Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope 24 January 2026: দুপুর নাগাদ কোনও সুসংবাদ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 24 January 2026: দুপুর নাগাদ কোনও সুসংবাদ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) প্রেম জীবনে কিছু অবসাদ থাকবে।

    ২) দান-পুণ্যের কাজে অর্থ ব্যয় করবেন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষককে নিজের কথা বোঝানোর সুযোগ পাবেন।

    বৃষ

    ১) পরিজনদের সঙ্গে হইহুল্লোড় করবেন।

    ২) দুপুর নাগাদ কোনও সুসংবাদ পাবেন।

    ৩) সন্তান বা ভাই-বোনের ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত সংবাদ হতে পারে এটি।

    মিথুন

    ১) ছাত্রছাত্রীরা কেরিয়ার গড়ে তোলার চেষ্টা করলে সফল হবেন।

    ২) অনাবশ্যক ব্যয় বাড়বে।

    ৩) ব্যস্ততা সত্ত্বেও দাম্পত্য জীবনের জন্য সময় বের করবেন।

    কর্কট

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) অসহায়দের যথাসম্ভব সাহায্য করবেন।

    ৩) মানসিক শান্তি পাবেন।

    সিংহ

    ১) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    ২) খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ রাখুন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বাড়বে, আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    কন্যা

    ১) পারিবারিক জীবনে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা সমস্যা সমাপ্ত হবে।

    ২) সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করবেন।

    ৩) সপরিস্থিতির কারণে নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

    তুলা

    ১) কর্মক্ষেত্রে আয়ের নতুন উৎস তৈরি হবে।

    ২) সমাজে বিশেষ সম্মান পাবেন।

    ৩) বন্ধুর সংখ্যা বৃদ্ধি হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) ধন, সম্মান ও যশ বৃদ্ধি হবে।

    ২) সন্তানের ভবিষ্যতের কারণে অর্থ ব্যয় করতে পারেন।

    ৩) বিদেশ যাত্রার সুযোগ পাবেন।

    ধনু

    ১) পারিবারিক কারণে অর্থ ব্যয় করবেন।

    ২) আর্থিক লেনদেনে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    ৩) আদালতে আনাগোনা বাড়তে পারে।

    মকর

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) ধর্মীয় কাজে সময় কাটাবেন।

    ৩) ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি কষ্টজনক।

    ২) শরীরের কোনও অংশে ব্যথা হবে।

    ৩) অর্থ ব্যয় হবে।

    মীন

    ১) দাম্পত্য জীবন আনন্দে কাটবে।

    ২) সন্ধ্যাবেলা কোনও সুসংবাদ পাবেন।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে ভ্রমণ করতে পারেন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।..

  • Donald Trump: “ইরান যদি ভুল কিছু করার চেষ্টা করে, তাহলে আমেরিকা আবারও শক্ত হাতে জবাব দেবে”, আয়াতুল্লাকে ফের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    Donald Trump: “ইরান যদি ভুল কিছু করার চেষ্টা করে, তাহলে আমেরিকা আবারও শক্ত হাতে জবাব দেবে”, আয়াতুল্লাকে ফের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ইরানকে ঘিরে ফের কড়া অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে যে, ইরান (Iran) যদি আবার পরমাণু পরীক্ষার কর্মসূচিকে সক্রিয় করার চেষ্টা করে অথবা দেশজুড়ে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ আরও রক্তাক্ত আকার নেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নেবে। এদিন ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণেই ইরান সরকার শত শত মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরান যদি ভুল কিছু করার চেষ্টা করে, তাহলে আমেরিকা আবারও শক্ত হাতে জবাব দেবে।

    মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি মোতায়েন (Donald Trump)

    ইরানের (Iran) ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র (Donald Trump) ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে বিরাট পরিমাণে সামরিক শক্তি মোতায়েন শুরু করেছে। পারস্য উপসাগর ও আরব সাগর অঞ্চলে একাধিক এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ, গাইডেড মিসাইলবাহী যুদ্ধজাহাজ এবং আধুনিক যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছে। ফলে ইরান সরকারের প্রধান আয়াতুল্লা খামেনিকে ভাবতেই হচ্ছে।

    পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র তাদের মিত্র দেশগুলিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যেমন প্যাট্রিয়ট ও থাড মোতায়েন করছে, যাতে ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলা প্রতিহত করা যায়। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণার চেয়ে বেশি শক্তি প্রদর্শন এবং কৌশলগত চাপ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা ছাড়া আর কিছুই না।

    ইরানের ভেতরে বিক্ষোভ ও দমন অভিযান

    ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ইরানে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দ্রুত দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে অর্থনৈতিক সংকট, মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্বকে কেন্দ্র করে এই আন্দোলন শুরু হলেও পরে তা সরাসরি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের রূপ নেয়। ইসলাম ধর্মগুরু খোমেনির ছবি পুড়িয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।

    তবে ইরানের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘর্ষে কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অপর দিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। হাজার হাজার মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বহু ক্ষেত্রে কঠোর সাজা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Donald Trump) এই কঠোর দমন নীতির অভিযানকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে ইরান সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

    ইরানের পাল্টা বার্তা

    যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির জবাবে ইরানও কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইরান (Iran) সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের দাবি, আমাদের দেশ সম্পূর্ণ ভাবে প্রস্তুত। যে কোনও আগ্রাসনের জবাব দিতে আমরা ট্রিগারে আঙুল রেখে দিয়েছি। একই ভাবে ইরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল দেশটির অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা উস্কে দিচ্ছে এবং সরকারকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। বাইরের শক্তির প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি আরও খারাপ করছে।

    কেন এখন ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের (Donald Trump) চাপ বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো—

    • ইরানের ভেতরে চলমান বিক্ষোভ ও মানবাধিকার পরিস্থিতি
    • ইরানের (Iran) সম্ভাব্য পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরুজ্জীবনের আশঙ্কা
    • মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদেশেরদের নিরাপত্তা উদ্বেগ

    ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরান যদি পারমাণবিক পথে ফেরে, তাহলে তা গোটা বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠবে। তাই আরও কড়া মনোভাব ব্যক্ত করেছেন ট্রাম্প।

    হামলা হলে কী হতে পারে?

    যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে, তাহলে তা ধাপে ধাপে হতে পারে। প্রথমে সীমিত আকারে সতর্কতামূলক হামলা, এরপর ইরানের সামরিক ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র বা ড্রোন পরিকাঠামো লক্ষ্য করা হতে পারে। চরম পরিস্থিতিতে পারমাণবিক স্থাপনাগুলিও নিশানায় আসতে পারে।

    ইজরায়েলের সম্ভাব্য ভূমিকা

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ শুরু হলে ইজরায়েলও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকতে পারে। ইজরায়েল ইরানকে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি বলে মনে করে। ফলে সংঘাত বাড়লে ইজরায়েলের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সামরিক সক্ষমতা পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ইরান যদি পরমাণু শক্তিধর দেশ হয়ে যায় তাহলে ইহুদীয়ের ধর্মীয় অস্তিত্বে সবথেকে বড় সঙ্কটে নেমে আসবে।

    সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্র (Donald Trump) ও ইরানের  (Iran) মধ্যে উত্তেজনা এখন চরমে। এখনও পর্যন্ত সরাসরি যুদ্ধ শুরু না হলেও সামরিক প্রস্তুতি, কড়া হুঁশিয়ারি ও পাল্টা বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে বড় সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করছে। এই পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, সেদিকে নজর রাখছে গোটা বিশ্ব।

  • Census of India: ২০২৭ সালের আদমশুমারির প্রথম পর্যায়ে ৩৩টি প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ কেন্দ্রের, কী কী রয়েছে তাতে?

    Census of India: ২০২৭ সালের আদমশুমারির প্রথম পর্যায়ে ৩৩টি প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ কেন্দ্রের, কী কী রয়েছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ২০২৭ সালের আদমশুমারির (Census of India) প্রথম পর্যায়ের জন্য ৩৩টি প্রশ্নের (33 Questions) একটি তালিকা ঘোষণা করেছে মোদি সরকার। এই প্রশ্নের ভিত্তিতেই আগামী এপ্রিল মাস থেকে কাজ শুরু হবে। প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের সময়কালকে বেছে নিয়ে কাজ শুরু করে দিতে হবে । এই সময় হবে গৃহ ভিত্তিক তালিকা তৈরি কর্মসূচির প্রথম পর্ব। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ একটি গেজেট নোটিসের মাধ্যমে এই প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ করেছেন। গৃহ বা আবাসনের আকার-প্রকৃতি-বিবরণ এবং পরিবারের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা থেকে শুরু করে বিবাহিত দম্পতির সংখ্যা এবং পরিবারের প্রধানের লিঙ্গ পর্যন্ত প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে প্রশ্নের তালিকায়।

    আদমশুমারি বাড়ির নম্বর (Census of India) 

    যে যে বিষয়ের ওপর সমীক্ষা করে তথ্য সংগ্রহ করা হবে তার মধ্যে হল, ভবন বা বাড়ি নম্বর (পুরসভা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা আদমশুমারি নম্বর), আদমশুমারি বাড়ির নম্বর, আদমশুমারি বাড়ির মেঝের প্রধান উপাদান, আদমশুমারি বাড়ির দেয়ালের প্রধান উপাদান, আদমশুমারি বাড়ির ছাদের প্রধান উপাদান, আদমশুমারি বাড়ির ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, আদমশুমারি বাড়ির অবস্থা এবং পরিবারের সংখ্যা নিশ্চিত করে প্রশ্নে (33 Questions) উল্লেখ করতে হবে।

    পরিবারে ব্যক্তি সংখ্যা

    পরের ধাপে পরিবারে সাধারণত বসবাসকারী মোট ব্যক্তির সংখ্যা, পরিবারের প্রধানের নাম, পরিবারের প্রধানের লিঙ্গ, পরিবারের প্রধান তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি/অন্যান্য কিনা, আদমশুমারি বাড়ির মালিকানার অবস্থা, পরিবারের মালিকানাধীন বাসস্থানের সংখ্যা এবং পরিবারে বসবাসকারী বিবাহিত দম্পতির সংখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা (Census of India) করতে হবে।

    পানীয় জলের উৎস

    পানীয় জলের প্রধান উৎস, পানীয় জলের উৎসের প্রাপ্যতা, আলোর প্রধান উৎস, শৌচালয় দরজা, শৌচালয় ধরণ, বর্জ্য জলের নির্গমন, রেডিও/ট্রানজিস্টর, স্নানের সুবিধার প্রাপ্যতা, রান্নাঘর এবং রান্নার গ্যাস (এলপিজি) বা পাইপযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) সংযোগের প্রাপ্যতা এবং রান্নার জন্য ব্যবহৃত প্রধান জ্বালানি আছে কিনা এই সংক্রান্ত বিষয়েও প্রশ্ন করা হবে।

    কোন কোন ইলেকট্রিক জিনিসের ব্যবহার

    টেলিভিশন, ইন্টারনেট অ্যাক্সেস, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার, টেলিফোন বা মোবাইল ফোন বা স্মার্টফোন, সাইকেল বা স্কুটার বা মোটরসাইকেল বা মোপেড, গাড়ি বা জিপ বা ভ্যান এবং পরিবারে ব্যবহৃত প্রধান খাদ্যশস্য সম্পর্কেও প্রশ্ন (Census of India)  করতে হবে। তথ্য গ্রহণের পর আদমশুমারি সংক্রান্ত চিঠিপত্রের জন্য মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করতে হবে।

    একনজরে ৩৩টি প্রশ্ন

    • ১>ভবন নম্বর (পৌরসভা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা আদমশুমারি নম্বর)
    • ২>আদমশুমারির ঘর নম্বর
    • ৩>আদমশুমারি ঘরের মেঝের প্রধান উপাদান।
    • ৪>আদমশুমারি গৃহের প্রাচীরের প্রধান উপাদান
    • ৫>আদমশুমারি ঘরের ছাদের প্রধান উপাদান।
    • ৬>আদমশুমারি (Census of India) গৃহের সুনির্দিষ্ট ব্যবহার নিশ্চিতকরণ
    • ৭>আদমশুমারি ঘরের অবস্থা
    • ৮>পরিবারের নম্বর
    • ৯>সাধারণত পরিবারে বসবাসকারী মোট ব্যক্তির সংখ্যা
    • ১০>পরিবারের প্রধানের নাম
    • ১১>পরিবারের প্রধানের লিঙ্গ।
    • ১২>পরিবারের প্রধান তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি/অন্যান্য কিনা
    • ১৩>আদমশুমারি বাড়ির মালিকানার অবস্থা
    • ১৪>পরিবারের একচেটিয়া দখলে থাকা বাসস্থানের সংখ্যা।
    • ১৫>পরিবারে বসবাসকারী বিবাহিত দম্পতির সংখ্যা
    • ১৬>পানীয় জলের প্রধান উৎস।
    • ১৭>পানীয় জলের উৎসের প্রাপ্যতা
    • ১৮>আলোর প্রধান উৎস
    • ১৯>ল্যাট্রিনের অ্যাক্সেস
    • ২০>ল্যাট্রিনের ধরণ
    • ২১>বর্জ্য জলের নিষ্কাশন
    • ২২>স্নানের সুবিধার প্রাপ্যতা।
    • ২৩>রান্নাঘর এবং এলপিজি/পিএনজি সংযোগের প্রাপ্যতা
    • ২৪>রান্নার জন্য ব্যবহৃত প্রধান জ্বালানি
    • ২৫>রেডিও/ট্রানজিস্টর
    • ২৬>টেলিভিশন
    • ২৭>ইন্টারনেট অ্যাক্সেস।
    • ২৮>ল্যাপটপ/কম্পিউটার
    • ২৯>টেলিফোন/মোবাইল ফোন/স্মার্টফোন
    • ৩০>সাইকেল/স্কুটার/মোটরসাইকেল মোপেড
    • ৩১>গাড়ি/জীপ/ভ্যান
    • ৩২>বাড়িতে খাওয়া প্রধান শস্যদানা
    • ৩৩>মোবাইল নম্বর (শুধুমাত্র আদমশুমারি সংক্রান্ত যোগাযোগের জন্য)

    দুটি ধাপে সম্পন্ন হবে আদমশুমারি

    ভারতীয় জনগণনার ১১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকার বিশাল এই আদমশুমারি দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জনসংখ্যা গণনা এবং এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গৃহ-তালিকাকরণ এবং আবাসন গণনা হবে। মূল বিজ্ঞপ্তিতে লেখা ছিল, “কেন্দ্রীয় সরকার এতদ্বারা নির্দেশ দিচ্ছে যে, সমস্ত আদমশুমারি (Census of India) কর্মকর্তা, স্থানীয় এলাকার সীমানার মধ্যে, যেখানে তাদের যথাক্রমে নিযুক্ত করা হয়েছে, ভারতের ২০২৭ সালের আদমশুমারির সাথে সম্পর্কিত পরিবারের তালিকা এবং আবাসনে আদমশুমারির সময়সূচীর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের জন্য নীচে তালিকাভুক্ত বিষয়গুলির উপর সমস্ত ব্যক্তির কাছ থেকে এই জাতীয় সমস্ত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন।”

  • Jharkhand: বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ঝাড়খণ্ডে শীর্ষ কমান্ডার সহ ১৬ মাওবাদী খতম

    Jharkhand: বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ঝাড়খণ্ডে শীর্ষ কমান্ডার সহ ১৬ মাওবাদী খতম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) পশ্চিম সিংভূম জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ১৬ জন মাওবাদী (Maoists) নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। তাদের মধ্যে শীর্ষ মাওবাদী নেতা পতিরাম মাঝি ওরফে আনাল দা-ও ছিল। এই সংবাদ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    মাথার দামছিল ২ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা (Jharkhand)

    মাওবাদী নেতা আনালের মাথার দাম ছিল ২ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা। যার মধ্যে ঝাড়খণ্ডে রয়েছে ১ কোটি টাকা, ওড়িশা ১ কোটি ২ লক্ষ এবং জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা ঘোষণা করেছিল ১৫ লক্ষ টাকা। কিরিবুরু থানার সীমানার মধ্যে সারান্দা বনের কুমদি এলাকায় সিআররপিএফের কোবরা ইউনিটের প্রায় ১৫০০ সেনা এই অভিযানে নিযুক্ত ছিলেন। টানা সাত ঘণ্টা লড়াই চলে দুই পক্ষের মধ্যে। এরপর সন্ধ্যে নেমে আসলে থেমে থেমে গুলির লড়াই চলতে থাকে। এক এক করে খতম হয় ১৬ মাওবাদী। নিহত মাওবাদীদের (Maoists)  মধ্যে ৫ জন মহিলাও ছিল।

    এলাকাটিকে নকশাল মুক্ত করা হয়েছে

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজের এক্স হ্যান্ডলে বলেন, “সিআরপিএফ এবং ঝাড়খণ্ড পুলিশ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে এলাকাটিকে নকশাল মুক্ত করা হয়েছে।” একই ভাবে সিআরপিএফের ইন্সপেক্টর জেনারেল সাকেত কুমার সিং বলেন, ঝাড়খণ্ডে সংঘর্ষে এই প্রথম ১৫ জন মাওবাদী (Maoists) মৃতদেহ একসঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে।

    আনাল ছাড়াও এই এনকাউন্টারে নিহত আরও এক শীর্ষ মাওবাদী নেতা হল বিহার-ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)  স্পেশাল এরিয়া কমিটির সদস্য আনমোল ওরফে সুশান্ত, যে ১৪৯ টি মামলায় ওয়ান্টেড ছিল। তার জন্য ৯০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০০৬ সালের ৩ মার্চ ঝাড়খণ্ডের বোকারোতে সিআইএফ-এর ক্যাম্পে হামলা চালানোর ঘটনায় অভিযুক্ত ছিল আনমোল। একই ভাবে ২০১৯ সালের জুন মাসে সেরাইকেলা খারসোয়ান জেলার কুকরু হাটে পাঁচ নিরাপত্তা কর্মীর হত্যাকাণ্ড মামলায়ও জড়িত ছিল অভিযুক্ত হিসেবে।

  • Budget 2026-27: রেলওয়ের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ার ইঙ্গিত, পৌঁছতে পারে ২.৭-২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা

    Budget 2026-27: রেলওয়ের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ার ইঙ্গিত, পৌঁছতে পারে ২.৭-২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাজেটে রেলমন্ত্রকের অর্থ বরাদ্দ বাড়তে চলেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে রেল মন্ত্রকের জন্য প্রায় ২.৭–২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শীর্ষ সরকারি আধিকারিকরা। এটি গত বাজেটের আনুমানিক ২.৬৫ লক্ষ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ২–৪ শতাংশ বেশি। প্রস্তাবিত এই বরাদ্দের মাধ্যমে সরকার রেল খাতে মূলধনী ব্যয়ের গতি বজায় রাখতে চায়। এর পাশাপাশি কেন্দ্র রেল নেটওয়ার্ক জুড়ে গুণগত মান উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

    সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি

    সরকারি সূত্র অনুযায়ী, মহামারির পরবর্তী সময়েও ভারতীয় রেলে বিনিয়োগ স্থিতিশীল রয়েছে এবং নীতিনির্ধারকদের মতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য নিয়মিত সরকারি অর্থায়ন অত্যন্ত জরুরি। একজন শীর্ষ আধিকারিক বলেন, “প্রতি বছর ন্যূনতম ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার মূলধনী ব্যয় প্রয়োজন—এ বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ স্তরেও স্বীকৃত। বর্তমানে সংস্কারের মাধ্যমে প্রক্রিয়াগত আমূল পরিবর্তন, ক্রয় ব্যবস্থার গুণগত মান উন্নত করা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগই প্রধান লক্ষ্য।” রেল মন্ত্রকের এক সিনিয়র আধিকারিক জানান, আসন্ন বাজেটের জন্য প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রকে জমা দেওয়া হয়েছে, তবে গোপনীয়তার কারণে বিস্তারিত জানাতে তিনি অস্বীকার করেন। আধিকারিকরা আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদি আধুনিকীকরণ ও পরিকাঠামো লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ভারতীয় রেলকে ধারাবাহিক সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।

    রেলে আরও গতি বাড়াতে চায় সরকার

    গত বছরের অক্টোবরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শিল্প প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছিলেন যে, ক্রয় প্রক্রিয়ায় মানদণ্ড আরও কঠোর করা হবে। তিনি বলেন, “এখন আর ধাপে ধাপে সামান্য উন্নতি যথেষ্ট নয়। প্রস্তুত থাকুন—যাঁরা মানোন্নয়ন করবেন না, তাঁরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বেন।” শিল্প মহলের মতে, সরকার উন্নতমানের যন্ত্রপাতিতে বেশি ব্যয়ের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ট্র্যাক বিদ্যুতায়ন প্রায় সম্পন্ন হওয়ায় আগামী দিনে রেলের মূল নজর থাকবে জট কমানো। রেল চলাচলে গতি বাড়ানোর দিকে। এর মধ্যে নতুন রুট নির্মাণ, গেজ পরিবর্তন, ডাবল লাইন সম্প্রসারণ এবং ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোরের সম্প্রসারণ অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়াও, নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ট্রেন পরিচালনার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে ঘোষণা করতে পারেন নির্মলা সীতারামন। আগে রেল বাজের আলাদা করে পেশ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে অর্থ বাজেটের সঙ্গেই রেলের বাজেট পেশ করা হয়। আলাদা করে রেল বাজেট পেশ করেন না রেলমন্ত্রী। রেল নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকে। কারণ, বাজেটের মাধ্যমেই জানা যায়, নতুন কোনও ট্রেন চালু হবে কি না, রেলের ভাড়া বাড়ছে কি কমছে? ইত্যাদি।

  • Tesla: ট্রাম্পের শুল্ক-চাপের মধ্যেই ভারত থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশ সংগ্রহ দ্বিগুণ করল টেসলা

    Tesla: ট্রাম্পের শুল্ক-চাপের মধ্যেই ভারত থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশ সংগ্রহ দ্বিগুণ করল টেসলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত থেকে অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ সংগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াল মার্কিন বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা (Tesla)। ২০২৫ সালে টেসলা ভারতীয় অটো কম্পোনেন্ট নির্মাতাদের কাছ থেকে আনুমানিক ৪ থেকে ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করেছে ইলন মাস্কের সংস্থা, যা এক বছর আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এই বৃদ্ধি ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করেছেন।

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী

    সূত্রের খবর, চলতি বছরে ভারত থেকে যন্ত্রাংশ কেনায় টেসলার মোট ব্যয় ৫ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) ডলারে পৌঁছতে পারে। তুলনায় ২০২৩ সালে এই অঙ্ক ছিল প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৪ সালে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার। চিন ও তাইওয়ানের মতো প্রচলিত উৎপাদন কেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং সরবরাহ শৃঙ্খল আরও শক্তিশালী করার কৌশলের সঙ্গে এই পদক্ষেপ সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন শিল্প বিশেষজ্ঞরা। শিল্প মহলের মতে, উত্তর আমেরিকার বাইরে টেসলার দ্রুততম বর্ধনশীল সোর্সিং হাবগুলোর একটি হয়ে উঠেছে ভারত। একাধিক ভারতীয় টিয়ার-১ কম্পোনেন্ট সরবরাহকারী ইতিমধ্যেই ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন সংস্থাটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। গত এক বছরে টেসলা ভারত থেকে যে যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করেছে, তার পরিমাণ বহুগুণে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই বৃদ্ধি টেসলার অভ্যন্তরীণ কোডনেমযুক্ত প্রকল্প “রেডউড”-এর সঙ্গে যুক্ত। এটি একটি তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ি, যা একটি কমপ্যাক্ট ক্রসওভার হিসেবে বিশ্ববাজারে আনার প্রস্তুতি চলছে। এই এন্ট্রি-লেভেল মডেলের সম্ভাব্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার কারণেই বহু বিলিয়ন ইউরোর কম্পোনেন্ট অর্ডার তৈরি হয়েছে, যার বড় অংশ পূরণ করছে ভারতীয় সরবরাহকারীরা।

    কৌশলগত গুরুত্ব

    বিশ্লেষকদের মতে, সাময়িক শুল্কজনিত চাপের তুলনায় টেসলার (Tesla) সোর্সিং সিদ্ধান্তে বেশি প্রভাব ফেলছে খরচে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা, প্রকৌশল দক্ষতা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মোবিলিটির ডিরেক্টর পুনীত গুপ্ত বলেন, “ভারতীয় সরবরাহকারীদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব টেসলার জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে খরচ কমে, দ্রুত লোকালাইজেশন সম্ভব হয় এবং চিনের ওপর নির্ভরতা কমে। অন্যদিকে, ভারতীয় সংস্থাগুলোর ক্ষেত্রেও এটি লাভজনক। টেসলার সঙ্গে কাজ করা বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে টেসলার সঙ্গে কাজ করা ভারতীয় সংস্থাগুলোর গুরুত্ব বাড়ে।” ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক বাড়ানোর ফলে নতুন করে বাণিজ্য উত্তেজনা তৈরি হলেও, ভারতীয় সরবরাহকারীদের সঙ্গে টেসলার সম্পর্ক অটুট রয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

  • Election Commission: ইসিআইনেট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করল নির্বাচন কমিশন, কোন কোন পরিষেবা দেওয়া হবে?

    Election Commission: ইসিআইনেট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করল নির্বাচন কমিশন, কোন কোন পরিষেবা দেওয়া হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission) বৃহস্পতিবার ইসিআইনেট (ECINET) চালু করেছে। এটি হল এমন একটি বিস্তৃত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যা নির্বাচন সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য এবং পরিষেবাগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে এসেছে। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সম্মেলন ২০২৬-এর অনুষ্ঠানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এই অ্যাপটি উন্মোচন করেন। তিনি এই অ্যাপ পরিষেবাকে বিশ্বের বৃহত্তম নির্বাচনী পরিষেবা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করেন।

    কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে (Election Commission)?

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ৪০টিরও বেশি বিদ্যমান অ্যাপ এবং পোর্টালকে একসঙ্গে সমাহিত করে তৈরি করা হয়েছে এই নয়া ইসিআইনেট অ্যাপ। এর মধ্যে রয়েছে— ভোটার হেল্প লাইন অ্যাপ, সিভিআইজিআইএল, ভোটার টার্নআউট অ্যাপ, সক্ষম এবং নো ইওর ক্যান্ডিডেট প্ল্যাটফর্ম, যা সম্মিলিত ভাবে ৫.৫ কোটিরও বেশি বার ডাউনলোড হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের অ্যাপ ইসিআইনেট (ECINET) একসঙ্গে একাধিক পরিষেবা দিয়ে থাকে। যেমন- নাগরিক, প্রার্থী, রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচনে কর্মীদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে। একইভাবে ভোটার নিবন্ধন, ভোটার তালিকা, অনুসন্ধান, আবেদন ট্র্যাকিং, প্রার্থীর তথ্য, ই-এপিক ডাউনলোড, ভোট দানের প্রবণতা এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার মতো পরিষেবা প্রদান করতে পারবে।

    ১০ কোটির বেশি নিবন্ধিকরণের কাজ

    ইসিআইনেট (ECINET) প্ল্যাটফর্মটি ভারতের সংবিধান ১৯৫০ এবং ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৬০ সালে ভোটার নাম নিবন্ধিকরণ আইন, ১৯৬১ সালের নির্বাচন পরিচালনার বিধিকে মান্যতা দিয়েই তৈরি করা হয়েছে। এতে ২২টি তফশিলি এবং ইংরেজি ভাষা ব্যবহারের কথাও জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন। মোট ১০ কোটির বেশি নিবন্ধীকরণের কাজ করতে পারবে বলে আরও জানা গিয়েছে। তবে দৈনিক গড় সংখ্যা হবে অনুমানিক ২ লক্ষ ৭০ হাজার। এখনও পর্যন্ত ১১ লক্ষের বেশি বুথ লেভেল অফিসার এখানে কাজ করেছেন। ১৫০ কোটিরও বেশি নথি ডিজিটাইজ (Election Commission) করার কাজ হয়েছে।

  • Vande Bharat Sleeper Train: বন্দে ভারত স্লিপারে যাত্রার ৮ ঘণ্টা আগে টিকিট ক্যান্সেল করলে ফেরত নয় কোনও টাকা

    Vande Bharat Sleeper Train: বন্দে ভারত স্লিপারে যাত্রার ৮ ঘণ্টা আগে টিকিট ক্যান্সেল করলে ফেরত নয় কোনও টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের (Vande Bharat Sleeper Train) টিকিট বাতিলে কড়া নিয়ম কার্যকর করল ভারতীয় রেল। এখন থেকে যাত্রার ৮ ঘণ্টা আগে বাতিল করলে মিলবে না কোনো টাকা। টিকিট এবং ক্যান্সেল টিকিটের রিটার্ন নিয়ে কোনও ভাবেই আপস করবে না ভারতীয় রেল (Indian Rail)। তাই বন্দে ভারত স্লিপার কোচে যাত্রীদের টিকিট বাতিল প্রক্রিয়ায় দাম ফেরতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু হওয়ার প্রাক্কালে টিকিট বাতিলের নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন আনল রেল বোর্ড। এই প্রিমিয়াম ট্রেনের ক্ষেত্রে সাধারণ ট্রেনের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর ‘ক্যানসেলেশন চার্জ’ ধার্য করা হয়েছে।

    টিকিট বাতিলের নতুন নিয়মাবলী (Vande Bharat Sleeper Train):

    কত সময়ে আগে টিকিট ক্যান্সেল করলে টাকা কাটা হবে।

    যাত্রার ৭২ ঘণ্টার আগে: ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ৭২ ঘণ্টার বেশি আগে কনফার্মড টিকিট বাতিল করলে ভাড়ার ২৫% শতাংশ টাকা কেটে নেওয়া হবে।

    ৭২ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে: ট্রেন (Vande Bharat Sleeper Train)  ছাড়ার ৭২ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত টিকিট বাতিল করলে ভাড়ার ৫০% শতাংশ টাকা মাশুল হিসেবে কাটা হবে।

    ৮ ঘণ্টার কম সময়: যাত্রার নির্ধারিত সময়ের ৮ ঘণ্টা আগে থেকে টিকিট বাতিল করলে কোনো অর্থই আর ফেরত (রিফান্ড) পাওয়া যাবে না।

    অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

    ১. টিডিআর (TDR) জমার সময়সীমা: ট্রেন ছাড়ার ৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত যদি টিকিট বাতিল না করা হয় অথবা অনলাইনে টিডিআর (Ticket Deposit Receipt) ফাইল না করা হয়, তবে রিফান্ডের কোনও সুযোগ থাকবে না।

    ২. সর্বনিম্ন দূরত্ব ও আরএসি (RAC): বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ক্ষেত্রে টিকিটের সর্বনিম্ন দূরত্ব ধরা হবে ৪০০ কিলোমিটার। উল্লেখ্য, এই ট্রেনে আরএসি (RAC) বা ‘রিজার্ভেশন এগেইনস্ট ক্যানসেলেশন’-এর কোনো সুবিধা থাকবে না।

    ৩. সংরক্ষণ কোটা: বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী এই ট্রেনে কেবল মহিলা, প্রতিবন্ধী, প্রবীণ নাগরিক এবং ডিউটি পাসের কোটা বহাল থাকবে। এছাড়া অন্য কোনো বিশেষ কোটা এই ট্রেনের (Vande Bharat Sleeper Train) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

    ৪. অমৃত ভারত-২ এক্সপ্রেস: চলতি মাসে চালু হওয়া অমৃত ভারত-২ এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ভাড়ার দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার ধার্য করা হয়েছে এবং এতেও আরএসি ব্যবস্থা থাকছে না।

    রেল বোর্ডের মতে, প্রিমিয়াম ট্রেনগুলোতে (Indian Rail) শেষ মুহূর্তে টিকিট বাতিলের প্রবণতা কমানো এবং আসন সংখ্যা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

  • Suspect Registry: সাইবার জালিয়াতি দমনে বড় সাফল্য, লক্ষাধিক জাল লেনদেন রুখল কেন্দ্রের ‘সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি’

    Suspect Registry: সাইবার জালিয়াতি দমনে বড় সাফল্য, লক্ষাধিক জাল লেনদেন রুখল কেন্দ্রের ‘সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার জালিয়াতির বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেল কেন্দ্রীয় সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উদ্যোগে চালু হওয়া জাতীয় সাইবার অপরাধ ‘সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি’  (Suspect Registry) ইতিমধ্যেই হাজার হাজার কোটি টাকা বাঁচাতে সক্ষম হয়েছে। সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এই রেজিস্ট্রির মাধ্যমে লক্ষাধিক প্রতারণামূলক লেনদেন রিয়েল-টাইমে আটকানো সম্ভব হয়েছে।

    কী এই ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি

    ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই রেজিস্ট্রির উদ্বোধন করেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (I4C) এই উদ্যোগটি পরিচালনা করছে। এর মূল উদ্দেশ্য—সাইবার অপরাধীদের আগেভাগেই শনাক্ত করে অনলাইন প্রতারণা প্রতিরোধ করা। এই রেজিস্ট্রি তৈরি হয়েছে ন্যাশনাল সাইবারক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টাল (NCRP)-এ নাগরিকদের জমা দেওয়া অভিযোগ, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, গোয়েন্দা বিভাগ এবং বিভিন্ন পুলিশ দফতরের তথ্যের ভিত্তিতে।

    কীভাবে কাজ করে সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি

    বর্তমানে এই রেজিস্ট্রিতে প্রায় ১৪ লক্ষের বেশি সন্দেহভাজন সাইবার অপরাধীর তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— মোবাইল নম্বর, ই-মেল আইডি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, অন্যান্য ডিজিটাল পরিচয়। যখনই ইউপিআই, নেট ব্যাঙ্কিং বা ডিজিটাল পেমেন্ট অ্যাপের মাধ্যমে কোনও লেনদেন শুরু হয়, তখন সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক বা পেমেন্ট গেটওয়ে সেই তথ্য সাসপেক্ট রেজিস্ট্রির সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। যদি কোনও সন্দেহভাজন সাইবার অপরাধীর সঙ্গে মিল পাওয়া যায়, তাহলে লেনদেনটি সঙ্গে সঙ্গে বাতিল করে দেওয়া হয়। ফলে প্রতারণামূলক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছনোর আগেই তা আটকানো সম্ভব হচ্ছে।

    এআই প্রযুক্তির ব্যবহার

    এই রেজিস্ট্রিতে ব্যবহার করা হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর ডেটা অ্যানালিসিস ও প্যাটার্ন রিকগনিশন টুল। নতুন অভিযোগ ও তথ্য যুক্ত হওয়ায় রেজিস্ট্রিটি প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে, যা একে আরও কার্যকর করে তুলছে। সাসপেক্ট রেজিস্ট্রির অ্যাক্সেস রয়েছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। সিবিআই, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED), রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশ এই রেজিস্ট্রি ব্যবহার করতে পারে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) ইতিমধ্যেই সব ব্যাঙ্ককে এই রেজিস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    কতটা সাফল্য মিলেছে

    সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ চালু হওয়ার পর প্রথম ৯০ দিনের মধ্যেই— ৬.১০ লক্ষের বেশি প্রতারণামূলক লেনদেন বাতিল করা হয়েছে। প্রায় ১৮০০ কোটি টাকার ক্ষতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট ৮,০৩১.৫৬ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সরকারি সূত্র স্পষ্ট করেছে, এই সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি জিএসটি জালিয়াতি শনাক্ত করার জন্য নয়। এটি শুধুমাত্র ফিশিং, অনলাইন প্রতারণা, ভুয়ো অ্যাপ, আইডেন্টিটি থেফট ও ডিজিটাল আর্থিক অপরাধ মোকাবিলার জন্য তৈরি। এই রেজিস্ট্রি তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০ এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে, যাতে জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি নাগরিকদের গোপনীয়তাও বজায় থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাসপেক্ট রেজিস্ট্রি ভারতের জন্য একটি গেম-চেঞ্জার, যা ভবিষ্যতে ডিজিটাল প্রতারণা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনবে।

  • PM Modi: ট্রাম্প-ফাঁদে পা দেননি মোদি, ইউরোপীয়রা এখনও ‘শিখছেন’ খামখেয়ালি ডোনাল্ডের কাছে!

    PM Modi: ট্রাম্প-ফাঁদে পা দেননি মোদি, ইউরোপীয়রা এখনও ‘শিখছেন’ খামখেয়ালি ডোনাল্ডের কাছে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) যদি আপনার ওপর ক্ষুব্ধ হন, তাহলে ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাও রেহাই পান না। মঙ্গলবার সেটাই কঠিনভাবে বুঝে নিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ এবং ন্যাটো প্রধান মার্ক রুট (PM Modi)। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই ট্রাম্প এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন প্রেমিকের মতো তাঁদের ব্যক্তিগত কথোপকথন প্রকাশ্যে এনে ফেলেন। এমনকি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারও ট্রাম্পের সঙ্গে বন্ধুত্বের ঢাক পেটানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চাগোস দ্বীপ চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের কাছে ‘ভয়ঙ্কর বোকামি’র জন্য তীব্র ভর্ৎসিত হন।

    ট্রাম্পের কাছে আনুগত্য (PM Modi)

    এই ঘটনাগুলি এক নির্মম সত্য সামনে এনে দিয়েছে। সেটি হল ট্রাম্পের কাছে আনুগত্য মানেই সম্মান নয়। ঠিক এখানেই ট্রাম্পের অস্থির বাণিজ্য-কূটনীতির মাঝে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কৌশলগত নীরবতা ও সুচিন্তিত পদক্ষেপ ভারতকে ‘ট্রাম্প-ফাঁদ’ এড়াতে সাহায্য করেছে বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। নতুন বছর শুরু হতেই ট্রাম্পের দৃষ্টি পড়ে গ্রিনল্যান্ডের ওপর। ভেনেজুয়েলায় সরকার পরিবর্তনের পদক্ষেপে উৎসাহিত হয়ে তিনি আরও আগ্রাসী হন। নিকোলাস মাদুরোর ক্ষমতা দখলের ঘটনায় বিশ্ব যখন বিস্ময়ে তাকিয়ে, তখন ইউরোপের প্রতিক্রিয়া ছিল নরম (PM Modi)। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্প যখন ইউরোপেরই এক সদস্য রাষ্ট্রকে নিশানা করে এবং ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর হুমকি দেন, তখন ইউরোপ বুঝে যায় এক কঠিন বাস্তবতা, ট্রাম্প বন্ধুত্বে বিশ্বাস করেন না, তিনি আদতেই একজন ব্যবসায়ী।

    সাতটি ইউরোপীয় মিত্র দেশের ওপর শুল্ক চাপানো

    ব্রিটেন এবং আরও সাতটি ইউরোপীয় মিত্র দেশের ওপর শুল্ক চাপানো হয়েছে, যদিও ট্রাম্প গত বছর ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন। অর্থাৎ, বাণিজ্য চুক্তি বা মার্কিন পণ্যের জন্য বাজার খুলে (Donald Trump) দিলেও ভবিষ্যতের শুল্ক থেকে রেহাই নিশ্চিত নয় (PM Modi)। এহেন প্রেক্ষাপটে ভারত অনেক আগেই সেই বাস্তবতা বুঝে ফেলেছিল, যা ইউরোপ এখন অনুভব করছে। অনিশ্চিত ‘ট্রাম্প ২.০’-এর যুগে শুল্ক শুধু বাণিজ্যিক অস্ত্র নয়, বরং ব্যক্তিগত ও ভূ-রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণে সব সময়ের হাতিয়ার। এই কারণেই মার্কিন চাপ সত্ত্বেও এবং ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সর্বোচ্চ শুল্ক আরোপের মুখে পড়েও, ভারত তড়িঘড়ি করে কোনও বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেনি।

    ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষ

    ২০২৫ সালের মে মাসে ট্রাম্প দাবি করেন, শুল্কের হুমকি দিয়ে তিনি ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষ থামিয়েছেন। ভারত দ্রুত বুঝতে পারে, এটি ছিল ট্রাম্পের ভূরাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন এবং নিজের শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার কৌশল (PM Modi)। ভারত স্পষ্ট জানায়, সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমেই যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। পাকিস্তান যেখানে ট্রাম্পের তথাকথিত ‘মধ্যস্থতা’কে স্বাগত জানিয়েছিল, ভারত সেখানে সংযত কিন্তু দৃঢ় অবস্থান নেয়। সরাসরি ট্রাম্পকে আক্রমণ না করেও ভারত তার অবস্থান বজায় রাখে। গত ১৭ জুন ট্রাম্প ও মোদির মধ্যে এক উত্তপ্ত ফোনালাপ হয়। তার পরেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী মোদি স্পষ্ট জানান, যুদ্ধবিরতিতে আমেরিকার কোনও ভূমিকা ছিল না এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়েও আলোচনায় যাননি, পাকিস্তানের মতো অতিরিক্ত তোষামোদ না করেই।

    ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ

    এরই পরিণতি দ্রুত আসে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপান, যার মধ্যে রাশিয়ার তেল কেনার জন্য অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও ছিল। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এই শুল্কের হার মাত্র ১৯ শতাংশ। চিনের মোকাবিলায় ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক, যা আগের মার্কিন প্রশাসনগুলি সযত্নে গড়ে তুলেছিল, তা-ও টলমল করতে শুরু করে (PM Modi)।তারপরেও ভারত ধৈর্য ধরেছে। শুল্ক আরোপের (Donald Trump) পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কিংবা তাঁর মন্ত্রীরা ট্রাম্পের সঙ্গে বাকযুদ্ধে নামেননি। যদিও ট্রাম্পের সহযোগীরা প্রতিদিন নতুন অপমানসূচক মন্তব্য করছিল। ভারতকে ‘ক্রেমলিনের মানি লন্ড্রোম্যাট’ বলা থেকে শুরু করে ‘রক্তের টাকা’র অভিযোগ পর্যন্ত নানা ‘সম্ভাষণে’ ভূষিত করেছিল তাঁকে। এদিকে ট্রাম্প নিজে মোদির প্রশংসা চালিয়ে যান, ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ‘প্রিয়’, ‘সত্যিকারের’, ‘মহান’ বন্ধু বলে উল্লেখ করেন।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

    ভারত এই ভালো পুলিশ–খারাপ পুলিশ খেলায় পা দেয়নি। শুল্কের চাপ সত্ত্বেও কৃষি ও দুগ্ধ খাত খুলে দেওয়ার মতো একতরফা চুক্তিতে সই করেনি। বন্ধ করেনি রাশিয়া থেকে তেল আমদানিও। একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগও ছিন্ন করেনি। পীযূষ গোয়েল এবং এস জয়শঙ্করের মতো মন্ত্রীরা নেপথ্যে কূটনৈতিক ও বাণিজ্য আলোচনা চালিয়ে যান। দেশে বিরোধীদের আক্রমণের মধ্যেই মোদি ‘স্বদেশি’র ডাক দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থপরতার মোকাবিলা করেন (PM Modi)। তবে ভারত নিজেকে দুর্বলও হতে দেয়নি। সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে মোদির চিন সফর ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একান্তে একই গাড়িতে সফর ছিল একটি স্পষ্ট বার্তা -ভারতের সামনে রয়েছে বিকল্প কৌশলগত পথ। এটাই ভারতের বহু দশকের অ-সংযুক্ত বিদেশনীতির ভিত্তি।

    আংশিক বাণিজ্য

    একই সময়ে ভারত ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড ও ওমানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি সেরে ফেলে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি বড় চুক্তিও শীঘ্রই আসছে। নিঃশব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডালশস্যের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ভারত, যদিও এনিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল বয়ান নিয়ন্ত্রণ। বিদেশি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৭ জুনের পর মোদি চারবার ট্রাম্পের ফোন এড়িয়ে যান। কারণ, আংশিক বাণিজ্য চুক্তির ফল যে ট্রাম্প অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করতে পারেন, এ বিষয়ে ভারত সচেতন ছিলই (Donald Trump)। শেষ পর্যন্ত ১৭ সেপ্টেম্বর, মোদির জন্মদিনে ফোনালাপ হলে, ভারতই প্রথম নিজের বক্তব্য প্রকাশ করে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হঠকারী পোস্টের জন্য পরিচিত ট্রাম্পকে তাঁর নিজের খেলায় হারানোর এটিই ছিল কৌশল।

    ব্যক্তিগত কথোপকথন ফাঁসের অপমান

    মাক্রোঁ যদি মোদির পথ অনুসরণ করতেন, তবে হয়তো ট্রাম্পের হাতে ব্যক্তিগত কথোপকথন ফাঁসের অপমান এড়াতে পারতেন। সব মধুর কথাবার্তা ও চুক্তির পরেও পাকিস্তানও যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসা স্থগিত তালিকা থেকে বাদ পড়েনি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সংযম ও দৃঢ়তার ভারসাম্যই ভারতকে ট্রাম্প-ফাঁদ এড়াতে সাহায্য করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকও স্বীকার করেছেন, মোদি সরাসরি ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলতে না চাওয়ায় চুক্তি হয়নি (PM Modi)। ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ফারিদ জাকারিয়াও ভারতের কৌশলকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁর মতে, ট্রাম্প অস্থির ও খামখেয়ালি। তাই তাঁকে সামলাতে ধৈর্যই সবচেয়ে বড় অস্ত্র। ইউরোপ-আমেরিকার বর্তমান টানাপোড়েন প্রমাণ করেছে যে ভারতের সতর্ক কৌশল সময়োপযোগী। প্রকাশ্য আক্রমণ নয়, বরং স্বার্থ রক্ষা ও নেপথ্য কূটনীতি, এটাই ছিল ভারতের পথ। ট্রাম্পের কোনও স্থায়ী ব্যক্তিগত আনুগত্য নেই। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য, পরবর্তী লাভজনক চুক্তি। ভারত সেটা অনেক আগেই বুঝেছিল (Donald Trump)। ইউরোপ এবং অন্যরা এখনও নিত্য তাঁর কৌশল শিখে চলেছে। এই কারণেই এগিয়ে ভারত (PM Modi)।

LinkedIn
Share