Tag: Madhyom

Madhyom

  • Vijaypat Singhania: প্রয়াত রেমন্ড গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিজয়পত সিংহানিয়া, শোকস্তব্ধ শিল্প জগৎ

    Vijaypat Singhania: প্রয়াত রেমন্ড গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিজয়পত সিংহানিয়া, শোকস্তব্ধ শিল্প জগৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেমন্ড গ্রুপের (Raymond Group) প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা পদ্মভূষণ শিল্পপতি বিজয়পত কৈলাশপত সিংহানিয়া প্রয়াত (Vijaypat Singhania)। শনিবার সন্ধ্যায় মুম্বইয়ে ৮৭ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে ভারতের শিল্প মহলে শোকের ছায়া।

    পরোপকারী এবং এক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব

    বিজয়পত সিংহানিয়ার (Vijaypat Singhania) প্রয়াণের খবর নিশ্চিত করেছেন প্রয়াত শিল্পপতির ছেলে তথা রেমন্ড গ্রুপের (Raymond Group) বর্তমান চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর গৌতম সিংহানিয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন পোস্ট করেছেন তিনি। লিখেছেন, “গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, পদ্মভূষণ বিজয়পত কৈলাশপত সিংহানিয়া আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি ছিলেন এক দূরদর্শী নেতা, পরোপকারী এবং এক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব। তাঁর উত্তরাধিকার আগামী প্রজন্মের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবেন।”

    বর্ণময় কর্মজীবন

    ১৯৩৮ সালের ৪ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিজয়পত সিংহানিয়া (Vijaypat Singhania)। ১৯৮০ সালে রেমন্ড গ্রুপের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর হাত ধরেই রেমন্ড একটি সাধারণ টেক্সটাইল মিল থেকে বিশ্বের অন্যতম বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ডে পরিণত হয়। পুরুষের পোশাকে ‘দ্য কমপ্লিট ম্যান’ ট্যাগলাইনটি তাঁর সময়কালেই রেমন্ডকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়। শুধু সুতির কাপড় নয়, ইস্পাত এবং সিমেন্ট শিল্পেও তিনি বাড়িয়েছিলেন ব্যবসার পরিধি।

    অ্যাডভেঞ্চার ও অনন্য কৃতিত্ব

    ব্যবসার বাইরে বিজয়পত সিংহানিয়া (Raymond Group) ছিলেন একজন দক্ষ বৈমানিক এবং রোমাঞ্চপ্রিয় মানুষ। ২০০৫ সালে ৬৭ বছর বয়সে তিনি একটি হট এয়ার বেলুনে চড়ে প্রায় ৬৯,০০০ ফুট উচ্চতায় উঠে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। ১৯৮৮ সালে লন্ডন থেকে দিল্লি পর্যন্ত মাইক্রোলাইট বিমানে এককভাবে উড়ে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। ২০০৬ সালে ভারত সরকার তাঁকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘পদ্মভূষণে’ ভূষিত করে। মুম্বইয়ের শেরিফ (২০০৬-২০০৭) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

    শেষ বিদায়

    পারিবারিক সূত্রে খবর, আজ রবিবার দুপুর ১:৩০ মিনিটে মুম্বইয়ের এলডি রুপারেল মার্গের ‘হবেলি’-তে তাঁর (Vijaypat Singhania) মরদেহ অন্তিম দর্শনের জন্য রাখা হবে। এরপর বিকেল ৩টের সময় চন্দনবাড়ি শ্মশানঘাটে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা। স্ত্রী আশাদেবী এবং তিন সন্তান— গৌতম, মধুপতি ও শেফালিকে রেখে গিয়েছেন তিনি।

  • Holy Jihad Battle: ইজরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সামরিক অভিযান ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের

    Holy Jihad Battle: ইজরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সামরিক অভিযান ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ‘পবিত্র জেহাদ যুদ্ধে’র (Holy Jihad Battle) অংশ হিসেবে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সামরিক অভিযান চালাল ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। এই হুথিরাই (Yemens Houthis) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরান যুদ্ধে এখনও অবধি সর্বশেষ অংশগ্রহণকারী।

    হুথির বিবৃতি জারি (Holy Jihad Battle)

    এক বিবৃতিতে হুথির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, “আমাদের বাহিনী পবিত্র জেহাদ যুদ্ধের অংশ হিসেবে দ্বিতীয় সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে, যেখানে ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোনের মাধ্যমে দক্ষিণের দখল করা প্যালেস্তাইনে জায়োনিস্ট শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে টার্গেট করা হয়েছে। এই অভিযান ইরানে আমাদের মুজাহিদিন ভাইদের এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক অভিযানের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং আল্লাহর রহমতে এটি সফলভাবে তার লক্ষ্য পূরণ করেছে।” প্রসঙ্গত, এই বিবৃতিটি জারি করা হয় ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠী আনুষ্ঠানিকভাবে আঞ্চলিক সংঘাতে যোগ দেওয়ার মাত্র একদিন পর। ওই বিবৃতিতে তারা জানায়, তারা প্রথম সামরিক হামলায় ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করে ইজরায়েলের সামরিক টার্গেটে আঘাত হেনেছে। এই আক্রমণ ইরান ও লেবাননের মিত্র বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হয়েছে।

    আরও ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ!

    হুথিদের এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার জেরে আরও প্রসারিত হল ইরান, আমেরিকা ও ইজরায়েলের সংঘাতের পরিধি। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বহুমুখী যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়েছে। হুথিরা ঘোষণা করেছে, তারা তাদের ভাষায় “আগ্রাসন” বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাবে। এ থেকে স্পষ্ট, এটি এককালীন কোনও পদক্ষেপ নয়, বরং এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি উত্তেজনা বাড়তে পারে (Holy Jihad Battle)। এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলটিতে তাদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে। হাজার হাজার মেরিন ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছতে শুরু করেছে এবং আরও সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের সৈন্যরাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। যদিও মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, “ওয়াশিংটন কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই অভিযান শেষ করতে চায় এবং স্থলযুদ্ধ ছাড়াই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হতে পারে, তবুও এই সামরিক প্রস্তুতি সর্বোচ্চ কৌশলগত নমনীয়তা নিশ্চিত করতে করা হয়েছে।” বস্তুত, এই ঘটনাটি সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তাকেই তুলে ধরে (Yemens Houthis)।

    যুদ্ধের ক্ষত

    একই সময়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সামরিক ঘটনার সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়িয়েছেন, যার মধ্যে (Holy Jihad Battle) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে আলোচনাও রয়েছে। ইসলামাবাদ তুরস্ক ও সৌদি আরবের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছে। এর লক্ষ্য হল উত্তেজনা কমানো। তবে দ্রুত কোনও সমাধানের লক্ষণ এখনও দেখা যায়নি। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের ইরানের ওপর হামলার মাধ্যমে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, তা ইতিমধ্যেই গোটা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। বিপুল (Yemens Houthis) সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা (Holy Jihad Battle)।

     

  • PM Modi: মোদি-যোগীর হাতে উদ্বোধন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, বিমান চলাচলে নয়া দিগন্তের সূচনা

    PM Modi: মোদি-যোগীর হাতে উদ্বোধন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, বিমান চলাচলে নয়া দিগন্তের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়নে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী রইল দেশ। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাতে উদ্বোধন হল ‘নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ (Noida International Airport) বা জেওয়ার বিমানবন্দরের। এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশ নয়, বরং গোটা ভারতের বিমান চলাচল ও অর্থনৈতিক মানচিত্রে এক আমূল পরিবর্তন আনতে চলেছে।

    এশিয়ার বৃহত্তম বিমানবন্দর (PM Modi)

    জেওয়ারে নির্মিত এই বিমানবন্দরটি (Noida International Airport) সম্পন্ন হওয়ার পর এটি ভারতের তো বটেই, এমনকি এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম বিমানবন্দর হতে চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ এই বিমানবন্দরটি উত্তর ভারতের ‘লজিস্টিক গেটওয়ে’ হিসেবে কাজ করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “জেওয়ার বিমানবন্দর কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি উত্তর ভারতের উন্নয়নের নতুন ইঞ্জিন হয়ে উঠবে।”

    উত্তরপ্রদেশের রূপান্তর ও যোগী মডেল

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ যে ‘উত্তম প্রদেশ’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে, এই প্রকল্প তারই এক বড় প্রমাণ। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “এই বিমানবন্দরটি (Noida International Airport) আগামী দিনে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের শিল্পায়নে জোয়ার আনবে।” তিনি একে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) ‘গতি শক্তি’ প্রকল্পের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

    ভারতের বিমান চলাচলের ভবিষ্যৎ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, জেওয়ার বিমানবন্দর (Noida International Airport) দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেবে। এটি দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের মানুষের জন্য দ্বিতীয় একটি বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া আর যে সব সুবিধা মিলবে, সেগুলি হল, কানেক্টিভিটি: জেওয়ার বিমানবন্দর সরাসরি যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে এবং দিল্লি-বারাণসী হাই স্পিড রেলের (বুলেট ট্রেন) সঙ্গে যুক্ত হবে।

    অর্থনৈতিক প্রভাব: বিমানবন্দরের (Noida International Airport) আশপাশে ফিল্ম সিটি, মেডিকেল ডিভাইস পার্ক এবং ডেটা সেন্টার তৈরির কাজ চলছে, যা এই অঞ্চলকে একটি বিশ্বমানের অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করবে।

    নেট জিরো এমিসন: এই বিমানবন্দরটি পরিবেশবান্ধব উপায়ে তৈরি করা হয়েছে এবং এটি ভারতের প্রথম ‘নেট জিরো’ কার্বন নির্গমনকারী বিমানবন্দর হওয়ার পথে।

    বিরোধীদের তোপ ও উন্নয়নের জবাব

    উত্তরপ্রদেশে বিগতদিনের কংরেস-সপা-বসপা সরকারের সমালোচনা করে বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন, জেওয়ার প্রকল্পের পরিকল্পনা বহু দশক আগে হলেও ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী যোগীর ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলেই এই স্বপ্ন সত্যি হল।

  • RSS: ধর্মশালায় ধর্ম সম্মেলনে যোগ আরএসএস কর্তা এবং তিব্বতি ধর্মীয় নেতার

    RSS: ধর্মশালায় ধর্ম সম্মেলনে যোগ আরএসএস কর্তা এবং তিব্বতি ধর্মীয় নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS)-এর শতবর্ষ পূর্তি এবং দলাই লামার ৯০তম জন্মদিন উপলক্ষে ধর্মশালায় আয়োজিত ‘ধর্ম সম্মেলন’-এ অংশ নিলেন আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। রবিবারের এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিব্বতি আধ্যাত্মিক গুরু সপ্তম লিং রিনপোচে।

    সম্মেলনের মূল বক্তব্য (Dattatreya Hosabale)

    ধর্মশালা সফরের প্রথম দিনেই দত্তাত্রেয় হোসাবলে দলাই লামার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরপর তিনি তিব্বতি পার্লামেন্ট পরিদর্শন করেন এবং সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। কোতওয়ালি বাজারের কমিউনিটি হলে ‘দেবভূমি মৈত্রী সংঘ’ আয়োজিত ধর্ম সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “গৌতম বুদ্ধ শিখিয়েছিলেন এষ ধর্মঃ সনাতনঃ (Eshah Dharmah Sanatanah)। এর অর্থ হল, সনাতন ধর্মের শেকড় প্রকৃতির গভীরে প্রোথিত এবং মানবসেবাই প্রকৃত ধর্ম। করুণা, তপস্যা এবং আত্মত্যাগই হল ধর্মের পথ।”

    হোসবলে জানান, ইতিহাসজুড়ে মহান ব্যক্তিরা ধর্ম রক্ষা ও প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি গুরু তেগ বাহাদুরের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং জানিয়ে দেন, বর্তমানে দলাই লামাই বিশ্বজুড়ে শান্তির সেই বার্তাই ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

    সপ্তম লিং রিনপোচের প্রশংসা

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি লিং রিনপোচে দেশ ও বিশ্বজুড়ে একতা, সম্প্রীতি এবং সদিচ্ছা প্রচারের জন্য আরএসএস-এর (RSS) কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “পরিবেশ রক্ষা, অহিংসা এবং বিশ্ব শান্তির জন্য প্রত্যেকের কাজ করা প্রয়োজন। ভারত বিশ্বকে সঠিক পথ দেখিয়ে এই লক্ষ্যে নেতৃত্ব দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।”

    অংশগ্রহণকারী

    এই সম্মেলনে কিন্নর, লাহুল, স্পিতি এবং কাংড়া জেলা-সহ বিভিন্ন অঞ্চলের শত শত বৌদ্ধ সাধু সন্ত এবং  অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রান্তের সংঘচালক বীর সিং রাংরা, ক্ষেত্র কার্যবাহ রোশন যাদব, ক্ষেত্র প্রচারক যতীন এবং কিসমত কুমার প্রমুখ।

  • Donald Trump: ইরান যুদ্ধ ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে উত্তাল বিশ্ব, আমেরিকা-ইউরোপে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ

    Donald Trump: ইরান যুদ্ধ ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে উত্তাল বিশ্ব, আমেরিকা-ইউরোপে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) কট্টরপন্থী নীতি এবং ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন লাখ লাখ মানুষ। শনিবার আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন শহরে ‘নো কিংস’ (No Kings) ব্যানারে বিশাল বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ট্রাম্প প্রশাসন গণতান্ত্রিক রীতিনীতি উপেক্ষা করে স্বৈরাচারী মনোভাব প্রদর্শন করছে। আমেরিকার ৫০টি রাজ্যেই ৩,১০০টিরও বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    বিক্ষোভের মূল কারণ (Donald Trump)

    সূত্রের খবর, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান (Iran War) এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতিবাদে এই জনরোষ তৈরি হয়েছে। ব্রুস স্প্রিংস্টিন “স্ট্রিটস অফ মিনিয়াপোলিস” গানকে বিক্ষোভের ভাষা হিসেবে ব্যবহার করেন। নিউ ইয়র্ক থেকে শুরু করে আইডাহোর ছোট শহর ড্রিস— সর্বত্রই মানুষ প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভে অংশ নেন। ওয়াশিংটন, বোস্টন, আটলান্টা, শিকাগো এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো প্রধান শহরগুলিতেও মিছিল হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা পোস্টারে ‘গণতন্ত্র রক্ষা করো’ এবং ‘ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ করো’র মতো স্লোগান লেখা দেখা যায়।

    ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া

    বিক্ষোভের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো-তে সময় কাটাচ্ছিলেন। বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এআই (AI) দ্বারা তৈরি কিছু ভিডিও পোস্ট করেন, যেখানে তাঁকে রাজমুকুট পরিহিত অবস্থায় দেখা গিয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য বলেন, আমি কোনও ‘রাজা’ নই, তবুও এই ভিডিওগুলো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী ডেমোক্র্যাট নেত্রী ন্যান্সি পেলোসি এবং অন্যরা এই আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

    হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেল জ্যাকসন এগুলিকে “বামপন্থী অর্থায়নকারী নেটওয়ার্কের” ফসল বলে সমালোচনা করেছেন। এর প্রতি প্রকৃত জনসমর্থন খুবই কম। তিনি আরও বলেন, “ট্রাম্প (Donald Trump) ডিরেঞ্জমেন্ট থেরাপি সেশনগুলি নিয়েই শুধু মাথা ঘামায়। এই কাজের জন্য প্রচুর পরিমাণে অর্থ খরচ করা হয়।

    আন্তর্জাতিক প্রভাব

    কেবল আমেরিকাই নয়, ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও এই প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছে। ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডেও ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের (Iran War) সঙ্গে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ফের ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প (Donald Trump)  প্রশাসনের বিরুদ্ধে এটিই সবচেয়ে বড় জনবিক্ষোভ বলে মনে করা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁরা যুদ্ধের অবসান চান। চান সংবিধানে বর্ণিত জনগণের অধিকারের সুরক্ষা।

  • US Iran Conflicts: রণাঙ্গন মধ্যপ্রাচ্য! ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ, কী ভাবছে আমেরিকা? কতটা প্রভাব বিশ্বে?

    US Iran Conflicts: রণাঙ্গন মধ্যপ্রাচ্য! ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ, কী ভাবছে আমেরিকা? কতটা প্রভাব বিশ্বে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান যুদ্ধের (US Iran Conflicts) একমাস পার। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে (Iran‑Israel War) গোটা মধ্যপ্রাচ্য রণাঙ্গন হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের জেরে বিশ্বের ‘তৈলধমনী’ হরমুজ প্রণালী বন্ধ, আকাশসীমা বন্ধের প্রভাব গড়িয়েছে বহু দূর। পরিবেশই বদলে গিয়েছে। আতঙ্কিত যুদ্ধ কবলিত দেশের মানুষজন। যেসব দেশের যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব নেই, তাঁরা আশঙ্কায়। গত ২৮ মার্চ আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথ হামলায় তেহরানে প্রথম ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই-সহ শীর্ষ একাধিক নেতৃত্ব নিহত হন। এই হামলার আসল উদ্দেশ্য ছিল, ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো। ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে একটি পশ্চিমপন্থী সরকার প্রতিষ্ঠা করা। এই হামলার পরিকল্পনা চলছিল গত কয়েক মাস ধরেই। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই আমেরিকা ও ইজরায়েল বুঝতে পারে যে, তারা এমন এক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েছে, যারা ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর ধারণার চেয়েও অনেক বেশি সহনশীল ও বিধ্বংসী।

    যুদ্ধের শুরু ও বিস্তার

    ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে ওয়াশিংটন ও তেল আভিভ যৌথভাবে তেহরান, মিনাবসহ একাধিক শহরে বিমান হামলা শুরু করে। হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই এবং সামরিক ও গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তবে এত বড় আঘাতের পরও তেহরান নতিস্বীকার করেনি। প্রতিশোধে ইরান ইজরায়েল ছাড়াও উপসাগরীয় দেশগুলো—কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও জর্ডান—এর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। আবুধাবিতে ভূপাতিত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে দুজন নিহত হন, আর কুয়েতের শুওয়াইক বন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটে। টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র, বাঙ্কার-বাস্টার এবং আরও নানা ধরণের মারণাস্ত্রের অবিরাম আঘাতে জর্জরিত হওয়া সত্ত্বেও, ইরান স্বল্পমূল্যের অসংখ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে উপসাগরীয় দেশগুলোকে নাজেহাল করে চলেছে এবং হরমুজ প্রণালী অবরোধ করে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।

    হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি

    সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১২টিরও বেশি দেশে প্রায় ৪,৫০০ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ইরানেই মারা গিয়েছেন প্রায় ১,৯০০ জন। লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ইরানের দুটি বড় ইস্পাত কারখানা ধ্বংস হয়েছে এবং পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ-কে ঘিরে ইজরায়েলের সঙ্গে লেবাননে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে ১,১০০-র বেশি মানুষ নিহত এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরছাড়া। আমেরিকা-ভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংস্থার মতে, ইরানে এ পর্যন্ত ৩,৩০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে প্রায় ১,৪০০ জনই সাধারণ নাগরিক।

    মার্কিন ক্ষয়ক্ষতি ও ব্যয়

    মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ১০,০০০-র বেশি লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে এবং ইরানের ১৫০টিরও বেশি নৌযান ডুবিয়েছে। প্রাক্তন পেন্টাগন কর্মকর্তা ইলেইন ম্যাককাস্কার-এর মতে, যুদ্ধের প্রথম তিন সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতির খরচ ১.৪ থেকে ২.৯ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে। এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে যে, আইআরজিসি এবং অন্যান্য সামরিক ইউনিটগুলো কোনও একক বা কেন্দ্রীয় কমান্ড ছাড়াই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। কূটনৈতিক আঙিনায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের গালিবাফই মূলত নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।

    অর্থনৈতিক চাপ ও তেলের বাজার

    ইরান তার কৌশলগত অবস্থান ব্যবহার করে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। স্ট্রেইট অফ হরমুজ—যেখানে দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল পরিবাহিত হয়—সেখানে জাহাজ চলাচলে বাধা দিয়ে তারা সরবরাহ ব্যাহত করেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছে। বিশ্ব-বাজারে তেলের দাম ৪০ শতাংশেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্প শেষমেশ আলোচনার পথে ঝুঁকতে বাধ্য হন। ৬ এপ্রিল পর্যন্ত (মোট ১০ দিন) ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা স্থগিত রাখার ঘোষণা করেন তিনি। এক মাসের মধ্যে এই সংঘাত শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক সংকটে পরিণত হয়েছে। সামরিক, মানবিক ও অর্থনৈতিক—সব দিক থেকেই পরিস্থিতি ক্রমশ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।

    যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, শান্তি আলোচনা “ভালোই এগোচ্ছে।” তবে ইরান মার্কিন প্রস্তাবকে “একপাক্ষিক ও অন্যায্য” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে স্ট্রেইট অব হরমুজে পূর্ণ সার্বভৌমত্ব এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ। এদিকে, ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় কোনওরকম শিথিলতা আসবে না। যুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ইরান এখনও অদম্য মনোবলে বলীয়ান। তেহরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে, এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে একমাত্র তাদের শর্তেই। এই ঘোষণার সঙ্গে সাদুর্য রেখে তারা যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে গোপন বা ‘ব্যাক-চ্যানেল’ আলোচনাও শুরু করেছে। তবে এই আপাত শান্তির আড়ালেই লুকিয়ে আছে ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের এক ভয়াবহ আশঙ্কা। যার প্রস্তুতি হিসেবে হাজার হাজার মেরিন সেনা ও প্যারাট্রুপার ইতিমধ্যেই মধ্য এশিয়ার দিকে এগিয়ে আসছে।

    ভারতের কৌশলগত অবস্থানের দিকে তাকিয়ে বিশ্ব

    মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কালো মেঘ ঘনিয়ে আসতেই বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্রে ফের একবার উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে ভারতের নাম। সূত্রের খবর, ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সম্ভাব্য পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ রুখতে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টেলিফোনে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবর অনুযায়ী, মোদি ও ট্রাম্পের এই অতি গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি তথা ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ইলন মাস্কও। ২০২৬-এর এই উত্তাল সময়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বশান্তি ফেরাতে মোদি-ট্রাম্প-মাস্ক ত্রয়ীর এই ‘কানেকশন’ এক নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ইরান-ইজরায়েল সংঘাত যাতে কোনওভাবেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সে বিষয়ে মোদির পরামর্শ চেয়েছেন ট্রাম্প। ভারতের কৌশলগত অবস্থান ও ইরানের সঙ্গে দিল্লির সুসম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে যুদ্ধের আগুন নেভাতে মরিয়া আমেরিকা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সংকটে ভারতের মধ্যস্থতা এখন বিশ্বের কাছে সবথেকে বড় ভরসা। প্রধানমন্ত্রী মোদি আগেই ‘টিম ইন্ডিয়া’র আদলে বিশ্বব্যাপী সমন্বিত প্রয়াসের কথা বলেছিলেন, এবার ট্রাম্পের সঙ্গে এই কথা সেই পথকেই আরও প্রশস্ত করল।

  • IPl 2026: অপেক্ষার অবসান! বাইশ গজে ফিরছেন কিং কোহলি, আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ মুখোমুখি আরসিবি বনাম এসআরএইচ

    IPl 2026: অপেক্ষার অবসান! বাইশ গজে ফিরছেন কিং কোহলি, আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ মুখোমুখি আরসিবি বনাম এসআরএইচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান! শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএল ২০২৬-এর ১৯তম মরশুম (IPl 2026)। প্রথম ম্যাচেই নামছে বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরু (Royal Challengers Bengaluru) এবং ঈশান কিশনের হায়দরাবাদ (SunRisers Hyderabad)। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়া কোহলিকে আবার সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে দেখা যাবে। গত আইপিএলে আরসিবির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন বিরাট। ৬৫৭। যা আঠারো বছরের খরা কাটিয়ে আরসিবিকে তাদের প্রথম আইপিএল ট্রফি জিতিয়ে দেয়। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার এবারও কোহলির সেই রুদ্ররূপ প্রত্যাশা করছেন। তবে, গত জানুয়ারি মাসের পর আর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেট খেলতে দেখা যায়নি বিরাটকে। কিন্তু তাতে কী? তিনি তো কিং কোহলি।

    কিছুক্ষণ পরই শুরু আইপিএল

    মঞ্চ তৈরি। আর কিছুক্ষণ পরই শুরু আইপিএল (IPl 2026)। এই মরশুমের শুরুটা কিছুটা ব্যতিক্রমী। গত বছরের ট্র্যাজেডির কথা মাথায় রেখে কোনও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রাখা হয়নি। গতবার আরসিবি-র বিজয় উদযাপনের সময় ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় ১১ জন সমর্থকের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁদের স্মৃতিতে আরসিবি ভবিষ্যতে স্টেডিয়ামে ১১টি আসন খালি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেঙ্গালুরুতে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা সবসময় থাকে। ম্যাচ চলাকালীন প্রায়শই বৃষ্টি হয়। কিন্তু বেশিক্ষণ না। তবে শনিবারের আবহাওয়া ক্রিকেটের জন্য আদর্শ। আকাশ পরিষ্কার থাকবে। ম্যাচের সময় তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৮ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। বাতাসে আর্দ্রতা ৬০ শতাংশ। এদিন ম্যাচ বৃষ্টিতে বিঘ্নিত যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলা যায়। দীর্ঘদিন পর আবার ক্রিকেট ফিরছে বেঙ্গালুরুর স্টেডিয়ামে। একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের অপেক্ষায় থাকবে সবাই।

    হাই-স্কোরিং ম্যাচের ইঙ্গিত

    আরসিবি বনাম এসআরএইচ ম্যাচ মানেই বড় রান—সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই দুই দলের লড়াইয়ে রানের বন্যা দেখা গেছে। এবারের ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা কম। বিশেষ করে দুই দলের বোলিং আক্রমণ কিছুটা দুর্বল হওয়ায় ব্যাটারদের দাপট দেখার আশা করা হচ্ছে। দেখতে গেলে, শক্তি বিচারে দু’টো টিমের ব্যাটিং প্রায় সমানে-সমানে। আরসিবিতে ফিল সল্ট, রজত পাতিদার, ভেঙ্কটেশ আইয়ার, উইল জ্যাকস, বিরাট কোহলিরা রয়েছে। হায়দরাবাদে আবার রয়েছেন অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষান, ট্রাভিস হেড, হেনরিক ক্লাসেনরা। আরসিবি ব্যাটিং লাইন-আপে প্রচুর বিকল্প থাকলেও বোলিংয়ে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। অন্যদিকে এসআরএইচ-ও তাদের অধিনায়ক প্যাট কামিন্স-কে প্রথমদিকে পাচ্ছে না, যা তাদের বোলিং শক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে। এই মরশুমের প্রথম ভাগে এসআরএইচ-কে নেতৃত্ব দেবেন ঈশান কিষাণ। তাঁর এই নতুন দায়িত্ব নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে ক্রিকেটমহলে। যদিও তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে সফল নেতৃত্ব দিয়েছেন। তবে আইপিএল-এর চাপ সম্পূর্ণ ভিন্ন।

  • Assembly Elections 2026: নির্বাচনের আগে ও পরে হিংসা আটকাতেই হবে! পুলিশকে কড়া নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

    Assembly Elections 2026: নির্বাচনের আগে ও পরে হিংসা আটকাতেই হবে! পুলিশকে কড়া নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন নির্বাচন (Assembly Elections 2026)। ভোটের মুখে রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তা থেকে নিচু স্তরের কর্মীদের একগুচ্ছ নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। জামিন অযোগ্য পরোয়ানা কার্যকর করা নিয়েও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে কমিশনের। সূত্রের খবর, গত নির্বাচনের সময় যে সব অপরাধমূলক মামলা হয়েছিল সেগুলির তদন্ত দ্রুত শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। চার্জশিট বা ফাইনাল রিপোর্ট জমা দিতে হবে। পাশাপাশি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এসডিপিও-দেরও। পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের চিঠি দিয়েছে কমিশন। এসডিপিও-দের নিজের কর্মক্ষেত্রের পাশের মহকুমা ও জেলার পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য একটাই ভোট যেন হয় সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ।

    এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্দেশিকা

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতরের তরফে কড়া নির্দেশিকা, আগেরবারের ভোটের (Assembly Elections 2026) সময় দায়ের হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। সমস্ত জামিন-অযোগ্য ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে হবে। কোনও ওয়ারেন্ট ১০ দিনের বেশি ঝুলিয়ে রাখা যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এছাড়া, থানায় থানায় সমস্ত ঘোষিত ‘পলাতক’ ও ‘ওয়ান্টেড’ আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশ, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের তরফে সমস্ত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অতীতে যে সব জায়গায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ, বিক্ষোভ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে সেখানে বিশেষ পদক্ষেপ করতে হবে। কারা সম্ভাব্য গোলমালকারী, তাও চিহ্নিত করে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    অপরাধপ্রবণ ও মাদক কারবারিদের চিহ্নিত করতে হবে

    নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশ, অপরাধপ্রবণ ও মাদক কারবারিদের এলাকা চিহ্নিত করে, সেখানে সারাক্ষণ টহল ও পিকেটিং চালাতে হবে। দুষ্কৃতী বা সমাজবিরোধীরা থাকতে পারে এমন সন্দেহজনক হোটেল, বার, ধর্মশালা ইত্যাদি জায়গায় নিয়মিত তল্লাশি চালাতে হবে। নির্বাচনী অপরাধ বা আইনশৃঙ্খলার ঘটনার খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যেতে হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে লুক আউট নোটিস জারি করতে হবে পুলিশকে।

    আন্তঃজেলাভিত্তিক নাকা চেকিং

    আন্তঃজেলাভিত্তিক বেআইনি কার্যকলাপ, বিশেষ করে অবৈধ মদের কারবারের তথ্য দুই জেলার পুলিশদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সেইসঙ্গে আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে দিনরাত নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে, সীমান্তবর্তী সমস্ত রাস্তা, একাধিক লিঙ্ক রোড ও কাঁচা রাস্তায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নজরদারি জারি রাখতে হবে, নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। থানায় থানায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, নাকা পয়েন্টে গাড়িতে গাড়িতে তল্লাশি জোরদার করতে হবে। নাকায় লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরা ২৪ ঘণ্টা সচল আছে কি না, তাও নিশ্চিত করতে হবে।

    রাজনৈতিক সভায় নজরদারি

    রাজনৈতিক দলের সভা-জমায়েতও নজর রাখতে বলা হয়েছে। প্রার্থী, সভা, রোড শো, পথসভা ইত্যাদির নিরাপত্তা নিয়মিত খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ভোটের প্রচারে আসা হুমকির মুখে থাকা ভিআইপি বা নিরাপত্তাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পর্যবেক্ষক ও নির্বাচন আধিকারিকদের সফরেও তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ ঘটলে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে পুলিশকে।

    কমিশনের নিয়ন্ত্রণে

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) স্পষ্ট বার্তা, ভোটের সময় সকল সরকারি কর্মচারী কমিশনের অধীনে কাজ করেন। তাঁরা কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকেন। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে কমিশন। কমিশনের বার্তা, এই নির্দেশ শুধু কাগজে নয়, বাস্তবেও কঠোর ভাবে পালন করতে হবে। যদি কেউ নিজের কাজ ঠিক ভাবে না করেন, তা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। শুধু ভোটের দিনেই নয়, ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতেও সতর্ক থাকতে হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। গণনা পর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নজরদারি চালিয়ে যেতে হবে ও প্রয়োজনে দ্রুত রিপোর্ট পাঠাতে হবে কমিশনের কাছে।

    বুথে বুথে ওয়েবকাস্টিং পরিকাঠামো

    ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে। স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা হয়েছে একাধিক নির্দেশ। প্রচারের উত্তাপে জমে উঠেছে রাজনৈতিক ময়দান। ঠিক এই আবহেই ভোট প্রক্রিয়াকে নিখুঁত ও নিরপেক্ষ রাখতে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ করছে নির্বাচন কমিশন। বুথে পাঁচ মিনিট ক্যামেরা বন্ধ থাকলে রিপোল হতে পারে বলে জানিয়েছে কমিশন। সেই মর্মেই এবার বুথে বুথে ওয়েবকাস্টিং পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।

    বিশেষ পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব

    কমিশন সূত্রে খবর, সাধারণ নির্বাচন হোক বা উপনির্বাচন, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার গুরুদায়িত্ব থাকবে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের উপর। বিশেষ করে স্পর্শকাতর ও অশান্তি প্রবণ এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ভোটের আগেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হবে। বুথভিত্তিক প্রস্তুতি যাচাইয়ের পাশাপাশি ভোটের দিন সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাতে হবে। কোথাও কোনও অনিয়ম বা অভিযোগের খবর মিললেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে ভোটারদের নিরাপদ ও নির্ভয়ে ভোটদানের পরিবেশ নিশ্চিত করাও পর্যবেক্ষকদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

     

     

     

     

  • Defence Procurement: আরও এস-৪০০ থেকে নতুন পরিবহণ বিমান— ২.৩৮ লক্ষ কোটি টাকার সামরিক কেনাকাটায় ছাড়পত্র কেন্দ্রের

    Defence Procurement: আরও এস-৪০০ থেকে নতুন পরিবহণ বিমান— ২.৩৮ লক্ষ কোটি টাকার সামরিক কেনাকাটায় ছাড়পত্র কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে একযোগে একাধিক বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। শুক্রবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের শীর্ষ ক্রয় সংস্থা ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (DAC) প্রায় ২.৩৮ লক্ষ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা ক্রয় প্রস্তাবে ‘অ্যাকসেপ্ট্যান্স অফ নেসেসিটি’ (AoN) অনুমোদন দিয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই অনুমোদনের আওতায় ভারতীয় বায়ুসেনা, স্থলসেনা ও কোস্ট গার্ডের জন্য অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম কেনার পথ প্রশস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নতুন ব্যাচের এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (S-400 Air Defence System), মাঝারি ক্ষমতার পরিবহণ বিমান (MTA), আধুনিক আর্টিলারি গান ও নজরদারি ব্যবস্থা (AEW&C) এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রিত মানবহীন বিমান (RPA)। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, এটি সাম্প্রতিক কালের অন্যতম বৃহত্তম একদিনে অনুমোদিত প্রতিরক্ষা প্রকল্প।

    বায়ুসেনার শক্তি বাড়াতে ৬০টি নতুন পরিবহণ বিমান

    বায়ুসেনার জন্য ৬০টি মাঝারি পরিবহণ বিমান কেনার প্রস্তাবে ছাড়পত্র দিয়েছে ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল। এগুলি পুরনো সোভিয়েত আমলের এএন-৩২ (AN-32) ও আইএল-৭৬ (IL-76) বিমানের জায়গা নেবে। নতুন বিমানগুলির বহন ক্ষমতা ১৮ থেকে ৩০ টনের মধ্যে হবে, যা কৌশলগত ও ট্যাকটিক্যাল এয়ারলিফ্ট ক্ষমতা বাড়াবে। সূত্রের খবর, ১২টি বিমান সরাসরি বিদেশ থেকে কেনা হবে এবং বাকি ৪৮টি ভারতে তৈরি করা হবে, যা ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগকে আরও জোরদার করবে। এই প্রকল্পে আগ্রহ দেখিয়েছে মার্কিন সংস্থা লকহিড মার্টিন (Lockheed Martin) নির্মিত সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস (C-130J Super Hercules), এমব্রেয়ার (Embraer) নির্মিত সি-৩৯০ মিলেনিয়াম (C-390 Millennium) এবং এয়ারবাস ডিফেন্স নির্মিত (Airbus Defence and Space) নির্মিত এ-৪০০এম অ্যাটলাস (A-400M Atlas)।

    এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আরও ৫টি ইউনিট

    এর পাশাপাশি, রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আরও পাঁচটি ইউনিট কেনার অনুমোদন দিয়েছে ডিএসি। ২০১৮ সালে ভারত ৫টি এস-৪০০ সিস্টেম কেনার জন্য ৫ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছিল, যার মধ্যে ইতিমধ্যেই তিনটি স্কোয়াড্রন হাতে এসেছে। গত বছরের ‘অপারেশন সিদুঁর’-এ এই ব্যবস্থার কার্যকারিতা বিশেষভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলেই নতুন করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ঘাতক ইউসিএভি-র চারটি রেজিমেন্ট গঠন

    রিমোটলি পাইলটেড স্ট্রাইক এয়ারক্রাফ্ট (RPA) কেনার প্রস্তাবেও অনুমোদন দিয়েছে ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল, যা আক্রমণাত্মক ও নজরদারি অভিযানে ব্যবহৃত হবে। সূত্রের খবর, ডিআরডিও-র তৈরি ঘাতক ড্রোনের (Ghatak UCAV) চারটি স্কোয়াড্রন গড়ে তোলার সবুজ সঙ্কেত মিলেছে কেন্দ্রের তরফে। দূরনিয়ন্ত্রিত আক্রমণাত্মক ঘাতক মানবহীন বিমানটি আক্রমণাত্মক প্রতিরোধমূলক ও সমন্বিত আকাশ অভিযানে অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি এটি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি ও গোপনে পরিদর্শন (ISR) কার্যক্রমও পরিচালনা করতে পারবে। পাশাপাশি সুখোই-৩০এমকেআই (Sukhoi Su-30MKI) যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ আপগ্রেডের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে তাদের কার্যক্ষমতা ও পরিষেবা জীবন বাড়ে।

    সেনাবাহিনীর জন্য আধুনিক প্রযুক্তি

    স্থলসেনার জন্যও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে ছাড়পত্র মিলেছে। এর মধ্যে রয়েছে এয়ার ডিফেন্স ট্র্যাকড সিস্টেম, হাই ক্যাপাসিটি রেডিও রিলে সিস্টেম, ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী (আর্মার পিয়ার্সিং) গোলাবারুদ এবং আকাশে নজরদারি ব্যবস্থা। এছাড়া দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ধনুষ আর্টিলারি গান (Dhanush artillery gun) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশীয়ভাবে তৈরি ১৫৫ মিমি x ৪৫-ক্যালিবার টোড আর্টিলারি গান বোফর্স প্ল্যাটফর্মের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এই সিস্টেমে ডিজিটাল কন্ট্রোল, উন্নত টার্গেটিং ও ন্যাভিগেশন রয়েছে এবং এটি প্রায় ৩৮ কিলোমিটার পর্যন্ত লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম।

    উপকূলরক্ষীদের জন্য হাই-স্পিড হোভারক্রাফ্ট

    ভারতীয় কোস্ট গার্ড বা উপকূলরক্ষী বাহিনীর জন্য হেভি ডিউটি এয়ার কুশন ভেহিকল (হোভারক্রাফ্ট) কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলি উপকূলীয় নজরদারি, উদ্ধারকাজ ও দ্রুত লজিস্টিক সাপোর্টে ব্যবহৃত হবে।

    রেকর্ড পরিমাণ প্রতিরক্ষা অনুমোদন

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে এখনও পর্যন্ত ডিএসি মোট ৫৫টি প্রস্তাবে ৬.৭৩ লক্ষ কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে। একই সময়ে ২.২৮ লক্ষ কোটি টাকার ৫০৩টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। কর্তাদের মতে, এই সিদ্ধান্তগুলি দেশের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ, স্বনির্ভরতা এবং সামগ্রিক প্রস্তুতি আরও মজবুত করার দিকেই বড় পদক্ষেপ।

  • Assembly Election 2026: কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণ! রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব কমিশনের

    Assembly Election 2026: কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণ! রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পরোক্ষে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নকশালবাড়িতে জনসভা করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। সেই সভার একটি বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এনিয়ে রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে দিল্লি থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

    অভিযোগ, গত ২৫ মার্চ দার্জিলিং জেলার নকশালবাড়ির নন্দপ্রসাদ গার্লস’ হাই স্কুলের মাঠে একটি জনসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই সভায় তিনি সিআরপিএফ জওয়ানদের উদ্দেশে পরোক্ষ ভাবে হুঁশিয়ারি দেন এবং মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে বলেন। প্রয়োজনে গৃহস্থালির রান্নার সামগ্রী ব্যবহার করার কথাও উল্লেখ করেন বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে, সিআরপিএফ জওয়ানেরা যদি পরিস্থিতি সামাল দিতে হস্তক্ষেপ করেন, তবে তাঁরা আইনি জটিলতা বা ফৌজদারি অভিযোগের মুখে পড়তে পারেন বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। কমিশনের মতে, ওই মন্তব‍্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তাই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব

    উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ দুপুরে মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্রের প্রার্থী শঙ্কর মালাকারের সমর্থনে সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে মা-বোনেদের ভোটকেন্দ্র পাহারার দায়িত্ব দেন তিনি। যত ক্ষণ না ইভিএম গণনা কেন্দ্রে পৌঁছে যাচ্ছে তত ক্ষণ হাতা-খুন্তি নিয়ে সেখানে পাহারা দেওয়ার কথাও বলেন তৃণমূল নেত্রী। মমতার আশঙ্কা, ভোট লুট হতে পারে, কেউ ভয় দেখাতে পারে। তাই মা-বোনেদের কেউ ভয় দেখাতে এলে রান্না ঘরের নানা সামগ্রী নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বলেছেন তিনি। এনিয়ে বিরোধীদের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। যেহেতু এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে বলা হয়েছে, বাহিনীর জওয়ানরা কোনও সংঘাতের পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করলে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে কমিশন। সেই কারণে কমিশন ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন। এই রিপোর্ট গেলেই বোঝা যাবে নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ নেয়।

LinkedIn
Share