মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতী (Visva-Bharati) বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেই স্থানেই তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা ওড়ালো সবুজ আবির এবং শুদ্ধিকরণ করতে গঙ্গাজল ছিটিয়ে দেওয়া হল উপাচার্যের দফতর ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। এই ঘটনায় কি শিক্ষাঙ্গনে শাসক দলের রাজনীতির প্রবেশ ঘটল? শিক্ষার আঙ্গিনায় কার্যত রাজনীতি চলছে বলে বিশিষ্টজনেরা অভিযোগ করে সরব হলেন।
কিভাবে ঘটল ঘটনা (Visva-Bharati)?
বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর পদের মেয়াদ শেষ হয়েছে। নতুন উপাচার্যকে নিজেদের বানানো ফলক দিয়ে ১৪ দিন পর ধরনা তুলে নিল তৃণমূল কংগ্রেস। পাশাপাশি, মেয়াদ শেষ হতেই উপাচার্যের দফতর ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে গঙ্গাজল ছিটিয়ে সবুজ আবির খেলল তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। গেট খুলে ভেতরে ঢুকে অকাল হোলি খেলায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কিন্তু শিক্ষাবিদরা প্রশ্ন তুলছেন এখানেই যে রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি থাকতেই পারে, আন্দোলন, দাবিদাওয়া থাকতেই পারে, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে শাসক দলের নেতারা এই আচরণ করে রাজনীতিকে ক্যাম্পাসের সঙ্গে যুক্ত করলেন না কি?
ক্যাম্পাসে রাজনীতির অভিযোগ
বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে উত্তাল হতে দেখা গিয়েছিল শান্তিনিকেতনকে। ৮ নভেম্বর তাঁর মেয়াদ শেষ হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন কলাভবনের অধ্যক্ষ সঞ্জয় কুমার মল্লিক।
বিশ্ব ঐতিহ্যের ফলকে আচার্য হিসাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও উপাচার্য হিসেবে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর নাম থাকলেও ব্রাত্য স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ১৪ দিন ধরে তৃণমূলের ধরনা বিক্ষোভ চলছিল৷ এদিন সেই বিক্ষোভ শেষ হল বলে জানা গিয়েছে।
বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিদায় নেওয়ার জন্য তৃণমূলের নেতারা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে গঙ্গাজল ছেটায়। কেন্দ্রীয় কার্যালয় সহ উপাচার্যের দপ্তরের সামনেও গঙ্গাজল ছেটানো হয়৷ পরে সেখানেই সবুজ আবির খেলায় মাতেন সকলে ৷ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সরকারি দফতরে ঢুকে অকাল আবির খেলা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই ঘটনা কার্যত রাজনৈতিক ভাবে উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply