মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের মিছিল থেকে গলায় গামছা জড়িয়ে দলীয় কর্মীদের সামনে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল বহিষ্কৃত তৃণমূল (TMC) কর্মীদের বিরুদ্ধে। পরে, তৃণমূল নেতাকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের বুদবুদ থানার দেবশালা এলাকায়। আক্রান্ত তৃণমূল নেতার নাম আজম মোল্লা। রাস্তায় ফেলে তাঁকে বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। পরে, তাঁকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালায় হামলাকারীরা। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই ঘটনায় দলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।
ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?
সোমবার সন্ধ্যায় বুদবুদের দেবশালা পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূলের (TMC) পদযাত্রা ছিল। সেই পদযাত্রায় অঞ্চলের সহ সভাপতি আজম মোল্লা সহ একাধিক দলীয় নেতাকর্মীরা ছিলেন। পদযাত্রা শেষ হওয়ার পর আজম সাহেব দেবশালা বাসস্ট্যান্ডের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। একটি গাড়ি করে কয়েকজন এসে তাঁর সামনে গাড়ি দাঁড় করায়। গলায় গামছা জডিয়ে তাঁকে ধরে বেধড়ক পেটানো হয়। পরে, গাড়িতে করে তুলে নিয়ে গিয়ে প্রায় দু’ কিলোমিটার দূরে একটি গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ফের হামলা চালানো হয়। হামলার জেরে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে, তাঁকে ফেলে রেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করে বুদবুদ থানার পুলিশ। আহত তৃণমূল কর্মীকে কাঁকসার রাজবাঁধের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে বুদবুদ থানার পুলিশ।
কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) নেতা?
জখম তৃণমূল (TMC) নেতা আজম সাহেব বলেন, ২০২১ সালে ৭ সেপ্টেম্বর দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সির ছেলে চঞ্চল বক্সি খুন হয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে। নাম জড়িয়ে ছিল বেশ কিছু তৃণমূল নেতার। তাদের নাম সামনে আসতেই তাঁদের বহিষ্কার করে তৃণমূল নেতৃত্ব। জামিনে মুক্তি পেয়ে সেই দুষ্কৃতীরা আমার ওপর চড়াও হয়। সমস্ত বিষয়টি দলীয় নেতৃত্ব জানে। পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। আমি চাই, অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply