Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Pakistan: পাকিস্তানের ১৫,০০০ শ্রমিকের পাসপোর্টে ‘জেল খাটা’ ও ‘পলাতক’ তকমা, ফেরত পাঠাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত

    Pakistan: পাকিস্তানের ১৫,০০০ শ্রমিকের পাসপোর্টে ‘জেল খাটা’ ও ‘পলাতক’ তকমা, ফেরত পাঠাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) থেকে গণহারে পাকিস্তানি শ্রমিকদের ফেরত পাঠানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ এবং অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমে প্রায় ১৫,০০০ পাকিস্তানি (Pakistan) শ্রমিককে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে জানা গিয়েছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হল, এই শ্রমিকদের পাসপোর্টে ‘জেল খাটা’ (Jailed) এবং ‘পলাতক’ (Absconding)-এর মতো নেতিবাচক সিল মেরে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে ভবিষ্যতে তাঁদের অন্য কোনও দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই নিয়ে বিশ্বদরবারে পাকনাগরিকদের ফের আরও একবার মুখপুড়ল।

    ঘটনার নেপথ্যে আসিম মুনিরের ইরান নীতি(Pakistan)?

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গণ-ডিপোর্টেশনের পেছনে শুধুমাত্র প্রশাসনিক কারণ নেই, বরং এর গভীরে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ। পাকিস্তানের (Pakistan) সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সাম্প্রতিক ইরান নীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের (UAE) দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন এর অন্যতম কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরান ও পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    শ্রমিকদের ওপর প্রভাব

    যেসব শ্রমিকদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের অধিকাংশেরই অভিযোগ যে তাঁদের কোনও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। পাসপোর্টে ‘পলাতক’ বা ‘অপরাধী’ তকমা লাগিয়ে দেওয়ার ফলে এই বিশাল সংখ্যক মানুষ এখন কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। পাকিস্তানের (Pakistan) বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম উৎস হল রেমিট্যান্স, আর মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা এই অর্থ। এবার সেই অর্থ কমে গেলে পাকিস্তানের (UAE) নড়বড়ে অর্থনীতি আরও বড় সংকটের মুখে পড়বে।

    নিরাপত্তা ও আইনি জটিলতা

    সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিসার নিয়ম লঙ্ঘন এবং নিরাপত্তার কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান যেভাবে ইরানের সঙ্গে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বৃদ্ধি করছে, তার পাল্টা জবাব হিসেবেই আমিরাত এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের (UAE) দেশগুলো এখন পাকিস্তানের (Pakistan) ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে তাদের বিদেশ নীতি পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে।

    পাকিস্তান সরকারের নীরবতা

    এই বিশাল সংকটের মুখেও পাকিস্তান (Pakistan) সরকার বা সে দেশের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও জোরালো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। লক্ষাধিক শ্রমিকের ভবিষ্যৎ যখন অন্ধকারে, তখন সেনাপ্রধানের কৌশলগত অবস্থান পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের রুটিরুজিতে টান দিচ্ছে বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল (UAE)। এই পরিস্থিতি পাকিস্তান ও আরব বিশ্বের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর এক বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছ।

  • Prateek Yadavs Death: ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার কারণেই অখিলেশের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের মৃত্যু, জানাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

    Prateek Yadavs Death: ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার কারণেই অখিলেশের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের মৃত্যু, জানাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লখনউতে (Lucknow)সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত মুলায়ম সিং যাদবের ছোট ছেলে এবং অখিলেশ যাদবের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের (৩৮) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই মৃত্যুর (Prateek Yadavs Death) প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তে স্পষ্ট হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে তাঁর ফুসফুসের ধমনীতে বড় ধরনের রক্ত জমাট বাঁধার (Pulmonary Thromboembolism) ফলে হৃদযন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্র বিকল হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সপা নেতা অখিলেশের ভাইয়ের মত্যু নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    মৃত্যুর কারণ (Prateek Yadavs Death)

    চিকিৎসকদের মতে, একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘কার্ডিওরেসপিরেটরি কলাপ্স’ বলা হয়। ফুসফুসের রক্তনালীতে বড় কোনও বাধা বা রক্ত জমাট বাঁধার কারণে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে প্রতীকের (Prateek Yadavs Death) মুহূর্তের মধ্যে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং হৃদস্পন্দন থেমে যায়। এরপর মৃত্যু হয় প্রতীকের।

    অ্যান্টিমর্টেম ইনজুরি

    ময়নাতদন্তে প্রতীকের শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা মৃত্যুর আগের (Antemortem)। তবে সেই আঘাতগুলি কতটা গুরুতর বা মৃত্যুর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কি না, তা চূড়ান্ত ফরেনসিক পরীক্ষার পরই জানা যাবে।

    নমুনা সংরক্ষণ

    প্রতীকের হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুস থেকে পাওয়া জমাটবদ্ধ রক্ত বিশেষ রাসায়নিকের (Formalin) মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়েছে বিশদ পরীক্ষার (Histopathological Examination) জন্য। এছাড়া বিষক্রিয়া বা অন্য কোনও অভ্যন্তরীণ কারণ ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে ‘ভিসেরা’ (Viscera) নমুনাও ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

    ফিটনেস সচেতন ছিলেন

    বুধবার ভোরে লখনউতে (Lucknow) প্রতীকের শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হলে প্রতীককে (Prateek Yadavs Death) সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ফিটনেস সচেতন হিসেবে পরিচিত প্রতীকের এই আকস্মিক মৃত্যুতে উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে শাসক বিরোধীদের তকমায় রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলেও আপতত মৃত্যুর কারণে ময়নাতদন্তের রিপোর্টকেই সব পক্ষকে মান্যতা দিতে হবে।

  • Old Age Allowance: ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা! রাজ্যে বাড়ছে বার্ধক্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

    Old Age Allowance: ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা! রাজ্যে বাড়ছে বার্ধক্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্ধক্য ভাতার (Old Age Allowance) পরিমাণ বাড়িয়ে দিল রাজ্যের নতুন সরকার। নারী, শিশু ও সমাজ কল্যাণ দফতর সূত্রে খবর, বার্ধক্য ভাতা ১০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে রাজ্যে প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধি পাবে। তবে কবে থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শীঘ্রই সরকারের তরফে তা ঘোষণা করা হতে পারে। রাজ্যের নারী, শিশুকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর দফতরই বার্ধক্য এবং প্রতিবন্ধী ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত সব স্কুলে গরমের ছুটি বৃদ্ধি করা হল। জানানো হয়েছে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত সব স্কুল বন্ধ থাকবে। স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে স্কুলশিক্ষা দফতরের সচিবের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    বার্ধক্য ভাতা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর

    রাজ্যে বার্ধক্য ভাতা (Old Age Allowance) আগে থেকেই চালু ছিল। পূর্বতন সরকারের আমলে মহিলারা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পের অধীনে মাসে এক হাজার টাকা করে পেতেন। ভোটের আগে অর্থের পরিমাণ বাড়িয়ে করা হয় ১৫০০ টাকা। তফসিলি জাতি-জনজাতির মহিলাদের ক্ষেত্রে ভাতার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১৭০০ টাকা। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলারা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর সুবিধা পাবেন। যাঁদের ৬০ বছর পেরিয়ে যাবে, তাঁরা বার্ধক্য ভাতার আওতায় চলে আসবেন। ওই একই পরিমাণ টাকা বার্ধক্য ভাতা হিসাবে পাবেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে বিতর্ক ছিল। ভোটের মুখে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর অর্থবৃদ্ধি করা হলেও বার্ধক্য ভাতার কথা উল্লেখ করা হয়নি আলাদা করে। ওই বর্ধিত অর্থ ষাটোর্ধ্ব মহিলারা পাবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

    প্রতিবন্ধী ভাতাও বাড়ছে

    বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তারা ভোটের আগেই ঘোষণা করেছিল ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর কথা। ওই প্রকল্পের অধীনে মহিলাদের মাসিক ৩০০০ টাকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, চালু থাকা কোনও সরকারি প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হবে না। তবে মৃত বা অভারতীয়েরা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। তা যাচাই করে দেখা হবে। ১ জুন থেকেই ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর টাকা রাজ্যবাসী পেয়ে যাবেন বলে জানায় বিজেপি সরকার। এ বার বার্ধক্য ভাতা সংক্রান্ত বিভ্রান্তিও দূর করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে প্রতিবন্ধী ভাতাও।

  • RSS: “পরিবারই হল সেই পাঠশালা, যেখানে একজন শিশু প্রথম সামাজিক দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতার শিক্ষা পায়”, বললেন দত্তাত্রেয় হোসবলে

    RSS: “পরিবারই হল সেই পাঠশালা, যেখানে একজন শিশু প্রথম সামাজিক দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতার শিক্ষা পায়”, বললেন দত্তাত্রেয় হোসবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধুনিকতা বা প্রগতির নামে পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণ করতে গিয়ে আমরা যেন আমাদের নিজস্ব পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাকে বিসর্জন না দিই— এই ভাষাতেই দেশবাসীকে সতর্ক করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবলে (Dattatreya Hosabale)। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি ভারতীয় সমাজব্যবস্থায় পরিবারের গুরুত্ব এবং বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জগুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

    পরিবারই সংস্কৃতির রক্ষাকবচ (Dattatreya Hosabale)

    আরএসএস-এর সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় (Dattatreya Hosabale) হোসবলে তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করে বলেন, “ভারতীয় সভ্যতায় পরিবার শুধুমাত্র এক ছাদের তলায় বসবাসকারী কিছু মানুষের সমষ্টি নয়, বরং এটি একটি পবিত্র প্রতিষ্ঠান। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাবে বর্তমানে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ চরম আকার ধারণ করছে। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, পরিবারই হল সেই পাঠশালা যেখানে একজন শিশু প্রথম সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং নৈতিকতার শিক্ষা পায়।”

    আধুনিকতা বনাম পশ্চিমীকরণ

    হোসবলে (Dattatreya Hosabale) স্পষ্ট করে দেন যে, তিনি আধুনিকতার বিরোধী নন। তবে ‘আধুনিক হওয়া’ এবং ‘পাশ্চাত্যকরণ’—এই দুটির মধ্যে যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে, তা বোঝা জরুরি। তিনি বলেন, “বিজ্ঞানের অগ্রগতি এবং নতুন চিন্তাধারাকে গ্রহণ করা আধুনিকতা, কিন্তু নিজের শিকড় ভুলে বিজাতীয় জীবনধারা আপন করে নেওয়া যা পরিবারের ভাঙন ধরায়, তা কখনোই কাম্য নয়।”

    সামাজিক দায়িত্বের অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ

    বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু তা যেন সমাজ বা পরিবারের স্বার্থকে বিঘ্নিত না করে। সমাজ আজ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছে, যেখানে পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটলে গোটা সামাজিক কাঠামো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে পারে।”

    মূল্যবোধ ভিত্তিক শিক্ষার আহ্বান

    অনুষ্ঠানে তিনি (Dattatreya Hosabale) অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান যাতে তাঁরা সন্তানদের মধ্যে শৈশব থেকেই ভারতীয় কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করেন। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, সুস্থ সমাজ গঠনের মূল চাবিকাঠি নিহিত রয়েছে শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধনের মধ্যে।

    দত্তাত্রেয় হোসবলের (Dattatreya Hosabale) এই বার্তা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে বিশ্বায়নের যুগে ভারতীয় সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার যে চ্যালেঞ্জ, তার মোকাবিলায় তাঁর এই বক্তব্য নতুন দিশা দেখাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Thalapathy Vijay Trust Vote: ভাঙন ধরালেন এআইএডিএমকে-তে, তামিলনাড়ুতে আস্থাভোটেও জয়ী ‘থালাপতি’ বিজয়ের সরকার

    Thalapathy Vijay Trust Vote: ভাঙন ধরালেন এআইএডিএমকে-তে, তামিলনাড়ুতে আস্থাভোটেও জয়ী ‘থালাপতি’ বিজয়ের সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুতে আস্থাভোটেও (Tamil Nadu Trust Vote) জয়ী ‘থালাপতি’ বিজয় (Thalapathy Vijay)। বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ (Thalapathy Vijay Trust Vote) দল হয়েছিল তামিলাগা ভেট্টিরি কাজাগাম (TVK)। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথও নিয়েছেন ‘থালাপতি’ বিজয়। তবে আসনে টিকে থাকা নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তার অবসান ঘটল। তামিলনাড়ু বিধানসভায় আস্থাভোটে জয়ী হল বিজয়ের সরকার। তাঁর সরকারের পক্ষে ভোট দিলেন ১৪৪ জন বিধায়ক। বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন ২২ জন। এদিনের আস্থাভোট থেকে ৫৯ জন বিধায়ক নিয়ে বেরিয়ে যায় ডিএমকে। এআইএডিএমকে-র ৪৭ জন বিধায়ক ভোটাভুটিতে অংশ নেননি।

    এআইএডিএমকে -র অন্দরে ফাটলে

    আস্থাভোটের (Thalapathy Vijay Trust Vote) ফলাফল সামনে আসতে বিজয় বলেন, “হুইসলের জয় হয়েছে।” হুইসল তাঁর দল টিভিকে-র প্রতীকচিহ্ন। আস্থাভোটের এই ফলাফল আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে এআইএডিএমকে (AIADMK)-র অন্দরে ফাটলের কারণে। দলের আপত্তি সত্ত্বেও ২৫ জন বিধায়ক বিজয় এবং টিভিকে-র সপক্ষে ভোট দেন। (Tamil Nadu Trust Vote) ই পালানিস্বামীর নির্দেশ অগ্রাহ্য করে সম্প্রতি এআইএডিএমকে-র বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন সন্মুগম এবং এসপি বেলুমণি। আগে থেকে ১২০ জনের সমর্থন ছিল বিজয়ের কাছে। যে বিধায়ক একটি ভয়োটে জয়ী হন, তাঁক ভোটাভুটি থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। ফলে তিনি ভোট দিতে পারেননি। আস্থাভোটে এআইএডিএমকে-র বিদ্রোহী বিধায়কদের অভিযোগ, এআইএডিএমকে-র প্রধান ইকে পালানিস্বামী তাদের প্রধান বিরোধী দল ডিএমকে-র সঙ্গে জোট বাঁধার চেষ্টা করছে। পাল্টা অভিযোগ তুলেছে এআইএডিএমকে। তারা বিজয়ের দলের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে বিধায়ক কেনার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছে। যদিও সেই অভিযোগ খারিজ করেছেন বিজয়। তিনি বলেছেন যে তাদের সরকার ঘোড়া কেনাবেচা করে না, বরং ঘোড়ার গতিতে এগোচ্ছে সরকার।

    ১৪৪ জন বিধায়কের সমর্থন

    বুধবার তামিলনাড়ুর বিধানসভায় আস্থাভোট (Thalapathy Vijay Trust Vote) হয়। টিভিকে-র জোটসঙ্গী কংগ্রেস, সিপিএম, সিপিআই, ভিসিকে, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের বিধায়কেরা স্বাভাবিক ভাবেই আস্থাভোটে সরকারের পক্ষে ভোট দেন। ভোটের ফলে দেখা যায় বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকার ১৪৪ জন বিধায়কের সমর্থন পেয়েছে, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগারের (১১৮) তুলনায় অনেকটাই বেশি। ভোটাভুটির আগেই বিধানসভা কক্ষ ত্যাগ করেন এমকে স্ট্যালিনের দল ডিএমকে-র ৫৯ জন বিধায়ক। ইকে পলানীস্বামীর নেতৃত্বাধীন এডিএমকে ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

  • CBSE: সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৫.২০%, ফের জয়জয়কার ছাত্রীদের

    CBSE: সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৫.২০%, ফের জয়জয়কার ছাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (CBSE) আজ বুধবার তাদের ২০২৬ সালের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার (Class xii Results) ফলাফল ঘোষণা করেছে। এ বছর মোট পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৮৫.২০ শতাংশ। গত বছরের মতোই এবারও ফলাফল এবং সাফল্যের নিরিখে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা অনেকটা এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে বোর্ড।

    পাসের হারের পরিসংখ্যান (CBSE)

    বোর্ড (CBSE) থেকে জানানো হয়েছে যে, এবছর ৮৭ শতাংশের বেশি ছাত্রী সফলভাবে পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছে, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৮৩ শতাংশের কাছাকাছি। লিঙ্গভিত্তিক এই ব্যবধান আবারও প্রমাণ করল যে বড় পরীক্ষায় ছাত্রীরা ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল করছে।

    এই ফলাফলের (CBSE) ফলে যে যে বিষয়গুলি উঠে এসেছে তা হল–

    ১. ছাত্রীদের সাফল্য: ছাত্রীদের পাসের হার (Class xii Results) ছাত্রদের তুলনায় প্রায় ৪.২০ শতাংশ বেশি।

    ২. অঞ্চলের ভিত্তিতে সাফল্য: অঞ্চলভিত্তিক ফলাফলের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে তিরুবনন্তপুরম। এখানকার সাফল্যের হার সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে বিজয়ওয়াড়া এবং বেঙ্গালুরু।

    ৩. প্রতিষ্ঠানের পারফরম্যান্স: জওহর নবোদয় বিদ্যালয় (JNV) এবং কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়গুলো (KV) বরাবরের মতো এবারও ভালো ফলাফল অর্জন করেছে।

    ফলাফল দেখার পদ্ধতি

    শিক্ষার্থীরা সিবিএসই-র (CBSE) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট results.cbse.nic.in, cbseresults.nic.in অথবা cbse.gov.in-এ গিয়ে তাদের রোল নম্বর, স্কুল নম্বর এবং অ্যাডমিট কার্ড আইডি দিয়ে রেজাল্ট দেখতে পারবে। এছাড়া ‘ডিজি লকার’ (DigiLocker) অ্যাপ এবং ‘উমং’ (UMANG) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও ডিজিটাল মার্কশিট ডাউনলোড করা যাবে।

    মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি

    অসুস্থ প্রতিযোগিতা এড়াতে সিবিএসই (CBSE) বোর্ড গত কয়েক বছরের মতো এবারও কোনও প্রাতিষ্ঠানিক মেধা তালিকা (Merit List) প্রকাশ করেনি। এমনকি প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিভাজনও (Divisions) উল্লেখ করা হয়নি। তবে বিষয়ভিত্তিক সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের বিশেষ প্রশংসাপত্র (Class xii Results) দেওয়া হবে।

    এই ফলাফলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী সফল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং যারা প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি, তাদের ভেঙে না পড়ে আগামী দিনের জন্য পরিশ্রম করার পরামর্শ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এ বছর ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির (Class xii Results) পরীক্ষা দেশজুড়ে হাজার হাজার কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ফলাফল ঘোষণার পরেই এখন উচ্চশিক্ষার জন্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।

  • Lakshagraha: হিন্দুদের বড় জয়, মহাভারত আমলের লাক্ষাগৃহ আর ওয়াকফ সম্পত্তি নয়, আদালতের রায়ে বড় পদক্ষেপ সরকারের

    Lakshagraha: হিন্দুদের বড় জয়, মহাভারত আমলের লাক্ষাগৃহ আর ওয়াকফ সম্পত্তি নয়, আদালতের রায়ে বড় পদক্ষেপ সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ সরকার এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাগপতের প্রাচীন লাক্ষাগৃহ (Lakshagraha) সাইটটিকে ওয়াকফ সম্পত্তির তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বাগপত সিভিল কোর্টের দেওয়া একটি রায়কে কার্যকর করতেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আদালতের ওই রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে, এই স্থানটি প্রকৃতপক্ষে মহাভারত আমলের ঐতিহাসিক লাক্ষাগৃহ, কোনও দরগাহ বা মুসলিম কবরস্থান (Waqf Property) নয়।

    বিবাদের প্রেক্ষাপট ও আদালতের রায় (Lakshagraha)

    এই বিবাদের সূত্রপাত হয়েছিল প্রায় পাঁচ দশক আগে, ১৯৭০ সালে। সে সময় মুকিম খান নামে এক ব্যক্তি মেরঠ আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করে দাবি করেছিলেন যে, বরনাওয়ার প্রায় ৩৬ বিঘা জমিতে বদরুদ্দিনের মাজার এবং একটি কবরস্থান রয়েছে। অন্যদিকে, লাক্ষাগৃহ (Lakshagraha) গুরুকুলের প্রতিষ্ঠাতা ব্রহ্মচারী কৃষ্ণদত্ত মহারাজ এই দাবির বিরোধিতা করেন।

    দীর্ঘ ৫৪ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আদালত মুসলিম পক্ষের (Waqf Property)  দাবি খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, ওই স্থানে কোনও ঐতিহাসিক মাজারের অস্তিত্ব নেই এবং এটি একটি প্রাচীন টিলা যা লাক্ষাগৃহ হিসেবে স্বীকৃত।

    উমিদ (UMEED) পোর্টাল ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ

    বিতর্কটি নতুন করে দানা বাঁধে যখন ২০২৫ সালে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের ডিজিটাল পোর্টাল ‘উমিদ’-এ এই স্থানটিকে ভুলবশত একটি দরগাহ (Waqf Property) হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে এটিকে তালিকাভুক্ত করায় স্থানীয় হিন্দু সংগঠন এবং গুরুকুল কর্তৃপক্ষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়।

    আদালতের রায়ের পর বাগপত জেলা প্রশাসন রাজ্য সরকারকে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠায়। জেলা সংখ্যালঘু কল্যাণ আধিকারিক কৈলাশচাঁদ তিওয়ারি জানান যে, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। এরপরই উত্তরপ্রদেশ সরকার উমিদ পোর্টালে লাক্ষাগৃহের (Lakshagraha) নাম ওয়াকফ তালিকা থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দেয়।

    লাক্ষাগৃহের ঐতিহাসিক গুরুত্ব

    মহাভারত অনুযায়ী, পাণ্ডবদের পুড়িয়ে মারার জন্য কৌরবরা মোম, বাঁশ ও অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ দিয়ে এই ‘লাক্ষাগৃহ’ (Lakshagraha) নির্মাণ করেছিল। বাগপতের বরনাওয়া (Barnawa) নামক এই স্থানটি ঐতিহাসিকভাবে ‘বারাণাবত’ নামে পরিচিত ছিল। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI) এই টিলাটিকে (Waqf Property) একটি সংরক্ষিত স্থান হিসেবে ঘোষণা করেছে। খননকার্যের সময় এখানে প্রাচীন সভ্যতার বহু নিদর্শন পাওয়া গেছে যা এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব প্রমাণ করে।

    পঞ্চগ্রামের তাৎপর্য

    মহাভারত যুদ্ধে রক্তপাত এড়াতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পাণ্ডবদের জন্য কৌরবদের কাছে যে পাঁচটি গ্রাম বা ‘প্রস্থ’ চেয়েছিলেন, বাগপত বা ‘ব্যঘ্রপ্রস্থ’ (Lakshagraha) ছিল তার মধ্যে একটি। অন্য গ্রামগুলো হল:

    • ইন্দ্রপ্রস্থ (দিল্লি)
    • স্বর্ণপ্রস্থ (সোনিপত)
    • পানপ্রস্থ (পানিপত)
    • তিলপ্রস্থ (তিলপত)
    • ব্যঘ্রপ্রস্থ (বাগপত)

    বর্তমানে যদিও মুসলিম পক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেছে, তবে সরকারের এই পদক্ষেপ হিন্দুদের জন্য একটি বড় আইনি ও সাংস্কৃতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে ডিজিটাল নথিকরণের (Waqf Property) চেয়ে বিচারবিভাগীয় রায় এবং ঐতিহাসিক প্রমাণই অগ্রাধিকার পাবে।

  • PM Modi Convoy Cut: জ্বালানি সাশ্রয় লক্ষ্য, নিজের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi Convoy Cut: জ্বালানি সাশ্রয় লক্ষ্য, নিজের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা দিয়ে নিজের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Convoy Cut)। পেট্রোল-ডিজেলের দাম ঊর্দ্ধমুখী। এই পরিস্থিতিতে কনভয় ছোট করার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর। তাঁর কনভয়ের আকার ৫০ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ইরান যুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে দেশের ব্যয় কমানো ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্যই এই পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর। তিনি বৈদ্যুতিক যান ব্যবহার বাড়ানোর জন্যও আহ্বান জানান।

    এসপিজি-কে পাঠানো বিশেষ নির্দেশ

    পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনার আবহে দেশবাসীকে কৃচ্ছ্রসাধনের কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সূত্র ধরেই নিজেও তার বাইরে বেরোলেন না প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত স্পেশ্যাল প্রোটেকশন গ্রুপ বা এসপিজি-র কাছে পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত রেখেই কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমাতে হবে। পেট্রল-ডিজেলচালিত গাড়ির পরিবর্তে বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের উপর জোর দিতে হবে। তবে তার জন্য নতুন কোনও গাড়ি এখন কেনা যাবে না বলে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের একটি সূত্রের দাবি, নির্দেশ হাতে পাওয়ার পরেই তা বাস্তবায়িত করার কাজ শুরু করে দিয়েছে এসপিজি। পশ্চিম এশিয়ার সংকটের প্রভাব থেকে নাগরিকদের রক্ষা করার জন্য কেন্দ্র চেষ্টা করছে, এই কথার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির দাবি, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মাঝে এই সময়ে জ্বালানি ব্যবহার এবং ব্যয় কমানোর মতো পদক্ষেপ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। বেশ কয়েকটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রক জ্বালানি সাশ্রয়ের উপায় খুঁজছে।

    কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমাতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীরাও

    সূত্রের খবর, বিজেপিশাসিত বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও প্রধানমন্ত্রী মোদির পথে হেঁটে তাঁদের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমাতে পারেন। পেট্রল, ডিজ়েল, রান্নার গ্যাস, ভোজ্য তেল, সোনা, তামা, রাসায়নিক সার— এই পণ্যগুলির একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় ভারতকে। টান পড়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রাভান্ডারে। পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার মাঝে এই পণ্যগুলি সংযমী হয়ে ব্যবহারের অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার তেলঙ্গানার সেকেন্দরাবাদের এক সভাতে মোদির মুখে প্রথম ওই আর্জির কথা শোনা গিয়েছিল। সোমবার গুজরাতের ভদোদরায় এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি ফের বলেন, ‘‘বিশ্ব দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার এক পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা কোভিড-১৯ অতিমারি দিয়ে শুরু হয়েছিল এবং এখন পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের কারণে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।’’

  • IFAD: গ্রামীণ আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য, ভারত ও আইএফএডি-এর ৮ বছর ব্যপী নয়া কৌশলগত কর্মসূচি ঘোষণা

    IFAD: গ্রামীণ আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য, ভারত ও আইএফএডি-এর ৮ বছর ব্যপী নয়া কৌশলগত কর্মসূচি ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সরকার এবং আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD) মঙ্গলবার ২০২৬-২০৩৩ সালের জন্য একটি নতুন আট বছর মেয়াদী ‘কান্ট্রি স্ট্র্যাটেজিক অপরচুনিটিজ প্রোগ্রাম’ (COSOP) চালু করেছে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ভারতের গ্রামীণ আয় বৃদ্ধি করা, প্রতিকূলতা মোকাবিলার সক্ষমতা (resilience) বাড়ানো এবং টেকসই জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারিত করা।

    নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত ‘আইএফএডি-ইন্ডিয়া পার্টনারশিপ ফর রুরাল প্রসপারিটি’ অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচিটি উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইএফএডি প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী এবং বেসরকারি খাতের অংশীদাররা উপস্থিত ছিলেন।

    বিকশিত ভারত@২০৪৭ দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্য

    সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নতুন এই সিওএসওপি (COSOP) কর্মসূচিটি ‘বিকশিত ভারত@২০৪৭’ ভিশনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে। এটি প্রধানত দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে:

    ১. গ্রামীণ সম্প্রদায়ের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

    ২. একটি শক্তিশালী জ্ঞান ব্যবস্থা (knowledge systems) গড়ে তোলা, যাতে সফল উন্নয়নের মডেলগুলো ভারতের পাশাপাশি গ্লোবাল সাউথের অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে দেওয়া যায়।

    অর্থ মন্ত্রকের অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভাগের সচিব অনুরাধা ঠাকুর বলেন, “ভারত ও আইএফএডি-এর এই অংশীদারিত্ব কৃষি রূপান্তর, জীবিকার বৈচিত্র্যকরণ, নারীর ক্ষমতায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণের মতো জাতীয় অগ্রাধিকারগুলোর সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই জোটটি এখন দারিদ্র্য দূরীকরণের প্রাথমিক পর্যায় ছাড়িয়ে টেকসই এবং বাজার-মুখী গ্রামীণ জীবিকা তৈরির দিকে এগিয়ে গেছে, যা জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে সক্ষম।”

    প্রাতিষ্ঠানিক ও বাজার সংযোগে জোর

    আইএফএডি-এর সহযোগী ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডোনাল ব্রাউন বলেন, “এই অংশীদারিত্ব কেবল নির্দিষ্ট কিছু প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি এমন একটি ব্যবস্থা গড়ার দিকে নজর দিচ্ছে যা প্রতিষ্ঠান, অর্থায়ন, অবকাঠামো এবং বাজারকে দীর্ঘমেয়াদী গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য সংযুক্ত করবে।”

    এই কৌশলের একটি বড় অংশ হল তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান যেমন— স্বনির্ভর গোষ্ঠী (SHG), কৃষক সংস্থা (FPO) এবং সমবায় সমিতিগুলোকে শক্তিশালী করা। এই সংস্থাগুলোই প্রযুক্তি, অর্থ এবং বাজারের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনে মূল ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    অর্জিত সাফল্য ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য

    গত দুই দশকে ভারতে আইএফএডি-সমর্থিত প্রকল্পগুলো স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে নারীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে এবং ই-কমার্স ও মূল্য সংযোজনের (value addition) মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তাদের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

    নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে ভারত নিজেকে গ্রামীণ উন্নয়নের ‘নলেজ লিডার’ বা জ্ঞান নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। ডিজিটাল কৃষি, অন্তর্ভুক্তিমূলক গ্রামীণ অর্থায়ন এবং জলবায়ু-সহনশীল ভ্যালু চেইনের সফল মডেলগুলো আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে শেয়ার করা হবে।

    নাবার্ড (NABARD)-এর সাথে চুক্তি

    অনুষ্ঠানের ফাঁকে, ন্যাশনাল ব্যাংক ফর এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট (NABARD) গ্রামীণ অর্থ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে এবং কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাতে উদ্ভাবনী কাজে সহায়তার জন্য আইএফএডি (IFAD)-এর সঙ্গে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

    উল্লেখ্য, ভারত ও আইএফএডি (IFAD) গত পাঁচ দশক ধরে অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। এই দীর্ঘ সময়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ৩৫টি গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা লক্ষ লক্ষ গ্রামীণ পরিবারকে উপকৃত করেছে।

  • PM Modi on Ayushman Bharat: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনেদের কল্যাণই আমার কাছে সবার আগে’’ রাজ্যে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প চালুর পর খুশি প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi on Ayushman Bharat: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনেদের কল্যাণই আমার কাছে সবার আগে’’ রাজ্যে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প চালুর পর খুশি প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আয়ুষ্মান ভারত (PM Modi on Ayushman Bharat) স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। সোমবারই রাজ্যের মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, এই পরিষেবা কার্যকর করার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে বাংলার মানুষ জুড়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনেদের কল্যাণই আমার কাছে সবার আগে। আমি অত্যন্ত খুশি যে, রাজ্যবাসী বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং উচ্চ গুণমানসম্পন্ন এই স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।’’

    মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি

    ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় সরকার ‘প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা’ বা আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat in Bengal) প্রকল্প চালু করেছিল। এই পরিষেবার আওতায় তালিকাভুক্ত হাসপাতালগুলিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের চিকিৎসা পরিষেবা একরকম নিখরচায় পাওয়া যায়। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এই প্রকল্প অত্যন্ত সহায়ক। প্রসঙ্গত, কেন্দ্র এই স্বাস্থ্য পরিষেবা গোটা দেশে চালু করেছে। অভিযোগ ওঠে, সেই পরিষেবাকে এ রাজ্যে কার্যকর হতে দেয়নি তৎকালীন তৃণমূল সরকার। উল্টে তারা ‘স্বাস্থ্যসাথী’ নামে একটি আলাদা প্রকল্প চালু করে। নির্বাচনের আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব ঘোষণা করেছিলেন, দল যদি ক্ষমতায় আসে, তা হলে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রের সমস্ত রকম প্রকল্পের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হবে। হলও তাই, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী গত শনিবার শপথ নেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই কেন্দ্রের অন্যতম প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর করা হল এ রাজ্যে। মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি।

    ডবল-ইঞ্জিন সরকার-এর সাহায্য

    রাজ্যে এই প্রকল্প চালুর পর প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও লেখেন,‘‘কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা যাতে রাজ্যের জনগণ পান, তা নিশ্চিত করবে ডবল-ইঞ্জিন সরকার।’’ রাজনৈতিক সংঘাতের আবহে দীর্ঘদিন আটকে থাকা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পও এবার দ্রুত কার্যকর হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের আওতায় রাজ্যবাসী পরিবারপিছু বছরে পাঁচ লক্ষ টাকার ক্যাশেলস স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা পাবেন। খুব সহজে অনলাইনেই আবেদন করা যায় এই প্রকল্পের জন্য। প্রয়োজন হয় না অনেক নথির। বাড়িতে বসেই আবেদন করা যায় ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর কার্ডের জন্য।

LinkedIn
Share