মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল চাকরি বা পছন্দ মতো জায়গায় পোস্টিং নয়, টেটে (Recruitment Scam) প্রাপ্ত নম্বর বাড়ানোর জন্যও ছিল আলাদা আলাদা দর। বৃহস্পতিবার আদালতে এমনই দাবি করেছে সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী জানান, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টাকা তোলার ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা দর ছিল। কার নম্বর কত শতাংশ বাড়াতে হবে, সেই অনুযায়ী ঠিক হত দর। সিবিআইয়ের দাবি, কেউ যদি ৭০ শতাংশ নম্বর পেয়ে থাকেন, তবে সেই নম্বরকে ৭২ শতাংশ করার জন্য আলাদা দর।
নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam)…
আবার ৬৫ শতাংশকে ৭২ শতাংশ করার আলাদা দাম এবং অপেক্ষাকৃত বেশি দাম দিতে হত। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, এভাবেই প্রার্থীদের প্রাপ্য নম্বরের শতাংশের বিচারে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিআই। দালাল (Recruitment Scam) মারফত সেই টাকা যেত অন্যত্র। এদিন কেস ডায়েরি দেখে বিচারক প্রশ্ন করেন, সময় সময় অভিযোগগুলো বদলে যাচ্ছে…আপনার কেসের মূল অভিযোগগুলো কী।এরই উত্তর দিতে গিয়ে সিবিআই আলাদা আলাদা দরের কথা বলে।
আরও পড়ুুন: রিষড়ায় অশান্তি, পুলিশের কাছে সাহায্য চেয়েও পাননি বিচারকের পরিবার!
এদিকে, বিস্ফোরক দাবি করলেন নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে অভিযুক্ত বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। আদালত চত্বরে তাঁর দাবি, তাঁর মুখ দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলানোর জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। এনিয়ে আদালতে চিঠিও দিয়েছেন তিনি। এদিন আলিপুরের নগর দায়রা আদালতে শুনানি ছিল প্রাথমিকের নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার। আদালত চত্বরে নিয়ে আসা হয়েছিল দুই অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষ ও তাপস মণ্ডলকে।
অন্যদিকে, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (Recruitment Scam) নাম জড়িয়েছে জনৈক পার্থ সরকারের। সিবিআইয়ের দাবি, মন্ত্রী থাকাকালীন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে কেলেঙ্কারির টাকা পৌঁছে দিতেন এই পার্থ। জানা গিয়েছে, জেরায় প্রাক্তন তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষ দাবি করেন, দুর্নীতির কালো টাকা প্রথমে সংগ্রহ করতেন পার্থ। পরে তা পৌঁছে দেওয়া হত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। যদিও সংবাদ মাধ্যমের কাছে পার্থ সরকার দাবি করেছেন, কুন্তল ঘোষকে চেনেন না তিনি।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply