TMC: কুড়মিদের নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের পাশে দাঁড়াল না দল, কোন্দল প্রকাশ্যে

TMC_(21)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়মি আন্দোলন নিয়ে বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূলের (TMC) কো-অর্ডিনেটের  অজিত মাইতির বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তোলপাড় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার রাজনীতি। ব্যাপক প্রভাব পড়েছে কুড়মি জনজাতির মধ্যেও। দিকে দিকে কুড়মি অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। অবশেষে কার্যত চাপে পড়ে সাংবাদিক বৈঠক করে জেলা তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব। মেদিনীপুর সংগঠনিক জেলা তৃণমূলের (TMC) সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া উচিত অজিত মাইতির। এমন বক্তব্যকে দল সমর্থন করে না। অজিত মাইতির পাশে যে দল নেই তা জেলা সভাপতির বক্তব্যেই স্পষ্ট। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

জেলা সভাপতির নির্দেশের পরও ফের বেফাঁস অজিত মাইতি, কী বললেন?

একদিকে যখন জেলা সভাপতি সাংবাদিক বৈঠক করছে তখন ফের বেলাগাম অজিত মাইতি। কুড়মি সমাজের মানুষেরা পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোনও রাজনৈতিক দলকে দেওয়াল লিখতে দেওয়া হবে না বলে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার বিরোধিতা করে প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে অজিতবাবুর  হুঁশিয়ারি, আমরা হাতে চুড়ি পড়ে বসে নেই। দেওয়াল আমরা লিখবই। দাসপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর সফরের প্রস্তুতি সভা থেকেই হুঁশিয়ারি দেন তিনি। উল্লেখ্য, অজিতবাবু কুড়মি নেতাদের খালিস্তানপন্থী নেতাদের সঙ্গে তুলনা করেন। তাঁর মন্তব্যের পর থেকেই কুড়মি আন্দোলন সম্পর্কে অজিত মাইতির মন্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অপমানিত হয়ে পথে নেমেছে কুড়মি সমাজ।  অবিলম্বে অজিত মাইতিকে ক্ষমা চাইতে হবে এমন দাবিতে সরব হয়েছে কুড়মি জনজাতির মানুষেরা। এই আবহেও ক্ষমা চাওয়া তো দূর অস্ত, শাসকদলের দাপুটে নেতার ঔদ্ধত্যে স্তম্ভিত শাসক দলের একাংশ। সব মিলিয়ে দল পাশে না থাকলেও তৃণমূল (TMC) বিধায়ক অজিত মাইতির মুখে যে লাগাম টানা যাচ্ছে না তা কার্যত স্পষ্ট। দেওয়াল লিখন নিয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন জেলা সভাপতি। তিনি বলেন,  দেওয়াল লিখনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে। গায়ের জোরে দেওয়াল লিখনের কোনও প্রশ্নই আসে না।

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share