।

    এই বইয়ে তিনি “হিন্দু” শব্দটিকে শুধু ধর্মীয় পরিচয় হিসেবে নয়, বরং ভারতের প্রতি অনুগত মানুষের পরিচয় হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি মনে করতেন হিন্দু, শিখ, জৈন ও বৌদ্ধ সবাই একই সাংস্কৃতিক পরিবারের অংশ। তাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি “হিন্দু রাষ্ট্র” গঠন করা উচিত, যা পুরো ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে বিস্তৃত হবে।

    সাভারকর হিন্দু সমাজের অনেক পুরোনো রীতি ও কুসংস্কারের সমালোচনা করতেন। তিনি মনে করতেন এসব কারণে হিন্দু সমাজের উন্নতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে তিনি এটাও বিশ্বাস করতেন যে ধর্ম হিন্দু পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বর্ণপ্রথার বিরোধিতা করেছিলেন। ১৯৩১ সালে লেখা এক প্রবন্ধে তিনি বলেন, কঠোর বর্ণব্যবস্থা অতীতের এমন একটি প্রথা যা বাতিল করে দেওয়া উচিত। আজ দেশজুড়ে তাঁর জন্মজয়ন্তীতে হিন্দুত্বের জয় গান ধ্বনিত হচ্ছে সারা দেশব্যাপী।

  • Amit Shah: সীমান্তে কড়া অ্যাকশন অমিত শাহের, ১৫ কিমির মধ্যে সব অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ

    Amit Shah: সীমান্তে কড়া অ্যাকশন অমিত শাহের, ১৫ কিমির মধ্যে সব অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবার আরও কড়া অবস্থান নিল কেন্দ্র। সীমান্তের ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে গড়ে ওঠা সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাশাপাশি সীমান্ত জেলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেন, জাল আধার চক্র, মাদক পাচার, অনুপ্রবেশ এবং ভুয়ো সংস্থার বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাজস্থানের বিকানেরে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী জেলার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকে এই নির্দেশ দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা, রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিক, পাঁচ সীমান্ত জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপাররা। এই পাঁচ জেলা হল বিকানের, জয়সলমের, বারমের, শ্রীগঙ্গানগর এবং ফলোদি।

    ১৫ কিমি সীমান্ত এলাকায় অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ

    বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বেআইনিভাবে তৈরি হওয়া সমস্ত নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে। বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা এই ধরনের সমস্ত অবৈধ কাঠামো চিহ্নিত করে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ নির্মাণ অনেক সময় অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, বেআইনি আর্থিক লেনদেন এবং জঙ্গি কার্যকলাপের আড়াল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। তাই এই ধরনের নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    ব্যাঙ্ক লেনদেন ও ভুয়ো সংস্থার উপর কড়া নজর

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সীমান্তবর্তী জেলার জেলাশাসকদের আরও বেশি ক্ষমতা ও দায়িত্ব দিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় সমস্ত ব্যাঙ্কের আর্থিক লেনদেনের বৈধতা খতিয়ে দেখতে হবে। বিশেষ করে বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলির অর্থের উৎস যাচাই, ভুয়ো সংস্থা বা শেল কোম্পানি শনাক্ত করা, মিউল অ্যাকাউন্টের সন্ধান এবং জাল আধার কার্ড চক্র ধরতে হবে প্রশাসনকে। আধিকারিকদের মতে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অনেক সময় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অর্থ পাচার, জঙ্গি অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক চোরাচালান চালানো হয়। সেই কারণেই আর্থিক নজরদারিকে এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ করা হচ্ছে।

    মাদক পাচার ও অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

    বৈঠকে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিকে মাদক পাচার ও অপরাধ চক্রের উৎস, নেটওয়ার্ক এবং কার্যপদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাৎক্ষণিক অভিযান নয়, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের অপরাধ ফের মাথাচাড়া না দেয়, সেই লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান তৈরির উপর জোর দিয়েছেন শাহ। তিনি বলেন, ‘‘সীমান্ত সুরক্ষা শুধু নিরাপত্তা বাহিনীর কাজ নয়, এর সঙ্গে সাধারণ মানুষ, প্রশাসন এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকেও একযোগে কাজ করতে হবে। সেই কারণে প্রতিটি সীমান্ত জেলার জন্য ‘৩৬০ ডিগ্রি সিকিউরিটি কভার’ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’’

    বিএসএফ, এনসিবি ও কর দফতরের যৌথ সমন্বয়ের উপর জোর

    অমিত শাহ সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বিএসএফ, সিবিডিটি, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) এবং রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার, জমি দখল, জঙ্গি অর্থায়ন এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় যৌথ কৌশল গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম-২ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ

    সীমান্তবর্তী গ্রামের উন্নয়নেও জোর দিয়েছে কেন্দ্র। বৈঠকে ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম-২’ দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য সীমান্ত গ্রামের পরিকাঠামো উন্নয়ন, প্রশাসনিক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া, অর্থনৈতিক অপরাধ রোধ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। শাহ নির্দেশ দেন, সীমান্ত গ্রামের প্রতিটি পরিবার যাতে কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ ১০০ শতাংশ ‘স্যাচুরেশন’ নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

    সাইবার অপরাধ রুখতে ‘১৯৩০’ হেল্পলাইনের ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশ

    সাইবার অপরাধ মোকাবিলাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্দেশ দেন, জাতীয় সাইবার প্রতারণা হেল্পলাইন ‘১৯৩০’-এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সীমান্তবর্তী এলাকায় অনলাইন প্রতারণা, ডিজিটাল আর্থিক জালিয়াতি এবং সাইবার অপরাধ রুখতে এই ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করার কথা বলা হয়েছে।

    দু’মাস পর ফের পর্যালোচনা

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, আগামী দু’মাস পর এই সমস্ত নির্দেশের অগ্রগতি নিয়ে ফের পর্যালোচনা বৈঠক করা হবে। তাই প্রতিটি জেলাকে ফলপ্রসূ ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন অমিত শাহ। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান সীমান্ত ঘেঁষা রাজস্থানের মরু অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে মাদক পাচার, ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় কেন্দ্র এবার আরও কড়া নিরাপত্তা নীতি গ্রহণ করছে।

  • TMC Chairman: পাট ক্ষেতের মাটি খুঁড়ে পাঁচ বস্তায় কোটি কোটি টাকা উদ্ধার, বাদুড়িয়ার পুরপ্রধানের কীর্তিতে শোরগোল

    TMC Chairman: পাট ক্ষেতের মাটি খুঁড়ে পাঁচ বস্তায় কোটি কোটি টাকা উদ্ধার, বাদুড়িয়ার পুরপ্রধানের কীর্তিতে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাদুড়িয়ার (Baduria Municipality) পুরপ্রধান দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের (TMC Chairman) পাটের ক্ষেত থেকে মাটি খুঁড়ে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার করল পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যা থেকে শুরু করে রাতভর ব্যাঙ্ক এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে চলে টাকা গণনার কাজ। চার বার পুঙ্খানুপুঙ্খ গণনার পর অবশেষে বৃহস্পতিবার ভোরে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্ধারকৃত অর্থের পরিমাণ ২ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট ও অর্থ উদ্ধার (TMC Chairman)

    গত সোমবার বাদুড়িয়ার (Baduria Municipality) পুরপ্রধানকে (TMC Chairman) একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সময় তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছিল পুলিশ। মঙ্গলবার আদালত তাঁকে ছয় দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। এরপর বুধবার ধৃত দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল কার্যালয় সংলগ্ন একটি জমিতে অভিযানে যায় পুলিশ। সেখানেই পাটের খেতে মাটি খুঁড়ে ৪টি ট্রলি ব্যাগ এবং ১টি বস্তাভর্তি টাকা উদ্ধার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, ব্যাগগুলির ভেতরে ৫০০ টাকার নোটের বান্ডিল ঠাসা ছিল। প্রাথমিক অনুমানে ৮০ লক্ষ টাকার কথা ভাবা হলেও, পরবর্তীতে টাকার পরিমাণ এতটাই বেশি ছিল যে গণনার জন্য আধুনিক যন্ত্রের সাহায্য নিতে হয়।

    ত্রিপল ও পূর্ববর্তী অর্থ উদ্ধার

    উল্লেখ্য, সোমবার রাতে পুরপ্রধানকে (TMC Chairman) গ্রেফতারের পর বাদুড়িয়া পুরসভা পরিচালিত একটি পরিত্যক্ত কম্পিউটার সেন্টারেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেখান থেকে প্রায় ৪,০০০ সরকারি ত্রিপল এবং আরও ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

    তদন্তের মূল অভিমুখ

    বাদুরিয়ায় (Baduria Municipality) এত বিপুল পরিমাণ অর্থ কোথা থেকে এল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় মহলের একাংশের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। আবার অন্য অংশের দাবি, এই বিপুল অর্থ তোলাবাজির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে সবকটি দিক খতিয়ে দেখে তদন্তের পরিধি বাড়াচ্ছে।

    রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যথারীতি রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বাদুড়িয়ার (Baduria Municipality) পুরপ্রধানকে (TMC Chairman)  তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, “সবাই তো আর পার্থ চট্টোপাধ্যায় নন যে, বান্ধবীর ফ্ল্যাটে টাকা লুকিয়ে রাখবেন। ওই দলের অর্থাৎ তৃণমূল বহু নেতাকর্মী এত বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন যে, তা রাখার জায়গা খুঁজে পাচ্ছেন না। তাই এখন মাটির নিচে টাকা লুকাতে হচ্ছে।”

  • CM Suvendu Adhikari: অনুপ্রবেশ রুখতে বড় পদক্ষেপ! ৯ জেলায় বিএসএফের হাতে জমি তুলে দিল রাজ্য, কোথায় কত, ঘোষণা শুভেন্দুর

    CM Suvendu Adhikari: অনুপ্রবেশ রুখতে বড় পদক্ষেপ! ৯ জেলায় বিএসএফের হাতে জমি তুলে দিল রাজ্য, কোথায় কত, ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ও সীমান্ত চৌকি (আউটপোস্ট) তৈরির জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইতিমধ্যেই মোট ১৪২.৭৯ একর জমি সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর হাতে তুলে দিয়েছে বলে বুধবার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নতুন সরকার গঠনের পর সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেই প্রতিশ্রুতিরই অংশ হিসেবে এই জমি হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ একটি পোস্ট করে জানান, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে বিএসএফ আউটপোস্ট এবং কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করতে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নিরাপত্তা আরও মজবুত করতে বিএসএফ আউটপোস্ট ও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি দ্রুত হস্তান্তরের পদক্ষেপ নিয়েছে। অতিরিক্ত জমি হস্তান্তরের ফলে মোট জমির পরিমাণ দাঁড়াল ১৪২.৭৯ একর।”

    কোন জেলায় কত জমি দেওয়া হয়েছে

    মুখ্যমন্ত্রী জেলা-ভিত্তিক জমির পরিসংখ্যানও প্রকাশ করেছেন। সেই তালিকা অনুযায়ী—

    • ● কোচবিহার – ২২.৯৫ একর
    • ● জলপাইগুড়ি – ৩৫.১৬৫ একর
    • ● দার্জিলিং – ৮.৮১৫ একর
    • ● উত্তর দিনাজপুর – ২.৮৪ একর
    • ● দক্ষিণ দিনাজপুর – ২০.১৭০১ একর
    • ● মালদা – ১০.৯০ একর
    • ● মুর্শিদাবাদ – ৩৮.৮০৫ একর
    • ● নদিয়া – ০.৫৫ একর
    • ● উত্তর ২৪ পরগনা – ২.৬ একর

    সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তার ভিত্তিতেই ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফকে মোট ৫০০ একর জমি হস্তান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ১৪২.৭৯ একর জমি হস্তান্তর হওয়াকে সেই লক্ষ্যপূরণের পথে “গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন” বলে বর্ণনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    নতুন সরকারের প্রথম বড় সিদ্ধান্তগুলির একটি

    গত ১১ মে নতুন সরকার গঠনের পর অনুষ্ঠিত প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফকে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন যে, পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে জমি আটকে রেখেছিল, যার ফলে সীমান্তে অনুপ্রবেশ বেড়েছে। তিনি দাবি করেন, সীমান্ত সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েই বর্তমান সরকার দ্রুত প্রশাসনিক জট কাটিয়ে জমি হস্তান্তরের কাজ শুরু করেছে। সরকারের মতে, সীমান্তে বেড়া নির্মাণ সম্পূর্ণ হলে অবৈধ অনুপ্রবেশ, পাচার ও সীমান্ত অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে।

    কলকাতা হাইকোর্টের কড়া অবস্থান

    এর আগে, এই ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টও তৃণমূল পরিচালিত বিগত রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল। এপ্রিল মাসে প্রধান বিচারপতি সুজয় পল এবং বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ একটি মামলার শুনানিতে জানায়, কেন্দ্রীয় সরকার জমি অধিগ্রহণের টাকা দিলেও সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য জমি হস্তান্তর করা হয়নি। আদালত (তৎকালীন) রাজ্য সরকারের রিপোর্টে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের যুগ্ম অধিকর্তার উপর ব্যক্তিগতভাবে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, সীমান্ত সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশাসনিক গাফিলতি গ্রহণযোগ্য নয়। রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল ঘটতেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর করার বিষয়ে উদ্যোগী হয়ে ওঠে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার।

    ফাঁসিদেওয়ায় শুরু বেড়া নির্মাণের কাজ

    এরই মধ্যে শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়া এলাকায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর ২৭ কিলোমিটার জমি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার পর কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার ক্ষেত্রে এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, বহু বছর ধরে জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে এই কাজ আটকে ছিল। নতুন সরকারের হস্তক্ষেপের পর সেই জট কাটিয়ে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে।

    রাজ্যের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’ নীতি

    এদিকে সীমান্ত নিরাপত্তা ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপি সরকারের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ নীতির জেরে উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় বহু মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন ওই আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে অনথিভুক্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের উপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। বর্তমান সরকারের অনুপ্রবেশ বিরোধী কঠোর অবস্থানের পর পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে। বাংলাদেশিদের দাবি, আইনি জটিলতা ও পুলিশি অভিযানের ভয়ে রাজ্যের সাধারণ মানুষ ও বাড়ির মালিকরা এখন সতর্ক। যে সমস্ত বাড়ি বা বস্তি এলাকায় এই বাংলাদেশিরা এতদিন ভাড়াটে হিসেবে বসবাস করছিলেন, ভারতীয় বাড়ির মালিকরা আইনি ঝামেলার ভয়ে তাঁদের আর আশ্রয় দিতে চাইছেন না।

    ‘‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, রেশন পেতাম’’ বলছেন অবৈধ বাংলাদেশিরা!

    হাওড়ায় মোটরসাইকেল মেকানিক হিসেবে কাজ করা এক বাংলাদেশি নাগরিক জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজ পাওয়া যাচ্ছে না এবং স্থানীয়ভাবে থাকতে দেওয়া হচ্ছে না বলেই তিনি দেশে ফিরে যাচ্ছেন। তাঁর কথায়, “এখানে এখন অনেক সমস্যা চলছে। কাজ পাচ্ছি না, কেউ থাকতে দিচ্ছে না। দুই-তিন বছর আগে বাংলাদেশ থেকে এসেছিলাম। আধার বা রেশন কার্ড কিছুই ছিল না।” তিনি আরও জানান, তাঁদের সঙ্গে মোট দশজন এসেছিলেন, তবে বর্তমানে তিনিই একমাত্র ফিরে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের খুলনার বাসিন্দা মণিরুল শেখ বলেন, ‘‘চব্বিশে ভোট দিয়েছি। কিন্তু ছাব্বিশে সালে ভোট হল না। বাতিল হয়ে গেল। কিন্তু, আমার স্ত্রীর ভোটার কার্ড, আধার কার্ড হয়েছে৷ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, রেশন সমস্ত কিছুই পেতাম। এবার সরকার পরিবর্তন হল। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমাদের তারা থাকতে দেবে না। কারণ আমরা অনুপ্রবেশকারী। আমাদের এখন ভালোভাবে দেশে ফেরত পাঠালেই খুশি।’’

    জেলাগুলিতে তৈরি হবে হোল্ডিং সেন্টার

    এর মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতর সমস্ত জেলা শাসকদের নির্দেশ দিয়েছে, যাতে ধৃত বিদেশি নাগরিক এবং সাজা শেষ হওয়া সত্ত্বেও এখনও দেশে ফেরত পাঠানো যায়নি— এমন বিদেশিদের জন্য বিশেষ হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়।
    ২৩ মে জারি হওয়া সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (এমএইচএ) নির্দেশিকা মেনে বাংলাদেশি নাগরিক ও রোহিঙ্গা সহ অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের শনাক্তকরণ, আটক, পুনর্বাসন এবং প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি সূত্রে দাবি, সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, এই ইস্যুকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের উপর এর প্রভাব পড়ছে। সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং প্রশাসনিক তৎপরতা— এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতি আরও তপ্ত হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • Skin Problems: হিটওয়েভে বিপদে ত্বক! তীব্র গরমে ত্বকের কোন বিপদ বাড়ছে? কাদের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি?

    Skin Problems: হিটওয়েভে বিপদে ত্বক! তীব্র গরমে ত্বকের কোন বিপদ বাড়ছে? কাদের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ বাড়ছে! আবহাওয়ায় বাড়াচ্ছে অস্বস্তি! একাধিক শারীরিক সমস্যার মতোই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ত্বকের সমস্যা। শিশু থেকে বয়স্ক, এই গরমে ত্বকের সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগছেন। তীব্র গরমে তাই ত্বক নিয়ে বাড়তি সচেতন থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন ত্বক-বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, রোদের তাপ প্রচন্ড। তার সঙ্গে দিনভর ঘাম! সব মিলিয়ে একটা অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে। এই সময়ে ত্বকের সমস্যা দেখা দিলে, বাড়তি ভোগান্তি হবে। তাই ত্বক ভালো রাখতে কয়েকটি দিকে নজর রাখা জরুরি। তাহলে সহজেই ত্বকের ভোগান্তি কমানো যাবে।

    এই আবহাওয়ায় কী ধরনের সমস্যা হচ্ছে?

    ত্বকে ছড়াতে পারে ছত্রাক সংক্রমণ!

    ত্বক বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, প্রচন্ড গরমে ত্বকে নানা রকম ফ্যাঙ্গাল ইনফেকশন হয়। সাধারণত মহিলাদের এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। গরমে কুঁচকি, বগলের নীচে কিংবা স্তনের নীচে অতিরিক্ত ঘামের জেরে একধরনের ছত্রাক জন্মায়। যার ফলে শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। চুলকানি, লাল দাগ হয়। এমনকি সংক্রমণ বাড়লে ঘা হয়ে যেতে পারে। গরমে যাতে ত্বকে এই ধরনের সংক্রমণ না হয়, সেদিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি।

    সানবার্ন!

    দিনের বেশির ভাগ সময় যাদের বাড়ির বাইরে থাকতে হচ্ছে, তাদের সানবার্নের মতো‌ ত্বকের সমস্যা হতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রচন্ড রোদের মধ্যে থাকলে ত্বক পুড়ে যায়। এর ফলে ত্বকের রং পরিবর্তন হয়। তাছাড়া, ত্বকের উপরে একটা কালো আস্তরণ পড়ে। এর জেরে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। ত্বকের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হয়।

    ঘামাচির ভোগান্তি বাড়ে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরমে সবচেয়ে বড় ত্বকের সমস্যা হলো ঘামাচি। ছোটো ছোটো লাল ফুসকুড়ি শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। অতিরিক্ত ঘাম থেকেই এই ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই সমস্যা শিশুদের সবচেয়ে বেশি হয়। কারণ, শিশুরা অতিরিক্ত দৌড়াদৌড়ি করে। এর ফলে ঘাম হয়। তার ফলেই ত্বকে এই ধরনের সমস্যা তৈরি হয়।

    ব্রণর সমস্যা বেড়ে যায়!

    ত্বক বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, অনেকেই ব্রনের সমস্যায় ভোগেন। এই আবহাওয়ায় সেই ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই সময়ে অতিরিক্ত ঘাম। ত্বকের মধ্যে তেল ভাব বেশি হয়। এই তৈলাক্ত ত্বক ব্রণর সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।

    ডিহাইড্রেশন ত্বকের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি বিপদ বাড়ায় ডিহাইড্রেশন। অর্থাৎ, শরীরে জলের ঘাটতি দেখা যায়। অতিরিক্ত তাপপ্রবাহ এবং ঘামের জেরে শরীরে জলের ঘাটতি হয়। তার ফলে ত্বকের একাধিক সমস্যা তৈরি হয়। ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বকের আদ্রতা কমে। ফলে ত্বকে নানান অ্যালার্জি হতে পারে।

    এই আবহাওয়ায় কীভাবে ত্বকের ভোগান্তি কমবে?

    ঘরোয়া ডিটক্স ওয়াটার কমাবে বিপদ!

    ত্বক বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়া মোকাবিলায় সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ডিটক্স ওয়াটার। তাঁদের পরামর্শ, ঘরোয়া সহজ পদ্ধতিতে তৈরি ডিটক্স ওয়াটার বড় বিপদ আটকাতে সাহায্য করবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, দু’লিটার জলের মধ্যে কুচানো আদা, একটি পাতিলেবুর রস এবং একটি আমলকি মিশিয়ে রাখতে হবে। সারাদিন ওই জল মাঝেমধ্যে খেলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদা পূরণ হবে। এই আবহাওয়ায় অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরে যে ধরনের সমস্যা হচ্ছে, সেগুলো মোকাবিলা করা সহজ হবে।

    পর্যাপ্ত পরিমাণ জল ও রসালো ফল খাওয়া জরুরি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,এই আবহাওয়ায় শরীরে জলের ঘাটতি যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা সবচেয়ে জরুরি। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়া দরকার। প্রাপ্ত বয়স্কদের নিয়মিত চার লিটার জল খাওয়া জরুরি। ছোটোদের অন্তত তিন লিটার জল খাওয়া প্রয়োজন। এর পাশপাশি ডাব, তরমুজ, আমের মতো রসালো ফল খাওয়া জরুরি। এতে শরীরে জলের চাহিদা মেটায়।‌ ফলে ত্বকের শুষ্কতা কমে।

    সানস্ক্রিন ব্যবহার অপরিহার্য!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রোদে ত্বক পুড়ে যাওয়ার পাশপাশি ত্বকের একাধিক দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই রোদে বাইরে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার অপরিহার্য। তাঁদের পরামর্শ, বাচ্চা থেকে বয়স্ক, সকলের উচিত বাইরে যাওয়ার আগে হাতে, মুখের যে অংশে রোদ লাগতে পারে, সেখানে ভালোভাবে সানস্ক্রিন লাগিয়ে তারপরে বাইরে যাওয়া। আবার, দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে প্রতি তিন ঘণ্টা অন্তর সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।

    গরমে অতিরিক্ত মেকআপ ব্যবহার করা উচিত নয়!

    ত্বক বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় অতিরিক্ত মেকআপ করা উচিত নয়। অনেক সময়েই অতিরিক্ত মেকআপ করলে ঘাম আরও বেশি হয়। এই গরমে যা ত্বকের বাড়তি ক্ষতি করবে!

    দিনে একাধিকবার ত্বক পরিষ্কার করা জরুরি!

    চিকিৎসকদের, একাংশ জানাচ্ছেন, দিনে একাধিকবার ত্বক পরিষ্কার করা জরুরি। বিশেষত যারা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করছেন, ঘাম বেশি হচ্ছে, তাদের বারবার পরিষ্কার জলে ত্বক ধুয়ে ফেলতে হবে। শরীরে বেশি সময় ঘাম থাকলেই ত্বকে অ্যালার্জি, ছত্রাক সংক্রমণের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই দিনে বারবার শরীর পরিচ্ছন্ন রাখলে এই ধরনের সমস্যা এড়ানো সহজ হবে।

    হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার জরুরি!

    গরমে ত্বক তেলতেলে মনে হলেও, ঘাম হলেও নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার জরুরি বলেই জানাচ্ছেন ত্বক বিশেষজ্ঞেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, হালকা ময়েশ্চারাইজার নিয়মিত রাতে ব্যবহার করলে এই গরমে ত্বকের শুষ্ক ভাব এড়ানো সহজ হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Anik Dutta: টলিউডে শোকের ছায়া, গরমের দুপুরে ছাদ থেকে পড়ে রহস্যজনক মৃত্যু পরিচালক অনীক দত্তের

    Anik Dutta: টলিউডে শোকের ছায়া, গরমের দুপুরে ছাদ থেকে পড়ে রহস্যজনক মৃত্যু পরিচালক অনীক দত্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টলিউডে ফের শোকের ছায়া। বুধবার দুপুরে আচমকাই ছড়িয়ে পড়ে খবর— গড়িয়াহাটের বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন পরিচালক অনীক দত্ত (Anik Dutta)। প্রথমে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জানা যায়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কী করে ছাদ থেকে পড়ে গেলেন অনীক, নেহাত দুর্ঘটনা, না কি অন্য কিছু, এখনও স্পষ্ট নয়। ভরদুপুরে তিনি ছাদে উঠেছিলেন কেন, তাও জানা যায়নি। গড়িয়াহাট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পরিচালকের মৃত্যুকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।

    কীভাবে ঘটে দুর্ঘটনা

    বুধবার দুপুরে বহুতলের ছ’তলার ছাদ থেকে পড়ে যান তিনি। বহুতলের গা ঘেঁষে থাকা একটি গাছের ডালও ভেঙে যায়। ছাদ থেকে পড়ার সময় অনীক ওই গাছে ধাক্কা খান বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনার সময় বাড়িতেই ছিলেন অনীকের স্ত্রী। তবে অনীক দুর্ঘটনাবশত পড়ে যান, না কি নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ ছিল, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। (Anik Dutta Dies)হাসপাতাল সূত্রে খবর, হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই মারা যান অনীক। তাঁর সারা শরীরে চাপ চাপ রক্ত ছিল। মাথায়, কাঁধে, বুকে আঘাত ছিল তাঁর। তাঁকে এমার্জেন্সিতে নিয়ে যাওয়া হলেও, মারা যান। অনীকের স্ত্রী হাসপাতালে রয়েছেন। মেয়ে আসছেন মুম্বই থেকে। দুপুর ৩টে বেজে গিয়েছে বলে আজ ময়নাতদন্ত হবে না। দেহ সংরক্ষণ করা হবে। ময়নাতদন্ত হবে কাল। দেহ নিয়ে কী হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে মেয়ে এসে পৌঁছনোর পর। গড়িয়াহাট থানার একটি টিমও হাসপাতালে রয়েছে। যে চিকিৎসক প্রথন অনীককে দেখেন, জিজ্ঞাসাবাদ কার হবে তাঁকেও।

    বাংলা সিনেমায় ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনা

    বাংলা সিনেমায় ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনা এবং তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনার জন্য আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন অনীক দত্ত (Anik Dutta)। বিজ্ঞাপনের জগৎ থেকে চলচ্চিত্র পরিচালনায় আসা অনীক দত্ত ২০১২ সালে ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ ছবির মাধ্যমে পরিচালনায় আত্মপ্রকাশ করেন। মুক্তির পরই ছবিটি দর্শকমহলে বিপুল সাড়া ফেলে। ভৌতিক আবহের আড়ালে সমাজ ও সময়কে ব্যঙ্গ করার অভিনব ভাষা তাঁকে বাংলা ছবির অন্যতম স্বতন্ত্র নির্মাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেয়। এরপর একে একে তিনি পরিচালনা করেন ‘আশ্চর্য প্রদীপ’, ‘মেঘনাদবধ রহস্য’, ‘বরুণবাবুর বন্ধু’, ‘অপরাজিত’-র মতো একাধিক আলোচিত ছবি। সত্যজিৎ রায়কে শ্রদ্ধা জানিয়ে তৈরি ‘অপরাজিত’ বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছিল দর্শক ও সমালোচক মহলে। তাঁর ছবিতে বারবার উঠে এসেছে মধ্যবিত্ত বাঙালির মনন, সামাজিক টানাপোড়েন এবং সূক্ষ্ম রসবোধ। কেরিয়ারে মোট আটটি ছবি পরিচালনা করেন অনীক দত্ত। তাঁর শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’, যা ২০২৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল। কাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং নিজস্ব ঘরানার জন্য বরাবরই আলাদা মর্যাদা পেয়েছিলেন তিনি। সুদীর্ঘ কেরিয়ারে একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন অনীক। সেই তালিকায় রয়েছে ‘আনন্দলোক পুরস্কার’, ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড’।

  • TMC MLA Dilip Mandal: পুরী থেকে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল, আদালতের নির্দেশে নজিরবিহীন পদক্ষেপ

    TMC MLA Dilip Mandal: পুরী থেকে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল, আদালতের নির্দেশে নজিরবিহীন পদক্ষেপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলকে (TMC MLA Dilip Mandal) ওড়িশার পুরী থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশের পর এই নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেওয়া হল। আদালতের কড়া নির্দেশের পরই রাজ্য পুলিশের একটি বিশেষ দল (STF) ওড়িশায় গিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করেছে। আজ, বুধবারই তাঁকে কলকাতায় ফিরিয়ে এনে আলিপুর আদালতে হাজির করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

    মূল ঘটনা ও আইনি জটিলতা (TMC MLA Dilip Mandal)

    বিষ্ণুপুর বিধানসভা কেন্দ্রের এক বাসিন্দার দায়ের করা জমি সংক্রান্ত মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু বারবার সমন পাঠানো সত্ত্বেও তিনি আদালতে উপস্থিত হননি। বিধায়কের এই আচরণকে আদালত অবমাননা হিসেবে গণ্য করে বিচারপতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

    উল্লেখ্য দক্ষিণ ২৪ পরগনার তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল বিজয় মিছিল করার সময়ে মাইকে বলেছিলেন, “এলাকার বিজেপি কর্মীদের বাড়িঘর এবং সম্পত্তি জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করে দেবো। যাঁরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছে বা বিজেপির হয়ে কাজ করেছে,তাঁদের বিষ্ণুপুর এলাকায় থাকতে দেওয়া হবে না।” তারপর অভিযোগ দায়ের হয় থানায়।

    আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও জনপ্রতিনিধি আইনের ঊর্ধ্বে নন। এর পরেই ডিভিশন বেঞ্চের পক্ষ থেকে অবমাননার দায়ে বিধায়কের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা (Non-Bailable Warrant) জারি করা হয় এবং রাজ্য পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    পুরীর হোটেল থেকে গ্রেফতার

    দিলীপ মণ্ডলের ছেলেকে গ্রেফতার করে  জিজ্ঞাসাবাদ করতেই  একাধিক আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীর ফোন নম্বর হাতে পান তদন্তকারীরা । সেই সূত্র ধরে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ শুরু হয় । তদন্তকারীরা ধীরে ধীরে নিশ্চিত হন যে দিলীপ মণ্ডল রাজ্যের বাইরে কোথাও আত্মগোপন করে রয়েছেন । প্রথম দিকে তাঁর অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও পরে মোবাইল ফোনের লোকেশন ও যোগাযোগের সূত্র ধরে তদন্তকারীরা জানতে পারেন ওড়িশায় রয়েছেন। আদালতের নির্দেশের পর পুলিশ বিধায়কের (TMC MLA Dilip Mandal) অবস্থান চিহ্নিত করতে তদন্ত শুরু করে। জানা যায়, তিনি সপরিবারে ওড়িশার পুরীর ব্লুলিলি নামক একটি হোটেলে আত্মগোপন ছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশের একটি বিশেষ দল পুরী পৌঁছায় এবং স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

    তৃণমূল বিধায়কের এই গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে বর্তমান রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তিনি ভোটে জিতে প্রকাশ্যে মাইক লাগিয়ে বিজেপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন। যদিও এই বিষয়ে শাসকদলের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলি এই ঘটনাকে স্বাগত জানিয়ে দাবি করেছে যে, আইন সবার জন্য সমান—তা এই পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো।

  • IPL 2026: দুর্গাপুজোর সময় আইপিএল! তীব্র গরম থেকে ক্রিকেটারদের স্বস্তি দিতে ভাবনা বিসিসিআই-এর

    IPL 2026: দুর্গাপুজোর সময় আইপিএল! তীব্র গরম থেকে ক্রিকেটারদের স্বস্তি দিতে ভাবনা বিসিসিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর থেকে দুর্গাপুজোর সময় হতে পারে আইপিএল (IPL 2026)। বদলে যেতে পারে আইপিএলের সময়। দীর্ঘ দিন ধরেই মার্চে শুরু হয় প্রতিযোগিতা। তা ছ’মাস পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। দু’টি কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে বোর্ড। এমনটাই জানিয়েছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল। আপাতত অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। বরাবরই মার্চ থেকে মে – দেড়মাস হয় আইপিএল। তবে ২০২০ ও ২০২১ সালে কোভিডকালে সেপ্টেম্বরে আয়োজিত হয়েছিল আইপিএল। খুব সম্ভবত ওই সময়েই এবার থেকে আয়োজন করা হতে পারে আইপিএল। প্রবল গরম ও ক্রিকেটারদের অত্যধিক ক্লান্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ।

    কেন পিছোচ্ছে সময়

    আইপিএলের গোড়া থেকেই মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত আইপিএল আয়োজন করা হয়। মাঝে ২০২০ ও ২০২১ সালে করোনার কারণে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে হয়েছিল আইপিএল। তবে সব ঠিক থাকলে পাকাপাকি ভাবে ওই সময়েই আইপিএল আয়োজন করা হতে পারে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রবল গরম এবং ক্রিকেটারদের ক্লান্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ধুমলের মতে, প্রতিযোগিতার সময় পিছোনোর জন্য কোনও চাপ রয়েছে এমন নয়। তা ছাড়া অনুমতি পেতে হবে সম্প্রচারকারী চ্যানেল এবং আইসিসি-রও। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আইপিএল আয়োজন করা হলে সেই সময় উৎসবের মেজাজে থাকা সমর্থকদের বেশি সংখ্যায় মাঠে টেনে আনা যাবে বলে মত বোর্ডকর্তাদের। ওই সময়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে দুর্গাপুজো, দশেরা, দীপাবলি হয়। ধুমল বলেছেন, “প্রতিযোগিতা কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে সম্প্রচারকারী চ্যানেলের সঙ্গে বৈঠক করে ওদের মতামত জানতে হবে। একটা পরামর্শ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আইপিএল হতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে সময়টা খুবই ভাল। কারণ দীপাবলির ঠিক আগে আইপিএল হবে। এর পরের দ্বিপাক্ষিক সূচি দেখতে হবে আমাদের। সেই সময় আইপিএল করা যায় কি না তা বুঝতে হবে।”

    আইসিসি-কেও সূচি বদলাতে হবে

    ধুমল আরও জানান, আইপিএল শুধুমাত্র বিসিসিআই-এর ওপর নির্ভর করে না। যেহেতু এই প্রতিযোগিতায় অনেক বিদেশী প্লেয়াররা খেলে, তাই আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গেও কথা বলা দরকার। আইপিএলের সময়ে কোনও ক্রিকেট ম্যাচ রাখে না আইসিসি, যাতে সব দেশের ক্রিকেটারেরা অংশ নিতে পারেন। আইপিএলের সময় বদলালে আইসিসি-কেও সূচি বদলাতে হবে। এই মুহূর্তে আইপিএল খেলে মোট ১০ দল। ২০২২ সালে যোগ হয়েছে দুই নতুন দল, গুজরাট টাইটান্স ও লখনৌ সুপার জায়েন্টস। মোট ম্যাচ সংখ্যা ৭৪। এই ৭৪ ম্যাচ খেলা হয় দুই মাস জুড়ে। তবে যদি আইপিএল পিছিয়ে দুর্গাপুজোর সময় অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে বিশ্ব ক্রিকেটেও এর প্রভাব পড়বে। তবে যেহেতু বর্তমান সময়ে প্রচন্ড গরমের কারণে প্লেয়ারদের স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ছে, তাই এই বিষয়ে ভেবে দেখতে পারে আইসিসিও।

  • Municipal elections: রাজ্যে পুরভোটের প্রস্তুতি, নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন করতে তৎপর শুভেন্দুর সরকার

    Municipal elections: রাজ্যে পুরভোটের প্রস্তুতি, নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন করতে তৎপর শুভেন্দুর সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজ্যে পুরভোটের (Municipal elections) প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। কলকাতা সহ রাজ্যের সমস্ত পুরসভা ও পুরনিগমগুলির নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই প্রশাসনকে কোমর বেঁধে নামার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যেই এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইছে নতুন সরকার। এই লক্ষ্যে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) এবং আসন সংরক্ষণের (রিজার্ভেশন) কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে, আগামী নভেম্বর মাসেই কলকাতায় পুর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

    নির্বাচন কমিশনের শূন্যতা ও বড় চ্যালেঞ্জ (Municipal elections)

    আগামী ৯ মাসের মধ্যে রাজ্যের মোট ১২৭টি পুরসভার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। নতুন রাজ্য সরকারের পক্ষে এই বিপুল কর্মযজ্ঞ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুচারুভাবে সম্পন্ন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর প্রধান কারণ হল, রাজ্য নির্বাচন কমিশন এই মুহূর্তে কার্যত নেতৃত্বহীন। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তৎকালীন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা পদত্যাগ করার পর থেকে এই পদটি এখনও শূন্য রয়েছে।

    তাছাড়া, সম্প্রতি এক নির্দেশিকার মাধ্যমে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব নীলাঞ্জন শাণ্ডিল্যের মেয়াদ বৃদ্ধি বাতিল করা হয়েছে। রাজ্যে নতুন সরকার গঠন এবং শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর, নির্দেশ মোতাবেক তিনি পদত্যাগ করেছেন। বর্তমানে কমিশনে যুগ্ম সচিব পর্যায়ের কোনও আধিকারিকও কর্মরত নেই। এই প্রশাসনিক শূন্যতার মধ্যে কীভাবে দ্রুত সীমানা পুনর্গঠন ও ভোটপ্রক্রিয়া চালানো সম্ভব, তা নিয়ে নবান্নের অন্দরে চিন্তাভাবনা চলছে।

    দীর্ঘদিনের বকেয়া ভোট ও হাওড়া প্রসঙ্গ

    বর্তমানে রাজ্যের ১২টি জেলার মোট ১৫টি পুরসভায় (Municipal elections) কোনও নির্বাচিত বোর্ড নেই। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে প্রশাসকের মাধ্যমেই নাগরিক পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত এলাকাটি হলো হাওড়া, যেখানে বিগত ১৩ বছর ধরে কোনও পুর নির্বাচন হয়নি। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পরেই এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে বসেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, “হাওড়ার নির্বাচন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর (CM Suvendu Adhikari) সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শুধু হাওড়া নয়, রাজ্যের সব ক’টি পুরসভার নির্বাচন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন।”

    বহু পুরসভায় বকেয়া ভোট…

    উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই হাওড়ার নিউ কালেক্টরেট ভবনে আয়োজিত এক প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে, প্রায় এক দশক ধরে হাওড়া পুরসভায় নির্বাচন না হওয়ায় নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছিল। তাই ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ দ্রুত শেষ করে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই হাওড়া ও বালি পুরসভায় ভোট গ্রহণ করা হবে। হাওড়া ছাড়াও ২০১৭ সালের পর থেকে রাজ্যের যে সমস্ত পুরসভায় দীর্ঘদিন নির্বাচন (Municipal elections) বকেয়া রয়েছে, সেই তালিকায় রয়েছে— দুর্গাপুর পুরনিগম, ডোমকল, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, কার্শিয়াং, মিরিক, কালিম্পং, পাঁশকুড়া, হলদিয়া, কুপার্স ক্যাম্প, নলহাটি এবং ধূপগুড়ি পুরসভা।

    রাজনৈতিক সমীকরণ ও নবান্নের কড়া বার্তা

    অন্য দিকে, বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে থাকা পুরবোর্ডগুলিতে (Municipal elections) ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত সোমবার দুপুরে ডায়মন্ড হারবার পুরসভায় এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেখানে পুরসভার চেয়ারম্যানের কাছে একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন তৃণমূলের ৮ জন কাউন্সিলর। এই ধরনের রাজনৈতিক ডামাডোলের জেরে যে সমস্ত পুরবোর্ড ভেঙে যাচ্ছে বা সংখ্যালঘু হয়ে পড়ছে, সেখানে সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে অবিলম্বে সরকারি প্রশাসক নিয়োগের স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।

  • Suvendu Adhikari: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মন্দিরের ১ কিলোমিটারের মধ্যে মদের দোকান নিষিদ্ধ, সাফ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মন্দিরের ১ কিলোমিটারের মধ্যে মদের দোকান নিষিদ্ধ, সাফ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সমস্ত ধর্মীয় উপাসনালয়, যথা মঠ-মন্দির এবং স্কুল-কলেজসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক কিলোমিটার পরিধির মধ্যে কোনও মদের দোকান রাখা যাবে না। মঙ্গলবার কল্যাণীতে একটি প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, ভবিষ্যতে এই নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে নতুন কোনও মদের দোকানের লাইসেন্সও (Liquor Policy) দেওয়া হবে না। ফলে নতুন করে মদের লাইসেন্স দিতে সরকার আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলছে।

    রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই কাজ (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমাদের সরকারের প্রধান লক্ষ্য হল রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা; কোনও শাসকের খেয়ালখুশির আইন এখানে চলবে না।” তিনি আরও জানান, “প্রশাসনকে আরও গতিশীল করতে এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতে জেলাভিত্তিক এই প্রশাসনিক বৈঠকগুলো অত্যন্ত ফলপ্রসূ হচ্ছে। আগামী দিনে কোলাঘাট, বারাসত, মালদাসহ বিভিন্ন জেলায় এ ধরনের বৈঠক করা হবে।”

    কোনও রকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না

    সূত্রের খবর, এই বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) পুলিশ প্রশাসনকে অনলাইন লটারি এবং অবৈধ চোলাই মদের কারবারের বিরুদ্ধে  কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জনকল্যাণের কাজে প্রশাসনের কোনও রকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন। উল্লেখ্য তৃণমূলের শাসনে রাজ্যে আয়ের প্রধান উৎস ছিল আবগারি দফতর (Liquor Policy) এবং মদ বিক্রি । টাকার বিনিময়ে প্রচুর লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে রাজ্যে। ব্যাপক পরিমাণে মদ বিক্রির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। যুব সমাজকে মদে মজিয়ে রখেছে বলে অভিযোগও তুলেছে বিজেপির একাংশ। দুর্গাপুজো, কালীপুজোতে মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে রেকর্ড পরিমাণে মদ বিক্রির পরিসংখ্যান পাওয়া গিয়েছিল। তাই তৃণমূলের দেখানো পথে বিজেপি আর হাটবে না। আপাতত মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতিতে এটাই স্পষ্ট যে  গত সরকারের চেয়ে আলাদা নীতি নিয়ে চলবে নতুন সরকার।

LinkedIn
Share