মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক কৃষ্ণচেতন সমাজ সংগঠন ইসকনের (ISKCON) প্রবক্তা শীল প্রভুপাদের ভক্তিবেদান্ত সমগ্র জীবন মানবজাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস এবং তিনি ভারতীয় সংস্কৃতি, সনাতনী মূল্যবোধ ও ভগবত গীতার সার্বজনীন বার্তা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছেন। ইসকন সমগ্র মানব সমাজকে নতুন দিক দেখিয়েছে— এভাবেই মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) এর সরসংঘ চালক মোহন ভগবত। সংঘের শতবর্ষ উপলক্ষে সরসংঘ চালক মোহন ভগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, সংঘের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ধর্মীয় কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ নয়, বরং ভারতকে বিশ্বের আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
বিশ্বের আধ্যাত্মিক কেন্দ্র ভারত(Mohan Bhagwat)
গত ১০ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে চন্দ্রোদয় মন্দিরে যান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। এরপর সংঘের কাজ সম্পর্কে বলেন, “সংঘ এবং চন্দ্রোদয় মন্দিরের (ISKCON) সঙ্গে যুক্ত ভক্তদের উদ্দেশ্য শুধু ধর্মীয় কাজকর্মেই সীমাবদ্ধ নয় বরং ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন, মানশীল শিক্ষাদান, সমাজসেবার মাধ্যমে ও সামাজিক সামঞ্জস্য রক্ষা করে ভারতকে বিশ্বের আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা। সমাজ, দেশ এবং রাষ্ট্রের জন্য সম্পূর্ণ সমর্পণ ভাব হল ধর্মীয় উপলব্ধির প্রধান উদ্দেশ্যে। তাই ধর্মের সঙ্গে রাষ্ট্রভক্তি একান্ত অপরিহার্য।”
মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) স্কুলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটি বার্তালাপে পড়ুয়াদের শিক্ষা, মূল্যবোধ ও সেবার গুরুত্ব উপলব্ধির বিষয়কে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়েছে আলোচনা করেছে। পড়ুয়াদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য সরসংঘ চালক বিশেষ ভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি মন্দিরে শ্রী রাধা বৃন্দাবন চন্দ্রের দর্শনও করেছেন এবং সমাজের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেছেন।
ভগবতগীতা অ্যাজ ইট ইজ- গ্রন্থ পরিদর্শন
চন্দ্রোদয় (ISKCON) মন্দিরের জনসংযোগ প্রধান ভারতারিষভ দাস জানিয়েছেন, মন্দির পরিদর্শনের পর মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) শ্রীল প্রভুপাদকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন। “ভগবতগীতা অ্যাজ ইট ইজ”- গ্রন্থের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত সংস্করণগুলো পরিদর্শন করে দেখেছেন। একাধিক নির্মাণাধীন মন্দির ভবনের মডেলও দর্শন করেছেন। সেই সঙ্গে মন্দিরের আধ্যাত্মিক উদ্দেশ্যও ব্যাখ্যা করেছেন। এদিন মোহন ভাগবতের সঙ্গে সংঘের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্বরাও উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply