মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের প্রার্থী তালিকা নিয়ে শিলিগুড়ি লাগোয়া ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকা জুড়ে তৃণমূলের (TMC) ক্ষোভ-বিক্ষোভ চরমে উঠেছে। প্রার্থী তালিকায় নাম থাকবে না ধরে নিয়েই একাধিক তৃণমূলের নেতানেত্রী দলীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এদের মধ্যে স্থানীয় স্তরে দুই হেভিওয়েট নেতানেত্রী রয়েছেন। তাঁরা হলেন, ডাবগ্রাম-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিদায়ী উপপ্রধান নির্মল বর্মন ও এই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিদায়ী পঞ্চায়েত সদস্য সন্ধ্যা রায়।
অভিষেক বন্দ্যোপাধায়ের নবজোয়ার কর্মসূচি নিয়ে কী বললেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল (TMC) নেতা?
সময় যত গড়াচ্ছে, প্রার্থী তালিকা নিয়ে তৃণমূলের (TMC) মধ্যে বিদ্রোহ ততই ছড়িয়ে পড়ছে। মনোনয়ন পর্ব মেটার পর তৃণমূলের করুণ দশা আরও প্রকট হয়ে উঠবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নবজোয়ার কর্মসূচিতে ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেন। তার পরও কেন দিকে দিকে এত বিক্ষোভ, বিদ্রোহ? এ প্রশ্ন করছেন দলের নেতাকর্মীরা। ডাবগ্রামের তৃণমূলের উপ প্রধান নির্মল বর্মন বলেন, কোটি কোটি টাকা খরচ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচিতে ভোটাভুটি করে পঞ্চায়েতের প্রার্থী তালিকা তৈরি হল। কিন্তু প্রক্রিয়ার পুরোটাই প্রহসন ছিল। কেননা ভোটাভুটিতে যাঁদের নাম প্রার্থী তালিকায় ছিল, তাঁদের প্রায় কেউই সেই তালিকা মতো টিকিট পাননি। যারা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল করে আসছে তাদের চক্রান্ত করে ছেঁটে ফেলা হচ্ছে। কিছু নেতাদের পছন্দ মতো প্রার্থী তালিকা হয়েছে। এ কারণেই দলের একটা বড় অংশ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে। দলের মধ্যে ভাঙন শুরু হয়েছে।
কী বলল তৃণমূলের (TMC) জেলা নেতৃত্ব?
জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের (TMC) মুখপাত্র দুলাল দেবনাথ বলেন, যাঁরা দলের থেকে নিজের স্বার্থকেই বড় করে দেখেন, তাঁরাই দলবদল করছেন বা নির্দল হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। এতে ভোটে তৃণমূলের কোনও ক্ষতি হবে না।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply